ফন্ট সাইজ:
থিম:
প্রনয়ের প্রলয়

৩২তম পর্ব

লেখক: মেহরিমা সারা

#প্রনয়ের_প্রলয় 

#কলমে_মেহরিমা_সারা 
#পর্বঃ৩২ 
📌(গল্প টা একদম কাল্পনিক বাস্তবতার সাথে কোন মিল নেই। গল্পটা মুক্তমনাদের জন্য উন্মুক্ত ) 
রাহা ঝটকা মেরে সামিনের কাছ থেকে সরে দাঁড়ায়। আচমকা এমন প্রতিক্রিয়ায় সামিন খানিকটা থমকে যায়। তার চোখে স্পষ্ট বিস্ময় ফুটে ওঠে। মুহূর্তের জন্য রাহাও অপ্রস্তুত হয়ে পড়ে, কিন্তু সেই অস্বস্তিটুকু মুখে প্রকাশ হতে দেয় না। নিজেকে দ্রুত সামলে নিয়ে ভ্রু কুঁচকে বলে,
— সামিন, তুমি এখানে কেন?
সামিন কিছুক্ষণ চুপ করে থাকে। যেন কোথা থেকে শুরু করবে বুঝে উঠতে পারছে না। গত রাতেই তারা এখানে পৌঁছেছে। সেই থেকে একের পর এক ফোন করেছে রাহাকে। সারারাত প্রায় চোখের পাতা এক করতে পারেনি। অজানা আশঙ্কা, উদ্বেগ আর অস্থিরতা ওকে গ্রাস করে রেখেছিল। এতক্ষণ পর সামনে রাহাকে দেখে নিজের আবেগটুকু নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি বলেই হয়তো এমনটা হয়ে গেছে।
সামিন কিছু বলার জন্য ঠোঁট খুলতেই পিছন থেকে একটি চেনা, চিকন রিনরিনে কণ্ঠ ভেসে আসে,
— বড় আপু! তোমরা সবাই সুস্থ আছো?
রাহা বিস্ময়ে চোখ বড় করে তাকায়। সামিনের পিছনে দাঁড়িয়ে আছে তৃধা। মুখভর্তি হাসি, চোখে উচ্ছ্বাসের ঝিলিক।
— তুই এখানে কী করছিস?
তৃধা যেন এই প্রশ্নের অপেক্ষাতেই ছিল। সে তড়িঘড়ি সামনে এসে দাঁড়ায়।
— শুধু আমি না, সবাই এসেছি!
রাহার কপালের ভাঁজ আরও গাঢ় হয়।
— সবাই মানে?
তৃধা খুশিতে প্রায় লাফিয়ে ওঠে।
— আমি, নিশা আপু, কিয়ারা আপু, শান ভাই, সামিন ভাই... সবাইইই!
রাহা চোখ বন্ধ করে ধীরে মাথা নাড়ে। বিরক্তি চেপে রেখে বলে,
— সবাইকে নিয়ে আসার কী দরকার ছিল?
সামিন নিজেকে সামলে প্রতিবাদ করে,
— আমি তো বলেছিলাম না আসতে। কিন্তু কেউ আমার কথা শোনেনি!
রাহা দাঁত চেপে বলে,
— এটা বিজনেস ট্রিপ না ফ্যামিলি ট্রিপ?
সামিন ধীরে ধীরে এগিয়ে এসে রাহার হাত ধরতে যায়।
— আংকেল নিজেই বলেছেন আসতে, তাই...
রাহা মুহূর্তেই হাত সরিয়ে নেয়। কণ্ঠস্বর নিচু, কিন্তু দৃঢ়।
— দূরে থেকে কথা বলো, সামিন।
কথাটা শুনে সামিনের মুখের হাসিটা একটু ফিকে হয়ে যায়। ঠিক তখনই সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামে আদি, ইরা, শান আর কিয়ারা।
শান এগিয়ে এসে দ্রুত ব্যাখ্যা দেয়,
— আপুনি, আমরা কেউই আসতে চাইনি। সামিন ভাই আসবে শুনে তৃধু জেদ ধরলো ও-ও আসবে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর কোথাও যেতে পারেনি বলে মন খারাপ ছিল। বাবা ওকে নিয়ে আসতে বলেছে। আর ওকে একা ছাড়া যাবে না বলে আমাকেও জোর করে পাঠিয়েছে।
শেষ কথাটা এমন অসহায় ভঙ্গিতে বলে যে পরিস্থিতির মধ্যেও হাসি পেয়ে যেতে পারে কারও।
এরপর সামিন যোগ করে,
— আর নিশাকে পাঠিয়েছেন অভয় আংকেল। উনার মতে, শান আর নীল যেহেতু ব্যবসা বুঝতে শিখছে, নিশারও শেখা উচিত।
কিন্তু সামিনের কথা শেষ হওয়ার আগেই শান বলে ওঠে,
— আর কিয়ারা একা থাকবে কেন? তাই ওকেও নিয়ে এসেছি।
শান কথাটা বলার সময় অজান্তেই একবার কিয়ারার দিকে তাকায়। কিয়ারা তখন চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে। মুখ গম্ভীর, চোখে বিরক্তির ছাপ। এখানে আসার একটুও ইচ্ছে ছিল না তার। মায়ের সঙ্গে কত পরিকল্পনা ছিল! শপিং করেছে, পার্টিতে যাবে বলে প্রস্তুতিও নিয়েছিল। অথচ এখন পাহাড়ের এই নির্জন জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে শুধুমাত্র শানের জন্য। ছেলেটা ওকে এক মুহূর্তের জন্যও চোখের আড়াল করতে চায় না।
সব শুনে রাহা কেবল সংক্ষিপ্তভাবে বলে,
— ভালো করেছো।
বাইরে থেকে শান্ত দেখালেও সবাই স্বাভাবিক ছিল না। বিশেষ করে আদি। গতরাতে প্রায় রাত দশটার দিকে সামিন সবাইকে নিয়ে হাজির হয়েছিল। তখন আদি আর ইরা সারাদিনের ক্লান্তিতে গভীর ঘুমে ছিল। দরজায় বারবার টোকা পড়ায় বিরক্ত হয়ে আদি দরজা খুলেছিল। আর দরজা খুলেই সামনে সামিনকে দেখে অবাক হয়ে গিয়েছিল।
সামিন তখন দুষ্টুমি ভরা হাসি দিয়ে বলেছিল,
— এতো ফাস্ট!
আদি ভদ্রতার খাতিরে হাসলেও সামিন কে ওর ভালো লাগেনি। প্রথম থেকেই আদি সামিন কে তেমন পছন্দ করতো না হয়তো ছোটবেলার রেষারেষি। কাল থেকে সামিনের আচরণে একটা অদ্ভুত বিষয় আদি লক্ষ্য করেছে। রাহা রাতে বাইরে থাকবে শুনে সামিনের উদ্বেগটা যেন স্বাভাবিকের সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ফোনের পর ফোন, অস্থিরতা, উৎকণ্ঠা— সবকিছুই আদির কাছে একটু বেশিই মনে হয়েছে। বিষয়টা নিয়ে ইরাকে জিজ্ঞেস করেছিল সে। কিন্তু ইরা দক্ষতার সঙ্গে প্রসঙ্গ এড়িয়ে গেছে। আর সেটাই আদির সন্দেহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সামিন হয়তো খারাপ মানুষ নয়। কিন্তু রাহার ব্যাপারে তার অনুভূতি কি?আদি নিশ্চিত নয় তবে রাহা সামিন এর সাথে যায় না।
নিজের ভাবনা সরিয়ে রেখে সে এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করে,
— কোনো সমস্যা হয়নি তো?
রাহা আদির মুখের চাপা অসন্তোষটা বুঝতে পারে। তাই শান্ত, স্থির কণ্ঠে বলে,
— না। সব ঠিক আছে। কাজ হয়ে গেছে।
এরপর সে ধীরে ধীরে চারপাশে তাকায়। মনে হয় কাউকে খুঁজছে। কিছুক্ষণ পর কাঙ্ক্ষিত মানুষটিকে খুঁজেও পায়।
কিচেনের সামনের ছোট ডাইনিং স্পেসে বসে আছে সে ব্যক্তি । সামনে রাখা আপেলটাকে এমনভাবে কুচি কুচি করে কাটছে যেন ফল নয়, কোন মানুষকেই টুকরো টুকরো করছে। মুখ গম্ভীর, চোখে ঝড়ের আভাস।
দৃশ্যটা দেখে রাহার চোখে এক মুহূর্তের জন্য অদ্ভুত এক ঝিলিক খেলে যায়। কিন্তু কিছু না বলে রাহা সবার কাছ থেকে সরে নিজের জন্য বরাদ্দ করা রুমের দিকে হাঁটা শুরু করে। ইরা দ্রুত ওর পিছু নেয়।
মাঝপথে রাহা থেমে ঘুরে দাঁড়ায়।
— ফ্রেশ হবো। তুই কেন আসছিস?
ইরা একটু ইতস্তত করে। চারপাশে একবার তাকিয়ে নিচু স্বরে বলে,
— কাল রাত থেকে সামিন ভাই অনেক অস্থির ছিল। এটা নিয়ে আদি খুব রেগে আছে। আমি মনে করি ও হয়তো...
— ইরা...
রাহার কণ্ঠস্বর এবার ক্লান্ত শোনায়।
— আই অ্যাম টায়ার্ড। সত্যিই খুব ক্লান্ত। পরে কথা হবে এসব নিয়ে।
ইরা বাকিটুকু আর বলে না। রাহা আবার হাঁটা শুরু করে। আর করিডোরের নীরবতার মাঝে দুজনেই নিজের নিজের অজানা চিন্তায় ডুবে যায়। রাহা জানে আদি যে সামিন কে পছন্দ করে না, ইরা কিছু না বললেও আদি বুঝতে পারবে হয়তো রাহাকে কিছু বলবে না তবে পছন্দ ও করবে না।
রাহা হনহন করে সেখান থেকে চলে গেলে ইরা কিছুক্ষণ স্থির দাঁড়িয়ে থাকে। তারপর ধীরে একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসে তার বুক থেকে।
মাঝেমধ্যে সত্যিই রাহাকে নিয়ে চিন্তা হয় তার।
একদিকে সামিন— শান্ত, স্থির, প্রভাবশালী। যার হাত কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত, সেটা সবাই জানে না, কিন্তু ইরা জানে। প্রয়োজন হলে পাহাড় সরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতাও হয়তো আছে ছেলেটার।
অন্যদিকে নীল। যে মানুষটাকে এক কথায় ব্যাখ্যা করা অসম্ভব। রাগী, জেদি, উন্মাদ, অধিকারপ্রবণ— সবকিছুর অদ্ভুত মিশেল। মনে হয় যেন নিজের অনুভূতির কাছে নিজেই বন্দী হয়ে আছে। দুজন দু'প্রান্তের মানুষ।
কিন্তু পরক্ষণেই ইরা নিজের মনে মৃদু হেসে ফেলে।
এসব ভেবে লাভ কী?
শেষ পর্যন্ত রাহার পাশে তো সেই মানুষটাকেই দেখা যাবে, যাকে রাহা নিজে চাইবে।
রাহা কখনো কারও চাপের কাছে মাথা নোয়ানোর মেয়ে নয়। এইসব ভাবতে ভাবতেই করিডোর ধরে এগিয়ে যাচ্ছিল ইরা। হঠাৎ পাশের একটি ঘর থেকে কিছু একটা পড়ে যাওয়ার শব্দ ভেসে আসে।
ধুপ!
ইরা চমকে উঠে দরজার ফাঁক দিয়ে উঁকি দেয়।
আর তারপর দ্রুত ভেতরে ঢুকে পড়ে।
— নিশা! কী হয়েছে? কিসের আওয়াজ হলো?
ঘরের মাঝখানে ফ্লোরে বসে আছে নিশা। চুলগুলো ভেজা। মনে হচ্ছে এইমাত্র গোসল শেষ করে বের হয়েছে। মুখ কুঁচকে আছে ব্যথায়।
আশেপাশে তাকাতেই ইরার চোখে পড়ে মেঝেতে ছড়িয়ে থাকা লোশন। নিশা বিরক্ত মুখে সেটার দিকে তাকিয়ে বলে,
— তৃধার বাচ্চা লোশন ফেলে রেখে গেছে। আমার তো মনে হচ্ছে কোমরটাই ভেঙে গেছে!
কথাটা বললেও গলায় খুব একটা জোর নেই।
ইরা দ্রুত হাত বাড়িয়ে দেয়।
— উঠো।
নিশা একবার হাতটার দিকে তাকায়।
তারপর মুখ ঘুরিয়ে নেয়।
— লাগবে না। আমি নিজেই উঠতে পারবো।
নিজের জেদে ভর করে উঠতে গিয়েই আবার ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে।
— আহ!
পুনরায় ফ্লোরে বসে পড়তেই ইরা বিরক্ত হয়ে যায়।
— সমস্যা কী তোমার? হাত ধরে উঠতে বলছি, উঠো!
শুধু বলেই থামে না। এক প্রকার জোর করেই নিশার হাত ধরে টেনে তোলে। নিশা অবাক হয়ে যায়।
ইরার এই স্বাভাবিক অধিকার ফলানো আচরণ ওর কাছে নতুন নয়। ইরা সাবধানে নিশাকে খাটে বসিয়ে দেয়।
তারপর সামনে হাঁটু গেড়ে বসে বলে,
— এবার দেখাও কোথায় ব্যথা পেয়েছো।
নিশা কিছুক্ষণ চুপ করে থাকে। তারপর খুব নিচু স্বরে বলে,
— এমন জায়গায় ব্যথা পেয়েছি... যেটা কোনো কিছুতেই সারবে না।
ইরা ভ্রু কুঁচকে তাকায়।
— কোথায়?
প্রশ্নটা এতটাই সরল ছিল যে নিশা কিছুক্ষণ নির্বাক হয়ে যায়। তার চোখের ভেতর জমে থাকা কষ্টটা যেন হঠাৎ আরও ভারী হয়ে ওঠে।
ইরা এখনও বুঝতে পারেনি। কিছুই বুঝতে পারেনি।
নিশা মলিন হাসে। আর ইরা বোকার মতো তার উত্তরের অপেক্ষা করে।
কয়েক সেকেন্ড পর হঠাৎই ইরার মাথায় কথাটার অর্থ ঢোকে।
তার কপাল কুঁচকে যায়।
— মানে?
নিশা দ্রুত চোখ সরিয়ে নেয়। চোখদুটো কেমন যেন জ্বালা করছে। দাঁত দিয়ে নিজের ঠোঁট চেপে ধরে বলে,
— কোথাও না।
কিছুটা থেমে আবার বলে,
— আমি ঠিক আছি। তুমি যাও, ইরা আপু।
ইরার ভ্রু আরও কুঁচকে যায় নিশার হাত ধরে ফেলে।
— আপু ডাকছো, অথচ আপুকে বলতেই পারছো না কোথায় ব্যথা পেয়েছো?
নিশার বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে ওঠে।
কত কিছু বলতে ইচ্ছে করছে। কত কথা জমে আছে। কিন্তু সেই কথাগুলো বলার অধিকার ওর নেই। তাই জোর করে হাসে।
— সত্যি বলছি, তেমন কিছু হয়নি।
ইরা সন্দেহভরা চোখে তাকায়। সেই দৃষ্টি দেখে নিশা অবশেষে নরম হয়ে আসে। হয়তো কিছু একটা বলেই ফেলত। হয়তো এতদিন ধরে জমিয়ে রাখা কষ্টের সামান্য অংশ বেরিয়ে আসত।
কিন্তু ঠিক তখনই করিডোর কাঁপিয়ে একটি গম্ভীর কণ্ঠস্বর ভেসে আসে।
— ইরা!
— ইরা!!
আদির ডাক। একবার নয়, দুবার। তাড়াহুড়ো আছে গলায়। ইরা চমকে দরজার দিকে তাকায়।
নিশা ঠোঁটের কোণে ম্লান হাসি টেনে বলে,
— আদি ভাই ডাকছে যাও।
ইরা ইতস্তত করে।
— হ্যাঁ, তুমি বসো। আমি আসছি।
নিশা ধীরে মাথা নাড়ে।
— আমি একাই সব সামলে নিতে পারবো।
শেষ কথাটা এত নিচু স্বরে বলে যে ইরা শুনতেই পায় না। কিন্তু কথাটার অর্থ শুধু পড়ে যাওয়া বা কোমরের ব্যথা নিয়ে ছিল না। নিশার জীবনের অনেক কিছুই তাকে একাই সামলাতে হবে।
নিজের অনুভূতিগুলোও। নিজের অপ্রাপ্তিগুলোও।
আর সেই মানুষটাকে ভালোবাসার কষ্টটাও, যে কখনোই তার হবে না।
আদির রুমে ঢুকতেই ইরা বিরক্ত মুখে বলে,
— কী হয়েছে? এভাবে ডাকছো কেন? পাশের ঘরেই তো ছিলাম।
আদি টেবিলের উপর ছড়িয়ে থাকা ফাইলগুলো উল্টেপাল্টে দেখতে দেখতে উত্তর দেয়,
— পাশের ঘরেই ছিলে বলেই ডেকেছি।
ইরা ভ্রু উঁচু করে তাকায়।
— খুব সুন্দর উত্তর।
আদি মুচকি হাসে। তারপর মাথা না তুলেই বলে,
— আসল কথা হলো, রাহা তোমাকে একটা ফাইল দিয়েছিল আমাকে দেওয়ার জন্য। দিয়েছো?
কথাটা শুনেই ইরা থমকে যায়। পরক্ষণে নিজের কপালে হাত ঠুকে বলে,
— উফফ!
— কী হলো?
— ফাইলটা তো রুদ্রর কাছে রেখে এসেছি!
আদি এবার মাথা তুলে তাকায়। ইরার মুখের অভিব্যক্তি দেখে হাসি চেপে রাখতে পারে না।
ইরা ইতোমধ্যেই দরজার দিকে হাঁটা শুরু করেছে।
— এক মিনিট! এখনই নিয়ে আসছি।
বলেই দ্রুত বেরিয়ে যায়। দরজা বন্ধ হওয়ার পরও কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকে আদি। তারপর অজান্তেই ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে ওঠে।
মাথা নেড়ে খুব আস্তে বলে,
— পাগলী একটা...
চলবে... 

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৩২তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন