ফন্ট সাইজ:
থিম:
শেষ চৈত্রের মৃদু ছোঁয়া

১৮তম পর্ব

লেখক: আফরিনা আক্তার সুইটি

গল্পঃ #শেষ_চৈত্রের_মৃদু_ছোঁয়া

লেখনীতেঃ #আফরিনা_আক্তার_সুইটি

পর্বঃ ১৮

🚫কপি নিষিদ্ধ 🚫

রাত তখন আটটা। বাড়ির সবাই ড্রয়িংরুমে জড়ো হয়েছে—আলাপ, হাসি, টুকটাক গল্পে ঘর ভরে আছে। শুধু আইলিন আর ত্রিয়াশ নেই। তাদের অনুপস্থিতি প্রথমে কেউ তেমন গুরুত্ব দেয়নি। সবারই ধারণা, দুজন নিশ্চয়ই নিজেদের ঘরেই আছে।

নিয়তি একবার আইলিনকে ডাকতে গিয়েছিল। ভেতর থেকে দরজা বন্ধ দেখে আর ডাকেনি। ভেবেছে, হয়তো বিশ্রাম নিচ্ছে। তাছাড়া তার ভাইও তো সঙ্গে আছে—অকারণে বিরক্ত করা ঠিক হবে না ভেবে চুপচাপ ফিরে এসেছে।

কিন্তু সারাদিনে একবারও কেউ তাদের দেখেনি—এটা ভাবতেই সবার মনে একটু কৌতূহল, একটু অস্বস্তি জন্ম নিচ্ছে। তাই বলে কি সারাদিনের মধ্যে একবারও নিচে আসবে না? না খেয়ে কি এভাবে ঘরে পড়ে থাকবে?

আগামীকাল ভোরেই গ্রামের বাড়ি যাওয়ার কথা। বাড়ির সবাই প্রস্তুতি আর গল্পে ব্যস্ত, অথচ আইলিন আর ত্রিয়াশ যেন আলাদা এক জগতে, নিজেদের ঘরেই আবদ্ধ। তাদের এই অদৃশ্য হয়ে থাকা বাড়ির পরিবেশে অদ্ভুত এক নীরব প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দিয়েছে।

তিশা বেগম কাজ করতে করতেই হঠাৎ বললেন,

“এ দু’টোর কি নিচে নামতে হবে না? সারাদিন না খেয়ে আছে। ইউভি, তুই কিছু জানিস?”

তার কথায় নাহিদ মির্জা একটু নড়েচড়ে বসে গম্ভীর কণ্ঠে বললেন,

“ওদের স্বামী-স্ত্রীর ব্যাপারে ইউভি কী করে জানবে? তিশা, তুমিও না! ওরা স্বামী-স্ত্রী, একা আছে—থাকুক না। এতে তুমি কথা বলো না, সবাই উল্টো তোমাকেই ভিলেন শাশুড়ি ভাববে।”

শেষের কথাগুলো বলে নাহিদ মির্জা ঠোঁট টিপে মুচকি হাসলেন। কথাটা শুনে তিশা বেগম বিরক্ত হয়ে উঠলেন। তার স্বামী যেন কথায় কথায় তাকেই ভিলেন বানিয়ে দেন। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে তিনি রান্নাঘরের দিকে পা বাড়ালেন। রাতের খাবারগুলো গুছিয়ে প্রস্তুত করতে হবে।

রাত তখন আটটা। বাড়ির সবাই ড্রয়িংরুমে জড়ো হয়েছে—আলাপ, হাসি, টুকটাক গল্পে ঘর ভরে আছে। শুধু আইলিন আর ত্রিয়াশ নেই। তাদের অনুপস্থিতি প্রথমে কেউ তেমন গুরুত্ব দেয়নি। সবারই ধারণা, দুজন নিশ্চয়ই নিজেদের ঘরেই আছে।

নিয়তি একবার আইলিনকে ডাকতে গিয়েছিল। ভেতর থেকে দরজা বন্ধ দেখে আর ডাকেনি। ভেবেছে, হয়তো বিশ্রাম নিচ্ছে। তাছাড়া তার ভাইও তো সঙ্গে আছে—অকারণে বিরক্ত করা ঠিক হবে না ভেবে চুপচাপ ফিরে এসেছে।

কিন্তু সারাদিনে একবারও কেউ তাদের দেখেনি—এটা ভাবতেই সবার মনে একটু কৌতূহল, একটু অস্বস্তি জন্ম নিচ্ছে। তাই বলে কি সারাদিনের মধ্যে একবারও নিচে আসবে না? না খেয়ে কি এভাবে ঘরে পড়ে থাকবে?

আগামীকাল ভোরেই গ্রামের বাড়ি যাওয়ার কথা। বাড়ির সবাই প্রস্তুতি আর গল্পে ব্যস্ত, অথচ আইলিন আর ত্রিয়াশ যেন আলাদা এক জগতে, নিজেদের ঘরেই আবদ্ধ। তাদের এই অদৃশ্য হয়ে থাকা বাড়ির পরিবেশে অদ্ভুত এক নীরব প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দিয়েছে।

একটু ঝুঁকে ত্রিয়াশের কানে ফিসফিস করে বলল,

“বউকে মেরেছো?”

প্রশ্নটা শুনে ত্রিয়াশ চমকে উঠে বাবার দিকে তাকাল। বুকের ভেতরটা ধক করে উঠল তার। বাবা জানল কীভাবে? সে তো কাউকে কিছু বলেনি। মিথ্যে বলতেও পারবে না, আবার সত্যিটা স্বীকার করতেও ভীষণ অস্বস্তি হচ্ছে। যদি বাবা ভুল বোঝেন? যদি চোখে ছোট হয়ে যায়?

ত্রিয়াশের অস্বস্তিভরা মুখের দিকে তাকিয়ে নাহিদ মির্জার ঠোঁটে হালকা এক হাসি ফুটে উঠল। শান্ত স্বরে তিনি বললেন,

“ভাবছো, কী করে জানলাম? তোমার হাতের ব্যান্ডেজই তো সব বলে দিচ্ছে। কোনো এক সময় আমিও তোমার মায়ের গায়ে হাত তুলেছিলাম। তারপর ঠিক তোমার মতোই নিজের রাগে নিজের হাতেই আঘাত করেছিলাম।”

কথাগুলো শুনে ত্রিয়াশ মাথা নিচু করে রইল। তার কণ্ঠ শুকিয়ে গেছে। আশেপাশে কেউ বুঝতেই পারছে না বাবা-ছেলের মধ্যে কী কথা হচ্ছে। কিন্তু এই নীরব কথোপকথনের ভার যেন শুধু ত্রিয়াশই অনুভব করছে।

ছেলেকে চুপ করে থাকতে দেখে নাহিদ মির্জা আবার বললেন,

“ভুল সবাই করে। কিন্তু ভুলের পর কী করছো, সেটাই আসল। যাও, বউয়ের রাগ ভাঙাও।”

বাবার কণ্ঠে কোনো রাগ নেই, আছে শুধু অভিজ্ঞতার কোমল দৃঢ়তা। ত্রিয়াশ ধীরে ধীরে মাথা তুলল। তার চোখে লজ্জা, অনুশোচনা আর একটুখানি স্বস্তির ছাপ।

এক সেকেন্ডও দেরি না করে সে নিজের ঘরের দিকে চলে গেল। ত্রিয়াশকে দেখে তিশা বেগম কিছু বলতে মুখ খুলেছিলেন, কিন্তু তার আগেই নাহিদ মির্জা চোখের ইশারায় তাকে থামতে বললেন। স্বামীর সেই নিষেধ বুঝে তিশা বেগম আর কিছু বললেন না। বিষয়টি নিয়ে এরপর আর কেউ কোনো কথা বাড়াল না।

নাহিদ মির্জা খাবার টেবিলে বসতে বসতে জড়িনার দিকে তাকিয়ে বললেন,

“জড়িনা, ওদের খাবারটা ওপরে দিয়ে আয় তো মা।”

জড়িনা শান্ত স্বরে জবাব দিল,

“ঠিক আছে, চাচা।”

ত্রিয়াশ ঘরে আসার মাত্র দুই মিনিটের মধ্যেই জড়িনা খাবারের প্লেটটা দিয়ে গেল। ত্রিয়াশ প্লেটটা নিয়ে সেন্টার টেবিলের ওপর রাখল। তারপর বিছানার দিকে তাকিয়ে দেখল—আইলিন নেই। ভ্রু দু’টো কুঁচকে গেল তার। দ্রুত পায়ে বেলকনির দিকে এগিয়ে গিয়ে দেখল, সেখানেও কেউ নেই।

মনে দুশ্চিন্তা ভর করল। ঘর তো ভেতর থেকে বন্ধই ছিল! সে তো নিজের ডুপ্লেক্স চাবি দিয়ে দরজা খুলে ঢুকেছে। তাহলে মেয়েটা গেল কোথায়?

এক হাত দিয়ে কপাল চাপড়ে ধীরে ধীরে খাটের অন্য পাশে এগিয়ে গেল ত্রিয়াশ। হঠাৎ পায়ের সঙ্গে কিছুর ধাক্কা লাগতেই থমকে দাঁড়াল। নিচের দিকে তাকিয়ে যা দেখল, তাতে অবাক হয়ে গেল—সকালে যেখানে রেখে গিয়েছিল, ঠিক সেখানেই বসা অবস্থায় এলোমেলো হয়ে ঘুমিয়ে আছে।

ত্রিয়াশ হাটু ভেঙে বসে আইলিনের পাশে। আইলিনের চোখে পানি শুকিয়ে গেছে। মুখটা শুকনো লাগছে। এক দিনে চেহারার একি হাল করেছে। ত্রিয়াশ আইলিনের গাল হাত দিয়ে ছুয়ে দিবে হঠাৎ দেখে পাশে আইলিনের ফোন পড়ে আছে। সকালে এই ফোনে কিছু দেখার পরে আইলিন অস্বাভাবিক আচরণ করেছে — এটা মনে হতেই ফোনটা তুলে নিল। অন্যের জিনিসে না বলে হাত দেওয়া অন্যায় তবুও ত্রিয়াশ দেখতে চায়। অন করে দেখে কোনো লক করা নেই। একে একে ত্রিয়াশ সবই ঘেটে দেখে তার মাথায় রক্ত উঠে যায়। চোয়াল শক্ত হয়ে যায় হাত মুষ্টিবদ্ধ করে নেয়। রাগে দাত কটমট করে মনে হচ্ছে এখনই কাউকে খু'ন করে দিবে।

ত্রিয়াশ জোরে জোরে শ্বাস নিতে লাগল। নিজের মনকে শান্ত করার চেষ্টা করল। ঘুমন্ত আইলিনকে কোলের মাঝে তুলে বিছানায় শুয়ে দিল। সারাদিন কিছু খায়নি, তার মুখ দেখে ত্রিয়াশ স্পষ্ট বুঝতে পারল। ডান হাতে ব্যান্ডেজ থাকায়, বাম হাতে ধীরে ধীরে আইলিনের গালে হাত বুলিয়ে দিল। সকালে রাগের মাথায় যে গালটা থাপ্পড় পড়েছিল, সেই একই গালে এখন কোমল স্পর্শের ছোঁয়া দিল ত্রিয়াশ।

যেকোনো স্ত্রী এমন আচরণ করবে। কেউ কখনো নিজের স্বামীকে অন্যের সাথে সহ্য করতে পারবে না তাই আইলিনও পারেনি। আইলিন ঘুমের মধ্যে বিরবির করছে যা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে না। কথাগুলো শোনার জন্য ত্রিয়াশ আস্তে করে নিজের কান আইলিনের মুখের কাছে রাখলো। ঘুমের মধ্যে ফুপিয়ে ফুপিয়ে আইলিন বলছে,

“ আপনি খারাপ স্বামী। থাকবো না এখানে চলে যাবো।”

ত্রিয়াশ চোখ বন্ধ করে আইলিনের কথাগুলো শুনছিল। চোখ খুলে আইলিনের মুখের দিকে তাকিয়ে, কি মনে করে আইলিনের কপালে চুমু দিল সাথে অপ্রত্যাশিত কাজ করে। ঘুমন্ত আইলিনের ঠোঁটে চুমু একে দিল। ত্রিয়াশ বিরবির করে বলে,

“ আজ চু'রি করলাম। এই চু'রির দায়ে তুমি নামক জেল খানায় বন্দী করে নিও। ভবিষ্যতে ডাকাতি করবো খুব বড় ডাকাতি। ”

ঘুমন্ত আইলিন এসব কিছু জানলো না। এসব কথা বিরবির করতে করতে আবারও আইলিনের ঘুমন্ত মুখ দেখল। কথা বলতে বলতে হঠাৎ তার চোখ আটকে গেল আইলিনের বুকের পাশে ছোট্ট তিলটিতে। ত্রিয়াশের হৃদয় দ্রুত ধকধক করছিল, এক অচেনা উত্তেজনা তার মনে জাগছিল। কিছুক্ষণের জন্য সে সব বিভ্রান্তি ও অনৈতিক ইচ্ছা সেই সব নিষিদ্ধ চিন্তাকে সে সরিয়ে রাখল। আইলিনের বুকের মাথা দিয়ে শুয়ে পড়ে।

~~

সকাল এগারো টা বাজে। আইলিন রেডি হচ্ছে। ল্যাভেন্ডার রঙের শাড়ি পড়েছে আজ খুব সুন্দর করে সেজেছে। যেন মুখ দেখে কেউ কিছু বুঝতে না পারে। তবে আইলিন রেডি হচ্ছে আর শব্দ করে করে ড্রেসিংটেবিলের ওপর এটা ওটা রাখছে তার কারণ আজকে সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখে ত্রিয়াশ তার বুকে রাগে শরীর জ্বলে উঠে। চায় না ত্রিয়াশের স্পর্শ, রাগে শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে ত্রিয়াশকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিল। ঘুমের মধ্যে ত্রিয়াশ ধড়ফড়িয়ে উঠে। কিছু বলতে চেয়েও বললো না বউটা তার রেগে আছে। সেই থেকে আইলিন শব্দ করে করে রেডি হচ্ছে।

ত্রিয়াশ পাঞ্জাবি পরেছে। ডান হাত কাটার কারণে খেতে পারেনি। তাই আইলিনকে বলেছিল খাইয়ে দিতে, কিন্তু আইলিন নাক-কান নড়ায়নি। ত্রিয়াশ খুব ভালো করে বুঝেছে যে তার বউ অনেক রাগ করেছে।

ত্রিয়াশ আইলিনের পিছনে দাঁড়িয়ে খোঁপায় বেলীফুলের গাজরা পড়াচ্ছে। আইলিন চুপচাপ দাঁড়িয়ে রয়েছে। এত আহ্লাদী ত্রিয়াশও আইলিনের মন গলাতে পারলো না। আইলিন চুপচাপ ড্রেসিং টেবিলের সামনে বসে আছে।

আয়নার দিকে তাকিয়ে ত্রিয়াশ বলে উঠলো,

“মাশাআল্লাহ।”

“ চাঁদাবাজি মির্জা আব্বাস এসব করে আমার মন গলাতে পারবেন না। লোভ অন্য কোথাও দেখান এই আইলিন মেহনাজ কে লোভ দেখাতে আসবেন না। ”

ত্রিয়াশ অবাক হলো সাথে কিঞ্চিৎ হাসলো। মাথা চুলকে বলল,

“ মির্জা আব্বাসের সাথে কিন্তু নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী কে মানায়, হাজার হোক তর্ক বিতর্কের পার্টনার। আমার মনে হয় তুমিই সেই পাটোয়ারী। আই মিন মির্জার পাটোয়ারী। ”

আইলিন রাগ করে চলে যাওয়ার জন্য পা বাড়ায়। ত্রিয়াশ আইলিনের শাড়ির আচল টেনে ধরে বলে,

“ এই আচলে কি মির্জা সাহেব কে বাধা যাবে। ”

“ সে অন্য আচলে বাধা। ”

কথাটা ভারী ছিল যা ত্রিয়াশের বুকে গিয়ে লাগল। আইলিন দাড়ালো না চলে গেল। ত্রিয়াশ আইলিনের যাওয়ার দিকে তাকিয়ে রইলো।

।

।

মির্জা বাড়ি থেকে গ্রামের উদ্দেশ্যে গাড়ি যাচ্ছে দুই টা। একটাতে বাড়ির বড়রা আরেকটাতে ছোট টা। অবশ্য ছোটদের সংখ্যা বেশি হয়ে গেছে। ত্রিয়াশ ড্রাইভিং সিটে বসেছিল। তার পাশে লিসা বসেছিল যা কারোরই ভালো লাগেনি। একজনকে বড়দের গাড়িতে যেতে হবে এখানে জায়গা নেই। আইলিন গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে আছে তার সিট হয়নি। ত্রিয়াশ গাড়ি থেকে নেমে আসে। ইউভিকে উদ্দেশ্য করে বলে,

“ ইউভি তুই ড্রাইভ করে যা। ”

কথা বাড়ায়নি ইউভি লিসাকে পিছনে দিয়ে সামনে নিভানকে বসায়। তারা চলে যায়। তাদের বাবা মায়ের গাড়ি ছেড়ে দেয়। আইলিন রাগ করে নাক ফুলিয়ে বলে।

“ যা বাবা সবাই আমাদের রেখে গেল। ”

এ-র মধ্যে পৃথা আর আহান চলে আসে যা আইলিন এই মূহুর্তে আশা করেনি। ত্রিয়াশ ভেবেছিল বাইকে যাবে হাত কাটা তার মধ্যে এতটা পথ জার্নি করা সহজ হবে না। পৃথা আহান তাদের সাথে যাচ্ছে এটা আইলিন জানে না মাত্র জানতে পারে। আহান ড্রাইভিং সিটে তার পাশে পৃথা। ত্রিয়াশ আর আইলিন পেছনের সিটে বসে পড়ে। আইলিন জানালার সাথে লেগে বসে পড়ে বাইরের দৃশ্য দেখতে ব্যস্ত। ত্রিয়াশ একটু এগিয়ে এসে আইলিনের গা ঘেঁষে বসে। আইলিন চায় না গাড়ির ভেতরে কোন সিনক্রিয়েট করতে। আইলিনের শাড়ির ফাঁকের মধ্যে দিয়ে উন্মুক্ত পেটে হাত রাখে ত্রিয়াশ। আইলিনের দম বন্ধ হয়ে আসছে, কিছু বলতেও পারছে না সহ্য করতেও পারছে না। ত্রিয়াশ আস্তে করে ফিসফিস করে বলে,

“ তুমি তুলোর মতো অনেক তুল তুলে। ”

চলবে,

[ জনরাঃ (সামাজিক +রোমান্টিক) ভুল গুলো ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। সবাই দয়া করে রেসপন্স করবেন। আমি সম্পন্ন নতুন লিখি সে হিসাবে কেমন লিখি ছোট করে মন্তব্য করবেন। আমি নবীন লেখিকা আপনাদের ভালোবাসা আমার প্রেরণা। ]

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১৮তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন