ফন্ট সাইজ:
থিম:
সর্বনাশের হাসি

৬ষ্ঠ পর্ব

লেখক: Miju.Sheikh

#সর্বনাশের হাসি

#Miju.Sheikh
#পর্ব সংখ্যা ৬
রাত তখন প্রায় দুইটা। গোপন ঘরের ভেতর নীরা একা দাঁড়িয়ে আছে। চারপাশের বাতাস যেন হঠাৎ ভারী হয়ে গেছে। কয়েক মিনিট আগেও যে ঘরটাকে শুধু একটা পুরোনো লুকানো ঘর মনে হচ্ছিল, এখন সেটাই তার কাছে একটা অচেনা ফাঁদের মতো লাগছে। দেয়ালে ঝোলানো ছবিগুলো অন্ধকারের মধ্যে আরও ভয়ংকর দেখাচ্ছে। টেবিলের ওপর পড়ে থাকা টেপ রেকর্ডারটা নিস্তব্ধ। অথচ নীরার কানে এখনও বাবার শেষ কথাগুলো বাজছে—“সাদিয়া তোমার মা নয়। তোমার মা...” তারপর সেই বিকট শব্দ। তারপর হাসি। আর শেষে সেই অচেনা কণ্ঠের ডাক—“কাল রাত ২টা ১৭ মিনিটে... পুরোনো বাড়িটায় এসো।”
নীরা ছবিটা শক্ত করে ধরে দাঁড়িয়ে ছিল। তার মাথার ভেতর যেন একসঙ্গে হাজারটা প্রশ্ন ঘুরছে। সাদিয়া যদি তার মা না হয়, তাহলে কে? তার আসল মা কে? তার বাবা কেন এত বছর ধরে এসব লুকিয়ে রেখেছিলেন? আর সবচেয়ে বড় কথা, ১৯৯৯ সালের সেই ছবিতে সে নিজেই বা কীভাবে ছিল?
হঠাৎ দরজার ওপাশ থেকে আবার শব্দ হলো।
ঠক।
নীরা চমকে উঠল।
কয়েক সেকেন্ড কোনো শব্দ নেই।
তারপর আবার—
ঠক... ঠক...
নীরা ধীরে ধীরে দরজার কাছে গেল। বাইরে তাকানোর মতো কোনো ফাঁক নেই। দরজার নিচের অন্ধকারটুকু ছাড়া কিছুই দেখা যাচ্ছে না। সে নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে রইল।
তারপর বাইরে থেকে রাফির কণ্ঠ ভেসে এল।
“নীরা, দরজা খোল। আমি এসেছি।”
নীরা চোখ বন্ধ করল। এবার সে জানে, এই কণ্ঠকে বিশ্বাস করা যাবে না।
“রাফি হলে তুমি কোথায় দাঁড়িয়ে আছ?”
বাইরে কয়েক সেকেন্ড চুপ।
তারপর উত্তর এল,
“দরজার সামনে।”
নীরা ঠান্ডা গলায় বলল,
“তাহলে দরজার সামনে থেকে সরে গিয়ে আমার নাম ধরে ডাক।”
বাইরে আবার নীরবতা।
নীরা অপেক্ষা করতে লাগল।
হঠাৎ সেই কণ্ঠ বদলে গেল।
“তুই খুব চালাক হয়ে গেছিস, নীরা।”
নীরার শরীরের ভেতর দিয়ে ঠান্ডা স্রোত বয়ে গেল।
এটা রাফির কণ্ঠ নয়।
এটা সেই একই অচেনা কণ্ঠ।
নীরা আর কোনো কথা বলল না। ধীরে ধীরে দরজা থেকে সরে এল। তার চোখ এবার টেবিলের ওপর রাখা পুরোনো বাক্সটার দিকে পড়ল। এতক্ষণ খেয়াল করেনি। বাক্সটা কাঠের তৈরি। ওপরের দিকে ধুলো জমে আছে। পাশে মরচে ধরা একটা ছোট তালা ঝুলছে।
নীরা ছবিটা টেবিলের ওপর রেখে বাক্সটার কাছে গেল। তালাটা হাতে নিয়ে দেখল। আশ্চর্যের বিষয়, তালাটা বন্ধ নয়। শুধু ঝুলছে।
সে ধীরে ধীরে তালাটা সরিয়ে বাক্স খুলল।
ভেতরে কয়েকটা পুরোনো কাগজ, একটা কাপড়ে মোড়ানো ছোট্ট প্যাকেট আর একটা সাদা খাম।
খামের ওপর লেখা—
“নীরার জন্য।”
নীরার বুক ধক করে উঠল।
কাঁপা হাতে খামটা তুলে নিল সে। কিছুক্ষণ শুধু লেখাটার দিকে তাকিয়ে রইল। হাতের লেখাটা তার বাবার।
খাম খুলতেই ভেতর থেকে একটা চিঠি বের হলো।
“নীরা, যদি তুমি এই চিঠি পড়ো, তাহলে ধরে নেব আমি তোমাকে আর নিজে থেকে সত্যিটা বলতে পারিনি।”
নীরার চোখ ঝাপসা হয়ে এল।
চিঠির পরের লাইনগুলো পড়তে গিয়ে তার হাত আরও কেঁপে উঠল।
“তুমি ছোটবেলা থেকেই আমাকে অনেক প্রশ্ন করেছ। তোমার জন্ম কোথায়, তোমার মা কোথায়, কেন তোমার শৈশবের কোনো ছবি নেই—আমি প্রতিবার মিথ্যা বলেছি। আমি জানতাম, একদিন সেই মিথ্যাগুলো তোমার সামনে দাঁড়াবে।”
নীরা ধীরে ধীরে চেয়ারে বসে পড়ল।
“তোমার জন্মের কাগজে যে তারিখ লেখা আছে, সেটা সত্যি নয়।”
নীরা থমকে গেল।
তার চোখ আটকে গেল ওই লাইনে।
“তোমার জন্মের আসল তারিখ ১৭ আগস্ট, ১৯৯৯।”
নীরার হাত থেকে চিঠিটা পড়ে গেল।
ঘরের মধ্যে কয়েক মুহূর্ত যেন কোনো শব্দই নেই।
তারপর সে আবার চিঠিটা তুলে নিল। চোখের সামনে লেখা কথাগুলো বারবার পড়ল।
১৭ আগস্ট, ১৯৯৯।
একই তারিখ।
ছবির তারিখ।
ডায়েরির তারিখ।
সাদিয়ার নামের তারিখ।
আর এখন তার নিজের জন্মের তারিখ।
কিন্তু তাহলে তার বর্তমান বয়স?
সবকিছু মিথ্যা?
নীরা চিঠিটা আরও পড়তে লাগল।
“আমি তোমাকে যে বয়স বলেছি, সেটাও সত্যি নয়। তোমাকে আমি এই পৃথিবীতে স্বাভাবিকভাবে আসতে দেখিনি। তোমাকে আমি পেয়েছিলাম।”
নীরার বুক কেঁপে উঠল।
“সেদিন রাতে আমরা পুরোনো বাড়িতে গিয়েছিলাম। সেখানে একটা ঘর ছিল, যেটা বাড়ির নকশায় ছিল না। সেই ঘরেই তোমাকে পাওয়া যায়।”
নীরা নিঃশ্বাস আটকে পড়তে লাগল।
“তুমি তখন একদম ছোট ছিলে। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হলো, তুমি কাঁদছিলে না। তুমি শুধু তাকিয়ে ছিলে। আর হাসছিলে।”
নীরার চোখের সামনে ছবির মেয়েটার মুখ ভেসে উঠল।
সেই হাসি।
“তোমাকে যখন প্রথম দেখি, তোমার পাশে একটা কালো কাপড়ের ব্যাগ ছিল। ব্যাগের ভেতরে ছিল একটা রুপার লকেট। সেই লকেটটাই তোমার একমাত্র পরিচয়।”
নীরা তাড়াতাড়ি নিজের গলার দিকে হাত দিল।
তার গলায় ছোটবেলা থেকেই একটা রুপার লকেট।
মা-বাবা তাকে বলেছিল, এটা নাকি জন্মের সময় তার সঙ্গে ছিল।
নীরা লকেটটা হাতে তুলে নিল। এত বছর ধরে সে কখনো সেটাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখেনি।
এবার সে লকেটটা ভালো করে দেখতে লাগল।
লকেটের পেছনে খুব ছোট করে খোদাই করা একটা চিহ্ন।
একটা বৃত্ত।
তার ভেতরে সেই বাঁকা দাগ।
ডায়েরির চিহ্ন।
“তৃতীয় দরজা।”
নীরা ফিসফিস করে বলল,
“এটা কী?”
চিঠিতে লেখা ছিল,
“লকেটটা কখনো খুলবে না। কারণ ওটা শুধু একটা গয়না নয়। ওটা একটা চাবি।”
নীরার বুকের ভেতরটা কেঁপে উঠল।
“কিসের চাবি, সেটা আমি জানি না। আর জানতেও চাইনি। কিন্তু আরমান জানত।”
নীরা থেমে গেল।
আরমান।
“আরমান বলেছিল, তুমি সাধারণ শিশু নও। তুমি এমন একটা ঘটনার অংশ, যেটা আমাদের সবার জীবন শেষ করে দিতে পারে।”
নীরা চিঠিটা শক্ত করে ধরল।
“আমি তাকে বিশ্বাস করিনি। কিন্তু ১৭ আগস্টের পর থেকে আমাদের পাঁচজনের জীবন বদলে যায়।”
পাঁচজন।
নীরা ছবির দিকে তাকাল।
তার বাবা, আরমান, সাদিয়া, মাহিন আর সেই অজানা পঞ্চম ব্যক্তি।
“সাদিয়া তোমার মা নয়। সে ছিল তোমাকে লুকিয়ে রাখার দায়িত্বে থাকা একজন মানুষ। সে তোমাকে নিজের মেয়ের মতো বড় করতে চেয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে ভয় পেয়ে যায়।”
নীরার চোখে পানি এসে গেল।
এতদিন যে মানুষটাকে সে মা বলে জেনেছে, তার পরিচয়টাই তাহলে মিথ্যা?
চিঠির পরের অংশটা পড়তে গিয়ে নীরার বুক ভার হয়ে উঠল।
“সাদিয়া তোমাকে নিয়ে পালিয়ে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু আরমান তাকে যেতে দেয়নি। কারণ সে জানত, তোমাকে যেখানে নিয়ে যাওয়া হবে, সেখানেই আবার সেই দরজা খুলে যাবে।”
নীরা কিছু বুঝতে পারছিল না।
দরজা?
কোন দরজা?
“তৃতীয় দরজা আসলে কোনো সাধারণ দরজা নয়।”
এই লাইনটা পড়েই নীরা থেমে গেল।
“প্রথম দরজা ছিল পুরোনো বাড়ির নিচে। দ্বিতীয় দরজা ছিল নদীর ধারে। আর তৃতীয় দরজা ছিল তোমার ভেতরে।”
নীরার শরীর শিউরে উঠল।
সে চিঠিটা নামিয়ে ফেলল।
কিছুক্ষণ পর আবার পড়তে শুরু করল।
“তুমি বুঝবে না, কিন্তু তোমার জন্মের আগেও তুমি ছিলে। তোমাকে আমরা প্রথম দেখিনি ১৭ আগস্টে। তার আগেও তোমার ছবি ছিল। তোমার কণ্ঠ রেকর্ড করা ছিল। এমনকি তোমার নামও লেখা ছিল।”
নীরা হঠাৎ উঠে দাঁড়াল।
তারপর বাক্সের ভেতর থাকা কাগজগুলো একে একে বের করতে লাগল।
পুরোনো ছবি।
কিছু রিপোর্ট।
কয়েকটা হাতে লেখা কাগজ।
আর একটা কালো মলাটের ছোট ডায়েরি।
ডায়েরিটা খুলতেই প্রথম পাতায় লেখা—
“প্রজেক্ট ১৭।”
নীরা থেমে গেল।
এর নিচে লেখা ছিল,
“Subject: NIRA.”
তার হাত ঠান্ডা হয়ে গেল।
নীরা?
তারপর আরেকটা লাইন।
“Age: Unknown.”
নীরা ডায়েরিটা বন্ধ করে ফেলল।
না।
এটা হতে পারে না।
তার বাবা কি কোনো পরীক্ষার সঙ্গে জড়িত ছিলেন?
সে আবার ডায়েরিটা খুলল।
ভেতরে কয়েকটা তারিখ দেওয়া। ১৯৯৭। ১৯৯৮। ১৯৯৯।
প্রতিটা পাতায় একই নাম—NIRA।
কোথাও তার ছবি নেই। শুধু কিছু অদ্ভুত নোট।
“প্রথম পর্যায়ে প্রতিক্রিয়া নেই।”
“দ্বিতীয় পর্যায়ে শব্দ শোনা গেছে।”
“তৃতীয় পর্যায়ে হাসি।”
“চতুর্থ পর্যায়ে দরজা খুলেছে।”
নীরা শেষ লাইনটা পড়ে স্থির হয়ে গেল।
তারপর নিচে লেখা—
“১৭ আগস্ট ১৯৯৯—Subject disappeared.”
নীরার মাথা ঘুরে উঠল।
সে দেয়ালে হাত রেখে দাঁড়িয়ে রইল।
তাহলে সে কি হারিয়ে গিয়েছিল?
কোথা থেকে?
কেন?
আর তার বাবা তাকে কোথায় পেয়েছিলেন?
ঠিক তখনই বাইরে একটা ভারী শব্দ হলো।
ধাম!
নীরা চমকে উঠল।
গোপন ঘরের দরজা কেঁপে উঠেছে।
বাইরে কেউ ধাক্কা দিচ্ছে।
“নীরা!”
এবার সত্যিকারের রাফির কণ্ঠ।
“নীরা, দরজা খোল! আমি সত্যিই এসেছি!”
নীরা দরজার কাছে গিয়ে থেমে গেল।
“রাফি?”
“হ্যাঁ!”
“তুই কীভাবে ঢুকলি?”
“সামনের দরজা খোলা ছিল। আমি তোর বাবার ঘরে এসেছি।”
নীরা কিছুক্ষণ চুপ করে রইল।
“রাফি, তুই কি একা?”
ওপাশে কয়েক সেকেন্ড নীরবতা।
“হ্যাঁ।”
“নিশ্চিত?”
“নীরা, কী হয়েছে তোর?”
নীরা দরজার দিকে তাকিয়ে বলল,
“আমার বাবার চিঠি পেয়েছি।”
“কী চিঠি?”
“আমার জন্মের ব্যাপারে।”
রাফির কণ্ঠ বদলে গেল।
“তুই কী জেনেছিস?”
“আমার জন্মের আসল তারিখ ১৭ আগস্ট ১৯৯৯।”
ওপাশে একদম নীরবতা।
নীরা বুঝতে পারল, রাফি কিছু জানে।
“রাফি?”
কোনো উত্তর নেই।
“তুই আগে থেকেই জানতিস?”
রাফি ধীরে বলল,
“পুরোটা না।”
“তাহলে কতটা জানতিস?”
“শুধু জানতাম, তোর জন্মের ব্যাপারটা স্বাভাবিক না।”
নীরার চোখে পানি চলে এল।
“তুই আমাকে বলিসনি কেন?”
“কারণ তোর বাবা আমাকে কথা দিয়েছিলেন।”
“কী কথা?”
রাফি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল,
“তুই যদি কখনো সত্যিটা জানতে পারিস, তাহলে যেন আমি তোকে একা না রাখি।”
নীরা চোখ বন্ধ করল।
“রাফি, তুই এখন দরজা থেকে সরে যা।”
“কেন?”
“আমি জানি না এই ঘরটা নিরাপদ কি না।”
“নীরা, আমি বাইরে দাঁড়িয়ে আছি। তুই দরজা খুলে বের হয়ে আয়।”
নীরা উত্তর দেওয়ার আগেই ঘরের ভেতর টেপ রেকর্ডারটা হঠাৎ নিজে থেকেই চালু হয়ে গেল।
খট...
নীরা ধীরে ধীরে পিছনে তাকাল।
রেকর্ডার থেকে বাবার কণ্ঠ ভেসে এল।
“নীরা, যদি রাফি তোমার কাছে থাকে, তাহলে তাকে বিশ্বাস কোরো না।”
নীরা স্থির।
বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা রাফিও নিশ্চুপ।
তারপর রেকর্ডে বাবার কণ্ঠ আরও নিচু হয়ে বলল,
“কারণ রাফি জানে তুমি কোথা থেকে এসেছ।”
নীরার বুকের ভেতরটা যেন থেমে গেল।
সে দরজার দিকে তাকাল।
“রাফি?”
বাইরে কোনো উত্তর নেই।
“রাফি, তুই আছিস?”
কিছুক্ষণ পর খুব ধীরে উত্তর এল।
“হ্যাঁ।”
নীরা বলল,
“বাবা বলছে তুই জানিস আমি কোথা থেকে এসেছি।”
দরজার ওপাশে আবার নীরবতা।
তারপর রাফি খুব আস্তে বলল,
“হ্যাঁ।”
নীরার চোখ বড় হয়ে গেল।
“তুই জানিস?”
“হ্যাঁ।”
“তাহলে এতদিন আমাকে মিথ্যা বলেছিস?”
“আমি বাধ্য ছিলাম।”
“কে বাধ্য করেছিল?”
রাফি উত্তর দিল না।
নীরা দরজার দিকে এগিয়ে গেল।
“রাফি, দরজা খুলে ভেতরে আয়।”
কয়েক সেকেন্ড পর রাফির কণ্ঠ শোনা গেল।
“আমি ভেতরে ঢুকতে পারব না।”
“কেন?”
“কারণ তৃতীয় দরজা খুলে গেলে...”
রাফির কণ্ঠ কেঁপে উঠল।
“...আমারও কিছু মনে পড়ে যায়।”
নীরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই গোপন ঘরের দেয়ালে ঝোলানো একটা ছবি মাটিতে পড়ে গেল।
ছবিটা ভেঙে কাঁচ ছড়িয়ে পড়ল।
নীরা ধীরে ধীরে ছবিটার কাছে গেল।
ছবির পেছনে আরেকটা ছবি লুকানো ছিল।
সে সেটা তুলে নিল।
ছবিতে তিনজন মানুষ।
তার বাবা।
আরমান।
আর একজন মহিলা।
মহিলার মুখের ওপর কালো কালি দিয়ে দাগ টানা।
কিন্তু ছবির নিচে লেখা—
“নীরার আসল মা।”
নীরার হাত কাঁপতে লাগল।
সে কালো দাগের ওপর আঙুল রাখল।
আর ঠিক তখনই ঘরের সব আলো নিভে গেল।
অন্ধকার।
সম্পূর্ণ অন্ধকার।
তারপর খুব কাছে, একেবারে নীরার কানের পাশে কেউ ফিসফিস করে বলল—
“এবার কি আমাকে চিনতে পারছিস?”
নীরা জমে গেল।
তারপর সেই পরিচিত হাসি।
“হা... হা... হা...”
চলবে......

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৬ষ্ঠ পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন