ফন্ট সাইজ:
থিম:
মন প্রাঙ্গনের বৃষ্টি

পর্ব 44

লেখক: কংকা চৌধুরী

#মন_প্রাঙ্গণের_বৃষ্টি
#লেখনীতে_কংকা_চৌধুরী
(৪২) এর প্রথমাংশ

শাহনাব এমন কিছু করে বসবে ইশতেহার চৌধুরী কল্পনাও করতে পারেননি। ইরা নির্লজ্জের মতো হাসছে। কোনভাবেই হাসি কন্ট্রোল করতে পারছে না সে । শাজনাবের মুখের দিকে তাকানোই যাচ্ছে না। অপরদিকে মিথিলা দ্রুত এক গ্লাস লেবুর শরবত নিয়ে সোফায় বসেছে খাওয়ার জন্য। শামীমা চৌধুরী এখনো মাথায় হাত দিয়ে বসে আছেন। ইশতেহার চৌধুরী শাহনাবের সামনে এসে দাঁড়ালেন। অত:পর ক্ষীণ কন্ঠে বললেন,

" মাঝরাতে বিয়ে করাটা কি খুব বেশি প্রয়োজন ছিলো শাহনাব? সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে, আমরা নাহয় বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে যেতাম। আমাদের কি টাকা-পয়সা কম ছিলো, যে এভাবে পালিয়ে বিয়ে করতে গেলে। লোকে শুনলে কি বলবে।"

শাহনাব স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এখনো। তার মুখ দিয়ে কোন শব্দ বের হচ্ছে না। ইশতেহার চৌধুরী গলা পরিস্কার করে আমতাআমতা করে বললেন,

" ঠিক আছে। যা কথা বলার সকালে বলবো। এখন ভেতরে এসো। "

শাহনাবের দিকে না তাকিয়ে ইরা অতি উচ্ছ্বাস নিয়ে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে। শাহনাব এখনো দাঁড়িয়ে আছে দেখে আবারও পিছিয়ে গিয়ে তার পাশে এসে দাঁড়ায়। ইরার কান্ড দেখে শাহনাব দাঁতে দাঁত খিঁচে মনে মনে বলে,

" একবার ভেতরে ঢুকে আবার আমার পাশে এসে দাঁড়ানোর মানে কি? এই মেয়ের জন্য আজ সব হয়েছে। মন চাইছে ধরে মাথাটা ফাটিয়ে দিই।"

নিজেকে শান্ত করে শাহনাব নিজের ঘরের দিকে চলে যেতেই ইরাও তার পিছু পিছু সেই ঘরে গেলো৷ ইশতেহার চৌধুরী শামীমা চৌধুরী কে বুঝিয়ে শুনিয়ে ঘরে নিয়ে গেলেন। ইরা এদিক ওদিক তাকিয়ে শাহনাবের পুরো ঘর পর্যবেক্ষণ করছে। শাহনাব একটিবারের জন্যেও ইরার দিকে ফিরে তাকালো না। আজ যা হয়েছে এসবের জন্য নিজের মাথায় দুটো বারি দিতে মন চায়ছে তার।

" আমি কোথায় ঘুমাবো? "

" আমার মাথায়!"
" কি বললেন?"

শাহনাব রাগান্বিত দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে সোফায় শুয়ে পরে। শাহনাবকে বিছানায় শুতে না দেখে সোফায় শুতে দেখে ইরা তার কাছে এসে দাঁড়ায়। অত:পর কোমড়ে হাত দিয়ে শাহনাবের দিকে তাকিয়ে জিগ্যেস করলো,

" বাংলা সিনেমা পেয়েছেন নাকি? বিছানায় না শুয়ে এখানে শুয়ে পড়লেন কেন?"

শাহনাব ভ্রু কুঁচকে তাকালো তার দিকে। অত:পর তার কথার জবাবে বললো,

" এই মেয়ে... "

" এই মেয়ে কি? আমার একটা নাম আছে। ইরা বলে ডাকবেন আমায়।"

" আমার সাথে একদম লাগতে আসবে না বলে দিচ্ছি। আজকে তুমি যদি আমার উপর পানি না ঢালতে তাহলে এসব কিছুই হতো না।"

শাহনাবের কথায় ইরা ভাবলেশহীন ভাবে উত্তর দিয়ে বললো,

" আল্লাহ যা করে ভালোর জন্যই করে। আর আপনিই বা এতো রাতে ওইখানে কি করতে গিয়েছিলেন?"

ইরার প্রশ্নের উত্তর দিতে পারলো না শাহনাব। তাই সে চুপ করে বসে রইলো। তাতে ইরার কি! সে দিব্যি আরাম করে বিছানায় শুয়ে পরেছে। শাহনাব ইরার দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলে শুয়ে পরলো। ঘুম আসছে না। একটু পরেই সকাল হয়ে আসবে, অথচ চোখে তার ঘুম নেই।

ইশিতা খিলখিল করে হাসছে, এ হাসি আর থামার নয়। আদ্রিয়ান অন্যদিকে মুখ করে নখ কামড়াচ্ছে। ইশিতা রীতিমতো তাকে ভেঙাচ্ছে।

" জ্বিন! জ্বিন!"

আদ্রিয়ানকে নকল করে আবারও হাসতে লাগলো৷ আদ্রিয়ান লজ্জ্বায় তার দিকে তাকাতে পারছে না। মূলত জানলার পাশে বসে ইশিতা আদ্রিয়ানকে টর্চার করছে। আদ্রিয়ান মিনমিন করে বললো,

" এইভাবে অত্যাচার করার কি মানে আছে? মানুষ কি ভয় পেতে পারে না। আমি কি ভয় পেয়েছি নাকি! শুধু ওই একটু আধটু আরকি। তাই বলে এভাবে লজ্জ্বা দেওয়ার মানে কি?"

নূর বিছানায় বসে ইশিতার কান্ডকারখানা দেখছে। মেয়েটা কি ঘুমাবে না নাকি,সকাল তো হয়ে এসেছে প্রায়। নূর আরও একবার ইশিতাকে ডাকলো,

" ইশিতা ঘুমাতে এসো। "

সে হেলেদুলে নূরের পাশে এসে বললো,

" এতো বড়ো ছেলে আবার ভয় পায়। কি চিৎকার টাই না করেছিলো। আমি তো ভেবেছিলাম সত্যি সত্যি জ্বিন এসেছে।"

" আর কত হাসবি একটা ব্যপার নিয়ে?"

" একটা ব্যপার মনে হচ্ছে তোমার? আদ্রিয়ান ভাইয়ার যেভাবে চিল্লিয়ে সারা গ্রাম এক করেছে, জ্বিন যদি সত্যি সত্যি থাকতো না তাহলে নির্ঘাত লুঙ্গি খুলে পালাতো।"

" হয়েছে, ঘুমাও। সকালে স্কুলে যেতে হবে।"

আদ্রিয়ান গাড়ির ভেতর বসে দেখলো নূরের ঘরের আলো বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আজ বেশ শান্তি লাগছে। শাহনাবের বিয়ে নিয়ে সবথেকে বেশি খুশি আদ্রিয়ান নিজেই। অত:পর কিছু একটা ভেবে সে ফিক করে হেসে ফেললো। মিনমিন করে বললো,

" এবার আয় আমার বউ নিয়ে টানাটানি করতে।একদম বেশ হয়েছে।"

সূর্যের সোনালী আভা চোখে এসে পড়তেই শাহনাবের ঘুম ভাঙে। চোখের সামনে হঠাৎ ইরাকে ঝুকে থাকতে দেখে সে হকচকিয়ে যায়। অত:পর ভ্রু কুঁচকে জিগ্যেস করে,

" তুমি এই বাড়িতে কি করছো? "

শাহনাবের প্রশ্নে ইরা খানিকটা অবাক হয়ে বললো,

" কাল যে আমাদের বিয়ে হয়েছে ভুলে গেলেন? আর কিছুদিন পার হলে তো বউ আছে এটাও ভুলে যাবেন। "

শাহনাবের সবকিছু মনে পড়তেই সে কপালে হাত দিয়ে বললো,

" সামনে থেকে সরো। এভাবে সং এর মতো দাঁড়িয়ে আছো কেন?"

ইরা তার কথা ভ্রুক্ষেপ করলো না। বরং লাল শাড়ির আঁচল মাথায় সুন্দর করে দিয়ে জিগ্যেস করলো,

" কেমন লাগছে আমায়? "

" জঘন্য! "

দুধের মতো ফর্সা রঙে লাল শাড়ি বেশ মানিয়েছে। সকালে মিথিলাকে দিয়ে পাঠিয়েছিলো শামীমা চৌধুরী। শাহনাবের কথায় মুখ ভেঙ্গচিয়ে সে নিচে চলে গেলো। ইরাকে দেখে শামীমা চৌধুরী মুচকি হাসলেন। বউমা তার পছন্দ হয়েছে তবে হুট করে বিয়ে সেরে নেওয়ায় ছেলের উপর কপট রাগ জমা হয়েছে। ইরা চা বানানোর জন্য তার পাশে এসে দাঁড়িয়ে যায়। ইরা বেশ মিশুক প্রকৃতির হওয়াতে সবার সাথে খুব সহজেই মিশে না। তার হাঁটু ছুঁইছুঁই চুল থেকে টপটপ জল পড়ছে।

" মা, আমি করি?"

" আজ নয় কাল থেকে করো। এতো তাড়াহুড়োর কিছু নেই।"

" আপনি কি আমার উপর রাগ করে আছেন মা?"

ইরার মুখে এমন প্রশ্ন শুনে থমকে গেলেন শামীমা চৌধুরী। তিনি ভালো করে পর্যবেক্ষণ করলেন ইরাকে। অত:পর বললেন,

" পুতুলের মতো একটা মেয়ের উপর রাগ করে থাকা যায়? আমি তোমার উপর কেন রাগতে যাবো? আমি তো ওই শয়তানের উপর রাগ করেছি। এতোই বিয়ের তাড়া ছিলো যে মাঝরাতে বিয়ে সেরে এসেছে। এইটুকু ধৈর্য্য ও নেই।"

ইরা ঠোঁট টিপে হাসতে লাগলো তার কথায়।কয়েক মুহুর্তের মাঝে ভালোই মিল হয়েছে শ্বাশুড়ি বউমার। শাহনাব ফ্রেশ হয়ে আসতেই দেখলো তার দলের ছেলে নুরুল ফোন করেছে। ফোন রিসিভ করার সাথে সাথেই সে বলে উঠলো,

" আমরা তো ভেবেছিলাম আপনি নূর ভাবিকে বিয়ে করবেন কিন্তু আপনি তো ছক্কা মেরে দিলেন ভাই।পরীর মতো একখান বউ পাইছেন।"

" চুপ কর হাদারাম! নূরকেই বিয়ে করতে গিয়েছিলাম। কট খেয়ে একে বিয়ে করতে হলো। "

শাহনাবের কথায় বেকুব হয়ে গেল নুরুল। কি বলবে ভাষা খুঁজে পেলো না। সে কিছু বলতে যাবে তার আগেই শাহনাব ফোন সুইচ অফ করে দেয়। বিরক্ত লাগছে সবাইকে। সে মনে মনে ভাবলো, নূর কি ভাবছে কে জানে। নূরকে সত্যিটা বলা উচিৎ তার। যেই ভাবা সেই কাজ। দ্রুত তৈরি হয়ে নিচে এসে দেখে সবাই খাবার টেবিলে বসে আছে।শাহনাব আসতেই শামীমা চৌধুরী আড়চোখে তার দিকে তাকান। ইরাকে দেখে মেজাজ খারাপ হয়ে গেলো শাহনাবের, কিন্তু ভুল যখন করেছে কি আর করার। কিছু না বলে বের হতে যাবে ঠিক তখনি শামীমা চৌধুরী বললেন,

" আজ তুমি কোথাও যেতে পারবেনা। সবাই নতুন বউ দেখতে আসবে, তোমাকে সারাদিন বাড়িতেই থাকতে হবে। "

" মা, আমি কেন বাড়িতে থাকব? সবাই বউ দেখতে আসবে জামাই তো দেখতে আসছে না। আর আমার খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা কাজ আছে, আমি বাড়িতে থাকতে পারবো না। "

শামীমা চৌধুরী তার কান মলে দিয়ে বললেন,

" বিয়ে করার সময় মনে ছিল না? বিয়ে যখন করেছো, সব দায়িত্বও পালন করতে হবে। চুপচাপ ঘরে যাও।"

উপায় না পেয়ে সে ঘরে চলে যায়। যএতে যেতে মিনমিন করে বলে উঠে,

" ধ্যাত! এবার এই আদ্রিয়ান আমার থেকে এক কদম এগিয়ে যাবে। ধুর!!"

ইরা শাহনাবের নাস্তা প্লেটে করে নিয়ে উপরে দিয়ে আসে। সে জানে শাহনাব তাকে এখনো মেনে নিতে পারছে না, তবে এতে তার আফসোস নেই।

রাসেল রিকশা একপাশে রেখে ডলি বেগমের ঘরে ঢুকে। ডলি বেগমের চাচাতো ভাইয়ের ছেলে রাসেল। ছোটবেলায় বাপ মা ম'রে যাওয়ার পর রিকশা চালিয়ে নিজের খরচ নিজে চালায়। দেখতে শুনতে লাখে একজন সে। প্রতিদিনের মতো আজকেও ইরাকে ডাকতে ডাকতে তার ঘরে গিয়ে দেখে ইরা নেই। ইরাকে সেই কবে থেকে ভালোবাসে রাসেল। কিন্তু ইরা রাসেলকে দুচোখে দেখতে পারে না। মূলত রিকশা চালায় বলেই ইরা তাকে পছন্দ করে না। আজ সদাই ভালো হওয়ায় মালিককে টাকা দেওয়ার পর বাকি টাকা দিয়ে এক ডজন চুড়ি কিনে নিয়ে আসে ইরার জন্য। তবে ইরাকে দেখতে না পেয়ে সে ডলি বেগমের ঘরে গিয়ে দেখতে পায় তিনি একা বসে মাছ কাটছেন। পাশে ইরা নেই। রাসেলকে দেখে ডলি বেগম বললেন,

" কেমন আছিস রাসেল? কখন এলি বাবা?"

" এইতো কিছুক্ষণ আগেই এসেছি। ইরা কোথায় ফুপু? "

রাসেলের কথায় তিনি থম মেরে বসে থাকেন। তাকে চুপ করে থাকতে দেখে রাসেলের মনে ভয়ভীতি জেগে উঠে। সে বিচলিত হেসে বলে উঠে,

" কোথাও বেড়াতে গেছে ফুপু?"

" ইরার বিয়ে হয়ে গিয়েছে, চৌধুরী সাহেবের ছেলের সাথে।"

ডলি বেগমের কথা শুনে রাসেল যেন কথা বলতে ভুলে গিয়েছে। এসব কি বলছে ফুপু! সে মনে মনে ভাবে ডলি বেগম হয়তো মজা করছেন। তাই সে কাঁপা কাঁপা গলায় বললো,

" তুমি মজা করতাছো ফুপু? ইরা পাখিরে আমি মেলা ভালোবাসি। সত্যি কইরা বলো ফুপু ইরা কই গেছে?"

" সত্যি কথাই বলছি। গতকাল রাতেই বিয়ে হযয়ে গিয়েছে ইরার। এখন শ্বশুরবাড়িতে আছে সে।"

রাসেল ধপ করে বসে পড়লো মেঝেতে। সবকিছু কেমন যেন এলোমেলো লাগছে তার। অত:পর হাত পা ছড়িয়ে কাঁদতে কাঁদতে বললো,

" তুমি আমার লগে এমনটা কেমনে করলা ফুপু? আমি তো বলছিলাম আমি ইরা পাখিরে বিয়ে করমু। "

ডলি বেগম কিছু বলতে পারলেন না। অসহায় দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন তার দিকে। রাসেল মেঝে থেকে উঠে চোখ মুছে বললো,

" আমি নিয়া আসমু ওরে। ওর সংসার হইব আমার লগে। আমার ইরা পাখিরে আমি লইয়া আসমু।"

ডলি বেগম ভয় পেয়ে গেলেন তার কতজায় তিনি রাসেলকে থামাতে বললেন,

" রাসেল বাপ শোন। এমন করিস না।"

সে শুনলো না। ছুটে গেলো চৌধুরী বাড়িতে। ইরাকে সাজিয়ে দিচ্ছে পার্লারের মেয়েরা। শামীমা চৌধুরী তাদের ডেকে এনেছেন কারণ আজ অনেক মানুষ তাদের দেখতে আসবে। বাড়ির বাইরে কারো চিৎকার চেঁচামেচি শুনে সবাই ছুটে আসে। ইরাকে দেখে রাসেল তার হাত দুটো খপ করে ধরে বললো,

" আমি তোমারে নিতে আইছি ইরা। চলো আমার লগে।"

শাহনাব ততক্ষণে নিচে চলে এসেছে, ইরা ও রাসেলকে এই অবস্থায় দেখে সে কিছু বললো না। পলকহীন দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো। সবাইকে তাকিয়ে থাকতে দেখে ইরা রাসেলের কাছ থেকে দূরে সরে গিয়ে বলে,

" আমি কোথাও যাবো না। আমার স্বামী সংসার ছেড়ে আমি কেন ফিরে যাবো?"

ইরার মুখে সংসার শব্দ শুনে রাসেল জমে গেলো মুহূর্তেই। সে তার কাঁপা কাঁপা হাত ইরার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বললো,

" তোমার জোর কইরা এইহানে থাকতে হইব না ইরা। আমি তোমারে লইয়া যামু। কেউ তোমারে কিছু কইব না।"

" অনেক হয়েছে রাসেল ভাইয়া। আপনি প্লিজ এবার আমার জীবন থেকে সরে যান। আমি আমার স্বামী সংসার নিয়ে সুখে আছি। আমি কেন আপনার সাথে ফিরে যাব, কিসের জন্য ফিরে যাবো? দয়া করে চলে যান এখান থেকে। আমাকে সংসার করতে দিন। "

চলবে,,

(সবাই ১.৫ কে করে দিন প্লিজ। বেশি বেশি রেসপন্স করবেন। পর্ব বাড়াবো না তাই প্রত্যেকটা পর্ব বড়ো করবো এখন থেকে নাহয় দুই ভাগ করে বেশি করে দিবো। )

গল্প নিয়ে প্রশ্ন কিংবা গল্পের সকল আপডেট জানতে জইন হোন আমার গ্রুপে
https://facebook.com/groups/4214405902220456/

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 44 শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন