তোমার জানু।"
আরশাদ চৌধুরী ফোনটা টেবিলের ওপর ছুড়ে দিলেন। তার মুখে একটা তাচ্ছিল্যের হাসি দিয়ে বলে,
“রুচিহীন! খুবই সস্তা রুচির ছেলে তোমার এই বয়ফ্রেন্ড। আলতাফ সাহেব, আপনার ভাগ্নি যে এতোটা নিচু রুচির ছেলের সাথে প্রেম করে সেটা জানতেন? যাক, আমার সন্দেহ দূর হয়েছে। কাবিরের মতো লায়নের সাথে এই মেয়ের কোনো সম্পর্ক থাকতেই পারে না।”
কাবির মনে মনে ভাবল, “ওই মেসেজটা কে পাঠাল?আমার নাম্বার কী কলিজার খাসি দিয়ে সেভ করে রেখেছে। ভীষণ চালাক তুমি আজ রাতে দেখা হবে। ”
আলতাফ রহমান কিছু বলতে যাবে কাবির তার মাকে বললো তার বাবাকে থামাতে। আলতাফ রহমান শুধু মুঁচকি হাসলেন।
কাবির তিথির দিকে তাকাতেই দেখল তিথি এক চোখ টিপে হাসছে। আসলে তিথি আগেই প্রমাকে দিয়ে এই মেসেজটা নিজের ফোনে পাঠাতে বলেছিল।
তিথি কাবিরের দিকে তাকিয়ে,
— “কী হলো ভাইয়া? হা করে তাকিয়ে আছেন কেন? খাসির মাংসটা তো ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে, খেয়ে নিন!”
কাবির রাগে আর অপমানে মাংসের টুকরোটা এমনভাবে চিবোতে লাগল যেন সে তিথিকেই চিবিয়ে খাচ্ছে।
#প্রণয়ের_আউড়ে
#পার্ট১৬
#লেখনীতে_সুমাইয়া_আক্তার_শিলা
#চলবে,,,,