#আমার_কাদম্বিনী। [🍂 #পার্ট_১৮ 🍂],,🚫,,,,
আবরার বাঁকা হেসে নিজের ঠোঁট নিজেই কামড়ে ধরলো। অশ্লীল স্বরে বললো,,,
____ যেটা সেট করলে তুমি সুখের সাগরে ভাসবে। বারবার আমার নাম জপবে। চিৎকার করবে তবুও ছাড়তে চাইবে না।
রুশার নিজের কান নিজেই চেপে ধরলো। আবরার তাকে কথা দিয়েই পাগল করে দিচ্ছে। কিসব বলছে সে, শরীরে কাঁটা দিয়ে উঠছে বারবার। রুশার বড়বড় শ্বাস নিলো যার দরুন বারবার তার বুকের অংশ টা উঠা নামা করছে। আর আবরার যেন তা দেখে তৃষ্ণা মেটাচ্ছে। অনেক টা আকর্ষণীয় লাগছে রুশাকে। রুশা সে অবস্থাতেই নাক ছিটকালো।
____ ছিঃ,,, কি অশ্লীল আপনি।
আবরার তার নেশালো দৃষ্টি রুশার দিকে রেখে বাঁকা হাসলো। এক থাবায় রুশার লতানো কোমড় টা তার হাতে নিলো। রুশা তাল সামলাতে না পেরে আবরার এর গলা জড়িয়ে ধরলো।
দুজনের তপ্ত নিঃশ্বাস পড়ছে দুজনের উপর । রুশা মুখ নিচু করার চেষ্টা করলো তবে ব্যার্থ হলো। আবরার তার থুতনি ধরে উঁচু করে রাখলো। আবরার এর শ্বাস ভারি হচ্ছে ধীরে ধীরে। রুশা কে এই মুহূর্তে কি করতে ইচ্ছে করছে তা যদি রুশা জানতো এক সেকেন্ড ও তার কাছে থাকতো না। রুশা কে আরেকটু লজ্জা দেওয়ার জন্য বলে উঠলো,,,
____ আমাকে ফিরিয়ে দিবে রুশা ?
চোখ জোড়া বন্ধ তার । চোখের পাপড়ি গুলো অনবরত কেঁপেই যাচ্ছে।
____ কি হলো বলো?
____নাহ্।
____কি না ?
____ দি ,,, দিবো আপনাকে।
আবরার বাঁকা হাসলো রুশা চোখ জোড়া বন্ধ করে রাখায় দেখলো না সেটা।
____ জানো কাল রাতে তোমাকে বস্ত্র বিহীন অবস্থায় দেখার পর থেকে,,,
আবরার কে বলতে দিলো না বাঁকি কথা , তার আগেই রুশা আবরার এর মুখ চেপে ধরলো।
____ চু ,,, চুপ করুন আপনি।
আবরার রুশার হাত সরিয়ে দিয়ে বললো,,,
____ কেন চুপ করবো? একটু পরেই তো সব খুলে দেখবো। তৃষ্ণা মেটাবো।
রুশা না পেরে আবরার এর বুকে মুখ লুকালো।
আবরার রুশার কোমর খামচে ধরলো। জেন খামচে সেখানকার সব রক্ত শুষে নিবে সে। রুশা আহ্ বলে হালকা মৃদু শব্দ করলো। কিন্তু এতে যেন আবরার বেশ তৃপ্তি পেল।
আচমকাই আবরার তার হাত নিয়ে রাখলো রুশার কোমড়ের নিচে। সেখানে চেপে ধরতেই রুশা তড়াক করে চোখ মেললো। শরীর তিরতির করে কেঁপে উঠলো।
খামচে ধরলো আবরার এর পিঠ। রুশা মুখ উঁচু করে কিছু বলতে যাবে ঠিক তখনি আবরার তার ঠোঁট জোড়া নিয়ে রুশার ঠোঁটে আক্রমণ করলো। চোখ বড় বড় করে তাকালো রুশা। আবরার পাতলা ঠোঁট জোড়া থেকে জেন সবটা শুষে নিচ্ছে। খানিক বাদে সেখানে আলতো আলতো কামড় বসালো । এভাবেই মিনিট বিশেক পার হতেই আবরার রুশাকে ছাড়লো।
রুশা জেন হাফ ছেড়ে বাঁচলো। রুশার ঠোঁটে দেয়া লাল লিপস্টিক টা পুরো ঠোঁটের এদিক ওদিক ছড়িয়ে গেল। আবরার বুড়ো আঙুল দিয়ে ঠোঁট মুছে নিলো। আবরার হাঁফাতে হাঁফাতে বললো,,,
____তোমাকে এতো সুন্দর করে সাজানোর প্লান কারছিল? আর কে তোমাকে দিয়ে এতো কিছু করালো? আমি ভালো করেই জানি তুমি নিজে থেকে এসব মেসেজ করে আমাকে বাড়িতে আননি। বলো ?
____ না,,,,নানি।
____ তোমার নানি বেশ রোমান্টিক।
রুশা ও হাঁপাতে হাঁপাতে আবরার এর দিকে তাকালো।
____ ছিঃ অসভ্য লোক।
রুশাকে পূর্নরায় কাছে টেনে গলায় মুখ ঢুবালো। নেশালো স্বরে বলে উঠলো,,,
____ আমি তো অস্বীকার করেছি না। তোমার যা খুশী বলতে পারো। তোমার নানির সাথে কথা বলতে হবে ।
____ কে,,কেন?
____ পার্সোনাল তোমাকে বলা যাবেনা।
রুশা আবরার এর কাছ থেকে সরে আসতে চাইলো। তার নানির সাথে কি এমন কথা বলবে যেটা তাকে বলা যাবে না! আবরার এক চিমটি পরিমান সরতে দিলো না তাকে। আবরার এক হাত দিয়ে রুশার কাধের পিন খুলে আঁচল নামিয়ে দিলো । রুশা হতভম্ব হলো। রুশা বুকের উপর হাত রাখার আগেই আবরার মুখ ডুবালো সেখান টায়। রুশা তাল সামলাতে না পেরে বসে পরলো বিছানার। আবরার তার উপরে পরতেই রুশা মৃদু ব্যাথা পেল। শ্বাস ভারি কন্ঠে রুশা বলে উঠলো,,,
____ আপনি অনেক ভারি সরুন আমার উপর থেকে।
____ সরতে পারবো না তুমি বরং চো আমাকে সামলানোর অভ্যাস করে ফেলো।
রুশা এক প্রকার মোচড়ামোচড়ি শুরু করলো। আবরার এবার ধমকে উঠলো, মেয়েটা তার ভালো কাজে বাঁধা দিচ্ছে বার বার। আবরার ঝাড়ি মেরে বললো,,,
____ কি সমস্যা?
রুশা ধমক শুনে চোখ খিচে বন্ধ করে নিলো। সবসময় ধমকাধমকি একদম ভালো লাগে না তার। একটু আদর করে বললে কি হয় !
____ বলছো না কেন?
____ কি,,,কি বলবো?
আবরার তীক্ষ্ণ কন্ঠে বললো,,,
____ আমি কাছে আসলে তোমার খারাপ লাগে?
রুশা মাথা নিচু করে রাখলো , মুখ দিয়ে যেন কথা বের হচ্ছে না। আবরার এর এবার ভীষণ অভিমান হলো , তার লাইফে অনেক মেয়ে এসেছে কাউকে তাকিয়ে পর্যন্ত দেখে নি অথচ তার বিয়ে করা বউ নয় দিন পাড় হয়ে যাওয়ার পরও স্বাভাবিক হতে পারছে না তার সাথে। রুশা কে যে তার বড্ড প্রয়োজন এই মেয়ে বুঝলে তো ! ইমার সাথে বলা কথা গুলো কোনোভাবেই ভুলতে পারছে না আবরার। রুশার কাছে আসলেই একমাত্র ঠিক থাকতে পারবে সে।
বউকে কি পরিমান ভালবাসলে বউয়ের কাছে আসার জন্য বাড়িতে কারফিউ জাড়ি করে, বুঝলে তো এই মেয়ে! আবরার এসব ভেবে নিরবতা ভেঙ্গে বললো,,,
____ শেষ বারের মতো জিজ্ঞেস করবো আমি কাছে আসলে তোমার খারাপ লাগে?
রুশা এবার ও চুপ, আবরার চোখ সরিয়ে নিল রুশার থেকে। রুশার নিচ থেকে হাত সরিয়ে উঠে যেতে নিতে লাগলে রুশা আবরার এর ঠোঁটের সাথে নিজের ঠোঁট চেপে ধরলো। আবরার হতভম্ব হয়ে মিনিট খানেক ওভাবেই রইলো। এদিকে রুশা পড়েছে মহা জালায় আবরার যেভাবে ডিপলি কিস করে সেটা তো সে পারে না। রুশা ওভাবেই ঠোঁট লাগিয়ে বলে উঠলো,,,
____আমি পারি না তো ! আপনি করুন।
আবরার এখনো ওভাবেই চেয়ে আছে রুশার দিকে। তার মধ্যেকার বিষ্ময় এখনো পুরোপুরি কাটে নি।
রুশা না পেরে তার আলতো দু হাত আবরার এর গালে রেখে ছোট ছোট চুমু খেলো। এবার তার মুখটা ঠোঁটের সামনে এনে আবরার কে কাঁদো কাঁদো কন্ঠে বললো,,,
____ আপনি কাছে আসলে ভালো লাগে আমার কিন্তু ভয় লাগে সত্যি, আপনি প্লিজ আমার ওপর রাগ করবেন না।
রুশার বলতে দেরি আবরার তার জোড়া দিয়ে থাবা বসালো রুশার ঠোঁটে । রুশা বরাবরের মতো এবারও তাল সামলাতে পারলো না । ধিরে সুস্থেও তো কিস করা যায় নাকি এই লোক তা করলে তো , সবসময় বিড়ালের মত হামলে পরে ঠোঁটের ওপর । রুশা মুখে কিছু বলতে না পেরে মনে মনে আওরালো কথা গুলো। পাঁচ মিনিট পর আবরার ছেড়ে দিলো রুশার ঠোঁট। রুশার জোড়ে জোড়ে শ্বাস নিচ্ছে।
রুশার ঠোঁট পুরোপুরি যখম করে ক্ষ্যন্ত হলো আবরার। এদিকে রুশার যায় যায় অবস্থা। ঠোঁট জোড়া জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়ে যাচ্ছে।
আবরার তার শার্ট টা খুলে ফেললো। এসির পাওয়ার বাড়িয়ে রুশার গলায় মুখ ডুবালো । রুশা কোনোমতে মিনমিন করে বললো,,,
____ এসি বাড়ালেন কেন ? শীত ,,শীত লাগছে।
____ ওমম ,, বেইবি একটু পড়েই গরম লাগবে তোমার।
রুশা কেঁপে উঠলো। মনে হচ্ছে তার ওপর কোনো বাঘ এসে চেপে ধরেছে এত ভার।
আবরার দু হাত দিয়ে ব্লাউজ ধরে টেনে ছিঁড়ে ফেললো। রুশা চমকালো। দুহাত বুকের উপর রেখে ঢাকার চেষ্টা করলো।
আবরার এর নেশালো দৃষ্টি সেখানেই । নেশালো স্বরে বললো,,,
____ ওটার ও প্রয়োজন নেই বেইবি, খুলে ফেলি জিনিস টা আমার কাজে ডিস্টার্ব দিচ্ছে।
____ নাহ্ !
____ এসব কোন ধরনের Language (ভাষা) তুমি শুধু মর্ন করবে। আপত্তি কর শব্দ করবে এতে আমি ফিল পাবো ।
কথা গুলো বলে আবরার এক টানে ইনার টাও খুলে ফেললো।
রুশা সেখানে হাত দিয়ে ঢাকার চেষ্টা করতে লাগলে আবরার তার তীক্ষ্ণ দৃষ্টি সেখানটায় রেখে তার এক হাত দিয়ে বিছানার ওপর চেপে ধরলো রুশার হাত।
আবরার মুখ ডুবালো বুকের লজ্জা স্থানে । উন্মাদ হলো সে মুহূর্তেই। তার জ্বিভ দিয়ে শুষে নিচ্ছে রুশার শরীররের আপত্তি কর স্থান। ছোট ছোট কামড়ে ভড়িয়ে দিচ্ছে সেখান টায়। রুশার নিঃশ্বাস ভারি হলো শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে তার। লজ্জায় রাঙা হয়েছে তার মুখ। গরম লাগছে প্রচুর। এসির ঠাণ্ডা গায়ে লাগছে না। রুশা চোখ জোড়া বন্ধ করে খানেক সেকেন্ড পর পর মুখ দিয়ে আপত্তিকর শব্দ করছে। আর রুশার করা আপত্তিকর শব্দ গুলো আবরার কে আরো উন্মাদ করে দিচ্ছে। আবরার এক হাত দিয়ে রুশার দু হাত চেপে ধরে অন্য নিয়ে রাখলো পেটের অনেক টা নিচে নারী দেহের আপত্তিকর স্থানে। রুশা তড়াক করে চোখ মেললো। আবরার নেশালো দৃষ্টিতে রুশার দিকেই তাকিয়ে আছে।
____ ভালো লাগছে আরেক টু জো*ড়ে চা*পি?
____ নাহ, ছেড়ে দিন আমাকে। প্লিজ।
____ সেটা সম্ভব নয় রুশা। তুমি কীভাবে কোন প*জিশনে আমাকে চাও সেটা বলো ।
আবরার একটু উঁচু হয়ে টান মেরে রুশার নিচে পরিহিত সাড়ি টা পুরো খুলে ফেলল।
রুশা লজ্জায় মুখ ঘুড়িয়ে নিলো। হাত ছাড়ানো চেষ্টা করলো রিতিমত। আবরার তার হাত পে*টি গোটের ভেতরে ঢু*কিয়ে দিলো। রুশার চিৎকার দিয়ে উঠলো।
জোড়ে জোড়ে শ্বাস নিতে নিতে বলল,,,
____ ছাড়ুন আমাকে। অসভ্য লোক কি করছেন ।
আবরার সে অবস্থায় হেসে ফেললো। আবরার এর দুপায়ের মাঝে রুশার দুপার। আবরার তার মুখ রুশার কানের কাছে নিয়ে জোড়া জোড়া শ্বাস টেনে নেশালো স্বরে বলল,,,
____ কেমন লাগছে? ফিল বেটার?
রুশা কিছু না বলে আবরার এর কাধ কামড়ে ধরলো।
আবরার পূণরায় বললো,,,
____ যেখান টাই হাত বুলিয়ে দিচ্ছি সেখানে আমার হাত ছাড়া অন্য একটা জিনিস অনুভব করতে পারছো?
রুশার এবার যেন ঠিকিই অনুভব করতে পারলো। শ*ক্ত জিনিসটি। চিৎকার দিতে যাবে তখনি আবরার রুশার ঠোঁটে মত্ত হলো। আজকে যেন এই লোক তার জীবন না নিয়ে ছাড়বে না।
আবরার বিছানা থেকে উঠে দাঁড়ালো , ঘেমে নেয়ে একাকার হয়েছে আবরার এর শরীর। এসি ফুল পাওয়ারে দিয়ে রাখার পর ও রিতিমত ঘামছে সে। আবরার কয়েক টা বড় বড় শ্বাস ফেলে বললো,,,
____ প্রচন্ড ডিস্টার্ব করছে শরীরের পোশাক গুলো।
খুলে ফেলি।
রুশা যেন সুযোগ পেল। পাশের থাকা শাড়িটা শরীরে পেঁচিয়ে মুহুর্তেই উঠে দাঁড়ালো।
দড়জার দিকে এগোতে নিয়েও পিছিয়ে গেল । আবরার আশ্চর্য হয়ে তাকালো রুশার দিকে।
আবরার পেছন ঘুরে আবরার এর দিকে এক পলক তাকিয়ে আচমকাই বিছানার নিচে ঢুকে পরলো। বেডটা বক্স সিস্টেম হওয়ায় রুশার অসুবিধা হলো না।
আবরার এর বুঝতে মিনিট খানেক সময় লাগলো। পরপরই বাঁকা হাসলো। শরীর পোশাক খুলে বিছানার উল্টো দিক দিয়ে সেও ঢুকে পরলো।
রুশাকে জড়িয়ে ধরল। রুশা চমকে গিয়ে চিৎকার দিতে যাবে তখনি আবরার মুখ চেপে ধরলো।
____হুস,,, তোমার এধরনের ইন্টারটেনমেন্ট ভালো লাগে আগে বলবে না!
আবরার এক হাতে রুশার পেটি*গোট খুলে সে রুশার উপরে উঠে রুশার কপালে চুমু খেয়ে তার কাজ শুরু করলো। রুশা ব্যাথায় চিৎকার দিতে পারলো না, আবরার তার মুখে হাত চেপে রেখেছে। না পেড়ে রুশা কামড় বসালো সেখানে।
চলবে,,,
🚫 কপি করা নিষিদ্ধ 🚫,,
[ পাখিরা সন্ধ্যা ৭টায় আপলোড দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু দিতে পারিনি ইডিট করতে দেরি হয়ে গেছে। বড় করে দিয়েছে তোমাদের মন মতো পার্ট দিয়েছি 🌚,, যারা পড়বে সবাই লাইক দিবে + কমেন্ট করবে। নেক্সাসট পার্ট তোমার না বললেও আমি দিবো তাই নেক্সাসট পার্ট না চেয়ে গল্প রিলেটেড কমেন্ট করো।🥹 আজকের পর্বে ১৫০ রিয়েক্ট তুলতে পারলে আমি সার্থক। তোমরা বেশি বেশি সেয়ার করো পাখিরা। । যারা নিয়মিত আমার লেখা পড়ছো তাড়া আমার পেজে রিভিউ দিয়ে দিও । আর যারা এটা জানো না রিভিউ কিভাবে দিতে হয় তারা অবশ্যই মেসেঞ্জারে নক দিবা। তোমাদের সাপোর্ট পেলে আমি ও নিয়মিত গল্প আপলোড দিবো।ধৈর্য্য সহকারে পড়ার জন্য ধন্যবাদ ]
#লেখিকা_অরোরা_ইমান_কায়নাত #oponass_lover #fbviralpost #trengingpost