ফন্ট সাইজ:
থিম:
ভালোবাসা আমার

পর্ব 3

লেখক: শেখ হালিমা

উপন্যাস : ভালোবাসা আমার

লেখিকা : শেখ হালিমা

পর্ব : ৩

ছেলেগুলো নীলিমাকে দেখেই সালাম দিল। এবং বলল ভাবি আপনি কলেজে জাচ্ছেন আমরা পৌছে দিব? নীলিমা ছেলে গুলোর ব্যবহারে বেশ অবাক হয়। নীলিমাকে যে ছেলে গুলো ভাবি বলেছে তা নীলিমা ঠিক শুনতে পায়নি। নীলিমা ছেলে গুলো কে কোনো রকম এরিয়ে কলেজে চলে আসে। নীলিমা এসেই দেখতে পাই তার সকল বন্ধু-বান্ধবি কলেজের মাঠে বসে আসে। ওই তো নীলিমা চলে এসেছে। লিয়ার কথাই সকলেই সামনে নীলিমার দিকে তাকায়। ততক্ষণে নীলিমা তাদের কাছে চলে এসেছে। আরে তোরা কেমন আছিস? নীলিমার কথাই সকলেই এক সাথে জবাব দেয় আলহামদুলিল্লাহ। তোর কি খবর আলহামদুলিল্লাহ। আরে মায়ান তুই এই অসুস্থ শরীর নিয়ে কেন কলেজে আসলি। মায়ান মনে মনে বলে তকে না দেখলে আমার ঘুম হয় না কিন্তু মুখে বলল আরে কলেজে না আসলে পড়াই পিছিয়ে যাবো তো। আরে আমরা আছি কি করতে তোকে না হয় সব কিছুর নোট বানিয়ে দিতাম। থাক এখন তো চলেই এসেছি। তারা সকলেই বেশ ভালো ইস্টুডেন্ট। তাই মায়ান কে কেউ তেমন ঘাটালো না। তারা সকলেই কলেজে যাওয়ার জন্য সামনে পা বারাই। মায়ান এখন তো তুই নীলিমাকে বলে দিতে পারিস। মারিতের কথাই মায়ান তার দিকে তাকাল আর বলল জানিস আমার কিছু একটা সন্দেহ হয়? কি ? মারিতের কথাই মায়ান জবাব দেই, আমার মনে হয় H group of industry এর মালিকের ছেলে নীলিমা কে পছন্দ করে। কি ? তুই কি পাগল হয়ে গেছিস, তুই কি বলছিস ভেবে বলছিস তো? আনোয়ার হোসেনের ছেলে আয়ান হোসেন নীলিমা কে পছন্দ করে? হ্যাঁ ভেবেই বলছি না হলে তুই বল আমি যেই দিন নীলিমাকে প্রপোজ করার জন্য নীলিমার সাথে যায় সেই দিনই আমার এক্সিডেন্ট হয় আর তার চেয়ে বড় কথা কালকে যাওয়ার সময় নীলিমাকে আয়ান হোসেন ফোল করছিল আর সামনে কিছু ছেলে নীলিমা কে বিরক্ত করে তখন আয়ান গিয়ে ছেলে গুলো কে অনেকক্ষণ জাবত মারার পর তার আয়ান তার assistant শাকিব কে ডেকে ছেলে গুলো কে কথাই যেন দিয়ে যেতে বলল । মায়ান কে আর কিছু না বলতে দিয়ে মারিত বলে, হয় তো কোন মেয়ে বিপদে পরেছে ভেবে বাঁচিয়েছে। মারিতের কথা শুনে মায়ান বলে আচ্ছা তোর কথা মেনে নিলাম তাই যদি হয় তাহলে আজকে কেন সেই ছেলে গুলো নীলিমাকে ভাবি বলে ডাকছিল। তুই বল বুঝলাম এক জন মেয়ে বিপদে পরেছে তাকে বাচিয়েছে। কিন্তু ছেলে গুলো হুট করে নীলিম কে ভাবি কেন বলবে? মায়ানের কথা শুনে মারিত ও বেশ চিন্তিত হলো। এমনই যদি হয় আমার মনে হয় নীলিমাকে তকে ভুলে যাওয়া ভালো। মারিতের কথা শুনে মায়ান বলল না মারিত আমি নীলিমাকে আগে ভালো বেসেছি আমি নীলিমাকে নিজের করে ছাড়বোই। মায়ানের কথা শুনে মারিত বলল ভাগ্যে না থাকলে তুই কি ভাবে পাবি। মারিতের কথা শুনলো কিন্তু আর কিছু না বলে কলেজের কক্ষে এগিয়ে গেল। মারিত মায়ানের কথা শুনে বেসগ চিন্তিত হলো না জানি পরে কি হবে? কলেজ শেষে মায়ান মারিত কে বলল মারিত আজকে আমি নীলিমা কে আমার মনে কথা বলবো। মায়ানের কথা শুনে মারিত বলল যদি নীলিমা মানা করে দেয়, আমাদের বন্ধুত্ব নষ্ট করে ফেলে? মারিতের কথা শুনে মায়ান বলে যা হবে পরে দেখা যাবে কিন্তু আজকে আমি বলবই। সকলে যখন যে যার বাসায় চলে যাচ্ছিল তখন মায়ান নীলিমাকে ডাক দেয়। এই নীলিমা মায়ানের ডাক শুনে নীলিমা রাস্তাই দারিয়ে পরে। কিছু বলবি মায়ান? হ্যাঁ আসলে আমি কিছু বলতে চাই তকে। হ্যাঁ বল তাহলে আমাকে তারা তারি বাসায় ফিরতে হবে। আ. আয়াআ.....আসলে....। কি আমতা আমতা করছিস যা বলবি তারা তারি বল। আসলে নীলিমা আমি তকে ভালোবাসি প্লিজ আমাকে ফিরিয়ে দিস না আর দিলেও আমাদের ফ্রেন্ড শিপ নষ্ট করিস না প্লিজ। মায়ান এক দুমে কথা গুলো বলে নিঃশ্বাস নিল। মায়ানের কথা শুনে নীলিমা কিছুক্ষণ থ- হয়ে দারিয়ে ছিল। তার পর নীলিমা মায়ান কে উদ্দেশ্য করে বলে আমি তোর থেকে এটা আসা করিনি মায়ান। মায়ান কে আর কিছু বলতে না দিয়ে নীলিমা মায়ান কে আরু বেশ কিছু কথা শুনিয়ে যাওয়ার আগে বলে গেল তোর কথাই আমি শুরু বন্ধুত্ব নষ্ট করলাম না আমি এই বন্ধুত্ব নষ্ট করলে আমার পাশা পাশি সকলেই কষ্ট পাবে আর আমি তা চায় না কিন্তু আমার আর আগের মত বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণে আশা করিস না বলেই নীলিমা চলে গেল। মায়ান নিঃশব্দে নীলিমার যাওয়ার দিকে তাকিয়ে ছিল। হুট করে কথাই থেকে যেন মেঘ এসে ওজরে বৃষ্টি নামাতে শুরু করল। বৃষ্টি এসে মায়ান কে বিজিয়ে দিয়ে গেল। মায়ানের চোখের পানি সেই বৃষ্টির সাথে মিশে গিয়ে কোন এক অজানা গন্তব্যে পারি জমাই। ঠিক তখনই মায়ানের পিছু থেকে কেউ একজন এসে মায়ানের মাথাই ভারি কিছু দিয়ে আঘাত করে। সাথে সাথে মায়ান সেই বৃষ্টি বেজা রাস্তায় মুখ থুবড়ে পড়ে। মায়ানের যখন পিট পিট করে চোখ খুলে তখন সে নিজেকে এক চেয়ারের সাথে বাধা অবস্থায় পায়। মায়ান যখন নিজেকে সামলিয়ে আশে পাশে তাকাই তখনই তার চোখে পরে, তার সামনে তার পরিবারের সকল কেই তার মত করে চেয়ারে বেধে রাখ হয়েছে। তা দেখে মায়ানের মাথাই আকাশ ভেংগে পরে। আম্মু আব্বু তোমরা এখানে কি ভাবে বুনু তুই? তুই না ইস্কুলে ছিলি? মায়ানের কথার মাজেই দরজা খুলে কক্ষের ভিতরে আসে আয়ান আর শাকিব। শাকিব একটা চেয়ার এগিয়ে মায়ানের সামনে রাখে। চিয়ারের গিয়ে নিঃশব্দে আয়ান বসে। আয়ান মায়ানের চোখে দিকে তাকিয়ে বলে তকে এক্সিডেন্ট করেও সাবধান করে দিলাম যে আমার প্রিয়সির থেকে দূরে থাকবি তাও তুই কিভাবে আমার প্রেয়সিকে ভালোবাসিস বললি? তোর কলিজা কত বড় হয়েছে মেপে দেখবো আমি কি দেখবো? ওই যে তোর পরিবার কে দেখছিস? আমি চাইলে তোর পরিবার কে এখনই মেরে ফেলতে পারি কি চাস? ফেলব মেরে। মায়ান ভেতরে ভয় পেলেও বাহিরে নিজেকে শান্ত রাখল। মায়ান যানে আয়ান যা বলে তাই করে তাই আয়ান কে এখন রাগানো যাবে না। পিছু থেকে মায়ানের বাবা বলে আমাদের কে কেন আটকে রেখেছ? আমরা কি করেছি? তোমাদের টাকা আছে বলে কি যা খুশি করবে? আয়ান, মায়ানের বাবার কন্ঠ শুনে পিছু ফিরে তাকাল। আয়ানের শান্ত দৃষ্টিতে তাকানো দেখে মায়ানের বাবা বেশ ভিতু হলো। আসলে আংকেন হয়েছে কি আপনার ছেলে আমার ভালোবাসার দিকে চোখ তুলে তাকিয়েছে। তাই আমি একদিন আপনার ছেলে গাড়ির নিচে ফেলে দিয়েছি তাও আপনার ছেলে বুঝেনি। আজকে কি করেছে যানেন আমার প্রেয়সী কে ভালোবাসি বলেছে এখন বলেন আমার কি করা উচিত। আয়ানের কথা শুনে মায়ানের বাবা বলে... বাবা আমাদের কে এইবারের মত যেতে দেও আমি তোমাকে কথা দিচ্ছি আমার ছেলে আর অই মেয়ের পিছে যাবে না। আয়ান মায়ানের বাবার কথা শুনে সন্তুষ্ট হলো। ঠিক আছে এটাই আপনাদের আর আপনার ছেলের শেষ সময় বলেই আয়ান চেয়ার থেকে উঠে চলে গেল। শাকিব মায়ান কে চেয়ার থেকে ছাড়িয়ে দিয়ে নিজেও চলে যায়। মায়ান তারা হুরু করে নিজের বাবা - মা আর বোন কে ছারিয়ে ফেলে। মায়ানের বাবা ছাড়া পেয়েই মায়ানের গালে ঠাশ করে একটা থাপড় মারে।

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 3 শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন