গল্পঃ #শেষ_চৈত্রের_মৃদু_ছোঁয়া
লেখনীতেঃ #আফরিনা_আক্তার_সুইটি
পর্বঃ ৩৪
🚫কপি নিষিদ্ধ 🚫
ঝংকার তুলে বেজে উঠল ঘড়ির অ্যালার্ম। সেই শব্দ যেন জানান দিল—সকাল হয়েছে, নতুন দিনের সূচনা, নতুন পথচলার শুরু। ঘুমজড়ানো চোখে হাত বাড়িয়ে ঘড়িটা বন্ধ করল ত্রিয়াশ। ঘুম যেন তাকে ছেড়েই যেতে চাইছে না; চোখ খুলে রাখা তার জন্য কষ্টকর হয়ে উঠছে। সে আবারও আলতো করে আইলিনের বুকে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়তে চাইল।
কিন্তু মাত্র কয়েক সেকেন্ড পরই হঠাৎ তার চোখ খুলে গেল। দ্রুত মাথা তুলে আইলিনের দিকে তাকাল সে। আইলিন নিস্তেজ হয়ে শুয়ে আছে, শরীরের বিভিন্ন জায়গায় স্পষ্ট হয়ে আছে গত রাতের ভালোবাসার চিহ্নগুলো। দৃশ্যটা দেখে ত্রিয়াশের বুকটা হালকা কেঁপে উঠল।
সে ধীরে ধীরে আইলিনের গালে হাত বুলিয়ে মৃদু স্বরে ডাকল,
“আইলিন… এই মেয়ে… সোনা বউ, আমার কথা শুনছো?”
কোনো সাড়া নেই। চারদিক নিস্তব্ধ। আইলিন যেন গভীর অচেতন ঘুমে ডুবে আছে।
ত্রিয়াশ বুঝতে পারল, তার গত রাতের উন্মাদনা—তার অগাধ ভালোবাসা—আইলিন হয়তো সহ্য করতে পারেনি। নিজের উপর হঠাৎ করেই প্রচণ্ড রাগ হলো তার। নিজের গালে নিজেই থাপ্পড় মারল সে। মনে পড়তে লাগল, সারারাত সে কতটা পাগলের মতো তাকে আঁকড়ে ছিল, কতটা তীব্রতায় ভালোবেসেছে, আর মেয়েটা কতটা কষ্ট সহ্য করেছে সেই ভালোবাসা গ্রহণ করতে গিয়ে।
আইলিনের শরীরে ছড়িয়ে থাকা সেই ভালোবাসার চিহ্নগুলোর দিকে তাকিয়ে তার বুক ভারী হয়ে উঠল। খুব আলতো করে সে হাত বুলিয়ে দিল সেই দাগগুলোর উপর, যেন স্পর্শে একটু হলেও ব্যথা কমিয়ে দিতে চায়। তারপর ধীরে, খুব যত্ন করে, তার ঠোঁট ছুঁইয়ে দিল আইলিনের কপালে।
তবুও আইলিনের কোনো নড়াচড়া নেই, কোনো সাড়া নেই। আইলিনের গালে আলতো করে হাত রেখে ত্রিয়াশ নরম কণ্ঠে বলল,
“বউ, তোমাকে অনেক কষ্ট দিয়ে ফেলেছি। আমাকে ক্ষমা করে দাও, ল্যাভেন্ডার। তোমার কষ্ট হচ্ছিল—তবুও কেন আমাকে ‘ব্রেক’ নিতে বললে না? কেন নিজেকে এতটা কষ্ট দিয়ে আমাকে সহ্য করলে, পিচ্চি?”
কিন্তু অচেতন আইলিন এসব কথার কিছুই শুনতে পেল। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে ত্রিয়াশ উঠে দাঁড়াল। নিজেকে সামলে নেওয়া দরকার। ধীর পায়ে সে ওয়াশরুমের দিকে চলে গেল—আগে নিজেকে একটু ঠিকঠাক করা প্রয়োজন।
ওয়াশ রুমে থেকে বের হয়ে দেখে আইলিন বেড শীট গায়ে পেচিয়ে বসে আছে। ত্রিয়াশ এগিয়ে আসলো কিন্তু আইলিন লজ্জায় তার দিকে তাকাতে পর্যন্ত পারলো না। শরীর দূর্বল হওয়ায় দৌড়ে পালাতেও পারছে না। ভীষণ লজ্জা লাগছে তাঁর। কাল রাতে কথা মনে হতেই লজ্জায় বারংবার গাল দুটো টমেটোর মতো লাল হয়ে আসছে। এসবই ত্রিয়াশ নীরবে লক্ষ করছে।
আইলিন বিছানা থেকে উঠে দাঁড়িয়ে পড়ে তবে যেন সে হাটার শক্তি পাচ্ছে না। এক পা ফেলার আগেই হঠাৎ বিছানার উপর বসে পড়ে। ত্রিয়াশ ঝুকে আইলিনকে কোলে তুলে হাটা ধরলো ওয়াশরুমের দিকে। সামনের দিকে তাকিয়ে বলে,
“ চুপচাপ ফ্রেশ হয়ে নাও। আমি কোনো বাহানা শুনবো না। ”
ওয়াশরুমে এসে শাওয়ার ছেড়ে দিল আইলিনের সাথে নিজেও ভিজছে। আইলিনের শরীরে ঠান্ডা পানি পড়ার সঙ্গে সঙ্গে কেঁপে উঠছে। শরীরের অনেক স্থানে জ্বলে যাচ্ছে। চোখ মুখ কুঁচকে ফেলে। ত্রিয়াশ আইলিনের চুলগুলো সুন্দর করে শ্যাম্পু করে দিয়েছে। তার গায়ে থেকে বেডশীট সরাতে নিলে আইলিন শক্ত করে চেপে ধরে। এটা দেখে ত্রিয়াশ ঠোঁট কামড়ে হাসলো। ঠোঁটের কোণে দুষ্ট হাসি রেখে বলে উঠে,
“ এমন ভাব করছো যেন সব নতুন করে দেখবো। শোনো মেয়ে, তোমার প্রতিটা ভাজে আমার ছোঁয়া লেগে আছে। ”
আইলিন লজ্জায় নুইয়ে গেল। অস্বস্তিও লাগছে সাথে গলার পাশে ভীষণ জ্বলছে। ঘাড় ঘুরিয়ে আয়নার মধ্যে দেখে, গলায় ত্রিয়াশের দেওয়া লাভ বাইট। হাত দিতে জ্বলে উঠে, হালকা স্বরে বলে,
“ আহ্! রা'ক্ষস একটা।”
আইলিনের কথাটা ত্রিয়াশের কানে স্পষ্ট গেল। চট করে ত্রিয়াশ পিছনের দিকে ঘুরে বলে উঠে,
“ নিজে তো জঙ্গলি বিড়াল, দেখো আমার পিঠের অবস্থা কি করেছো? ”
আইলিন ধীরে ধীরে চোখ তুলে তাকাতেই থমকে গেল। সত্যিই—ত্রিয়াশের পুরো পিঠজুড়ে স্পষ্ট হয়ে আছে তার নিজের নখের আঁচড়ের দাগ। মুহূর্তের মধ্যে লজ্জায় তার মুখ লাল হয়ে উঠল, দৃষ্টি নীচু হয়ে এলো। সেই সঙ্গে এক অদ্ভুত অপরাধবোধও যেন বুকের ভেতর চেপে বসল। কিছু বলতে চাইলেও গলা দিয়ে কোনো শব্দ বেরোল না।
ত্রিয়াশ ধীরে ধীরে তার দিকে ঘুরে তাকাল। ঠোঁটের কোণে হালকা হাসি, চোখে একরাশ দুষ্টুমি মিশ্রিত কোমলতা। সে শান্ত স্বরে বলল,
“তোমার বুকের বাম পাশের তিলটা… ভীষণ লোভনীয়।”
কথাটা শুনেই আইলিন যেন আরও সংকুচিত হয়ে গেল। তার মনে হচ্ছিল, যদি এখনই মাটি ফেটে যেত, তাহলে সেখানেই লুকিয়ে পড়তে পারত! লজ্জা আর অস্বস্তিতে সে প্রায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে—এটা ত্রিয়াশের চোখ এড়াল না।
সে এবার কণ্ঠটা আরও নরম করে বলল,
“তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে আসো।”
এতটুকু বলেই ত্রিয়াশ ওয়াশরুম থেকে বেরিয়ে গেল।
ত্রিয়াশ বেরিয়ে যেতেই আইলিন যেন দীর্ঘ এক নিঃশ্বাস ফেলল—একটু স্বস্তি ফিরে পেল। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে একবার দেখল সে। চোখে-মুখে এখনও লজ্জার আভা, তবে ধীরে ধীরে নিজেকে সামলে নিল। এরপর শান্তভাবে নিজের মতো করে ফ্রেশ হতে লাগল, যেন এই মুহূর্তের অস্বস্তি ধুয়ে মুছে ফেলতে চায়।
কিছু সময় পর আইলিন ফ্রেশ হয়ে ওয়াশরুম থেকে বের হলো। দরজা খুলে বাইরে পা রাখতেই সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ত্রিয়াশকে দেখতে পেল। আইলিনকে বেরোতে দেখে ত্রিয়াশ ধীরে ধীরে তার দিকে এগিয়ে এলো। তার চোখেমুখে এক ধরনের চিন্তার ছাপ স্পষ্ট। কাছে এসে সে আইলিনের হাতে একটি ঔষধ আর এক গ্লাস পানি তুলে দিয়ে নরম কণ্ঠে বলল,
“খেয়ে নাও, ব্যথা কমে যাবে।”
আইলিন কিছু একটা জিজ্ঞেস করতে যাচ্ছিল, কিন্তু ঠিক তখনই ত্রিয়াশের ফোন বেজে উঠল। ফোনের দিকে তাকিয়ে সে একটু বিরক্তির ভঙ্গিতে নিঃশ্বাস ফেলল, তারপর দ্রুত কল রিসিভ করে নিচে নেমে গেল। আইলিন কিছু বলার সুযোগই পেল না।
আইলিন কিছুক্ষণ স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। তারপর ধীরে ধীরে তার হাতে থাকা ঔষধটির দিকে তাকাল। ওষুধটি তার কাছে একেবারেই অচেনা মনে হলো। অসুস্থ হওয়ার পর থেকে সে এই ধরনের কোনো ঔষধ খায়নি। ভ্রু কুঁচকে সে ওষুধটির দিকে তাকিয়ে রইল—ত্রিয়াশ তাকে ঠিক কী খেতে দিয়েছে, তা বুঝতে পারল না।
গত কয়েক দিনে অনেক রকমের ঔষধ খেতে হয়েছে তাকে। সেই কারণেই হয়তো এই নতুন ঔষধটি খেতে তার একদমই মন চাইছিল না। মনে এক ধরনের অস্বস্তি কাজ করছিল। কিছুক্ষণ দ্বিধায় থাকার পর, হঠাৎ কী মনে করে সে ঔষধটি ডাস্টবিনে ফেলে দিল। পানিটাও আর ছোঁয়া হলো না।
শরীরটা বেশ দুর্বল লাগছিল তার। বুঝতে পারল, কিছু না কিছু খাওয়া দরকার। ধীরে ধীরে আয়নার সামনে গিয়ে দাঁড়াল। এলোমেলো চুলগুলো চিরুনি দিয়ে ঠিকঠাক করে নিল। তারপর যতটা সম্ভব নিজেকে গুছিয়ে নিল। মাথায় সুন্দর করে কাপড়টা জড়িয়ে নিল,
সবকিছু গুছিয়ে নিয়ে ধীরে ধীরে নিচে নেমে গেল আইলিন।
।
।
ঈদের পরের দিনের সকাল। সকালের নাশতা খেতে সবাই ডাইনিং টেবিলে জড়ো হয়েছে। ইউভি টেবিলের এক পাশে বসে পা দুলাতে দুলাতে সেমাই খাচ্ছে, তার পাশে বসে আছে নিলয়। নিলয় একটু ঝুঁকে ইউভির কানে কানে বলল,
“কিরে, ত্রিয়াশ তোকে কিছুই বললো না ?”
ইউভি নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে জবাব দিল,
“আগেই বলেছিলাম, কিছুই বলবে না।”
এরপর আর কথা এগোল না। একে একে সবাই নিজের জায়গায় বসে পড়ল। তিশা বেগম আর মুনিরা বেগম সবাইকে খাবার পরিবেশন করছেন। আইরা সোফায় বসে ফল খাচ্ছে, আর আইলিন নিচে নেমেই টেবিলে বসে পড়েছে। সবাই খেতে খেতে টুকটাক গল্পে মেতে উঠেছে।
হঠাৎ তিশা বেগম ত্রিয়াশের প্লেটে খাবার দিতে গিয়ে তার গলায় দাগ দেখতে পেয়ে অবাক হয়ে বললেন,
“বাবু, তোর গলায় এত আঁচড়ের দাগ কেন?”
তার কথা শুনে সবাই ত্রিয়াশের দিকে তাকাল। মায়ের এমন প্রশ্ন শুনে ত্রিয়াশ হঠাৎ কাশতে শুরু করল। মুনিরা বেগম দ্রুত পানির গ্লাস এগিয়ে দিলেন। সেই সময় তার চোখ গিয়ে পড়ল আইলিনের দিকেও—তার গলাতেও কালচে লাল দাগ স্পষ্ট। ত্রিয়াশ ঢকঢক করে পুরো গ্লাসের পানি শেষ করল।
এদিকে ইউভি মিটিমিটি হাসছিল। হাসি চেপে রেখে বলল,
“মামনি, তোমার বাবুর বাবুই দাগ করে দিয়েছে।”
ইউভির কথার অর্থ সবাই না বুঝলেও যারা বুঝেছে, তারা চুপিচুপি হাসতে লাগল। তিশা বেগম কিছু বলতে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই মুনিরা বেগম চোখের ইশারায় আইলিনের দিকে তাকাতে বললেন। আইলিনের ভেজা চুল দেখে তিশা বেগম সব বুঝে গেলেন। তার মুখে খুশির হাসি ফুটে উঠল—ছেলে অবশেষে আইলিনকে আপন করে নিয়েছে। তিনি আস্তে করে মুনিরা বেগমকে বললেন,
“ছেলের ভালোবাসা দেখে খুব ভালো লাগছে।”
এই কথাটা নাহিদ মির্জার কানে যায়। তিনি গলা খাঁকারি দিয়ে বললেন,
“আমি ঠিক করেছি, ইউভি আর নিশির বিয়েটা ধুমধাম করে দেবো। আগামী এক মাস পর আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে হবে।”
তার কথায় সবাই সম্মতি জানাল। ইউভিরও কোনো আপত্তি নেই। ধীরে ধীরে সবাই খাওয়া শেষ করে উঠে গেল। ছুটির দিন হওয়ায় সবাই এখন বসে আড্ডা দিচ্ছে।
ঠিক তখনই দেখা গেল নাহিদ মির্জা প্রস্তুত হয়ে কোথাও বের হচ্ছেন। ইউভি জিজ্ঞেস করল,
“এত সেজেগুজে কোথায় যাচ্ছো মামু?”
“ম্যানেজারের ছেলের জন্য মেয়ে দেখতে যাচ্ছি।”
“ও আচ্ছা, সাবধানে যাও।”
তিনি বেরিয়ে গেলে নিয়তি মাথা চুলকাতে চুলকাতে বলল,
“আচ্ছা, ইউভি ভাই, ছেলেরা শুধু মেয়ে দেখতে যায় কেন? মেয়েরা কি ছেলে দেখতে যায় না?”
তার কথার উত্তরে নিভান হাসতে হাসতে বলল,
“তোরা মেয়েরা গেলে বলবি—একই রঙের মধ্যে অন্য ডিজাইন দেখান! এই জন্যই তোরা ছেলে দেখতে যাস না!”
নিভানের কথা শুনে পুরো হলরুমে হাসির রোল পড়ে গেল। নিলয় পানি খাচ্ছিল, হাসতে গিয়ে মুখ থেকে পানি ছিটকে বেরিয়ে এল। কেউ হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাচ্ছে—ঘর ভরে উঠল আনন্দে।
।
।
হল রুমে থেকে উঠে আইলিন এগোচ্ছে তার শাশুড়ীর ঘরের দিকে। শাশুড়ী ডেকেছে। দরজার কাছে এসে দেখে তার শাশুড়ী কিছু একটা করছে। আইলিন নম্র সরে বলে,
“ মা, আসবো? ”
তিশা বেগম পিছনে ফিরে দেখেন আইলিন দাঁড়িয়ে আছে তিনি হাসি মুখে বলে,
“ মায়ের ঘরে আসতে কেউ পারমিশন নেয়। আয় ভেতরে আয়। ”
তিনি একটু এগিয়ে এসে বলে,
“ তুই করে বললাম রাগ করিসনা তুই তো আমার আরেক মেয়ে। ”
“ মায়েরা মেয়ে কে তুই করেই বলে, এতে বেশি ভালোবাসা থাকে। ”
তিশা বেগম আইলিন কে নিয়ে বিছানায় বসিয়ে দেয় পাশে নিজেও বসে। আইলিনের হাত নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে বলে,
“আমার ত্রিয়াশের জন্য তুই যোগ্য মেয়ে। আমার ছেলের মুখে, তোর কারণে হাসি দেখেছি। আমার ছেলে রাগি, কিন্তু অসম্ভব ভালোবাসতে জানে। তুই আমার ছেলেটাকে সবসময় নিজের আঁচলে আগলে রাখিস, মা।”
কথা গুলো আইলিন চুপ করে শুনলো। আর ভাবলো, আজকাল কার যুগেও শাশুড়ী বলছে আঁচলে আগলে রাখতে। অথচ কত শাশুড়ী বলে বেড়ায় আমার ছেলেকে জাদু করছে তাই বউয়ের আঁচল ধরে ঘোরে। আইলিন নিজের আরেকটা হাত তার শাশুড়ীর হাতে রাখলো, এতে যেন তিশা বেগম ভরসা পেলেন। তিনি বিছানা থেকে উঠে এক জোড়া বালা এনে আইলিনের হাতে পড়িয়ে দিয়ে বলল,
“ এটা আমার শাশুড়ী দিয়েছিল আজ তোকে দিলাম, যত্ন করে রাখিস। ”
আইলিন কিছু বলতে পারলো না। হঠাৎ খুজতে খুজতে ত্রিয়াশ এই ঘরে এসে আইলিন কে দেখে বলে উঠে,
“ ঘরে আসো কথা আছে। ”
বলেই চলে গেল। তিশা বেগম মুচকি হেসে বলে,
“ যা মা, আমার ছেলের কাছে যা। ”
আইলিন লজ্জা মাখা মুখে নিজের ঘরের দিকে হাটা ধরলো।
চলবে,,
[ বিঃদ্রঃ জনরাঃ (সামাজিক +রোমান্টিক) ভুল গুলো ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। সবাই দয়া করে রেসপন্স করবেন। আমি সম্পন্ন নতুন লিখি সে হিসাবে কেমন লিখি ছোট করে মন্তব্য করবেন। আমি নবীন লেখিকা আপনাদের ভালোবাসা আমার প্রেরণা। ]