#আমরণ_আসক্তি
#অপূর্ব
#পর্বসংখ্যা_০৬
🚫❌
(১৮+) প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য। গল্পটা অতিরিক্ত রোমান্টিক চাইলে স্কিপ করে যেতে পারেন। [সবার চিন্তাধারার সাথে গল্পটি নাও মিলতে পারে]
⚠️
~(ডার্ক রোমান্টিক + থ্রিলার টাইপ গল্প পছন্দ না করলে এড়িয়ে যান)~
________________________________
ঘড়ির কাঁটা রাত এক'টার ঘরে.........
আবরার বাড়ির সামনের বড় মাঠ প্রাঙ্গনে এসে অর্থর ব্লাক ফেরারি গাড়িটি থামে। অর্থ গাড়ি থেকে নেমে দাঁড়ায়। দুই ঠোঁটের ফাঁকে একটা জ্বলন্ত সিগারেট। অর্থ ডান পায়ে লাথি দিয়ে গাড়ির দরজা বন্ধ করে দেয়। এরপর সিগারেটে পরপর কয়েকটা টান দিয়ে সেটা অদূরে ছুড়ে ফেলে, বাড়ির ভেতরের দিকে এগিয়ে যায়। সেই সকালের দিকে খুনের খবর পেয়ে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে ছিলো,সব কাজ শেষ করতে গিয়ে এতো রাত হয়ে গেছে।
----------
অর্থ দরজা ঠেলে বেডরুমে প্রবেশ করে। পুরো শরীর ঘেমে-নেয়ে একাকার। অর্থর গরম একটু বেশি তাই অনেক সময় এসিতে থাকলেও ঘেমে যায়।
অর্থ বিরক্তি তে চোখ মুখ কুঁচকে বাম হাতের আঙুলের সাহায্যে মুছতে গিয়ে চোখ পড়ে বিছানার উপর। যেখানে আয়াত চুপটি করে ঘুমিয়ে আছে। আলো জ্বালিয়ে রাখাতে আয়াতের মুখাবয়ব স্পষ্ট। মেয়েটার ঘুমন্ত চেহারা যেন অদ্ভুত এক মায়া ছড়াচ্ছে। অর্থর দৃষ্টিতে শীতলতা ভর করলো, সে দীর্ঘক্ষণ চেয়ে রইলো আয়াতের দিকে। সারাদিনের রাগ, ক্লান্তি আর বিরক্তি যেন এক মুহুর্তেই মিইয়ে গেছে। অর্থ ফ্যালফ্যাল করে আয়াতের দিকে চেয়ে আছে, ঠিক কতক্ষণ তা জানা নেই অর্থর।
অর্থ নিজেকে স্বাভাবিক করে আলমারি থেকে ড্রেস আর তোয়ালে নিয়ে ওয়াশরুমে চলে যায়।
দুই মিনিটের মধ্যেই অর্থ শাওয়ার নিয়ে বেড় হয়। পড়নে শুধু একটা সাদা ট্রাওজার। অর্থর শরীর আর চুল বেয়ে টুপটুপ করে জল গড়িয়ে পড়ছে। নিলাভ চোখ জোড়া পানিতে ভিজে যেন আরো আকর্ষণীয় হয়ে ওঠেছে। ক্লিন সেভ করা চোয়ালে লেগে থাকা পানি বিন্দু মুক্তার মতো চিকচিক করছে।
অনেকেই অর্থ কে দেখে আকর্ষীত হয় তবে অর্থর একমাত্র আসক্তি তার সামনে গাট্টি মেরে শুয়ে থাকা পরীর মতো মেয়েটি। শাড়ি পড়ে আয়াত কে মারাত্মক সুন্দর লাগছে। অর্থ একটা শক্ত ঢোক গিলল তার ঠোঁট জুড়ে প্রাপ্তির হাসি ফুটে উঠলো। সে এগিয়ে গিয়ে টেবিলের উপর থেকে রিমোট নিয়ে এসি অন করে বিছানায় উঠে আয়াত কে জড়িয়ে ধরে শুয়ে পড়ে।
অর্থ আয়াতের ঘাড়ের কাছে মুখ গুজে শাড়ির ফাঁক গলিয়ে আয়াতের উন্মুক্ত পেটে হাত রাখে।
শরীরের মাঝে শীতল স্পর্শ পেয়ে আয়াত নিদ্রার মাঝেও মৃদু কেঁপে ওঠে। ক্রমান্বয়ে অর্থ স্পর্শ লাগামহীন হয়। আয়াত ঘুমের ঘোরেই নড়াচড়া করে নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করছে তবে লাভ হচ্ছে না। বিরক্তিতে আয়াতের চোখ-মুখ কুঁচকে আসে।
তবে অর্থ সেসব পাত্তা দিলো না, সে আয়াতের কপালে কপাল ঠেকিয়ে মৃদুস্বরে গেয়ে ওঠে,
— Ehsaas nahi tujhko...!
[তুমি ভাবতেও পারবে না]
— Main pyar karu kitna...!
[আমি তোমাকে কতটা ভালোবাসি]
— Kar dunga tujhe pagal...!
[তোমাকে পাগল করে দেবো]
— Chahunga sanam itna...!
[হে প্রিয়, তোমাকে এতটাই চাইবো]
আয়াতের ঘুমে এবার অতিরিক্ত ব্যাঘাত ঘটছে। তার ঘুম না ভাঙলেও তার রাগ আর বিরক্ত বাড়ছে প্রচুর।
আয়াত ঘুমের ঘোরে অজান্তেই অর্থর ডান গালে ঠাস করে একটা থাপ্পড় মেরে দিলো, অতঃপর বিরক্তিতে বিরবির করে,
—সড়ে যা হুলো বেড়াল!
এহেন কাণ্ডে অর্থ পুরো বোকা বনে গেছে। মুহুর্তেই তার চোয়াল শক্ত হয়ে গেলো। আয়াত যে এমন কিছু করবে অর্থ সেটা কল্পনাও করতে পারে নি।
অর্থ আয়াতের মুখ পানে রাগী দৃষ্টি ফেলে। এসবে আয়াতের কোনো ধ্যান নেই সে এখনো দিব্বি গভীর ঘুমে তলিয়ে আছে।
আয়াতের নিষ্পাপ মুখখানি দেখে অর্থর চেহারা কিছুটা শিথিল হলো। সাধারণত থাপ্পড় খাওয়ার পর অর্থর মতো কঠোর ব্যক্তিত্বের পুরুষের অনেক রেগে যাওয়ার কথা, তবে অর্থর চেহারায় তেমন কিছুই প্রকাশ পেলো না উল্টো সে মৃদু ঠোঁটে বাঁকালো। এরপর নেশাক্ত কণ্ঠে আওড়ালো,
—ইউ আর মাই পারসোনাল এঞ্জেল!
কথাটুকু শেষ করতেই অর্থ হঠাৎ করেই আয়াতের ওষ্ঠদ্বয় গভীর ভাবে আঁকড়ে ধরে। নিদ্রারত অবস্থাতেও আয়াতের শরীর শিহরিত হলো যেন। আয়াত প্রথম কয়েক মুহূর্ত চুপ থাকলেও কিছুক্ষণ পর ছটফট করতে শুরু করলো, নিশ্বাস আটকে আসছে তার। আয়াত ঘুমের মাঝেই হাত মোচড়া-মুচড়ি করছে,ভীষণ ছটফট করছে তবে কোনো কিছুতেই লাভ হচ্ছে না। আয়াতের ঘুমেরা সব পালিয়ে গেলো সে তড়াক করে চোখ মেলে তাকিয়ে অর্থকে নিজের এতো কাছে দেখে আরো ছটফট করে, অর্থ তবুও ছাড়লো না। আয়াত অর্থর উদাম শরীরে একের পর এক খাঁমছি দিলো। অর্থ দীর্ঘ ১৫ মিনিট পর আয়াত কে ছেড়ে দিলো। আয়াত বুক ধরফর করছে, ঘনঘন নিশ্বাস ফেলছে মেয়েটা।
কয়েক মিনিট পর আয়াত নিজেকে যথাসম্ভব স্বাভাবিক করে, চোখ গরম করে অর্থর দিকে তাকিয়ে বলে,
—অসভ্য লোক! ঘুমিয়েও শান্তি দেয় না!
আয়াতের দৃষ্টি রেখে অর্থ কয়েক মুহূর্ত চুপ করে রইলো অতঃপর তির্যক হেসে বলে,
—ভেরি গুড, বেবি! তুমি ঘুমাচ্ছো তাই ভাবছিলাম কিস করে ছেড়ে দেবো, তবে এখন যখন ঘুম ভেঙেই গেছে তখন কাবাটি খেলতে তো হবেই!
অর্থর হেয়ালি কথা বুঝতে আয়াতের কিছুটা সময় লাগলো তবে বোঝার সাথে সাথে মৃদু চেঁচিয়ে বলে,
—এইইই নাহ্! আর না আমার পুরো শরীর ব্যাথা করছে!
অর্থর হাসি প্রসারিত হলো। অর্থ আয়াত কে নিজের সাথে জড়িয়ে নিয়ে এক এক করে তার শাড়ির ভাজ খুলতে খুলতে মোহিত কণ্ঠে গেয়ে ওঠে,
—অভদ্র হয়েছি আমি তোমারই প্রেমে....!
—তাই কাছে আসো না, আরো কাছে আসো না....!
—ইশ কথা বলো না, কোনো কথা বলো না....!
অর্থর আচরণ এবং তার গান শুনে লজ্জায় আয়াতের মুখ লাল হয়ে গেছে। সে অর্থর বুকে মৃদু ধাক্কা দিয়ে বলে,
—সড়ুন অসভ্য লোক!
অর্থ গান গাওয়া থামিয়ে বাম হাতের আজলায় আয়াতের মুখ নিয়ে তার গালে নিজের গাল ঠেকিয়ে ফিসফিসিয়ে বলে,
—ওই যে বললাম, অভদ্র হয়েছি আমি তোমারই প্রেমে!
আয়াতের মনে অদ্ভুত এক অনুভূতি বাসা বাধলো। পুরো শরীরে যেন তড়িৎ প্রবাহিত হলো! আয়াত আবেশে চোখ বন্ধ করে নিলো।
অর্থ আয়াতের মতিগতি বুঝতে পেরে ঠোঁট বাকিয়ে হাসলো।
এরপরে কোনো ভনিতা ছাড়ায় আয়াতের ঠোঁট জোড়া নিজের আয়ত্তে নিয়ে নেয়। আয়াত বাঁধা দিলো না বরং নিজেও অর্থর মাঝে মত্ত হলো।
------
সময়ের সাথে সাথে দুজনের উন্মাদনা বেড়ে চলেছে। অর্থর হাত আয়াতের পুরো শরীরে বিচরণ করছে। অনেকক্ষণ ধরে একটু একটু করে অর্থ আয়াতের শাড়ির ভাজ খুলছিলো এবার সেটা নাগালে আসতেই একটানে পুরো টা খুলে ফেলে। এরপর আয়াত কে অন্য দিকে ঘুড়িয়ে দিয়ে আয়াতের ব্লাউজের চেইন নিজের দাঁত দিয়ে খুলে ফেলল। এরপর মেয়েটাকে পুনরায় নিজের দিকে ঘুরিয়ে মেয়েটার ওই দুইটা দুই হাতে চাপতে লাগলো, কয়েক মুহূর্ত পর একটা মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করে। আয়াত উত্তেজনায় দাঁতে দাঁত চেপে চোখ খিচে বন্ধ করে আছে। অর্থ আয়াত কে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে আরও ভালো করে নিজের কাজে মনযোগ দেয়। উন্মাদনায় আয়াত অর্থর চুল টেনে ধরে শব্দ করে ওঠে,
—উমহ্! আহ্! উমহ্! উমহ্!
আয়াতের এমন নেশাক্ত শব্দ চয়ন যেন অর্থর উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিলো।
[বিঃ দ্রঃ সুইটহার্টেরা তোমরা আমার এই গল্পটার পাশাপাশি আমার (হৃদ মাঝারে) (রংধনু) আর (বোকা পাখি) গল্প ও পড়তে পারো, ভালো লাগবে আশা করি! আর হ্যাঁ তোমাদের জন্য সুখবর আমার রংধনু গল্পটা যদি সবাই মিলে আর ৫ দিনের মধ্যে ১k করে দিতে পারো তাহলে আমরণ আসক্তি গল্পের পর্ব গুলো আরো দ্রুত দিবো।
----- গল্পটা কেমন লাগতেছে জানাতে ভুলবে না এবং একটা লাইক দিয়ে যাবে, কারণ তোমাদের প্রতিটি লাইক কমেন্ট আমাকে গভির ভাবে অনুপ্রাণিত করে]
গল্পের নিয়মিত আপডেট পেতে আমার ফেইসবুক আর (টিকটক আইডি– writer apurbo) ফলো করে দিও😊
ধন্যবাদ সবাইকে🥰
~চলবে~