#মনের_রঙে_তুমি
#লেখনীতে:সুমনা সাথী
[২০]
ঘড়ির কাঁটা তখন সকাল দশটার ঘরে। আরিফা বেগমের ডাকেই পিটপিট করে চোখ মেলল নুহা। দু-একবার ডাকার পরও তিনি ঘরে ঢোকেননি। নুহাকে নিচে নামতে বলেই চলে গিয়েছেন। ঘুমচোখে ধীরে উঠে বসতেই হঠাৎ বুকটা ধক করে উঠল নুহার। বিস্মিত দৃষ্টিতে চারপাশে তাকিয়ে নিজেকে খাটে আবিষ্কার করল নুহা। মনে পড়ল তার খাটে থাকার কথায় না। তাহলে এখানে এল কীভাবে? চোখ ছুটল চারদিকে। আহির কোথাও নেই। দেয়ালে ঝোলানো ঘড়ির কাঁটায় দৃষ্টি পড়তেই বুঝল এই সময় আহির ঘরে থাকবে এমন আশা করাও ভুল।
নুহার চোখ হঠাৎ গিয়ে থামল সোফার উপর। বুকের ভেতর জমে থাকা হালকা ভালোলাগা মুহূর্তেই বিষণ্নতায় ঢেকে গেল। সোফার একপাশে পড়ে আছে মাথার বালিশ। মানে রাতটা সেখানে কেটেছে আহিরের। নুহার অন্তরে গুঞ্জন তুলল অভিমানী কণ্ঠ ‘আহির কি সত্যিই আমাকে মেনে নিতে পারছে না? আমার সাথে থাকতে তার এতটাই কষ্ট?’চোখ দুটো জ্বলছে নুহার। পানি টলমল করে উঠলো। অভিমান ভেতরে ভেতরে জেদে পরিণত হলো। ঠোঁট কামড়ে ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াল নুহা।
ধীর পায়ে নিচে নেমে এসে সোফায় বসল। মনটা পাথরের মতো ভার হয়ে আছে। অদ্ভুত এক বিষণ্নতায় ডুবে যাচ্ছে। নুহা দরজার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে অপেক্ষা করতে লাগল আহিরের জন্য। জানে এখন সে ফিরবে না। মনে মনে ঠিক করলো আজকে আহিরের সাথে সরাসরি কথা বলতেই হবে। ‘এই লোকটা ভেবেছে আসলে কী! সারাজীবন কি এভাবে এড়িয়ে যাবে? সমস্যা থাকলে বলুক। ঝগড়া করুক। চিৎকার করুক। কিন্তু এভাবে মুখে তালা এটে বসে থাকার মানে কী? আজ কথা বলতেই হবে। নয়তো আমি এই বাড়ি ছেড়ে চলে যাব। এইভাবে তো চলতে পারেনা। তারপর যা ইচ্ছে করুক সে।’ তার ফিসফিস করে বলা কথাগুলো কানে পৌঁছে গেল আরিফা বেগমের। তিনি পাশে এসে বসে হালকা কপাল কুঁচকে বললেন,
' এসব কী ভাবছো নুহা? মাথা খারাপ হয়ে গেছে নাকি? একেবারেই উল্টোপাল্টা কথা ভেবো না। বরং চেষ্টা করো কীভাবে বরের মন জেতা যায়। চেষ্টা তো তোমার দিক থেকে করছই না। তোমাকে তো বুদ্ধিমতি ভেবেছিলাম।'
গম্ভীর চোখে তাকাল নুহা। ঠোঁটের কোণে কষ্ট মাখা হাসি টেনে বলল,
' আন্টি... থুক্কু আম্মু আমাকে কিছু আইডিয়া দেন না। আপনার ছেলের উপর আমার মেজাজ ভয়ংকর খারাপ হয়ে যাচ্ছে। কোনোভাবেই মুখ খুলতে চায় না। মনে হয় যেন আমার সাথে যদি একটা কথা বলে তবে পৃথিবীটাই উল্টে যাবে। আমার সাথে থাকতে আপনার ছেলের ভীষণ কষ্ট হচ্ছে। বুঝতে পারছি আমি। তো আমি কেন জোর করে থাকবো। বুঝলাম না আমাকে বিয়ে করে দয়া করতে কে বলেছিল ও মহান লোককে।'
আরিফা বেগম হেসে ফেললেন। আমতা আমতা করে বললেন,
' দেখো আমি শাশুড়ি হয়ে তোমাকে আবার কী টিপস দেব বলো তো! এসব কি আমার কাজ নাকি?
নুহা কৌতুকভরা ভঙ্গিতে তার পাশ ঘেঁসে বসল। গলায় মিষ্টি অনুনয়ের সুরে বলল,
' আরে কেন পারবেন না! আচ্ছা বলেন তো আপনার কি কখনো আঙ্কেলের সাথে ঝগড়া হয়নি? তখন কী করতেন? আমাকে আপনার বান্ধবী ভেবে বলুন।'
মৃদু হাসি ফুটে উঠল আরিফা বেগমের ঠোঁটে। মাথা নেড়ে বললেন,
' আমাদের তো প্রেমের বিয়ে। প্রপোজও উনারই করা। বিয়ে করার তাড়াও উনারই ছিলো। বিয়ের পর মনমালিন্য হলে আমি জেদ করে বসে থাকতাম আর তার কাজ ছিলো রাগ ভাঙানো। তবে কখনো যদি উনি খুব বেশি রাগ করতেন আমি চুপচাপ উনার পছন্দের খাবার রান্না করতাম। খেতে উনি ভীষণ ভালোবাসেন।'
নুহা হতাশ মুখে দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল,
' এইখানেই তো আমি ফেল! আমি তো রান্নাই জানি না। আচ্ছা আম্মু আমাদের বিয়েটা কোন ক্যাটাগরিতে পড়লো বলেন তো? প্রেমের না অ্যারেঞ্জের? যদিও অ্যারেঞ্জ কিন্তু আপনার ছেলেই করেছে!প্রথমে বাধ্য করলো বিয়ে করতে আর এখন। আজব লোক একটা। আমি তার সাথে তার ঘরে থাকছি। তার বউ অথচ আমার দিকে ফিরে ও দেখে না৷ আমি এই কয়েকদিনে এত বাজে দেখতে হয়েগেছি?'
আরিফা বেগম আবারও হেসে ফেললেন। নুহা ঠোঁট ফুলিয়ে গম্ভীর ভঙ্গিতে বলল,
' আর আঙ্কেল এত সুইট হলে আপনার ছেলে এমন জাঁদরেল হলো কী করে? আপনি সিউর তো এটা আপনার ছেলে? মানে... হাসপাতাল থেকে ভুলবশত অন্য কারও সঙ্গে বদলে যায়নি তো?'
ঠিক তখনই কলিং বেলের শব্দ হলো। নুহা নিজেই উঠে গিয়ে দরজা খুলল। দরজা খুলতেই ঝাঁপিয়ে পড়ে তাকে জড়িয়ে ধরল আরোযা। নুহা হকচকিয়ে গিয়ে তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে মুখ ভার করে বলল,
' কে আপনি? আমি তো আপনাকে চিনলাম না!'
আরোযা হেসে নুহার গাল টেনে আদুরে ভঙ্গিতে বলল,
' সরি সোনা।রাগ করিস না। তুই জানিস আমি দেশে ছিলাম না। তোর ফোনেও কোনো খোঁজ পাইনি। আমি কী করতাম বল তো? বাড়ি এসে শুনলাম তোর বিয়ের কার্ড এসেছিল বাড়িতে। প্রথমে চমকে গেছিলাম যদিও জানতাম তোর বিয়ে ঠিক হয়েছে। তারপর তোকে ফোনে না পেয়ে তোর ভাইকে ফোন করি। উনি বললেন তুই ঢাকায় আছিস। তারপর পুরো ঘটনা খুলে বললেন। আমি তো শুনে তিন ঘণ্টার মতো থম মেরে বসেছিলাম।'
আরিফা বেগম কৌতূহলী চোখে সামনে এগিয়ে এসে বললেন,
আরোযা, তুমি? নুহাকে চিনো তুমি? এসো ভেতরে এসে বসে কথা বলো।
আরোযা আর নুহা মিলে আগের সমস্ত ঘটনা শেয়ার করল আরিফা বেগমের সঙ্গে। তিনজন মিলে গল্প-গুজব আর হাসাহাসিতে ঘরটা মুহূর্তে প্রাণবন্ত হয়ে উঠল। ঠিক তখনই দরজার কলিং বেল আবারও বেজে উঠল।আরিফা বেগম উঠে দরজা খুলতে গেলেন। নুহা তখনো বলে চলেছে,
' আপনার সভ্যতার বেশে ঘুরে বেড়ানো ছেলে আসলে অতটাও ভালো না। অনেক চালাক একটা লোক।আর এখন তো আমাকে দেখলেই রাক্ষসের মতো করে...'
কথাটা শেষ করার আগেই আরোযা হঠাৎ ইশারা করে থামতে বলল। বিভ্রান্ত চোখে নুহা সামনের দিকে তাকাতেই বুকটা কেঁপে উঠল। দরজার কাছে দাঁড়িয়ে আছে আহির। অজান্তেই শুকনো একটা ঢোক গিলল সে। কে জানে কতটুকু শুনে ফেলেছে আহির! তবু দ্রুত নিজেকে সামলে নিল নুহা। মুখটা শক্ত করে গম্ভীর ভঙ্গিতে সোফায় বসে রইল। যেন কিছুই হয়নি। এই সময় আহির বাসায় ফিরল কেন? সেটাই ভাবতে লাগলো।
আহিরকে হঠাৎ ফিরে আসতে দেখে আরিফা বেগম বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন,
' তুই এই সময় বাসায় আসলি যে! আমি তোকে ফোন করতেই যাচ্ছিলাম।'
বলেই কেমন যেন কণ্ঠটা ভিজে এলো তার। চোখের কোণে জমে উঠল অশ্রু। কাঁদো কাঁদো মুখে আহিরের দিকে তাকালেন।নুহা অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল। আরিফা বেগমের এই হঠাৎ পরিবর্তনের কারণ কিছুতেই তার মাথায় ঢুকল না। আহির একটু সময় নিয়ে বলল,
' ওই আমি চাকরিটা ছেড়ে দিয়েছি। কিন্তু তুমি আমাকে ফোন করতে যাচ্ছিলে কেন?'
আরিফা বেগম দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন,
' তোর নানু হঠাৎ ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়েছে। অবস্থা নাকি বেশ খারাপ। আমাকে তাড়াতাড়ি যেতে বলেছে। কিন্তু ভেবে কুল পাচ্ছিলাম না নুহাকে একা রেখে কীভাবে যাব! তুই যেহেতু চলে এসেছিস আমার আর চিন্তা নেই। ঘরে যা। ফ্রেশ হয়ে নে। আর চাকরিটা ছেড়ে দিয়ে ভালোই করেছিস তোকে দিয়ে এসব চাকরি সম্ভব না।'
নুহা এবং আরোযা বিস্মিত চোখে আরিফা বেগমের দিকে তাকাল। কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই তিনি দুষ্টু ভঙ্গিতে চোখ টিপে দিলেন। তারপর আহিরের উদ্দেশ্যে বললেন,
' আমি আরোশকে স্কুল থেকে নিয়ে যাব। তোর বাবাকেও ফোনে জানিয়ে দেব। সোজা ওখানে চলে যাবে। তুই বাড়িতে নুহার সাথে থাক। ওর খেয়াল রাখবি।'
আহির গম্ভীর মুখে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে বলল,
' দেখো আম্মু যারা অবুঝ বা বাচ্চা তাদের খেয়াল রাখা হয়। আমি তো এখানে তেমন কাউকে দেখছি না।'
আরিফা একটু বিচলিত হয়ে বললেন,
' নুহা অসুস্থ, আহির। তুই আমাকে কথা দে ওর খেয়াল রাখবি। নয়তো আমি শান্তিতে থাকতে পারব না। এমনিতে তোর নানু অসুস্থ এত টেনশনে আমার অবস্থাই খারাপ হয়ে আসছে। মনে হচ্ছে পেশার ফেল করবে।'
কিছুক্ষণ চুপ করে রইল আহির। তারপর ধীর কণ্ঠে বলল,
' ঠিক আছে। তুমি সাবধানে যাও।'
কথা শেষ করেই আহির কোনো দিকে না তাকিয়ে সোজা সিঁড়ির দিকে চলে গেল। আরিফা বেগম দীর্ঘশ্বাস ফেলে ধীরে ধীরে বসে পড়লেন। নুহা কাছে এগিয়ে এসে উৎকণ্ঠিত কণ্ঠে বলল,
'এসব আবার কী ছিলো আম্মু? নানু কি সত্যিই অসুস্থ? কিছুই তো বললেন না আমাকে।
আরিফা বেগম এক ঝটকা হেসে আবার দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।
' বোকা মেয়ে সবই করলাম তোমার জন্য। যাতে তোমাকে আহিরের সাথে একা রেখে যেতে পারি। শোনো আমি তোমাদের বাড়িতে একা রেখে যাচ্ছি। মারামারি করো, ঝগড়া করো, কাটাকাটি করো সবই করো। তবে আমি ফিরে এসে যেন কোনো ঝামেলা না দেখি। এই সুযোগ কাজে লাগাও। আমি বরং তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে বেরিয়ে যাই নাহলে আহির সন্দেহ করবে।এ আল্লাহ আমার আব্বার যেন সত্যি আবার কিছু না হয়।'
এই বলে তিনি উঠে গেলেন নিজের ঘরের দিকে।এদিকে আরোযা এতক্ষণ ধরে হাসি চেপে রাখতে রাখতে অবশেষে কুঁজো হয়ে গেল হাসতে হাসতে।বলল,
' তোর ভাগ্য ভালো রে নুহা যে আন্টি তোর শাশুড়ি।'
নুহা বিরক্ত চোখ রাঙালো,
'চুপ কর তুই। '
আরোযা গম্ভীর ভঙ্গি করে বলল,
'আচ্ছা শোন আমি এখন যাই। তুই কিন্তু এই সুযোগটা কাজে লাগা। যেভাবেই হোক আহিরের সাথে কথা বলার চেষ্টা কর। কোনো হেল্প দরকার হলে অবশ্যই বলবি।'
নুহা দীর্ঘশ্বাস ফেলে নিস্তেজ কণ্ঠে বলল,
'এই সবকিছুর জন্য কিন্তু কিছুটা দায়ী তুইও আরোযা।আচ্ছা... সাবধানে যাস।'
__________
আরিফা বেগম বেরিয়ে গেছেন কিছুক্ষণ আগে। ঘরে নেমে এসেছে এক অদ্ভুত নীরবতা। নুহা সোফায় গম্ভীর মুখে বসে আছে। দৃষ্টি স্থির। ভেতরে চলতে থাকা চিন্তার ঢেউ যেন তাকে কোথাও টেনে নিয়ে যাচ্ছে। আহির আঁড়চোখে একবার তাকাল নুহার দিকে। তারপর কিছু না বলে রান্নাঘরের দিকে পা বাড়াল। কফি বানানোর কাজে মন দিল সে। নুহা বিষয়টা খেয়াল করে ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াল। নিঃশব্দে রান্নাঘরে গিয়ে ঢুকল।চুলায় পানি বসিয়ে দিয়েছিল আহির। সে মনোযোগ দিয়ে মগ প্রস্তুত করছে। নুহা পাশে গিয়ে গ্যাসের অন্য চুলায় আরও একটি পাতিল বসিয়ে চা বানানো শুরু করল। হঠাৎ আহির চিনির বোয়ামের দিকে হাত বাড়াতেই নুহা খপ করে সেটি নিজের হাতে তুলে নিল। আহির কিছু বলল না। চিনি ছাড়াই কফি তুলে নিয়ে চলে যেতে উদ্যত, ঠিক তখনই পেছন থেকে একটা শব্দ হলো।
আহির ঘুরে তাকাতেই দেখল নুহা মেঝেতে পড়ে গেছে। তার হাত থেকে কফির মগ ছিটকে মাটিতে পড়ল। এক মুহূর্ত দেরি না করে ছুটে গেল আহির। ঝুঁকে পড়ল নুহার পাশে। নুহাকে চেক করলো। ব্যাকুল চোখে খুঁজে ফিরল সাড়া। তারপর কোলে তুলে এনে সোফায় শুইয়ে দিল। ব্যস্ত হাতে পানির ছিটা দিল মুখে। তবু নুহার চোখ কিছুতেই খুলল না। আহিরের বুকের ভেতর অস্থিরতার ঝড় বয়ে গেল। অজান্তেই নুহার মাথাটা নিজের বুকে টেনে নিয়ে মুখের দুপাশে দুই হাত দিয়ে ডাকতে লাগল বারবার,
' নু... নুহা! শুনতে পাচ্ছো? চোখ খোলো, নুহা!'
আহিরের কণ্ঠ ভেঙে এলো আতঙ্কে। ডাকতে ডাকতে গলা রুদ্ধ হয়ে আসচ্ছে। নুহা ধীরে চোখ মেলল। প্রথমেই চোখে পড়ল আহিরের ছটফট করা মুখ।অস্থিরতায় ভরা দুটো চোখ। আহির খুবই আদুরে কন্ঠে বলল,
' তুমি ঠিক আছো তো? খুব খারাপ লাগছে? আমি কি তোমাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাব? বলো কিছু... নুহা আমাকে উত্তর দাও!'
সেই মুহূর্তে নুহার চোখ দুটো ভিজে উঠল। এতদিন পর নিজের নাম আহিরের ঠোঁট থেকে শুনে বুক ভরে গেল অদ্ভুত এক ভালোলাগায়। ভেতরের অভিমান,যন্ত্রণা আর ভালবাসা মিলেমিশে অশ্রু হয়ে গড়িয়ে পড়ল। কোনো কিছু না ভেবেই আহিরকে জড়িয়ে ধরে ফুঁপিয়ে উঠল সে।
অস্পষ্ট কণ্ঠে বলল,
' ভীষণ কষ্ট হচ্ছে আহির। খুব কষ্ট... আপনি তো ডাক্তার, তাই না? প্লিজ কিছু করুন... নয়তো এই যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে মরে যাব আমি।'
[কালকে পর্ব দেব বলেও না দিতে পারার জন্য অতন্ত্য দুঃখীত। আসলে একটা জায়গায় বেড়াতে আসচ্ছি আর এখানে আসার পর থেকে একে তো ইন্টারনেট নাই তার উপরে ফোনের সিম ও প্রায় বন্ধ হওয়ার মতো অবস্থা।পরে জানলাম গ্রামীন সিম নাকি চলতে পারে। কিন্তু এমবির অফার চেক করে আমার মাথায় হাত। বাধ্য হয়ে ৯৮ টাকায় তিনজিবি কিনলাম তাও ভালো চলতেছে না। আর মানুষ জন থাকায় লেখা ও সম্ভব হচ্ছে না। আমি আবারও সরি বলছি। ]