ফন্ট সাইজ:
থিম:
Bloody Vampire

৩১তম পর্ব

লেখক: ‎Dimple Sakura

#Bloody_Vampire

#Dimple_Sakura 
#পর্ব-২৬ (প্রথম অংশ) 
"জঙ্গলের বাতাসও যেন আচমকা ভারী হয়ে উঠল।
হেভেনের বুকের ভেতর অকারণ অস্বস্তি জমতে লাগল।কণ্ঠে এবার স্পষ্ট উৎকণ্ঠা।
— "মুন! কোথায় তুমি?" মজা করো না প্লিজ। 
তবুও...কোনো সাড়া নেই।
এবার আর অপেক্ষা করল না।দ্রুত পায়ে এদিক-ওদিক খুঁজতে লাগল।
একটা...দুইটা...তিনটা...
গাছ পেরিয়ে যেতেই—
হঠাৎ তার পদযুগল থেমে গেল।চোখদুটো মুহূর্তেই কঠিন হয়ে উঠল।সামনের বিশাল গাছটার আড়ালে...
তিনজন অচেনা লোক জোর করে চেপে ধরে রেখেছে সাকুরাকে।
একজন তার দুই হাত পেছনে মুচড়ে ধরেছে।
আরেকজন মুখ শক্ত করে চেপে রেখেছে, যাতে একটুও শব্দ বেরোতে না পারে।সাকুরার চোখ ভয়ে বিস্ফারিত।সে প্রাণপণে ছটফট করছে।হেভেনের শিরা-উপশিরায় যেন এক নিমিষে বিষের বদলে আগুন ছড়িয়ে পড়ল।
চোয়াল শক্ত হয়ে উঠল।চোখের মণি ধীরে ধীরে রক্তিম আভায় জ্বলে উঠতে লাগল।তার ঠোঁটের কোণে ফুটে উঠল এক ভয়ংকর, শীতল হাসি।যে হাসির অর্থ একটাই—"আজ এই জঙ্গলে কেউ একজন নয়... তিনজনই মৃত্যুকে খুব কাছ থেকে দেখতে চলেছে।
পরক্ষণেই...
কালো আঁখিদুটোয় নেমে এলো এমন এক নির্দয় অন্ধকার, যা দেখলে সাহসী মানুষও দু'পা পিছিয়ে যাবে। বজ্রগতিতে ছুটে গেল সে।
প্রথম লোকটার কলার চেপে এক ঘুষি বসাল যে লোকটা কয়েক হাত দূরে ছিটকে পড়ে গাছের গুঁড়িতে আছড়ে পড়ল।দ্বিতীয়জন কোমর থেকে ছুরি বের করতেই হেভেন তার কবজি মুচড়ে দিল এক টানে।
"লোকটা ব্যথায় চিৎকার করে হাঁটু গেড়ে বসে পড়ল।
এদিকে তৃতীয় লোকটা সাকুরাকে সামনে ঠেলে দিয়ে পালাতে চাইলো।ঠিক তখনই...আরেকজন দৌড়ে এসে প্রচণ্ড জোরে ধাক্কা মেরে দিল তাকে।
ঠাস!
সাকুরার মাথা গিয়ে সজোরে আঘাত করল বিশাল এক গাছের কাণ্ডে।মুহূর্তেই তার চোখদুটো ঝাপসা হয়ে গেল।কপাল বেয়ে গড়িয়ে পড়ল উষ্ণ রক্ত।ছোট্ট শরীরটা নিথর হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ল।
দৃশ্যটা দেখেই যেন থেমে গেল সময়।হেভেন ধীরে ধীরে সাকুরার পাশে হাঁটু গেড়ে বসল।
কাঁপা হাতে মুখটা তুলে নিল নিজের বুকে।
— "মুন...!"
কোনো সাড়া নেই।
— "পারপেল রোজ... চোখ খোলো..."
নিস্তব্ধতা।
একফোঁটা উত্তরও নেই।
সেই নীরবতাই যেন হেভেনের ভেতরের মানুষটাকে সম্পূর্ণ নিঃশেষ করে দিল।সে ধীরে ধীরে মাথা তুলল।
লোক তিনটে পালানোর চেষ্টা করতেই হেভেন ঝড়ের বেগে ঝাঁপিয়ে পড়ল।
ঘুষি...লাথি..একের পর এক আঘাতে মুহূর্তেই তারা মাটিতে লুটিয়ে পড়ল।হেভেনের মুখাবয়বে কোনো পরিবর্তন নেই।বরফের মতো শীতল কণ্ঠে শুধু বলল,
— "আমার মুনের একফোঁটা রক্তের দাম... তোদের পুরো জীবন দিয়েও শোধ হবে না।"
পরক্ষণেই তাদের টেনে-হিঁচড়ে জঙ্গলের ভেতরের ছোট্ট কাঠের ঘরটায় নিয়ে গেল। লোহার দরজাটা বন্ধ হওয়ার শব্দে কেঁপে উঠল চারপাশ।ভেতর থেকে ভেসে আসতে লাগল আর্তচিৎকার।জঙ্গলজুড়ে প্রতিধ্বনিত হতে লাগল সেই ভয়াল শব্দ।অনেকক্ষণ পর...
দরজাটা ধীরে ধীরে খুলল।হেভেন বেরিয়ে এলো।শার্টের হাতায় রক্তের ছোপ।চোয়াল আগের মতোই শক্ত।
"কিন্তু সাকুরার কাছে ফিরতেই মুহূর্তে বদলে গেল তার মুখাবয়ব।অসীম মমতায় কোলে তুলে নিল অচেতন মেয়েটাকে।মাথাটা নিজের বুকে আগলে ফিসফিস করে বলল,
— "আমি দেরি করে ফেলেছি...পারলে ক্ষমা করে দিও, মুন।"
_________★__________
ডুপ্লেক্স অ্যাপার্টমেন্টের সামনে গাড়ি থামতেই সবাই ছুটে এলো।রাত, মেঘ, জেনিফা,, —সবার চোখ বিস্ময়ে বড় হয়ে গেল।
সাকুরার কপালে রক্ত!
মুখটা ফ্যাকাশে!
জেনিফা কেঁপে উঠে বলল,
— "সাকু!"
কিন্তু হেভেন কাউকে কিছু বলল না।নীরবে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে গেল।
নিজ হাতে সাকুরাকে বিছানায় শুইয়ে দিল।ডাক্তারকে ডেকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে অনেকক্ষণ নির্বাক বসে রইল তার মাথার পাশে।
আলতো করে কপালে হাত রেখে বিড়বিড় করল,
— একবার... শুধু একবার চোখ খোলো, পারপেল রোজ।" তারপর ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াল।
চোখেমুখে ফিরে এলো সেই পরিচিত শীতলতা।
নিচতলায় নেমেই গমগমে কণ্ঠে বলে উঠল,
— "সব গার্ড... পাঁচ মিনিটের মধ্যে আমার সামনে চাই।"কথাটা শুনেই পুরো অ্যাপার্টমেন্টে নেমে এলো থমথমে নীরবতা।এক এক করে সবাই সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়াল।
হেভেন ধীর পায়ে তাদের সামনে দিয়ে হাঁটতে লাগল।
তারপর হঠাৎ থেমে গর্জে উঠল,
— "আমরা কোথায় যাচ্ছি কোথায় কি করছি সেটা তোরা ছাড়া বাইরের লোক জানল কীভাবে?"
কেউ উত্তর দিল না।নিস্তব্ধতা আরও ভারী হয়ে উঠল।
হেভেন তাচ্ছিল্যের হাসি হেসে বলল,
— "বিশ্বাসঘাতক... আমার সবচেয়ে অপছন্দের শব্দ।"
ইশারা করতেই নিরাপত্তা দলের লোকেরা পনেরো জন গার্ডকে আলাদা করে সামনে দাঁড় করাল।তাদের মুখ মুহূর্তেই ফ্যাকাশে হয়ে গেল।
হেভেন: "আজ থেকে তোদের অস্তিত্ব আমার কাছে শেষ। নিয়ে যাও এদের।
এক মুহূর্তে সবাইকে আটক করে নিচতলার বেসমেন্টে নিয়ে যাওয়া হলো।কেউ কাঁদছে...কেউ ক্ষমা চাইছে...
কেউ নির্দোষ দাবি করছে...কিন্তু হেভেন একবারও ফিরে তাকাল না।
শুধু বরফশীতল কণ্ঠে বলল,
— "আমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করলে ক্ষমা বলে কিছু থাকে না।"
পুরো হলরুম নিস্তব্ধ।
রাত শুকনো ঢোক গিলল।
মেঘ কাঁপা গলায় বলল,
— "আজ বুঝলাম... সবাই ওকে কেন ভয় পায়।"
জেনিফা ধীরে ধীরে সাকুরার রুমের দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে আওড়াল,
— "পৃথিবীর কাছে সে যতই নিকৃষ্ঠ হোক না কেনো... সাকুরার কাছে সে শুধু একজন মানুষ... যে নিজের সবটা দিয়ে তাকে আগলে রাখতে চায়।
________________★______________
সাদা বিছানার ওপর শুয়ে থাকা সাকুরার চোখের পাতা কেঁপে উঠল ধীরে ধীরে।কপালের ব্যথাটা এখনো যায়নি। মাথার ভেতরটা ভারী লাগছে। অস্পষ্ট দৃষ্টিতে চারপাশে তাকাতেই মনে পড়ে গেল গতকালের বিভীষিকা। জঙ্গল... মুখোশধারী লোক... তারপর
হেভেন!
হঠাৎই ধড়মড় করে উঠে বসল সে।কক্ষজুড়ে অদ্ভুত নীরবতা।মেয়েটার দৃষ্টি ঘুরল চারপাশে।কেউ নেই।
টেবিলের ওপর ওষুধ, ব্যান্ডেজ আর একগ্লাস পানি পড়ে আছে। বোঝাই যাচ্ছে—কেউ সারারাত তার যত্ন নিয়েছে।
কিন্তু...
মানুষটা কোথায়?
সাকুরার বুকের ভেতর কেমন অস্থিরতা জমল।বিছানা ছেড়ে ধীরে ধীরে নিচে নেমে এলো।হলরুম ফাঁকা।
ডাইনিং ফাঁকা।বাগানেও নেই।রিকার্ডোকে জিজ্ঞেস করতেই সে কেবল মাথা নিচু করে বলল,
— "সকাল থেকে কেউ দেখেনি।
সাকুরা সঙ্গে সঙ্গে ফোন বের করল।
একবার...দুইবার...তিনবার..
প্রতিবারই একই উত্তর—
সুইচড অফ।অস্থিরতা এবার সত্যিই ভয় হয়ে ধরা দিল।
ডুপ্লেক্স অ্যাপার্টমেন্টের সবচেয়ে উপরের তলাটা বরাবরই নিষিদ্ধ।ওখানে কারও ওঠার অনুমতি নেই।
আজ...
সাকুরা সেই দিকেই হাঁটছে।
প্রতিটি ধাপে ধাপে তার বুকের ভেতরটা কেঁপে উঠছে।সিঁড়ির শেষ মাথায় পৌঁছাতেই দু'জন সশস্ত্র গার্ড সামনে এসে দাঁড়াল।মাথা নত করে বলল,
— "ম্যাম... বসের অনুমতি ছাড়া কেউ ভেতরে যেতে পারে না।"
সাকুরা ভ্রু কুঁচকাল।
— "সরে দাঁড়াও।"
— "আমরা দুঃখিত ম্যাম..."
— "আমি বলেছি... সরে দাঁড়াও।"
মেয়েটার কণ্ঠে এমন দৃঢ়তা ছিল যে দু'জনই একবার একে-অপরের দিকে তাকাল।তারপর ধীরে ধীরে পথ ছেড়ে দিল।
দরজাটা ছিল সম্পূর্ণ কালো।
মাঝখানে রূপালি রঙে খোদাই করা এক বিশাল Bat-এর প্রতীক।দরজার হাতলে হাত রাখতেই...
ভারী শব্দ তুলে খুলে গেল দরজাটা।ভেতরে পা রাখতেই...সাকুরার নিঃশ্বাস যেনো আটকে গেল।
ঘর নয়...
মনে হচ্ছে অন্ধকারে ঢেকে রাখা কোনো গোপন সাম্রাজ্য।দেয়ালজুড়ে কালো রঙ।উঁচু বুকশেলফগুলোতে সারি সারি মোটা মোটা বই। পাশের কাচের বক্স এ রাখা পারফিউম। 
যেনো অপরাধ জগতের নথি...
পুরোনো মানচিত্র...এক কোণে কাঁচের বাক্সে সাজানো অদ্ভুত সব ছুরি, তলোয়ার, পুরোনো রিভলভার আর বিরল সংগ্রহ। "প্রতিটা তাঁকে সাজানো অসংখ্য অস্ত্র। 
দেয়ালের বিভিন্ন জায়গায় ঝুলছে কালো ব্যাটের মুখোশ।একটা নয়...দুটো নয়...ডজনখানেক।
ছাদের মাঝখানে ঝুলে থাকা বিশাল কালো ঝাড়বাতি থেকেও খুব সামান্য আলো পড়ছে।
পুরো ঘরজুড়ে এক অদ্ভুত শীতলতা।মনে হচ্ছে...
এটা কোনো মানুষের ঘর নয়।
বরং...
কোনো অন্ধকার সম্রাটের গোপন আস্তানা।সাকুরা অজান্তেই শুকনো ঢোক গিলল।তার দৃষ্টি এবার পড়ল ডানপাশের দেয়ালে।
সেখানে বিশাল ক্যানভাসে আঁকা হেভেনের প্রতিকৃতি।
কালো কোট পরা।অন্ধকার মুখাবয়ব। আর নিচে ছোট্ট করে লেখা "মাহির চৌধুরী " নামটা দেখে সাকুরার কপালে হালকা ভাজ পড়লো।সাকুরার বুক ধক করে উঠল।ঠিক তখনই...বাঁদিকের দেয়ালে চোখ যেতেই সে সম্পূর্ণ স্থির হয়ে গেল।পুরো দেয়ালজুড়ে...তার নিজের ছবি।
হাসছে...রাগ করে আছে...
বৃষ্টিতে ভিজছে...ফুল হাতে দাঁড়িয়ে আছে...অজস্র মুহূর্ত...অজস্র ভঙ্গি... এক/দুই/তিন/ চার পাঁচ বছর আগের ছবি সব মেশানো।যেন কেউ দিনের পর দিন লুকিয়ে লুকিয়ে শুধু তাকেই দেখেছে
সাকুরা অবিশ্বাসে ফিসফিস করে উঠল,
— "এগুলো...!
হঠাৎ পেছন থেকে একটা আওয়াজ ভেসে এলো"
___পছন্দ হয়েছে?? পেছনে তাকাতেই নজর পড়লো হেভেনের দিকে।
"কালো শার্টের বোতাম দু-একটা খোলা। চোখ দুটো লালচে। মুখজুড়ে ক্লান্তি, অথচ দৃষ্টিতে সেই চিরচেনা ভয়ংকর শীতলতা।হাতে ধরা ক্রিস্টালের গ্লাস।তার সামনে রাখা কালো বোতল।
হেভেন ধীরে ধীরে মাথা তুলল। সোজা গিয়ে স্থির হলো সাকুরার মুখে।কয়েক মুহূর্ত নীরবতা।
অতঃপর বজ্রকঠিন কণ্ঠে আওড়াল—
— "আমি কি তোমাকে এই ঘরে আসার অনুমতি দিয়েছিলাম, মুন?"
সাকুরার বুক কেঁপে উঠল।
তবুও নিজেকে সামলে নিয়ে আস্তে বলল,
"আমি... আমি শুধু তোমাকে দেখতে এসেছি এর থেকে বেশি কিছু নয়।"
হেভেন তাচ্ছিল্যের হাসি হাসল।— "দেখা হয়েছে। এবার বেরিয়ে যাও।"
সাকুরা : "না" 
এক মুহূর্তে শক্ত হয়ে গেল হেভেনের চোয়াল।
— "আমি দ্বিতীয়বার একই কথা বলি না।"
সাকুরা : "আমিও না।"
নিঃশব্দে কয়েক সেকেন্ড কেটে গেল।
তারপর হেভেন ধীরে ধীরে পাশে রাখা কালো বোতলটা তুলে নিল। গাঢ় লাল তরল গড়িয়ে পড়ল কাঁচের গ্লাসে।
তরলটার রং দূর থেকে দেখা যাচ্ছে তবে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে র**ক্ত ।
হেভেন নির্বিকার ভঙ্গিতে গ্লাসটা ঠোঁটে তুলল।
সাকুরার ভ্রু কুঁচকে গেল।কণ্ঠ কেঁপে উঠল।
— "এসব... কী?"
হেভেন গ্লাসটা নামিয়ে বাঁকা হাসল।
— "অন্ধকারের স্বাদ।"তারপর ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়িয়ে সাকুরার সামনে এসে থামল।
গভীর দৃষ্টিতে তাকিয়ে ফিসফিস স্বরে বলল,
— "আর কিছুদিন পর... এই অন্ধকারই তোমাকে ডাকবে, মুন। তখন এসব দেখে আর ভয় পাবে না। বরং নিজের ইচ্ছেতেই আমার পাশে বসে থাকবে।"
কথাগুলো যেন বরফের ফলার মতো বিঁধল সাকুরার অন্তরালে।মেয়েটার মুখ ফ্যাকাশে হয়ে এল।
গ্লাসটার দিকে তাকিয়ে তার বমি করার উপক্রম হলো।
হেভেন সেটা স্পষ্ট বুঝতে পারল।
নির্লিপ্ত কণ্ঠে বলল,
— "দেখেছ? তুমি এসব সহ্য করতে পারবে না।"আরও এক কদম পিছিয়ে গিয়ে দরজার দিকে ইশারা করল।
সাকুরা এবারও মাথা নাড়ল।
— "যাব না।"
— "আমি বলেছি—"
বাকিটা আর শেষ করতে পারল না হেভেন।হঠাৎই সাকুরা এগিয়ে এসে তার হাত থেকে গ্লাসটা ছিনিয়ে নিয়ে মেঝেতে ছুড়ে ফেলল।ঝনঝন!কাঁচ ভেঙে শত টুকরো হয়ে ছড়িয়ে পড়ল পুরো মেঝেজুড়ে।
লাল তরল ছড়িয়ে গেল কালো মার্বেলের বুকে।
কয়েক মুহূর্ত স্তব্ধ হয়ে রইল দু'জনই।হেভেনের দৃষ্টি ধীরে ধীরে নামল ভাঙা কাঁচের দিকে।তারপর আবার উঠল সাকুরার মুখে।চোখদুটো অস্বাভাবিক ঠান্ডা।কিন্তু সেই রাগ প্রকাশ পাওয়ার আগেই—সাকুরা দু'হাত বাড়িয়ে জড়িয়ে ধরল তাকে।শক্ত করে।
"হেভেন সম্পূর্ণ স্থির।কোনো প্রতিক্রিয়া নেই।বহুক্ষণ পর প্রথমবারের মতো হেভেনের দৃষ্টি নরম হয়ে এল।নিঃশব্দে নিজের দুই বাহু তুলে আলতো করে জড়িয়ে ধরল মেয়েটাকে।কোনো বাক্য নয়।
"কেবল চোখ বন্ধ করে একটুখানি মাথা নামিয়ে রাখল সাকুরার কাঁধে।হয়তো এই প্রথম—অন্ধকার নামের মানুষটা বুঝল, কিছু আলিঙ্গন শব্দের চেয়েও বেশি শক্তিশালী।
#চলবে
#কপি_করা_নিষিদ্ধ

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৩১তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন