একগুচ্ছ শুকতারা
শারমিন ইরান
২৪.
রাত ২ টা বাজে থম ধরে বসে আছে মাহাথির। আব্বার কথাগুলো কানে বাজছে। সে এই মূহুর্তে এমন কথা আশা করেনি। থম ধরে বসে রইল কিছু মূহুর্ত, কিছু সেকেন্ড, কিছু মিনিট।
নিজের ঘোর কাটতেই দেখতে পেল ২ টা ২০ বাজে। এখন তো মানিকগঞ্জের বাস নেই। সে যাবে কীভাবে? পিছনের বালিশ সরিয়ে নিজেই পিছাল। ঘার টা খাটের তক্তার সাথে মিশিয়ে চোখ বন্ধ করে রইল কিছুক্ষণ। তার ভাইয়ের এইসব কাজের মানে কী? সে কী নতুন কোনো ঝামেলা চাইছে? মাহাথির তাকিয়ে রইল সামনের দিকে। নিজের জীবনের কথা ভাবতে ভাবতেই কোথায় দিয়ে, কেমন করে ৪ টা বেজে গেল মাহাথির জানল না, বুঝল না। বিছানা থেকে নেমে যাওয়ার সময় মাথায় এলো বিভার কথা। পাশে তাকাল। মেয়েটা বেঘোরে ঘুমাচ্ছে। মেয়েটাকে একা রেখে যাবে সে? একা রেখে যাওয়াটা ঠিক হবে? সে যদি আজ না ফিরে তবে? মাহাথির ঠিক করল, সে বিভাকে রেখে একাই চলে যাবে। এতো ঝামেলা ভালো লাগেনা।
মাহাথির বিভার কপালে হাত দিয়ে নাড়া দিতে লাগল। একা রেখে যেতে মন সায় দিচ্ছে না, যদি কোনো সমস্যায় পড়ে? ডাক তিনবার দেওয়া হয়ে গেল, বিভার নড়চড় নেই। মাহাথিরের এইবার বিরক্তিতে মুখ তেঁতো হয়ে এলো। রাগ হয়তো উঠল বিভার ওপর। সে আগের তুলনায় জোরে নাড়া দিল।
বিভা নিজের ঘুম ঘুম চোখ মেলে ধরল। ঘুম থেকে এইভাবে ডাক দেওয়া, সামনে মাহাথিরের ভ্রু কুঁচকানো দৃষ্টি — সব কেমন যেন এলোমেলো লাগল। বিভা কিছু ধরতে পারল না সাথেসাথেই।
মাহাথির এইবার হাত ধরে টেনে উঠাল বিভাকে। ভ্রু কুঁচকে বলল, ‘নেশা করে ঘুমাও? এতো ঘুম কেন চোখে?’
বিভার খুব খারাপ লাগল। বিরক্ত হলো। এইভাবে ডেকে উঠানোর জন্য মাথা ব্যথাও শুরু হলো। মাহাথিরের ব্যস্ত, দায়সারা কণ্ঠ, ‘দশ মিনিট দিলাম। তৈরি হয়ে নাও। গ্রামে যাব। আর তৈরি না হতে পারলে রেখেই চলে যাব।’
বিভা তাকিয়ে রইল মাহাথিরের দিকে। এইটা গ্রামে যাওয়ার সময়? মাঝরাতে উঠিয়ে বলছে, গ্রামে যাবে! বিভা তর্ক করল না। চুপচাপ নেমে গেল। নিজের ব্যাগ থেকে জামাকাপড় বের করতে লাগল।
ঘুমটা কেটে গেছে। জামা নিতে নিতে বুঝল হয়তো কোনো সমস্যায় যাচ্ছে মাহাথির। একারণেই এতো তোড়জোড়। এখানে ভালো জামা পড়ার মানে হয়না। বিভা সাধারণ কামিজ পড়ে, মুখটা ধুয়ে কেবল হিজাব পেঁচিয়ে নিল। আর লক্ষ্য করল, এটা মোটেও মাঝরাত নয়, ভোর হয়ে গেছে।
বাসে বসে আছে তারা। মাহাথির সিটে হেলান দিয়ে আছে। চোখজোড়া হালকা লাল, চুল উষ্কখুষ্ক। চেহারা ক্লান্তিতে ডুবে আছে। বিভা পাশের দিকে মাথা উঁচু করে নিজের স্বামীকে দেখতে লাগল। বিভা কী বলবে তার কাঁধে মাথা রেখে ঘুমাতে? ঘুমাবে মাহাথির? এতো ভালো সে?
ভালোই তো তার স্বামী। এই যে জরুরী তলবে যে যাচ্ছে, তাকেও সাথে করে নিয়ে যাচ্ছে, তাকে হাত ধরে রাস্তা পার করিয়েছে, হাত ধরে বাসে উঠিয়েছে — এইসব কম কী? ভালো না বাসুক, বাসবে। তাই বলে খারাপ তো নয়। বিভা লক্ষ্য করল, মাহাথিরের থেকে সে খাটো। মাহাথির তার ঘাড়ে মাথা রাখতে গেলে উল্টো তার ঘাড় আরোও ব্যথা করবে — ভেবেই বিভা কিছু বলল না। তাকিয়ে রইল সামনের দিকে। তার চোখ ভর্তি ঘুম। সিটের সাথে মাথা হেলিয়ে দিল। কখন এসে চোখে ঘুম ধরা দিল বুঝল না।
ঝাঁকুনিতে বিভার ঘুম ভেঙে গেল। ঝাঁকুনি না হয়তো; কেউ তার মাথায় মনে হলো ধাক্কা দিল। ঘাড় টাও ব্যথা করছে। সামনে থেকে মাহাথিরের হাত সরে যেতেই বিভা তাকাল মাহাথিরের দিকে। যার অর্থ - আপনি আমার মাথায় ধাক্কা দিয়েছেন? মাহাথির কিছু না বলে নিজের মতো চুপচাপ রইল। বিভার ক্লান্ত লাগছে, সে ভাবল – মাহাথিরের কাঁধে মাথা রাখবে। নিজের ভাবনা সত্যিতে রূপ দিতেই মাথা ঠেকাল মাহাথিরের বাহুতে। সেকেন্ড পার হতেই মাথা টাকে দুই হাতে ধরে সোজা করানো হলো।
এইবার হয়তো বিভা বুঝতে পারল ঘটনা। এতোক্ষণ সে হয়তো ঘুমের ঘোরে মাহাথিরের কাঁধে মাথা রেখেছে, আর মাহাথির সরিয়ে দিয়েছে; ঠিক যেমনটা এখন দিল। এমন কেন করল? একটু কাঁধে মাথাটাই তো রাখতে চেয়েছে। স্বর্ণ, গয়না, জমির মালিকানা চেয়েছে নাকি? বিভা নিজের মন খারাপ নিয়ে এইবার নিজেই সরে বসল। তাকাল বাহিরের দিকে। বাহিরের দিকেই মাথা কাঁত করে রইল। গ্রামের গন্ধ আসছে, গতির সাথে গাছের চলাচল দেখতে দেখতে গ্রামের গন্ধ নিতে থাকল বিভা।
.
সিএনজি করে যাচ্ছে দু’জন। বিভা দেখেছে এইটা মানিকগঞ্জ। ‘মানিকগঞ্জ’ নামটার সাথে বিভার ছেলেবেলার কতো স্মৃতি যে আছে তা বিভা গুণে শেষ করতে পারবে না। এখানে তার নানিবাড়ি। ছোটবেলায় বন্ধ দিত, আর বিভা বায়না করতো নানি বাড়িতে আসার জন্য। কালের পরিক্রমায় হারিয়ে গেছে তার নানিবাড়ি। নানা-নানি নেই, এক মামা আছে তাও খোঁজখবর নেয়না তাদের ভাই-বোনদের। মানুষের জীবন থেকে বাদ পড়ে যাওয়া বোধহয় পৃথিবীর সবচেয়ে সহজ কাজ।
মাহাথিরের পিছু পিছু হেঁটে চলেছে বিভা। বেশিক্ষণ হাঁটতে হলোনা। কিছুদূর যেতেই পর পর কয়েকটা বাড়ি দেখল। সব বাড়িই সব বাড়ির থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে। তবে প্রথম দু'টো বাড়ি প্রায় পাশাপাশি। বিভার ভাবনার মাঝে মাহাথির দুটো বাড়ির উঠানে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। বিভাও এলো।
নিচ থেকে সিমেন্ট দিয়ে বাড়ির মেঝের ভিত্তি গড়া, উপরে টিন — এখানের প্রায় সব বাড়িই এমন। কতো বদলে গেছে! আগে এই গ্রামের সব বাড়ি হতো মাটির কিংবা শুধু টিনের।
আচমকা চিৎকার, ভাঙচুর এর আওয়াজ আসতেই বিভা চমকে উঠল। তাকাল মাহাথিরের দিকে। মাহাথিরের মুখের গম্ভীরতা বিভার মনে ভয় ঢুকিয়ে দিল।
মাহাথির গটগট করে নিচু নিচু চার/পাঁচটা সিড়ি বেয়ে ওপরে উঠে সিমেন্টের ফ্লোর পর্যন্ত এলো, এরপর ঘরে চলে গেল। বিভাও মাহাথিরের পিছু পিছু ঘরে গেল। ঘরে ঢুকেই দেখল বাহিরটা সিমেন্টের বারান্দা হলেও, ঘরের ভেতর মাটি। ভেতরটা বেশ পুরোনো তবে পরিষ্কার।
বিভা লক্ষ্য করল খাট বলতে ঘরে একটা চৌকি। সেখানেই বসে আছে পাঞ্জাবি পরিহিত এক বৃদ্ধ লোক। বয়স খুব বেশি না হলে কমও নয়। মাহাথির শান্ত কণ্ঠে ডাকল, ‘আব্বা!’
বিভা বুঝল ইনি তার শ্বশুর। শ্বশুরকে সে আগে দেখেনি। তার শাশুড়ি যখন ঢাকায় গেল, কেবল বলেছিল তার শ্বশুর নাকি কৃষিকাজ করে, আগে ব্যবসা করত, এখন কাজ রেখে আসতে পারেনি।
কারোর শান্ত আব্বা ডাক শুনে পেছন ফিরলেন সিদ্দিক সাহেব। মাহাথিরকে দেখে কিছু বলতে গিয়েও কেঁদে দিলেন। মাহাথির বড় বড় পা ফেলে গেল বাবার কাছে। তখনি হাসিনা পানির গ্লাস নিয়ে ঢুকল ওপরদিকের দরজা দিয়ে। ঘরে ঢুকে মাহাথির, বিভাকে দেখে তেমন প্রতিক্রিয়া দিলেন না; যেন জানতেন যে ওরা আসবে।
‘ ওওও….বাপ-মায়ের আদরের পোলা আইসা পড়সে দেখি।’
মাহাথির তাকাল ঘাড় ফিরিয়ে। তার ভাই মাহিম, মাহিমের স্ত্রী দাঁড়ানো। হাসিনা গিয়ে নিজের স্বামীকে ধরে পানি খাওয়াল।
কারোর মুখে কোনো কথা নেই।
সিদ্দিক সাহেব কান্নাভেজা কণ্ঠে বলল, ‘আমাদের কী তোমার দালানের একটা ঘরে জায়গা হোবো বাপ?’
মাহাথির বাবার পাশে বসল। পিঠে হাত বুলিয়ে দিল, ‘কী হয়েছে আমাকে খুলে বলেন? আর একটা ঘরে জায়গার কথা আসবে কেন আব্বা? এই ঘর, ঢাকার ঘর যেখানে ইচ্ছে থাকবেন আপনি।’
‘সেই কপাল কইরা আসিনাই, বাবাগো। তোমার ভাই আমাদের রাকবে না। বলসে যদি তাদের ঘড়বাড়ি জমিজমা লিখে না দেই তাইলে ঘর থেকে তাড়াই দিবে।’ বলেই কেঁদে ফেললেন। ফ্যাঁসফ্যাঁস শব্দের কান্না ঘরজুড়ে বইতে লাগল। হাসিনা নিজের ঘোমটা ঠিক করে বসে রইলেন চুপচাপ।
‘জমি লিখে দিবেন না কেন শুনি? মাহিম আপনার ছেলে না? তাহলে জমি, দুইটা বাড়ি লিখে দিতে কোনো সমস্যা তো দেখিনা।’ ক্যাটক্যাট করে উঠল মাহিমের স্ত্রী।
মাহাথির চেষ্টা করছে নিজের রাগ সামলাতে। যতোই রাগী, জেদি হোক, মাহিমকে সে অনেক স্নেহ করে। চাইছেনা ভুলভাল কিছু বলতে। শান্ত কণ্ঠে বলল, ‘এইসব কথা ভালোভাবেও বলা যায়। তুমি, মাহিম তো পালিয়ে যাচ্ছো না। তাহলে এইসবের এতো তাড়া কেন? আর আম্মা আব্বাকেই বা বাড়ি ছাড়ার কথা কেন বলছো?’
‘আমরা পালায় যাচ্ছি না ঠিকই কিন্তু জমিজমা, বাড়ি তোমার নামে হস্তান্তর না হইতে কতোক্ষণ? বাপের আদরের পোলা বলে কথা।’ ব্যঙ্গাত্মক, বিদ্রুপ কণ্ঠ মাহিমের।
মাহাথির উঠে গিয়ে মাহিমের সামনে দাঁড়াল, ‘আব্বা-আম্মার কাছে আমরা দুইজনই সমান।’
‘কতো সমান জানা আছে! সমান দেইখাই তো তোমারে চারলাখ টাকা দিয়ে চাকরি দিয়া দিল। আর আমারে দুইলাখ দিতে পারতেসে না।’
কথাটা শেষ হওয়ার মূহুর্ত পার হলোনা। হাসিনা ধমকে উঠলেন, ‘আর একটাও মিছা কথা বললে আমি তোমারে জ্যা/ন্ত কব/র দিব।’
এতোক্ষণ ধরে নিরব দর্শক বিভা হাসিনার এমন হুংকারে চমকে গেল। দেখল হাসিনা উঠে এলো, ‘মাহাথির আব্বারে ৪ লাখ দিয়া চাকরি দিলে তোমার পিছেও ৬ লাখ দিসি। চাকরি জুটাইতো পারো নাই। ভুলভাল দালালরে দিয়া ধরা খাইসো। এরপর ব্যবসা করার জন্যে দিলাম দুই লাখ, তাও ব্যবসায় মন বসাইতে পারলা না। আট লাখ টাকা শেষ কইরাও নিজেরে মাহাথিরের লগে তুলনা দেও? বেকার হইয়া শ্বশুরের কথায় উঠো-বসো নিজের সম্মান বেঁইচা, লজ্জা করেনা?’
কথাটা মাহিমের অহমে বেশ আঘাত হানল। ক্ষেপে গেল, ‘একটা এতিম, রাস্তার ছেলের পিছনে চারলাখ খরচ করসো এইটাই অনেক বেশি না আম্মা? নিজের ছেলে আর এতিম ছেলে এক? নিজের ছেলের পিছনে আট ক্যানো পনেরো খরচ করলেও লাভ আছে। রাস্তার পোলার পিছনে নাই।’
হঠাৎ মাহিমের এমন কথায় বিভার বুকটা যেন কেঁপে উঠল। চোখের পলকও কাঁপল। সে কী ভুল শুনল? ভাবনার মাঝেই চড়ের শব্দে বিভা দেখল মাহিম নামক পুরুষটি গালে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। কানে এলো হাসিনার চিৎকার। বুক থাপড়িয়ে থাপড়িয়ে বলল, ‘মাহাথির আমার ছেলে, আমার ছেলে, আমার ছেলে।’ তিনবারের শেষের বাড়িটা যেন বেশ জোড়েই ছিল। শেষে তার নিষ্প্রভ কণ্ঠ, ‘মাহাথির আমার বড় ছেলে।’
এতোকিছুর মাঝে মাহাথিরের ভাবাবেগ লক্ষ্য করা গেল না। তার শান্ত কণ্ঠ, ‘কী চাইছিস?’
‘জমিজমা, দুই বাড়ির মালিকানা।’
‘আমি এইসবের মধ্যে ভাগ বসাব না, মাহিম। তোরই সব। তুই রাখ, তবুও বাবা-মায়ের সাথে ভালো ব্যবহার কর। তাদের থাকতে দে।’
‘কেন? বাপ-মায়ের প্রতি পিরীত শেষ? নিজের বাসায় রাখার জায়গা নাই?’ মাহিমের স্ত্রীর ব্যঙ্গাত্মক কণ্ঠ।
মাহাথির বলার মতো কিছু খুঁজে পেল না। নিজের আম্মা-আব্বার দিকে তাকিয়ে কেবল বলল, ‘ব্যাগ গুছান। নিয়ে যাব আমি আমার সাথে।’
হাসিনার বলার মতো কিছু নেই। সে ভালোই বুঝে গেছে বাড়ি তার ছাড়তে হবে। সে নিজের স্বামীর জন্য পাঞ্জাবি বের করল। ব্যাগে যতোটুকু কাপড় ঢুকানো যায়, ঢুকিয়ে নিল। দুইজনই মাহাথিরের সামনে দাঁড়াতে মাহাথির হাসল, ‘যাওয়া যাক?’
সামনে দুই কদম বাড়াতে গিয়েও থেমে গেল। ফিরে এসে দাঁড়াল মাহিমের সামনে, ‘আব্বা-আম্মাকে তোর সাথে থাকার জন্যে বলেছিলাম কারণ তুই আমাদের অনেক আদরের মাহিম। আমি রাস্তার ছেলে হলেও তুই আব্বা-আম্মার একমাত্র ছেলে। তোকে ছেড়ে তারা ভালো থাকবে না, তাই। আর এই জমিজমা, বাড়ি কিছুই তোর নামে লিখে দেওয়া হবেনা, মাহিম। এইগুলা আমার আব্বার অনেক শখের। তার নামেই থাকবে; মৃত্যুর আগ পর্যন্ত। তাছাড়া এইসব তোর, আমি কখনো এইসবে ভাগ বসাতে আসব না।’
কিছুক্ষণ থামল মাহাথির, ‘এই পৃথিবীতে যে যেটার কদর করতে পারে, তার ভাগ্যেই তা জোটে না।’
বলেই স্থির হয়ে থাকা বিভার কবজি ধরে টেনে নিল নিজের কাছে। চারদিকে তাকিয়ে ঘরটা দেখে নিল। একদম আগের ঘরই আছে, মাটির ঘর। শুধুমাত্র বারান্দায় ঢালাই করে সিমেন্ট দেওয়া হয়েছে।
মাহাথির সামনে পা বাড়াল। যেই ঘরে একুশ বছর আগে আব্বা-আম্মার মাঝে থেকে প্রবেশ করেছিল, সেই ঘর থেকেই একুশ বছর পরে নিজে মাঝে থেকে একপাশে আব্বা-আম্মা, অন্যপাশে নিজের স্ত্রীর হাত ধরে বেরিয়ে গেল মাহাথির।
_____
চলবে~
শব্দসংখ্যা - ১৫৭০
#একগুচ্ছ_শুকতারা
#শারমিন_ইরান
গঠনমূলক মন্তব্য না করলে বুঝব কেমন করে গল্প কোনদিকে এগোচ্ছে?🥹