ফন্ট সাইজ:
থিম:
Bloody Vampire

৩২তম পর্ব

লেখক: ‎Dimple Sakura

#Bloody_Vampire 

#Dimple_Sakura
#পর্ব-২৬( শেষ অংশ)
"সাকুরার ক্ষুদ্র দেহখানা এখনো হেভেনের প্রশস্ত বক্ষপিঞ্জরের ভেতর বন্দী। চারদিকে ছড়িয়ে থাকা ভাঙা কাঁচের টুকরোগুলো কালো মার্বেলের ওপর ঝিকমিক করছে। কক্ষজুড়ে নেমে এসেছে এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতা।
হেভেন দীর্ঘশ্বাস ফেলল।
অতঃপর আলতো করে সাকুরার থুতনিতে আঙুল ছুঁইয়ে মুখখানা নিজের দিকে তুলে ধরল। গভীর দৃষ্টিতে কিছুক্ষণ নিরবে পরখ করলো মেয়েটাকে। যেন বহুদিনের কোনো উত্তর খুঁজছে।
অবশেষে গমগমে কণ্ঠে ধীরস্বরে আওড়াল,
— "তুমি এমন ছিলে না, মুন।
"
সাকুরা পলক ফেলল।
হেভেনের দৃষ্টি আরও গভীর হলো।
— " তোমার চোখে ভয় ছিল না। নিজের জন্য লড়ার সাহস ছিল, অন্যায়ের সামনে দাঁড়িয়ে যাওয়ার দুঃসাহস ছিল। তোমার ভেতরে এমন এক শক্তি ছিল, যেটা অনেক পুরুষের মাঝেও আমি দেখিনি।"
এক মুহূর্ত থামল সে।
তারপর কণ্ঠে অদ্ভুত এক বিষাদ মিশিয়ে বলল,
— "আজ সেই মেয়েটাই সামান্য আঘাতে কেঁদে ফেলে... সামান্য বিপদে আমার পেছনে লুকিয়ে দাঁড়ায়। কেন?"
সাকুরার ললাট কুঁচকে গেল।
—হেভেন : তুমি জানোই না তুমি কে, মুন।"— "তুমি অসম্ভব শক্তির অধিকারী। তোমার ভেতরে এমন সাহস ঘুমিয়ে আছে, যা জাগলে পাহাড়ও পথ ছেড়ে দেয়। অথচ তুমি দিন দিন এতটা নিষ্পাপ... এতটা কোমল হয়ে যাচ্ছো কেন আমার কাছ থেকে হাড়িয়ে যাবার জন্য ?"
সাকুরা ধীরস্বরে বলল,
— "কারণ... এখন আর একা লড়তে হয় না।"
হেভেন ভ্রু কুঁচকাল।
সাকুরা কাঁপা কণ্ঠে আবার বলল,
— "আগে কেউ ছিল না। তাই নিজেকেই শক্ত হতে হয়েছিল। এখন... তুমি আছো। তাই হয়তো অজান্তেই দুর্বল হয়ে যাচ্ছি।"
"নিষ্ঠুর মানুষ টার হৃদয়েও যেন কোথাও ক্ষীণ এক কম্পন জেগে উঠল।অলক্ষ্যে নিজের বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে মেয়েটার গাল বেয়ে গড়িয়ে পড়া অশ্রুবিন্দু মুছে দিল।
অতঃপর কপালের ওপর ঝুঁকে অত্যন্ত ধীরস্থির ভঙ্গিতে রেখে দিল একখানা দীর্ঘ চুম্বন।
ফিসফিসিয়ে বলল,
— "তোমাকে দুর্বল দেখতে আমার ভালো লাগে না, পারপেল রোজ। "তুমি হাসবে... লড়বে... আর সবাইকে হারিয়ে জিতবে। কারণ তোমাকে ভেঙে পড়ার জন্য সৃষ্টি করা হয়নি।"
সাকুরার ঠোঁটের কোণে ক্ষীণ হাসি ফুটে উঠল।
ঠিক তখনই—নিচতলা থেকে ভেসে এলো রাতের চিৎকার।
— "সাকু! কোথায় তুই এই গার্ডরা আমাকে ভেতরে যেতে দিচ্ছে না?"
সাকুরা চমকে উঠল।
— "রাত!"বলেই তড়িঘড়ি করে দরজার দিকে ছুটে গেল।
কিন্তু দরজার কাছাকাছি পৌঁছানোর আগেই—শক্ত এক হাত আচমকা তার কব্জি আঁকড়ে ধরল।হেঁচকা টানে মুহূর্তেই আবার নিজের বুকে ফিরিয়ে আনল হেভেন।
সাকুরা হতভম্ব।
— "ছাড়ো.. রাত এসেছে!"
হেভেন নির্বিকার।তার দৃষ্টি দরজার দিকেই স্থির।পরক্ষণেই গম্ভীর কণ্ঠে উচ্চস্বরে বলে উঠল,
— "রাত!"
বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা রাত সঙ্গে সঙ্গে সাড়া দিল,
— "জি !!
"
হেভেনের কণ্ঠে আবারও সেই অটল কর্তৃত্ব নেমে এলো।
— " ও আমার সঙ্গে আছে। নিচে যাও। কেউ এই ফ্লোরে আসবে না।"
রাত এক মুহূর্তও দেরি করল না।
পদধ্বনি ধীরে ধীরে মিলিয়ে গেল করিডোরে।
সাকুরা অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল হেভেনের দিকে।হেভেন তখনও তার হাত ছাড়েনি।
বরং আলতো করে আঙুলগুলো নিজের আঙুলের ফাঁকে জড়িয়ে নিয়ে মৃদু হেসে বলল,— "এই কয়েকটা মুহূর্ত... শুধু আমাকে দিতে হবে। 
_____________★_____________
টোকিও শহরের বুক চিরে আকাশ ছুঁয়ে দাঁড়িয়ে থাকা বিশাল কাঁচঘেরা ভবন— লুথার বায়োটেক।শহরের অধিকাংশ আলো নিভে এলেও ভবনটির সর্বোচ্চ তলায় এখনো জেগে আছে একটি কক্ষ। চারপাশে নিস্তব্ধতা। কেবল এয়ার কন্ডিশনের মৃদু শব্দ আর দেয়ালে ঝোলানো প্রাচীন ঘড়ির টিকটিক।
ফ্লোর-টু-সিলিং কাঁচের সামনে পিঠ দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে চৌত্রিশ বছর বয়সী দীর্ঘদেহী এক পুরুষ।
দুই হাত প্যান্টের পকেটে গুঁজে নিচের শহরের আলো দেখছে সে। 
"বরফশীতল চোখজোড়া—যেন বহু বছরের জমাট প্রতিশোধ সেখানে নিঃশব্দে ঘুমিয়ে আছে।তার নাম—
আলবার্ট লুথার।
দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ ভেসে এলো। 
— "Come in."
দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করল জিহা।
মুখে স্পষ্ট ক্লান্তি, চোখেমুখে অস্বস্তির ছাপ।কয়েক মুহূর্ত নীরব থেকে সে নিচু স্বরে বলল,
— "আমি ব্যর্থ হয়েছি আলবার্ট। ওকে হাড়ানো সোজা নয়। 
আলবার্ট না ঘুরেই উত্তর দিলো __
— "কোন ব্যাপারে?"
— "হেভেনকে হারাতে। ওকে আমি যতটা ভেবেছিলাম... তার চেয়েও ভয়ংকর। শক্তিতে, গতিতে,পরিকল্পনায়—ওর সমকক্ষ হওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়।"
"আমি ওর বিশ্বস্ত গার্ড গুলো কিনে নিয়েছিলাম ভেবেছিলাম এদের দিয়ে অ্যাটাক করালে ও বুঝতে পারবেনা। তবে আমার ধারনা কে মাটি চাপা দিয়ে ও নিজের বিশ্বস্ত গার্ড গুলো কেই মেরে ফেলেছে। 
কথাগুলো শেষ হতেই ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াল আলবার্ট।
অধরের কোণে ফুটে উঠল ক্ষীণ এক বাঁকা হাসি।
— "তুমি ভুল যুদ্ধে লড়ছো জিহা।"
জিহা ভ্রু কুঁচকাল।
— "মানে?"
আলবার্ট ধীর পায়ে এগিয়ে
জিহার একেবারে সামনে এসে থেমে শান্ত গলায় বলল,
— "একটা মানুষকে হারাতে চাইলে, আগে তার সবচেয়ে বড় দুর্বলতাকে নিজের নিয়ন্ত্রণে আনতে হয়।"জিহা কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে প্রশ্ন ছুড়ে দিল,
— "আপনি কী বলতে চাইছেন?"
আলবার্টের ঠোঁটের কোণের হাসিটা আরেকটু গভীর হলো।
— "তোমার দরকার হেভেন..."আর আমার দরকার... সাকুরা।"
জিহা বিস্ময়ে তাকিয়ে রইল।
আলবার্ট ধীরে ধীরে জানালার দিকে ফিরে গিয়ে বলতে লাগলো।
— "আঠারো বছর ধরে অপেক্ষা করছি আমি।"
যেদিন থেকে তার পরিবারের সঙ্গে অসমাপ্ত হিসাব শুরু হয়েছে, যেদিন ওদের পরিবারের সবাই কে নিঃশেষ করেছি , ঠিক সেদিন থেকেই জানতাম—একদিন সেই হিসাবের শেষ পাতায় দাঁড়াবে একটি মেয়ে। কারন তার কাছে আটকা পড়ে আছে আমার শক্তি আর আত্না আমার ধ্যান। তবে তুমি কি করলে তার ওপরই অ্যাটাক করালে এটা কি ঠিক ছিল?  
জিহার চোখে বিস্ময় আরও ঘন হলো।
আলবার্ট সরাসরি উত্তর দিল না।শুধু মৃদু হেসে বলল,
— "ওকে পাওয়া কোনো ইচ্ছে নয়, জিহা। এটা আমার আঠারো বছরের অপেক্ষা।"
জিহা ধীরে ধীরে মাথা তুলল।
— "আমাদের লক্ষ্য আলাদা, কিন্তু শত্রু একজনই।" তুমি পারবেনা সাকুরাকে আঘাত করতে আর আমি পারবোনা হেভেনকে।
আলবার্ট এবার সোজা জিহার দিকে তাকাল। 
— "তুমি হেভেনকে চাও। আমি চাই সাকুরাকে।"
কয়েক সেকেন্ড দু'জনের মাঝখানে নিস্তব্ধতা ঝুলে রইল।
অবশেষে জিহার ঠোঁটে ধীর এক হাসি ফুটল।
জিহা নিচু স্বরে বলল,
— "হেভেনকে ভাঙতে হলে... আগে সাকুরাকে তার কাছ থেকে আলাদা করতে হবে।" তবে সেটা এ জন্মে পারবেন না আলবার্ট। 
আলবার্টের চোখে অদ্ভুত এক ঝলক খেলে গেল।
— "ঠিক তাই। লোক পাঠাও আবার.. এবার আর পেছন থেকে নয় সামনে থেকে হামলা করো।
জিহা মাথা তুলল।
— "কোথায়?"
 "সাকুরার কাছে।"তবে তাকে কোনো ক্ষতি করা যাবে না। মনে রেখো... ও আমার পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দু আর আমার আঠারো বছরের অপেক্ষা ।"
জিহা মাথা নাড়ল।
— "বুঝেছি।" আর তার প্রতিচ্ছবি কে কি করবেন আলবার্ট? তাকে তো দিনের পর দিন ভোগ করছেন__ সে কি ইহকালে মুক্তি পাবেনা? 
আলবার্ট ধীরে ধীরে নিজের ডেস্কের ওপর রাখা একটি পুরোনো রূপালি লকেট হাতে তুলে নিয়ে ঠান্ডা গলায় বলে উঠলো।
আলবার্ট : তাকে কি করে ছাড়া যায় বলোতো জিহা? একজনের অনুপস্থিতি তে আরেকজন কে নিজের পাশে দাড় করাতে হয়েছে "নিশীর প্রতি আমার একটা নেশা জন্মে গেছে। " যে নেশা প্রতি রাতে পান না করলে আমার তৃষ্ণা মেটে না।
আলবার্ট কোনো একটা ছবির ওপর আঙুল বুলিয়ে সে নিঃশব্দে উচ্চারণ করল—
"আর অপেক্ষা নয়, সাকুরা..."এবার তোমাকে ও নিজের করে নেওয়ার পালা এবার তুমি নিজেই আমার কাছে চলে আসবে।"যদিও আমার মোকাবিলা করতে চাও তবুও পারবেনা। কারন আমি তোমার দূর্বল জায়গায় আঘাত করতে পারবো তবে তুমি আমার দূর্বল জায়গায় আঘাত করতে গিয়ে আঁটকে যাবে। ব্যর্থ হবে। 
__________★___________
রাত প্রায় দুটো। গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন সাকুরা।
অষ্টাদশীর মুখাবয়ব আজ অদ্ভুত শান্ত। এলোমেলো কালো চুলের কয়েকটি গোছা নেমে এসেছে গালের পাশে। 
বিছানা থেকে কয়েক হাত দূরে রাখা কালো সোফায় আধশোয়া হয়ে বসে আছে হেভেন।চোখ দুটো বন্ধ থাকলেও তার ঘুম কখনোই গভীর হয় না।সেই দিনের ঘটনা এখনও তার মস্তিষ্কে স্পষ্ট। জঙ্গলের সেই হামলা... সাকুরার আতঙ্কিত মুখ... এক মুহূর্তের অসাবধানতায় সে প্রায় হারিয়েই ফেলেছিল সবচেয়ে মূল্যবান মানুষটাকে।দ্বিতীয়বার সেই ভুল হবে না।এই কারণেই গত কয়েক রাত ধরে সাকুরা হেভেনের কক্ষেই রাত কাটাচ্ছে। 
"হঠাৎ পকেটে রাখা ফোনটা মৃদু কম্পিত হতেই চোখ খুলে গেল হেভেনের।
প্রথমেই তাকাল বিছানার দিকে।সাকুরা নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে আছে।স্বস্তির দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলল সে।
" নিঃশব্দে কক্ষ থেকে বেরিয়ে এলো।করিডোরে এসে ফোনের স্ক্রিনে তাকাতেই ভেসে উঠল একটি নাম।
রিকার্ডো।
কল রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে গম্ভীর কণ্ঠ শোনা গেল
— "Boss... সবাই এসে গেছে।"
হেভেন সংক্ষিপ্ত উত্তর দিল—
— "অপেক্ষা করো "
তারপর কল কেটে দিয়ে একবার সাকুরার কক্ষের দরজার দিকে তাকাল।চোখে এক ঝলক কোমলতা ফুটে উঠলেও পরের মুহূর্তেই সেটা মিলিয়ে গেল।আবার ফিরে এল সেই বরফশীতল মুখচ্ছবি।
কালো রঙের গাড়িটি টোকিওর জনবহুল রাস্তা ছেড়ে দ্রুত ছুটে চলল শহরের প্রান্তসীমার দিকে।প্রায় চল্লিশ মিনিট পর গাড়িটি এসে থামল পাহাড়ঘেরা এক নির্জন স্থানে।বাইরে থেকে জায়গাটিকে পরিত্যক্ত শিল্পকারখানা ছাড়া আর কিছুই মনে হবে না।কিন্তু হেভেনের গাড়ি ঢুকতেই বিশাল লোহার গেট একে একে খুলে যেতে লাগল।প্রথম নিরাপত্তা স্তর... দ্বিতীয়...তৃতীয়...চতুর্থ...
প্রতিটি স্তরে কঠোর নিরাপত্তা।
গাড়ি থামতেই কালো পোশাক পরা কয়েকজন লোক দ্রুত এগিয়ে এসে সম্মানসূচক ভঙ্গিতে মাথা নত করল।
হেভেন কোনো দিকে না তাকিয়েই এগিয়ে চলল।
তার ভারী বুটের শব্দে বিশাল করিডোরটা যেন আরও নিস্তব্ধ হয়ে উঠল।শেষে এসে থামল বিশাল এক দরজার সামনে।
দরজাটা ধীরে ধীরে খুলতেই উন্মোচিত হলো অভিজাত অথচ ভীতিকর এক হলরুম।কালো মার্বেলের মেঝে।
দেয়ালজুড়ে অদ্ভুত প্রতীক।মাঝখানে উঁচু আসন।
সেই আসনের সামনে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরাইতালি...জার্মানি...রাশিয়া...
জাপান...কোরিয়া...আরও কয়েকটি দেশের প্রধান প্রতিনিধিরা।
"হেভেন ভেতরে পা রাখতেই সবাই একসঙ্গে মাথা নত করল। গম্ভীর কণ্ঠে উচ্চারণ করল—
"Welcome... Blood King."
শব্দটা পুরো হলরুমে প্রতিধ্বনিত হতে লাগল।
হেভেন ধীরে ধীরে নিজের আসনে গিয়ে বসল।
ধূসর-বেগুনি চোখজোড়া একবার পুরো হলরুমে বুলিয়ে নিতেই নেমে এলো পিনপতন নীরবতা।
প্রথমে ইতালির প্রতিনিধি সামনে এগিয়ে এল।
— "Boss, European Division সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে। গত তিন মাসে কোনো বড় সমস্যা হয়নি।"
হেভেন সংক্ষেপে বলল—
— "Continue."
রাশিয়ার প্রতিনিধি—
— "Northern Route নিরাপদ। তবে সীমান্তে কিছু অচেনা দলের চলাচল দেখা গেছে। নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।"
— "Keep watching."
জার্মানির প্রতিনিধি ফাইল খুলে বলল—
— "Luther Biotech-এর নতুন গবেষণা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে শোনা গেছে সে নাকি অনেক মানুষ এর প্রান ও নিয়েছে এই গবেষণার জন্য । 
হেভেন শুধু মাথা নাড়ল।
জাপানের প্রতিনিধি বলল—
— "Tokyo Division আপাতত স্থিতিশীল।"
সবাই রিপোর্ট শেষ করতেই রিকার্ডো ধীরে ধীরে সামনে এসে দাঁড়াল।আজ তার মুখে স্বাভাবিক কঠোরতার বদলে স্পষ্ট উদ্বেগ।সে একবার পুরো হলরুমের দিকে তাকিয়ে নিচু স্বরে বলল—
— "Boss... শেষ রিপোর্টটা অন্যগুলোর মতো নয়।"
হেভেন দৃষ্টি তুলল।
— "Speak."
রিকার্ডো গভীর শ্বাস নিয়ে বলল—
— "আমাদের গোয়েন্দারা নিশ্চিত করেছে..."হলরুম নিস্তব্ধ। আলবার্ট ফিরে এসেছে। এক মুহূর্তে যেন সময় থমকে গেল।কয়েকজন প্রতিনিধি বিস্ময়ে একে অপরের দিকে তাকালো।
কিন্তু...সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়—হেভেনের মুখাবয়বে বিন্দুমাত্র পরিবর্তন নেই। কারন সে আগে থেকেই জানে আলবার্ট এর ফিরে এসেছে। 
*চলবে*
#কপি_করা_নিষিদ্ধ

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৩২তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন