ফন্ট সাইজ:
থিম:
মন প্রাঙ্গনের বৃষ্টি

২১তম পর্ব

লেখক: কংকা চৌধুরী

#মন_প্রাঙ্গণের_বৃষ্টি

#লেখনীতে_কংকা_চৌধুরী

(২১)

কপি করা নিষিদ্ধ।

আদ্রিয়ান নূরকে কলেজের সামনে নামিয়ে দিয়ে অফিসের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পরলো। প্রতিদিনের ন্যায় আজ আর আদ্রিয়ান নূরকে কিছু বললো না, নিজের মতো করে চলে গেলো। নূর কলেজের পাশে থাকা টঙের দোকানটায় এক পলক তাকিয়ে দেখলো, না! আজ শাহনাব নেই। আজ আর কেউ পাগলামি করবে না তার জন্য। শাহনাবের জন্য খারাপ লাগছে তার কিছুটা। লোকটা তার জন্য কত অবহেলা অপমান সহ্য করলো অথচ বিনিময়ে পেলো শুধু লাঞ্চনা বঞ্চনা। ঘড়িতে তাকিয়ে দেখলো সময় আছে আর দশ মিনিট। নূর ভারাক্রান্ত মন নিয়ে প্রবেশ করলো ক্লাসরুমে।প্রভা নূরকে দেখে এগিয়ে এলো তার কাছে। পরীক্ষা শুরু হওয়ার আরও পনেরো মিনিটের মতো বাকি।

"এতো দেরি করে এলি কেন?আরেকটু পরেই স্যার চলে আসবে।"

বলতে বলতেই স্যার এসে ক্লাসে উপস্থিত হলো। নূর খাতা নিয়ে লিখতে শুরু করেছে তবে আজ লিখার মন নেই, মাথায় কিছু আসছে না।প্রভা নূরকে অন্যমনস্ক হয়ে তাকিয়ে থাকতে দেখে চিমটি কেটে বললো,

"কিরে লিখছিস না কেন?"

" কি লিখবো বুঝতে পারছি না।"

"দ্রুত লিখ নয়তো সময় চলে যাবে।"

প্রভার কথায় নূর লিখায় মনোযোগ দিলো। নূরের পেছনে বসা ছেলেটা বারবার নূরের হিজাবের কোণা ধরে টান দিচ্ছে, এতে নূর বিরক্ত হয়ে ছেলেটির দিকে ফিরে বললো,

"কি সমস্যা তোমার?"

ছেলেটি তার গালে হাত দিয়ে ভাবলেশহীন ভাবে উত্তর দিলো,

" আমার যা ইচ্ছে করবো তাতে তোমার কি?"

"আমি লিখতে পারছি না তোমার জন্য, এবার কিন্তু আমি স্যারকে বিচার দিবো।"

"দাও, স্যার আমার কিচ্ছু করতে পারবে না।"

ছেলেটির কথায় নূর বিরক্ত হয়ে প্রভার সাথে সিট অদল বদল করে নিলো। তা দেখে ছেলেটি হো হো করে হেসে ফেললো।

তীব্র গরমে প্রাণ যায় যায় অবস্থা। নূর নিজের ফাইল গুছিয়ে নিয়ে প্রভার সাথে কলেজ থেকে বেরোতেই দেখতে পেলো আদ্রিয়ান একটা ছেলেকে বেদম মা'রছে। ছেলেটির ফিনকি দিয়ে র'ক্ত ঝড়তে শুরু করেছে। নূর দৌড়ে আদ্রিয়ানের কাছে এগিয়ে এসে দেখলো আদ্রিয়ান যাকে মা'রছে সে আর কেউ নয়, তাকে বিরক্ত করা ছেলেটি। আদ্রিয়ান হকি ব্যাট দিয়ে ছেলেটির হাতে পরপর দুবার আঘাত করতেই ছেলেটি ব্যথায় কুকিয়ে উঠলো। আদ্রিয়ান হকি ব্যাট দিয়ে ছেলেটির মুখের দিকে তাক করে নূরকে উদ্দেশ্য করে বললো,

" এই মেয়ে শুধু আমার। আর কখনো যদি ফিরেও তাকাস ওর দিকে তোর চোখ আমি খুলে ফেলবো। "

উক্ত কথাটি বলেই আদ্রিয়ান আবারও মা'রতে গেলে নূর আদ্রিয়ানের হাত ধরে নেয়। অত:পর মিনমিন করে বললো,

"কি করছেন? থামুন! আর মারবেন না।"

নূরের কথা শুনে আদ্রিয়ান হাতের ব্যাট ফেলে বাইকে উঠে বসে, আদ্রিয়ান সরে যেতেই ছেলেটির বন্ধুরা এগিয়ে এসে ধরলো তাকে।

"এই রিদ ঠিক আছিস তুই?"

রিদ আদ্রিয়ানের দিকে তাকিয়ে মুখে লেগে থাকা র'ক্ত মুছে উঠে দাঁড়ালো। নূর আদ্রিয়ানের বাইকে উঠে বসতেই আদ্রিয়ান ক্ষিপ্ত দৃষ্টিতে রিদের দিকে তাকিয়ে বাইক স্টার্ট দেয়। অফিস থাকাকালীন রুশানের ফোন আসায় আদ্রিয়ান কিছুটা অবাক হয়, ফোন ধরতেই রুশান বলে উঠে,

"আদ্রিয়ান ভাই, কলেজের সামনে একটা ছেলে ভাবীকে নিয়ে বাজে কথা বলছে। "

"কি বলতে চাইছিস তুই? কি বলেছে?"

" তুমি তারাতাড়ি এসো কলেজে। "

রুশানের কথা শুনে এক মুহুর্ত ও অপেক্ষা না করে দ্রুত চলে আসে কলেজে, কলেজের সামনেই দাঁড়িয়ে আছে রুশান।আদ্রিয়ানকে দেখে রুশান রিদের দিকে তাক করে ইশারা করে করে দেখায়, আদ্রিয়ান রুশানের দৃষ্টি বুঝতে পেরে রিদ যেখানে বসে ছিলো সেখানে যেতেই শুনতে পায়,

" নূরকে একবার কাছে পেলে জীবন ধন্য।যেমন তেজ তেমন ফিগার। "

আদ্রিয়ান রিদের কথা শুনে হাতের মুঠো পাকিয়ে নেয়, রাগে শরীর কাঁপছে তার। এদিক ওদিক তাকিয়ে দেখতে পায় আম গাছের পাশে একটা হকি ব্যাট পরে আছে।আদ্রিয়ান ব্যাটটি দেখতে পেয়ে তুলে নেয় হাতে, অত:পর রিদের সামনে এসে আচমকা তার কাঁধে এক ঘা বসিয়ে দেয়। হঠাৎ আক্রমণে রিদ তাল সামলাতে না পেরে পরে যায়। পেছন ফিরে আদ্রিয়ানকে দেখতে পেয়ে ক্ষোভ মেশানো কন্ঠে বললো,

"কি সমস্যা, গায়ে হাত তুললি কেন তুই?"

"তোর সাহস কি করে হয়, তুই আমার বউকে নিয়ে এসব উচ্চারণ করিস।যা আদ্রিয়ানের তা শুধু আদ্রিয়ানেরই।"

রিদ কিছু বুঝে উঠার আগেই আবারও আক্রমণ করে বসলো আদ্রিয়ান।রিদের বন্ধুরা তাকে বাঁচাতে চাইলেও পারলো না, তাদের মাঝে কয়েকজনকে আদ্রিয়ান মেরে পা ভেঙে দিয়েছে। কিছু সময়ের মাঝেই কলেজের বাকি স্টুডেন্টরা বেরিয়ে পরেছে কলেজ থেকে।আদ্রিয়ান নূরকে দেখতে পেয়ে রিদের হাতে আরও দুই তিন ঘা দেয়।

আদ্রিয়ান নূরকে বাড়ি পৌঁছে দিয়ে নিজের অফিসে চলে যায়। নূর আগ বাড়িয়ে কিছু বললো না।বাড়ির ভেতর যেতেই দেখতে পায় রাহেলা শাহ তাদের ঘর থেকে বেরোচ্ছে। হঠাৎ এই সময় তাদের ঘরে কেন বুঝতে পারলো না নূর।নূর এগিয়ে যেতেই রাহেলা শাহ আচমকা তাকে দেখতে পেয়ে ভয় পেয়ে যায় । নূর ভ্রু কুঁচকে তার দিকে তাকাতেই তিনি আমতাআমতা করে বলেন,

" কি হলো এভাবে তাকিয়ে আছো কেন?"

" আপনি হঠাৎ এখানে আম্মা?"

"আমি আমার ছেলের ঘরে এসেছি।এখন কি এই ঘরে আসার জন্যেও কি তোমার অনুমতি নিতে হবে?"

"আমি কখন বললাম আমার অনুমতি নিতে হবে?"

"তোমার সাথে কথা বাড়ানোর ইচ্ছে নেই আমার।সামনে থেকে সরো।"

নূর বুঝতে পারলো না হঠাৎ করে তিনি কেন এমনটা করছেন। রাহেলা শাহ আঁচলে কিছু একটা লুকিয়ে চলে গেলেন। নূর সেদিকে মাথা না ঘামিয়ে ফ্রেশ হয়ে নিলো। আদ্রিয়ানের তখন রিদকে মা'রাটা স্বাভাবিক ভাবে নিতে পারছে না নূর।আদ্রিয়ানের বখাটে রুপ দেখতে পেলেও এ যেন অন্য আরেক রুপ। কলাপাতা রঙের একটা শাড়ি পরে নূর ছাদে গেলো, আজ কতদিন মুক্ত হাওয়ার সাথে দেখা হয় না।ঝিরিঝিরি বৃষ্টি হলে কতই না ভালো হতো এখন।আজ কেমন যেন অস্থির অস্থির লাগছে তার। আজ আর খাওয়া হলো না, ছাদের সাথে লাগানো আমড়া গাছ থেকে একটা আমড়া পেড়ে নিলো সে। সূর্য ডুবতে শুরু করেছে, সূর্যের রশ্নি হারিয়ে যেতে লাগলো অজানা এক উদ্দেশ্য।মাগরিবের আজান দিতেই নূর মাথায় আঁচল দিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে রইলো, ভেতরে যাওয়ার কোন পায়তারা দেখা গেলো না তার মাঝে। আদ্রিয়ানের বাইকের শব্দ শুনতে পেয়ে সে নিচের দিকে তাকিয়ে দেখলো আদ্রিয়ান বাইকে থেকে নেমে ভেতরে প্রবেশ করছে।আদ্রিয়ানকে দেখে নূর তাচ্ছিল্য হেসে আকাশের দিকে তাকিয়ে রইলো, মেঘলা আকাশের সাদা মেঘ কেমন করে ভেলার মতো ভেসে চলেছে।

আদ্রিয়ান ব্যাগ রেখে সোজা বাথরুমে চলে গেলো, বাইরে থেকে এসে গোসল করাটা তার এক রকমের অভ্যাস। নূর প্রায় আধ ঘন্টা পরে রুমে এসে দেখে আদ্রিয়ান শার্ট পরছে

।নূর বিছানায় বসতে বসতে ভাবলেশহীন ভাবে বলে উঠলো,

"আজকাল বখাটেপনা'র সাথে সাথে খু'ন ও করতে শুরু করেছেন নাকি আদ্রিয়ান শাহ? "

আদ্রিয়ান নূরের কথা শুনে তার দিকে তাকাতেই দেখতে পায় নূরের কঠোর দৃষ্টি।যেই দৃষ্টিতে নেই কোন কোমলতা শুধু রয়েছে ঘৃণা। আদ্রিয়ান শার্টের বোতাম না লাগিয়ে বাঁকা হেসে নূরের সামনে এসে ঘাড় কাত করে বলে,

" খুব কষ্ট হচ্ছে বুঝি প্রেমিকের জন্য? "

" সবাইকে নিজের মতো ভেবেছেন? "

আদ্রিয়ান নূরের থুতনি শক্ত হাতে চেপে ধরে তার একদম কাছে এসে বললো,

" আওয়াজ নিচে, একদম জিহ্বা টেনে ছিড়ে ফেলবো আর একটা আওয়াজ করলে।"

"এছাড়া আর কি ই বা করতে পারবেন? মুরোদ আছে তো?"

" প্রেমিকের শরীরের হাড় ভেঙেছে বলে কষ্ট হচ্ছে চড়ুই পাখি?"

আদ্রিয়ানের ভাবলেশহীন রুপ এবার কঠোরতায় বদলে গেলো, নূরের চুপ শক্ত করে আঁকড়ে ধরে বললো,

"বল! খুব কষ্ট হচ্ছে তাই না? "

নূরের চোখ বেয়ে দু ফোটা জল গড়িয়ে পড়লো, সে চোখ খিঁচে বন্ধ করে বললো,

"আপনি কিন্তু নিজের সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছেন।"

" এখন তো খুব মুখ চলছে তোর, যখন রিদ তোর হিজাব নিয়ে টানাটানি করছিলো তখন তোর এই মুখ কোথায় ছিলো?আমি ছুলেই শরীরে ঘৃণা বাসা বাঁধে আর পরপুরুষ স্পর্শ করলে খুব আরাম লাগে বুঝি?"

নূর আদ্রিয়ানের বুকে ধাক্কা মেরে তাকে সরিয়ে দিতে চাইলে ব্যর্থ হয়।পুরুষণালী শক্তির সামনে তার এই চুনোপুঁটির মতো জোর কোন কাজেরই নয়।কিন্তু সে বুঝতে পারছে না আদ্রিয়ান কি করে জানলো কলেজের ভেতরে কি হয়েছে।

" হ্যাঁ আপনি স্পর্শ করলে ঘৃণা জন্মায়।"

"তবেই ঘৃণাই জন্মাতে থাকুক।অভ্যাস করে নে।"

আদ্রিয়ান নূরকে ধাক্কা মেরে বিছামায় ফেলে দেয়, এভাবে ধাক্কা মারায় কোমরে ব্যথা পায় কিছুটা। এক দৌড়ে বাথরুমে চলে যায়। সারাদিন অফিস শেষে এখন এসব ঝামেলা ভালো লাগছে না আদ্রিয়ানের। এই মেয়ের সাথে থাকলে তার মাথা কিছুতেই ঠান্ডা হবে না। আদ্রিয়ান বাইকের চাবি নিয়ে বেরিয়ে যায় ক্লাবের উদ্দেশ্যে। আদ্রিয়ানকে এই সময় দেখতে পেয়ে রুশান তার কাছে এসে বলে,

"অফিস শেষ আদ্রিয়ান ভাই?"

আদ্রিয়ান বিরক্ত হয়ে একটা চেয়ারে বসে বলে,

" এক গ্লাস বানিয়ে দে তো।আজ মাথা চড়া দিয়ে উঠেছে। "

রুশান আদ্রিয়ানের কথা বুঝতে পেরে এক গ্লাস ওয়াইন আদ্রিয়ানের সামনে রাখতেই সে এক নিঃশ্বাসে সবটা শেষ করে ফেলে। রুশান আরেকটি গ্লাসে ঢালতে গেলে আদ্রিয়ান বোতল ছিনিয়ে নিয়ে বলে,

" বোতল দে।কি একটু একটু করে দিচ্ছিস।"

সামনে মেয়েরা শরীর দুলিয়ে নাচছে, তাদের আশে পাশে অন্যান্য দলের ছেলেরা। সেখান থেকে একটা মেয়ে আদ্রিয়ানের সামনে এসে দাঁড়াতেই আদ্রিয়ান ঝাঁঝালো স্বরে বলে উঠে,

"এখানে কি চাই?"

মেয়েটি লাজুক ভঙিতে বললো,

" তোমাকে চাই।"

আদ্রিয়ান ফিচেল হেসে বোতল থেকে কিছুটা মেয়েটির শরীরে ফেলে দিয়ে বললো,

" সর এখান থেকে। নষ্টা মেয়ে। "

আদ্রিয়ানের উদ্ভট কর্মকান্ডে মেয়েটি রাগান্বিত হয়ে চলে গেলো। নেশা কিছুটা ধরে এসেছে আদ্রিয়ানের। মাথা কেমন যেন ভার ভার লাগছে তার।

-----------------

রাহেলা শাহ বোরকা পরে একটা পুরোনো কুঠুরিতে এসেছেন, একজন হুজুর বসে আছেন তার সামনে। রাহেলা শাহ হুজুরের কাছে এসে বসতেই তিনি বললেন,

"যা যা বলেছি নিয়ে এসেছেন?"

রাহেলা শাহ আদ্রিয়ানের বেশ কিছু জিনিসপত্র এনে বললেন,

"এই তো হুজুর সব নিয়ে এসেছি।"

"কুফুরি কিন্তু ভালো নয়, এর বিপরীতে কিন্তু খারাপ কিছু হতে পারে।"

"হুজুর আমি শুধু চাই আমার ছেলে যেন স্বেচ্ছায় ওই মেয়েকে বের করে দেয়।"

"ঠিক আছে, দুই তিনদিনের মাঝেই কাজ হয়ে যাবে।"

-----------------

রাত বারোটা। নূর খেয়ে শুয়ে পরেছে, আজ রাহেলা শাহ'কে খুব একটা দেখেনি সে। কিছুক্ষণ আগেই রুমে এসেছে সে, সুরাইয়া শাহ'র সাথে গল্প করছিলো এতোক্ষন।তার ঔষধপত্র দিয়ে তবেই ঘরে এসেছে সে। আদ্রিয়ান ঘরের দরজা খুলে প্রবেশ করতেই দেখতে পায় নূর বসে আছে। আদ্রিয়ানের শরীর থেকে আসা বাজে গন্ধ পেয়ে নূর উঠে বসেছে।আদ্রিয়ানকে আজ অস্বাভাবিক লাগছে তার। আদ্রিয়ান চোখে লাল আভা ফুটে উঠেছে।সে ঢুলু ঢুলু পায়ে নূরের কাছে এগিয়ে আসতেই সে নাক চেপে ধরে। কি বিদঘুটে গন্ধ।নূর বিরক্তিকর কন্ঠে বললো,

"আপনি এসব কি খেয়ে এসেছেন?ছিঃ কি বাজে গন্ধ!"

আদ্রিয়ান নূরের কথার উত্তর না দিয়ে টেবিল থেকে নিয়ে এক ঢোক পানি খেলো। নূর উত্তর না পেয়ে আদ্রিয়ানের সামনে দাঁড়িয়ে বললো,

" আমি আপনার সাথে এই ঘরে থাকতে পারবো না। আমার তো এই গন্ধে বমি আসছে।"

হঠাৎ আদ্রিয়ানকে নিজের দিকে এগিয়ে আসতে দেখে নূর পেছাতে পেছাতে বললো,

"এ কি! কাছে আসছেন কেন আপনি?"

"চুপ।একদম আওয়াজ করবে না।"

নূর এক পর্যায়ে দেখতে পেলো দেয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে। আদ্রিয়ান একদম কাছে চলে এসেছে তার। আদ্রিয়ানের নাক নূরের নাক বরাবর স্পর্শ করেছে। নূর চোখ বন্ধ করে ক্রন্দনরত কন্ঠে বললো,

"আমায় ছেড়ে দিন। প্লিজ দূরে সরে যান।"

চলবে,,,,,

কালকে বোনাস পর্ব আসবে গ্রুপে।জইন হয়ে নিন সবাই।

https://facebook.com/groups/4214405902220456/

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ২১তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন