ফন্ট সাইজ:
থিম:
বিষাক্ত ভালোবাসা

৪র্থ পর্ব

লেখক: Afroza Sultana
#বিষাক্ত_ভালোবাসা
#লেখিকা_আফরোজা_সুলতানা 
#পর্ব_৪
🙏লেখায় কোনো ভুল হলে ক্ষমা প্রার্থী🙏
এর মধ্যে জেরিন এতোটাই ভয় পেয়ে যায় যে জিহানের পা ধরে বসে পরে
জেরিন : ভাইয়া, প্লিজ ভাইয়া  এমন  ভুল আর করবো না ভাইয়া প্লিজ ভাইয়া
রাব্বি : ও যখন এতো করে বলছে জিহান তুই অন্য কোন শাস্তি দে কিন্তু এটা করিস না
জিহান : রাব্বি আমি তোকে যেতে বলছি
রাব্বি : আচ্ছা  ব্রো রাগ করছিস কেন
এই বলে রাব্বি চলে যায় প্রিন্সিপাল কে আনতে
জেরিন জিহানের পা ছেড়ে মায়ার কাছে যায় আর হাত ধরে বলে
জেরিন : মায়া তুই তুই ভা,ভাইয়াকে বল না এমন না করতে
জান্নাত  : মায়া কি বলবে আজব
জেরিন : প্লিজ মায়া আমাকে বাঁচা আমার লাইফ নষ্ট হয়ে যাবে মায়া প্লিজ মায়া
জেরিনের এমন কথায় মায়ার একটু খারাপ লাগে তাই জিহানকে বলে
মায়া : ভা,ভাইয়া বলছি কি  ও যখন এতো করে বলছে এরকমটা করো না প্লিজ  "
মায়ার কথায় জিহান গম্ভীর কণ্ঠে বলে
জিহান : প্রথমতো ও তোকে মুখে কালি মাখতে বলছে দ্বিতীয় তো ও জান্নাত কে ননদীনি বলেছে আর তৃতীয়তো ও আমারকে ওর জামাই  বলেছে, আমিকি ওর ভাতার লাগিরে যে ও আমারে জামাই বলবো ওরে আমি কবে বিয়ে করলাম হ্যাঁ"
কারিমা : কই ভাইয়া ও আপনাকে কখন জামাই বললো
জিহান : ও জান্নাতকে ননদীনি বলছে তো ওর কি আর চার পাঁচটা ভাই আছে
কারিমা : কিন্তু ভাইয়া
সুমাইয়া : চুপ কর মা*গী তুই বেশি কথা বলিস,  ভাইয়া তুমি একদম ঠিক বলছো ওর এই শাস্তিই ঠিক আছে আর জেরিনের সাথে কারিমাকে দাও বের করে, কারিমাও মায়াকে অপমান করছে
জিহান : ও তাই নাকি
কারিমা : এই না, না
জান্নাত : ভাইয়া আমি বলি কি ওদের বের করে দিও না
জিহান : কেন
জান্নাত : ওরা বলছে না মায়াকে মুখে কালি মাখতে, এখন মায়াকে বলো সবার সামনে ওদের মুখে কালি মাখাতে  আর তোমার পায়ে পরে ক্ষমা চাইতে আর  এটাই ওদের শাস্তি
জিহান : এটাও মন্দ  বলিস নি তাহলে এটাই করা যাক
জেরিন : এ, এই না না প্লিজ
জিহান : আতিক
আতিক : বল
জিহান : কালির ব্যবস্থা কর
আতিক : ওকে ব্র
আতিক কালির জন্য চলে যায় এর মধ্যে রাব্বি স্যার কে নিয়ে এসে পরেছে
স্যার : জিহান বাবা কি হয়েছে যে তুমি এখানে
জিহান : না আসলে তো জানতেই পারতাম না
স্যার : কি হয়েছে বাবা
জিহান : আপনি থাকতে আমার বাড়ির মেয়েরা বুলি হয় কি করে
স্যার : কিহ
জিহান : আপনি থাকা সত্যেও এদের সাহস হয় কিভাবে
স্যার : বাবা শান্ত হয়  ও মনে হয় জানে না যে ওরা দুজন কোন বাড়ির  মেয়ে
জিহান : এরকম ভুল আবার হলে আপনার চাকরি নিয়ে টানাটানি বেজে যাবে
স্যার : এর পর থেকে আমি খেয়াল রাখবো বাবা
জিহান : good
জেরিন : স্যার আমাকে জিহান ভাইয়ার হাত থেকে বাচাঁন
স্যার :  ও তাহলে সেই মেয়েটা তুই
জিরিন : প্লিজ স্যার আমাকে স্কুল থেকে বের করে দেবেন না
স্যার : সেটা আমি ঠিক করবো না জিহান বাবা যেটা বলবে সেটাই হবে
আতিক : এই নে ভাই কালি
জিহান : good ,দে,,,,,  মায়া
মায়া : হহ্যাঁ ভাইয়া
জিহান : এদিকে আই
মায়া : কিন্তু
জিহান : মায়া আমি আসতে বলছি
মায়া ভয়ে ভয়ে  জিহানের কাছে যায়
জিহান : নে
মায়া : ভাইয়া
জিহান : আমি বলছি নে (ধমকের সুরে)
মায়া কালি হাতে নিচ্ছে না দেখে জিহান মায়ার হাত নিয়ে কালি মাখিয়ে দেয়
জিহান : এবার যা জেরিন নাকি ফেরিনের মুখে মেখে দে যা
জেরিন : এটা কিন্তু ঠিক না মায়া
জিহান :  ঠিক নাকি ভুল সেটা আমি ঠিক করবো তোর মতো দুটাকার মেয়ে না "মায়া তাড়াতাড়ি যা
মায়া জিহানের ধমক খেয়ে জিরিনের সামনে যায় আর জেরিনের সারা মুখে কালি মেখে দিতে থাকে
সুমাইয়া : মায়া বেশি করে দে সাথে কারিমাকেও দে
সুমাইয়ার কথা শুনে মায়া জিহানের দিকে তাকায়
জিহান ইসারা করে কারিমাকেও দিতে বলে মায়া জিহানের কথা মতো কারিমার মুখেও কালি মেখে দেয়
জিহান : এবার জান্নাতের পায়ে পরে ক্ষমা চা দুজনে
জেরিন : কিহ
জিহান : হুম  যা বলছি কর না হলে কলেজে থাকবি না
জান্নাত : আই আই আমি আর অপেক্ষা করতে পারছিনা
জেরিন ও কারিমা জান্নাতের পায়ে ধরে ক্ষমা চাই
জেরিন : জান্নাত  আমার ভুল হয়েছে ক্ষমা করে দে
জান্নাত  : যা তো গো ক্ষমা করে দিলাম কিন্তু
কারিমা : কিন্তু আবার কি
জান্নাত : কারিমা তোকে ক্ষমা করে দিছি উঠে পর আর জেরিন তুই
জেরিন : কি
জান্নাত : তুই আমি এখন যা বলবো আমার সাথে সাথে বলবি
জেরিন : কি বলবো
জান্নাত : আমি যা বলতে বলবো সেটাই, জেরিন বল যে আমি জেরিন সবার সামনে বলতেছি
জেরিন : আআআমি জেরিন সবার সামনে বলতেছি "
জান্নাত : যে জিহান ভাই আমার জামাই লাগে না বরং,
জেরিন : যে জিহান ভাই আমার জামাই লাগে না বরং,
জান্নাত  : আমার আব্বা লাগে,
জেরিন : কিহ,
জান্নাত : কিরে বল
জেরিন : আমি এটা বলতে পারবো না
সুমাইয়া : মা+গীয়ে এমনই শুনবো না দাঁড়া ওকে কতটি উত্তম মাধ্যম দিতে হবে
জিহান : সুমাইয়া আমি এখানে আছি ভুলে গেলি নাকি
সুমাইয়া : sorry জিহান ভাইয়া
জিহান : আর যেনো না শুনি আর জেরিন, জান্নাত  যেটা বলতে বলছে বল না হলে কিন্তু  স্যার টিস্যিটা রেডি করেন তো
স্যার : আচ্ছা  বাবা
জেরিন : স্যার যাবেন না আমি বলছি জিহান ভাইয়া আমার আ,আ,আব্বা ল,ল,লাগে
জান্নাত : হুম  মনে যেনো থাকে
জেরিন : মায়া আর জান্নাত এটা তোরা একদম ঠিক করলি না আমার সাথে " তোদের আমি পরে দেখে নিবো
জিহান : কেন এখন দেখ
জেরিন  : আর ভাইয়া তুমি তো
জিহান : ভাইয়া না আব্বা
জেরিন : কিন্তু
জিহান : কোনো কিন্তু না আর যেনো এরকম ভুল না হয় জেরিন,  তোকে আমি ছেড়ে দিলাম শুধু তুই একটা মেয়ে এরজন্য তুই যদি ছেলে হতিস তাহলে  এতক্ষণে  হাসপাতালে কোমায় থাকতি
রাব্বি : জিহান অনেক হয়েছে  চল এবার না হলে ক্লাস শুরু হয়ে যাবে
জিহান : হুম , মায়া, জান্নাত  আর সুমাইয়া তোদের তিন জনকে বলছি যদি কেউ কিছু বলে তাহলে সবার আগে আমাকে জানাবি
সুমাইয়া: আচ্ছা ভাইয়া
জিহান : মায়া
মায়া : জ্বি ভাইয়া
জিহান : এই নে তোর আইডি কার্ড
মায়া : হুম  [কার্ডটা হাতে নিয়ে ]
জিহান : কার্ড একটু দেখে রাখবি তো যদি হারিয়ে যেতো তাহলে কি হতো ভেবে দেখেছিস আমি এখন যায় আর তুই সাবধানে থাকিস খারাপ লাগলে আমাকে এসে বলিস
মায়া : আচ্ছা  ভাইয়া
জিহান : এখনও ব্যথা করছে[ চিন্তিত হয়ে]
মায়া : না
জিহান : আচ্ছা  তোরা ক্লাসে যা আমরাও যায়
এই বলে জিহানরা সেখান থেকে চলে যায়
[জিহানের এখানে আসার কারন টা হলো মায়া তার আইডি কার্ড ভুলে গাড়িতে রেখে এসেছিলো সেটাই জিহান দিতে এসেছিলো আর এসব হয়ে গেলো]
সুমাইয়া : কি হয়েছে রে মায়া তোর
জান্নাত : আমি বলছি ক্লাসে যেতে যেতে চল
সুমাইয়া : হুম  চল তাহলে [ চিন্তিত হয়ে বলে]
[এরপর তারা তিনজন ক্লাসে যেতে থাকে আর জান্নাত  সব কিছু বলতে থাকে ]
সুমাইয়া : কি [অবাক হয়ে ]
জান্নাত : হুম
সুমাইয়া : সেটা আবার ভাইয়া জানলো কেমনে [মায়ার দিকে তাকিয়ে ]
মায়া : আসলে এটা আমিই বলেছি
সুমাইয়া : তুই কি পাগল
মায়া : কেন
সুমাইয়া : এইটা কি ছেলেদের বলার জিনিস
মায়া : কেন বললে কি হবে
সুমাইয়া : জান্নাত তুই ও তো ওকে বুঝিয়ে বলতে পারতি দামড়ি এখনও এসব  ছি কি একটা লজ্জার বিষয়
জান্নাত : আরে ও আমাকে আগে বললে তো বারণ করতাম
সুমাইয়া : কেন তোকে বলে নি
জান্নাত : না আমি পরে জানতে পারছি তার আগেই ওনি ভাইয়াকে বলে দিয়েছে যেখানে  এটা ছেলেদের বলতে হয় না
মায়া : আমার খুব পেট ব্যথা করছিলো সহ্য হচ্ছিলো না তাই আর
সুমাইয়া : আর তুই ডেং ডেং করে সব বলে ফেললি তাই না
মায়া : রাগ করছিস কেন sorry  আর বলবো না
জান্নাত : যা বলার তো তুই আগেই বলে ফেলছিস
সুমাইয়া : যায় হোক আর এ বিষয়ে  কোনো ছেলে কে  বলবি না
মায়া : আচ্ছা  বলবো না
সুমাইয়া : মনে থাকবে তোর
মায়া : হ্যাঁ থাকবে আমি ছোট বাচ্চা না,
সুমাইয়া : তুই তো একটা দামড়ি,
জান্নাত : আরে এবার থামতো  ক্লাস চলে এসেছে
মায়া ক্লাসে যেতেই ক্লাসের সব মেয়েরা এসে মায়াকে ঘিরে ধরলো
মেয়ে- ১: মায়া তুই তো আজকে ফাটিয়ে দিয়েছিস
মেয়ে-২: আর জান্নাত তুই তো জেরিন কে দিয়ে আব্বা  ডাকালি
জান্নাত : সমস্যা নেই তোরা চাইলে তোদেরকে দিয়েও বলাতে পারি বলাবো নাকি [একটু ভাব নিয়ে]
মেয়ে -২ : আরে না না ভাই আমার দরকার নাই
জান্নাত : এখন  আমার মনে হচ্ছে তোকে ও দিয়ে বলানো প্রয়োজন
মেয়ে-২ : কে,কেন[ ভয় পেয়ে]
জান্নাত : কারন তুই ও তো মায়ার লাল চুল  নিয়ে বাজে কথা বলিস
মেয়ে -২ : সেটা তোকে কে বললো
জান্নাত : আমি সব জানি
মায়া : এসব থাক না এখন আমার ভালো লাগছেনা জান্নাত
জান্নাত : তুই ওখানে গিয়ে বস আমি সব মিটিয়ে আসছি
মায়া : তুইও আয়।
জান্নাত : আচ্ছা  আসছি তুই বস আগে
মায়া : হুম
মেয়ে -৩: এই এই সবাই গিয়ে যার যার সিটে বস স্যার আসছে
মেয়েটির কথা শুনে সবাই যার যার সিটে এসে বসে পরে
স্যার ক্লাসে প্রবেশ করে, সাথে সাথে সবাই দাঁড়িয়ে সালাম দেয়
all: আসসালামু আলাইকুম স্যার
স্যার : ওয়ালাইকুম সালাম  সবাই বসো
সবাই বসে পরে আর স্যার ক্লাস নিতে থাকে
অন্য দিকে  জিহান ভার্সিটি এসে প্রেজেন দিয়ে ও আর ওর বন্ধরা সবাই বেরিয়ে যায় ক্লাস থেকে
[ জিহানকে কোনো স্যার কিছু বলতে পারে না কারন এই পুরো কলেজ আর ভার্সিটি জিহানদের টাকায় চলে এর জন্য  জিহান ছোট বেলা থেকে পরীক্ষার সময়ও প্রেজেন আর খাতায় নাম টা লিখে চলে আসে  এ বিষয়ে শুধু  পিন্সিপল স্যার আর জিহানের বাবা,জানে
তার জন্য  পিন্সিপল স্যার অনেক টাকা পায় ]
(সময় পরিবর্তন)
বিকেলের দিকে মায়াদের কলেজ ছুটি দেওয়ার পর মায়া আর জান্নাত জিহানের জন্য দাঁড়িয়ে রয়েছে ঠিক তখন
মায়া : জান্নাত ওই দেখ তোর হিরো তোর দিকে কেমন করে তাকিয়ে আছে
জান্নাত: কই
মায়া : ওই দেখ [চোখ দিয়ে ইশারা করে]
জান্নাত মায়ার করা ইশারার দিকে তাকায় আর দেখে সত্যি  সেই ছেলেটা তার দিকেই তাকিয়ে আছে
মায়া : কিরে জান্নাত তোর গাল দুটো তো লাল হয়ে গেছে
জান্নাত : মায়া তুইও না কি যে বলিস না  [লজ্জা পেয়ে]
[ছেলেটার নাম আসিফ ভার্সিটিতে পড়ে দেখতে মাশাআল্লাহ,  বয়স ২২ হবে  আসিফ জান্নাতকে পছন্দ করে জান্নাত ও করে কিন্তু  কেউ কাউকে বলতে পারেনা"  আসিফ প্রতিদিন ফুল নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে জান্নাত কে প্রপোজ করার জন্য  কিন্তু  কখনো সেই সুযোগ পায় নি কিন্তু  আজকে জিহানকে দেখতে না পেয়ে জান্নাতদের কাছে যেতে থাকে ]
জান্নাত :  ওই মায়া দেখ আসিফ ভাইয়া তো এদিকেই আসছে এখন কি করব[ ভয় পেয়ে]
মায়া : আজকে মনে হয় ভাইয়া  তোকে প্রপোজ করবে দেখ ভাইয়ার হাতে গোলাপ
জান্নাত : সেটা তো প্রতিদিনই থাকে
মায়া : আল্লাহ আজকে যেনো ভাইয়া জান্নাত কে প্রপোজ করতে পারে আর জান্নাত  তুই কিন্তু ভাইয়াকে ফেরাবি না
জান্নাত : আগে প্রপোজ তো করুক তারপর ভেবে দেখবো [ একটু ভাব নিয়ে ]
মায়া : তুই হ্যাঁ করবি
জান্নাত : এই এই চুপ কর আসিফ ভাইয়া চলে এসেছে
আসিফ : হাই কেমন আছো তোমরা
জান্নাত : আলহামদুলিল্লাহ ভালো তুমি
আসিফ : আলহামদুলিল্লাহ
মায়া : কিছু বলবে ভাইয়া
আসিফ : বলার তো ছিলো অনেক কিছুই [ এদিক ওদিক তাকিয়ে ]
জান্নাত  : তো বলে ফেলো আমি তো কবে থেকে শুনতে চাচ্ছি
আসিফ : কিহ
মায়া : ও কিছু না ভাইয়া তুমি বলো
আসিফ : হুম  বলছি " জান্নাত ও ওই আমি না [ ভয়ে ভয়ে ]
জান্নাত : কি আমি না তাড়াতাড়ি  বলো ভাইয়া চলে আসবে
আসিফ : ও হ্যাঁ হ্যাঁ বলছি
জান্নাত : তাড়াতাড়ি
আসিফ : জা,জান্নাত  আ,আ,আ, I Love you আমি তোমাকে ভালোবাসি
জান্নাত : এভাবে কাউকে প্রপোজ করে,  গোলাপ কই আর তুমি এমন করে  গালে হাত দিয়ে রাখছো কেন
আসিফ : যদি আবার থাপ্পড় মেরে দাও তাই আর গোলাপ এ,এই নাও গোলাপ
জান্নাত : আবার করো
আসিফ : কি
জান্নাত : প্রপোজ আর এবার সবাই যেভাবে করে তুমিও করো যদি পটে যায়
আসিফ : ও আচ্ছা  আমি এখনই করতেছি,
এই বলে আসিফ জান্নাতের সামনে  হাটু গেড়ে বসে
আসিফ : I Love you জান্নাত  I Love you তুমি কি আমার বাচ্চার মা হবে
মায়া : হ্যাঁ করে দে  জান্নাত  না হলে কোন সময় না আবার ভাই চলে আসে
জান্নাত : ok আমি হবো তোমার বাচ্চার মা [ফুল নিয়ে ]
আসিফ : সত্যি  জান্নাত  তুমি সত্যি  বলছো
জান্নাত : হুম  আমার বাবুর আব্বু
আসিফ : আমি আজ অনেক খুশি আমার বাবুর আম্মু
মায়া : আসিফ ভাই এখান থেকে যাও
আসিফ : কেন
মায়া : কারন এখানে তোমার বাবুর মামাও আসতেছে
আসিফ : ও আচ্ছা  আমি যায় এখন জান্নাত  আমাদের আবার পরে কথা হবে আর এই নাই এটার মধ্যে আমার ফোন নাম্বার রাতে কল দিও মন চাইলে  বায়
জান্নাত : বায়[কাগজটা হাতে নিয়ে ]
এই বলে আসিফ সেখান থেকে চলে যায়
আসিফ যাওয়ার সাথে সাথে জিহানের গাড়ি তাদের সামনে এসে দাঁড়ায়
[জিহান একটুর জন্য  আসিফ কে দেখতে পাইনি ]
জিহান : তাড়াতাড়ি গাড়িতে উঠ
মায়া : হ,হ্যাঁ
জিহান : জান্নাত
জান্নাত : হ্যাঁ ভাইয়া
জিহান : তোর হাতে এটা কিসের ফুল আর কে দিয়েছে
জান্নাত  : ভা,ভাইয়া এটা তো সুমাইয়া আমাকে দিয়েছে
জিহান : তা ও কি শুধু তোকেই দিয়েছে
মায়া : আ,আমাকেও দিয়েছে,
জিহান : কই আমি তো দেখতে পারছিনা
মায়া : আসলে ভাইয়া আমি আমি আমি আআমারটা ব্যাগে হ্যাঁ ব্যাগে ভরে রাখছি তো তা,তাই
জিহান : ও আচ্ছা [কিছু একটা ভেবে ]
জিহানের ভাবনার মাঝে জান্নাত  আর মায়া গাড়িতে উঠে বসে পরে
জান্নাত : ভাইয়া এবার চলো
জিহান : হুম
জিহান গাড়ি সার্ট দেয়
জান্নাত : আজকে অনেক জোর বাঁচা বেঁচে গেছি[ ফিসফিস করে ]
মায়া : হুম  না হলে তো কি যে হতো
জান্নাত :  ধন্যবাশঁ বইন তুই যদি ওই কথাটা না বলতি তাহলে আজকে হাড্ডি গুড্ডি একটাও আস্তো রাখতো না ভাইয়া
মায়া : জানিস আমার কতো ভয় করছিলো যদি ভাইয়া ব্যাগ চেক করতো তাহলে কি হতো
জান্নাত  : যা হওয়ার হতো এখন কার মতো  বেঁচে গেছি এটাই অনেক বড় কথা
মায়া : হুম
জিহান : তোরা এতো ফিস করে কি বলছিস
জান্নাত : ক,কই কিছু না তো
জিহান : ও আচ্ছা
জান্নাত : ভাইয়া একটা প্রশ্ন করি
জিহান : কর
জান্নাত : আমি তো জেরিন কে তোমার পা ধরাতে বলেছিলাম কিন্তু  তুমি আমার পা কেন ধরালে
জিহান : কারন ও তো তোকে ননদীনি বলছে তাই তোর পায়ে পড়িয়ে ক্ষমা চাওয়াইছি
জান্নাত : ও
জিহান : আর আমি চাইনি কোনো মেয়ে আমাকে স্পর্শ করোক কিন্তু  তুই ফাটিয়ে দিয়েছিস জান্নাত  জেরিনকে দিয়ে আমাকে আব্বা  ডাকাইছিস
জান্নাত : হুম ও তোমার মেয়ে হয়ে গেলো
জিহান : শুধু ও না কলেজের সবাইকে বলবি  মায়া বাদে সবাই আমার মেয়ে  [মায়ার দিকে তাকিয়ে ]
জান্নাত : হুম  [হেসে ]🤣
মায়া : (মনে মনে) , এটা কি বললো ভাইয়া[একটু লজ্জা পেয়ে ]
জিহান : এবার গাড়ি থেকে নাম বাড়িতে চলে এসেছি
মায়া আর জান্নাত  গাড়ি থেকে নেমে বাড়ির ভিতরে চলে যায় আর জিহান গাড়ি টা রাখতে যায়,
জান্নাত বাড়িতে ডুকে দেখে ওর মা সোফায় বসে আছে
জান্নাত : আম্মু [ দৌড়ে গিয়ে জরিয়ে ধরে]
হাজেরা বেগম : আরে আস্তে
মায়া : মামনি [ জরিয়ে ধরে ]
হাজেরা বেগম : তো আমার দুই princess কেমন আছে
মায়া :তোমার Princess রা তোমাকে ছাড়া একটুও ভালো ছিলো  না
জান্নাত  : তুই ঠিক বলছিস মায়া
হাজেরা বেগম : মনে হচ্ছে  আমার princessরা আমাকে ছাড়া ভালো ছিলো না
জান্নাত : আমি তোমার সাথে কথা বলবো না আব্বুর সাথেও না
জিহাদ খান : আরে আরে আমার Princess বুঝি রাগ করেছে
মায়া : বাবাই [জিহাদ খানকে জরিয়ে ধরে ]
জিহাদ খান : আমার মা,দুইটা বুঝি রাগ করেছে
মায়া : আমি তোমার সাথে রাগ করিনি তো বাবাই
জান্নাত : কিন্তু  আমি করছি [গাল ফুলিয়ে ]
জিহাদ খান :  Princess রাগ করে না দেখও তোমার জন্য  কি নিয়ে আসছি আর আমার Prince কই
জিহান : আমি এখানে বাবা
হাজেরা বেগম : বাবা কেমন আছিস তুই [  দৌড়ে গিয়ে জরিয়ে ধরে ]
জিহান : আমি ভালো আছি তুমি
হাজেরা বেগম : আমিও ভালো আছি
জিহান : বাবা তুমি কেমন আছো সব ঠিকঠাক মিটে গেছে তো নাকি সমস্যা আছে
জিহাদ খান : আমি তো ভালোই আছি আর সব ঠিকঠাক আছে তোকে চিন্তা করতে হবে না
চলবে

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৪র্থ পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন