ফন্ট সাইজ:
থিম:
রাগে অনুরাগে তুমি

১৩তম পর্ব

লেখক: ইসরাত জাহান এশা

#রাগে_অনুরাগে_তুমি || ১২ ||

#ইসরাত_জাহান_এশা

ভোর হতে শুরু করেছে। দূর থেকে ফজরের আজান ভেসে আসছে। নীরা সারারাত আর ঘুমাতে পারেনি। চোখ বন্ধ করলেও ঘুম আসেনি একবারও। আজানের শব্দ কানে আসতেই সে বুঝলো—ভোর হয়ে গেছে।

কিন্তু সে উঠবে কীভাবে? তার শরীরের ওপর তো হাতির মতো এক জলজ্যান্ত মানুষ শুয়ে আছে! তূর্য তাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে ঘুমাচ্ছে। নীরা একটু নড়েচড়ে দেখলো, কিন্তু কোনো লাভ হলো না। তূর্যের হাত আরও শক্ত হয়ে গেলো। নীরা ধীরে ধীরে ডাকলো—

“শুনছেন…”

কোনো উত্তর নেই। সে আবার ডাকলো—

“এই শুনছেন…”

তূর্য একটু নড়লো ঠিকই, কিন্তু আবার আগের মতোই জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে রইলো।

এদিকে সময় চলে যাচ্ছে। নীরার নামাজ পড়তে হবে। সে এবার একটু জোরেই বললো—

“নাহিয়ানের বাবা… শুনছেন আপনি?”

তূর্য আবার একটু নড়েচড়ে তাকে আরও শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো। নীরা বিরবির করে বললো—

“কুমড়ো পটাশ! এত ডাকছি তাও ঘুম ভাঙে না। কী ঘুম রে বাবা!”

তারপর আবার হালকা ধাক্কা দিয়ে বললো—

“এই নাহিয়ানের বাবা, উঠুন এবার।”

তূর্য চোখ না খুলেই বিড়বিড় করে বললো—

“কী বলে ডাকলে আমায়?”

নীরা বিরক্ত গলায় বললো—

“পাগল বলেছি। এবার উঠুন, আমি নামাজ পড়বো।”

তূর্য আধা ঘুমের মধ্যেই বললো—

“তুমি উঠো… আমি তো বারন করিনি।”

নীরা এবার রাগে ফুঁসতে লাগলো।

“আমার শরীরের উপর যদি হাতির মতো কেউ শুয়ে থাকে, তাহলে কি আমি লাফ দিয়ে উঠবো? উঠুন বলছি!”

এবার তূর্য ধীরে ধীরে মুখ তুলে চোখ ছোট করে তাকালো।

“তুমি আমায় কী বললে? আমি পাগল? আমি হাতি?লাইক সিরিয়াসলি?”

তারপর নিজের দিকে ইশারা করে বললো—

“আমার মতো রক-হ্যান্ডসাম ছেলেকে তোমার কাছে পাগল মনে হচ্ছে?”

নীরা তূর্যের দিকে তাকিয়ে ঠোঁট বাঁকিয়ে বললো—

“আপনি হ্যান্ডসাম! তাও আবার আমাকে বিশ্বাস করতে হবে?”

তারপর নির্লিপ্ত গলায় বললো—

“আপনি হচ্ছেন একেবারে বুড়ো বেটা।"

" তুমি হয়তো জানো না অফিসের মেয়েরা আমার দিকে ড্যাবড্যাব করে চেয়ে থাকে নেহাতেই আমি ভালো কারোর দিকে তাকিয়ে থাকি না। আর না কাওকে পাত্তা দেই। "

নীরা তূর্যর কথায় হেসে বললো

" কোন মেয়ে আপনার দিকে ড্যাবড্যাব করে চেয়ে থাকে আমায় বলুন তাকে আগে থেকেই সাবধান করে আসে। আর যে মেয়ে তাকিয়ে থাকে নিশ্চয়ই তার চোখে ন্যাবা পরেছে। নাহলে তার চয়েজ ভালো না। দুনিয়াতে এতো লোক থাকতে আপনার মতো বুড়ো বেটার দিকে চেয়ে থাকে। আর আপনি তার জন্য নিজেকে হ্যান্ডসাম ভাবছেন। আপনার কপাল ভালো যে আমার মতো কম বয়সী বউ পেয়েছেন। আপনার উচিত আমাকে মাথায় তুলে রাখা।”

তূর্য ভ্রু তুলে বললো—

“তাহলে আমি কোথায় রেখেছি?”

নীরা সাথে সাথে বললো—

“দানবের নিচে!”

তারপর বিরক্ত হয়ে বললো—

“উঠুন আপনি। আমি নামাজ পড়বো। নিজে তো নামাজ পড়েন না, আমাকেও এখন পড়তে দিচ্ছেন না।”

এই বলে সে তূর্যকে হালকা ধাক্কা দিলো।

তূর্য তীক্ষ্ণ চোখে তাকিয়ে একটু উপরে উঠতেই নীরা জোরে ধাক্কা দিয়ে নিজেকে ছাড়িয়ে নিলো। এক মুহূর্তও না দাঁড়িয়ে সে সরাসরি ওয়াশরুমে চলে গেলো ফ্রেশ হতে।

তূর্য শুয়ে থেকেই নীরার যাওয়ার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসলো।যদিও এটাকে ঠিক মুচকি হাসি বলা যায় না—ঠোঁটের কোণে অদ্ভুত এক হাসি ফুটে উঠেছে। সে নাহিয়ানকে বুকে টেনে নিলো। এক পলক মুন্নির দিকেও তাকালো। কিছুক্ষণ পর নীরা বের হয়ে এলো। ততক্ষণে তূর্যও উঠে পড়ে নিজে ফ্রেশ হয়ে নিলো। নীরা জায়নামাজ বিছিয়ে নামাজে দাঁড়াতে যাবে, ঠিক তখনই তূর্য ওযু করে বের হয়ে এলো। সে নীরার কাছে এসে দাঁড়িয়ে বললো—

“তোয়ালে কোথায়?”

নীরা মুখ বাঁকিয়ে বললো—

“আপনার বড়লোকদের মতো আমার তোয়ালে নেই। গামছা আছে, সেটা ব্যবহার করবেন।”

তূর্য বাকা চোখে তাকিয়ে হঠাৎ নীরার ওড়না টেনে নিয়ে মুখ মুছে ফেললো। তারপর মাথায় হালকা টোকা দিয়ে বললো—

“মেয়ে, তুমি একটু বেশি বোঝো।”

নীরা চোখ কুঁচকে তাকালো।মাথা ঠিক করতে করতে বললো—

“নামাজ পড়বেন?”

তূর্য বললো—

“হুম।”

নীরা বললো—

“তাহলে আপনি আগে পড়ুন। আমি পরে পড়বো। একটা জায়নামাজই তো আছে।”

তূর্য ভ্রু তুলে বললো—

“একটা জায়নামাজে কি নামাজ পড়া যায় না?”

নীরা একটু থমকে গিয়ে বললো—

“আপনি… আমার সাথে মানে… একসাথে নামাজ পড়বেন?”

তূর্য হালকা হেসে বললো—

“সাধেই বলি, তুমি বেশি বোঝো। একসাথে নামাজ পড়বো… দাঁড়াও।”

নীরা কিছুক্ষণ চুপ করে তূর্যের দিকে তাকিয়ে রইলো। তার চোখে স্পষ্ট বিস্ময়।

তূর্য যেন বিষয়টাকে খুব স্বাভাবিক ভাবেই বলেছে। সে ধীরে ধীরে জায়নামাজটা ঠিক করে দিলো। তূর্য সামনে দাঁড়ালো। নীরা একটু পেছনে এসে দাঁড়ালো। ঘরের ভেতর তখন ভোরের নরম আলো ঢুকতে শুরু করেছে। চারপাশে অদ্ভুত এক শান্ত পরিবেশ। তূর্য তাকবির বলে নামাজ শুরু করলো। নীরাও তার পেছনে দাঁড়িয়ে নামাজে মগ্ন হয়ে গেলো। এই প্রথম…

এভাবে একসাথে নামাজ পড়ছে তারা।

নীরার মনে অদ্ভুত এক অনুভূতি জন্ম নিলো।

যেন বুকের ভেতর কোথাও খুব নরম একটা জায়গা তৈরি হচ্ছে। নামাজ শেষ করে তূর্য ধীরে ধীরে সালাম ফিরালো।

তারপর এক মুহূর্তের জন্য নীরার দিকে তাকালো। নীরাও তাকিয়ে আছে তার দিকেই। দুজনের চোখ কয়েক সেকেন্ডের জন্য আটকে গেলো। কেউ কিছু বললো না।

কিন্তু নীরার মনে হলো— এই নীরবতার মধ্যেই যেন অনেক কথা লুকিয়ে আছে।

হঠাৎই পাশ থেকে মুন্নির ছোট্ট গলা ভেসে এলো—

“আপুই …”

নীরা দ্রুত ঘুরে তাকালো। মুন্নি আধো ঘুমে চোখ মেলেছে। আর পাশে নাহিয়ান গুটিসুটি মেরে ঘুমিয়ে আছে। তূর্য সেই দৃশ্য দেখে ধীরে ধীরে দীর্ঘ একটা নিঃশ্বাস ফেলল। নীরা মুন্নিকে কোলে নিয়ে ধীরে ধীরে বিছানায় বসল। তূর্য জায়নামাজটা উঠিয়ে সুন্দর করে ভাঁজ করে পাশে রেখে দিলো। তারপর ধীরে ধীরে নীরার কাছে এসে দাঁড়ালো। কিছুক্ষণ যেন কী বলবে বুঝতে পারলো না। তারপর একটু ইতস্তত করে বললো—

“একটা কথা বলতাম…”

নীরা তূর্যের দিকে তাকিয়ে শান্ত গলায় বললো—

“জি, বলুন।”

তূর্য একটু অস্বস্তি নিয়ে মাথা চুলকালো।

“আ… আমার খিদে পেয়েছে। কিছু বানিয়ে দিবে?”

নীরা কিছুক্ষণ তূর্যের দিকে চুপ করে তাকিয়ে রইলো। এই প্রথম তূর্য তার কাছে কিছু চাইল। নীরা কি কখনো সেটা না বলতে পারে? নামাজে বসে তো সে আল্লাহর কাছে এটাই চেয়েছে— সবার জন্য কাজ করে, কিন্তু স্বামীর জন্য কিছু করার সুযোগ যেন সে পায়। আজ যেন সেই সুযোগটাই সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। নীরাকে এভাবে চুপ করে তাকিয়ে থাকতে দেখে তূর্য ভাবলো—

হয়তো সে বানিয়ে দিতে চাইছে না।

তাই একটু অপ্রস্তুত হয়ে চোখ এদিক-সেদিক করে বললো—

“না পারলে… থাক।”

নীরা সাথে সাথে জিজ্ঞেস করলো—

“কী খাবেন?”

তূর্য আবার মাথা চুলকে বললো—

“কিছু একটা বানিয়ে দিলেই হবে।”

নীরা মুন্নিকে কোলে থেকে নামিয়ে বিছানায় বসিয়ে দিলো। তারপর তূর্যের দিকে তাকিয়ে বললো—

“কালকে রাতে খাবার খাননি, তাই না?”

তূর্য খুব সহজ গলায় বললো—

“না, খাইনি… কিন্তু এখন খাবো।”

মুন্নি বিছানায় বসে গোলগোল আঁখিদুটি তূর্যের দিকে তাকিয়ে আছে। নীরা খুশি মনে বেরিয়ে গেলো রুম থেকে। মুন্নি তূর্যর কাছে গিয়ে ওর কোলে বসে বলল

" তুনাবাই "

তূর্য মুন্নির এই নরম স্বরের ডাক শুনে হেসে মুন্নিকে ভালোকরে কোলে বসিয়ে বললো

" বলুন শালিকা "

" আমি তালিকা না তো আমি মুন্নি "

তূর্য হেসে ছোট ছোট হাতে চুমু দিয়ে বললো

"আমি তোমার কী হই? "

"তুনাবাই "

"তোমার আপুই আমার কী হয়? "

"বউ "

"তাহলে তুমি তোমার আপুই এর কী হও "

"বোন "

"সেই হিসেবে তুমি আমার পাকা শালিকা "

"পাকা তালিকা "

"হুম তুমি আমার তালিকা "

"তাহলে আমার তকলেট কই? "

তুর্য ভ্রু তুলে বললো

"চকলেট কেনো "

"তুনাবাইরা তো তকলেট দেয়। আইতকিরিম দেয় তুমি জানো না "

" কে বলেছে তোমায় দুলাভাইরা চকলেট দেয়? "

" আপুই বলেছে তুনাবাইরা তকলেট দেয় "

তূর্য বিরবির করে বললো,

" যেমন বউ ঠিক তেমন শালিকা "

তূর্যকে বিরবির করতে দেখে মুন্নি বললো

"ও তুনাবাই কী কও শুনি না তো "

তূর্য মুন্নির মাথায় হাত বুলিয়ে বললো

" কিছু বলি না তোমায় সকালে চকলেট কিনে দিবো কেমন। "

" এখন তো তকাল "

"এই সকাল না যখন সব চকলেটের দোকান খুলবে তখন কিনে দিবো কেমন "

"আচ্ছা তুনাবাই "

নীরা রান্নাঘর থেকে একবাটি নুডুলস নিয়ে রুমে ঢুকলো।

তূর্য তখনও মুন্নির সাথে গল্প করছে।

নীরা এসে নুডুলসের বাটিটা তূর্যের হাতে দিয়ে বললো—

“এই নিন, আপাতত এটা খেয়ে নিন। সকালে নাস্তা বানালে তখন সবার সাথে খাবেন।”

তূর্য অবাক হয়ে বললো—

“তুমি নাস্তা বানাবে?”

নীরা মুন্নির এলোমেলো চুল ঠিক করতে করতে শান্ত গলায় বললো—

“আমি এই বাসায় থাকলে আমিই নাস্তা বানাই। ও বাড়িতে তো আমাকে কাজ করতে দেওয়া হয় না। কিন্তু এই বাড়িতে আমার কাজ করতে হয়—বুঝতে পেরেছেন?

আপনি তো আমার হাতের রান্না কখনো খাননি। কেমন লাগবে আপনার কাছে, জানি না। খেয়ে বলবেন কেমন হয়েছে।”

তারপর মুন্নির দিকে তাকিয়ে বললো—

“বুড়ি, তুই এত সকালে উঠলি কেন?”

মুন্নি চোখ মিটমিট করে বললো—

“এমনি আপুই… ঘুম নাই আর চোখে।”

নীরা হেসে মুন্নির টমেটোর মতো গালে পরপর দুটো চুমু দিয়ে বললো—

“চল তাহলে, দাঁত ব্রাশ করিয়ে দিই।”

মুন্নি খুশি হয়ে বললো—

“চলো আপুই। এতদিন দাদাবাই আমালে দাত বিরাশ কলাইয়া দিতো। আল আমালে সাদা বুলি বানাইয়া দিতো।”

নীরা হেসে বললো—

“আচ্ছা, চল। সুন্দর করে দাঁত ব্রাশ করিয়ে দিবো।”

তূর্য নুডুলস খেতে খেতে দুই বোনের এসব কাণ্ডকারখানা দেখছে।

নীরা মুন্নিকে নিয়ে ওয়াশরুমের দিকে যেতে যাবে, ঠিক তখনই নাহিয়ান আধো ঘুমে চোখ কচলাতে কচলাতে ডাকলো—

“আম্মু…”

নীরা পিছনে ফিরে তাকিয়ে দেখলো, নাহিয়ান আধো ঘুমে দুই পা মেলে তার দিকে তাকিয়ে আছে।

নীরা আবার বিছানার ধারে এসে নরম গলায় বললো—

“চলো বাবা, তোমাকেও দাঁত ব্রাশ করিয়ে দিই।”

নাহিয়ান হেসে নীরার কাছে আসতেই নীরা দুইজনকে একসাথে কোলে তুলে নিলো।

তূর্য ছেলের দিকে তাকিয়ে রইলো।

যে ছেলে বাবাকে না দেখলে ঘুমাতো না, সেই ছেলে এখন নতুন মাকে পেয়ে যেন বাবার কথাই ভুলে গেছে।

নীরা দুই বাচ্চাকে নিয়ে ওয়াশরুমে চলে গেলো।

তূর্য নুডুলসের বাটির দিকে তাকিয়ে বিরবির করে বললো—

“স্টুপিড মহিলা… শুধু কথায় না, রান্নাতেও বেশ ভালো।

I like it.”

★

বেলা গড়িয়ে সকাল আটটা। ঘরের ভেতর তখন সকালের ব্যস্ততা শুরু হয়ে গেছে। রান্নাঘর থেকে ভাতের গরম গন্ধ ভেসে আসছে। সবাই নাস্তার টেবিলে বসেছে।

আজ সকালের নাস্তা বানিয়েছে শিমলা। সকালে নীরাকে রান্নাঘরে দেখে সে জানতে পারে তূর্য এসেছে। তাই শিমলাই নাস্তার দায়িত্ব নিয়ে নেয়। টেবিলে সাজানো আছে গরম খুদের ভাত আর পাঁচ রকমের ভর্তা।

তূর্য প্লেটের দিকে তাকিয়ে রইলো।

তার প্লেটে ভাতের চারপাশে পাঁচ ধরনের ভর্তা সাজানো। সে একবার ছেলের দিকে তাকালো, আবার শালিকার দিকে তাকালো। দুজনেই কী মজা করে ঝাল ভর্তা দিয়ে ভাত খাচ্ছে। আর নীরা বসে বসে ওদের খাইয়ে দিচ্ছে। নীরা তূর্যের দিকে তাকিয়ে নিচু গলায় বললো—

“খাচ্ছেন না কেন?”

তূর্য ভর্তাগুলোর দিকে তাকিয়ে বললো—

“এগুলো কী কী ভর্তা?”

নীরা আঙুল দিয়ে এক এক করে দেখিয়ে বললো—

“শুটকি মাছের ভর্তা, আলু ভর্তা, বেগুন ভর্তা, ডাল ভর্তা… আর এটা তিন রকম সবজি দিয়ে বানানো ভর্তা—এটা আমার হাতের স্পেশাল ভর্তা।”

তারপর হালকা হেসে বললো—

“খেয়ে নিন। ভাত ঠান্ডা হয়ে গেলে আর ভালো লাগবে না।”

তূর্য ঝাল তেমন খেতে না অয়ারায় খুব অল্প পরিমানের ভর্তা দিয়ে ভাত মেখে মুখে দিতেই চোখে পানি এসে পরলো। তারাতারি করে এক গ্লাস পানি খেয়ে হিয়াতে লাগলো। শিমলা তা দেখে বললো

" তুমি ঝাল খেতে পারো না "

তূর্য মাথা নেরে না বোঝায়। তূর্যর লাল হওয়া চোখের দিকে তাকালো নীরা। লোকটা যে ঝাল খেতে পারে না তা জানা নেই। তাই ঢোক গিলে বললো,

" আচ্ছা আপনি বসুন আমি আপনায় অন্যকিছু বানিয়ে দিচ্ছি। "

তূর্য সবার সামনেই নীরার ওরনায় চোখ নাক এক সাথে মুছে দাঁড়িয়ে বললো,

"তার কোনো প্রয়োজন নেই তুমি রেডি হয়ে নাও বেরোবো আমরা "

এই বলে গট গট পায়ে চলে গেলো

চলবে…

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১৩তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন