গল্পঃ #শেষ_চৈত্রের_মৃদু_ছোঁয়া
লেখনীতেঃ #আফরিনা_আক্তার_সুইটি
পর্বঃ ১৪
🚫কপি নিষিদ্ধ 🚫
আইলিন চুপচাপ খাবার দিয়ে টেবিল সাজাচ্ছিল। আজকের সকাল টা সুন্দর ফুরফুরে মন নিয়ে নিচে নেমেছিল। কিন্তু সেই স্বস্তির মুহূর্তটা এক নিমিষেই ভেঙে গেল।
হঠাৎ ইউভির কথাটা যেন বজ্রপাতের মতো আছড়ে পড়ল তার কানে। শব্দগুলো খুব জোরে বলা হয়নি, তবুও সেগুলো আইলিনের হৃদয়ে এমনভাবে আঘাত করল, যেন চারপাশের সমস্ত শব্দ থেমে গেছে। হাতের প্লেটটা সে শক্ত করে ধরে রইল, চোখ বড় বড় হয়ে তাকিয়ে থাকল ইউভির দিকে। বিস্ময়, অবিশ্বাস আর অদৃশ্য এক আতঙ্ক তার দৃষ্টিতে স্পষ্ট হয়ে উঠল।
মুহূর্তের মধ্যেই তার মাথায় ত্রিয়াশের কথা ভেসে উঠল। অদ্ভুত এক অশনি-সংকেত যেন বুকে কাঁপন ধরাল। ধীরে ধীরে সে ত্রিয়াশের দিকে তাকাল।
ত্রিয়াশের মুখের অবস্থা দেখে আইলিনের বুক ধক করে উঠল।
সে হাত দুটো শক্ত করে মুঠো করে রেখেছে। চোয়াল শক্ত, চোখ-মুখ লাল হয়ে আছে রাগে । শরীরটা টানটান হয়ে বসে আছে সে, যেন নিজের ভেতরের ঝড়টাকে কোনোভাবে আটকে রাখার চেষ্টা করছে। তার নীরবতা আরও ভয়ংকর—কথার চেয়েও বেশি তীব্র।
আইরা একটা কথাও বলতে পারছে না। অবাকের চরম পর্যায়ে চলে গেছে। চুপচাপ আইলিনের পাশে দাঁড়িয়ে আছে। নাহিদ মির্জা খবরের কাগজটা সেন্টার টেবিলে রেখে, ইউভির দিকে গম্ভীর মুখে তাকিয়ে বলে উঠে।
“ তোমার মাথা ঠিক আছে? এসব কি বলছো? আইলিন ত্রিয়াশের বউ। তুমি তোমার ভাইয়ের বউকে কি করে বিয়ে করতে চাও। ”
ইউভি নাহিদ মির্জার দিকে তাকিয়ে সাহস নিয়ে কন্ঠে জোর দিয়ে বলে।
“ ত্রিয়াশ, আইলিনকে ভালোবাসে না। কেন তোমরা আইলিনের জীবন নষ্ট করতে চাও? এই জন্য আমি সিন্ধান্ত নিয়েছি আইলিন কে বিয়ে করে সর্বোচ্চ সুখী করবো। ”
ফুঁসছে ত্রিয়াশ। বসা থেকে হঠাৎ উঠে দাঁড়িয়ে পড়ল সে। তার দু’হাত শক্ত করে মুষ্টিবদ্ধ—শিরা-উপশিরা ফুলে উঠেছে, আঙুলের গাঁটগুলো সাদা হয়ে গেছে চাপে। মনে হচ্ছে, ইউভি আর একটা উল্টো-পাল্টা কথা বললেই সে ঝাঁপিয়ে পড়ে সোজা নাক বরাবর ঘুষি বসিয়ে দেবে। রাগে তার পুরো শরীর কাঁপছে; বুক ওঠানামা করছে দ্রুত ছন্দে, নিঃশ্বাস ভারী হয়ে উঠেছে। চোখ দু’টো রক্তবর্ণ, কটমট করে তাকিয়ে আছে সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষগুলোর দিকে।
হঠাৎ তার দৃষ্টি গিয়ে স্থির হলো আইলিনের ওপর। সেই দৃষ্টি এতটাই তীক্ষ্ণ, এতটাই জ্বালাময় যে আইলিন এক মুহূর্তও চোখে চোখ রাখতে পারল না। ত্রিয়াশের চোখে জমে থাকা ক্ষোভ, অপমান আর দহন যেন সরাসরি গায়ে এসে লাগছিল তার। সঙ্গে সঙ্গে আইলিন চোখ নামিয়ে ফেলল। বুকের ভেতর ধকধক শব্দ আরও বেড়ে গেল, হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসছে। ভয় যেন ধীরে ধীরে তার সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ছে—মনে হচ্ছে আত্মা পর্যন্ত শুকিয়ে আসছে আতঙ্কে।
ঘরের কেউ কথা বলছে না, কিন্তু নীরবতার ভেতরেও যেন শব্দ হচ্ছে—রাগ, ভয় আর অস্বস্তির শব্দ।
এমন সময় ইউভি চারপাশে একবার চোখ বুলিয়ে নিল। সবার মুখের অভিব্যক্তি সে গভীরভাবে লক্ষ্য করল—ত্রিয়াশের জ্বলন্ত ক্রোধ, আইলিনের আতঙ্ক, আর বাকিদের স্তব্ধতা। তারপর হঠাৎই সে এমন এক কাজ করল, যা কেউ কল্পনাও করেনি।
ইউভি, তিশা বেগমের পায়ের নিচে বসে পড়ল। মুহূর্তের মধ্যে সে দু’হাতে তিশা বেগমের পা জড়িয়ে ধরল। মাথা নিচু করে, অনুনয় কণ্ঠে বলল,
“মামনি, ছোট বেলায় বাবা মা হারিয়ে তোমাদের সাথে বড় হয়েছি। কখনো কোনোদিন আমাকে কোন অভাব বুঝতে দাওনি। চাওয়ার আগেই দিয়েছো। মামানি, আজ আমাকে ভিক্ষা দাও — আইলিন কে। আইলিন কে খুব সুখে রাখবো কখনো কষ্ট দিবো নাহ। আমাকে ফিরিয়ে দিও না। আমি আইলিন কে ভালোবাসি। ”
ইউভির কথা সকলে স্তব্ধ হলেও মনে মনে লিসা বেশ খুশিই হচ্ছে। এদিকে আইলিন আইরার হাত আকড়ে ধরে চোখের পানি বির্সজন দিচ্ছে — এসব কি বলছে ইউভি তার মাথার ওপর দিয়ে যাচ্ছে। নাহিদ মির্জা গম্ভীর কণ্ঠে আবারও বলল।
“ আইলিন,মা তুমি কি চাও তাই হবে। আজকে তোমার সিন্ধান্তেই সব হবে। ভয় না পেয়ে বলো। ”
আইলিন ভয়ে জড়োসড়ো হয়ে আছে— তবুও তার মন বলছে আজ কিছু কথা বলাই উচিত। আইলিন চোখের পানি মুছে একবার ত্রিয়াশের দিকে তাকিয়ে মাথা নিচু করে বলতে শুরু করে,
“ কখনো কোনো সম্পর্কে জড়াইনি—নিজেকে আগলে রেখেছিলাম শুধু একজন মানুষের জন্য। ভেবেছিলাম, একদিন যাকে স্বামী বলে ডাকবো, তার জন্যই আমার সমস্ত ভালোবাসা, সমস্ত অনুভূতি, সমস্ত স্বপ্ন সযত্নে তুলে রাখবো। আজ আমি বিবাহিত, অন্যের ঘরের বউ—কিন্তু এই ‘অন্য’ মানুষটিই এখন আমার পৃথিবী। তিন কবুল বলে, লাল শাড়ি পরে যে বাড়িতে এসেছি, সেই বাড়িকেই নিজের ঘর, নিজের ঠিকানা, নিজের আকাশ বানিয়ে নিয়েছি। যেমন লাল শাড়ির রঙে রাঙা হয়ে এই ঘরে এসেছি, তেমনি একদিন সাদা কাপড়ে মোড়ানো হয়ে বিদায় নেবো এই ঘর থেকেই। ”
বাড়ির সবাই অবাক দৃষ্টিতে আইলিনকে দেখছে। ছোট মেয়েটা কি গভীর কথা বলছে যা সবাই কে অবাক করে দিল। ত্রিয়াশ নিজেও অবাক না হয়ে পারলো না। আইলিন মাথা নিচু করে ঠোঁটে হালকা হাসি রেখে বলল,
“কে বলেছে আমার স্বামী আমাকে ভালোবাসে না? ভালোবাসে বলেই তো সে আমাকে সোফা থেকে কোলে তুলে, যত্নের সঙ্গে বিছানায় শুইয়ে দিয়েছে। আজ সকালে, যখন নিজেকে বিছানায় দেখে, হৃদয়টা আনন্দে উড়ে গেল। আমার স্বামী আমাকে ভালোবাসে—খুব ভালোবাসে। সব ভালোবাসা শব্দে প্রকাশ করা লাগে না, কিছু ভালোবাসা নিঃশব্দে, নিখুঁতভাবে হৃদয়ে অনুভূত হয়।”
আইলিনের একথা গুলো শুনে তিশা বেগমের মনে আনন্দের জোয়ার বয়ে গেল। নাহিদ মির্জা মুচকি হাসলো, সে কিছু না বলে নিজের ঘরের দিকে চলল অফিস যেতে হবে। একে একে সবাই সবার কাজে ব্যস্ত হয়ে গেল। ত্রিয়াশ হনহন করে এসে আইলিনের হাত ধরে ওপরে চলে গেল। আইলিনের ভয়ে বুক কেঁপে উঠছে। মা'রবে নাকি তাকে ভয়ে আইলিনের চোখ ভিজে যাচ্ছে।
ইউভি পুরো ড্রয়িংরুমে চোখ বুলালো নিশি কে দেখলো না। কোথায় গেল মেয়েটা তাকে প্রয়োজন কেন বোঝে না। ইউভি সিড়ি দিয়ে দৌড়ে নিশির ঘরে কাছে আসলো — তবে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ। ইউভি দৌড়ে পেছনের দিকে চলে গেল।
ত্রিয়াশ আইলিনকে টেনে এনে দরজা লাগিয়ে দেয়। আইলিনের হাত শক্ত করে ধরে। ব্যাথায় আইলিন চোখ মুখ কুচকে ফেলে। কান্না ভেজা কন্ঠে বলে।
“ লাগছে ছাড়েন। ”
“ লাগার জন্য ধরেছি। ”
“ এভাবে তাকাবেন না। আমার ভয় করে। ”
ত্রিয়াশ হঠাৎ করেই আইলিনকে দেওয়ালের সঙ্গে চেপে ধরল। তার মুখ রক্তিম, চোখে যেন ঝড়ের আগুন—অভিমান, রাগ আর অদ্ভুত এক যন্ত্রণা মিলেমিশে আছে সেখানে। এত কাছ থেকে ত্রিয়াশের সেই বদলে যাওয়া মুখ দেখে আইলিনের বুক কেঁপে উঠল। ভয়ে, না কি কষ্টে—সে নিজেও বুঝতে পারল না। মুহূর্তের মধ্যেই তার চোখ ভিজে গেল, ঠোঁট কাঁপতে লাগল, আর ডুকরে কেঁদে উঠল।
আইলিনের কান্নার শব্দ যেন ত্রিয়াশের ভেতরের সব রাগকে ধীরে ধীরে গলিয়ে দিল। তার কঠিন মুখাবয়ব নরম হয়ে এলো। চোখের আগুন নিভে গিয়ে সেখানে ভেসে উঠল গভীর অনুতাপ। সে ধীরে ধীরে আইলিনকে ছেড়ে দিল। কয়েক পা পিছিয়ে গিয়ে দেয়ালের দিকে মুখ ফিরিয়ে দাঁড়িয়ে রইল। নিজের চুল দু’হাতে খামচে ধরল সে, যেন নিজের ভেতরের অস্থিরতা কে সামলাতে পারছে না। বুকটা ভারী হয়ে উঠেছে—শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে তার।
হঠাৎ যেন কিছু মনে পড়তেই ত্রিয়াশ ঘুরে দাঁড়াল।আইলিনকে আবার কাছে টেনে নিল নিজের বুকের সঙ্গে শক্ত করে চেপে ধরল তাকে, যেন পৃথিবীর সব ভয় থেকে আগলে রাখবে।
অপ্রস্তুত আইলিন প্রথমে একটু কেঁপে উঠলেও পরমুহূর্তেই স্থির হয়ে গেল। ত্রিয়াশের বুকে মাথা রেখে নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে রইল সে। কান পেতে শুনতে লাগল তার বুকের ধুকপুক শব্দ—দ্রুত, অস্থির, অথচ আশ্বাসে ভরা।
~~
“ সরুন, ছুবেন না আমায়। ”
“ তাহলে কাকে ছুবো বল?”
“ যাকে ভালোবাসেন তাকে। এখন আমার চোখের সামনে থেকে সরে যান।”
“ ভালো তো তোকে বাসি। ”
“ মিথ্যা। ”
পুরো ঘরটা ডুবে আছে ঘন অন্ধকারে। চারদিকে নিস্তব্ধতা, যেন বাতাসও থমকে আছে। অনেক বুঝিয়েও যখন আর মানানো গেল না, তখন শেষমেশ ইউভি আর নিজেকে সামলাতে পারল না। সে নিশিকে নিজের বুকের সঙ্গে জড়িয়ে ধরল শক্ত করে।
নিশি ছটফট করছিল, মুক্ত হতে চাইছিল তার বাঁধন থেকে। কিন্তু ইউভির হাতের আলিঙ্গন আরও দৃঢ় হয়ে উঠল। যেন সে ভয় পাচ্ছে— নিশি হারিয়ে যাবে কোথাও। নিজের বুকের ভেতরেই তাকে আড়াল করে রাখতে চাইছিল সে।
ছটফট করতে করতে একসময় নিশির মাথা এসে ঠেকে ইউভির ুকে। সেই স্পর্শে মুহূর্তটা থেমে যায়। অন্ধকার ঘরের নীরবতায় কেবল দু’জনের দ্রুত শ্বাসের শব্দ মিলেমিশে একাকার হয়ে থাকে। ইউভি নিশির গলায় মুখ ডুবিয়ে দেয়। নিশি ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেয় — সে চায় না বিয়ের আগেই এতোটা ঘনিষ্ঠ হতে। ইউভি ব্যপারটা বুঝে মুচকি হাসলো। আবেগময়ী কন্ঠে বলল,
“ ছুবো না, বিয়ের পর নিজের করে নিবো তখন দেখবো কি করে পালাস। ”
“ করবো না আপনাকে বিয়ে। ”
“ নিশি, তুই আমার জীবনের প্রথম প্রেম, প্রথম ভালোবাসা। আর রইলো আইলিন। আইলিনকে আমি ভালোবাসি না। ত্রিয়াশ আর আইলিনকে কাছাকাছি আনার জন্য এত নাটক করলাম। রাগ করিস না জান। ”
নিশি নাক টানতে টানতে বললো
“ এবার বাড়িতে আসার পর একটুও আমাকে সময় দেন নাই। আমি আপনার অপেক্ষায় থাকি। ”
“ জানি তো। এবার ছোট মামনী কেমন কেমন চোখে তাকিয়ে থেকেছে তাই তোকে সময় দিতে পারি নাই। চিন্তা করিস না, আমি সবাই কে আমাদের সম্পর্কের কথা বলে তোকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নিজের করে নিবো। ”
ইউভি নেশাত্বক দৃষ্টিতে নিশির দিকে তাকিয়ে নেশাময় কন্ঠে বলে,
“দিজ ডেজ, আই ফিল লাইক হ্যাভিং ইউ ক্লোজ টু মি। আই নিড ইউ, নিশি। ”
“ নিজের নামে লিখে নেন। ”
“ নিবো। তুই আমার লাল টুকটুকে বউ হবি। ”
ইউভি কথাটা শেষ করে নিশির কপালে শব্দ করে চুমু খায়। নিশির গালে টুপ করে চুমু দিয়ে হনহনিয়ে ঘর থেকে চলে গেল। নিশি গালে হাত দিয়ে দরজার দিকে তাকিয়ে আছে। এটা কি হলো, তার মনে হচ্ছে ইউভি আজকাল বেশি রোমান্টিক হচ্ছে — আগে তো রাগ করলে ফুল চকোলেট দিয়ে রাগ ভাঙ্গাতো। নিশি গালে হাত দিয়ে মুচকি হাসলো।
~~~
আজ আইলিন অনেক ভয় করছে ত্রিয়াশকে তবে ত্রিয়াশ তেমন কিছু বলেনি। রাত অনেক হয়েছে মাত্র বাসায় আসলো ত্রিয়াশ। খাটের উপর বসে আইলিন ফোনে কথা বলতে ব্যস্ত পৃথার সাথে।
এর মধ্যে ত্রিয়াশ ফ্রেশ হয়ে এসেই আইলিনের কোলে মাথা দিয়ে শুয়ে পড়ে। আইলিন একটু চমকে যায় — কোনো রকম কথা শেষ করে ফোনটা রেখে দিল। আইলিনের কোলে মাথা দিয়ে চোখ বন্ধ করে শুয়ে আছে ত্রিয়াশ। ত্রিয়াশ আইলিনের হাত নিজের মাথায় রেখে বলে,
“ স্বামী সেবায় নিয়োজিত হও। মাথা ব্যথা করছে। ”
আইলিন চুপচাপ মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে। ত্রিয়াশের কাছে মনে হচ্ছে তার মাথায় কোনো হাত নেই। বিরক্ত হয়ে বলল,
“ যদি বলা হতো স্বামীর চুল ধরে মারো তখন নিশ্চয়ই শক্তি পেতে— ভালো করে মাথা টেপো মনে হচ্ছে পিপড়ে দৌড়াচ্ছে। ”
মাথা টিপতে টিপতে আইলিন নিজেই ঘুমিয়ে পড়ে। ত্রিয়াশ চোখ খুলে দেখে ঘাড় বাকা হয়ে আছে। এই মেয়ে ত্রিয়াশকে জ্বালিয়ে মারবে যা সে খুব ভালো বুঝলো।দীর্ঘশ্বাস ফেলে আইলিন কে সোজা করে শুয়ে দিল। ত্রিয়াশ আইলিনের ঘুমন্ত মুখের দিকে অপলক দৃষ্টি দিয়ে রাখলো। ত্রিয়াশ বিরবির করে বলল,
“তুমি আমার দিনের আলো, তুমি আমার রাতের চাঁদ। তুমি আমার গল্পের অমলিন চরিত্র।এই নাভিয়ান ত্রিয়াশ মির্জা কে ঘায়েল করার জন্য তোমার ঘুমন্ত নিষ্পাপ চেহারা যথেষ্ট। ”
চলবে,,
[ ভুল গুলো ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। সবাই দয়া করে রেসপন্স করবেন। আমি সম্পদ নতুন লিখি সে হিসাবে কেমন লিখি ছোট করে মন্তব্য করবেন। আমি নবীন লেখিকা আপনাদের ভালোবাসা আমার প্রেরণা। ]