#নিকুঞ্জ_কানন
#নুজহাত_আদিবা
[পর্ব ২৪]
(কপি ও অন্যত্র ব্যবহার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ❌)
তরীর জীবনে এখন নতুন কিছু বিষয় সংযুক্ত হয়েছে। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে দায়িত্বও অনেকটা বেড়ে গেছে। এডমিশন ফ্রেজ চলাকালীন আহসান তাঁকে প্রচুর সাহায্য করেছে। তরীও অবশ্য কম চেষ্টা করেনি। অনলাইন কোর্সের পাশাপাশি আহসানের দেওয়া গাইডলাইন'স গুলোও তাঁর খুব কাজে এসেছে। আহসানের ইচ্ছে ছিল তরী তাঁর ভার্সিটিতেই পরুক। সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছেতে সেটা হয়েছে। সবচেয়ে মজার বিষয় তাঁদের সাবজেক্ট ও সেম। একাউন্টিং! নাতাশাও তরীর সঙ্গে একই ভার্সিটিতে চান্স পেয়েছে। কিন্তু সাবজেক্ট ভিন্ন। তরীর একাউন্টিং আর তাঁর ফিন্যান্স। আপাতত তৃতীয় বর্ষের ক্লাস চলছে তাঁদের। নাতাশার কাছ থেকে গোপন সূত্রে তরী শুনেছে। তাঁদের ক্লাসের ওই ব'দ মেয়ে ঝুমুর যে আহসানকে ফোন দিতো না? সে পরীক্ষায় ফেল করেছে। শুনে তরীর প্রথমে খারাপ লাগলেও পরে ভালোই লেগেছে। পড়াশোনা বাদ দিয়ে অন্যের বরকে ফোন করে প্রেমালাপ জুড়ে বসলে এমনই হবে!
আর রুমিটাও এই বছর প্রথম বর্ষে উঠেছে। কয়েকদিন হলো ক্লাস শুরু হয়েছে তাঁদের। আহসান খুব চেষ্টা করেছিল রুমিকে পাবলিকে চান্স পাইয়ে দেয়ার। কপাল মন্দ বলে রুমি পেল না! সেকেন্ড টাইম দিতে চেয়েছিল। কিন্তু, আহসান আর দিতে দেয়নি। বাড়ি থেকে কাছাকাছি পরে সেরকমই ভালো একটা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করে দিয়েছে। প্রথম প্রথম রুমির এই নিয়ে মন খারাপ হলেও এখন আর হয় না। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনটা মন্দ লাগছে না। নতুন নতুন বান্ধবী হয়েছে তাঁর!
★
" আম্মা আমার রুমিরে লাগবো। আপনে বলসিলেন সরকারি চাকরি পাইলে রুমিরে ঘরে তুলবেন। পাইসি না চাকরি? এখন নিজের কথা রাখেন। রুমিরে আইনা দেন!"
নাহার বেগম চিন্তিত হয়ে বললেন,
" রুমি কী বাজারের বিক্রি করা সবজি যে চামু আর দিয়া দিবো? কবে কোন কথা বলসি তা ধইরা বইসা থাকলে হইবো?"
রঙ্গন তীব্র প্রতিবাদ করে বললো,
" কী? আপনে আমারে কথা দিসিলেন! এত কথার বরখেলাপ করলে আমি বাড়ি ছাইড়া যামু গা। এতদিন বেকার আছিলাম খানার খোঁটা দিয়া দমায়া রাখসেন। এখন আর পারবেন না!"
নাহার বেগম রঙ্গনের তেজ দেখে বুঝে গেলেন ছেলেকে দমানোর মতো সাধ্য তাঁর নেই। বসে বসে ভাবতে লাগলেন কী করে রুমিকে তিনি চাইবেন। রঙ্গন নিজের কথা সত্যিই রেখেছে। একের পর এক পরীক্ষা দেওয়ার পরও যখন তাঁর চাকরি হচ্ছিলো না। শেষে আহসান পরামর্শ দিলো স্কুলের টিচার পদে নিয়োগ দিচ্ছে। সেখানে চেষ্টা করার জন্য। আপাতত রঙ্গন ফিন্যান্সের শিক্ষক হিসেবে ঢুকেছে। আহসানও চাকরির মধ্যেই আরো বিভিন্ন জায়গায় পরীক্ষা দিচ্ছে। ভালো জায়গায় টিকে গেলে প্রাইমারীর পদটা ছেড়ে দেবে।
রঙ্গন অনেক চিন্তা ভাবনার পর অর্ককে ফোন দিলো। অর্ক তখন মাত্র অফিস থেকে ফিরেছে। সে ব্যাংকার হিসেবে জয়েন করেছে চারমাস হলো। আগে আহসানের মতো প্রাইমারী সেক্টরে ছিল। অর্ক ফোন ধরেই বললো,
" কী অবস্থা বন্ধু? কেমন যাচ্ছে দিনকাল?"
রঙ্গন ভনিতা বাদ দিয়ে বললো,
" আর ভালো থাকা!"
অর্ক সিরিয়াস হয়ে বললো,
" কেন কী হয়েছে? "
রঙ্গন শুধু বললো,
" ফোনে এতকিছু বলতে পারবো না। সন্ধ্যার মোড়ের চায়ের দোকানে আসিস।"
★
বিকেলে আহসান বাড়িতেই কিছু ছেলেমেয়েকে ব্যাচে পড়ায়। ছোট ছোট প্রাইমারী স্কুলের বাচ্চা। ওপাশের খালি একটা ঘর ছিল। বাড়ির পুরনো জিনিস রাখা হতো সেখানটায়। আহসান সেখানেই পুরনো কিছু বেঞ্চ ফেলে পড়ানোর ব্যবস্থা করেছে। সারাদিন কঠোর পরিশ্রম করে সে। সকালে স্কুল, বিকালে বাচ্চা পড়ানো আর শেষে সন্ধ্যায় বাবার সঙ্গে ব্যবসার কাজ। সেই নিয়ে তরীর সঙ্গে গতকালও বেশ মন কষাকষি হয়েছে! আগের মতো আহসান তাঁকে মোটেও সময় দেয় না। অবশ্য আহসানকে দোষ দিয়ে লাভ কী? সে তো নিজেও পড়াশোনা নিয়ে খুব ব্যস্ত থাকে। তবুও আহসানের ওপরে মান অভিমানের শেষ নেই তাঁর। বিকেলে বাচ্চাদের ছুটি দিয়ে আহসান ঘরে এসেছিল। পরনে শার্টটা ঘামে ভিজে গেছে। সেটা পাল্টে এখন সে কাজে যাবে। তরী বিছানায় বসে আড়চোখে তাকিয়ে তাঁকেই দেখছিল। উজ্জ্বল শ্যামলা বর্ণের শরীরে ঘাম যেন চকচক করছে। আহসান এখন ভীষণ তাড়ায় আছে। তরীর খুব ইচ্ছে হলো তাঁকে একটু জ্বালাতন করবার। একটু বাজিয়ে দেখলে কেমন হয়? তরী পেছন থেকে আহসানের গলা জড়িয়ে ধরে বললো,
" কোথায় যাচ্ছেন আহসান মাস্টার?"
আহসান শার্টের বোতাম লাগিয়ে নিতে নিতে বললো,
" বাবা অপেক্ষা করছে। আজকে নতুন মাল আসবে। বাবা একা সামলাতে পারবে না।"
তরী মিছে অভিমান করে সরে গেল। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে শাড়ির আঁচলটা বক্ষস্থল থেকে বেশ কিছুটা নিচে নামালো। চুলের খোঁপাটা খুলে চুলগুলো এলোমেলো করলো। ব্লাউজটার পিঠ খোলা বিধায় গলা কিছুটা বড়। আহসানকে প্রলুব্ধ করার কৌশল আরকি! তরী কিছু না বোঝার ভান করে দরজা আঁটকে; দরজাটাকে আড়াল করে অমন আবেদনময়ী হয়ে দাঁড়িয়ে রইলো। আহসান তৈরি হয়ে বের হওয়ার সময় তরীকে ওভাবে দেখে স্তব্ধ হয়ে গেল। একি অবস্থা! তরীর ভাবখানা এমন যেন সে কিছুই জানে না। আহসান তাঁর কৌশল বুঝতে পারলো। তরীকে সহসাই কোলে তুলে নিতেই তরী পালানোর জন্য আকুপাকু করতে লাগলো। ঘাট হয়েছে তাঁর! আহসান সত্যি সত্যি এবার কিছু একটা করেই বসবে। আহসান তরীর কোনো কথা শুনলোই না। দুম করে বিছানায় এনে ফেললো তাঁকে। মসৃন কোমরে একটা হাত রেখে তরীর ওষ্ঠদ্বয় নিয়ে মেতে উঠলো। নিজের ফাঁদে তরী যেন নিজেই পিছলে পরলো। ছাড়া পাবার জন্য অস্থির হয়ে উঠলো। আহসানই বা কম যায় কীসে? তরীকে এক ছটাকের ছাড় দিতেও রাজি নয় সে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য তরী টুস করে একটা কামড় দিলো আহসানের চঞ্চুতে। আহসান ব্যাথা পেয়ে সরে যেতেই তরী দৌড়ে পালালো। আহসানকে প্রলুব্ধ করার শখ আজীবনের মতো মিটে গেছে তাঁর! আহসান মিটিমিটি হাসতে হাসতে তরীকে উদ্দেশ্য করে বললো,
" কোথায় যাচ্ছো তরী রানী? বড্ড আদর পাবার ইচ্ছে না? এসো আদর করছি!"
তরীর সে-সব শোনার সময় আছে? কান চেপে ধরে দৌড়ে পালালো সে। পিছু ফিরে একবার তাকালো না অবধি!
★
সন্ধ্যার পর অর্ক আর রঙ্গন চায়ের দোকানে গিয়ে বসলো। অর্ক চায়ে চুমুক দিয়ে রঙ্গনকে বললো,
" কী হয়েছে বন্ধু? তোমার মন মেজাজ খারাপ দেখছি? বাড়িতে কিছু হয়েছে? "
রঙ্গন দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললো,
" গত কয়েকবছর যাবত এক জ্বালায় ম'রছি! আমি বিয়ে করতে চাই!"
অর্ক মশকরা করে বললো,
" সেটা তো স্বাভাবিক। কোথায় চাকরি পেয়েছিস বিয়ে করে আমাদের গান-বাজনার সুযোগ করে দিবি। আমি একটু গিটারটা নিয়ে বসবো! সেখানে নিজেই মন খারাপ করে বসে আছিস।"
রঙ্গন কপালে হাত রেখে বললো,
" আমি যাকে বিয়ে করতে চাই। তাঁকে পেতে গেলে অনেককিছু বিসর্জন দিতে হবে। সর্বপ্রথম স্যাক্রিফাইস করতে হবে বন্ধুত্ব!"
অর্ক চোখ কপালে তুলে বললো,
" মানে! রঙ্গন ঠিক করে বল কী বলতে চাচ্ছিস! আমার মাথায় কিন্তু অন্য চিন্তা আসছে।"
রঙ্গন দু'হাতে মাথা চেপে রেখে বললো,
" যা ভেবেছিস তাই। আমি রুমিকে পছন্দ করি। রুমি আমার বাচ্চকালের ভালোবাসা। আহসানের অগোচরে রুমির সঙ্গে বর-বউ খেলতে খেলতে সেই ইচ্ছেটা কবে যে মাথায় চড়ে বসলো! বিশ্বাস কর রুমির প্রতি আমার ভালোলাগাটা মোহ নয়। তোরা রুমিকে চিনিস ভার্সিটিতে উঠে। আমি তো ক্লাস ওয়ান থেকে আহসানের সঙ্গে পড়েছি। আহসানদের বাড়িতে গিয়ে এক থালায় আহসানের সঙ্গে ভাতও খেয়েছি। বড় হওয়ার পর রুমি সেভাবে আমার সামনে আসে না। কিন্তু, ছোট বেলায় ও আমার সামনেই বড় হয়েছে। এটাকে আর যাই বলা হোক মোহ বলা যায় না। আমি রুমিকে অনেক পছন্দ করি। আমি জানি আমি ভুল করেছি। আহসান আমার বন্ধু! আহসানের বোনকে আমার নিজের বোনের চোখে দেখা উচিত ছিল। কিন্তু আমি চেষ্টা করেছি। হয়নি! রুমিকে আমি বোনের জায়গায় ভাবতে গেলেই আমার সবকিছু উল্টোপাল্টা লাগে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কখন যে রুমির প্রতি আমার অনুভূতি পাল্টে গেল জানি না। আমি যদি রুমিকে চাই আহসান হয়তো দেবে না। বন্ধুত্ব আর রুমি দুটো জিনিষই চিরজীবনের মতো হারিয়ে ফেলবো। আমার মাথা কাজ করছে না। আমি এই দুটো সম্পর্ককেই আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকতে চাই। আহসান আমার ছোটবেলার বন্ধু। অপরদিকে রুমি আমার পছন্দের মানুষ। আমি জানি না কী করবো!"
অর্ক মনোযোগ দিয়ে সবটা শুনলো। রঙ্গনকে ভেঙ্গে পরতে দেখে খারাপ লাগছে তাঁর। অর্কের মাথায় তখনই চমৎকার একটা আইডিয়া এলো। এভাবে সাপও ম'রবে না আবার লাঠিও ভাঙ্গবে না। অর্ক চায়ের কাপটা ত্বরিত টেবিলে রেখে বললো,
" আমার মাথায় একটা আইডিয়া এসেছে। খুব রিস্কি বাট কাজের। তুই আগে খালাম্মাকে রাজি করা। তারপর বাকিটা আমি দেখছি।"
রঙ্গন মুখ দিয়ে 'চ' জাতীয় শব্দ উচ্চারণ করে বললো,
" আম্মা তো রাজি! রুমিরে এখন বিয়ে করে নিয়ে ঘরে ঢুকলেও সে মেনে নেবে। সমস্যাটা হচ্ছে আহসান!"
অর্ক ভ্রু কুঁচকে চৌকস হেসে বললো,
" সেটাই তো! খালাম্মাকে তুই আহসানদের বাড়িতে পাঠাবি। বলবি রুগ্ন অসুস্থ হওয়ার ভান করে যেতে। গিয়ে বলতে বলবি একেবারে কাঁদো কাঁদো হয়ে তোর সঙ্গে রুমির বিয়ের প্রস্তাব দিতে। এখন খালাম্মার একটিং এর ওপর বাকিটা নির্ভর করছে। খালাম্মার অভিনয় যতটা প্রাণবন্ত হবে বিয়ের বাজনা তত তাড়াতাড়ি বাজবে। আর তুই আগেই আহসানকে নিজে থেকে ফোন করবি না। খালাম্মার কান্নাকাটি দেখলে আহসানই তোকে বাধ্য হয়ে ফোন করবে। তখন তুই সবকিছু না জানার ভান করবি। দিন-দুয়েক পরে খালাম্মাকে আবার পাঠাবি। আগের মতো অভিনয় শিখিয়ে পাঠাবি। এরপর আহসান তোর সঙ্গে ফাইনাল ডিসকাশনে আসতে চাইলে; তখন বলবি যে খালু মা'রা যাওয়ার পর খালাম্মাই তোর সব। রুমিকে তুই বোনের চোখেই দেখেছিস। কিন্তু, এখন খালাম্মা অসুস্থ মৃত্যূর আগে শেষ চাওয়া রুমিকে নিজের ঘরের বউ করা। তাই তুই এখন রুমিকে বিয়ে করতে রাজি আছিস। আর কথাগুলো স্বাভাবিক ভাবে বলবি না। চোখে প্রয়োজন হলে পেঁয়াজ ডলে নিবি। এরপর কান্নামাখা গলায় সবটা বলবি। আহসানের যদিও মন নরম। খালাম্মার কান্না দেখলেই গলে যাবে। তোর কাঁদার প্রয়োজন হবে না। তবে, সেফটি ফার্স্ট! সো বি কেয়ারফুল! বন্ধুত্ব ছিন্ন না করে রুমিকে বিয়ে করার এটাই মোক্ষম উপায়। সাপও ম'রলো না আর লাঠিও ভাঙ্গলো না। খালাম্মাকে ঠিকঠাক বুঝিয়ে তারপর পাঠাবি। খালাম্মার একটিং এর ওপরেই কিন্তু এখন সবটা! আর একদমই তাড়াহুড়ো করবি না। ঠান্ডা মাথায় সবটা বুঝেশুনে কোঁ'প দিবি। আমি আর সৌম্য আহসানের ক্লোজ। আহসান অবশ্যই আমাদের সবকিছু বলবে। আমি তোর দিক থেকে তোর হয়ে সাফাই গাইবো। ভাব ধরবো আমি অগ্রীম কিছুই জানি না। কিন্তু আহসান সব বলার পর তোর পজিটিভ দিকগুলো আহসানের কাছে তুলে ধরবো।"
রঙ্গন হা করে এতক্ষন সবটা শুনে 'থ' বনে গিয়েছিল। অর্ককে একারণেই বোধ হয় বিটলা বলা হয়। কী সুনিপুণ কৌশল! রঙ্গনের মাথায় এসব কিছু একবারও আসেনি! রঙ্গন নিজের চুলে হাত বুলিয়ে বললো,
" আম্মাকে কবে পাঠাবো?"
অর্ক ভেবে ভেবে বললো,
" কাল বা পরশু। এরপরে দুইদিন সরকারি ছুটি আছে। আহসান রুমি আর আহসানের ওয়াইফ তিনজনই সেদিন বাড়িতে থাকবে। খালাম্মা এত মানুষের মাঝে ঘাবড়ে গিয়ে একটিং করতে পারবেন না। কাল বা পরশু সবকিছু খোলা। দুপুরের আগে আগে খালাম্মাকে পাঠাবি। আহসানের বাবা থাকলে থাকবেন। বাট মেইন ফোকাস আহসানের মা আর দাদী। ওনাদের থেকে কথা পাস হয়ে খালু আর আহসানের কানে যাবে। এরপর আরেকদিন আহসান বাড়িতে থাকাকালীন খালাম্মাকে পাঠাবি।"
রঙ্গন পকেট থেকে মানিব্যাগটা বার করে বললো,
" তাহলে কালই পাঠাবো আম্মাকে। চল বাজার থেকে আম্মার জন্য একটা নতুন শাড়ি কিনবো। নতুন শাড়ি পড়ে আম্মা ছেলের বিয়ের জন্য প্রস্তাব নিয়ে যাবেন। বেয়াইন বাড়িতে পুরনো শাড়ি পড়ে যাওয়া মানায় বল?"
রঙ্গনের কথা শুনে অর্ক হেসে ফেললো। বাইকে চড়ে শাড়ি কেনার উদ্দেশ্যে দুই বন্ধু বাজারের দিকটায় গেল।
চলবে...