ফন্ট সাইজ:
থিম:
প্রণয়তিথি

২য় পর্ব

লেখক: নাফিসা তাবাসসুম খান

প্রণয়তিথি

লেখনীতে : নাফিসা তাবাসসুম খান

২.

রাজা নয় বরং সাধারণ প্রজার বেশে ঘোড়ার পিঠে বসে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছুটছে কাউন্ট ইয়ান। তার পিছু পিছু দুই ঘোড়ায় করে তাকে অনুসরণ করছে জোসেফ এবং কেভ। দু'জনের মুখেই চিন্তার ছাপ। জোসেফ মনে মনে কিছুটা ভীত সে-ই সঙ্গে বিরক্তও। চেনা নেই, জানা নেই একটা অচেনা মেয়েকে সমুদ্র থেকে তুলে এনে তার ঘাড়ে গছিয়ে দিয়ে গিয়েছে। জোসেফের কিসের সাধ্য কাউন্টের আদেশ অমান্য করার? বাধ্য হয়ে সে ও-ই অদ্ভুৎ ভূতুরে দেখতে মেয়েটাকে নিজের বাসায় আশ্রয় দেয়। সারারাত জেগে পাহাড়াও দেয়। তবে রাতের শেষ প্রহরে কখন যে তার চোখ লেগে গিয়েছিল সে বুঝে উঠতে পারে নি। আর সে-ই সুযোগেই মেয়েটা উধাও হয়ে গিয়েছে।

জোসেফের বাড়ির সীমানায় আসতেই ইয়ান লাগাম টেনে ঘোড়ার পদগতি ধীর করে। অবাক হয়ে দেখে বাড়ির আঙিনায় জোয়ান্দ্রার সঙ্গে দাঁড়িয়ে গাছ থেকে ফুল কেটে নিত ব্যস্ত মাহশাকে। পরনে এখন আর গতরাতের পোশাকটা নেই। বরং তার বদলে সম্ভবত জোসেফের মেয়েদের পোশাক পরেছে। রাতে চাঁদের আলোয় যতটা না স্পষ্ট দেখেছে এখন দিনের আলোয় তার থেকেও স্পষ্ট নজরে দেখতে ব্যস্ত ইয়ান।

ঘোড়ার পদধ্বনি শুনে ততক্ষণে মাহশা এবং জোয়ান্দ্রা ঘুরে তাকায় বাড়ির আঙিনার বাহিরে। দেখতে পায় ইয়ান, কেভ এবং জোসেফকে। জোসেফ হতভম্ব হয়ে মাহশাকে দেখছে। তার হুশ ফিরে কেভের নিচু স্বরে করা প্রশ্নে,

“ আপনি তো বলেছিলেন মেয়েটা পালিয়েছে। “

জোসেফ ব্যস্ত গলায় জবাব দেয়,

“ আমি মিথ্যা বলি নি। সকালে সত্যিই মেয়েটাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না। আপনি আমাকে বিশ্বাস করুন কাউন্ট। “

ইয়ান উত্তর দেয় না। ঘোড়া ছেড়ে নামে সে। বাড়ির আঙিনায় প্রবেশ করতেই জোয়ান্দ্রা ভুলবশত আপ্লুত হয়ে বলতে নেয়,

“ কা… “

জোয়ান্দ্রাকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে ইয়ান দ্রুত ছল করে বলে উঠে,

“ চাচী মা! সকাল সকাল আপনার হাতের সুস্বাদু নাস্তা খেতে চলে আসলাম। দেখুন আমার সঙ্গে আজ কেভকেও নিয়ে এসেছি। ওকে চিনেছেন নিশ্চয়ই? আমার বন্ধু৷ “

জোয়ান্দ্রার সঙ্গে সঙ্গে খেয়াল হয় ব্যাপারটা। ইয়ান গতরাতে মাহশাকে তাদের সঙ্গে নিজের চাচা চাচী বলে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল। সে-ই মিথ্যা পরিচয়ের জের ধরে এখন জোয়ান্দ্রা এবং জোসেফকেও অভিনয় করে যেতে হবে। জোয়ান্দ্রা হেসে বলে,

“ এন্ড্রু! আমার বাচ্চা। আজ সকাল সকাল তোমার মুখদর্শন করার সুযোগ হলো তবে আমার। তোমরা ভেতরে এসো। আমি এক্ষুণি টেবিলে নাস্তার আয়োজন করছি। “

জোসেফ এতো অভিনয় করতে পারলো না। সে কপাল কুচকে মাহশাকে প্রশ্ন করে,

“ এই মেয়ে! কোথায় গিয়েছিলে তুমি? এতো ভোরবেলা আমাদের ফাঁকি দিয়ে কি করতে গিয়েছিলে তুমি? “

জোসেফের এরকম রূঢ় প্রশ্নের ভঙ্গিতে ইয়ান আড়চোখে তার দিকে তাকিয়ে চোখ গরম করে। মাহশা কিছুটা ইতস্ততভাবে এবং ভীত স্বরে জবাব দেয়,

“ ঘুম ভেঙে গিয়েছিলো হঠাৎ। একা অনুভব করছিলাম। আপনারা ঘুমিয়ে ছিলেন। আপনাদের বিরক্ত করতে চাই নি বলে বাসা থেকে বের হয়ে আশপাশটায় হাঁটাহাঁটি করছিলাম। হাঁটতে হাঁটতে কখন যে বাসা থেকে দূরে জঙ্গলের দিকটায় চলে যাই খেয়াল ছিলো না। আপনাদের অহেতুক চিন্তায় ফেলার জন্য আমি দুঃখিত। “

কেভ ফিসফিসিয়ে ইয়ানের কানের কাছে এসে বলে,

“ আমার কাছে এই মেয়ের কথা বিশ্বাসযোগ্য ঠেকছে না কাউন্ট৷ “

ইয়ান সবার কথাকে পাশ কেটে গেলো। কিছুটা তাড়া দেখিয়ে বললো,

“ এখন বরং এসব কথা রেখে আমরা নাস্তা করে নেই? কেভ এবং আমাকে সেনা ভবনে যেতে হবে দ্রুত। সৈন্যদের এভাবে সময় অপচয় করা মানায় না। “

সেনা ভবনের কথা শুনে মাহশার দু চোখ চিকচিক করে উঠলো। এই দুই যুবকের সেনা ভবনে আসা যাওয়া চলে। সৈন্য হিসেবে কি প্রাসাদেও এদের যাওয়ার সুযোগ হয়? কে জানে! মাহশার এসব ব্যাপার গুলো বুঝতে হবে ধীরে ধীরে।

__________

বাসকোভ প্রাসাদের বাহিরের রূপটা অনেকটা ভৌতিক দেখতে। প্রাসাদের দেওয়ালে জমে আছে শ্যাওলা। ইট পাথরের দেয়াল চিরে অনেক জায়গায় গুল্মলতাও লক্ষণীয়। শত বছরের ইতিহাস, অভিশাপ এবং স্মৃতি আকড়ে ধরে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা এ-ই প্রাসাদে বিচরণ করে বেড়ানো নেকড়ে মানবদের অস্তিত্ব আজও প্রজাদের কাছে একটা রহস্যই বটে। অবশ্য কেউ তাদের সম্পর্কে জানে না বললেও ভুল হবে। রোমানিয়ান রাজ পরিবারের সদস্যরা এবং তাদের কাছের হাতে গোনা কিছু মানুষ এ-ই ব্যাপারে অবগত। তবে তারা এ-ই সত্যিটা কোনো গুপ্তধনের মতো লুকিয়ে রেখেছে সবার থেকে। উল্টো নিশ্চিত করেছে জঙ্গলের গভীরে লুকিয়ে থাকা এই অপ্রাকৃতিক অস্তিত্বের সুরক্ষা।

প্রাসাদের সর্ব উঁচু বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছে এক পুরুষ। অপ্রাকৃত সত্তার অধিকারী হওয়ায় এক যুবতী কন্যার পিতা হওয়া সত্ত্বেও তার মাঝে তারুণ্যের ছাপ ম্লান হয় নি বিন্দুমাত্র। দৃষ্টি স্থির প্রাসাদের আঙিনায় এক ঝাঁক নেকড়ে পাল এবং তাদের বিপক্ষে দাঁড়িয়ে থাকা এক কন্যার দিকে। যে-ই কন্যা কি-না মানব এবং নেকড়ে উভয় সত্তাই নিজের মধ্যে ধারণ করে। নেকড়ে পালের লুনা ক্যামেলিয়া রদ্রিগেজ।

হুট করেই স্থিতিশীল পরিস্থিতি বদলে যায়। নেকড়ে পাল ক্যামেলিয়াকে চারিদিক থেকে ঘিরে ধরে। তাদের হিংস্র দৃষ্টি প্রমাণ দিচ্ছে তারা আক্রমণ করতে প্রস্তুত। ক্যামেলিয়ার চোখে অবশ্য ভয় নেই। তার মুখে ফুটে উঠেছে নির্ভয়তার ছাপ। পরক্ষভাবে সে উপভোগ করছে এ-ই ব্যাপারটা।

হুট করে দুটো নেকড়ে দৌড়ে এসে ক্যামেলিয়াকে আক্রমণ করতে নিলেই কৌশলে ক্যামেলিয়া এক নেকড়ের থাবা থেকে আত্মরক্ষা করে পাশ কেটে যায় এবং চোখের পলকেই অন্য নেকড়েকে আঘাত করে দূরে ছুড়ে ফেলে। মেয়ের একই সঙ্গে আত্মরক্ষা এবং আক্রমণের কৌশল দেখে আরোণের ঠোঁটের কোণে গর্বের হাসি ফুটে উঠে। পাশে ক্রিয়াসের উপস্থিতি টের পেতেই বুক ফুলিয়ে প্রশ্ন করে,

“ ক্যামি, চমৎকার রণকৌশল আয়ত্ত্ব করেছে না? “

ক্রিয়াস নিচে তাকিয়ে ক্যামেলিয়া এবং পালদের এই প্রতিযোগিতা মূলক দৃশ্য দেখে বলে,

“ লুনা আপনার মেয়ে। পালের হাজারটা নেকড়েকে একা সামলানো কোনো ব্যাপার না উনার জন্য। তবে উনি চমৎকার মেধা রাখেন মোকাবেলার ক্ষেত্রে। “

ক্রিয়াসের কথা শুনে হুট করেই আরোণের মুখের হাসি মলিন হয়ে আসে। সে নিষ্পলক তাকিয়ে থাকে মেয়ের পানে। ক্যামেলিয়ার কিছু গোপন রহস্য আছে যা শুধুমাত্র আরোণ জানে। সে-ই রহস্যের ভিত্তিতে আরোণের চিন্তা হয়। মেধা দিয়ে লড়াই করার ক্ষমতা রাখলেও ক্যামেলিয়ার শক্তির পরিমাণ কতদূর তা আরোণের থেকে ভালো আর কে-ই বা জানে?

__________

বুখারেস্ট প্রাসাদের দো তলার করিডর ধরে দৌড়াচ্ছে এক সপ্তদশী কিশোরী। গায়ে জোড়ানো আকাশি রঙের গাউনটা উঁচু করে ধরে দৌড়ে সিঁড়ি বেয়ে নামতে থাকে সে। পথে একজন দাসীর সঙ্গে অসাবধান বসত ধাক্কা লেগে সে চমকে উঠে। দাসীর হাতে ছিলো ফলের পানীয়জলের গ্লাস। সে-ই কাঁচের গ্লাস সিঁড়িতে পড়তেই একদম ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায়। কিশোরী কিছু বলার পূর্বেই পিছন থেকে একটা রাগে গমগমে স্বর ভেসে আসে,

“ নাওমি! স্থির দাঁড়াও বাঁদড় মেয়ে। প্রাসাদের বাহিরে পা রাখলে আজকে তোমার পা ভেঙে হাতে ধরিয়ে দিবো আমি। “

মা স্যাফিরার হুমকি বাক্য খুব একটা মানলো না নাওমি। বরং দাঁত বের করে হেসে বললো,

“ ঈশ্বর পা দিয়েছেন জগৎটা ঘুরে দেখার জন্য। সেখানে আমি তো জগৎ নয় কেবল নিজের রাজ্যতেই ঘুরছি। আমার অধিকার হরণ করে কিন্তু তুমি অন্যায় করছো। “

মেয়ের নাটকীয় ভঙ্গিতে বলা কথায় স্যাফিরা রেগে সিঁড়ি বেয়ে নামতে নেয়। কিন্তু তার পূর্বেই নাওমি দৌড়ে সিঁড়ি বেয়ে নেমে প্রাসাদের প্রধান দরজার কাছে এগিয়ে যায়। স্যাফিরা চেঁচিয়ে উঠে,

“ নাওমি! নাওমি! উফ! “

মেয়ের এরকম উড়নচণ্ডী স্বভাবে হতাশ স্যাফিরা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে। সে যতই চেষ্টা করুক এই মেয়েকে নিয়ম কানুন দিয়ে বেধে রাখা সম্ভব হয়ে উঠে না। নিষিদ্ধ সকল কিছুর প্রতিই এই মেয়ের ঝোঁক বরাবরই বেশি। এই ঝোঁক যদি কখনো নাওমির কাল হয়ে দাঁড়ায় তা নিয়ে চিন্তিত স্যাফিরা আরো একবার দীর্ঘ শ্বাস ফেলে।

__________

প্রাসাদ থেকে বেরিয়ে বিশাল বাগানের গালিচার মাঝ দিয়ে দৌড়ে নাওমি পৌঁছে যায় ঘোড়াগারে। সেখানে কর্মরত ভৃত্যকে তার ঘোড়াটা বের করার আদেশ দিতেই ভৃত্য জানায় রাজমাতা আনাস্তাসিয়া নিষেধ করেছেন নাওমিকে কোনো ঘোড়া দিতে। নাওমি রাগে গাল ফুলায়। অযথা ভৃত্যের সঙ্গে আর জবান নাড়ায় না। এরা সবাই হুকুমের গোলাম।

ঘোড়াগাড় থেকে বেরিয়ে নাওমি ভার হয়ে থাকা মন নিয়ে বাগানের মধ্যে দিয়ে হাঁটতে থাকে। তার পরিবারের সদস্যদের একদল জালিম বলে মনে হয় তার। সর্বক্ষণ নাওমির উড়ে বেড়াতে চাওয়ার স্বাধীনতা কেড়ে নিতে মত্ত এরা। এখন আবার তার ঘোড়া ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। নাওমির মনে হচ্ছে কেউ বুঝি তার ডানাই কেটে দিলো।

মেঘ জমা মন নিয়ে নাওমি যখন প্রাসাদের দিকে পা বাড়াতে নেয় তখনই তার চোখ যায় প্রধান ফটকের পানে। ফটকের অপারে ঘোড়া নিয়ে দাঁড়িয়ে এক প্রহরীর সঙ্গে কথা বলতে ব্যস্ত যুবককে দেখেই তার ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে উঠে। সে ছুটে ফটকের দিকে।

কারো দৌড়ে আসার শব্দে ফটকের লোহার শিক গলে সামনের দিকে তাকায় সে-ই যুবক। দেখতে পায় ছুটে আসা নাওমিকে। সঙ্গে সঙ্গে সে নিজের দৃষ্টি নত করে নেয়। নাওমি ফটকের কাছে এসে দাঁড়িয়ে দ্বার রক্ষীকে উদ্দেশ্য করে বলে,

“ ফটক খুলে দাও এই মুহুর্তে। “

একজন প্রহরী কাচুমাচু করে বলে,

“ দুঃখিত প্রিন্সেস। ল্যাডি স্যাফিরা আমাদের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। আপনাকে প্রাসাদের বাহিরে যেতে দেওয়ার অনুমতি নেই। “

নাওমীর মেজাজ খারাপ হয়। সে চোখ পাকিয়ে বলে,

“ আমার মুখের উপর কথা বললে আমি তোমাদের গর্দান নিবো। “

নাওনির এমন কথা কানে ভেসে আসতেই মাথা নত করে রাখা যুবকের ঠোঁটের কোণে অদৃশ্য হাসি ফুটে উঠে। হাসার অবশ্য কারণ আছে। প্রিন্সেস এখনো ঠিকঠাক তলোয়ার অব্দি ধরতে জানে না, অথচ উনার কথায় কতটা রাগ, তেজ এবং আত্মবিশ্বাস মিশে আছে! নাওমির কথার তেজে প্রহরীরা একে অন্যের সঙ্গে চোখাচোখি করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। নাওমি এবার কিছুটা গলার স্বর উঁচু করে বলে,

“ একে অন্যের মুখ দেখছো কেন? যা বলেছি কানে যায় নি? এখুনি ফটক খুলো। “

প্রহরীরা আর কিছু বলতে পারে না, ফটক খুলে দেয়। নাওমি ফটকের বাহিরে পা রাখতেই একজন প্রহরী বলে উঠে,

“ সঙ্গে করে সৈন্য নিয়ে যান প্রিন্সেস। “

নাওমি ভাবলেশহীন ভঙ্গিতে মাথা নত করে রাখা যুবককে দেখিয়ে বলে,

“ ক্লাডিয়াস যাবে আমার সঙ্গে। আমার সুরক্ষার দায়িত্ব ওর। আমি ঠিকঠাক প্রাসাদে না ফিরলে ও দায়ী থাকবে। “

জোসেফ পুত্র ক্লাডিয়াস চমকে চোখ তুলে তাকায়। নাওমি তার চোখে চোখ রেখে বলে,

“ আমাকে বন্দরে নিয়ে চলো। অনেকদিন জাহাজ গুলো দেখি না। বাবাও নিশ্চয়ই এ-ই মুহুর্তে বন্দরেই আছে। “

ক্লাডিয়াস অপ্রস্তুত গলায় প্রশ্ন করে,

“ আপনার ঘোড়া, প্রিন্সেস? “

নাওমি ক্লাডিয়াসের ঘোড়াকে ঘুরেফিরে দেখে বলে,

“ তোমার ঘোড়া কি দুইজনের ভার বইতে পারবে না? “

“ পারবে। “

“ তাহলে তোমার সঙ্গে একই ঘোড়ায় যাবো। আমার ঘোড়ার আজ পা ব্যথা। তার দৌড়ানোর শক্তি নেই। “

বলেই নাওমি একহাতে ঘোড়ার লাগাম ধরে এবং অপর হাতে ক্লাডিয়াসের কাধে ভর দিয়ে ঘোড়ার পিঠে উঠে বসে। ক্লাডিয়াস তখনও চমকে পুরো ব্যাপারটা হজম করার চেষ্টা করছে। প্রিন্সেস নাওমির মতো নাক উঁচু মেয়ে মানুষ সামান্য প্রশিক্ষিত সেনার সঙ্গে একই ঘোড়ায় চড়বে? অদ্ভুত! অবিশ্বাস্য!

চলবে…

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ২য় পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন