ফন্ট সাইজ:
থিম:
প্রণয়তিথি

১৬তম পর্ব

লেখক: নাফিসা তাবাসসুম খান

প্রণয়তিথি

লেখনীতে : নাফিসা তাবাসসুম খান

১৬.

সমুদ্র তীরে একটা লম্বা একাকী কাটিয়ে সবেমাত্র প্রাসাদে ফিরেছে কাউন্ট ইয়ান। ঘোড়াটাকে এক প্রহরীর আওতায় বুঝিয়ে দিয়ে সে গায়ের ক্লক খুলতে খুলতে প্রাসাদের ভেতর প্রবল করে। কিন্তু প্রাসাদের ভেতর কদম রাখতেই সে চমকায়। বিশাল হলরুমে দাঁড়িয়ে রাজমাতা আনাস্তাসিয়া। আনাস্তাসিয়ার সঙ্গেই চিন্তিত মুখে দাঁড়িয়ে লেডি স্যাফিরা। রাতের এই শেষ প্রহরে মানুষ গুলো না ঘুমিয়ে জেগে আছে কেন?

মস্তিষ্কে উঁকি দেওয়া প্রশ্নটা করার পূর্বেই কাউন্ট ইয়ানকে নিজের মায়ের প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হলো,

“ কোথায় ছিলে জানতে পারি? “

মা'য়ের এরকম কঠিন স্বর শুনে ইয়ান কিছুটা অবাক হয়। তার মা সাধারণত তার সঙ্গে এতটা রূঢ় স্বরে কথা বলে না। তাহলে আজ কি হলো? মনের প্রশ্নগুলোকে আপাতত মনে চেপে গিয়ে ইয়ান আশেপাশে তাকায়। উপস্থিত ভৃত্যদের দিকে একবার নজর বুলাতেই সকলে বুঝে নেয় কাউন্টের ইশারা। মুহূর্তেই তারা কাউন্টকে নিজ পরিবারের সঙ্গে একান্ত ছেড়ে দিয়ে হলরুম থেকে প্রস্থান করে। ইয়ান এবার সরাসরি মা'য়ের দিকে তাকিয়ে জবাব দেয়,

“ মুক্ত বাতাসের অভাববোধ করছিলাম। তাই প্রাসাদ থেকে ছদ্মবেশে বের হয়েছিলান। ঘোড়া নিয়ে কিছুটা ঘুরে চলে এসেছি। “

আনাস্তাসিয়া এবার প্রশ্ন করে,

“ মুক্ত বাতাস খুঁজতে ট্রান্সেলভেনিয়ায় গিয়েছিলে? “

ইয়ান অবাক হয় না। সে লুকায়ও না ব্যাপারটা। বরং সত্যি স্বীকার করে বলে,

“ হ্যাঁ। “

আনাস্তাসিয়া স্বাভাবিক গলায় বলে,

“ বাহ! “

ইয়ান এবার প্রশ্ন করে,

“ তোমরা জেগে আছো কেন? কিছু হয়েছে? লেডি স্যাফিরা, আপনাকে চিন্তিত দেখাচ্ছে। “

স্যাফিরার কিছু বলতে হয়। আনাস্তাসিয়া নিজেই থমথমে স্বরে বলে,

“ চিন্তিত হওয়ার কি কথা নয় আমাদের? ছেলে মেয়েরা বড়ো হয়েছে। না জানিয়ে তারা এখন যখন তখন নিজের খেয়াল খুশিমতো যেখানে সেখানে চলে যায়। “

ইয়ান ভ্রু কুচকে প্রশ্ন করে,

“ আপনারা কি আমার জন্য চিন্তা করছিলে? “

স্যাফিরা এবার নীরবতা ভেঙে বলে উঠে,

“ নাওমিকে প্রাসাদে পাওয়া যাচ্ছে না। তোমাকে ব্যাপারটা জানাতে গিয়ে আমরা টের পাই তুমিও প্রাসাদে নেই। আমরা ভেবেছিলাম নাওমি বোধহয় তোমার সাথে আছে। “

ইয়ান বিস্মিত স্বরে বলে,

“ কি বলছেন? নাওমি তো আমার সাথে ছিলো না। কোথায় যেতে পারে ও? “

আনাস্তাসিয়া থমথমে স্বরে জানায়,

“ এক প্রহরী জানিয়েছে তুমি প্রাসাদ থেকে বের হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই নাওমিও ঘোড়া নিয়ে বের হয়। নিরাপত্তার জন্য সৈন্য সঙ্গে যেতে চাইলে ও তাতে আপত্তি জানায়। একাই বেরিয়ে যায় প্রাসাদ থেকে। “

ইয়ান বাকরুদ্ধ বনে যায়। মনে মনে নাওমির প্রতি তীব্র ক্ষুদ্ধ বোধ করে সে। সবসময় নিজের মর্জি চালানোর বদভ্যাসটা কবে যাবে এই মেয়ের? শৃঙ্খলা ভেঙে রাতের আঁধারে একা কোথায় যেতে পারে তার বোন? ইয়ান এই প্রশ্নের কোনো সুস্পষ্ট জবাব খুঁজে পায় না।

__________

নিস্তব্ধ কামরায় গভীর ঘুমে তলিয়ে ক্যামেলিয়া। গায়ে জড়ানো পাতলা ফিনফিনে সাদা রঙের লম্বা ফ্রকটা হাঁটুর নিচ অব্দি লম্বা। নিজের মায়ের মনুষ্য সত্তার দরুন তার মাঝে মানুষেরও বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য আছে। এর মধ্যে অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো সাধারণ মানুষের মতো নিদ্রাভ্যাস। কিন্তু ক্যামেলিয়ার এই গভীর ঘুম হুট করে ছুটে যায় কানের কাছে কারো ডাকাডাকিতে।

পিটপিট করে চোখ মেলে তাকাতেই ক্যামেলিয়া দেখতে পায় বিছানার ধারে ক্রিনা দাঁড়িয়ে। নিচু স্বরে তাকে ডেকে চলেছে। ক্যামেলিয়া কপাল কুচকে উঠে বসে। চোখ কচলে সে প্রশ্ন করে,

“ কি হয়েছে ক্রিনা? এই মাঝরাতে কি এমন হয়েছে যে আমার ঘুম ভাঙিয়ে দিলে? পাশের রাজ্য কি যুদ্ধ ঘোষণা করেছে নাকি? দেখো, ইয়ানের হয়ে এসব মানুষদের সঙ্গে যুদ্ধ করতে আগ্রহী নই আমি। বাঘ, সিংহ, এনাকোন্ডার সঙ্গে যুদ্ধ করার প্রয়োজন হলে ডাক দিও। “

ক্রিনা ক্যামেলিয়ার উন্মুক্ত হাতের বাহু ঢাকার জন্য একটা আবরণী পোশাক হাতে নিতে নিতে জবাব দেয়,

“ আপনার সঙ্গে একজন দেখা করতে এসেছে। “

ক্যামেলিয়া ভ্রু কুচকে তাকায়। রাতের এই প্রহরে তার সঙ্গে দেখা করতে আবার কে আসবে? ইয়ান নয়তো? ছেলেটা কি মাহশার চলে যাওয়ার শোকে শোকাহত? কিন্তু তার ভাইকে তো দেখে বুঝা যায় না যে কোনো রমণীর জন্য আদৌ তার কলিজা আঙ্গার হওয়া সম্ভব!

তৈরী হয়ে নিজের কক্ষ থেকে বের হয়ে প্রাসাসের হলরুমে পৌঁছাতেই ক্যামেলিয়া অবাক হয়। তার ভাই আসে নি, বরং ভাইয়ের পালিত গাধাটা এসেছে। কিন্তু প্রধান সেনাপতি হঠাৎ তার সঙ্গে দেখা করতে এলো কেন? প্রাসাদে কি কিছু হয়েছে? ক্যামেলিয়া লক্ষ্য করে হলরুমে তার বাবা সহ আরো বেশ কিছু নেকড়ে মানব উপস্থিত আছে। আরোণ মেয়ের উপস্থিতি টের পেতেই এবার প্রধান সেনাপতি কেভকে প্রশ্ন করে,

“ এতো রাতে আশা করছি কোনো দুঃসংবাদের বার্তা নিয়ে আসো নি। “

কেভ সরাসরি ক্যামেলিয়ার চোখে চোখ রেখে বলে উঠে,

“ প্রিন্সেস নাওমি লাপাত্তা। প্রাসাদ থেকে রাতের আঁধারে ঘোড়া নিয়ে বের হয়েছেন তিনি। কিন্তু বেরিয়ে কোথায় গিয়েছে তা কারো জানা নেই। আমি নিশ্চিত হতে এলাম উনি এখানে এসেছেন কি-না। আপনারা উনার হদিস জানেন? “

আলফা আরোণ রদ্রিগেজ অবাক হয়। বিস্মিত স্বরে জবাব দেয়,

“ প্রিন্সেস তো এখানে আসে নি। “

কেভ আরোণের উত্তর উপেক্ষা করে ক্যামেলিয়ার চোখে চোখ রেখে প্রশ্ন করে,

“ আপনি কিছু জানেন? “

নাওমির লাপাত্তা হওয়ার খবরে ক্যামেলিয়া ইতিমধ্যে হতবাক হয়ে আছে। তার উপর কেভের এরকম সন্দিহান গলায় করা ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন তাকে আরো অবাক করে দেয়। সে চোখ সরু করে প্রশ্ন করে,

“ আমার কি এ-ই ব্যাপারে কিছু জানার কথা ছিল? “

কেভ দুঃসাহস দেখিয়ে বলে বসে,

“ গতবার প্রিন্সেসকে অনুমতি বিহীন জঙ্গলে নিয়ে যাওয়ার পিছনে আপনার হাত ছিল। তাই সাধারণ ভাবেই আমার সন্দেহের তালিকায় আপনি সবার উপরে অবস্থান করছেন। এজন্য আপনাকে প্রশ্ন করছি। “

আরোণের চোখে রাগের লেশ ফুটে উঠে। সে স্বাভাবিক স্বরে হুশিয়ারি করে,

“ প্রধান সেনাপতি কেভ! নিজের দায়িত্ব পালন করো, কিন্তু সীমা লঙ্ঘন করবে না। আমার সামনে দাঁড়িয়ে আমার মেয়ের উপরই প্রশ্ন তুলার স্পর্ধা দেখিও না। “

কেভ আরোণের হুশিয়ারিকে থোড়াই কেয়ার করে ক্যামেলিয়াকে উদ্দেশ্য করে বলে উঠে,

“ প্রিন্সেস নাওমির গুম হওয়ার সঙ্গে কি আপনার কোনো সম্পৃক্ততা আছে? “

আরোণ এবার রেগে কেভের দিকে এগিয়ে যেতে নিলেই ক্যামেলিয়া শান্ত স্বরে বলে,

“ থামো বাবা। সেনাপতিকে নিজের জিজ্ঞাসাবাদ করার সুযোগ দাও। এ-ই মুহূর্তে নাওমিকে খুঁজে পাওয়াটা বেশি জরুরী। “

ক্যামেলিয়ার কথা শুনে আরোণ থেমে যায়। সংক্ষিপ্ত কথাটুকু বলার পুরোটা সময় ক্যামেলিয়া কেভকে দেখছিলো। বিপরীত মানুষের দৃষ্টিতে নিজের জন্য ঘৃণাটুকু উপলব্ধি করতেই সে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে।

__________

তুষ দূর্গের বুকে আজ বহু বছর পরে কোনো মানুষের পদধূলি পড়েছে। দূর্গের প্রধান ফটকের মুখে দাঁড়িয়ে জেইলান বিস্ময় নিয়ে নিজের পাশে দাঁড়ানো আব্দুলের দিকে তাকায়। প্রশ্ন করে,

“ এটাই সে-ই তূষ দূর্গ? “

আব্দুল মাথা নেড়ে বলে,

“ জি রাজকুমারী। এতে বড়ো জঙ্গুলে শহরে এই দূর্গ খুঁজে বের করা বেশ কঠিন কাজ ছিলো। কিন্তু আল্লাহর মেহেরবানিতে আমি সক্ষম হয়েছি। “

জেইলান সচেতন দৃষ্টিতে পরখ করে দূর্গটাকে। লোকমুখে সে শুনেছে এ-ই দূর্গেই নাকি রক্তচোষা ভয়ংকর পিচাশদের অস্তিত্ব ছিল। লোকমুখে শোনা কথাকে অবশ্য জেইলান বিশ্বাস করে না। সে আব্দুলকে প্রশ্ন করে,

“ তুমি বলেছ আমি এখানে এসে খুব অবাক হবো। কিন্তু এই দূর্গে অবাক হওয়ার মতো কিছু এখনো আমার চোখে পড়ে নি। ইতিহাসের বানোয়াট রক্তচোষারা জীবিত হয়ে আমাকে অবাক করে দিবে না তো? “

আব্দুল কিছুটা হেসে বলে,

“ না। সেরকম কিছু নয়। ভেতরে চলুন, আপনি সত্যিই অবাক হবেন। “

বলেই আব্দুল প্রধান ফটক খুলে দেয়। মড়মড়ে শব্দ করে লোহার ফটকটা সঙ্গে সঙ্গে খুলে যায়। জং ধরা লোহার ফটকের শব্দে সঙ্গে সঙ্গে কিছু বাদুড় মাথার উপর দিয়ে উড়ে যায়। জেইলান প্রথমে চমকালেও মুহূর্তেই নিজেকে সামলে নেয়। প্রবেশ করে ফটকের ভিতরে।

দূর্গের বিশাল কাঠের দরজার দু'পাশ খুলে যেতেই উন্মুক্ত হয় দূর্গের ভেতরটা। দরজা খুলতেই সর্বপ্রথম জেইলানের চোখে পড়ে একটা লম্বা করিডর। কিন্তু এ কি? এই জনমানবশূন্য দূর্গের ভেতরে করিডরের দেয়াল সংলগ্ন মশালে আগুন জ্বলছে কি করে? আব্দুল কি জ্বালিয়ে রেখে গিয়েছিল? মনে কৌতূহল চেপে জেইলান করিডর ধরে এগিয়ে যেতে থাকে। তার পিছু পিছু একনিষ্ঠ ভৃত্যের ন্যায় এগিয়ে আসছে আব্দুল।

করিডর পেরিয়ে একটা হলরুমের ন্যায় জায়গায় আসতেই জেইলানের পা জোড়া আপনাআপনি থমকে যায়। হলরুমের মাঝখানটায় এক হাঁটু গেড়ে বসে কিছু গাছের ডালপালা ধারালো খঞ্জর দিয়ে ছাটাই করতে ব্যস্ত এক পুরুষ। যদিও উল্টো দিকে মুখ ফিরিয়ে রাখায় জেইলান লোকটার মুখ স্পষ্ট দেখতে পারছে না। কিন্তু তবুও তার মানুষটাকে চিনতে সামান্যতম অসুবিধা হয় নি। সে অস্ফুটে বলে উঠে,

“ ভাই! “

সঙ্গে সঙ্গে বেহজাদের হাত থেমে যায়। সে দ্রুত ভঙ্গিতে পিছু ফিরে তাকায়। হাতে থাকা খঞ্জর এবং গাছের ডালপালা ফেলে দিয়ে সে উঠে দাঁড়ায়। এতো দিন পর আদরের বোনকে অক্ষত নিজের সামনে দেখে তার ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে উঠে। জেইলানের দৃষ্টিতে তখন অবিশ্বাস্যের ছায়া। সে বিশ্বাস করতে পারছে না তার ভাই সমুদ্র পাড়ি দিয়ে রোমানিয়ায় এসেছে। এতদিন পর পরিবারের আপন কারো দেখা পেয়ে জেইলান আপ্লুত হলো। দৌড়ে গিয়ে জড়িয়ে ধরলো নিজের ভাইকে। বেহজাদ হেসে বোনকে বুকের সাথে মিশিয়ে নিয়ে উচ্চারণ করে,

“ আলহামদুলিল্লাহ! আল্লাহ তোমাকে নিরাপদ রেখেছে। পুরোটা পথ তোমার কথা ভেবে দুশ্চিন্তায় সময় কেটেছে আমার। “

জেইলান কোনো মতে উচ্চারণ করে,

“ আমার বিশ্বাস হচ্ছে না আপনি আমার সামনে ভাই! “

আব্দুল মৃদু হেসে বলে,

“ আপনাকে বলেছিলাম রাজকুমারী, আপনি এখানে এসে অবাক হবেন। “

জেইলান মাথা তুলে বেহজাদের দিকে তাকিয়ে বলে,

“ এসব আপনাদের পূর্বপরিকল্পিত ছিল? “

বেহজাদ বলে,

“ হ্যাঁ। রোমানিয়ায় আসার পর ভাগ্যক্রমে বন্দরে আব্দুলের সঙ্গে দেখা হয়ে যায় আমার। ও জানায় ও তোমার খোঁজ জানে। “

জেইলান নিজের খুশিটুকু চেপে গিয়ে এবার কিছুটা চিন্তিত স্বরে বলে,

“ কিন্তু ভাই আপনি এখানে কেন এলেন? আমার সাহায্যের জন্য আব্দুলকে পাঠিয়েছেন সেজন্য আমি কৃতজ্ঞ। কিন্তু নিজের জীবন হুমকিতে ফেলে ঠিক করেন নি আপনি। আপনার স্থান শত্রুদের ঘাটিতে নয়, বরং বাবার পাশে। রাজ্যের ভবিষ্যৎ আপনি। “

বেহজাদ ছোট বোনের দিকে মৃদু চোখ গরম করে বলে উঠে,

“ বাদশাহ এবং বাদশাহ বেগমের ন্যায় বুলি আওড়াবে না জেইলান। আমার ভালোটা আমি বেশ ভালোই বুঝি। দুশ্চিন্তা করা বন্ধ করো। আমরা খুব শীঘ্রই নিজেদের উদ্দেশ্য পরিপূর্ণ করে নিজেদের রাজ্যে ফিরে যাবো। এই লড়াইয়ে এখন তুমি একা নও, আমিও আছি তোমার সঙ্গে। “

“ কিন্তু ভাই… “

“ কোনো কিন্তু নয়। আমার উপর বিশ্বাস রাখো। অতি শীঘ্রই এই প্রতিশোধের শেষ অধ্যায় সমাপ্ত হবে। আলবার্টরা এখন আমাদের হাতের পুতুল। ওদের প্রাণভোমরা এখন আমার জিম্মায়। “

বেহজাদের কথার অর্থ বুঝতে না পেরে জেইলান এবং আব্দুল প্রশ্নবোধক চাহনি মেলে তাকিয়ে থাকে। বেহজাদ তাদের মনে জমা হওয়া প্রশ্ন বুঝতে পারে। সে রহস্যময় ভঙ্গিতে হেসে বলে উঠে,

“ আলবার্টদের সদস্য, কাউন্ট ইয়ান আলবার্টের বোন এবং নৌ বাহিনীর প্রধান ম্যাথিউর মেয়ে প্রিন্সেস নাওমি এখন আমার কাছে বন্দী। “

জেইলান ভাইয়ের বলা কথা শুনে বাকরুদ্ধ বনে গেলো। প্রিন্সেস নাওমিকে তার ভাই বন্দী করেছে? কখন, কোথায় এবং কিভাবে?

চলবে…

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১৬তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন