ফন্ট সাইজ:
থিম:
ছায়াবৃত রোদ্দুর

৮ম পর্ব

লেখক: আয়রা ইবনাত

#ছায়াবৃত_রোদ্দুর

#আয়রা_ইবনাত

৮.

সূর্যের আলো তখনও নরম, আকাশের রঙ হালকা নীলের মধ্যে লালচে ছোঁয়া মিশে আছে। দূর থেকে ভেসে আসছে নাম জানা পাখির ডাক, অভ্যাসবশত ভোরের আলো ফুটতেই ঘুম ভাঙলো ইরার। ঘন্টা দেড়েক পূর্বেই ঘুমিয়েছে হয়তো, পর্যাপ্ত পরিমান ঘুম না হওয়ায় মাথা ভাড়ী ভাড়ী লাগছে। নিজেকে আবিষ্কার করলো কারো শক্ত বাহুবন্ধনে। কয়েক সেকেন্ডে সময় নিয়ে মস্তিষ্ক কার্যক্ষমতা ফিরে পেতেই একে একে সবকিছু মনে পড়লো তার। সারা রাত তাকে বেপরোয়া অত্যাচার করেছে ইলহাম, অবশেষে ক্লান্ত হয়ে তাকে আলিঙ্গন করে শুয়ে পড়েছিলো। সে অনেক ছটফট করেছিল তবুও তার বাধন খোলে দেয়নি। হাত পা নাড়ালো সে, তাদের মুক্ত অনুভব হতেই হাফ ছাড়লো। হয়তো সে ঘুমানোর পর খোলে দিয়েছে। রাগের পারদ থরথর করে বেড়ে গেল তার, একহাতে মুচড়ে ধরলো ইলহামের হাত। অপর হাতে জোড়ালো ঘুষি বসালো তার নাকে, ঘুমন্ত ইলহাম বিকট চিৎকার দিয়ে লাফিয়ে উঠলো। ব্যাথায় মুখ বেকে আছে, দুহাতে চেপে ধরলো নাক। তরল পদার্থ হাত স্পর্শ করতেই চোখের সামনে মেলে ধরলো সে। রক্ত! আঁতকে উঠলো ইলহাম। দাত কিড়মিড় করে ধমকে উঠলো তাকে

"ইডিয়েট কি করেছো এটা?"

দুহাতে বিছানার চাদর আকড়ে ধরে গায়ে পেঁচিয়ে আছে সে। রাগের পরিমান বিন্দুমাত্র কমেনি, সে পারছেনা ইলহামকে মাথায় তুলে আছাড় দেয়

"বা*স্টার্ড, জাস্ট শাট ইউর ফা*কিং মাউথ"

"বিহেভ ইউরসেল্ফ, আম ইউর হাজবেন্ড"

"তুই আমার শা*উ*য়ার জামাই। জানো*য়ার, সাহস থাকে তো এখন লড়ে দেখা"

নাকের ব্যাথায় চোখ মুখ কুচকে আছে ইলহাম, বিছানার চাদরের এক প্রান্ত দিয়ে চেপে আছে নাক। ইরা রেগে আছে, এখন ওর সাথে কথা বাড়ানো মানে অযথা হট্টগোল করা। তাকে এড়িয়ে যেতে চাইলো ইলহাম। বিছানা ছেড়ে ওয়াশরুমের দিকে পা বাড়ালে চেচিয়ে উঠলো ইরা

"এখন আমি কি পরবো?"

"সেটা আমাকে মারার আগে ভাবা উচিত ছিল"

সে চলে গেছে ওয়াশরুমে, পেছন থেকে চেচিয়ে যাচ্ছে ইরা

"তুই কিন্তু খুব বাড়াবাড়ি করছিস!"

কোনো প্রতিত্তোর আসলো না অপর পাশ হতে। প্রায় দশ থেকে পনেরো মিনিট পর কোমড়ে তোয়ালে পেঁচিয়ে বেরিয়ে এলো ইলহাম। আয়নার সামনে দাড়িয়ে নাকের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করলো। লাল হয়ে খানিকটা ফুলে গেছে তবে রক্ত পড়া থেমেছে। ইরা এখনও বিছানায় বসে আছে, চেহারায় রাগের আভাস বিদ্যমান। নিজের জন্য এক সেট কাপড় বের করে ইরার জন্য একটি টিশার্ট আর থ্রি কোয়াটার বের করলো ইলহাম। বিছানায় রেখে নিচু কন্ঠে বলল

"আপাতত এটা পড়ে নাও, নতুন কাপড় এনে দিচ্ছি"

সে ঘড়িতে তাকিয়ে দেখলো সাড়ে সাতটা বাজে এতো সকাল নিশ্চয়ই তার জন্য কোনো দোকান খোলে বসে নেই কেউ। তবুও কোনো প্রশ্ন করলো না সে, বলেছে এনে দিবে এখন যেভাবে পারে এনে দিক।

পরিপাটি হয়ে কক্ষের বাহিরে বের হতেই দেখা হলো আয়ুশের সাথে। সে ব্রেকফাস্ট রেডি করছে, ইলহামকে দেখে লম্বা হাসি দিলো

"কি ব্রো? আজ তোকে একটু বেশিই ফিট লাগছে"

"লাগবেই তো নতুন বিয়ে করেছি একটা ব্যাপার আছে না?"

"হুউউম, রাতে বউ পেটাচ্ছিলি নাকি ভাই?"

দুষ্টু হেসে ভ্রু নাচালো আয়ুশ, ইলহাম বুঝতে পারলো সে কিসের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সেও অনুরূপ উত্তর দিলো

"অবাধ্য বউ, পেটানো ছাড়া উপায় নেই"

"তাই বলে প্রথম দিনেই মারধর?"

"তোকে আমি ভালো জানতাম আয়ুশ, আর তুই কিনা বিবাহিত দম্পতিদের কক্ষে কান পেতে থাকিস?"

"একদম অপবাদ দিবি না আমায়, তোরা যেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করছিলি শুধু আমি কেন নিচতলায় গিয়ে জিজ্ঞাসা করে দেখ ওরা ও শুনেছে হয়তো"

সিরিয়াস হলো ইলহাম, কিছুটা চিন্তিত হয়ে সুধালো

"আসলেই?"

ঠোঁট টিপে হাসল আয়ুশ

"সে কি আর বলতে হয়"

লজ্জায় পড়লো ইলহাম, বিয়ে করে দেখা যাচ্ছে আরেক বিপদ এখন শান্তিতে বউয়ের সাথে রোমান্সও করা যাবে না। গলা ঝেড়ে কাশলো আয়ুশ, কিছুটা ঝুকে ইলহামের কানের কাছে ফিসফিস করলো

"ডোন্ট ওরি, তেমন কিছু শুনিনি আমি, একবার একটু আওয়াজ পেয়েছিলাম। তাই বুঝে নিয়েছি, যেহেতু ফার্স্ট নাইট.."

চোখ টিপ দিলো তাকে, ভেবাচেকা খেলো ইলহাম। তাকে এইভাবে বোকা বানালো এই ছেলে? সেও পাল্টা উত্তর দিলো

"তো? বিয়ে করেছি কি বউকে শোকেসে সাজিয়ে রাখতে?"

শব্দ করে হেসে উঠলো আয়ুশ, হাসতে হাসতে ইলহামের কাধে চাপড় দিয়ে বলল

"তুই যে এতো বউ পাগল হবি সেটা কখনো স্বপ্নেও ভাবিনি আমি"

গালের ভেতর জ্বিভ ঠেলে হাসল ইলহাম, এই মেয়েকে দেখার আগে সেও কি জানতো? কারো প্রেমে এমন উন্মাদ হবে।

"সেসব ছাড় তোর পরিচিত কোন ভাই আছেনা? ক্লোথের দোকান যে? ওকে একটু ফোন করে আসতে বল তোর ভাবীর কিছু ড্রেস লাগবে কাল থেকে এক ড্রেসে আছে"

কাউকে ফোন করে কথা বলল আয়ুশ, তারপর জানালো কিছুক্ষণের মধ্যে সে আসছে। ইলহাম আর দেরি করলো না বেরিয়ে পড়লো শপিংয়ের উদ্দেশ্যে। প্রায় ঘন্টা দেড়েক পর দুহাত ভর্তি কয়েকটি ব্যাগ নিয়ে প্রবেশ করলো কক্ষে। ইরাকে রুমে না পেয়ে বারান্দায় উঁকি দিলো, সেখানে দাঁড়িয়ে দূর আকাশের পানে তাকিয়ে আছে সে। তার ডোলা ঢালা টিশার্ট আর প্যান্টে তাকে দেখতে কেমন অদ্ভুত লাগছে, ঠোঁট টিপে হাসল ইলহাম। তার মনযোগ পেতে গলা ঝেড়ে কাশলো, ঘাড় বাকিয়ে তাকালো ইরা। ইলহামকে দেখে কোনো বাক্যব্যয় না করে কক্ষে প্রবেশ করলো। বিছানায় রাখা ব্যাগের উপর দৃষ্টি পড়তে সে হাতে তুলল ব্যাগগুলো। কয়েকটি ড্রেস আর তার সাথে কয়েকটি ইনার রয়েছে, ইরা তীর্যক দৃষ্টি নিক্ষেপ করলো ইলহামের পানে

"আমি তো শুধু ড্রেসের সাইজ বলেছিলাম"

গা ছাড়া ভাব নিয়ে প্রশ্ন করলো ইলহাম

"তো?"

"তবে এগুলো?"

শুভ্র রঙের ছোট ব্যাগটি চোখের সামনে তুলে ধরলো ইরা। ইলহাম জানে এর মধ্যে কি আছে, ঠোঁট কামড়ে হাসল সে

"আমি জানতাম তুমি খুব চালাক মুনলাইট, কিন্তু এখন দেখছি ততোটা ও নয়"

"মানে?"

দুষ্টু হেসে প্রতিত্তোর করলো সে,

"লাইভ দেখেছি, তারপর আবার সাইজ বলতে হবে?"

শক্ত মনের ইরার মধ্যে কিছুটা পরিবর্তন আসলো, কাট কোট্টা ইরাও তখন লজ্জায় নুয়ে পড়লো। কেন যেন এই কথা শুনে তার খুব লজ্জা লাগলো। সে আর দাড়ালো না সেখানে, হাতে কাপড়ের ব্যাগ নিয়ে দ্রুত পায়ে ছুটে গেল ওয়াশরুমের দিকে।

খাবার টেবিলের বসে একমনে খাবার খাচ্ছে ইরা, কারো সাথে কোনো প্রকার কথা নেই তার। আয়ুশের সাথে এই খাবার টেবিলেই প্রথম দেখা তার, ভদ্ররার খাতিরেও ভালো মন্দ দু চারটে কথা বলেনি সে। নিরবতা ভেঙে প্রসঙ্গ তুলল ইলহাম

"একটা বাসার ব্যাবস্থা করতে পারবি?"

"কেন?"

"কয়েকদিনের মধ্যে ইরহাম আসবে ইনায়াকে নিয়ে। তখন বাসা লাগবে না? আর ইরার প্রভলেম হয় আমার সাথে রুম শেয়ার করতে"

ঠেরা চোখে ইরার পানে তাকালো আয়ুশ, সে নির্বিকার খাবার চিবুতে ব্যস্ত।

"অফিস শেষে একটু দেখিস আশে পাশে খোঁজ নিয়ে"

"ওকে"

"আমার আপনার সাথে এক রুম কেন এক বাসাতে থাকারও কোনো ইন্টারেস্ট নেই মি. ইলহাম ফারুকি"

খাবার খাওয়া শেষ করে টিস্যুতে হাত মুছতে মুছতে ইলহামের উদ্দেশ্যে উক্ত বাক্য ছুড়লো ইরা। ইলহাম নির্বিকার উত্তর দিলো

"ইন্টারেস্ট নেই বললে তো হবে না মিস, ওহ স্যরি মিসেস ইলহাম। তোমাকে আমার সাথেই থাকতে হবে"

রক্তচক্ষু নিয়ে তাকালো ইরা। দাতে দাত পিষে হিসহিসিয়ে বলল

"ছবিটা ডিলিট করে দিবি, নাহলে ভালো হবে না কিন্তু।"

"নেভার"

তার মুখের উপর দরজা দিয়ে চলে গেল ইরা। প্রবল ধাক্কায় বিকট আওয়াজ তুলেছে কাঠের দরজা, চোখ বন্ধ করে বুকে থু থু ছিটিয়ে আতংক নিয়ে ইলহামের দিকে তাকালো আয়ুশ

"এই ভুমিকম্পকে তুই সামলাবি কি করে ইলহাম?"

"ভালোবাসা দিয়ে"

খাবার চিবুতে চিবুতে নির্বিকার উত্তর দিলো সে, এমন জবাবে নাখুশ হলো আয়ুশ

"এই মেয়ে তোর ভালোবাসার ধার ধারে?"

"ধারতে কতক্ষন?"

"তুই না শেষ মেষ বউয়ের হাতে পিটুনি খাস আমি তো সেই চিন্তায় আছি ইলহাম"

আয়ুশের কথা শুনে তার হাত আপনা আপনি নাকে উঠে গেল, ব্যাথার তীব্রতা অনুভব করলো সে। প্রথম দিনেই বউ তাকে মেরে রক্তাক্ত করেছে এই খবর যদি পাঁচ কান হয় তবে মান ইজ্জত বলতে কিছু থাকবে! সে কোনো প্রতিত্তুর করার আগেই আতংক নিয়ে প্রশ্ন করলো আয়ুশ

"সে কি! নাক চেপে আছিস কেন? ওখানে মেরেছে?"

তাড়াহুড়ো করে উঠে গেল ইলহাম, এখানে আর বেশিক্ষন থাকলে নির্ঘাত ধরা পড়বে। যেতে যেতে বলে গেল

"আসছি, আমার দেরি হচ্ছে"

ভ্রুদ্বয় কুঞ্চিত করে তার যাওয়ার পানে তাকিয়ে রইলো আয়ুশ। সে কি তাকে ইগনোর করলো?

চিন্তিত রিয়াজ আহসান স্ত্রী আর মেয়েকে নিয়ে বসে আছেন লিভিং রুমের সোফায়। মেয়ের চিন্তায় আজ অফিসে যান নি, রাতে এক খবর শুনলেন মেয়ে নাকি বিয়ে করেছে তারপর থেকে মেয়ের সাথে যোগাযোগ করার অনেক চেষ্টা করেছেন কিন্তু সক্ষম হননি। যত দেরি করেই সে বাড়ি ফিরুক না কেন রাতে কখনো বাড়ি ছাড়া থাকেনি আজ তবে কোথায় গেল? তাদের চিন্তার অবসান ঘটলো ইরার আগমনে। মালিহা আহসান ইরাকে দোরগোড়ায় দেখে চকচক চোখে তাকালেন

"ওই তো ইরা মামুনি এসেছে"

রিয়াজ আহসান হন্তদন্ত হয়ে ছুটে গেলেন মেয়ের কাছে। মিরা ছুটে গিয়ে জড়িয়ে ধরলো বোনকে। সে তো কাল থেকে অনেক খুশি, তার আপু বিয়ে করেছে এই খুশি যেন হাতে চাঁদ পাওয়ার খুশিকেও হার মানায়। সে গদোগদো কন্ঠে জিজ্ঞাসা করলো

"আপু, তুমি সত্যি বিয়ে করেছো? ভাইয়া দেখতে কেমন?"

মেয়ের এমন আচরণে বিরক্ত হলেন রিয়াজ আহসান, মৃদু কন্ঠে ধমক দিলেন তাকে।

"তুমি চুপ থাকো মিরা"

উচ্ছ্বসিত মিরা তৎক্ষনাৎ চুপসে গেলো। ইরা বিরক্ত হলো তার বাবার আচরণে, আদরের বোনকে দেওয়া ধমক সে মেনে নিতে পারলো না।

"ওকে ধমকাচ্ছেন কেন?"

তার প্রশ্নকে সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করে তিনি পাল্টা প্রশ্ন করলেন তাকে

"তুমি বিয়ে করেছো এটা সত্যি?"

"হ্যাঁ"

তার ভাবলেশহীন উত্তরে থমকালেন রিয়াজ আহসান, কি উত্তর করবেন বুঝে উঠতে পারলেন না। তার মেয়ে এইভাবে বিয়ে করে নেবে এটা তো কল্পনাতীত ছিল।

"তোমাকে বিয়ের জন্য অনেক বলেছি আমরা তখন শুনোনি তবে এখন হঠাৎ এভাবে বিয়ে করার মানে কি? পছন্দ ছিলো এটা আগে বললেই পারতে"

"এটা আমার ব্যাক্তিগত বিষয়"

"বাবা মা হিসেবে কি আমাদের কোনো অধিকার নেই?"

"কে বাবা মা?"

মুখের উপর মেয়ের এমন প্রশ্নে অপমান বোধ করলেন তিনি। কিছু বলতে যাবেন তখন তাকে উপেক্ষা করে চলে গেল ইরা। তবুও তিনি থেমে যান নি পেছন থেকে চেচিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন

"সারা রাত কোথায় ছিলে তুমি?"

বিরক্ত হলো ইরা। পেছন ঘুরে তার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করলো

"আপনার বয়স কত?"

থতমত খেলেন তিনি, এটা কেমন প্রশ্ন?

"কি বলতে চাইছো?"

"আপনি তো এতোটাও ছোট নন যে সদ্য বিবাহিত মেয়ে কোথায় থাকবে তার ধারনা নেই"

"তবে কি তুমি এখন থেকে এ বাড়ি তে আর থাকবে না?"

"না"

"আপু"

কাদো কাদো কন্ঠে আর্তনাত করলো মিরা, সে তার মাথায় হাত রেখে মুচকি হেসে বলল

"তুইও থাকছিস আমার সাথে"

মুহুর্তেই খুশিতে লাফিয়ে উঠলো সে। রিয়াজ আহসান আর মালিহা আহসান দুজন মুখ চাওয়াচাওয়ি করলেন, এই মেয়ের কাছে কি তাদের মতামতের কোনো মুল্য নেই?

"ও তোমার বোন তার আগে আমাদের মেয়ে"

"জ্বি অবশ্যই, ওর যখন যেখানে ইচ্ছা সেখানে থাকবে। আমি ওকে একেবারে নিয়ে যাচ্ছি না"

আর কোনো উত্তর খোঁজে পেলেন না তারা। ইরা আদেশ করলো মিরাকে

"তৈরি হয়ে নে, আমার সাথে যাচ্ছিস তুই"

সে বাবা মায়ের মুখপানে তাকালো, যেন নিরবে অনুমতি চাইছে। রিয়াজ আহসান সম্মতি দিলেন, সে ছুটে গেলো রুমের দিকে। তার রসকষহীন কাঠখোট্টা আপুটা বিয়ে করেছে, কে সেই সৌভাগ্যবান পুরুষ তাকে তো দেখতেই হচ্ছে!

#চলবে

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৮ম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন