ফন্ট সাইজ:
থিম:
চাঁদের আলোয় তোমার পরশ

২য় পর্ব

লেখক: তাইমা আক্তার

# চাঁদের আলোয় তোমার পরশ  

# লেখিকা:তাইমা আক্তার 
#পর্ব:-২
সকালটা অস্বাভাবিক নীরব ছিল।
শাহরিয়ার মঞ্জিলের পুরোনো ঘড়িটা ছয়টা বাজতেই ইরাবীর ঘুম ভেঙে গেল।
কিছুক্ষণ সে ছাদের দিকে তাকিয়ে শুয়ে রইল।
গত রাতের ঘটনাগুলো স্বপ্ন ছিল কি না, সেটা বোঝার চেষ্টা করল।পুরোনো বাক্স।সেই ছবি।ছবির পেছনে লেখা অদ্ভুত কথাগুলো।আরিয়ান।
তার চোখের সেই অচেনা ভয়।
আর সবশেষে—
“পাঁচ বছর আগে যে কথাটা তোমাকে বলা হয়নি, কাল সেটা শেষবারের মতো বলব।”ইরাবী চোখ বন্ধ করল।মনে হলো বুকের ভেতর কেউ একটা দরজা খুলে দিয়েছে।সেই দরজার ওপাশে শুধু অন্ধকার।কিন্তু অন্ধকারের মধ্যে একটা কণ্ঠ বারবার ভেসে আসছে—
“ইরাবী, তুমি যদি কাল চলে যাও…”এরপর?
এরপর কী?
কেন সে মনে করতে পারে না?সে বিছানা ছেড়ে উঠে জানালার কাছে গেল।সকালের আলোয় বাগানটা ভিজে আছে। রাতের বৃষ্টির পানি এখনও পাতায় জমে।কৃষ্ণচূড়া গাছটার নিচে একটা মানুষ দাঁড়িয়ে আছে।
আরিয়ান।কালো পাঞ্জাবি পরে।এক হাতে কফির মগ।অন্য হাত পকেটে।সে গাছটার দিকে তাকিয়ে আছে।ইরাবী কিছুক্ষণ তাকে দেখল।
পাঁচ বছর আগে আর এখনকার আরিয়ানের মধ্যে পার্থক্য অনেক।আগে তার মুখে ছিল ছেলেমানুষি।এখন সেখানে একটা পরিণত কঠোরতা।আগে তার চোখে ছিল দুষ্টুমি।এখন সেখানে যেন বহুদিনের ঘুমহীন রাত।আগে সে ইরাবীর সঙ্গে তর্ক করত।এখন সে ইরাবীর সামনে দাঁড়িয়ে নিজের কথাগুলোও মেপে বলে।
ইরাবীর মনে হলো—
মানুষটা বদলে গেছে।
কিন্তু তার চোখ এখনও আগের মতোই।অদ্ভুতভাবে পরিচিত।সে দ্রুত তৈরি হয়ে নিচে নেমে গেল।সিঁড়ির শেষ ধাপে এসে থামতেই আরিয়ান ঘুরে তাকাল।দুজনের চোখে চোখ পড়ল।আরিয়ান কিছু বলল না।শুধু হাতে থাকা মগটা টেবিলের ওপর রেখে বলল,
“চলো।”
ইরাবী তার পেছনে হাঁটতে লাগল।কেউ কিছু বলল না।পুরো বাড়িটা তখনও ঘুমিয়ে।শুধু তাদের পায়ের শব্দ।ছাদে উঠে আরিয়ান দরজাটা বন্ধ করে দিল।ইরাবী রেলিংয়ের পাশে গিয়ে দাঁড়াল।
“এবার বলুন।”
আরিয়ান কিছুক্ষণ চুপ করে থাকল।
“তুমি এখনও মনে করতে পারছ না?”
“না।”
“চেষ্টা করো।”
“করেছি।”
“কী মনে পড়ে?”
ইরাবী চোখ বন্ধ করল।
“বৃষ্টি।”
“হুম।”
“রাত।”
“হুম।”
“আপনি ছিলেন।”
আরিয়ানের চোখ নরম হয়ে গেল।
“আর?”
“আপনি আমার হাত ধরেছিলেন।”
“তারপর?”
ইরাবী কপাল কুঁচকে ফেলল।
“তারপর…”
একটা দৃশ্য হঠাৎ মাথায় ঝলসে উঠল।আরিয়ানের মুখ।ভেজা চুল।চোখে অদ্ভুত অস্থিরতা।তার হাত ইরাবীর হাতে।
আর সেই কণ্ঠ—
“ইরাবী, তুমি যদি কাল চলে যাও…”
ইরাবী চোখ খুলে ফেলল।
“তারপর আমি চলে গিয়েছিলাম।”
আরিয়ান ধীরে মাথা নেড়ে বলল,
“হ্যাঁ।”
“কিন্তু কেন?”
“তুমি কি সত্যিই জানতে চাও?”
“হ্যাঁ।”
আরিয়ান কয়েক মুহূর্ত তার দিকে তাকিয়ে রইল।
তারপর বলল,
“সেদিন রাতে আমি তোমাকে থামাতে চেয়েছিলাম।”ইরাবীর বুক কেঁপে উঠল।
“কেন?”
আরিয়ান উত্তর দিল না।
“আপনি আমাকে থামাতে চেয়েছিলেন কেন?”
“কারণ আমি জানতাম, তুমি চলে গেলে আর আগের মতো ফিরে আসবে না।”
“তাহলে আপনি আমাকে থামালেন না কেন?”
আরিয়ান মৃদু হেসে ফেলল।কিন্তু সেই হাসিতে আনন্দ ছিল না।
“কারণ আমি কাপুরুষ ছিলাম।”
ইরাবী অবাক হয়ে তাকাল।
“আপনি?”
“হ্যাঁ।”
“আপনি তো কোনোদিন কোনো কিছুতে ভয় পান না।”
“সব ভয় বাইরে থেকে দেখা যায় না।”
সে একটু থামল।
“তোমাকে হারানোর ভয়টা আমি কাউকে দেখাতে পারিনি।”
ইরাবীর চোখ ভিজে উঠল।
“তাহলে সেদিন কী বলতে চেয়েছিলেন?”
আরিয়ান মুখ তুলে আকাশের দিকে তাকাল।
“বলতে চেয়েছিলাম…”সে থেমে গেল।ইরাবী অপেক্ষা করল।
“আমি তোমাকে ভালোবাসি।”
শব্দগুলো বাতাসে ভেসে গেল।কিন্তু ইরাবীর মনে হলো—
সারা পৃথিবী যেন হঠাৎ থেমে গেছে।সে কিছু বলতে পারল না।আরিয়ানও তার দিকে তাকিয়ে রইল না।শুধু নিচের দিকে তাকিয়ে বলল,
“কিন্তু তুমি তখন আমার দিকে এমনভাবে তাকিয়েছিলে, যেন আমার একটা কথাই তোমার পুরো পৃথিবী বদলে দিতে পারে।”
ইরাবীর চোখ দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ল।
“তাহলে আপনি বলেননি?”
“বলেছিলাম।”
ইরাবী চমকে তাকাল।
“কী?”
আরিয়ান তার দিকে তাকাল।
“তোমাকে থামতে বলেছিলাম।”
“আর?”
“বলেছিলাম, যদি তুমি চলে যাও, আমি তোমাকে কখনো ক্ষমা করব না।”
ইরাবীর মুখ শুকিয়ে গেল।
“এটাই?”
“না।”
“আর কী বলেছিলেন?”
আরিয়ান চোখ নামিয়ে ফেলল।
“বলেছিলাম, তুমি যদি চলে যাও, আমি তোমাকে ভালোবাসি—এই কথাটা কোনোদিন বলব না।”
ইরাবী স্থির হয়ে গেল।তারপর খুব আস্তে বলল,
“কিন্তু আমি তো সেটা শুনিনি।”
“আমি জানি।”
“কেন?”
আরিয়ান কোনো উত্তর দিল না।
ইরাবী এবার এগিয়ে এল।
“আপনি কীভাবে জানেন?”
আরিয়ান তার দিকে তাকাল।
“কারণ তুমি সেদিন রাতে চলে যাওয়ার আগে একটা চিঠি লিখেছিলে।”
ইরাবীর বুক ধক করে উঠল।
“চিঠি?”
“হ্যাঁ।”
“আপনি পেয়েছিলেন?”
“না।”
“তাহলে?”
“তোমার ঘর পরিষ্কার করার সময় তোমার বাবা পেয়েছিলেন।”
ইরাবী হঠাৎ চুপ হয়ে গেল।তার মনে পড়ল—
সেই চিঠি।যেটা সে এখনও নিজের কাছে রেখে দিয়েছে।কিন্তু যদি আরিয়ান সেটা না পেয়ে থাকে—তাহলে কে জানে চিঠির কথা?আর গতরাতে যে বাক্সটা তার দরজার সামনে রাখা হয়েছিল—
সেটা কে রেখেছে?ইরাবী ফিসফিস করে বলল,
“চিঠিটা কে পড়েছিল?”
আরিয়ান বলল,
“আমি জানি না।”
“কিন্তু কেউ জানে।”
“হ্যাঁ।”
“কে?”
আরিয়ান এবার তার দিকে এমনভাবে তাকাল, যেন উত্তরটা বলা তার জন্যও কঠিন।
“আমি ভেবেছিলাম তুমি জানো।”
“আমি?”
“হ্যাঁ।”
“আমি তো কিছুই জানি না!”
আরিয়ান দীর্ঘশ্বাস ফেলল।
“তাহলে পাঁচ বছর পরেও আমরা একই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি।”
“মানে?”
“তুমি কিছু জানো না।”
সে একটু থামল।
“আর আমি সব জেনেও কিছু বলতে পারিনি।”
ইরাবী বিরক্ত হয়ে বলল,
“আপনি সবসময় এমন ধাঁধার মতো কথা বলেন কেন?”
“কারণ সত্যিটা সহজ না।”
“তাহলে কঠিন করে বলুন।”
আরিয়ান কিছুক্ষণ চুপ করে থাকল।
“তোমাকে যেদিন বিদেশে পাঠানো হয়েছিল, সেটা শুধু পড়াশোনার জন্য ছিল না।”
ইরাবীর মুখের রং বদলে গেল।
“মানে?”
“তোমার পরিবার চেয়েছিল তুমি কিছুদিনের জন্য সবকিছু থেকে দূরে থাকো।”
“কেন?”
“কারণ তোমার বাবার ব্যবসা নিয়ে তখন একটা বড় সমস্যা চলছিল।”
“তার সঙ্গে আমার কী সম্পর্ক?”
“তোমার সঙ্গে নয়।”
আরিয়ান থামল।
“আমার সঙ্গে।”
ইরাবী কিছু বুঝতে পারল না।
“আপনার সঙ্গে?”
“হ্যাঁ।”
“কী সমস্যা?”
আরিয়ান উত্তর দিল না।ঠিক তখনই ছাদের দরজা খুলে গেল।দুজনেই ঘুরে তাকাল।দরজায় দাঁড়িয়ে আছেন ইরাবীর বাবা।তার মুখ গম্ভীর।
“আরিয়ান।”
আরিয়ান সোজা হয়ে দাঁড়াল।
“জি।”
“এখানে কী করছ?”
“কথা বলছিলাম।”
ইরাবীর বাবা কিছুক্ষণ তাদের দিকে তাকিয়ে রইলেন।
তারপর বললেন,
“ইরাবী, তুমি নিচে যাও।”
“কেন?”
“যাও।”
“কিন্তু—”
“ইরাবী।”
কণ্ঠটা এবার কঠিন।
ইরাবী আর কথা বলল না।সে নিচে নেমে গেল।
সিঁড়ির মাঝখানে এসে একবার পেছনে তাকাল।
আরিয়ান দাঁড়িয়ে আছে।তার বাবা তার সামনে।
দুজনের মুখই গম্ভীর।ইরাবী বুঝতে পারল—
কিছু একটা ঘটেছে।এবং সেই ঘটনার সঙ্গে আরিয়ানের সম্পর্ক আছে।
---
নিচে এসে ইরাবী নিজের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করল।তার মাথায় হাজারটা প্রশ্ন।সে ড্রয়ার খুলে সেই পুরোনো চিঠিটা বের করল।খামটা হাতে নিয়ে অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইল।তারপর ধীরে ধীরে খুলল।ভেতরের কাগজটা এখনও আগের মতোই আছে।পাঁচ বছর আগে লেখা শব্দগুলো।
ইরাবীর চোখে পানি এসে গেল।সে পড়তে শুরু করল।
“আরিয়ান,
আমি জানি না তোমাকে এই চিঠি কখনো দেব কি না।হয়তো দেব না।হয়তো তুমি কোনোদিন জানবেও না, কেন আমি চলে যাচ্ছি।সবাই বলছে, দূরে গেলে সব ঠিক হয়ে যাবে।
কিন্তু আমি জানি—
কিছু দূরত্ব মানুষকে ঠিক করে না।শুধু আরও একা করে।আমি তোমাকে একটা কথা বলতে চেয়েছিলাম।সেদিন রাতে যদি তুমি আমাকে একবার বলতে—‘ইরাবী, থেকো।’তাহলে আমি থেকে যেতাম।
শুধু একবার।”ইরাবী পড়তে পড়তে কাঁদতে লাগল।চিঠির শেষ অংশে এসে তার হাত থেমে গেল।শেষ লাইন—
“কারণ সত্যিটা হলো, আমি তোমাকে যতটা ভালোবাসি, তার চেয়েও বেশি ভয় পাই তোমাকে হারাতে।”
ইরাবী চোখ বন্ধ করল।সে জানত না, পাঁচ বছর আগে এই কথাগুলো লিখে সে আসলে কী থেকে পালিয়েছিল।কিন্তু আজ একটা জিনিস স্পষ্ট—
সে আর পালাতে পারবে না।ঠিক তখনই তার ফোনে একটা মেসেজ এল।অচেনা নম্বর।মাত্র এক লাইন।
“পুরোনো চিঠিটা যদি খুলে থাকো, তাহলে সত্যিটা জানতে প্রস্তুত হও।”
ইরাবীর বুকের ভেতরটা কেঁপে উঠল।আরেকটা মেসেজ এল।
“আরিয়ানকে বিশ্বাস কোরো না।”
ইরাবী স্থির হয়ে স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে রইল।
কিছুক্ষণ পর তৃতীয় মেসেজ।
“কারণ পাঁচ বছর আগে যে মানুষটা তোমাকে চলে যেতে বাধ্য করেছিল, সে এখনও তোমার খুব কাছেই আছে।”
ইরাবীর হাত থেকে ফোনটা প্রায় পড়ে যাচ্ছিল।
সে ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াল।ঘরের দরজার দিকে তাকাল।তারপর আয়নার দিকে।তার নিজের প্রতিচ্ছবি যেন তাকে ভয় দেখাচ্ছে।হঠাৎ দরজায় শব্দ হলো।ঠক,ঠক,ঠক,
ইরাবী জমে গেল।
“কে?”
কোনো উত্তর নেই।আবার শব্দ।সে ধীরে ধীরে দরজার কাছে গিয়ে হাত বাড়াল।দরজা খুলতেই—সামনে আরিয়ান।তার চোখে উদ্বেগ।
“তোমার ফোনটা বন্ধ ছিল কেন?”
ইরাবী কিছু বলল না।আরিয়ান তার মুখের দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারল কিছু একটা হয়েছে।
“কী হয়েছে?”
ইরাবী ফোনটা তার দিকে বাড়িয়ে দিল।আরিয়ান মেসেজগুলো পড়ল।তার মুখ মুহূর্তে কঠিন হয়ে গেল।
“এই নম্বরটা তুমি চেনো?”
“না।”
“আর কোনো মেসেজ এসেছে?”
“না।”
আরিয়ান ফোনটা শক্ত করে ধরে বলল,
“আজ রাতে তুমি একা থাকবে না।”
ইরাবী অবাক হয়ে তাকাল।
“মানে?”
“মানে, এই বাড়িতে এখন এমন কেউ আছে, যে তোমার পাঁচ বছর আগের ঘটনা জানে।”
“আপনি কি জানেন কে?”
আরিয়ান চুপ।
ইরাবী এবার তার হাত চেপে ধরল।
“বলুন।”
আরিয়ান ধীরে ধীরে তার দিকে তাকাল।
“আমি একজনকে সন্দেহ করছি।”
“কে?”
আরিয়ান উত্তর দেওয়ার আগেই নিচতলা থেকে একটা বিকট শব্দ হলো।কাঁচ ভাঙার শব্দ।তারপর কারও চিৎকার।দুজনেই একসঙ্গে নিচে ছুটে গেল।বসার ঘরে সবাই জড়ো হয়েছে।মেঝেতে একটা পুরোনো ফ্রেম পড়ে আছে।ফ্রেমটা ভেঙে গেছে।ইরাবী কাছে গিয়ে দেখল—
ছবিটা তাদের পরিবারের পুরোনো ছবি।কিন্তু ছবির মধ্যে শুধু একজনের মুখ কালো কালি দিয়ে পুরোপুরি মুছে দেওয়া হয়েছে।
আর সেই মুখটা—আরিয়ানের।
ঘরের সবাই নিস্তব্ধ।আরিয়ান ছবিটার দিকে তাকিয়ে রইল।তারপর ধীরে ধীরে বলল,
“এটা শুরু হয়েছে।”
ইরাবী তার দিকে তাকাল।
“কী শুরু হয়েছে?”
আরিয়ান উত্তর দিল না।কেবল ছবিটার পেছনে হাত ঢুকিয়ে একটা ছোট্ট কাগজ বের করল।কাগজে মাত্র পাঁচটা শব্দ—
“যা হয়েছিল, আবার হবে।”
ইরাবীর বুকের ভেতর কেঁপে উঠল।আরিয়ান কাগজটা মুঠোয় চেপে ধরল।তার চোখে এবার ভয় নয়—
রাগ।গভীর, ভয়ংকর রাগ।সে খুব নিচু গলায় বলল,
“পাঁচ বছর আগে আমি তোমাকে হারিয়েছিলাম।”
তারপর ইরাবীর দিকে তাকাল।
“এবার কেউ তোমাকে আমার কাছ থেকে কেড়ে নিতে পারবে না।”
ইরাবী কিছু বলল না।শুধু বুঝল—
তার ফিরে আসা কোনো সাধারণ ফিরে আসা ছিল না।এই বাড়ির দেয়ালের ভেতর পাঁচ বছর ধরে একটা সত্যি লুকিয়ে ছিল।আর সেই সত্যি এখন একে একে দরজা খুলছে।কিন্তু সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার—ইরাবী এখনও জানে না,যে মানুষটা পাঁচ বছর আগে তাকে চলে যেতে বাধ্য করেছিল, সে আসলে কে।আর সেই মানুষটা হয়তো এখনই—
তার খুব কাছাকাছি দাঁড়িয়ে আছে।
# চাঁদের আলোয় তোমার পরশ
#লেখিকা :তাইমা আক্তার 
#পর্ব:-২

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ২য় পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন