ফন্ট সাইজ:
থিম:
ছায়ার নজরে

বৃষ্টির রাতে খেলা

লেখক: তাহমিনা

আকাশ জুড়ে তখন কালো মেঘের রাজত্ব।রাত প্রায় সাড়ে বারোটা। পুরো চৌধুরী ম্যানশন নিস্তব্ধ। নিচতলায় বড়রা অনেক আগেই ঘুমিয়ে পড়েছে। আর উপরের তলায় নিজেদের রুমে রয়েছে সাইফ, সাইফা, নোভা, এলিসারা, সাফোয়ান, রিয়ান।সাইফা বাদে মনে হয় সবাই ঘুমিয়ে গিয়েছিল। দূরে কোথাও মাঝেমধ্যে বজ্রপাতের আলো জানালার কাঁচে ঝলসে উঠছে।বৃষ্টির টুপটাপ শব্দ ধীরে ধীরে বাড়ছে।নিজের বিছানায় শুয়ে শুয়ে বিরক্ত হয়ে উঠল সাইফা।গত কয়েকদিন ধরে সাইফ ভাই তাকে ওষুধ খাওয়ানো, সময়মতো ঘুমানো, সময়মতো খাওয়া—এসব নিয়ে এমনভাবে ব্যস্ত যে তার মনে হচ্ছে সে মানুষ না, কোনো VIP project।জানালার বাইরে তাকাতেই তার চোখ চকচক করে উঠল।বৃষ্টি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও ঘন হয়ে উঠেছে। কালো মেঘে ঢেকে গেছে পুরো আকাশ। দূরে দূরে বজ্রপাতের আলো মাঝে মাঝে রাতের অন্ধকার চিরে ঝলসে উঠছে।জানালার কাঁচে টুপটাপ করে আছড়ে পড়া বৃষ্টির শব্দ শুনতে শুনতে তার ভেতরটা অস্থির হয়ে উঠেছে।সে দ্রুত উঠে বসল।

— "আজকে কেউ আমাকে আটকাইতে পারবে না।"

অবশেষে আর থাকতে না পেরে বিছানা থেকে নেমে দাঁড়াল সে।কিন্তু পরক্ষণেই তার মাথায় আরেকটা চিন্তা এল।সাইফ নামের ইবলিস পোকা।লোকটা যদি জেগে থাকে তাহলে আজকের মিশন শুরু হওয়ার আগেই শেষ। ধীরে ধীরে দরজা খুলে বাইরে বেরিয়ে এল সে।খালি পায়ে টিপটিপ করে হেঁটে গিয়ে থামল সাইফের রুমের সামনে।দরজাটা অল্প ফাঁক ছিল।সাইফা উঁকি দিল।তারপর স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল।সাইফ গভীর ঘুমে।বিছানার একপাশে আধশোয়া হয়ে আছে। এলোমেলো চুল কপালের উপর নেমে এসেছে। বুকের উপর একটা হাত রাখা।

— "আলহামদুলিল্লাহ। শয়তান ঘুমাইছে।"

ফিসফিস করে বলেই দ্রুত সরে গেল সে। সাইফা ধীরে ধীরে সিঁড়ি বেয়ে ছাদে উঠে এলো। ছাদের দরজা খুলতেই ঠান্ডা বাতাস ঝাপটা মেরে মুখে এসে লাগল।বৃষ্টি তখন আরও জোরে নামছে।প্রথমে কয়েক ফোঁটা।তারপর ধীরে ধীরে পুরো শরীর ভিজে গেল।আজ তার পরনে ছিল কালো-সাদা নকশার একটি ঢিলেঢালা বাঙালি পোশাক, ঠিক যেন পুরোনো দিনের কোনো রাজকন্যা। আর তার সেই বিখ্যাত ঘন কালো চুলগুলো ছিল খোঁপা করা। চুল এতটাই লম্বা যে হাঁটু ছাড়িয়ে আরও নিচ পর্যন্ত নেমে গেছে। হাঁটার সময় চুলগুলো তার পায়ের সঙ্গে আলতো ছুঁয়ে যায়। সাইফার সাদা- কালো নকশার জামাটা বৃষ্টিতে ভিজে শরীরের সঙ্গে লেগে গেছে। খোঁপা খুলে গিয়ে চুলগুলো পিঠ জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।সাইফা দুই হাত ছড়িয়ে চোখ বন্ধ করল। আর তার ভেজা চুলগুলো পিঠ বেয়ে নিচে নেমে এসেছে। হাঁটু ছাড়ানো কালো চুলগুলো বৃষ্টির পানিতে আরও ভারী হয়ে গেছে। দূর থেকে তাকে যেন স্বপ্নের মতো লাগছিল।শীতল পানির স্পর্শে তার মুখে হাসি ফুটে উঠল।— "আহহ...তার ওই ঠান্ডা চোখের চাহনি মনে পড়লেই সব সুন্দর মুহূর্তও অস্থির হয়ে যায়।"

বৃষ্টির নিচে ধীরে ধীরে ঘুরতে লাগল সে।তারপর নিজের মনেই বলতে শুরু করল— "এই সময়টা যদি সাইফ ভাই আমার সাথে থাকত..."

সাইফা এই কথা বলে মুখ বাঁকাল।

— "না না, ওইটা অসম্ভব।এক নম্বরের শয়তান। নিজেও ভিজবে না, আমাকেও ভিজতে দিবে না।"

আরেকটু হেঁটে গিয়ে রেলিংয়ের পাশে দাঁড়াল।

— "আর কয়দিন ধরে যে ওষুধ খাওয়াইতেছে!মনে হয় বিয়ের আগেই আমারে দশটা বাচ্চার মা বানানোর প্ল্যান ছিল পরে আবার সেই প্ল্যান বাতিল করে দিয়েছে।"

নিজের কথাতেই হেসে ফেলল সে।তারপর তার মাথায় মনে খালি একটা জিনিসই ঘুরপাক খেতে ছিল। পরে দিয়ে সে গুনগুন করে গাইতে শুরু করল

"এক গুচ্ছ কদম হাতে ভিজতে চাই তোমার সাথে"

আর সেই সময় বজ্রপাত হলো।বৃষ্টি আরও জোরে নামতে লাগল।ঠিক তখনই...তার পেছন থেকে পরিচিত গভীর কণ্ঠ ভেসে এল।

— "সরি পাখি এই রাতে কদম কোথাও পাব না কিন্তু আমার সাথে ভিজতে পারবা"

সাইফার পুরো শরীর কেঁপে উঠল আর বলে উঠলো "ইয়া আল্লাহ!"ভয়ে প্রায় লাফিয়ে ঘুরে দাঁড়াল সে।দেখল কয়েক কদম দূরে দাঁড়িয়ে আছে সাইফ।কালো টি-শার্ট পুরো ভিজে গেছে।চুল থেকে টপটপ করে পানি পড়ছে।আর সেই পরিচিত বাদামী চোখ দুটো সরাসরি সাইফার দিকে তাকিয়ে আছে।সাইফার গলা শুকিয়ে গেল।মাথার ভেতর শুধু একটা প্রশ্ন ঘুরছে।সে কি আমার সব কথা শুনে ফেলেছে?

— "তুমি..."

— "হুম আমি।"

— "তুমি ঘুমাইছিলা না?"

— "ঘুমাইছিলাম।"

— "তাহলে?"সাইফ ধীরে ধীরে এগিয়ে এল।

— "কারণ আমার স্ত্রী খুব চালাক হওয়ার চেষ্টা করছিল।"

সাইফা ঢোক গিলল।

— "মানে?"

— "মানে উঁকি মারার সময় একটু আস্তে মারতে হয়।"

সাইফার চোখ বড় হয়ে গেল।ধরা খেয়ে গেছে পুরোপুরি।সাইফ ঠোঁটের কোণে হাসি টেনে আরও কাছে এল।বৃষ্টির শব্দের মাঝেও দুজনের নিঃশ্বাস যেন স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে।

— "আর একটা কথা।"

— "কি?"

— "আমি নাকি শয়তান?"সাইফা চোখ নামিয়ে ফেলল।

— "আমি...মানে..."

— "আর আমি নাকি তোমাকে ভিজতে দিই না?আর দশটা বাচ্চা?"

— "সাইফ ভাই!"লজ্জায় তার কান পর্যন্ত লাল হয়ে গেল।সাইফ হেসে ফেলল।কিন্তু পরের মুহূর্তেই তার হাসিটা মিলিয়ে গেল। কারন সাইফা বৃষ্টিতে ভিজায় তার জামা শরীরের সাথে মিশে গিয়েছে। আর মিশে যাওয়াতে সাইফার সব কিছুই বুঝা জেতেছে।সাইফের চোখ দুটো অদ্ভুত গভীর হয়ে উঠল।সেই পুরনো কবরস্থানের রাতটার মতো।যে রাতে প্রথমবার সাইফা বুঝেছিল, এই ছেলেটার ভেতরে এমন অনেক অনুভূতি আছে যেগুলো সে মুখে বলে না।বৃষ্টি ঝরছে আর বজ্রপাত হচ্ছে।আর সাইফ শুধু তাকিয়ে আছে তার দিকে।যেন পৃথিবীর বাকি সবকিছু থেমে গেছে।সাইফার বুকের ভেতর ধকধক শব্দ শুরু হলো।

— "কি দেখতেছ?"ধীর কণ্ঠে জিজ্ঞেস করল সে।সাইফ কয়েক সেকেন্ড চুপ রইল।তারপর খুব আস্তে বলল

— "আমাকে এক মুহূর্তে ছন্নছাড়া করে দেওয়া আমার প্রিয় সেক্সি গার্লকে..."

কথাটা শুনে সাইফা স্থির হয়ে গেল।কখনও কখনও কয়েকটা সাধারণ শব্দ হাজারটা প্রেমের স্বীকারোক্তির চেয়েও বেশি শক্তিশালী হয়।আর সেই মুহূর্তে...দুজনেই দুজনের দিকে তাকিয়ে ছিল। হঠাৎ করে সাইফের কি জেনো হয়ে যায় সে ধীরে ধীরে সাইফার দিকে এগোচ্ছে। বৃষ্টির ফোঁটা তার কাঁধ ভিজিয়ে দিচ্ছে, তবুও সে থামছে না। সাইফা পিছিয়ে যেতে থাকে। শেষ পর্যন্ত পিছিয়ে যেতে যেতে সাইফা ছাদের রেলিংয়ের কাছে গিয়ে দাঁড়াল। পিছে আর কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই—শুধু বৃষ্টি পড়ছে আর অন্ধকার আকাশ আরও ঘন হচ্ছে।বাতাসটা হঠাৎ একটু ভারী হয়ে এলো।

রেলিংয়ের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা সাইফার দিকে সে একদৃষ্টে তাকিয়ে রইল। তার চোখে কোনো তাড়াহুড়া নেই—শুধু এক অদ্ভুত শান্ত, কিন্তু চাপা তীব্রতা।আরেক ধাপ এগিয়ে এসে সে থামল খুব কাছে। বৃষ্টি তখনও থামেনি। ছাদের রেলিংয়ের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সাইফা আর এক পা পেছাতে গিয়েও থেমে গেল—সাইফ তাকে খুব কাছে টেনে নিয়েছে।এক হাত তার কোমরে, দৃঢ় কিন্তু নিয়ন্ত্রিতভাবে ধরে রেখেছে, যেন এই মুহূর্তটা থেকে সে আর সরে যেতে পারবে না।রেলিংয়ের ঠান্ডা লোহার সঙ্গে হালকা ঠেকে গিয়ে সাইফা একটু থমকে গেল। তার শ্বাস ভারী হয়ে এলো, আর চোখে অদ্ভুত অস্থিরতা।সাইফ ধীরে সাইফার দিকে মাথা নিচু করল। সাইফ আলতো ভাবে সাইফার নিচের ঠোঁটে চুমু দিলো।ঠিক তখনই সাইফা হঠাৎ চোখ বন্ধ করে ফেলল আর সাইফ তার সেক্সি গার্লের ঠোঁটে কামড় মেরে দেয়। সাইফা ব্যাথ্যা সরে যেতে চায় কিন্তু সাইফা তাকে আর ছাড়ে না।তাদের মাঝের যেই দূরত্বটা ছিল আর সেটা আর প্রায় রইল না।তার ভেতরের অস্থিরতা আর বৃষ্টির শব্দ এক হয়ে যাচ্ছিল। আর সাইফ তার দুষ্টু কন্ঠে বলে উঠে

—"কি গো তোমার শাস্তির তা কি উপভোগ করবা না?"

সাইফের কথার মানে সাইফা একটু হলেও বুঝতে পেরেছে। এর জন্য সে নাটকীয় ভাবে বলে উঠে।

—"আল্লাহ আমি তো খুব পাপ করে ফেলেছি। এর জন্য আমার শাস্তিটা কখন শুরু হবে?"

এইবার সাইফ কিছু না বলে থাকে কোলে নিয়ে ফেলে। তারপর সাইফ তার ও তার প্রেয়সীরকে নিয়ে সাইফের রুমে নিয়ে যায়। কিছু করার আগে তো তাদের ভিজা কাপড় পরিবর্তন করা উচিত। তার জন্য সাইফ নিজের হাতেই তার সেক্সি রমণীর কাপড় পরিবর্তন করে দেয়। কিন্তু সাইফার গায়ে তেমন কিছু দেয় নাই সাইফ।শয়তান সাইফের শার্ট দেয় পড়তে। আর পড়েও কি লাভ? কিছু খন পর এমনিতেও সব ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকবে। এর জন্য আমাদের সাইফ আগের মতো অপ্রস্তুত না।আজকে পুরো প্রস্তুতি নিয়ে সে মাঠে নামে।

সাইফা ছিলো সাইফের বিছানার উপরে বসা।আর সাইফ তো বাথরুম থেকে বের হয়ে সাইফার কাছে যায় না। সে এক পাশ থেকে দড়ি নিয়ে আশে। সাইফা এইসব দেখে এইবার সত্যিই ভয় পেয়ে যায়। সে ফিসফিস করে বলে

—" তু..তুমি কি আমাকে মা..মারবা" সাইফ তখনও কিছু বলে নাই। তার মুখে ফুটে উঠে অজানা এক অদ্ভুত হাসি। যেই হাসি দেখে সাইফা এইবার সত্যিই ভয় পায়।সাইফ দড়ি + টেপ নিয়ে আশে সাইফার কাছে। আর সাইফা সে তো এই ইবলিসের কাছ থেকে দূরে যেতে ছিল।সাইফা পিছে যেতে যেতে সে বিছানার শেষ প্রান্তে চলে গিয়েছে। সাইফ এইবার সাইফাকে সেইখান থেকে একটানে তার কাছে নিয়ে আসে। আর তার পর কি হতে পারে?

তার পর শুরু হয় সাইফের ঠোঁট ছুয়ে গেলো সাইফার কাধেঁ, গালে,স্তনে এক একটা আলতো চুমুতে। সাইফার কাধেঁ চুমু দেওয়ার সময় সে সাইফার গায়ের শার্ট টা খুলে ফেলে। শার্ট খুলার পর সে সাইফার স্তনের কাছে যাওয়ার পর দেখে তার কবরস্থানের দেও দাগ টা এখনও আসে।সাইফ ফিসফিস করে বলে

—" আমার চিহ্ন তো এখনও যায় নাই আর যাবেও না "

সাইফা কিছুই বলে না সে নিরবে এইসব দেখে যাচ্ছে। পরে সাইফ তার ঠোঁটের কাছে যায় এবং সাইফার ঠোঁটে সাইফ এর ঠোঁট বসিয়ে দেয়।তার হাত উঠে গেল সাইফের কাঁধের দিকে, শক্ত করে ধরে কাধঁ এখন মনে হয় কাধ বললেও ভুল হবে। সাইফা তো তার নোখের এক একটা আচোর সাইফার পিঠে বসিয়ে দিয়েছে।যেন এই মুহূর্তটা থেমে না যায়।আর সাইফ তার পিঠ থেকে সাইফার হাত কখন যে মানিয়ে ফেলছে সাইফাও জানে না। তো এই সুযোগে সাইফার হাত দড়িটা দিয়ে বেদে ফেলে। আর বিছানার মাথায় সঙ্গে তার হাত বেদে ফেলে।এবং টেপ টা তার মুখে লাগিয়ে দেয়। যেনো চিৎকার না করতে পারে।কারন একটু বেশি কিছু করে ফেললে সাইফা চিৎকার করে তাই। এইটার প্রমান হলো কবরস্থানের ঘটনা। সাইফা যখন এইটা বুঝে উঠে তখন দেরি হয়ে যায়। সে হাত ছাড়ানো অনেক চেষ্টা করে কিন্তু কোনো লাভ হয় না উল্টো তার হাত লাল হয়ে যায়। আর কিছু বলতেও পারে না। সাইফা ছাড়া পাওয়ার জন্য কিছু একটা বলে কিন্তু টেপের নিচে তার এক একটা বাক্য টেপের নিচে চাপা পরে যায়। আর সাইফের হাত সাইফার কোমরের ওপর হাত রাখে,শক্তভাবে সাইফাকে বিছানার সাথে আটকে রাখে। সাইফের স্পর্শ সাইফার শরীর জড়িয়ে যাচ্ছে।সাইফার ভয় আর উত্তেজনায় মিশ্রণে তাকে আরও উত্তেজিত করে তুলেছে।সাইফার এলোমেলো চুল গুলো ভুতের মতো করে তার মুখের সামনে এসে পড়ে।আর সাইফ সেটা একজন দায়িত্ববান পুরুষের মতো করে সরিয়ে দিলো। সাইফের গভীর চোখ সাইফার শরীরের প্রতিটা প্রতিক্রিয়া মনোযোগ দিয়ে লক্ষ করছে।সাইফার শরীর উত্তেজনায় কেঁপে উঠে,আর সাইফে প্রতিটা স্পর্শ সাইফাকে আরও পাগল করে দিচ্ছে।সাইফা প্রতিটি আনন্দ ও প্রতিটি স্পর্শ তাকে হাপিয়ে তুলেছে। সাইফ এইবার তার জিব সাইয়ার নারী স্বত্ত্বায় অনুভব করতেই এক বন্য শিৎকার বেরিয়ে এলো।এই অনুভুতি সাইফাকে ঘিরে ধরে।আর তার একটু পরেই সাইফা তার দুই উরুর মাঝে তার আঙুলের স্পর্শ পায়।এবং সে এই অনুভুতি অনুভব করতে গেলের একটু তো ব্যাথ্যা সয্য করতে হবে।সাইফা এই অনুভুতি তে খেলবে আব্র এই ব্যাথ্যাও সয্য করবে না। সাইফের আঙুল সাইফার নারীস্বত্ত্বার ভিতর চলমান।সাইফা ব্যাথ্যা পাচ্ছে এবং আনন্দও। সাইফের এইবার ফিসফিস করে বলে

—" তোমার মুখে টেপ আমি খুলে দিবো যদি তুমি চিল্লা পাল্লা না করো।"

সাইফা মাথা নাড়া দিয়ে বুঝায় সে চিল্লা পাল্লা করবে না এইসব উত্তেজনার খেলা চলতেছে আর সাইফতার ঠোঁটের ছোয়া সাইফার নাভির এক্তু নিচে ছোয়ায় এর পর কামড় বসিয়ে দেয়। সাইফ এইবার থেকে যায় থেমে গিয়ে সাইফায় হাত আর মুখের টেপ খুলে দেয় সাইফা এতক্ষণে। সাইফা আধসোয়া থেকে উঠে বসতে যাবে ঠিক তখনই সাইফা তাকে ধরে আবার সোয়ায় দেয় আর পুরো শরীরে উষ্ণ চুমু দিতে শুরু করে।আর ছন্নছাড়া কন্ঠে বলে

—"এখনও তো মাইন কাজই শেষ করি নাই এর আগেই ভাগছো?

সাইফা একঘন্টা পর গিয়ে ঠিক মতো উত্তর দিতে পারে।

—"আর কত করবা ভাই? মেরে ফেলবা নাকি?"

—"যতখন আমার ইচ্ছা হবে"

দ্বিতীয়বারের মতো এইবার সে তার পুরুষাঙ্গ ঢুকালো। এইবার সে পুরো প্রটেকশন নিয়েই ঢুকিয়েছে। যেনো বংশবৃদ্ধি এতো তাড়াতাড়ি না হয়। সাইফা ভাবতেছে ওর তো আর কিশোর কিশোরীর মতো ভার্জিনিটি এখন আর নেই।বিয়ের আগেই সে এইটা হারিয়েছে তাও আবার তারই ইবলিশের কাছে। সাইফা যখনই তার পুরুষাঙ্গ বাহিরে বের করে তখনই সাইফার মুখ থেকে সেক্সি শব্দ বের হয়। আর মাঝে মাঝে সাইফার আর্তদান শুনা যায়। সাইফা তাও মাঝে তো তার কাদো কাদো কন্ঠে বলে

—"এইবারের মতো ছেড়ে দেও, পরে আবার কইরো"

—" শাস্তি তো শাস্তি হয়, এখন ছাড়লে পরে আর এত সহজে তোমাকে কাছে পাবো না "

—"পাবা এইবার এর মতো দয়া করো"

—" আমার মনে কোনো দয়া মায়া নাই, আর পেলেও হাঙ্গার পর পামু"

সাইফার আর কোনো উপায় নাই বাঁচার এখন যদি কেও এসে তাকে বাঁচায় তাহলে সে এই শয়তানের কাছ থেকে মুক্তি পাবে। দীর্ঘ কয় এক ঘন্টা যাবোত এইসব চলমান ছিল। রাত বারোটা থেকে শুরু কিন্তু শেষ কখন হবে? কেওই তা জানে না। যখন সাইফ ব্রেক নিছে ঠিক তখনই তার প্রিয় বন্ধ মানে তার সব মেয়ের ক্রাশ ফোন দিছে। আর সাইফের ফোন ছিল তার বালিশের নিচে। ফোন বেজে উঠে কিন্তু এইখানে একটা আকাম হয়ে যায় তা হলো ফোনের রিংটোন। সাইফের ফোন সব সময় সাইলেন্ট থাকে। তার জন্য বেশিরভাগ মানুষ তার ফোনের রিংটোন শুনে নাই। তার ফোনের রিংটোন টা এমন ছিলো।

"আসলে ছেলে ভালো"

"শুধু রাতে একটু খায়"

"আসলে ছেলে ভালো"

"শুধু রাতে একটু খায়"

"সব সময় খায় না তা-ও"

"সব সময় খায় না তা-ও"

[Note: প্রিয় পাঠিকা ও পাঠকবৃন্দ,

আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আমার পরীক্ষার কারণে আগামী ১৩ তারিখ পর্যন্ত এই উপন্যাসের নতুন Chapter প্রকাশ বন্ধ থাকবে।

পরীক্ষা শেষ হলেই আবার আগের মতো নিয়মিতভাবে প্রতিটি Chapter আপনাদের জন্য নিয়ে আসব।

আশা করি আপনারা বিষয়টি বুঝবেন এবং ধৈর্য ধরে আমার পাশে থাকবেন।

ধন্যবাদ।

— সাদিয়া আক্তার তাহমিনা]

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে বৃষ্টির রাতে খেলা শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন