ফন্ট সাইজ:
থিম:
ব্লাডিং হার্ট

১১তম পর্ব

লেখক: স্বপ্নীল সৃজনী
#ব্লাডিং_হার্ট
#স্বপ্নীল_সৃজনী
পর্ব: ১১ 
কথাটা শুনে হৃদ রিধির দিকে তাকালো। রিধির দিকে তাকিয়ে বললো-" কি বললি তুই?"
রিধি স্বাভাবিক ভাবেই বললো-" আমার ডিভোর্স চাই। আমি ডিভোর্সের জন্য  আবেদন করতে গিয়েছিলাম।  তারা বলছে এত আগে আবেদন করতে হলে আপনাকে ছাড়া তারা আবেদন নিবে না।"
-"বাহ্। আমাকে না জানিয়ে এতো দূর এগিয়ে গেছিস।"
রিধি কোনো জবাব দিল না
তুই না সেদিন বললি-" ফ্যামিলির জন্য সম্পর্কটাকে একটা লাস্ট চান্স দিবি।"
-" তখন এই কথা ভেবেছিলাম এখন চাইনা।"
হৃদ গা ছাড়া ভাবে বললো -" আমি তো ডিভোর্স দিব না।"
রিধি রাগি স্বরে বললো-" ডিভোর্স দিবেন না মানে আপনাকে ডিভোর্স দিতেই হবে।"
হৃদ অচানক হাসি দিয়ে বললো-" তুই জোর করে ডিভোর্স  নিবি নাকি?"
রিধি হৃদের দিকে এগিয়ে আসতে আসতে বললো-" দরকার পড়লে তাই করবো। আর আপনিই না বলেছিলেন আমার মতো মেয়েকে আপনি বউ হিসেবে মানেন না। ডিভোর্স দিয়ে দিবেন তো এখন কথা ঘুরাচ্ছেন কেন।"
হাসি থামিয়ে হৃদ স্বাভাবিক মুখ করে বললো-" ঘুরাচ্ছি আমার ইচ্ছে হয়েছে তাই। আর রিশাদ চৌধুরী হৃদ যা ঠিক করে তাই করে। কেউ তা পাল্টাতে পারে না। আর কেউ কিছু নিয়ে জোর করলে তো আরও বেশি করে তার উল্টো টা করে।"
 কথাটা বলেই রিধিকে ঘরে রেখেই হৃদ চলে গেল।
..................
 চারিদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার। ছাদের উপর দাড়িয়ে আছে হৃদ। তখনই হৃদ স্পষ্ট দেখতে পেল রিধি বাড়ির গেইট দিয়ে গাড়ি নিয়ে বের হয়ে যাচ্ছে।
 
হৃদ তখন পকেট থেকে ফোন বের করে কাউকে কল করে বললো-" বের হয়ে গেছে।'"
-.................
-"হ্যাঁ। ফলো করো ওকে।"
--...............
-" ওকে ফলো করলেই সব জানতে পারবে।"
-..................
-" আর হ্যাঁ। ডকুমেন্ট গুলো যেন কালই হাতে পাই।"
-................
-"ওর দিকে খেয়াল রেখো। ওর যেন কোনো ক্ষতি না হয়।"
কল কেটে ফোনটা পকেটে ডুকিয়ে হৃদ বিরবির করে বললো-"তুই কি ভেবেছিলি রিধি।  রিশাদ চৌধুরী হৃদের চোখের আড়ালে এতো কিছু হচ্ছে আর সে কিচ্ছু জানে না। এটা ভাবলে তুই খুব বোঁকা রিধি। তুই এখনো হৃদকে চিনতে পাড়িসনি। কিন্তু আমি তোকে পুরোপুরি চিনি। "
_____________
কাল অনেক রাতে বাড়ি ফিরেছিল রিধি। তাই সকালে উঠতে অনেক দেরি হয়ে গেছে তার। ঝাপসা চোখ চেয়ে উঠে বসলো রিধি। টেবিলের উপর কিছু কাগজ দেখে এগিয়ে গেল সেদিকে। কাগজ গুলো দেখে অবাক রিধি। এগুলো তো সেই কাগজ যেগুলো দেখিয়ে লোক গুলো তাকে ব্ল্যাকমেইল করছিল।কিন্তু এগুলো এখানে কিভাবে এলো।
পাশেই একটি চিরকুট রাখা। তাতে লেখা-
............তুই কি ভেবেছিস চৌধুরী পরিবারের কিছু গোপন ডকুমেন্ট আর আমার একটা গোপন ভিডিও ক্লিপ দেখিয়ে তোকে কেউ ব্ল্যাকমেইল করবে আর আমি জানতে পারবো না................
চিরকুট টা রেখে বিছানা থেকে উড়না নিয়ে গায়ে জড়িয়ে রিধি ঘর থেকে বের হয়ে এলো। ঘর থেকে বেরিয়ে সোজা হৃদের ঘরে এলো। কিন্তু হৃদ কে ঘরে না দেখে বারান্দায় উকি দিল রিধি। সেখানে বারান্দার রেলিংএ হেলান দিয়ে কফি খাচ্ছে হৃদ। রিধি কিছু বলবে তার আগেই হৃদ বললো-" ঘুম ভাঙ্গলো মহারানীর।"
রিধি তখন বললো-" আপনি এতো সব কিছু কিভাবে জেনেছেন।"
হৃদ পেছনে ফিরে রিধির দিকে তাকিয়ে বললো-" তোকে বলবো কেন। তুই কি আমাকে বলেছিলি যে ঐ সব দেখিয়ে কেউ তোকে ব্ল্যাকমেইল করছে।"
-" ওরা বলেছিল কাউকে বললে এসব ভাইরাল করে আপনার আর আমাদের পরিবারের  ক্ষতি করে দেবে।"
সিরিয়াসলি রিধি  তুই একজন সিআইডি ইন্সপেক্টর হয়ে কিভাবে এতো বড় একটা বোকামি করলি।
রিধি কথা ঘুরিয়ে বললো-" ওদের কি করেছেন আপনি।"
-"সেটা তোর জেনে কাজ নেই। তুই যখন এসব আমাকে বলিস নি তো আমিও তোকে কিছু বলবো না।"
তখনই হৃদের ফোনটা বেজে উঠল আর হৃদ কথা বলতে বলতে ঘর থেকে বের হয়ে গেল।
....................
তপ্ত বিকেলে ঘরের বেলকনিতে দাড়িয়ে আছে রিধি।হালকা হওয়া আলতো স্পর্শে ছুঁয়ে দিচ্ছে তাকে। আকাশ জুড়ে পেজা পেজা মেঘের ভেলা।নীল সাদার এ যেন এক অদ্ভুত মিশ্রণ। যার দিকে একবার দৃষ্টি পড়লে দেখার কোনো শেষ নেই। হঠাৎ হঠাৎ নীড় হারা পাখি গুলো ডানা মেলে স্বপনীল আকাশে উড়ে বেড়াচ্ছে। চারিদিকে কেমন নতুন নতুন রব। মনের ভিতর অন্যরকম অনুভূতির জন্ম নিচ্ছে রিধির। একেই কি তবে প্রকৃতি প্রেম বলে। যেই প্রেমের কোনো শেষ নেই। ফুরিয়ে যাওয়ার ভয় নেই। যত দেখে যাচ্ছি ততই যেন মোহে আচ্ছন্ন হচ্ছি।বেলকনির কিনারার বেলি গাছ গুলো অদ্ভুত জৌলুসময় রূপ নিয়ে দুলে দুলে হেসে উঠছে।বেলি ফুলের ঘ্রাণটা যেন মোহে আচ্ছন্ন করে নেশায় বুধ করে ফেলে রিধিকে।আজকে যেন মনে অন্যরকম ভালোলাগা কাজ করছে তার। মনটাই যেন অজানা কোনো কারণে আনন্দের ভেলায় ভাসছে। প্রকৃতি প্রেমে মগ্ন হয়ে থাকা রিধির  কোনো  খেয়ালই  নেই যেন। হঠাৎই নিচ থেকে ছোট ভাই আবিরের ডাক শুনে ঘোর কাটে তার। মিষ্টি হাসি দিয়ে বেলি ফুলে এক গুচ্ছে কানের পিঠে গুজে নিয়ে দ্রুত পায়ে দরজার দিকে পা বাড়ালো।
ড্রয়িং রুমে বিরক্ত নিয়ে ফোন ঘটাঘাটি করছিল হৃদ। সব কিছুতেই বিরক্ত লাগছে তার। রাগটা যেন নাকের ডগায় এসে রয়েছে। আজ একটু ফরেনসিকে যাওয়া দরকার ছিল তার। কিন্তু মায়ের কারণে যেতে পারে নি। অনেক দিন পর পাঞ্জাবী পড়লো হৃদ।দুই ইদ ছাড়া তেমন পাঞ্জাবী পড়া হয়ে উঠে না তার। হালকা নীল রঙের পাঞ্জাবী পড়েছে সে। ধবধবে সাদা গায়ে পাঞ্জাবীটা যেন নিজের জৌলুস অহংকারের সাথে ছড়িয়ে যাচ্ছে। মাথার চুল গুলো হালকা জেল দিয়ে সেট করা। যতই হোক সিআইডি সিনিয়র ইন্সপেক্টর বলে কথা। পরিপাটি থাকা যেন তার স্বভাবে  মিশে গেছে।হাতে তার সোনালী রঙের স্টোন বসানো ঘড়িটা টিকটিক করে সময়ের হিসাব দিচ্ছে। সে দিকে তাকিয়ে আরও একটু বিরক্ত হলো হৃদ। কন্ঠে হালকা কঠিন ভাব এনে শব্দ করে বললো-" কিরে তোদের হলো? লিসেন আর একটু দেরি হলে কিন্তু আমি আমার কাজে চলে যাব। তোদের এসব ঘুরাঘুরির জন্য আমার সময় নেই।"
কথাটা শেষ হতেই উপস্থিত হলো নীতি আর রকি। এসেই হৃদকে জড়িয়ে ধরে বললো-" ভাইয়া। উই আর  কাম।"
হৃদও মিষ্টি হেসে ওদের জড়িয়ে নিল। পরিবারের সবচেয়ে ছোট সদস্য নীতি আর রকি। বাবার ভালোবাসা পায় নি। সন্তান জন্মের পরেই তাদের বাবা পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন।
হৃদ ওদের ছেড়ে উঠে দাড়াতেই হঠাৎ  সিড়ির দিকে নজর গেল তার। সিড়ি দিয়ে দৌড়িয়ে নামছে এক চঞ্চল রমনী। পড়নে তার নীল রঙের সিক্লি শাড়ি। কুচি গুলো অবাধ্য হয়ে মেয়েটির পথে বাধা দিতে যেয়েও বারবার ব্যর্থ হচ্ছে।তারা সেই চঞ্চল রমনীর সাথে পেরে উঠছে না। এতে যেন তাদের ক্ষোভ আরো বেড়ে যাচ্ছে। উজ্জ্বল সাদা বর্ণের মেয়েটির মাঝে নেই কোনো কৃত্রিমত্বের ছোঁয়া। হাত দুটো ভরে রেখেছে নীল রঙের চুড়িতে। তারাও অবাধে বিচরণ করছে মেয়েটি হাতে। চুল গুলোর মাঝে ডান পাশে একটি বেবি ক্লিপ। বেবি ক্লিপটা দেখে হালকা হাসলো হৃদ।
 বিরবির করে বললো-" সার্প শুটার অয়নিকা চৌধুরী রিধিমা। ওকে দেখে কেউ বলবে ও একজন সিআইডি  ইন্সপেক্টর। " 
 কথাটা বলেই  হৃদ আবার রিধির দিকে দৃষ্টি দিতেই দেখে রিধির কানের পিঠে বেলি ফুল গোঁজা। ঘন কালো চুলের মাঝে শুভ্র সাদা ফুল।রিধি যেন আজ অন্য রকম রূপে ধরা দিচ্ছে তার চোখে। 
 
 তখনই হৃদ ভেবে উঠলো-" আচ্ছা। আজ আমি রিধিকে এভাবে খুটিয়ে খুটিয়ে দেখছি কেন?আগে তো এমন করিনি। আগেও তো রিধি আমার সামনে ঘুরে বেরিয়েছে। কই আগে তো রিধিকে দেখে মনের ভিতর এমন ভালোলাগা কাজ করেনি। তবে কি মায়ের কথা মতো এসবই কবুলের জোর। পবিত্র বন্ধনের জোর। যেই বন্ধন আল্লাহর কালাম পড়ে তৈরি হয়েছে। অহনাও তো আমার সামনে এসেছে অনেকবার  কই অহনার জন্যও তো এমন অনুভূতি হয়নি। "
কথাটা ভেবেই হৃদ রিধির চোখে দিকে তাকালো। সত্যিই চোখ দুটোতে অদ্ভুত এক মায়া। যেন এক বার তাকালে শত জনম চেয়ে থাকলেও সে মায়া কাটবে না। ঘন কালো চোখ দুটোতে ঘন করে কাজল আঁকা। পল্লব রাশি গুলো একটু পর পর বুজে বুজে যাচ্ছে। তবুও হৃদ যেন মায়া থেকে সরে আসতে পারছে না।
 তখনই  হৃদ শুনতে পেল-" ভাইয়া আমাদের তাঁড়া দিয়ে এখন তুমি দাড়িয়ে আছো। রিধি আপুও তো কখন এসে পড়েছে।"
 
 কথাটা হালকা রাগি স্বরে বললো নীতি। হৃদ ঘোর থেকে বেরিয়ে নীতির গাল দুটো টেনে ধরে বললো-" ওরে আমার পাকা বুড়িরে চলেন।"
বাইরে এসে হৃদ গাড়ি গেইটের সামনে  আনতেই এক এক করে নীতি আর রকি গাড়িতে উঠে বসলো। রিধি পিছনের সিটে বসতে যাবে এমন সময় হৃদ বলে উঠলো-" রিধি ফ্রন্ট সিটে আয়।"
কথাটা শুনেই   আবির মিটি মিটি হেসে বললো-"হ্যাঁ হ্যাঁ  আপু তুই সামনে আয়। আমি পিছনে বসছি।"
তখনই  হৃদ বলে উঠলো-" বেশি দাঁত কেলিয়ো না। আরুশির কেস টা বাড়িতে কাউকে বলিনি এখনো।"
হঠাৎ করেই যেন আবিরের মুখে কেউ করলার জুস ডুকিয়ে দিয়েছে মুখটা এমন করে বসে রইলো আবির।
......................
গাড়ি চালানোর সময় হৃদ লক্ষ্য করলো রিধি বারবার শাড়ি ঠিক করছে। তা দেখে হৃদ বললো-" পড়তে যখন জানিস না পরেছিস কেন?"
-" আমি পড়তে চাইনি। মা জোর করে পরিয়ে দিয়েছে।"
তখনই হৃদ মুখে শয়তানি হাসি দিয়ে বললো
-"তাইতো বলি। তোর মতো ডাইনি মেয়ে তো  নিজে থেকে শাড়ি পরার কথা না।"
রিধি আঙ্গুল উচিয়ে রাগি স্বরে বললো-" হুয়াট ডু ইউ মিন বাই আমার মতো মেয়ে।"
হৃদ কোনো কথা না বলে বাইরের দিকে তাকিয়ে লুকানো হাসি হাসলো।
তখনই পিছন থেকে রকি বলে উঠলো-" আহ্। ভাইয়া তুমি শুধু শুধু আপুর পিছে লাগছো কেন। জানো আপুকে শাড়ি পড়ে অনেক সুন্দর লাগছে। তুমি যদি আপুকে বিয়ে না করতে তাহলে আমি আপুকে নিয়ে পালিয়ে যেতাম। শুধু তুমি আপুর  বর বলে পালিয়ে নিয়ে গেলাম না।"
আবির তখন রকির কানে টান মেরে বললো-" ওরে পাজি। তুই আপুকে নিয়ে পালিয়ে গিয়ে কি করতি।"
-" কি আর করতাম বিয়ে করতাম।"
কথাটা শুনে আবির বললো-" দেখছো ভাইয়া কেমন পাকনা। তুই বিয়ের কি বুঝিস।"
রকি বিরক্তির সুরে বললো
-" আহ্ ভাইয়া। কান ছেড়ে কথা বলো না। ধরতে হলে নিজের কান ধরো।"
হৃদ তখন সামনে থেকে বললো-" তোরা চুপচাপ বসবি। নাকি গাড়ি থেকে নামিয়ে দেব। "
ব্যাস সবাই মুখে আঙ্গুল দিয়ে বসে রইলো।
.............
ব্যস্ত ঢাকা শহরে আজ একটু বেশিই ভিড়। আর  হবে নাই বা কেন বাংলা বর্ষের প্রথম দিন বলে কথা। ঢাকা শহরের আনাচে কানাচে ছোট ছোট স্টল। বাহারি রঙ বিভিন্ন আকর্ষণীয়  জিনিস দিয়ে স্টল গুলো সাজানো। নববর্ষে নব রূপে সেজেছে সব। গাড়ি থেকে নামতেই রিধি রিশা কে দেখতে পেয়ে রিশার কাছে গিয়ে জড়িয়ে ধরলো রিশাকে। তখন পাশ থেকে নিশাত বলে উঠলো-" পাশে একটু নজর দিয়ো শালিকা। আমিও আছি।"
  রিধি কিছু বলবে তখনই  নিশাত হৃদ কে দেখে বললো-"ওহ্ সরি। রিধি তো এখন শালিকা না ভাবি হবে।'"
তখন রিশা বললো-" হ্যাঁ। সেই উপলক্ষ্যে আজকে মেলায় আমরা যা যা কিনবো বা খাবো তার সব বিল ভাইয়া পে করবে।"
হৃদ তখন বললো-" হয়েছে হয়েছে। ট্রিট চাস সোজা বললেই হতো। বিয়ে টানার কি দরকার।"
 আবির তখন মুচকি হেসে বললো-" হ্যাঁ। আপু বিয়ে নিয়ে টানাটানি করো না। শেষে আবার ছিড়ে যাবে।'"
 
  রিধি তখন বিরক্তির স্বরে বললো-" কি বিয়ে নিয়ে পরে আছো। আমরা কি এগিয়ে যাব নাকি এখানে দাঁড়িয়ে দাড়িয়ে  ভিড়ের মধ্যে ধাক্কা খাবো।
 ................
রাত আটটার সময় বাড়ি ফিরেছে সবাই। রিশা আর নিশাত  কেও সাথে করে নিয়ে এসেছে।
প্রায় আধা ঘন্টা ধরে ছাদে দারিয়ে আছে হৃদ। চাঁদের দিকে খুব মনোযোগ দিয়ে তাকিয়ে আছে সে। 
#চলবে

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১১তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন