#মন_প্রাঙ্গনের_বৃষ্টি
#লেখনীতে_কংকা_চৌধুরী
( ৫১) এর প্রথমাংশ
( কপি করা সম্পুর্ণরুপে নিষিদ্ধ)
কাল বাচ্চাদের আকিকা করানো হবে তাই ইলহাম দুটো ছাগল ও দুটো বড়ো দেখে মহিষ কিনে এনেছে একটু আগেই । গোয়ালঘরে ছাগল দুটি ও দুটি মহিষ বেঁধে রাখা হয়েছে। ভোরের আলো ফুটতেই আল্লাহর নামে সেগুলো জবাই করা হবে। কাল যেহেতু শুক্রবার, আদ্রিয়ানের অফিস বন্ধ। পুরো গ্রামবাসীকে দাওয়াত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইলহাম, এবং তার পুরো দায়িত্ব আদ্রিয়ানের কাঁধে। নূর আরহামকে কোলে নিয়ে রোদ পোহাতে গিয়েছে। সুরাইয়া শাহ পইপই করে বলে দিয়েছেন যেন বাচ্চা দুটোকে প্রতিদিন রোদ পোহাতে নিয়ে যায়। তিনি অসুস্থ মানুষ হওয়ায় যেতে পারছেন না, নাহয় নিজেই নাতিদের নিয়ে সময় কাটাতেন। ভাগ্যিস নূর ছিলো নাহয় পায়রাকে প্রচুর হিমসিম খেতে হতো ছেলে দুটোকে নিয়ে। বাচ্চাগুলো বেশ দুরন্ত হওয়ায় পায়রা একা হাতে পেরে উঠে না। বিশেষ করে আয়ান। প্যান্ট পড়ানোই যায় না তাকে, মুহুর্তেই ভিজিয়ে ফেলবে। আদ্রিয়ান আপাতত দাওয়াতের তালিকা তৈরিতে ব্যস্ত। কার বাড়িতে ক'জন মানুষ, কাকে আগে খবর দিতে হবে, কী কী আয়োজন বাকি, সবই মনোযোগ দিয়ে লিখে নিচ্ছে সে। ঠিক তার পাশেই নরম বিছানায় শুয়ে আছে আয়ান। ছোট্ট দুই হাত মুঠো করে কখনো নড়াচড়া করছে, কখনো আবার চোখ মেলে তার দিকেই একদৃষ্টে তাকিয়ে আছে।আদ্রিয়ান কলম থামিয়ে একবার আয়ানের দিকে একপলক তাকালো। ক্ষুদ্র দুটি চোখ গভীর কৌতূহল নিয়ে তার মুখটাই দেখছে। আদ্রিয়ান আলতো করে আয়ানের গালে আঙুল ছুঁইয়ে দিল। সঙ্গে সঙ্গেই আয়ান হাত নেড়ে হাসি দিলো। আদ্রিয়ান তা দেখে তার নাক টিপে বললো,
" কিরে টমেটোর বাচ্চা, খুব আরামে আছিস। তোদেরই দিন, সারাদিন শুয়ে থাকবি, খাবি আর সময় বরাবর হাগু মুতু করবি। আহা জীবন! "
আদ্রিয়ানের কথায় আয়ানের অধরে ফুটে উঠল এক চিলতে নিষ্পাপ, দাঁতহীন হাসি। গোলাপি নরম মাড়ি দুটোও আবছাভাবে দেখা যাচ্ছিল। আদ্রিয়ান সব লিস্ট তৈরি করে ইলহামের কাছে নিয়ে গেলো। ইলহাম তালিকাটা হাতে নিয়ে একবার মনোযোগ দিয়ে দেখে নিল। অত:পর টাকা হাতে নিয়ে বলল,
"বেশ হয়েছে। কাউকে বাদ পড়তে দিসনি তো?"
"তিনবার মিলিয়ে দেখেছি। মাধবপুর গ্রামের একটা বাড়িও বাদ যায়নি।"
ইলহাম আদ্রিয়ানের কথায় সন্তুষ্ট হয়ে মাথা নেড়ে বলল,
"তাহলে আর দেরি কেন? আজই সবাইকে খবরটা দিয়ে আসতে হবে। কাল জুমার নামাজের পর আকিকার দাওয়াত, এ কথা যেন প্রত্যেকের কানে পৌঁছে যায়।"
"ঠিক আছে।"
তালিকাটা হাতে নিয়েই আদ্রিয়ান বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়ল। সাথে রয়েছে তার দলের কিছু ছেলে, অবশ্য রুশানকে বাদ দেয়নি সে। মাধবপুর গ্রামের সরু কাঁচা পথ ধরে একের পর এক বাড়িতে গিয়ে সবার দরজায় কড়া নাড়তে লাগল। ইলহাম ছয়জন কাজের লোক ঠিক করেছে, আপাতত বাজারের জন্য রাখা টাকা তাদের বুঝিয়ে দিলো। গ্রামের নামকরা বাবুর্চিকে ঠিক করেছে সে। ধীরে ধীরে পশ্চিম আকাশে সূর্য রক্তিম আভা ছড়িয়ে বিদায় নিল। ধীরে ধীরে অন্ধকার নেমে আসছে ধরণীতে । আয়ান কেঁদে চলেছে সেই কখন থেকে। পায়রা তো হাল ছেড়েই দিয়েছে, সেই কখন থেকে খাওয়ানোর চেষ্টা করছে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করছে কিন্তু আয়ান কিছুক্ষণ পর পরই ঠোঁট ফুলিয়ে কেঁদে উঠছে। কেন এমন করছে বুঝতে পারছে না। নূর তাকে কোলে নিয়ে হাঁটছে আপাতত, কিন্তু কান্না থামার নাম গন্ধই নেই। আদ্রিয়ান মাত্র ঘরে ফিরেছে কাজ সব শেষ করে। নূর ছাদ থেকে কাপড় ও আনতে পারেনি আয়ানের জন্য। এতোক্ষণ যাবত হাঁটার কারণে পা ব্যথা করছে তার। বসতে গেলেই আয়ানের কান্না শুরু হয়। আদ্রিয়ান ঘরে ঢুকে আয়ানকে দেখে আগুন স্পর্শ করে তারপর ঘরে ঢুকলো। নূরের কোলে আয়ানকে দেখে সে আয়ানের নাকে নাক স্পর্শ করে বললো,
" টমেটোর বাচ্চা কাঁদছিস কেন? এতো আরাম আয়েশে থেকেও এতো কান্না কিসের? "
চেনা পরিচিত স্পর্শ পাওয়া মাত্রই ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রইলো আয়ান, এতোক্ষণ পর মুখে হাসি ফুটেছে। কোলে যাওয়ার জন্য চাতক পাখির ন্যায় তাকিয়ে আছে সে আদ্রিয়ানের দিকে। নূর আয়ানের এহেন কান্ডে হতভম্ব হয়ে গেলো। অত:পর দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললো,
" সেই কখন থেকে কাঁদছে, যেইনা আপনাকে দেখেছে অমনি কান্না থামিয়ে হাসতে শুরু করেছে। "
আদ্রিয়ান আয়ানের হাতে চুমু খেয়ে বললো,
" আর একটু অপেক্ষা করো, তারপর ভাইয়া এসে কোলে নিবো কেমন? "
এই বলে আদ্রিয়ান ওয়াশরুমে চলে যেতেই শুরু হলো আবারও সেই চিরচেনা ঠোঁট ফোলানো কান্না। আয়ান যে আদ্রিয়ানের জন্য কতটা পাগল তা নূর ভালোই বুঝতে পারছে, নাহয় এই টুকুনি ছেলের আবার এতো জেদ! আদ্রিয়ান ঘন্টা খানিকের মাঝে ফ্রেশ হয়ে আসলো। নূর আদ্রিয়ানের অবস্থা দেখে মিনমিন করে বললো,
" এই হলো এক মানুষ, ওয়াশরুমে গেলে আর ফেরার কথা মনেই থাকে না। এতোক্ষণ ধরে কি করে আল্লাহ মাবুদ ই একমাত্র জানে। "
আদ্রিয়ান আবার বেশ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন মানুষ তাই সবকিছুই পরিপাটি হওয়া চাই তার। দিনে দুইবার গোসল করা তার প্রতিদিনের কাজ। একবার অফিসে যাওয়ার আগে, আরেকবার অফিস থেকে আসার পর। মাঝে মাঝে নূরের মাঝে বিরক্তি এসে ভর করে। আদ্রিয়ান আয়ানকে কোলে নিয়ে অফিসের ফাইল নিয়ে বসলো অথচ আয়ানের কোন কান্নাকাটি নেই। সে নিঃশব্দে শুয়ে আছে আদ্রিয়ানের কোলে। নূর হতবাক হয়ে তাকিয়ে আছে তাদের দিকে, দুপুর থেকে এক দন্ডও বসতে পারেনি সে, বসলেই কান্না শুরু করে দিচ্ছিলো এই ছেলে আর এখন ভাইয়ের কোলে নিঃশব্দে শুয়ে আছে। অথচ আদ্রিয়ান তার সাথে খেলছে না বরং নিজের কাজ করছে কিন্তু তার পরেও আয়ানের কোন সাড়াশব্দ নেই। নূর আদ্রিয়ানের দিকে ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে বললো,
" আপনার কোলে কি সুন্দর শুয়ে আছে অথচ আমি এতো কষ্ট করে হাঁটলাম তাও কান্না থামলো না। এ কোন ধরনের বৈষম্য? "
হঠাৎ বৃষ্টি নেমে আসতেই নূরের মনে পড়লো ছাদ থেকে কাপড় আনা হয়নি। কাল আকিকাতে পড়ানোর জন্য আনা কাপড় ধুয়ে শুকোতে দিয়েছিলো সে কিন্তু আয়ানকে সামলাতে গিয়ে একদম মনে ছিলো না।
" কাপড় সব বোধহয় ভিজে গেলো! "
দৌড়ে ছাদের দিকে রওনা দিতেই আদ্রিয়ানও তার পেছন পেছন এগিয়ে গেল। এই ভরসন্ধ্যায় নূরকে একা যেতে দিতে মন সায় দিল না তার। আয়ানকে বিছানায় আলতো করে শুইয়ে ছোট্ট হাতের মুঠোয় একটি খালি কলম ধরিয়ে দিলো। অত:পর সেও দ্রুত ছাদের দিকে রওনা হলো।
নূর ছাদে পা রাখতেই যেন আকাশ তার সমস্ত সঞ্চিত জল একসঙ্গে ঝরিয়ে দিল। মুহূর্তের মধ্যেই চারদিক ঘন বর্ষণে ঢেকে গেল। ভারী বৃষ্টির ফোঁটাগুলো ছাদের মেঝেতে আছড়ে পড়ে এক অপার্থিব সুর তুলছে। শীতল বাতাসে তার কপালের এলোমেলো চুল উড়ে এসে গাল ছুঁয়ে যাচ্ছে। পেছন ফিরে আদ্রিয়ানকে দেখে সে কাপড় সব তার হাতে তুলে দিয়ে বললো,
" এগুলো একটু ধরুন তো। বৃষ্টিতে সব ভিজে গিয়েছে। "
কথাটা বলেই আর এক মুহূর্তও দেরি করল না সে। অনেকদিন বৃষ্টিতে ভেজা হয়নি। আজ এমন সুযোগ কোনোভাবেই হাতছাড়া করতে রাজি নয়। এক দৌড়ে আবারও দরজার পাশ থেকে ছাদের মাঝ বরাবর দৌড় দেয়। উচ্ছ্বাসে দু'হাত ছড়িয়ে ঘুরতে লাগল ছাদের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে। টুপটাপ বৃষ্টির ফোঁটা তার মুখ, চুল আর শাড়িকে মুহূর্তেই ভিজিয়ে দিল। ঠোঁটজুড়ে ফুটে উঠল প্রশান্ত এক হাসি, যেন বহুদিনের কোনো অপূর্ণ ইচ্ছা আজ পূর্ণতা পেল। আদ্রিয়ান এক হাতে কাপড়গুলো আগলে দাঁড়িয়ে রইল। বৃষ্টির চেয়েও বেশি তার দৃষ্টি আটকে রইল নূরের দিকে। তার বাচ্চামো দেখে ঠোঁটের কোণেও মৃদু এক হাসি ফুটে উঠল। এক পলকে নূরের দিকে মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললো,
" তোমার স্নিগ্ধ রুপ দেখে ইচ্ছে করছে আবার নতুন করে তোমার প্রেমে পড়ি চড়ুই। "
হঠাৎ বিদ্যুৎ চমকাতে দেখে আদ্রিয়ান নূরের দিকে তাকিয়ে চিন্তিত ভঙ্গিতে চিৎকার করে বলে উঠলো,
" বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে, চলে এসো দ্রুত। "
নূর আজ আদ্রিয়ানের কথা শুনলো না। সে আদ্রিয়ানের দিকে তাকিয়ে বললো,
" আরেকটু শুধু। "
" আর একটুও না। সোজা রুমে চলো। "
নূর তার কথায় পাত্তা না দিয়ে ছাদের কোণায় যেতে নিলে আদ্রিয়ান ধমকে উঠে বললো,
" কোণায় যাচ্ছো কেন? দ্রুত এখানে এসো নূর। লাস্ট ওয়ার্নিং দিচ্ছি!"
" আমার এখনো ভেজা হয়নি। "
" আর ভিজতে হবে না। তুমি আগে কোণা থেকে সরে এসো।"
আদ্রিয়ানের ধমকাধমকিতে নূর আর উপায় না পেয়ে ছাদ থেকে নেমে আসলো, বৃষ্টিতে ভিজে রীতিমতো কাঁপছে সে। নূরের দিকে মোহনীয় দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে আদ্রিয়ান। শাড়ির আঁচল থেকে টুপটুপ করে পানি ঝরছে, ভেজা চুলগুলো গাল বেয়ে লেপ্টে আছে। মনে মনে বিড়বিড় করে উঠল,
"এই লোকটার সবকিছুতেই শুধু ধমকাধমকি।"
ঘরে এসে দ্রুত ওয়াশরুমে চলে গেলো শাড়ি বদলাতে, নাহয় ঠান্ডা লেগে যাবে আবার। কাল বাড়িতে অনেক কাজ তাই সকালে তারাতাড়ি উঠতে হবে। আয়ান বিছানায় কলম নিয়ে খেলছে। বেশিক্ষণ হয়নি তারা ছাদে ছিলো। আদ্রিয়ান কাপড়গুলো গেস্ট রুমের বেলকনিতে মেলে দিলো, সেখানে বৃষ্টির ফোটা তেমন একটা ঢুকে না। নূর কাঁপতে কাঁপতে বিছানায় এসে বসলো। আদ্রিয়ান রুমে আসতেই দেখতে পেলো নূরের কাঁপা কাঁপা অবস্থা। বৃষ্টিতে ভিজায় ঠান্ডা লেগে গিয়েছে বেচারীর। হাঁচি দিতেই আদ্রিয়ান আয়ানকে কোলে নিয়ে ঠেস মেরে বলে উঠলো,
" আরও যাও বৃষ্টিতে ভিজতে। "
" আপনি সবসময় এমন করেন কেন বলুন তো। "
" সত্যি কথা বললে রাগ হওয়া স্বাভাবিক। "
নূর কথা বাড়ালো না আর, আদ্রিয়ান আয়ানকে বুকের সাথে আগলে ধরে চুমু খেলো তার কপালে। বেশ খানিকটা আদর দিয়ে ভরিয়ে দিলো সারা মুখ জুড়ে।
" শুনলাম আজ খুব মিস করেছো, এতো মনে পড়েছে ভাইয়াকে? ভাইয়া তো তোমাকে কোলে নিয়ে হাঁটে না ভাবীর মতো, তাও এতো ভালোবাসা কিসের শুনি? "
আয়ান আদ্রিয়ানের বুড়ো আঙ্গুল আঁকড়ে ধরে উন্মুক্ত মাড়ি দেখিয়ে হাসলো। আদ্রিয়ান তার হাসি দেখে পেটে কাতুকুতু দিয়ে বললো,
" ওরে টমেটো, পাম দিচ্ছিস? আমি কিন্তু এই পাম এ গলছি না। "
আয়ান আদেও আদ্রিয়ানের কথা বুঝলো কিনা কে জানে কিন্তু অধর থেকে হাসি সরলো না। আদ্রিয়ান নাস্তা করেনি তাই পায়রা এসেছে নাস্তা দিতে, আরহাম ঘুমাচ্ছে তার ঘরে। আয়ান ও আরহাম দুইজনই একে অপরের বিপরীত। একজন শান্ত হলে আরেকজন চঞ্চল। আরহাম দিনের বেশিরভাগ সময় ঘুমিয়েই কাটিয়ে দেয় কিন্তু আয়ান সেক্ষেত্রে আলাদা। তার ঘুম তার মর্জি মতো। পায়রা আয়ানকে আদ্রিয়ানের কোলে আদ্রিয়ানের সাথে হেসে হেসে খেলতে দেখে আয়ানের গাল টিপে বললো,
" ভাইয়ের মতো ভন্ড হয়েছে। আমি আর নূর কত চেষ্টা করলাম কিন্তু আমাদের সাথে খেলা তো দূর সারাটা সময় ধরে হাঁটিয়েছে আর এখন ভাইয়ের সাথে কিভাবে খেলছে দেখো। "
" তুমি কি আমাকে ভন্ড উপাধি দিচ্ছো? আমি মোটেও ভন্ড না। "
" একই ঘাটের মাঝি দুজনই। বড়ো হয়ে তোমার মতোই ভন্ড হবে দেখে নিও। "
আদ্রিয়ান কান দিলো না তার কথায়, নাস্তার প্লেট রেখে পায়রা আয়ানকে নিয়ে চলে গেলো। নূরের চুল থেকে টপটপ করে জল গড়িয়ে পড়ছে। সে তোয়ালে দিয়ে চুল মুছতে গেলে আদ্রিয়ান তার হাত থেকে তোয়ালে নিজের হাতে নিয়ে চুল মুছে দিতে লাগলো ভেজা কেশরাশি সরিয়ে দিতেই তার সামনে ধরা দিল নূরের উন্মুক্ত ঘাড়ে। কয়েক ফোঁটা জল সেখানে মুক্তোর দানার মতো ঝুলে আছে; ধীরে ধীরে গড়িয়ে পড়ছে কাঁধের দিকে। এক মুহূর্তের জন্য আদ্রিয়ানের হাত থেমে গেল। তার দৃষ্টি যেন অজান্তেই আটকে রইল সেই অনাবৃত সৌন্দর্যে।
চলবে,,,,,,,,,,,,
( সবাই রেসপন্স করুন. ১.৫ কে করে দিন জলদি।)
গল্প নিয়ে প্রশ্ন কিংবা গল্পের সকল আপডেট জানতে জইন হোন আমার গ্রুপে
https://facebook.com/groups/4214405902220456/