ফন্ট সাইজ:
থিম:
হৃদয় প্রনয়শক্তি

৩৪তম পর্ব

লেখক: আরিফা বিনতে মায়া

#পর্ব_৩২_৩৩

#হৃদয়_প্রনয়সক্তি

#লেখিকা_আরিফা_বিনতে_মায়া

ঘণ জঙ্গল। চারদিকে অন্ধকার, শুধু দূরে ঝিঝি পোকার আওয়াজ আর পাতার মচমচে শব্দ।

আর সেই ঘোর অন্ধকারে জঙ্গলে ক্লান্ত শরীর নিয়ে দৌড়াচ্ছে আদিবা, আর অনবরত হাঁপাচ্ছে।

পায়ের নিচে কাটা বেধে রক্ত বের হচ্ছে, তবুও থামছে না।

আদিবা নিজের মনে মনে বলল-

" কেউ আসবে না তোকে বাচাতে আদিবা। নিজেই নিজেকে রক্ষা করতে হবে।

না হলে...... যে ওই শকুন হানারা তোকে গিলে ফেলবে।

পেছনে ভেসে আসা গলা –

— এই! পালিয়ে লাভ নাই৷ আজই তুই মরবি।

আরেকজন বলল,

— হাহা! দৌড়াক না, যত দূর যাক..... এই জঙ্গল থেকে কেউ বাচে না।

এরপরে শেষের জন্য বলল,

— ধর ওকে! একে তো আমাদের চোখে দু'লো দিয়ে পালিয়েছে। আবার মেডাম সেদিকে তেজ দেখিয়ে আমাদের খুন করার হুমকি দিচ্ছে।

এই বলে আদিবার পিছন পিছন দৌড়াতে লাগলো।

আর আদিবা গিয়ে শুকনো গাছের গুড়ির পেছনে লুকায়। নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখে৷ যেন তার নিঃশ্বাসের শব্দ যেন না শুনে এই ঘোন জঙ্গল।

----------------------------------

এদিকে রোহার্ড........

নিজের ডার্ক কোটে বসে আছে, আর অনবরত ড্রিং করছে।

আর সাথে ডার্কস তো আছে। তবে তার কিছুতেই নেশা কাটছে না।

বারবার তার রেড বাটারফ্লাই কথা মনে হচ্ছে,

আর মুখে মুখে বিড়বিড় করে বলল-

— জানি আমি! তুই আমাকে ভুলে গেছিস রেড ওয়াইন। কিন্তু চিন্তা করিস না,সময় মত নিজেই সাম্রাজ্যের অধিন মালিকানা বানিয়ে আমার হৃদয়ের প্রনয় ঘটাবো।

এরপর বাকা হাসি দিয়ে বলল'

— তবে চিন্তা করিস না শেড! তুই তো আমার খেলার গুটি মাএ। তোকে ইউজ করার আমার কোন ইচ্ছে নেই।

তবে আমার জিনিস ছোয়ার আগে সেটা অলরেডি অপবিত্র হয়ে গেছে।

যাকে ছুতে গেলে আমার চেহারা বারবার তোর চোখের সামনে বেসে আসবে।

ওইটাই আমি, আর আমার আত্মা ওর মধ্যে বন্ধি!

এই বলে পুরো গ্লাসের ওয়াইন শেষ করে, মেঝেতে গ্লাস ফেলে দিল।

আর রক্ত চক্ষু নিয়ে তাকিয়ে রইল মেজেতে।

ঠিক সে সময় শার্মস ভেতরে ঢুকে বলল –

— স্যার! আদিবা ম্যাম জেল থেকে পালিয়েছে।

আর তার পিছনে......

রোহার্ড নিজের হাত উঠিয়ে থামিয়ে বলল—

" তো আমি করবো নাচবো নাকি।

ওইসব দেখার টাইম নাই।

শার্মস অবাক চোখে তাকিয়ে কিছু বলতে নিলে পারে না।

রোহার্ড আবারও বলা শুরু করে —

" তোকে কি আমি পুশছি আমাকে এসব ফালতু খবর দেওয়ার জন্য।

আচ্ছা শার্ম তোর সমস্যা কি?

ইদানীং কি বেশি মাল খেয়ে ফেলছিস নাকি মেয়ে নিযে বেশি রুম ডেট করছিস যে, তোর মাথা গোবরে ভরে গেছে। তোর যদি আমার হাতে রাইফালের গুলি খাওযার শখ থাকে তাহলে বলতে পারিস, নির্দ্বিয়ায় তোকে আমার রাইফেল গুলি খাইয়ে দিব। একদম মাথা থেকে শুরু করে সব আপতদ মস্তক ঠিক হয়ে যাবে।

শার্ম আমতা আমতা করে বলল,

— না বস, আমি ঠিকাছে। আপনার হাতে গুলি খাওয়ার ইচ্ছে নাই। তবে আদিবা ম্যাম কে তো আপনি নিজেই বলছেন.....

রোহার্ড এবার গম্ভীর মুখ নিয়ে বলল'

— শোন শার্ম! আমার ওই ছাতার মাথার মেয়ের প্রতি কোন ইনরেস্ট নেই। যাস্ট ওকে আমি ঘৃণা করি আমার জীবনের বেশি থেকে।

ও মরল কি বাচল আমার যায় আসে না।

আই ডোন্ট কেয়ার।

ওর কারনে আমার জীবনের কালো অধ্যায় আবার শুরু হচ্ছে, তবে তার দ্বি এন্ট করবো আমি।

ওকে পৃথিবীতে দেখে সরিয়ে।

এবার যা এখান থেকে, আমায় আমার মতো থাকতে দে,

কালকে আমার আবার আসল জায়গায় যেতে হবে।

' এই বলে রহস্যেময় হাসি দিল

মনে হলো কোন নতুন ছক করেছে, মরন খেলার নামার জন্য। তবে কি হয় তা সামনে বুঝা যাবে।

তবে অথচ ওরা বুঝলো না, ওদের কথা কেউ যে রুমে বাহিরে থেকে শুনে নিয়েছে।

কথা শুনা শেষ হলে সেই অদৃশ্য দরজায় থাকা মানবি সরে গিয়ে কল করে বলল"

— যে ভাবে হোক কিয়ারাকে এই কালো জগত থেকে উদ্ধার করতে হবে। তবে আমি সব সময় অর্কিডের উপর নজর রেখেছি। চিন্তা কর না, সব ঠিক হবে দেখ।

আমাদের কুইন কিয়ারার কিচ্ছু হবে না।

এই বলে সেই অদৃশ্য মানবি ফোন কেটে বাকা হেসে ওখান থেকে সরে গেল।

তবে রেখে গেল অদৃশ্য কিছু রহস্য, কে এই কিয়ারা যাকে বাচানোর জন্য আর মেরে ফেলার জন্য উঠে পরে লেগেছে।

আর এই মানবি কে যে, রোহার্ড এড্রিয়ানে অগোচরে ষড়যন্ত্র করছে।

-----------------------------------

চারদিকে জুড়ে ঘন সবুজে ঢেকে আছে পৃথিবীটা।

শুধু শুধু অন্ধকার আর ভারী নিস্তব্ধতা শব্দ।

আর সেই জোপের ভেতরে আদিবা লুকিয়ে আছে।

আর পেছনে ওকে খুজচ্ছে আর বলছে

— ওই মেয়েটা কই গেলো "

— এখানেই আছে, কোথাও যায় নি।

ভালোভাবে খুজলে পেয়ে যাবি।

এই বলে তিনজন চারিদিকে ছড়িয়ে পরলো খোজার জন্য। এর পরে আরো কিছু লোক সেখানে হাজির হলো।

তারাও কাজে লেগে পড়লো আদিবাকে খোজার জন্য।

আর আদিবা সে তো ভয়ে নিজেকে কি বিপদ থেকে উদ্ধার করবে, উল্টো সে নিজেই রোবট হয়ে ওখানে পড়ে রইল।

যখন মনে হল, ওর দিকে কেউ আসছে। তখনই আদিবা পালানোর চেষ্টা করছে।

কথায় আছে না, অনেক সময় সাহসী মানুষের বুদ্ধি নিজের কাছে থাকে না, বিপদে পরলে সবই অন্ধকার দেখে ঠিক সেইরুমটা আদিবার সাথে হয়েছে।

লোকগুলো আদিবার হাত ধরে টেনে নিয়ে দিল এক চড়, আর সেই চড়ে হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লো।আর ঠোট কেটে পিনিক রক্ত বের হলো।

তারপর যে লোক ওকে থাপ্পড় মেরেছে। সেই লোক ওর চুলের মুডি ধরে বলে,

— তোর অনেক সাহস না মা****, আর তো এই মা**** রি ছুটাবো।

প্রথমে তোর এই লাল মণি ওয়ালা চোখে তুলে উঠাবো, তার পরে তোকে পৃথিবী থেকে সারা জীবন মত অদৃশ্য করে দিব।

এই তোরা কে কোথায় আছিস, আমারে ছুরিটা দে।

মেডাম আমার জন্য অপেক্ষা করছে।

এই কথা শুনে একজনে চুরি ফিক্কা মারলো, আর সাথে সাথে চুরিটা ক্যাচ করে নিয়ে যখন আদিবাকে আঘাত করতে নিবে।

তখনই আকাশ থেকে প্রবল বাতাস শুরু হলো। আর চারপাশে পরিবেশ পরিবর্তন হয়ে গেল।

আর সবাই যার যার চোখে হাত দিয়ে ডাকা শুরু করলো।আর উপরে তাকিয়ে দেখলো, বিশাল এক হেলিকপ্টার এসে মাটিতে ল্যান্ট করলো।

আর তিনজন গার্ড এসে হেলিকপ্টারের দরজা খুলে দিল, আর ভেতর থেকে এক কালো পোশাক পরা যুবক নামলো—

চোখে বাদামী তীক্ষ্ম ধারালো দৃষ্টি, মুখে কঠিন ভাব, চোয়াল শক্ত । চেহারা যেন রহস্য আর অভিজ্ঞতার ছাপ, একদম চায়না ভাব ভাব মনে হলো।

তার কালো ট্যাকটিক্যাল পোশাক হাওয়ায় দুলছে, হাতে চকচকে বন্ধুক —

এরিমধ্য একজন জিজ্ঞেস করল—

এই ক্যাডারে তুই, আমগো কামের মধ্যে বেগাত ঘটাস কেন?

অপর পাশ থেকে উত্তর আসলো.............

___দ্বিতীয় অংশ.......

রাতের জঙ্গলে হালকা বাতাস বয়ে যাচ্ছে।চারদিকে অন্ধকার, তবে মাঝে মাঝে জোনাকির ম্লান আলো দেখা যায়। রাতটা পুরো নীরব নয়, কিন্তু শব্দ গুলো কেমন যেন ভারি ভারি লাগছে।

যখন ঐ লোকগুলো যখনই হুডি পড়া লোক কে জিজ্ঞেস করে —

তখনই অপর পাশ থেকে বারি কন্ঠস্বর আসলো

— ঐ মেয়েটাকে আমার হাতে তুলে দে....নিজের প্রাণ হারানোর ভয় যদি না থাকে।

আর যদি না দিস তাহলে আজকে – এই জঙ্গল থেকে তোরা কেউ বেচে ফিরবি না।

তখনই তাদের মধ্যে থেকে একজন বলল"

—তুই বললে আমরা শুনবো, মগের মুল্লুক পেয়েছিস।

আমরা কেন তোর হাতে এই মেয়েটাকে তুলে দিব। আর তুই কে?

দরকার হলে এই মুহূর্তে মেরে ফেলবো।

এই বলে নিজের হাতে থাকা ছুরিটা যখনই আদিবার পেটে ঢুকাতে যাবে, তখনই হুডি পড়া লোকটা পিছন থেকে ছুরি সহ লোকটাকে ধরে হাত উল্টো করে তার পেটে ছুরি ঢুকিয়ে দেয়। আর গোল গোল করে রক্তে পুরো জমিন ভেসে যায়।

আর এইটা দেখে বাকিরা আক্রমণ করতে গেলে তাদের কেও সেম নিজের হাতে থাকা চাকু দিয়ে সবাইকে আক্রমণ করে মাংস কাটার মত পিস পিস করতে লাগলো ।

যে আদিবাকে ছুয়েছে তার দুই হাত তার শরীর থেকে ছিন্নভিন্ন করে দিলো । আর যে আদিবাকে খারাপ খারাপ গালি দিয়ে কথা বলেছে তার শরীর থেকে মাথা কে আলাদা করে দিয়েছে।

শুধু একজনই বাকি রইলো, মাটিতে বসে পিছাতে লাগলো আর বারবার ক্ষমা চাইতে থাকলো।

— আপনে ক্যাটা আমি চিনি না। দয়া করে আমারে ছাইরা দেন।

আমরা হুকুমের গোলাম, খালি আদেশ পালন করছি৷

যদি জানতাম এটা আপনার মাল, জীবনেও ধইরাও দেখতাম না।

ঠিকতখনই হুডি পরা লোকটা ওই লোকের সামনে গিয়ে চোয়াল চেপে ধরে বলল—

" আমার নাম শাহরিয়া শান্ত! যখন অশান্ত হই, তখন পুরো পৃথিবীকে অশান্ত করে তবেই শান্ত হই।

এই যে তোকে এখন অশান্ত করে তারপর নিজের শান্তির ঠিকানা খুজবো।

এই বলে আরেকটু চোয়াল চেপে ধরে আবার বলা শুরু করল —

"তোর কি মনে হয়, তুই আমার হুর পরিকে টার্জ করবি।

আর আমি শান্ত তোকে এতো সহজে ছেড়ে দিব।

নো, নো নেভার এভার....

আমি কখনো আমার জিনিসের টার্জ করার বাগিদারদের কে জীবিত রাখি না। সোজা ভেনেইস করে দি..... আর তুই তো আমার পায়ের তলার কীট

এই বলে শয়তানি হাসিতে মও হয়ে গেল, তবে হঠাৎ করে নিজের রূপ পরিবর্তন করে রক্ত চক্ষু নিয়ে তাকিয়ে চোয়াল শক্ত করে চেপে ধরে আবার বলল-

" আর তোকে তো মাফ করার প্রশ্নই আসে না।আর আমি শান্ত কখনো কাউকে সুযোগ দি না। আর

তুই আমার হুরপরি, আমার কলিজার দিকে হাত বাড়িয়েছিন। ভেবেছিস এত সহজে আমার হাত থেকে বেচে ফিরবি।

আর তুই হুরপরিকে এই মুখ দিয়ে কি বললি মাল, আরে ও তো আমার পরাণের পাখি। এই মুখ দিয়ে তুই আমার হুরপরি কে খারাপ কথা বলেছিস, তোর এই মুখ আমি....

আর কিছু না বলে হাতে থাকা চাকু দিয়ে ওই লোকের জিহ্বা আলাদা করে দিল, আর সেই লোক নিজের মুখ ধরে ছটফট করতে থাকলো। এটা দেখে প্রশান্তির শ্বাস নিলো সেই কালো হুটি পড়া লোক।

অতপর সামনে ফিরে নিজের হাতে থাকা চাকু টা টেকনিকের মতো করে পিছনে ফিক্কা মারলো, সাথে সাথে সেই লোকের দেহ দুই খন্ড হয়ে গেল।

আর ওই হুডি পড়া লোক বাকা হাসি দিল "

আর বলল—

" আমি শাহরিয়ার শান্ত! যখন অশান্ত হই, তখন পুরো পৃথিবীকে অশান্ত করে তবে শান্ত হই।

এই বলে নিজের হাতের দুই আঙুল মুখে নিয়ে কিস ছুড়ে মারলো আকাশের উপরে।

এই সব দেখে আদিবা নিজেকে আর ঠিক রাখতে না পেররে জোরে চিৎকার দিয়ে যখনই মাটিতে লুটিয়ে পড়বে, তখনই হুডি পরা লোক তার কোমড় জড়িয়ে ধরল। আর তার দিকে এক দৃষ্টি তে তাকিয়ে রইল।

মনে হলো কত বছরের তৃষ্ণা, দেখার তৃষ্ণা এই জীবনে মিটবে কিনা সন্দেহ। তবুও চিরকাল এই হুরের দিকে তাকিয়ে থাকবে, তবুও নিজের দেখার স্বাদ মিটবে না।

অতঃপর নিজের হাত দ্বারা আদিবার মুখের উপর চুল সরিয়ে অনেক সময় ধরে তার দিকে তাকিয়ে হঠাৎ গেয়ে উঠল—

খুঁজেছি তোকে রাত বেরাতে,

জ্বলেনি আলো স্বপ্নে..

লুকিয়ে চিঠি তোকে লেখা

তুলে রেখেছি যত্নে...

মনের অলি গলি,হয়ে কেন পালালি,

রাতেও মরিচিকা দেখছি একা একা

গিয়েছে ঘুম উড়ে , বুক পুড়ে, ছাই উড়ে

ট্রালা লা লা লা

ও হো হো হো.......

এই টুকো গেয়ে, হালকা মুচকি হাসি দিয়ে কানের কাছে ফিসফিস করে বলল—

" স্বাগতম আমার হুরপরি,স্বাগতম!

আমার অগ্নিময় হৃদয় কে শান্ত করার জন্য তোমাকে স্বাগতম..

তোমার একটু হাসি, একটু তাকানো,

এই হৃদয়হীন পুরুষ কে থামিয়ে দিতে পারে।

তোমায় পাওয়ার মুহূর্তটা যে কতটা আমায় আনন্দ দেয় সেটা কি তুমি জানো....

তুমি যখন আমার সামনে তোমার ওই ডার্ক রেড আই দিয়ে তাকাও, তখন মনে করি এই হয়তো জীবনের শেষ নিঃশ্বাস নিতে ভুলে গেছি।

আর তোমার নিঃশ্বাস, প্রতিটা শব্দ যখন শুনি। তখন অজানায় ঠিকানা হারিয়ে যাই।

হৃদয়ের এই ঘর তোমারি জন্য সাজানো,

নিঝুম রহস্য রাতের আকাশ মধ্যে সাক্ষী হয়ে আমার জীবনে আসার জন্য তোমাকে স্বাগতম, ব্লাক ভেইল...

শেষে রহস্যের মত নাম নিয়ে বাকা হাসি দিয়ে পাজা কোলে তুলে নিল,আর সামনে এগিয়ে যেতে লাগলো।

এরপরে হেলিকপ্টার উঠে পড়লো আর তার হুরপরিকে নিজের উরু উপরে মাথাটা রেখে শুয়ে দিল৷

আর সামনে গার্ডকে ইশারা করলো হেলিকপ্টার উড়ানোর জন্য। আর হেলিকাপ্টার যখন আকাশে উড়ে, তখন রাতের আকাশ আর অন্ধকার সাক্ষী হয়ে গেল তাদের দুজনের এই মর্মারের দৃশ্য।

আর পিছনে রেখে গেলো নতুন কোন রহস্য , নতুন কোন পরিচয়।

কাল সকালে সূর্যোস্তয় উদায়ের পর শুরু হবে নতুন কোন খেলা নতুন কোন অধ্যায় ।

যেখানে হয়তো আদিবার জীবনে কোন নতুন কোন

মোর...........

চলবে...

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৩৪তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন