পুরো বাড়ি জুড়ে এক এলাহি কারবার। প্রিয়া বাসন্তী রংয়ের শাড়ি পরেছে, তাকে আজ দারুণ মায়াবী লাগছে। ইমরান অত্যন্ত ভদ্র এবং মার্জিত স্বভাবের। সে হাসিমুখে সবার সাথে কুশল বিনিময় করছে।
আরশাদ চৌধুরীকে দেখে ইমরান বিনয়ের সাথে এগিয়ে এল।
— "আসসালামু আলাইকুম আঙ্কেল। আপনার আসার কথা শুনে আমরা খুব খুশি হয়েছি। অনেক কষ্ট করে এসেছেন, ভেতর চলুন।"
প্রিয়াও মুচকি হেসে বলল, "আঙ্কেল, আপনার কথা কাবির ভাইয়ার কাছে অনেক শুনেছি। চলুন, ভেতরে
বসবেন।"
ইমরানের বাবা তুহিন শিকদার আর মা ফাতেমা খানম বসার ঘরেই ছিলেন। তুহিন শিকদার একজন নামকরা ব্যবসায়ী। তিনি কাবিরের বাবা আলতাফ রহমান দেখে জড়িয়ে ধরলেন।
"আলতাফ ভাই! অনেকদিন পর দেখা হলো। আপনার মেহমান আরশাদ সাহেবকেও সাথে নিয়ে এসেছেন, আজ তো জম্পেশ আড্ডা হবে!"
"সারা, তোমরা ধোবাউড়ায় এসেছ, আজ কিন্তু আমি তোমাদের একদম ছাড়ছি না। সব নিজের হাতে রান্না করেছি।"
(ফাতেমা খানম সারা ইয়াসমিন এর বয়স থেকে বড় তাই নাম ধরে ডাকে)
সবাই যখন ড্রয়িং রুম থেকে উঠে খাবার ঘরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখনই তিথি তার মোক্ষম চালটা চালল। খাবার টেবিলের বিশাল আয়োজন দেখে সে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলল,
— "ফাতেমা আন্টি! তুহিন আঙ্কেল! আমি তিথি কাবির ভাইয়ের কাজিন। মনে আছে প্রিয়া আপু বিয়েতে আপনাদের সাথে আমার দেখা হয়েছিলো! "
তুহিন শিকদার ভাবুক দৃষ্টিতে তিথির দিকে তাকালেন। ফাতেমা খানমের চোখেও তখন বিস্ময় আর চেনা এক কৃতজ্ঞতার ঝিলিক। তারা দুজনেই যেন মুহূর্তের জন্য বিভীষিকাময় বিয়ের রাতটিতে ফিরে গেলেন।
*অতীত*
প্রিয়া আর ইমরানের বিয়ের রাত। ধোবাউড়ার এই প্রাচীন বাড়িটি সেদিনও আলোকসজ্জায় ঝলমল করছিল। বাড়ির ঠিক প্রধান ফটকের সামনে এসে থামল তুহিন শিকদারের গাড়ি।
তুহিন শিকদার আর ফাতেমা খানম গাড়ি থেকে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ড্রাইভারের আসনে থাকা লোকটি ছিল আসলে একজন ছদ্মবেশী ঘাতক, যে ড্রাইভারকে সরিয়ে আগেই সেখানে জায়গা করে নিয়েছিল।
গাড়ি থামার পর তুহিন শিকদার যখন দরজা খুলতে যাবেন, ঠিক তখনই সেই ছদ্মবেশী চালক সাইলেন্সার লাগানো পিস্তল বের করে তাদের দিকে তাক করে। গেটের বাইরে তখন ব্যান্ডের বাজনা আর মানুষের ভিড়, ভেতরে কী ঘটছে কেউ টেরই পাচ্ছিল না।
ঠিক সেই মুহূর্তে তিথি সে দিক দিয়ে যাচ্ছিলো। সে জানালার কাঁচ দিয়ে ভেতরের দৃশ্য দেখে ফেলে। কিছু না ভেবেই সে চিৎকার করে ওঠে এবং গাড়ির পেছনে রাখা একটি ভারি পাথরের শোপিস দিয়ে পেছনের কাঁচ ভেঙে ফেলে।
কাঁচ ভাঙার বিকট শব্দ আর তিথির চিৎকারে ঘাতক ভড়কে যায়। সেই মুহূর্তের সুযোগ কাজে লাগিয়ে তুহিন শিকদার লোকটির হাত চেপে ধরেন এবং ফাতেমা খানম চিৎকার করে লোকজনকে ডাকেন। ভিড় জমে যাওয়ার ভয়ে ঘাতক গাড়ি থেকে লাফিয়ে অন্ধকারে পালিয়ে যায়। তুহিন শিকদার ধনী মানুষ। তার শত্রুর অভাব নেই। তিনি বরাবরই কোথাও গেলে সাবধানে থাকেন তবে তার একমাত্র বড় ছেলের বিয়েতে তিনি আর গার্ড নেন নি।
******* বর্তমানে *********
তুহিন শিকদার স্মৃতির ঘোর কাটিয়ে বর্তমানে ফিরে এলেন।
"আলতাফ ভাই, আরশাদ সাহেব... আপনারা হয়তো জানেন না, এই মেয়েটি আমাদের কাছে কী। প্রিয়া আর ইমরানের বিয়ের রাতে বাড়ির ঠিক গেটের সামনে আমরা যখন নামতে যাব, তখন এই তিথি না থাকলে আজ আমাদের এখানে থাকা হতো না। ও সেদিন নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমাদের বাঁচিয়েছিল।"
ফাতেমা খানম এগিয়ে এসে আবেগপ্রবণ হয়ে তিথির চিবুক ছুঁয়ে দিলেন।
"সারা, তোমাদের এই মেয়েটি সেদিন আমাদের জন্য ফেরেশতা হয়ে এসেছিল। ওই ছদ্মবেশী শয়তানটার হাত থেকে আমাদের ও-ই টেনে বের করেছে। আজ আবার ওকে চোখের সামনে দেখে বুকটা ভরে গেল।"
সে মুচকি হেসে আলতাফ রহমানের দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে বলল,
—"দেখলেন তো আংকেল, আমি শুধু বকবক করি না, কাজের কাজও করি!"
(তিথি আর কাবিরের বিয়ের ব্যাপারটা ইমরানের পরিবার জানে না)
তিথি এইবার নাটকীয় ভঙ্গিতে হাত নাড়িয়ে বলে,
—“আপনারা কি জানেন আমাদের আরশাদ আঙ্কেল কিন্তু আজ একা খাবার খেতে আসেননি? উনি তো আসলে এখানে এসেছেন একটা বিশেষ উদ্দেশ্যে। ওনার এই যে বিষণ্ণ মুখ দেখছেন, এটা কাটাতে আমাদের সানজিদা খালাই যথেষ্ট!"
সারা ইয়াসমিন চোখ বড় বড় করে তাকালেন। তিনি বুঝতে পারছেন তিথি আবার কোনো বোমা ফাটাচ্ছে। তিনি ইশারায় তিথিকে থামতে বললেন, কিন্তু তিথি তখন সানজিদা খালার হাত ধরে আরশাদ চৌধুরীর একদম পাশের চেয়ারে বসিয়ে দিচ্ছে।
"আঙ্কেল, লজ্জা পাচ্ছেন কেন? বলেই ফেলুন না যে সানজিদা খালার হাতের তৈরি পিঠা খাওয়ার জন্যই আপনি ইতালি থেকে ধোবাউড়ায় ছুটে এসেছেন! তুহিন আঙ্কেল, আপনাদের এই ঐতিহাসিক বাড়িতে যদি একটা ঐতিহাসিক বিয়ের সানাই বাজে, মন্দ হবে না কিন্তু!"
আরশাদ চৌধুরীর হাত থেকে পানির গ্লাসটা পড়ে যাওয়ার দশা! তিনি বুঝতে পারছেন কাবিরের বাবা-মায়ের সামনে তার ইজ্জত নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে। তুহিন শিকদার আর ফাতেমা খানম কথাটার রসিকতা বুঝতে পেরেও একটু অবাক হলেন।
কাবির তখন তিথির কাছে কাছে যেতে গিয়েও থেমে যায়। তার সারা শরীরে রাগ চনমন করছে। সে দেখছে আরশাদ চৌধুরী কেমন সন্দিহান দৃষ্টিতে সবার দিকে তাকাচ্ছেন। কাবির জানে, আরশাদ চৌধুরী যদি মনে করেন তাকে অপমান করা হচ্ছে, তবে পুরো পরিবেশটাই বিষিয়ে উঠবে।
কাবির এবার সরাসরি তিথির দিকে তাকাল। তার দৃষ্টিটা ছিল বরফশীতল।
"তিথি, বড়রা যখন কথা বলছে বা খাবার খাচ্ছে, তখন মাঝখানে এমন ছেলেমানুষি করা ঠিক না।উনি একজন সম্মানিত মেহমান, ওনাকে নিয়ে এসব ফাজলামো বন্ধ করো।"
"আরে কাবির ভাইয়া! আপনি তো দেখি রেগে গেলেন। আঙ্কেল কি আমার কথায় রাগ করেছেন? করেছেন আঙ্কেল? দেখুন, রাইনা আপু আপনার মেয়ে আর আমি আপনার নাতনির মতো। নাতনি কি দাদুর বিয়ে নিয়ে একটু মজা করতে পারে না?"
আরশাদ চৌধুরী দাঁত কিড়মিড় করে কোনোমতে নিজেকে সামলে নিলেন। তিনি কাবিরের দিকে তাকিয়ে বললেন,
—"কাবির, তোমার কাজিন তো বেশ সাহসী! আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দিতেও ভয় পায় না।"
কাবির এবার কোনো উত্তর দিল না। সে শুধু দেখল তিথি এক ঝটকায় সানজিদা খালার প্লেটে সব চেয়ে বড় মাছের টুকরোটা আরশাদ চৌধুরীর প্লেট থেকে তুলে এনে দিল। পুরো খাবার ঘরে এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতা নেমে এল।
রাইনা বিরক্ত হয়ে বলল,
—"ড্যাড! আমরা কি এখানে সার্কাস দেখতে এসেছি? চলো তো!"
খাবার ঘরের এই উত্তপ্ত আর মজার পরিস্থিতির মাঝে সাদ্দাম ফিসফিস করে আহনাফকে বলল,
— "আহনাফ, তিথি তো দেখি মাফিয়ার গুহায় ঢুকে বাঘের নাকে কাঠি দিচ্ছে। আজ রাতে কাবির নির্ঘাত ওকে কাঁচা চিবিয়ে খাবে!"
তিথি কাবিরের দিকে তাকিয়ে মনে মনে বলল, —"আপনি আমাকে এড়িয়ে চলবেন? আর আমি আপনাকে শান্তিতে থাকতে দেব? নেভার মিস্টার ড্রাকুলা!"
বিশাল ডাইনিং টেবিলে রাজকীয় আয়োজন। ধোঁয়া ওঠা বাসমতী চালের পোলাও, খাসির রেজালা, আর চিতল মাছের কোপ্তার ঘ্রাণ ম ম করছে। প্রিয়া আর ইমরান দুজনেই খুব তদারকি করছে।
ইমরান বড় একটা বাটি এগিয়ে দিয়ে বলল,
— "আঙ্কেল, এই রেজালাটা আমাদের ধোবাউড়ার বিখ্যাত বাবুর্চির হাতে করা। একটু চেখে দেখুন।"
প্রিয়া হাসিমুখে তিথির পাতে এক টুকরো বড় মাছ তুলে দিয়ে বলল,
— "তিথি, তুই তো কথা বলতেই ব্যস্ত, খেয়ে দেখ রান্না কেমন হয়েছে।"
তিথি প্রিয়ার দিকে তাকিয়ে চোখ টিপল। তারপর সবার দিকে তাকিয়ে খুব আয়েশ করে গল্প শুরু করল। সে এখন সবার মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু। তুহিন শিকদার আর ফাতেমা খানমের সাথে সে এমনভাবে গল্প করছে যেন কত বছরের চেনা!
তিথি ফাতেমা খানমের দিকে তাকিয়ে বলল,
— "জানেন আন্টি, আপনার এই রান্না খেয়ে তো মনে হচ্ছে আমি এখানেই থেকে যাই। আপনার ছেলে ইমরান ভাইয়া তো দেখি ভীষণ লাকি! প্রিয়া আপুর মতো বউ আর আপনার মতো মা—উনি তো জান্নাতের টিকেট পেয়ে গেছেন!"
ইমরান লজ্জা পেয়ে হাসল। তুহিন শিকদার হো হো করে হেসে উঠলেন। সারা ইয়াসমিন আর আলতাফ রহমানও তিথির এই প্রাণবন্ত কথা শুনে বেশ উপভোগ করছেন। শুধু একজন মানুষ একদম নিশ্চুপ। সে হলো কাবির।
কাবির ঠিক তিথির বিপরীতে বসে আছে। তিথি যখন সবার সাথে হাসাহাসি করছে, কাবির তখন যান্ত্রিকভাবে খাবার মুখে তুলছে আর আড়চোখে তিথিকে দেখছে। তিথির প্রতিটি হাসিতে কাবিরের ভেতরটা কেমন যেন তোলপাড় হচ্ছে। তিথি একবারও কাবিরের দিকে তাকাচ্ছে না,যেন কাবির ওখানে উপস্থিতই নেই!
তিথি হঠাৎ সাদ্দামের দিকে ঘুরে বলল,
— "সাদ্দাম ভাইয়া, আপনি তো ইউনিভার্সিটির লেকচার দিতে দিতে গম্ভীর হয়ে গেছেন। প্রিয়া আপুর শ্বশুরবাড়ির এই অসাধারণ দইটা খেয়ে দেখুন তো, আপনার মস্তিষ্কের সব জট খুলে যাবে কি না!"
সাদ্দাম দইয়ের চামচ মুখে দিয়ে বলল,
— "জট খুলুক আর না খুলুক,তোমার কথা শুনতে শুনতে আমার হজম কিন্তু ভালোই হচ্ছে তিথি!"
*******
টেবিলের অন্য প্রান্তে বসে থাকা আরশাদ চৌধুরী আর রাইনা যেন এই খুশির আমেজ থেকে একটু আলাদা। আরশাদ চৌধুরী গম্ভীর মুখে খাচ্ছেন আর আড়চোখে তিথির চঞ্চলতা লক্ষ্য করছেন। রাইনা বারবার কাবিরের মনোযোগ পাওয়ার চেষ্টা করছে, কিন্তু কাবিরের চোখ জোড়া যেন তিথির ওপর আঠা দিয়ে লাগানো।
তিথি এবার তার প্লেট পরিষ্কার করে হাত ধুয়ে গ্লাসটা হাতে নিল। তারপর কাবিরের দিকে এক সেকেন্ডের জন্য সরাসরি তাকিয়ে একদম শান্ত গলায় বলল,
— "খাবারটা দারুণ ছিল! কিন্তু কিছু কিছু মানুষের মুখ দেখে মনে হচ্ছে তারা খাবারের চেয়ে রাগ চিবিয়ে খাচ্ছে বেশি।""
"খাবার টেবিলে অতিরিক্ত কথা বলাটা অভদ্রতা, তিথি। সবার খাওয়া শেষ হলে তোমার সাথে আমার কিছু জরুরি কথা আছে।"
কাবিরের এই সরাসরি চ্যালেঞ্জে তিথির বুকটা একবার কেঁপে উঠল ঠিকই, কিন্তু সে বাইরে তা প্রকাশ করল না। সে মিষ্টি করে হেসে ইমরানকে বলল,
— "ইমরান ভাইয়া, চলুন তো! আপনার ওই বাগানটা একটু দেখে আসি। কিছু মানুষের জরুরি কথা শোনার চেয়ে বাগানের ফুল দেখা অনেক বেশি আরামের।"
প্রিয়া আর ইমরান হেসে উঠল। সবাই হাত ধুয়ে উঠে পড়ছে ড্রয়িং রুমের দিকে যাওয়ার জন্য। কিন্তু কাবির উঠে দাঁড়াল না। সে বসেই রইল, তার দৃষ্টি তখনো তিথির চলে যাওয়ার পথের দিকে স্থির।
খাবার শেষ করে সবাই যখন ড্রয়িং রুম আর বাগানের দিকে ছড়িয়ে পড়ছে, তখন প্রিয়া আর ইমরান ব্যস্ত হয়ে পড়ল বাকি মেহমানদের তদারকি করতে। বাড়িতে মানুষের ঢল নেমেছে, তাই তারা দুজনেই সেদিকে ছুটল।
ঠিক সেই মুহূর্তে ড্রয়িং রুমের প্রধান দরজা দিয়ে ভেতরে ঢুকল এক যুবক। পরনে আকাশী রঙের শার্ট, চোখে চশমা। দেখতে ভীষণ ইনোসেন্ট আর শান্তশিষ্ট হলেও তার হাঁটাচলায় একটা আভিজাত্য আছে। সে হলো ইমরানের ছোট ভাই, ফাহিম শিকদার। সাতাশ বছর বয়সী এই ছেলেটি যেমন ঠান্ডা মাথার, তেমনি তার কথা বলার স্টাইলও আকর্ষণীয়।
ফাহিম আসতেই তুহিন শিকদার পরিচয় করিয়ে দিলেন। ফাহিম সবার সাথে কুশল বিনিময় করে সোজা গিয়ে দাঁড়াল তিথির সামনে। তিথি তখন একপাশে দাঁড়িয়ে কাবিরের গম্ভীর মুখটা আড়চোখে দেখছিল।
ফাহিম তিথির দিকে তাকিয়ে খুব মোলায়েম সুরে বলল,
— "ভাইয়া ঠিকই বলেছিল, আমাদের বাড়িতে আজ এক অপূর্ব সুন্দরী পরীর আগমন ঘটেছে। আপনিই নিশ্চয়ই তিথি?"
তিথি প্রথমে একটু অবাক হলেও, যখন দেখল কাবির দূর থেকে তপ্ত চোখে তাদের দিকে তাকিয়ে আছে, সে সাথে সাথে তার বিচ্ছু হাসিটা মুখে ফিরিয়ে আনল।
সে একটু ঝুঁকে ফাহিমকে সালাম দিয়ে বলল,
— "পরী কি না জানি না ফাহিম ভাইয়া, তবে আপনার এই বাড়িতে এসে তো মনে হচ্ছে আমি কোনো রাজপ্রাসাদে ঢুকে পড়েছি। আর রাজপুত্রের অভ্যর্থনা পেলে কার না ভালো লাগে?"
#প্রণয়ের_আউড়ে
#পার্ট২০
#লেখনীতে_সুমাইয়া_আক্তার_শিলা
#চলবে
বিঃদ্রঃ আপনাদের কী মনে হয় ফাহিম কী খলনায়ক?? যে কাবিরের থেকে তিথিকে ছিনিয়ে নিবে!নাকি নতুন কোনো রহস্যের সূচনা হবে?
⭕আজকের পার্ট কেমন হয়েছে?? আমি রেগুলার হতে পারবো না এই জন্য আমি ক্ষমা চাচ্ছি। ভুল ক্রটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। হ্যাপি রিডিং 💘🎉