ফন্ট সাইজ:
থিম:
প্রণয়তিথি

১৫তম পর্ব

লেখক: নাফিসা তাবাসসুম খান

প্রণয়তিথি

লেখনীতে : নাফিসা তাবাসসুম খান

১৫.

শীতল স্বরে ছুড়ে দেওয়া খুনের হুমকিটা নাওমির মস্তিষ্কে বিঁধলো। এতো দুঃসাহস? রোমানিয়ায় দাঁড়িয়ে এই রাজ্যের প্রিন্সেসকে হুমকি দিচ্ছে? কে এই পুরুষ? নাওমি এতক্ষণে নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে এটা কোনো আত্মা প্রেতাত্মা নয়, বরং রক্তে মাংসে গড়া মানুষ। আত্মা প্রেতাত্মারা তো বাতাসের মতো হয়, ধরা ছোঁয়ার বাহিরে। কিন্তু এই দুঃসাহসী লোকটা তার মুখটা ওই রুক্ষ বলবান হাত দিয়ে চেপে ধরে রেখেছে।

কোনো কথা বলতে না পেরে নাওমি উ জাতীয় শব্দ করে উঠলো। আত্মরক্ষার জন্য মুহূর্তেই নিজের অপর হাতে থাকা খঞ্জরটা অজ্ঞাত ব্যক্তির পেট বরাবর চালানোর চেষ্টা করে। তবে তাতে খুব একটা লাভ হয় না। উল্টো অসভ্য লোকটা নিজের অপর হাত দ্বারা নাওমির হাত হতে খঞ্জরটা ছিনিয়ে নিয়ে ধারালো খঞ্জরের প্রান্ত নাওমির গলার ছুঁই ছুঁই অবস্থায় চেপে ধরলো। মুহূর্তেই নাওমি আপন জায়গায় বরফের ন্যায় স্থির হয়ে গেলো। এক বিন্দু নড়চড় করছে না সে। সামান্য একটু এদিক-ওদিক হলেই তার গলাটা এই অসভ্যের হাতে কাঁটা পড়বে।

নাওমিকে স্থির হতে দেখে এবার আগুন্তক লোকটা হিমশীতল স্বরে বলে উঠলো,

“ মুখ থেকে হাত সরাচ্ছি। কোনো ধরনের চালাকি করার স্পর্ধা দেখাবে না, মেয়ে। আমি এই খঞ্জরটা তোমার গলায় চালাতে আগ্রহী নই। “

নাওমি কোনো শব্দ করলো না। স্থির দাঁড়িয়ে রইলো। তার মুখের উপর থেকে হাতটা ধীরে ধীরে সরে গেলো। খঞ্জরটাও সামান্য গলার নিকট হতে সরে যেতেই নাওমি হাত মুষ্টিবদ্ধ করে চকিতে পিছনে ফিরে অসভ্যের মুখ বরাবর ঘুষি বসাতে। কিন্তু তার সাহসিক চেষ্টাকে পণ্ড করে দিয়ে একটা বলিষ্ঠ হাত তার আঘাতের উদ্দেশ্যে উঁচু করা হাতকে নিজের মুষ্টিতে পুরে নিয়ে প্রতিরোধ করলো। নাওমি মুখ উঁচু করে ক্রোধিত দৃষ্টি মেলে মৃদু আলোয় লোকটার মুখপানে তাকালো।

কালো চোখের গভীর দৃষ্টির একজন সুপুরুষ দেখতে ব্যক্তি বিরক্তি মেলে দেখছে নাওমিকে। গাল জুড়ে দেখা যাচ্ছে ঘন কালো দাড়ি। পরনে তাদের দেশেরই সাধারণ পুরুষদের পোশাক, তবে জাতীয়তা ভিন্ন সে ব্যাপারে নাওমি ইতিমধ্যে নিশ্চিত। ট্রান্সেলভেনিয়ার এই গভীর জঙ্গলে এরকম একজন পুরুষের কি কাজ? অন্য রাজ্যের গুপ্তচর নয়তো?

নাওমি দৃষ্টিতে ক্রোধ এবং কণ্ঠে কাঠিন্যতা বজায় রেখে প্রশ্ন করে,

“ কে তুমি, হ্যাঁ? ট্রান্সেলভেনিয়ায় কি কাজ তোমার? এবং আমাকে ছোঁয়ার দুঃসাহস কোথায় পেলে? “

উচ্চতায় কতটুকু হবে মেয়েটা? শক্তপোক্ত পুরুষ দেহের কাধ সমান বোধহয়। কিন্তু কন্ঠে সে কি তেজ! শীতল চোখে মেয়েটাকে মাথা থেকে পা পর্যন্ত পরখ করে নেয় বিরক্তিকর দৃষ্টির মালিক। পরখ করে নেয় চমৎকার বেশভূষা। হালকা জলপাই রঙের লম্বা গাউনের কাপড়টা বেশ উন্নত মানের। গলায় ঝুলতে থাকা লকেট জাতীয় হারটাও বেশ দামী। অর্থাৎ কোনো সাধারণ ঘরের মেয়ে নয়। গমগমে পুরুষ স্বরটা আদেশের সুরে বলে উঠে,

“ নিজের পরিচয় বলো, মেয়ে। “

নাওমি ক্রোধে ফেটে পড়ে না ভেবেই উত্তর দিয়ে দেয়,

“ আমার রাজ্যে দাঁড়িয়ে আমার পরিচয় জানতে চাইছো? তুমি জানো, শুধুমাত্র আমাকে ছোঁয়ার অপরাধে তোমার এই দু-হাত কেটে জন্তুদের খাওয়ানো হতে পারে? তোমার স্পর্ধা কম নয় এখনো আমার হাত ধরে রেখেছো! “

পুরুষটার ভ্রু কুচকে এলো। সে আরো একদফা মেয়েটাকে ভালো করে পরখ করে। অতঃপর তাকায় সম্মুখে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা তুষ দূর্গের পানে। এতো রাতে একা একটা মেয়ে অহেতুক কেনো এই দূর্গে আসতে পারে? নিজ মনে কিছু একটা ভেবেই সন্দিহান স্বরটা প্রশ্ন ছুড়ে দেয়,

“ রাজ পরিবারের সদস্য তুমি? “

নাওমির ঠোঁটের কোণে যেনো অহংকারের মিহি হাসি ফুটে উঠলো। সে করুণার সুরে বলে উঠে,

“ হে মূর্খ! কাকে মৃত্যুর হুমকি দিয়েছো কোনো ধারণা আছে? আমি এই সাম্রাজ্যের প্রিন্সেস। “

মুহূর্তেই যেনো আগুন্তক পুরুষের দৃষ্টিতে ঘৃণার শিখা জ্বলে উঠলো। নাওমি সেই দৃষ্টির ভাবার্থ বুঝে উঠতে সক্ষম হলো না। উল্টো কিছু বুঝে উঠার পূর্বেই দেখলো লোকটা আবারও তার মুখ চেপে ধরে নিজের কব্জায় নিয়ে নিলো তাকে। কানে ভেসে এলো কিছু অমীমাংসিত শব্দগুচ্ছ,

“ তো তোমার শরীরে বর্বরদের রক্ত বইছে! এজন্যই তো বলি এতো তেজ, অহংকার এবং দুঃসাহস কেন তোমার মাঝে! আশা করি নি এতো দ্রুত জালিমদের একজন আমার কব্জায় চলে আসবে। “

বর্বর, জালিমের মতো শব্দ গুলো কেন ব্যবহৃত হচ্ছে ঠাওর করতে পারছে না নাওমি। তবে সে এতটুকু বুঝতে পেরেছে এ-ই লোকের উদ্দেশ্য ভালো নয়। ভয়ংকর কোনো পরিকল্পনা ঘুরে বেড়াচ্ছে শয়তানী লোকটার মাথায়। কিন্তু এই লোকের হাত থেকে বাঁচার উপায় কি? নিরস্ত্র নাওমি কি-ই বা করতে পারে এ-ই মুহূর্তে?

নাওমির ভাবনার মাঝেই লোকটা নিজের গলায় প্যাচানো কালো রঙা কাপড়টা একটানে খুলে নাওমির মুখ বেধে ফেললো। সঙ্গে সঙ্গে নাওমি হাত পা ছোড়াছুড়ি শুরু করে। লোকটা তার মুখ বেধেছে এই ব্যাপারটা তার কাছে যতটা না লোমহর্ষক, তার থেকেও বেশি বিশ্রী ব্যাপার হচ্ছে তার মুখ যে কাপড় দ্বারা বাধা হয়েছে সেটা মোটেও পরিষ্কার নয়। পরিষ্কার, পরিচ্ছন্নতায় বেড়ে উঠা নাওমি ব্যাপারটা হজম করতে পারলো না। মুখ বাধা কাপড় হতে ভেসে আসা পুরুষালি গন্ধে তার পেট গুলিয়ে আসে। রাগে সহ্য করতে না পেরে সে নিজের পা দিয়ে পিছনের লোকটার পা চেপে ধরে। কিন্তু তার পায়ের ভারে লোকটার কিছুটিই হলো না। উল্টো মেজাজের পারদটা চূড়ান্ত পর্যায় যেতেই নাওমির হাত জোড়াও চোখের পলকে কিছু একটা দিয়ে বেধে ফেলা হলো। তাকে তুলে নেওয়া হলো কাধে। আগুন্তকের কদম এগিয়ে যায় দূর্গের পানে। কথা বলতে অপারগ নাওমি তখন আতংকিত। লোকটার পরবর্তী পদক্ষেপ কি হতে পারে? কোন অসৎ উদ্দেশ্যে এরকম অসভ্যের মতো তাকে দূর্গে তুলে নিয়ে যাচ্ছে? তীব্র আতংকে ঠান্ডা আবহাওয়ার মাঝেও নাওমির কপালে লক্ষ্য করা যায় বিন্দু বিন্দু ঘাম।

__________

রাজপ্রাসাদে প্রধান সেনাপতির জন্য বরাদ্দকৃত কক্ষটায় উপস্থিত আরামদায়ক বিছানায় গা এলিয়ে শুয়ে আছে কেভ। এই কক্ষটা কাউন্টের কক্ষের বেশ কাছেই। কাউন্টের যেকোনো প্রয়োজনে সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত থাকার জন্যই প্রধান সেনাপতিকে এই কামরাটায় থাকতে দেওয়া হয়। কামরায় থাকা সকল আসবাবপত্রই একটা রাজ্যের প্রধান সেনাপতির উপাধির সঙ্গে সামঞ্জস্যতা বজায় রেখে আভিজাত্যে মোড়ানো।

আজকের দিনটা প্রবল ব্যস্ততায় কেটেছে কেভের। এক দন্ড বসারও সুযোগ মিলে নি সারাদিনে। এখন বিছানায় এভাবে গা এলিয়ে দিয়ে যেনো কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছে সে। ঘুম জোড়ানো চোখ জোড়া মেলে রেখে সে ভাবছে অন্য একটা ব্যাপার। আজ বেশ অনেকদিন ধরে লুনা ক্যামেলিয়া তার সামনে আসছে না ভুলেও। আজও কাউন্টকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে প্রাসাসে এসেছিলো। তবে এক মুহূর্তের জন্যও কেভের চোখে ধরা দেয় নি। কারণ কি হতে পারে? সেদিন কেভের বলা ওই কঠিন কথাগুলো?

কেভ সঙ্গে সঙ্গে মাথা থেকে ক্যামেলিয়াকে ঝেড়ে ফেলে দেয়। ওদিন তার বলা কথাগুলো মোটেও ভুল ছিলো না। ক্যামেলিয়ার মুখের উপর সে পাই টু পাই সত্যটাই বলেছে। মানুষ খেকো কোথাকার! ওই নেকড়েকন্যার সৌভাগ্য যে সে কাউন্টের আত্মীয়। নাহয় রাজ্যের বুকে অস্তিত্বমান এমন হিংস্র প্রাণীকে কেভ নিজ হাতে খুন করতো।

কেভের ক্রোধে ভরপুর ভাবনার মাঝেই কক্ষের দরজায় করাঘাতের শব্দ হলো। কেভ সঙ্গে সঙ্গে ভ্রু কুচকে উঠে বসে। এতো রাতে কে এলো? শার্টের বোতাম গুলো দ্রুত হাতে লাগিয়ে সে এগিয়ে গিয়ে দরজা খুলে। দরজার অপর পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তিকে দেখে সে আরো কিছুটা চমকায়।

কেভ কিঞ্চিৎ বিস্ময় নিয়ে বলে,

“ প্রিন্স আপনি? “

ম্যাথিউ নিচু স্বরে বলে,

“ কাউন্টকে এই রাতের আঁধারে বিরক্ত করতে চাই নি, তাই তোমার কাছে এলাম। “

কেভ সচেতন স্বরে প্রশ্ন করে,

“ কিছু হয়েছে? “

ম্যাথিউ এবার দুঃশ্চিন্তা মাখা স্বরে বলে,

“ নাওমি নিজের কক্ষে নেই। পুরো প্রাসাদে দাসীরা খুঁজেছে। ওকে পাওয়া যাচ্ছে না। “

কেভের কপাল কুচকে আসে। পাওয়া যাচ্ছে না মানে কি? প্রিন্সেস আবার কোথায় যাবে এই রাতের বেলায়? সঙ্গে সঙ্গে কেভের মনে প্রশ্ন জাগে, ওইদিনকার মতো ক্যামেলিয়া এই ব্যাপারে জড়িত নয় তো? প্রিন্সেসকে নিয়ে কি ওই নেকড়ে কন্যা আবারও জঙ্গলে বিপদের সঙ্গে কোলাকুলি করতে গিয়েছে?

__________

নিকষ কালো আঁধারে ডুবে আছে দূর্গের ভেতরটা। সহস্র বছরের ইতিহাসের সাক্ষী এই তুষ দূর্গ। এই দূর্গের অন্তরীক্ষেই কখনো কেউ নিজের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে, তো কেউ প্রথম কান্না দ্বারা পৃথিবীতে নিজের আগমনের সুসংবাদ জানিয়েছে। লোকমুখে শোনা যায় এককালে এই প্রাসাদে রক্তচোষাদেরও রাজ ছিল। যদিও লোকমুখে শোনা এই কথাগুলোকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গুজবের কাতারেই ফেলে অন্য রাজ্যের মানুষেরা।

ঘুটঘুটে অন্ধকার দূর্গের ভেতরে প্রতিটা কদমেই দেখা মিলছে মাকড়সার জালের। আগুন্তকের কাধের পাশটায় উল্টো হয়ে ঝুলতে থাকা নাওমি তখনও আগুন্তকের পরবর্তী পদক্ষেপ কি হতে পারে তা ভেবে ভীত। লোকটার একহাতে নাওমির নিয়ে আসা লণ্ঠনটা ঝুলছে। সেই লণ্ঠনের মৃদু আলো দিয়ে চারিপাশটা পরখ করে লোকটা তাকে নিয়ে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠছে।

নাওমি মুখ দিয়ে শব্দ করতে না পেরে কেবল বিস্মিত নয়নে দেখছে দূর্গের উচ্চতা। লোকটা কতক্ষণ ধরে সিঁড়ি বাইছে, কিন্তু এই সিঁড়ি পথ শেষ হওয়ার নামই নিচ্ছে না। আর কত উপরে নিয়ে যাওয়া হবে তাকে? দূর্গের সবথেকে উঁচু কক্ষে নিয়ে সেখান থেকে ধাক্কা মেরে তাকে ফেলে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে না-কি এই অসভ্য?

নাওমির ধারণা অর্ধেকটা বাস্তবে রূপান্তরিত হয়। লোকটা তাকে সবথেকে উঁচুতে অবস্থান করা কক্ষে এনেই ক্ষ্যান্ত হয়। কক্ষে উপস্থিত পুরনো নোংরা বিছানাটার ধারে এনেই নাওমিকে কাধ থেকে ময়লার ন্যায় বিছানায় ছুড়ে ফেলে। সঙ্গে সঙ্গে পুরনো কাঠের বিছানাটায় কেমন মটমট শব্দ হয়ে উঠে। নোংরা বিছানায় গা লাগতেই নাওমিও চোখ মুখ কুচকে ফেলে। সঙ্গে সঙ্গে বিছানা ছেড়ে নামার চেষ্টা করে সে। কিন্তু তার চেষ্টাকে পণ্ড করে দিয়ে পুরুষটা তাকে বিছানায় ঠেলে ফেলে দিয়ে তার উপর ঝুকে আসে। এক হাতে লণ্ঠনটা এমন কায়দায় ধরেছে যাতে দু'জনের মুখই স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।

নাওমি এবার কিছুটা ভীত হয়। উপলব্ধি করে রাগ এবং অহংবোধের মাথায় নিজের আসল পরিচয়টা জানিয়ে চরম একটা বোকামি করে ফেলেছে সে। এই লোকটা এখন নিশ্চয়ই অমানুষের মতো তার উপর ঝাপিয়ে পড়বে? সামনে তরুণ সুন্দরী প্রিন্সেসকে পেলে কোন পুরুষই বা অসৎ উদ্দেশ্য সাধ্যির সুযোগ হাতছাড়া করবে?

ও-ই রুক্ষ হাতটা ধীরে ধীরে তার মুখের দিকেই এগিয়ে আসছে। লোকটার দৃষ্টি কি ভয়ংকর! গা হীম হয়ে আসে নাওমির। চরম হতবুদ্ধি এবং ভীতিকর পরিস্থিতির ভার বইতে না পেরে সে নিজের জ্ঞান খুইয়ে বসে।

আচমকা মেয়েটাকে জ্ঞান হারাতে দেখে আগুন্তক পুরুষ কিছুটা অপ্রস্তুত বোধ করে। অদ্ভুৎ তো! মেয়েটা অজ্ঞান হলো কেন? লোকটা নিজের বাড়িয়ে দেওয়া হাতটা অগ্রসর করে নাওমির মাথার পাশে বিছানায় জায়গা দখল করে থাকা পোকাটাকে এক থাবায় নিজের মুষ্টিতে ভরে নেয়। অতঃপর সতর্ক দৃষ্টি মেলে একবার নাওমিকে দেখে নেয়। যখন বুঝতে পারে নাওমির এই মুহূর্তে জ্ঞান ফেরার কোনো সুযোগ নেই তখন নিজে বিছানা ছেড়ে উঠে দাঁড়ায়। হাতের পোকাটাকে দূরে ছুড়ে ফেলে বিড়বিড়িয়ে বলে উঠে,

“ রোমানিয়ান প্রিন্সেসের জ্ঞান হারানোর পিছনে কারণ কি? আতংক? নাকি যুবরাজ বেহজাদের নজরকাড়া রূপ? “

চলবে…

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১৫তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন