ফন্ট সাইজ:
থিম:
প্রেম আমার (সিজন ১)

২০তম পর্ব

লেখক: আয়ানা জাহান নুসরাত

#প্রেম_আমার♥

#পার্ট-২০♥

#Ayanaa_Jahan(Nusraat)♥

.

🌺

.

উনার আচমকা আমার ঠোঁটের ওপর আক্রমণের জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না কোনো কালেই। সাথেসাথেই আমার চোখ বড়বড় হয়ে গেল। এই বুঝি আমার ঠোঁট টা ফিল্মের ভিলেনদের মতো রক্তাক্ত বানিয়ে ফেলবেন উনি।

কিন্তু উনি আমাকে অবাক করে দিয়ে আমার ঠোঁটে শুধু নিজের ঠোঁট ছুঁইয়েই রেখেছেন। আমার আমার চোখে নিজের স্থির দৃষ্টি নিক্ষেপ করে রয়েছেন। এদিকে আমার হার্ট ঘোড়ার বেগে লাবডাব করে যাচ্ছে। উনার চাহনী দেখে আমি চোখ খিঁচে বন্ধ করে নিলাম। খুবই অস্বস্তি হচ্ছে আমার উনার এমন চাহনী দেখে।

.

উনি হুট করে আমার ঠোঁট ছেড়ে দিয়ে আমার কানের লতিতে হাল্কা করে কামড় দিয়ে সরে দাঁড়ান। আর আমি যেনো আমার হারানো প্রাণপাখি পুনরায় ফিরে পেয়ে গেলাম। উনি সরে যেতেই বুকে জোড়ে জোড়ে নিঃশ্বাস নিতে লাগলাম আমি। তাতে যেনো উনি বেশ আনন্দ পেলেন বলেই মনে হলো। তা বুঝলাম উনার দুষ্টুমি ভরা হাসি দেখে।

হঠাৎ উনি মুখটা আবারও গম্ভীর করে বলে উঠলেন,

.

- আমি চাইলেও এতোটা খারাপ হতে পারবোনা যতোটা কিনা তুমি আমায় ভাবো।

যাও ফ্রেশ হয়ে চেঞ্জ করে নাও। নাহলে ঠান্ডা লেগে যাবে।

.

আমি পালটা কোনো জবাব দেওয়ার জন্য এক মুহূর্তও দাঁড়ালাম না। এক দৌড়ে ওয়াশরুমে ঢুকে গেট লাগিয়ে হাঁপাতে লাগলাম আমি।

একটু আগে কি হলো ভাবলেই আমার পুরো গা কেঁপে উঠছে। অজান্তেই ঠোঁটে আর কানে হাত বোলাতে লাগলাম আমি।

.

অনন্যা চলে যেতেই নীবিড় হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাওয়া শুরু করে দিলো। অজান্তেই মুখ থেকে "ভীতুর ডিম" বেড়িয়ে যায় তার। কোনোরকমে হাসি কন্ট্রোল করে অগ্নির ঘরে যায় সে। এরকম ভেজা কাপড়ে থাকলে জ্বর বাধিয়ে ফেলবে নির্ঘাত।

.

🍂

.

অগ্নি ফুল স্পিডে বাইক চালিয়ে যাচ্ছে। উদ্দেশ্য যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব বাসায় পৌঁছানো। ওর মাথায় শুধু অনন্যার চিন্তাই ঘুরঘুর করছে। যতোই মারামারি বকাবকি করুক না কেনো, অনন্যার কিছু হলে অগ্নি সব লন্ডভন্ড করে দিতে পারে।

আর এদিকে রাত্রির প্রাণপাখি যেনো এই উড়ে গেল বোধহয়। ভয়ে ডিবডিব করছে তার ভেতরটা। এতো স্পিডে অগ্নি বাইক চালাচ্ছে যে যেকোনো মুহূর্তে এক্সিডেন্ট হয়ে যেতে পারে। ভয়ে অগ্নিকে বলতেও পারছে না সে যাতে বাইকটা একটু আস্তে চালায়।

.

আচমকাই একটা ব্লাক কালারের কার ওদের বাইকের সামনে এসে পড়ায় খুব জোড়ে ব্রেক কষে অগ্নি, যার জন্য রাত্রি পড়তে নিয়েও বেঁচে যায় অগ্নির হাত খাঁমচে ধরায়। অগ্নি রেগেমেগে রাত্রিকে নামতে বলে নিজেও নেমে বাইক স্টান্ড করে এগিয়ে যায় সেই গাড়িটির দিকে। অগ্নির রেগে যাওয়ার কারণ, এমনিতেই বাড়ি যাওয়ার তাড়া তার ওপর এভাবে হুট করে সামনে এসে কার থামানোর মানে টা কি? কিছু হলে তো অগ্নিদেরই হতো। অগ্নি শার্টের হাতা গোটাতে গোটাতে এগোতে লাগে যা দেখে রাত্রি রীতিমতো বিষম খাইয়া শুরু করে দিয়েছে এই ভেবে যে এখনোই কোনো গন্ডগোল বেঁধে যাবে নির্ঘাত। গন্ডগোল যাতে না বাঁধে তাই সেও পেছন পেছন ছুটে যায় অগ্নির।

.

গাড়ির গেট খুলে বেড়িয়ে আশা ব্যক্তিকে দেখেই থেমে যায় অগ্নি। আনমনেই তার মুখ থেকে হাল্কা স্বরে বেড়িয়ে যায় "রু...শো..!"

গাড়ি থেকে নেমেই মুখে এক বস্তা হাসি ঝুলিয়ে চোখের সানগ্লাসটা সুটের পকেটে রেখে এক দৌড়ে এসে অগ্নিকে জড়িয়ে ধরলো রুশো। রাত্রি কিছু বুঝতে না পেরে বোকার মতো তাকিয়ে দেখতে থাকলো তাদের দুজনের কান্ডকারখানা।

.

- হেই ব্রো..! ওয়াটস আপ? কেমন লাগলো আমার সারপ্রাইজ? ওকে ওকে তোমায় বলতে হবে না। তোমার ফেইসের রিয়াকশন দেখেই বুঝা হয়ে গেছে আমার দ্যট ইউ আর রিয়েলি শকড!

ইয়েস এটাও একটা মোমেন্ট এড করবো আমার স্টোরিতে। ইউ নো এবারের স্টোরিড়া একদম হিট হবে আমার। (অগ্নিকে ছেড়ে হাসতে হাসতে)

.

অগ্নি নিজের হাতে নিজেই একটা চিমটি কেটে আহহ! করে উঠে। সে এবার শিউর যে এটা কোনো ড্রিম নয়, সত্যি সত্যিই রুশো তার সামনে দাঁড়িয়ে আছে।

অগ্নি বুঝতে পারছেনা এভাবে হুট করে ইউএস থেকে কিভাবে এলো রুশো।

.

- এই তুই কখন এলি? আম্মু আব্বু কেউই তো বললো না। এখনই তো উড়ায় দিচ্ছিলি আমাদের স্টুপিড!

আর এসেই তোর কো রাইটার হওয়ার ভাবনা লেগে গেছে? তুই কোনোদিনোও শুধরাবি না তাইনা? (চিন্তিত ভাব দেখিয়ে)

.

- আরে আরে চিল ব্রো ইটস জাস্ট আ সারপ্রাইজ। এন্ড আই নিউ ইট দ্যাট আমার হিরো ব্রাদার ঠিকই হিরোর মতো ব্রেক কষে থেমে যাবে। আর প্লিজ এরকম বলো না তো দেখবে আমি একদিন ঠিকই একজন নামকরা রাইটার হয়ে যাবো।

.

অগ্নি হেসে রুশোর মাথায় একটা চাটি মেরে দেয়। আর রুশো আউউচ! করে উঠে বাচ্চাদের মতো আবারও অগ্নির গলায় ঝুলে পড়ে।

সব কিছুই যেনো রাত্রির মাথার ওপর দিয়ে চলে যাচ্ছে।

ও শুধু বোকার মতো একবার বিদেশ ফেরত ধলা ইন্দুরকে দেখছে তো একবার অগ্নিকে দেখছে। রাত্রি এবার রুশো কে খু্ঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে লাগলো। গায়ের রং ধবধবে সাদা। সিল্কি চুলগুলো দিয়ে কোরিয়ানদের মতো কপাল ঢাকা। গালে কোনো দাড়ি নেই। যাকে রাত্রির ভাষায় "ছিলা মুলা" উপাধি দেওয়া দরকার বলে মনে হচ্ছে তার। তবে আজব হলেও রুশোকে যেনো অন্য ছেলেদের মতো চাপ দাড়িতে নয় বরং এভাবেই মানিয়েছে। হাইট অগ্নির মতোই। চুলে হাল্কা ব্রাউন সেইডের কালার করা, মনে হচ্ছে এই কালাটা ওর জন্যই পারফেক্ট। পড়নে তার সাদা শার্ট, সাদা প্যান্ট আর শার্টের ওপরে পিংক কালারের সুট। সব মিলিয়ে পুরো কোরিয়ানদের মতো কিউট লাগলেও যেনো রাত্রির কাছে তাকে হাস্যকর বলেই মনে হচ্ছে। কারণ রুশো ছেলেটাই জোঁকার টাইপ।

.

রুশো অগ্নির পেছনে রাত্রিকে দেখতে পেয়ে বলে উঠলো,

- ব্রো, হু ইজ শি?

.

অগ্নি রাত্রির দিকে এক পলক তাকিয়ে বলে উঠলো,

- ও অনন্যার ফ্রেন্ড!

(অনন্যার কথা মাথায় আসতেই) হেই রুশো তুই ওকে নিয়ে বাসায় আয় ফাস্ট। আমি বাইক নিয়ে আসছি।

.

বলেই একপ্রকার দৌড়েই বাইকে উঠে স্টার্ট দিয়ে চলে গেল অগ্নি। আর রাত্রি শুধুই অসহায়ের মতো চেয়ে রইলো অগ্নির যাওয়ার দিকে। রুশো রাত্রিকে নিচ থেকে উপরে দেখে নিয়ে বলে উঠলো,

.

- হেই বিউটিফুল! কাম। বাই দ্য ওয়ে ওয়াটস ইউর নেইম? (হ্যান্ডশেক করার জন্য হাত বাড়িয়ে)

.

রাত্রি রুশোর কথার বিপরীতে কিছু না বলে হাতে থাকা অনন্যার ব্যাগটা ওর বাড়িয়ে দেওয়া হাতে ধরিয়ে দিয়ে কারের গেট খুলে মুখ ফুলিয়ে পেছনের সিটে বসে পড়ে।

রাত্রির এরকম করায় রুশো কিছুটা ভ্যাবাচেকা খেয়ে কাঁধ উঁচু করে ঠোঁট উল্টিয়ে বলে উঠলো, "বোবা নাকি! ইশ এতো সুইট কিউট বিউটিফুল একটা মেয়ে শেষে কিনা বোবা? হাও পিটি!"

বলেই সেও গাড়িতে উঠে ড্রাইভ করতে লেগে পড়লো।

.

🌹

.

ওয়াশরুমের দরজা খুলে মাথা বের করে চারপাশে একবার চোখ বুলিয়ে নিলাম। নাহ! ঘরে কেউ নেই। কেউ নেই দেখে একটা হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম আমি। কারণ আমার গায়ে শুধুমাত্র একটা টাওয়াল জড়ানো। সাদা বিলাইয়ের ভয়ে কাপড় নিয়েও ঢুকতে পারিনি আমি। পা টিপেটিপে ঘরে ঢুকেই আগে দরজা লাগিয়ে নিলাম আমি।

চটজলদি কাবার্ড খুলে একটা ড্রেস বের করে পরে নিলাম। আজ আর ভার্সিটি যাওয়া হবে না বোঝা হয়ে গেছে আমার।

.

চুপচাপ বেড়িয়ে একবার নিচে ড্রয়িংরুমে তাকালাম আমি। পুরো বাড়িটা কেমন নিশ্চুপ হয়ে রয়েছে। শুধুমাত্র ঘড়ির ঢং ঢং আওয়াজ কানে বাজছে। যা জানান দিচ্ছে এখন বাজে বারোটা। অবশ্য ঘড়িটার সাথে আমার যথেষ্ট মিল রয়েছে। দুজনেরই বারোটা বেজে গেছে। শুধু পার্থক্য এই যে, ঘড়ির সময় বারোটা আর আমার অবস্থা বারোটা!

.

ভাইয়ার রুমের দরজা খোলা তারমানে সাদা বিলাই চলে গেছে। ভেবেই একটু লাফিয়ে নিলাম আমি। যাক বাঁচা গেল। উনার সামনে পড়লে আমার চৌদ্দ অবস্থা হয়ে যেতো। ভাইয়ার রুমে চোখ বুলাতেই আমার চোখ ছানাবড়া! ইশশ কি বাজে অবস্থা বানিয়ে রেখেছে ভাই আমার। অবশ্য আজ সময়ও ছিলো না কিছু গুছিয়ে নেওয়ার। আমি ভাইয়ার ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কাপড় গুলো ভাঁজ করতে লেগে গেলাম।

.

হুট করে কিছুর আওয়াজে আমি চোখ তুলে তাকালাম। যা দেখলাম তা দেখার জন্য আমি বিন্দুমাত্র তৈরি ছিলাম না। সাদা বিলাই শুধু আন্ডারওয়্যার পড়ে চুল মুছতে মুছতে ওয়াশরুম থেকে বের হচ্ছে। উনাকে এভাবে দেখে আমি চোখ বন্ধ করে দিলাম এক ঘর কাঁপানো চিৎকার।

.

- আয়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়া.............!

- আয়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়া........!

- আয়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়া........!

- আয়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়্যায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়া....!

.

- ঠাসসসসসসসসসসস.........!

.

মুখের ওপর ঠাস দরজা লাগিয়ে দিলেন নীবিড় ভাইয়া। আমি কি চেঁচালাম! আমার থেকে দ্বিগুণ জোড়ে চেঁচিয়েছেন উনি। ইয়া....! আল্লাহ আমি কি দেখলাম। লজ্জায় মাথা কাটা যাচ্ছে আমার। মুখটা অটোমেটিক্যালি হা হয়ে গেল আমার।

.

নীবিড় ভাইয়া দরজা খুলে টাওয়াল পড়ে বেড়িয়েই এক দফা ঝগড়া বাধিয়ে ফেললেন,

- হেই ইউউউ! নক করে ঘরে ঢোকা যায় না?

- এক্সকিউজ মি, ঘরের গেট লক করে ঢোকা যায় না?

- হেই লিসেন তোমাকে এখানে কে আসতে বলেছিলো?

- যাক বাবা! আমার বাড়ি আমার ভাইয়ের ঘর কারো পারমিশন নিয়ে আসতে হবে কি আমায়?

- ইউ নো হোয়াট? তোমার সাথে কথা বলাই বেকার।

.

বলেই রেগেমেগে কাবার্ড থেকে ভাইয়ার একটা শার্ট আর একটা প্যান্ট নিয়ে ঢুকে গেলেন ওয়াশরুমে। আর দরজা লাগানোর সময় বিকট এক শব্দে পুরো ঘর কেঁপে উঠলো।

আর আমি উলটো দিকে ঘুরেই হু হা করে হেসে উঠলাম। এক্কেবারে ঠিক হয়েছে উনার সাথে। শুধু আমার জায়গায় অন্য কোনো মেয়েকে থাকতে লাগতো। ইশশ কি লজ্জা কি লজ্জা!

.

🌸

.

গাড়ি ড্রাইভ করছে সাথে একটু পর পর লুকিং গ্লাসে রাত্রিকে আঁড় চোখে দেখছে রুশো। তার কাছে রাত্রিকে একটা পাকা টমেটোর মতোই লাগছে। তার ভাবনা রাত্রির বেশ বোর ফিল হচ্ছে তাই তার বোরিং নেস দূর করতে ৩২ পাটি দাঁত বের করে একটা হাসি দিয়ে গল্পের ঝুড়ি খুলে বসলো রুশো।

.

- এই যে মিস বিউটিফুল! তোমার জন্য বেশ খারাপ লাগছে। (রাত্রি ভ্রু কুঁচকে চোখ ছোট ছোট করে তাকাতেই) নো নো ডোন্ট বি এংরি। আই মিন তুমি বলতে পারো না তো কি হয়েছে? শুনতে তো পারো। সো তোমার বোরিং লাগবে না। কজ নাও ইউ আর ইন রুশোস কার। তোমার নিশ্চয় জানতে ইচ্ছে দ্যট হু আই এম। ইউ নো হোয়াট, আই এম দ্য গ্রেট স্ক্রিপ্ট রাইটার রুশো! (রাত্রি বিরক্তিমাখা ফেইসে তাকাতেই)

ওপস আই মিন, আমি অগ্নি ব্রোর কাজিন রুশো আহমেদ ওরফে খালাতো ভাই রুশো। আমি ইউ এস থেকে ওনার্স কমপ্লিট করে গতকাল নাইটে ফিরলাম। পাশাপাশি ড্যাডের বিজনেসও সামলাতে হয়, যদিও ইচ্ছের বিরুদ্ধেই (মুখটা বাচ্চাদের মতো করে)। আমার রাইটার হওয়ার খুব খুব খুবই ইচ্ছা। বাট, কেউ সাপোর্ট করে না। (মুখ কালো করে) তবুও আমি হাল ছাড়বোনা। আমিও প্রুভ করে দেখিয়ে দিবো যে আমিও পারি। আউ ক্যান ডু এনিথিং।

.

রাত্রি চুপচাপ এক কান দিয়ে রুশোর কথাগুলো শুনছে তো আরেক কান দিয়ে বের করে দিচ্ছে! ভীষণ বিরক্ত লাগছে তার। তার মতে ছেলেরা কখনোই এতো কথা বলতে পারেনা। বাট এই বিদেশ ফেরত ধলা ইন্দুর কিভাবে এতো বকবক করছে আল্লাহ মালুম।

তাও চুপচাপ বসে রয়েছে সে। কেনো যেন কিছু বলতে ইচ্ছেই করছে না তার।

.

.

.

চলবে..............................💕

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ২০তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন