ফন্ট সাইজ:
থিম:
মন আড়ালে

১৬তম পর্ব

লেখক: তানজিলা আনিম

#মন_আড়ালে

#পর্ব-১৬
#তানজিলা_আনিম
পুরোনো হলেও পৈত্রিক ভিটাটুকু মনিরুজ্জামান আগলে রেখেছেন।প্রাচীর ঘেরা, রঙচটা একতলা লম্বা ধাঁচের বাড়িটা অনেক দিন পর একটু একটু করে আত্মীয়স্বজনে ভরে উঠছে।
সন্ধ্যা নামতেই চওড়া উঠানে বাড়ির সব মহিলারা আলাপ জুড়েছে একসাথে।পুরো বিকেল ঘুরেফিরে এসে নীলা,অবনী ক্লান্ত হয়ে বিছানায় গা এলিয়ে দিলেও মেহু চলে এলো উঠোনে।রাবেয়ার পাশে বসলো চুপ করে।কাব্য ভাই কি করছেন ওদিকে জানার জন্য মেহুর মনটা আঁকুপাকু করছে।তাই আস্তে করে রাবেয়াকে বললো," ও বড় মা,আমরা এসেছি অনেক্ক্ষণ হয়ে গেছে।বাসায় ওরা সবাই ঠিকঠাক আছে কি না খোঁজ নেয়া উচিত না?"
রাবেয়া বললেন," ওদের কি হবে?দেখ গিয়ে সবকটা ফোন নয়তো গেইম নিয়ে পড়ে আছে।"
মেহু আমতা আমতা করে বললো," মানে কাব্য ভাই বাড়িতে ফিরেছেন কি না সেটা তো জানলে না।"
রাবেয়া বললেন," ফোন করেছিলাম তো একটু আগে।বলেছিলো রাস্তায় আছে।এতোক্ষণে বাসায় পৌঁছে গেছে বোধহয়।"
এটুকু বলেই আবার আড্ডায় মন দিলেন।মেহু ছটফট করে উঠলো।এখন আবার কাব্য ভাইয়ের কণ্ঠটা শোনার ইচ্ছে হচ্ছে। নখ কামড়ে কিছুক্ষণ ঘুরঘুর করলো উঠানে।তারপর আবার এসে বললো," এখন আরেকবার কল দিয়ে দেখোনা,বড় মা।"
রাবেয়ার এদিকে খেয়ালই নেই।মেহু আরও কয়েকবার বলে বলে হতাশ হলো।রাবেয়ার ফোনটা উনার পাশেই পড়ে আছে।সেটা দেখে বুদ্ধি পেলো মেহু।টুপ করে ফোনটা নিয়ে ছুটে গেলো ভেতরে।
____________
ধাক্কা দিতেই বন্ধ রুমের দরজাটা শব্দ করে খুলে গেলো।কাব্য অনেক বছর পর পা রাখলো মেহুর রুমে।হাতে ধরে রেখেছে মেকুকে।রুম পেরিয়ে গিয়ে বসলো বেলকনিতে, মেহুর প্রিয় দোলনাটায়।লম্বা করে শ্বাস টানলো ।তারপর চোখ বন্ধ করে বসে রইলো চুপ করে।হঠাৎ ফোন বেজে উঠলো তার।কাব্য না দেখেই সেটা কানে ঠেকালো।সাথে সাথে ওপাশ থেকে গম্ভীর গলায় মেহু বলে উঠলো," বড় মা জানতে চেয়েছে, আপনি খেয়েছেন কি না?"
ঠোঁটের কোণে পলকের জন্য হাসি দেখা গেলো কাব্যের। বললো," রাগ,অভিমান শেষ?"
মেহু চোখ খিঁচে রেখে বললো,"বড় মা বলেছে তাই কল করেছি।আপনি উত্তর না দিয়ে প্রশ্ন করছেন কেনো? "
কাব্য চোখ বন্ধ রেখেই বললো," তোর বড় মাকে বলে দে, খেয়েছি।"
- আচ্ছা।
বলেই ফোন কেটে দিলো মেহু।কাব্য চোখ খুললো।ফোনটা সামনে ধরে অবাক হয়ে গেলো।সত্যি সত্যি কেটে দেবে ভাবেনি।
মেহু এদিকে নিজের মাথায় নিজেই চাটি দিলো।বললো," কেটে দিয়েছিস কেনো?কি সুন্দর শোনাচ্ছিলো কাব্য ভাইয়ের শান্ত গলার স্বরটা।"
কাব্যের ফোনের দিকে তাকিয়ে থাকার মাঝেই আবার ফোন বেজে উঠলো ।এবারেও ফোন কানে ধরতেই মেহু আগের মতো বলে উঠলো," বড় মা বলেছে,কাবার্ডের উপরের তাকে আপনার শার্ট আইরন করা আছে।ওগুলো মনে করে আনতে।আর হ্যাঁ,ঘুমোনোর সময় পড়ার জন্য যেই টি শার্ট গুলো পড়েন ওগুলোও নিয়ে আসবেন। কালো রঙা টা তো অবশ্যই আনবেন।বুঝেছেন?"
ফোনে বকবক করলেও এদিকে দম আটকে রেখেছে মেহু।অনেক ভেবে ভেবে কথা বলার জন্য এই কারণগুলো বের করেছে ও।
কাব্য চোখ সরু করলো।মেহুর উৎকণ্ঠার আঁচ বুঝতে পেরে বাঁকা হাসলো।কপট অনীহা দেখিয়ে বললো," কালো রঙের টিশার্ট টা আমার পছন্দ না।"
মেহু হতাশ হয়ে ভাবলো- অথচ কালো টিশার্টে আপনাকে কত সুন্দর লাগে জানেন?
শুকনো গলায় বললো,"আচ্ছা "
 বলে আবারও কেটে দিলো কলটা।
কাব্য নিঃশব্দে হেসে উঠলো।তার মন বলছে মেহু আবারও ফোন করবে।হলোও তাই।ফোন বাজলো তৃতীয় বারের মতো।তবে এবার রিসিভ হওয়ার অনেক্ষণ বাদেও কোনো আওয়াজ এলোনা ওপাশ থেকে।কাব্য নিজেই বললো," বড় মা আবার কি বলেছে?আর কি কি নিতে বলেছে?"
মিনমিনে জবাব এলো মেহুর," আর কিছু বলেনি, কাব্য ভাই।
- তাহলে ফোন দিয়েছিস কেনো?
মেহুর মনটা আরও খারাপ হয়ে গেলো।ওর গলা ছেড়ে বলতে ইচ্ছে হলো-আমি সবসময় আপনাকে বিনা কারনেই কল করতে চাই কাব্য ভাই।
মন খারাপ টুকু চেয়েও ঢেকে রাখা হলোনা মেহুর।অনেক কথা বলতে ইচ্ছে হচ্ছে তার।কাব্য নিজ থেকে কিছু বলছেনা দেখে নিজেই মনমরা হয়ে বললো,"মেকু ভালো আছে কাব্য ভাই?"
কাব্য মেকুর শরীরে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বললো,"ভালো আছে।তুই নেই তাই আরও ভালো আছে।লাফাতে হচ্ছেনাতো।"
মেকুকে সাথে আনার জন্য বায়না করেও লাভ হয়নি।নাফিসা মানেননি।তাই ওকে পাশের বাসার আন্টির কাছে রেখে আসবে ঠিক হয়েছে।
মেহুকে চুপ থাকতে দেখে কাব্য বললো," আর কিছু জানার আছে?নাহলে ফোন রাখ।"
কথা বলার জন্য মেহু কতোশত বাহানা করছে, আর এদিকে কাব্য ভাই ফোন রেখে দেয়ার জন্য মরে যাচ্ছে।কাব্যের এহেন উপেক্ষায় বিষন্ন মনেও তেঁতে উঠলো মেহু।বললো,"এমন দূর দূর করছেন কেনো?আমার কথা শেষ হয়নি।আমি ফোন রাখবোনা।"
- আচ্ছা।তাহলে আমি কেটে দিচ্ছি।কাজ আছে আমার।
মেহু ধরফরিয়ে উঠলো," কাল কখন আসবেন কাব্য ভাই?।আপনাদের জন্য সবাই অপেক্ষা করে আছে।আঙ্কেল কতবার আপনার কথা জিজ্ঞেস করলো।"
কাব্য আরেকটু আরাম করে বসলো।নিস্পৃহ গলায় বললো," কিন্তু আমিতো যাবোনা ঠিক করেছি।"
মেহু ত্রস্ত গলায় বলল," মানে?কখন ঠিক করলেন?"
- এখনই ঠিক করলাম।
- কেনো?
- এমনি।
অনেকক্ষণ মেহু আর কিছু বললোনা।কাব্যও হাসি চেপে নিশ্চুপ রইলো।এদিকে গভীর ধ্যান শেষ করে মেহুর চোখমুখ উজ্জ্বল হলো হঠাৎ। চোখেমুখে দুষ্টুমি নিয়ে বলে উঠলো," একদম ঠিক বলেছেন কাব্য ভাই।আপনার না আসাই ভালো।বিয়ে বাড়িতে কতো লাফালাফি,হৈ-হুল্লোড় হয় তা তো
আপনি জানেনই ।এসব তো আপনি পছন্দ করেন না।মিছিমিছি আপনার মাথা গরম হবে।এরচেয়ে আপনি বরং বাসায়ই থাকুন।"
কাব্যের ভ্রু কুঁচকে এলো।তবে মেহু এবার আর পিছু হটলোনা। উৎফুল্ল ভাব বজায় রেখে বললো," ভালো থাকবেন, কাব্য ভাই।রাখি এখন।"
ফোন কেটে দিয়ে বিছানায় শুয়ে খিলখিলিয়ে হেসে ফেললো মেহু।সে নিশ্চিত যে কাব্য ভাই ওর সাথে মজা নিচ্ছিলো।তবে এখন কিভাবে না এসে থাকে সেটা ও দেখে নেবে।
____________ 
রাত এগারোটা পেরিয়েছে।দিব্যর রুমে বসে শিহাব অনবরত হেসে যাচ্ছে।পাশেই গলা ব্যাথায় কাঁতরাচ্ছে দিব্য।শিহাবের সঙ্গে বাজি ধরে মাছ খেতে নিয়েছিলো।মুহূর্তেই গলায় কাটা বাঁধিয়ে ফেলেছে।
শিহাব হাসতে হাসতে বললো," বলেছিলাম না পারবিনা।বড় মামি আর নীলা ছাড়া তোর কপালে মাছ নেই।"
দিব্য তেড়ে এলো।বললো," মাছ না খেলে মানুষ মরে যায়না।আজ থেকে আর খাবোও না।দেখে নিও।"
কম্পিউটারে গেইম খেলছিলো ওরা।এই পর্যায়ে শিহাব রেখে দিলো কন্ট্রোলারটা।সন্ধ্যার পর অবনী একবারও কল দেয়নি।ঘুমিয়ে পড়েছে কিনা ভাবতে ভাবতেই নীলাকে ভিডিও কল দিলো।
মাঝখানে গেইম থামিয়ে দেয়ায় বিরক্ত হলো দিব্য।শিহাব বললো,"আরে,ওদিকের খবরটা নিয়ে নিই।তারপরেই আবার শুরু করবো। "
স্ক্রিনে নীলার হাসি হাসি মুখটা ভেসে উঠলো।একবার দেখেই দিব্য চোখ সড়িয়ে সোজা তাকিয়ে রইলো। 
রুমের সামনে, পেছনে যতটুকু দেখা যায় সবটায় চোখ বুলিয়ে নিয়ে শিহাব বললো," ঘুমাসনি এখোনো?বাকি সবাই কোথায়?"
নীলা উচ্ছল হেসে বললো," কেউ ই ঘুমায়নি, ভাইয়া।উঠোনে বিশাল আড্ডা বসেছে।বড় রা একদিকে।আমরা ছোটরা আরেক দিকে।এতো মজা হচ্ছে তুমি ভাবতেও পারবেনা।"
শিহাব বললো," ওদের সব আত্মীয় চলে এসেছে?"
- প্রায় চলেই এসেছে। সাফিয়া আপুর কয়েকটা ফ্রেন্ড এসেছে।ওরা এত্ত মজার মানুষ ।জানো, একটা ভাইয়া তো ম্যাজিকও দেখিয়েছে আমাদের। বলেছেন আবার দেখাবেন।"
কোণা চোখে দিব্য আবার চোখ ঘুরিয়ে আনলো নীলার থেকে।নীলা নিজের মতো বললো," তোমরা কি করছো?"
অবনীর কথা আলাদা করে জিজ্ঞেস করতে গিয়েও করলোনা শিহাব। বললো,"বড় মামা ঘুমিয়ে পড়েছেন।আমি বসে গেইম খেলছি।দিব্য গলায় কাঁটা বাঁধিয়ে বসে আছে।কাব্য ভাই ওর রুমে।"
নীলা এতোক্ষণ ইচ্ছে করেই তাকায়নি দিব্যের দিকে।এবার আলতো চোখ তুলে তাকালো। দিব্য তাকিয়েই ছিলো! চোখাচোখি হতেই নীলা দৃষ্টি সড়িয়ে নিলো।
কাব্য কফি হাতে নিয়ে শিহাবের পাশে বসতেই নীলা বললো," তোমরা কাল কখন আসবে, ভাইয়া?"
শিহাব জবাব দেবে আগেই নীলার রুমের দরজা দিয়ে হুরমুড়িয়ে ঢুকলো মেহু।তাড়া দিয়ে বললো, "তুমি এখানে কি করছো, নীলাপু?ওইদিকে অবনীর নাচের স্টেপ তোলা প্রায় শেষ। এরপরই আবার সাকিব ভাই ম্যাজিক দেখাবে।তোমাকে ডাকছে চলো।"
কথা শেষ হওয়ার আগেই তড়াক করে সোজা হলো শিহাব।নাচছে মানে?উদ্বেগ ঢেকে কোনোমতে বলে উঠলো, " অবনী নাচছে কেনো?তোরা ওকে বারণ করিস নি?"
ভিডিও কলে কাব্যকে দেখেই মেহু টুকটুক করে এসে দাঁড়িয়েছে নীলার পাশে।না তাকিয়েও বুঝতে পারছে কাব্য ঠাণ্ডা চোখে ওর দিকেই দেখছে।তাই ইচ্ছে করে মিষ্টি হেসে বললো," গায়ে হলুদে নাচবো আমরা। তাই প্রেক্টিস করছি।"
শিহাব বললো," অন্য কিছু কর।গান গা,কবিতা বল।গায়ে হলুদ বলেই নাচতে হবে কেনো?"
মেহু,নীলা হো হো করে হেসে উঠলো।নীলা বললো," অবনী দেখছি ঠিকই বলেছিলো যে তুমি পড়াশোনা ছাড়া কিছুই জানোনা।"
শিহাব থম মেরে রইলো।মেহু আড় চোখে কাব্যকে দেখে নিয়ে বললো," দিব্য ভাই,তুমিতো ওইদিন আমাকে তোমার বাইকে চড়তে দাওনি।কিন্তু প্রান্ত ভাই বলেছে আমাকে বাইকে করে ঘুরাবে ।উনি উনার ইউনিভার্সিটির একজন টপ লিস্টেড বাইকার।"
বলতে বলতে কাব্যের দিকে আবারও দেখলো মেহু।তারপর গমগমিয়ে বললো," নীলাপু চলো।"
নীলা উঠে দাঁড়ালো চটপট।হাত নাড়িয়ে টাটা দিয়ে বললো," আচ্ছা ভাইয়া রাখছি এখন।তোমরা সাবধানে এসো।"
মেহু বলে উঠলো," ওরা না এলেই ভালো।এলেই আমাদের সব কিছুতে বাধা দেবে।"
বলেই নীলার হাত ধরে ছুট লাগালো।ফোনটা কেটে যেতেই এপাশে সব নিরব ঠেকলো হঠাৎ।অনেক্ষণ কেউ কিছু বললোনা।
দিব্যই কটমটিয়ে উঠলো সবার আগে।শিহাবকে বললো," দেখেছো?দেখেছো তোমার বোনের কাণ্ড?বাড়ির বাইরে গেলেই কেমন পাখা গজায়?
ম্যাজিক আর এমন কি যে এতো আদিক্ষেতা করতে হবে?চেনেনা জানেনা কে না কে।"
শিহাবের মাথায় অন্য ভাবনা।অবনীকে কতবার বলেছে ধীরস্থির হয়ে থাকতে।তা না করে একেবারে নাচানাচি শুরু করে দিয়েছে।নিজের ভেতর চলা টালমাতাল অবস্থা দমিয়ে দিব্যকে বুঝ দিলো,"আম্মু,মামিরা তো আছেই।সবাই মিলে মজা করছে করুক।মেহু, অবনীকেও দেখছিসনা? কত খুশি ওরা।"
- ওদেরকে টানছো কেনো?পালের গোদা যেদিকে যাবে বাকিরাতো ওদিকেই যাবে।সব দোষ তোমার বোনের।
চেয়েও রাগটা দমাতে পারছেনা দিব্য। এক্ষুনি ঠাস করে নীলার বাচ্চার গালে একটা চড় বসাতে পারলে শান্তি লাগতো।এমনিতে সরাক্ষণ বলতে থাকে,আমার ছেলেদের ভয় করে।আর এখন দেখো! কাকে না কাকে ভাই ভাই করে খুশিতে ফেটে পড়ছে।পরে উল্টাপাল্টা কিছু হলে আবার কাঁদতে বসবে।
শিহাব উশখুশ করছে।মন বলছে এখনি চলে যেতে ওখানে।তবে নিজ থেকে যাওয়ার কথাটা বলতেও কেমন লাগছে।ওদের ভাবনাচিন্তার মাঝেই উঠে দাঁড়ালো কাব্য। রাশভারি গলায় বললো," রেডি হ।"
দিব্য অবাক হয়ে বললো, " কেনো?"
কাব্য নিজ রুমের দিকে যেতে যেতে বলল,"ওদের এতো আনন্দ সহ্য হচ্ছেনা।এখনই বের হবো।"
_______
পীচ রাস্তা কাঁপিয়ে পাশাপাশি কালো রঙা তিনটা বাইক ছুটছে।শিহাব চুপ থাকলেও দিব্য গলা ছেড়ে গান ধরেছে।থেমে থেমে গান পাল্টাচ্ছে ইচ্ছে মতোন।
দ্রুত বেগে চলা বাইকটার মিটারের কাঁটা আরও খানিকটা উপরে উঠলো কাব্যের।দৃষ্টি সামনে রেখে নিজমনেই বিড়বিড়িয়ে উঠলো,"ইচ্ছে করে জ্বেলাস ফিল করাতে চাইছিস তো?আমি হচ্ছি জ্বেলাস।ভবিষ্যতেও হবো।তোর জন্য আমার জ্বেলাসির লেভেল সম্পর্কে কোনো ধারণাই নেই তোর,মেহেরজান!"
#চলবে,,

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১৬তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন