ফন্ট সাইজ:
থিম:
উল্টা পাল্টা সংসার

২৯তম পর্ব

লেখক: আরিয়ানা আরিফা

উল্টাপাল্টা সংসার

-আরিয়ানা আরিফা

২৯.

শাবানা বাড়ির প্রতিটি সদস্য আলোচনায় বসল।চট্টগ্রাম থেকে ড.রিপনকে ও ডেকে আনা হলো।জহির সাহেব ঠিক করলেন, যত দ্রুত সম্ভব অরির বিয়েটা আয়োজন করে দিয়ে দিবেন।বলা তো যায় না,কোন সময় আবার তিনি পটল তুলে ফেলেন!

রিপন সাহেব চোখ মুখ কুঁচকে তাকিয়ে আছেন।জহির সাহেবকে উনার বিরক্ত লাগছে।কিন্তু এই বিরক্তির দরুন তিনি এই লোকের সাথে কোনো গরম গরম কথা বলতে পারছেন না।বেটার দুই ভাই উনাকে দুই দিক থেকে বারবার কানে কানে বলছে,

-শান্ত!শান্ত!

জুবিন কাল বিকালে এসেছে।সে হচ্ছে ভাই অন্তঃপ্রাণ।ভাইয়ের হার্ট অ্যাটাক হয়েছে অথচ সে এসে কিছুক্ষণ ভাইকে জড়িয়ে ধরে কাঁদবে না,এটাতো অ তে অসম্ভব ব্যাপার!

ড.রিপন চোখ মুখ শক্ত করে বললেন,

-আমি চাইছি যে, ওদের বিয়েটা চট্টগ্রাম হোক।আপনারা সবাই আমার সাথে চলুন।আমাদের বাড়িতে থাকবেন।

জহির সাহেব তেঁতে উঠলেন।এটাতো রীতিমতো উনার জেলার অসম্মান হচ্ছে!কেন রে,বিয়ে নোয়াখালীতে হলে কী হইছে?তিনি হুংকার দিয়ে উঠলেন।দুই নাম্বার হার্ট অ্যাটাক হওয়ার পর থেকে উনার ভিতরে কোথা থেকে যেন অনেক সাহস চলে এসেছে।এই সাহস দেখাতে উনি কাউকে পরোয়া করছেন না।ড.রিপন নামক এক ঘাড়ত্যাড়া ব্যাটা,যে কিনা উনার মেয়ের শ্বশুর আব্বা, তাকেও পরোয়া করছেন না।বরং তিনি হুংকার দিয়ে বললেন,

-বিয়া আংগো নোয়াখালীত অইবো।

-নাহ,সব আপনার কথা মত হবে নাকি?বিয়ে তো চট্টগ্রামই হবে।

-কইলাম না নোয়াখালীত অইবো।কতা শ্যাষ।

-চট্টগ্রামের বিয়ে দেখেছেন কখনো?আপনাদের নোয়াখালীর মত এরকম বাঁশ দুইটা তুলে বিয়ে হয়না সেখানে।মানুষ চট্টগ্রামের বিয়েকে কী বলে জানেন?সাহেবী বিয়ে।

-তো?আন্নেগো সাহেবী বিয়াত কিয়া আছে?খালি তো টিয়া উড়াইবার ধান্দা।আল্লাহ কিয়া কয় জানেন?আল্লাহ কয় 'অপচয়কারী শয়তানের ভাই'।আন্নে কি শয়তানের ভাই?

ড.রিপন মুখ শক্ত করে উঠে দাঁড়ালেন।বললেন,

-আপনি আমাকে অপমান করছেন?

-সত্য কতা ব্যাকের তুন অপমানের মতন লাগে।

এবার ড.রিপন হুংকার দিয়ে উঠলেন।সামনের সোফায় নির্বিগ্নে বসে বসে খেলা দেখা ছেলেকে চিল্লিয়ে বললেন,

-এই নালায়েক,চল এইখান থেকে।

আব্বার হুংকারে রাফির হাত থেকে মোবাইল পড়ে গেল।সে থতমত খেয়ে বলল,

-মানে?

ড.রিপন জহির সাহেবের রাগ ছেলেকে দেখালেন।ছেলের দুই গালে কষিয়ে দুইটা থাপ্পড় মেরে বললেন,

-চট্টগ্রাম চল।আরেকটা কথা বলবি তো,আরো দুইটা খাবি।

রাফি গালে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলো।সে তো কোনো কথা-ই বললো না।রাফির বুঝে আসে না,তার দুই গালে কী বড়সড় করে লেখা আছে,

'আসো, আমাকে মারো।'

তাহলে?সে কেন প্রত্যেকবার থাপ্পড় খাই?আহ!গাল জ্বলছে।রাফির এই করুণ অবস্থা দেখে দরজার অপাশে দাঁড়িয়ে থাকা অরির একটু খারাপ লাগার কথা হলেও, তার খারাপ লাগছে না।বরং ঠাস করে দরজা আটকে সে হো হো করে হাসছে।জহির সাহেব মেয়ের ঠাস করে দরজা আটকানো দেখে ভাবলেন, উনি মনে হয় অনেক বড় ভুল করে ফেলেছেন।তার আদরের মেয়েটাকে কষ্ট দিয়েছেন।নোয়াখালী vs চট্টগ্রাম যুদ্ধ মাথা থেকে বের করে তিনি ড.রিপনের হাত ধরলেন।হো হো করে হেসে হেসে বললেন,

-আরে,আঁই তো মজা কইচ্ছিলাম বেয়াই সাহেব।বিয়াতো চিটাং'ই অইবো।আংগো নোয়াখালীর বিয়া কোনো বিয়া অইলো নিই?

অতঃপর ফের বৈঠক বসলো।বৈঠকে ঘোষণা করা হলো, বিয়ে চট্টগ্রাম হবে ঠিক আছে।তবে শাবানা বাড়ির কেউই বিয়ের আগে অরির শ্বশুর বাড়ি থাকবে না।তাদের একটা ইমেজ আছে না?তাহলে তারা থাকবে কোথায়?জালাল সাহেবরা যে বাড়িতে ভাড়া থাকতেন সেই বাড়িতে।বাড়িওয়ালা জালাল সাহেবের জানের জিগার দোস্ত।জালাল সাহেব সেই দোস্তকে কল করে সব কনফার্ম করে নিলেন।

________

এই ঘোষণা'য় সবচেয়ে বেশি খুশি হলো মালিহা।সে তো লাফিয়ে একটা চিক্কর মারলো।অরির বিয়ে নিয়ে তার খুশি নাহ,সে তো চট্টগ্রাম যাবে শুনে খুশি।অয়ন ভ্রু কুঁচকে তাকালো।বললো,

-এত খুশি হওয়ার কী আছে?

মালিহা আবার একদফা লাফালো।চোখ টিপে বলল,

-আছে, আছে।অনেক কিছু আছে।

অয়ন চোখ ছোট ছোট করে ভ্রু আরো কুঁচকে ফেলল।চট্টগ্রাম যাবে শুনেই তার বিরক্ত লাগছে।এর থেকেও বেশি বিরক্ত তার আব্বাকে লাগছে।এই অবধি আব্বাকে উনিশবার বলেছে,

-আব্বা,আমি আর মালা যাব না।তোমরা যাও।

জহির সাহেব প্রতিবারই ধমক দিয়ে বলেছেন,

-যাইতি নয় কা,অবশ্যই যাইবি!

অকুও মালিহার মত খুশি।যদিও সে জানে না,চট্টগ্রাম কী জিনিস।শুধু জানে, তারা সবাই মিলে বেড়াতে যাচ্ছে।তাকে এখন একেকটা ড্রেস পরে আয়নার সামনে গিয়ে ট্রায়াল মারতে হবে।কোন ড্রেসে তাকে রাজপুত্তুরের মত লাগে,সেই ড্রেসটা সিলেক্ট করে সরিয়ে রাখতে হবে।

অকুর মত কান্ড মায়িদাও করছে।সে জালাল সাহেবের রুম থেকে উনার সব শার্ট এবং জেঠুর রুম থেকে উনার সব প্যান্ট হাপিশ করে এনেছে।একবার একটা পড়ে ট্রায়েল মারছে আর নোভানের দিকে তাকিয়ে বলছে,

-হেই ব্রো,ভাল্লাগছে?

নোভান প্রতিবারই নাক মুখ কুঁচকে বলছে,

-'না,এটা মানাচ্ছে না।'

'আরে এটার কালার দেখেছেন?ওয়াক!কী বিশ্রী।'

'এটাতে তো আমাদের বাড়ির এক্স রহিমা খালার মত লাগছে।'

'ছিহ!এইটাতো আরো বিশ্রী।এটাতে আপনাকে কেমন লাগছে জানেন?শ্যাওড়া গাছের পেত্নীর মতন পুরো।'

মায়িদার রাগের সীমা এবার ক্রস করলো।সে ড্রেসিং টেবিলের উপর থেকে একটা কেঁচি এনে কচ করে নোভানের সামনের এক মুঠো চুল কেটে ফেলল।নোভান হা করে তাকিয়ে থাকলো।এই মাত্র কী ঘটনাটা ঘটল সে বুঝতে পারছে না।সে একবার মাথায় হাত তো আরেকবার মায়িদার ভাব নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা চেহারার দিকে তাকিয়ে আছে।তার মুখ পুরো হা।সে হা নিয়েই বলল,

-এটা কী করলেন?

মায়িদা তার হাতের মুঠো মেলে ধরল।সেখানে নোভানের সদ্য কচ করে কেটে ফেলা চুল গুলো দেখিয়ে বলল,

-দেখতে পারছো?

-পারছি।

নোভান চূড়ান্ত রাকমের রাগ নিয়ে মায়িদার হাত থেকে খপ করে কেঁচিখানা নিয়ে নিল।মায়িদার হাত আটকে দিয়ে চুল টান মেরে কেঁচি খানা দিয়ে কচ কচ করে চুল কাটতে যেতেই মায়িদা হাউ মাউ করে কেঁদে উঠলো।সে জানে এখন নোভানের সাথে পারবে না সে।তাকে এখন অকুর মত কান্নার এক্টিং করতে হবে।নোভান আরেকদফা হতবাক হলো।তার ধারণা ছিলো,এই মায়িদা নামক মেয়েটা কাঁদতে জানে না।অথচ এখন? মেয়েটা কাঁদছে।হাউ মাউ করে চিল্লিয়ে চিল্লিয়ে।নোভান ব্যস্ত হয়ে পড়ল।কেঁচিখানা খাটে ফেলে মায়িদার মাথায় হাত রেখে বলল,

-এই, কাঁদছেন কেন?দেখুন,কাটছি না চুল।কাটছি না তো।থামান।কান্না থামান!

মায়িদা কান্না থামালো।নোভানের হাত টেনে তার শার্টের হাতায় চোখের পানি মুছে নাক টানলো।তার পর দিলো এক ছুট।দরজার কাছে গিয়ে পিছন ফিরে একটা ভেংচিও কাটলো বটে!

________

সকাল দশটা।শাবানা বাড়ির সবাই রেডি হয়ে নিচে এসে দাঁড়ালেও মালিহা আসছে না।সে ভীষণ এক্সাইটেড। এই এক্সাইটেডের ঠেলায় সে একবার এক শাড়ি পড়ে 'উহুম,মানাচ্ছে না' বলে খুলে ফেলছে।শেষে জলপাই কালারের একটা শাড়ি পড়তেই অকু মাম্মাকে মায়িদার থেকে শেখা ফ্লাইং কিস দিয়ে বলল,

-এতা সুন্নর।

মালিহারও শাড়িটা পছন্দ হলো।কিন্তু এই কালারের কোনো হিজাব তার কাছে পাওয়া গেল না।সে বিরক্ত হয়ে এই শাড়িটাও খুলে ফেললো।শেষে আলমারির একপাশে পড়ে থাকা পিংক কালারের লং টপস পড়ে হিজাব করে নিল।এই যে,মানুষ বলে না,বাঙালি মেয়েদের শাড়িতেই মানায়।শাড়ি ছাড়া অন্য কিছুতে তাদের ভালো দেখায় না।তারা কী এই পিংক টপস পড়া মালিহাকে দেখেছে কখনো?যাকে শাড়ির থেকে এটাতে বেশি মানাচ্ছে।অকু মাম্মাকে আরেকটা ফ্লাইং কিস মারলো।বলল,

-তোওওওস মাম্মা।

মালিহা লাজুক হাসলো।আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে নিজেকে দেখতে লাগলো।এমন সময় অয়নকে দরজায় এসে দাঁড়াতে দেখা গেল।তার হাতে ফোন।সে ফোনের দিকে তাকিয়ে বলল,

-এতক্ষন লাগে রেডি হতে?

মালিহা চট করে ঠোঁটে হালকা লিপস্টিক,চোখে কাজল লাগিয়ে অয়নের সামনে এসে দাঁড়ালো।জামা ধরে ঘুরে ঘুরে বলল,

-কেমন লাগছে?

মালিহার দিকে ভ্রু কুঁচকে তাকালো অয়ন।কিছুক্ষণ তাকিয়েই থাকলো।এই যে,তার পিংক কালার একদম পছন্দ না।এই কালারটা তার সবথেকে বিচ্ছিরি লাগে।অথচ এখন?এখন এই কালারটা তার একটুও বিশ্রী লাগছে না।বরং অসাধারণ লাগছে।যে মেয়েটা এই এই অসাধারণ পিংক ড্রেস পড়ে তার সামনে উত্তরের অপেক্ষায় চেয়ে আছে তাকেও অসাধারণ লাগছে।মালিহা আরেকবার ঘুরে বলল,

-কী হলো? বলুন, কেমন লাগছে?

অয়নের এরকম হা করে তাকিয়ে থাকা দেখে সে অবশ্য বুঝেছে তাকে দারুণ লাগছে।একদম অকুর কথা মতো 'জোওওস' যাকে বলে।তবুও আরেকবার জিজ্ঞেস করলো সে।মেয়ে মানুষের একটু ঢং,একটু আহ্লাদ না করলে মানায়?এদের জন্মই হয়েছে আদুরে মুখ করে আহ্লাদ করার জন্য।অয়ন মালিহার আহ্লাদে এক সাগর পানি ঢেলে দিলো।তার প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে, তাকে পুরো নাই করে অকুকে কোলে নিয়ে চলে গেল।মালিহা চোখ মুখ কুঁচকে জোরে জোরে বলল,

-খবিশের খবিশ।বউকে একটু প্রশংসা করলে কী হয় হ্যাঁ?হুহ!ব্যাটা বউয়ের দিকে হা করে তাকিয়ে থাকতে পারবে,জেলাসি দেখাবে,একটা বাচ্চাও টপকে আনবে।তবু..তবুও একটু বউয়ের প্রশংসা করতে পারবে না।শালাহ!

মালিহা ফটাফট তওবা তওবা করলো।ছিহ,ছিহ!সে এটা কি গালি মারল!তাও তার আদরের জামাইটাকে!ছিহ মালা!ছিহ!

_______

চট্টগ্রামে পৌঁছাতে পৌঁছাতে বিকাল তিনটা বাজলো।মালিহা, অরি, মায়িদা তাদের জামাইদের ছেড়ে বাসের পিছনের সিটে একসাথে বসে ছিল।তাদের আজ সেই আনন্দ হয়েছে।তিনটা পুরো বাস জার্নি 'অহনা,পিছন ফিরে চাহনা' গেয়ে গেয়ে পার করেছে।হুদামুদাই একটা আরেকটার গায়ে হেসে হেসে ঢলে পড়েছে।

মালিহারা যে বাসায় থাকতো, সে বাসার নাম 'মিস্টার বিন'।এ বাসার বাড়িওয়ালা সারাক্ষণ মিস্টার বিন দেখেন আর হো হো করে হাসেন।অনেকদিন বাদে সেই পরিচিত বাসায় এসে মালিহা -মায়িদার খুশি দেখে কে!বাসাটা চারতলা।মালিহারা থাকতো দুইতলায়।বিন আংকেল তাদের আবার সেই দুইতলায় থাকতে দিয়েছেন।মালিহা-মায়িদাকে অনেক্ষণ মা মা ডেকে পাগল করেছেন।এই বিন আংকেল তাদের অকারণেই স্নেহ করেন।

শাবানা বাড়ির সবাই জার্নি করে এসে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়লেও মালিহা লম্পজম্প করতে লাগলো।সে মায়িদাকে বলল,

-এই মাদু,ছাদে যাবি?

-চল।

-দাঁড়া,উনাকে ডেকে নিই।

-কালিয়া ভাইকে?

-হয়।

-কেন?আমরা আমরা চল।

মালিহা মায়িদার মাথায় গাট্টা মেরে বলল,

-উনিও যাবে।

-তাহলে নভুকেও নিই?

-নে।

দুই বোনকে একটু বাদে তাদের জামাইদের বোগলদাবা করে ছাদে আনতে দেখা গেল।মায়িদা নোভানকে পুরো ঠেলে ঠেলে আনলো।নোভানের একটুও শক্তি নেই।সে একদমই বাস জার্নি করতে পারে না।তার উপর মাথায় ক্যাপ দিয়ে রেখেছে।গরম লাগছে ভীষণ।ক্যাপটা ছুড়ে আছাড় মারতে ইচ্ছে করছে। সাথে মায়িদাকেও।এই মেয়েটা কী সুন্দর কচ করে তার এক মুঠো চুল নাই করে ফেলেছে।

ছাদে গিয়ে নতুন আরো দুইটি মুখ দেখা গেল।দুইটি বলা অবশ্য ঠিক হচ্ছে না।তাদের দুইজনের মুখই এক।জমজ।তবে একটার চুল ব্রাউন, একটার ব্ল্যাক।এই দুই ভিন্ন চুলের মানুষদের দেখে মালিহা-মায়িদা মুখ কুঁচকালো।এই দুইটা তাদের আগে অনেক বিরক্ত করতো।স্কুল-কলেজে যেতে তাদের পিছন পিছন শিষ বাজাতো।এর জন্য মালিহার হাতে অনেকগুলা মার অবশ্য খেয়েছে তারা।ব্রাউন চুল ওয়ালা ছেলেটা মালিহার দিকে চোখ চকচক করে তাকিয়ে বলল,

-মালে!

ব্ল্যাক চুলওয়ালা মায়িদার দিকে তাকিয়ে বলল,

-মাদে!

অনেক দিন বাদে নিজেদের নামের এরকম দফারফা শুনে মালিহা-মায়িদা ভ্রু কুঁচকালো।তাদের সাথে সাথে অয়ন এবং নোভানকেও ভ্রু কুঁচকাতে দেখা গেল।

~চলবে....

(সম্ভবত খুব তাড়াতাড়ি ফিনিশ হয়ে যাবে এইটা।)

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ২৯তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন