ফন্ট সাইজ:
থিম:
ছায়াবৃত রোদ্দুর

৫ম পর্ব

লেখক: আয়রা ইবনাত

#ছায়াবৃত_রোদ্দুর

#আয়রা_ইবনাত

৫.

সূর্য উজ্জ্বল হয়ে তার কিরণ মাটির সব কিছুতে সোনালি আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে। বাতাসে হালকা গরম আর আর্দ্রতার মিশ্রণ আছে, যা শরীরকে সতেজ ও উদ্দীপ্ত বোধ করায়। পাখিরা এখন কণ্ঠরঙে গান করছে, বাগানের ফুলগুলো সূর্যের আলোয় যেন আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে। কাচের জানালায় সূর্যের আলোয় লালচে সোনার মতো ঝলমল করছে। সূর্যের তাপে অতিষ্ঠ হয়ে জানালার পর্দা টেনে এক হাতে এসি অন করে পুনরায় নিজের চেয়ারে বসল ইলহাম। এখন রোগী দেখার সময়, বাহিরে রোগীদের লম্বা সিরিয়াল। প্রায় বিশ থেকে ত্রিশ জন রোগী দেখার পর এখন পরবর্তী রোগীর অপেক্ষা। একজন বের হতে না হতেই আরেকজনের প্রবেশ ঘটে। ষাটোর্ধ এক মহিলার সাথে তার বয়সী এক ছেলে প্রবেশ করেছে ভেতরে। খুব সম্ভবত মা ছেলে হবে, দুজনকে সামনের চেয়ার ইশারা করলো সে, বসলে প্রশ্ন করলো

"সমস্যা কি খোলে বলুন"

বুকের বা পাশে ইশারা করে বলতে লাগলেন বয়োজ্যেষ্ঠ মহিলা

"মাঝে মধ্যে এইখানে চিনচিনে ব্যাথা হয়। আর তখন নিশ্বাস নিতে কষ্ট হয়"

"কত দিন ধরে হচ্ছে এমন?"

"দশ পনেরো দিন হবে"

"আমি দুইটি টেস্ট দিচ্ছি এগুলো করে আমাকে রিপোর্ট দেখাবেন। রিপোর্ট দেখে আমি ঔষধ প্রেসক্রাইব করে দিবো"

ছেলেটি মহিলাকে নিয়ে বেরিয়ে গেলে তখন একজন পুরুষের প্রবেশ ঘটে। তাকে বসার অনুমতি দিলে তিনি আসন গ্রহণ করেন। ইলহাম তাকে কিছু জিজ্ঞাসা করবে তৎক্ষনাৎ ডেস্কের উপর রাখা তার ফোনটি মৃদু আওয়াজে কেপে উঠে। সে স্ক্রিনে তাকালে দেখতে পেল ইরহামের নাম্বার, অপরপাশে বসে থাকা ব্যাক্তির থেকে অনুমতি চাইলো সে

"আংকেল, আপনি কি আমাকে কথা বলার জন্য দুই মিনিট সময় দিতে পারবেন?"

একজন খ্যাতিমান ডাক্তারের এমন অমায়িক ব্যাবহারে মুগ্ধ হলেন তিনি। হেসে নির্দ্বিধায় অনুমতি দিলেন তাকে। ফোন কানে তুলতেই অপর পাশ হতে ভেসে এলো বোনের উচ্ছ্বসিত কন্ঠের আওয়াজ। এক নাগারে চেচিয়ে যাচ্ছে সে

"ভাইয়ায়ায়া, ভাইয়ায়ায়া, ভাইয়ায়ায়ায়া আমি ঢাবিতে চান্স পেয়েছি"

বোনের খুশিতে ঠোঁট এলিয়ে হাসল সে। আজ তার রেজাল্ট ছিল অথচ সে এতো ব্যাস্ততায় তা ভুলেই বসেছিল। মুচকি হেসে বোনকে সাধুবাদ জানালো

"কংগ্র্যাটস বুচি, অনেক অনেক দোয়া রইলো তোর জন্য, অপেক্ষায় আছি খুব তাড়াতাড়ি তোর স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্পন হোক তোর"

অপর পাশ হতে ভেসে এলো বোনের উচ্ছ্বসিত কন্ঠের আওয়াজ

"থ্যাংক ইউ ভাইয়া, খুব তাড়াতাড়ি আমিও আসছি তোমার কাছে"

বোনের কথায় হাসল সে, হেসে বলল

"ইরহামকে দে"

"হ্যাঁ ভাইয়া বলো"

"তোর পরীক্ষা কবে?"

"খুব সম্ভবত জুন মাসে হবে"

"এপ্রিল মাস এসেছে মাত্র, প্রায় তিনমাস বাকি। ইনায়াকে নিয়ে চলে আয় এখানে, আমি সারাক্ষন কাজে ব্যাস্ত থাকবো নতুন নতুন এক জায়গায় ওর দেখাশোনা করবে কে? তুই অনলাইনে ক্লাস করে নিবি পরীক্ষার আগে গিয়ে পরীক্ষা দিবি"

"আচ্ছা ভাইয়া"

"হুম, আম্মু আব্বু কেমন আছে?"

"আলহামদুলিল্লাহ ভালো"

"ওকে, তাহলে এখন রাখছি, আমি ডিউটিতে আছি। ফ্রি হয়ে কল করবো"

একে একে প্রায় পঞ্চাশ থেকে ষাট জন রোগী দেখে শেষ হলে সস্থির নিশ্বাস ফেলল ইলহাম। বেলা তখন দুপুর গড়িয়ে বিকেল ছুঁইছুঁই, ঘড়ির কাটায় তিনটা বেজে বাইশ মিনিট। লাঞ্চ সেড়ে নিজের ক্যাবিনে চোখ বন্ধ করে বসে আছে সে। হয়ত শত ব্যাস্ততার পর একটু খানি বিশ্রামের প্রচেষ্টা। কাঠের দরজায় পরপর দুইবার ঠুকা পড়ার পর চোখ খোলে দরজার পানে তাকালো সে, ড. ফারিয়া চৌধুরী দাঁড়িয়ে দরজায়। বিরক্তিতে কপালে বাজ পড়লো তার, কেন যেন এই মেয়েটাকে সহ্য হয়না কেমন গায়ে পড়া মেয়ে। একটু সুযোগ পেলেই হামলে পড়বে গায়ের উপর। ইলহামের বিরক্তিভাব বুঝতে পেরেও তা তুয়াক্কা করলো না সে। লাল লিপস্টিকে রঞ্জিত ঠোঁট প্রসারিত করে অনুমতি চাইলো

"আসবো মিস্টার?"

ইলহামের ইচ্ছা হলো চেয়ার তুলে মেয়েটার মাথা ফাটিয়ে দিতে। এই ফ্রি সময়ে কোথায় একটু বিশ্রাম করবে তা না নিজের পারসোনাল সময়ে বা হাত ঢুকিয়ে কেমন বেহায়ার মতো হেলেদুলে বলছে আসবো মিস্টার! সে না চাইতেও ছোট করে উত্তর দিলো

"হুম"

তার অপর পাশে চেয়ার টেনে বসে প্রানবন্ত হেসে সুধালো ফারিয়া

"ডিস্টার্ব করলাম নাকি?"

বিরক্তিতে নাক মুখ কুঁচকে তার কৃতিম সৌন্দর্যে ভরপুর মুখের পানে তাকালো ইলহাম। এবার ইচ্ছে করছে এক ঘুষি মেরে সরু নাকটা থেতলে দিতে। 'চ' সুচক শব্দ করে বলল

"সেটা কি আপনি বুঝতে পারছেন না মিস ফারিয়া? একজনের পারসোনাল টাইমে এসে তার কাজে ব্যাঘাত ঘটিয়ে আবার জিজ্ঞাসা করছেন ডিস্টার্ব করলাম নাকি?"

মেকি হাসল সে।

"সো স্যরি মিস্টার আসলে খুব বোর হচ্ছিলাম তাই ভাবলাম আপনার সাথে একটু সময় কাটাই"

"খুব ভালো বোর হচ্ছিলেন তো বসে বসে গাছের পাতা গুনতেন এখানে কি? আমার আপনার সাথে সময় কাটানোর কোনো ইন্টারেস্ট নেই"

প্রত্যক্ষ অপমানিত হয়েও তা গায়ে মাখলো না সে। সাদা এপ্রোনের কলার টেনে বুকের ভাজ উন্মুক্ত করে আকৃষ্ট করতে চাইলো ইলহামকে। ডেস্কের উপর ভর ছেড়ে কিছুটা ঝুকে ইলহামের দৃষ্টি আকর্ষনের বৃথা চেষ্টা করে কন্ঠে আওয়াজ তুলল

"আপনি এমন কেন ইলহাম? আশে পাশে আমাদের মতো এতো এতো সুন্দরী মেয়েদের দিকে একটু তাকালে কি এমন হয়? শুধু কি প্রফেশন নিয়ে পড়ে থাকলেই হবে?এখন যদি জীবনটাকে উপভোগ না করেন তবে জীবনের আকাঙ্ক্ষা গুলো কবে পূরণ করবেন?"

বিরক্তিতে কপালের ভাজ আরও গাঢ় হলো তার। সামনের মেয়েটির আকার ইঙ্গিতকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে বিরক্তিকর কন্ঠে মৃদু চেচালো সে

"আপনার যদি কোনো প্রয়োজনীয় কথা না থাকে তবে আসতে পারেন মিস। আমি বিরক্তিবোধ করছি"

"আ..."

"বাহ, এখানে বুঝি ক্যামিস্ট্রি চলছে? প্র্যাকটিক্যাল হবে নাকি? না মানে ফ্রিতে বিনোদন নিতাম"

মেয়েলি কন্ঠের কারো উপহাস বাক্যে ফারিয়ার কথা অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। দুজনে চোখ ফিরিয়ে দরজার পানে তাকালে দেখতে পেল ইরা দাঁড়িয়ে আছে। দুঃখে কষ্টে কপাল চাপড়াতে ইচ্ছে হলো ইলহামের। এই মেয়ে আর আসার সময় পেলো না? এমনিতেই তাকে ক্যারেক্টারলেস উপাধি দিয়ে বসে আছে আর এখন তো আরও তিন ধাপ বেশি বুঝলো। সে গম্ভীর কন্ঠে আদেশ করলো ফারিয়াকে

"আপনি এখন আসতে পারেন"

সে আর কোনো কথা বাড়ালো না, দরজায় দাঁড়ানো ইরাকে পাশ কাটিয়ে চলে গেল সেখান থেকে। ইলহাম ব্যস্ত কন্ঠে ডাকলো ইরাকে

"আরে আপনি ভেতরে আসুন না!"

তার সাথের লোকেদের বাহিরে রেখে ভেতরে প্রবেশ করলো ইরা। ঠোঁট কামড়ে হেসে উপহাস করলো ইলহামকে

"হোয়াট এ টাইমিং! অসময়ে এসে পড়লাম বুঝি?"

আফসোসের ভান করে মুখে ছুক ছুক আওয়াজ করলো সে। ইলহাম তার ভুল সংশোধন করে দিতে বলল

"আপনি যা ভাবছেন তেমন কিছুই নয়, উনি আমার একজন সহকর্মী মাত্র। উনার কিছু কাজে এখানে এসেছিলেন"

"সে যাই হোক, আপনার ক্যারেক্টারের সার্টিফিকেট দিতে এখানে আসিনি আমি। একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজে এসেছি"

"বাহ, আজ একেবারে তুই থেকে আপনিতে চলে এসেছেন যে?"

"কোনো কারন ছাড়া কাউকে অসম্মান করিনা আমি। আজ আপনার সাথে আমার কোনো উঁচু নিচু ব্যাপার ঘটেনি সো অযথা মিসবিহেভ করবো না"

ইলহাম কে আর কোনো কথা বাড়ানোর সুযোগ না দিয়ে হাত ব্যাগ থেকে একটি খাম বের করে এগিয়ে দিলো তার দিকে। ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে আছে ইলহাম, সেকেন্ডের ব্যাবধানে কিছু মাথায় আসতেই ঠোঁট কামড়ে হাসল সে। হেসে বলল

"কাম অন জান্স, চিঠি? ইজ সো ব্যাকডেটেড। যা বলার চোখে চোখ রেখে বলো। চাইলে ঠোঁটে ঠোঁট রেখেও বলতে পারো"

দুষ্টু হেসে তাকে চোখ টিপ দিল সে। বিরক্তিতে 'চ' সুচক শব্দ করলো ইরা

"তুই আসলেই একটা লম্পট, ভালো কথার মানুষ না। এটা খোলে দেখ কি আছে তার পর পকপক করিস"

কপালে ভাজ ফেলে হাত বাড়িয়ে খামটি হাতে তুললো সে। ভেতর থেকে শুভ্র রঙের একটি চিঠি বের করে সময় নিয়ে পড়লো

ডাঃ ইলহাম ফারুকি

চিকিৎসক, শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতাল

প্রেরক:

সভানেত্রী, ইরা

আয়োজক – জনকল্যাণ মেডিকেল ক্যাম্প ২০২৫

তারিখ: ৩ এপ্রিল ২০২৫

বিষয়: স্বেচ্ছাসেবী চিকিৎসক হিসেবে অংশগ্রহণের অনুরোধ।

প্রিয় ডাঃ ইলহাম ফারুকি,

আসসালামু আলাইকুম। আশা করি আপনি সুস্থ ও ভালো আছেন।

আমরা আগামী ৪ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে শহরের উপকণ্ঠে, গরীব ও অসহায় মানুষের জন্য একটি ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন করতে যাচ্ছি, যেখানে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হবে।

এই মহৎ উদ্যোগে আপনাকে স্বেচ্ছাসেবী চিকিৎসক হিসেবে পেতে চাই। আপনার দক্ষতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি এই আয়োজনকে সার্থক করে তুলবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

আপনার সময়, উপস্থিতি ও আন্তরিকতা আমাদের জন্য গর্বের বিষয় হবে।

স্থান: চালাডোবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ (কাল্পনিক)

তারিখ ও সময়: ৪ এপ্রিল ২০২৫ সকাল ৯টা – বিকেল ৪টা

দীর্ঘ এক চিঠি পড়ে কোনো মন্তব্য না করে তার সম্মোধন নিয়ে প্রশ্ন তুললো সে

"প্রিয় ডাঃ ইলহাম ফারুকি? ওয়াও আমি জননেত্রী ইরা আহসানের প্রিয় হতে পেরেছি এটা তো সাত কপালের ভাগ্য"

মুহুর্তের মধ্যে তার চেহারার রঙ বদলে বিরক্তি সরে গিয়ে সেখানে দেখা দিল অপ্রকাশিত ক্রোধ আর ঘৃণা। ক্ষিপ্ত বাঘিনীর ন্যায় ডেস্কে থাবা দিয়ে গর্জন করে দাঁড়িয়ে গেল সে

"ডোন্ট কল মি ইরা আহসান জাস্ট কল মি ইরা, আই হেইট দিস টাইটেল"

অবাক হলো ইলহাম, সে তো এতোদিন জেনে এসেছে তার নাম ইরা আহসান কিন্তু এখন ইরা আহসান নাম নেওয়াতে ক্ষেপে গেল কেন? ইরা ইটস ওকে, কিন্তু আহসান পদবিতে সমস্যা কি? সে তাকে শান্ত করতে ব্যাস্ত হলো

"ওকে ওকে আ'ম স্যরি প্লিজ কাম ডাউন, এতো হাইপার হচ্ছেন কেন?"

নিজেকে সংযত করে ভেতরের ক্ষোভকে গিলে নিল ইরা। বুক ফুলিয়ে দীর্ঘনিশ্বাস ছেড়ে পুনরায় বসল চেয়ারটি তে। কথা সংক্ষিপ্ত করতে কন্ঠ খাদে নামিয়ে বলল

"কাল সকাল সাড়ে সাতটায় গাড়ি আসবে এখানে, আশা করছি আপনাকে আমরা সেখানে উপস্থিত পাবো"

"সিওর"

"ওকে, তাহলে আসছি"

ইরা চেয়ার ছেড়ে উঠতে যাবে তৎক্ষনাৎ অফার করলো ইলহাম

"মিস জিরা, চা অর কফি?"

ঠোঁট কামড়ে হাসল সে,

"নো, থ্যাংকস। আর হ্যাঁ ওইটা জিরা হবে না ইরা হবে একটি সহজ নামকে বার বার ভুল উচ্চারণ করে নিজের নকল সার্টিফিকেটের প্রমাণ দিবেন না"

প্রতিত্তুরে ইলহাম ঠোঁট এলিয়ে হাসল

"আপনি খুব চালাক মিস, যাইহোক আমাকে নকল সার্টিফিকেট আর ভূয়া সার্টিফিকেট যাই ধরিয়ে দিন না কেন। আমার কিন্তু আপনাকে ওই ভূল উচ্চারণে ডাকতেই ভালো লাগে"

শব্দ করে চেয়ার টেনে উঠে দাড়ালো ইরা। হাতের তর্জনি তুলে শাসালো ইলহামকে

"ডাকতে না পারলে ডাকবি না কিন্তু নেক্সট টাইম যেন আমার নামের বিকৃত উচ্চারণ আমি না শুনি মুখ থেতলে দিবো। শালা গিরিঙি-বাজ"

আর এক মুহূর্ত সেখানে দাড়ালো না সে। হনহনিয়ে প্রস্থান করলো সেখান থেকে, বুকের বাপাশ চেপে পেছন থেকে চেচিয়ে উঠলো ইলহাম

"উফ জান্স, এখানে লাগলো তো"

আর কোনো প্রতিত্তুর আসলো না অপর পাশ হতে। সেকেন্ডের ব্যাবধানে তার ছায়া মিলিয়ে গেল সেখান থেকে। দুপাশে মাথা নেড়ে ঠোঁট কামড়ে হাসল ইলহাম। মেয়েটা আসলেই একটা মারাত্মক জিনিস। যেমন তার রূপ তেমন তার তেজ। হায়, সে তো তার প্রেমের জোয়ারে ভেসে যাচ্ছে এর কূলকিনারা কোথায় মিলবে?

#চলবে

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৫ম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন