ফন্ট সাইজ:
থিম:
কাজল্লাতার মেঘ

১০ম পর্ব

লেখক: Rahmatunnesa

কাজললতার মেঘ ☁️

লেখিকা: রহমাতুন্নেছা
পর্ব ১০
রাতের স্নিগ্ধ জোছনায় মোড়ানো সেই নিস্তব্ধ ঘর। জান্নাতুল তার পুরোনো কাঠের জানালার পাশে চেয়ার টেনে বসে ইমনের দেওয়া সেই লাল কাগজের গোলাপ ফুলটি আর তার ছোট্ট চিরকুটটি হাতে নিয়ে অপলক তাকিয়ে রইল। রাতের ঠান্ডা বাতাস তার কোমরছোঁয়া ঘন চুলে আলতো করে ছুঁয়ে যাচ্ছিল। বুকের ভেতর তখন এক অজানা শিহরণ আর ব্যাকুলতা। সে খুব সাবধানে ইমনের চিঠিটি খুলল, যেখানে ইমনের সেই কাঁপতে থাকা হাতের নিখুঁত ছোঁয়া আর গভীর আবেগ মাখানো শব্দগুলো স্পষ্ট ফুটে উঠেছে।
চিঠিতে ইমন লিখেছিল—
"আমার মায়াবতী কাজললতা,
হয়তো তুমি ভাবছ আমি খুব সহজে তোমাকে এই কথাগুলো বলে ফেলছি, কিন্তু বিশ্বাস করো, এই চিঠিটা লেখার আগে আমার হাতগুলো থরথর করে কেঁপেছে। আমি তোমাকে বলেছিলাম 3 বছর ধরে তোমাকে ভালোবাসি—না কাজললতা, একটু ভুল হয়েছে। আমি তোমাকে শুধু তিন বছর ধরে নয়, ঠিক তিন বছর দু’মাস সাত দিন ধরে নীরবে ভালোবেসে যাচ্ছি! 
প্রতিদিন ওই ইস্কুলের মোড়টায় দাঁড়িয়ে তোমার একবারের জন্য হেঁটে যাওয়ার অপেক্ষা করা—সেটাই ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ইবাদত।
 আমি তো সিওর হওয়ার আগে হাজারবার ভেবেছি,
 তোমার মতো একটা গরিব ঘরের রাজকন্যা আর আমার মতো এক মফস্বলের ভবঘুরে কবির কি কখনো মিল হতে পারে? 
আমার মনে তখন শতটা সংশয় ছিল, 
তুমি যদি আমাকে ধমক দিয়ে ফিরিয়ে দাও? 
যদি বলো তুমি একটা আস্ত পাগল? 
কিন্তু সেদিন যখন তোমার ওই চোখের মধ্যে একটুখানি রাগ আর মায়ার মিশ্রণ দেখলাম, এবং তোমার চিঠি লেখাগুলো, 
তখন আমার ভেতরের ভয়গুলো সব কর্পূরের মতো উড়ে গেল। 
আমি নিশ্চিত হয়ে গেলাম, এই কাজললতা শুধু আমারই জন্য তৈরি হয়েছে। 
তুমি কি একটুও বুঝছ না, তোমার এই পাগল কবি তোমাকে ছাড়া আর কিচ্ছু বোঝে না?"*
চিঠির ওই লাইনগুলো পড়ার পর জান্নাতুল আর নিজের চোখের জল আটকে রাখতে পারল না। এক ফোঁটা মুক্তোঝরা অশ্রু গিয়ে পড়ল ইমনের সেই চিঠির কাগজের ওপর। সে নিজের ঠোঁটে আঙুল চেপে মনে মনে ফিসফিস করে বলে উঠল—"সত্যিই তো আস্ত একটা পাগল আপনি, কবি সাহেব!"
পরের দিন ভোরের মিষ্টি রোদে যখন চারপাশটা ঝলমলে হয়ে উঠেছে, তখন প্রতিদিনের মতো মা ফাতেমা বেগম আর জান্নাতুল ঘর গোছাতে ব্যস্ত। উঠোনে তখন সকালের নরম রোদ এসে পড়েছে। ফাতেমা বেগম দাওয়ায় বসে চাল ঝাড়ছিলেন, আর জান্নাতুল তার পাশে দাঁড়িয়ে মায়ের সাথে কথা বলছিল। রাতের সেই চিঠির গভীর আবেগগুলো তখনো জান্নাতুলের মনের কোণে রোদ-বৃষ্টির খেলা খেলছিল। হঠাৎ করে মায়ের দিকে তাকিয়ে জান্নাতুল একটু দ্বিধা নিয়ে প্রশ্ন করল—
"আচ্ছা মা, একটা কথা বলব? সত্যিকারের ভালোবাসা কি এই পৃথিবীতে কখনো পূর্ণতা পায়? নাকি গল্প-উপন্যাসের মতো এগুলো কেবল রূপকথাতেই মানায়?"
মেয়ের এমন হঠাৎ করা গভীর দার্শনিক প্রশ্ন শুনে মা ফাতেমা বেগম মুচকি হাসলেন। তিনি চালের কুলাটা একপাশে রেখে পরম স্নেহে মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে পবিত্র 
কোরআনের ছায়ার আলোকে বোঝাতে শুরু করলেন—
"শোন মা জানু, সত্যিকারের ভালোবাসা কখনই মিথ্যে হয় না, যদি তার ভিত্তি হয় পবিত্রতা আর আল্লাহর ওপর ভরসা। পবিত্র কোরআনের সুরা রুমের ২১ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা কত সুন্দর করেই না বলেছেন—'আর এক নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকেই স্ত্রীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তি পাও এবং তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন।' দেখছিস মা, আল্লাহ নিজে বান্দার মনে এই ভালোবাসার বীজ বুনে দেন। দুনিয়ার মানুষ হয়তো অনেক সময় স্বার্থের টানে ভালোবাসা বদলে ফেলে, কিন্তু খাঁটি ও পবিত্র ভালোবাসা কখনো মরে না। এই দুনিয়ায় পূর্ণতা না পাক, পরকালে তার আসল সওয়াব আর শান্তি বান্দা ঠিকই পেয়ে যায়। তবে হ্যাঁ, যদি নিয়ত পরিষ্কার থাকে আর তা শরীয়তের সীমার ভেতরে থেকে পবিত্র রাখা যায়, তবে আল্লাহ সেই ভালোবাসাকে এই দুনিয়াতেও একটা সুন্দর পরিণতি দান করেন।"
মায়ের এই গভীর ও মধুর কথাগুলো শুনে জান্নাতুলের মনের ভেতরের সমস্ত সংশয় ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে গেল। তার মনে হলো, তার আর ইমনের এই অবুঝ ভালোবাসাটার পেছনেও বুঝি স্বয়ং স্রষ্টার এক অদৃশ্য ইশারা লুকিয়ে আছে।
ঠিক তখনই ঘর থেকে কাজের তাড়া থাকায় মা ফাতেমা বেগম একটা পিতলের কলসি হাতে নিয়ে বাড়ির পেছনের টিউবওয়েলের দিকে রওনা হলেন একটু পানি আনতে।
গ্রামের সেই চেনা পথঘাট, যেখানে সকালবেলা পাড়ার লোকজন একটু জটলা পাকিয়ে কুশল বিনিময় করে। ফাতেমা বেগম যখন নলকূপের দিকে যাচ্ছিলেন, তখন গ্রামেরই মোড়লের বউ রহিমা খালা আর তার সাথে আরও দু-তিনজন মহিলা চাতালের পাশে বসে ঝালমুড়ি খেতে খেতে পরনিন্দা কানাঘুষা করছিল।
ফাতেমা বেগমকে পাশ দিয়ে হেঁটে যেতে দেখে রহিমা খালা একটু বাঁকা হেসে ওপরের দিকে তাকিয়ে জোরে জোরে বলতে শুরু করল—
"আহা গো! ফাতেমা আপা তো একা একা খুব ভাব নিয়ে চলেন! কিন্তু উনার ওই যে ফুটফুটে রূপবতী মেয়েটা আছে না—জান্নাতুল? বয়স তো কম হলো না! রূপ-যৌবন তো একেবারে উপচে পড়ছে! এখনকার দিনে গরিবের ঘরে এমন রূপবতী মেয়ে থাকা মানেই তো একটা মস্ত বড় বিপদ! কে জানে, এই মেয়ে আবার কার সাথে প্রেম-পিরিত করে বেড়াচ্ছে কে দেখেছে! মফস্বল শহরের বখাটে ছেলেদের তো আর অভাব নেই! দিনকাল যা পড়েছে, আজকালকার মেয়েদের তো আবার একটুতেই মাথা ঘুরে যায়!"
পাশে বসা আরেক মহিলা শেফালী তাচ্ছিল্যের সুরে মাথা নাড়তে নাড়তে বলল, "ঠিকই কইছেন খালা! গ
রিবের ঘরে এমন সুন্দরী মেয়ে জন্মাইলে তো বাপ-মায়ের ঘুম হারাম হয়ে যাওয়ার কথা! 
হুনছি নাকি আজকাল কোন এক বখাটে ছেলের সাথে নাকি ঘোরে ফেরে! 
সময় থাকতে মেয়ের বিয়ে-শাদি না দিলে তো কেয়ামতের আগেই ঘরছাড়া হইব!"
মহিলাদের এমন নোংরা ও বিষাক্ত কথাগুলো ফাতেমা বেগমের কানে স্পষ্ট গিয়ে পৌঁছাল। একজন মেয়ে মা হিসেবে পরনিন্দার এই তীরগুলো তার বুকে গিয়ে এমনভাবে বিঁধল যে তার চোখ দুটো কান্নায় ভিজে এল। 
তিনি মুখ নিচু করে কষ্ট চেপে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।
ঠিক সেই মুহূর্তেই বাড়ি থেকে মায়ের পেছনে পেছনে পানি নেওয়ার আরেকটি জগ হাতে নিয়ে সেখানে এসে উপস্থিত হলো জান্নাতুল! মায়ের মুখের ওই মলিন ভাব আর ওই মহিলাগুলোর ফিসফিসানি ও কুৎসা রটানোর দৃশ্যটা জান্নাতের চোখে পড়তেই তার ভেতরের রক্ত গরম হয়ে গেল! সে আর এক মুহূর্তও চুপ করে থাকতে পারল না।
জান্নাতুল সরাসরি গিয়ে রহিমা খালাদের সামনে গিয়ে দাঁড়াল। তার চোখে তখন আগুন জ্বলছে, আর মুখে সেই চিরচেনা নির্ভীক ও ঝাঁঝালো অভিব্যক্তি!
জান্নাতুল হাত দুটো কোমরে গুঁজে বেশ শক্ত গলায় বলে উঠল—
"কী বললেন খালা? 
কার মেয়ের চরিত্র নিয়ে এতক্ষণ ধরে চুলচেরা বিশ্লেষণ করছিলেন? 
আমার মা এখানে দাঁড়িয়ে আছে, 
আর আপনারা ঠিক পিঠের পেছনে বসে এমন বিষ ঢালছেন? 
আপনাদের কি ঘরে মেয়ে-বোন কেউ নেই? নাকি অন্যের ঘরের মেয়ের কুৎসা না গেয়ে আপনাদের পেটের ভাত হজম হয় না?"
রহিমা খালা একটু থমকে গিয়ে চোখ বড় বড় করে বলল, "ওমা!
 দেখো তো এই মেয়ের তেজ দেখো! মুরুব্বিদের সামনে দাঁড়িয়ে মুখে মুখে তর্ক করছে! 
আমরা কি মিছে কথা বলছি নাকি রে ফাতেমা? 
পাড়ার সবাই তো দেখতেছে তোর মেয়ের চালচলন! 
কোন ছেলের সাথে প্রেম করিস,
 তা কি আর আমরা জানি না নাকি? 
এখন তো এই বয়সেই পোলাপানদের সাথে ফুটিফাটা ঘুরে বেড়াবি!"
জান্নাতুল একচিলতে তীব্র বাঁকা হাসি দিয়ে রহিমা খালার চোখের দিকে সরাসরি তাকিয়ে বেশ কড়া সুরে জবাব দিল—
"হ্যাঁ, করি তো! আপনার ওই কথাতেই তো সব প্রমাণ হয়ে গেল! কার সাথে প্রেম করি জানেন তো? হ্যাঁ, আপনার ওই আদরের বখাটে ছেলে সাজিদটার সাথেই তো করি! প্রতিদিন তো সে আমার পিছে পিছে ঘোরে, আর আমি তো তাকে পাত্তাই দিই না! আপনাদের ঘরে তো সাজিদের মতো আস্ত একটা বাঁদর পুষে রেখেছেন,
 তাই আপনাদের মনে সবসময় এই টেনশন কাজ করে বুঝি—পাড়ার বাকি মেয়েরাও বুঝি আপনাদের ওই ছেলের মতো খারাপ! অন্যের দিকে আঙুল তোলার আগে নিজেদের ঘরের দিকে একবার ভালোমতো তাকিয়ে দেখবেন, খালা!"
জান্নাতুলের মুখে এমন সপাটে চরম মোক্ষম জবাব শুনে রহিমা খালার তো মুখ দিয়ে আর কোনো কথা বের হচ্ছিল না! তার গাল দুটো রাগে থমথমে হয়ে গেল। তিনি চেঁচিয়ে উঠলেন, 
"কী! তুই আমার ছেলের নাম নিলি মুখে? এত বড় স্পর্ধা তোর! ফাতেমা, তোর মেয়েকে আজই সামলাও বলছি, নতুবা এই পাড়ায় তোদের টিকতে দেবো না!"
শেফালীসহ বাকি মহিলারাও তখন চেঁচামেচি শুরু করে দিল। চারপাশের পরিবেশটা মুহূর্তের মধ্যে এক লহমায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল।
ফাতেমা বেগম ভয় পেয়ে দ্রুত মেয়ের হাত ধরে টেনে চোখের জলে ভিজতে ভিজতে বললেন, "চল মা জানু! তুই ফালতু এই ঝগড়ায় জড়াস না। আল্লাহর ওপর ভরসা রাখ, মানুষের মুখে তো আর হাত দেওয়া যায় না।"
জান্নাতুল মায়ের হাত ধরে জ্বলন্ত চোখে ওই কুৎসিত মানসিকতার মহিলাগুলোর দিকে শেষবারের মতো তাকিয়ে খুব শক্ত গলায় বলল—
"মা, মাথা নিচু করে কখনো অপরাধীর মতো বাঁচতে হয় না। যারা নিজেরা পবিত্র নয়, তারা সবসময় অন্যের পবিত্রতা নিয়ে কথা বলে। আমি আমার নিজের ক্যারেক্টার খুব ভালো করেই জানি, তাই ওই পাড়ার দুই পয়সার পরনিন্দায় আমার কিচ্ছু যায় আসে না!"
কথাটা বলেই জান্নাতুল মার হাত ধরে মাথা উঁচু করে স্থান ত্যাগ করে বাড়ির দিকে হেঁটে চলে গেল। 
পেছনে তখন রহিমা খালা আর তার সাঙ্গপাঙ্গরা রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে নানা কুরুচিপূর্ণ কথা বলতে লাগল, 
কিন্তু জান্নাতুলের মনে তখন একটাই জেদ—সে তার মায়ের সম্মান বাঁচাতে আর নিজের ভালোবাসাকে রক্ষা করতে যেকোনো কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে প্রস্তুত।
ওর মধ্যে থেকে একজন মহিলা বললেন,,,, ছি ছি রুইমা খালা তোমার ছেলের সাথে নাকি ওই মেয়ে প্রেম করেছে,।
এই কথাটা যেন রহিমা খালার গায়ে লাগলো, পান চিবানো লাল গাল থেকে, এক হাওলা থুতু নিজেই ফেলে বললো ওই মাইয়ারে আমি দেখে নেবো, আমার ছেলের নামে মিথ্যে বদনাম দেওয়া আমি দেখে নেব এই মাইয়ারে খুব দেমাক না ওর ওই দিমাগ যদি আমি মাটিতে না পিছে দিয়েছি তো আমার নাম রহিমা খাতুন নয়,, বলেই আবার থুথু ফেললো মাটিতে,,
শেফালী বললেন,, ঠিক কইছো খালা ওইটুকু মেয়েটির কি পরিমাণ দেমাখ কিভাবে তোমাকে অপমান করল, একটা ব্যবস্থা করা খুবই দরকার।
আচ্ছা জানু সত্যি কি তোর সাজিদের সাথে, সম্পর্ক রয়েছে, তুই কি অন্য কাউকে ভালোবাসিস, মিথ্যা বলবি না সত্য বল, 
জান্নাতুল থমকে গেলো, এতক্ষণ তার ভেতরের সমস্ত তেজ যেন নিমেষে শেষ হয়ে গেল, মায়ের হাত ছেড়ে দিয়ে, সামনের দিকে যেতে যেতে বলে কি বলো মা আমি কেন ওর সাথে সম্পর্ক করবো আমি তো এমনি বলছি, 
জান্নাতুল কে নিজের দিকে ঘুরিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, আমি তোকে বলছি সত্যি কথা বলতে সত্যি কথা বল, তুই কাউকে ভালবাসিস, 
জান্নাতুল নিজের মার কাছ থেকে নিজের মুখ লুকিয়ে আমতা আমতা করে বলল আরে না মা, 
না হলেই ভালো, মনে রাখিস আমি যদি কখনো জানতে পারি তখন তোর বিয়ে দিয়ে দেব আর, স্বাধীনতা তখনই শেষ আর কখনোই আমি মেনে নিব না, এই নাটা যেন নাই থাকে, মাথায় ঢুকিয়ে নিস।
জান্নাতুল এ হৃদয় যেন থমকে গেল সে তো এখনো ভালবাসা শুরু করলো না তার আগেই সবাই তাকে নিয়ে, আমি কি আজকে প্রতিবাদ করে ভুল করলাম, কি করবো এখন আমি,, কবি সাহেব যে আমাকে গত তিন বছর ধরে ভালোবাসে, কি করবো এখন আমি, কবি সাহেব তো আমাকে হারানোর ভয়েতে প্রকাশ করতে চাইনি অথচ আমি তো কবি সাহেবকে প্রকাশ করতে বাধ্য করেছি, এখন কি হবে,।
মফস্বল গ্রামের এই ধুলোমাখা মেঠো পথে সেদিন যেন মা ও মেয়ের এই লড়াইটা কেবল একটা বাকবিতণ্ডা ছিল না, সেটা ছিল সমাজের কিছু কুৎসিত মানসিকতার বিরুদ্ধে এক অবুঝ কিশোরীর অনন্য প্রতিবাদ। এই কিশোরী কি জানে , এই সামান্য ঝড়ে যে তার জীবন বদলে যেতে পারে, জানিনা জানলে হয়তো কখনোই এমনটা করত না।,,?
চলবে...

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১০ম পর্ব শেষ করেছেন।

আগের পর্ব উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন