ফন্ট সাইজ:
থিম:
প্রেমের শেষ কিস্তিমাত

৭ম পর্ব

লেখক: Farzana Yesmin

#প্রেমের_শেষ_কিস্তিমাত

#লেখনিতে_ফারজানা_ইয়াসমিন

#পর্ব_৭

⛔কপি করা যাবে না ⛔

_______

সবাই ইয়াশদের বাগান বাড়িতে চলে এসেছে।একে একে সবাই নেমে পড়ছে।নতুন বউকে ঘরেও তোলা হয়েছে।ফাহিম ভিতরে ঢুকে ইনায়া কে দেখতে পেল না।কাকে জিজ্ঞাসা করবে সে।তখনই আদি কে দেখল।তাকে ডাকল,

-"excuse me.

আদি আশে পাশে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করল,

-"আমাকে বললেন?

-"জ্বী!

আপনি কি ইনায়া কে দেখেছেন!

-"হুম দেখেছি!ও যে সেই সন্ধ্যায় আমাদের সাথে ঝগড়া করল!

-"উহু!এখানে আসার কথা!

আদি কি বলবে বুঝতে পারছে না।ইনায়া তো ইয়াশের সাথে।আর ওরা এখনও আসে নি।এইটা এখন ফাহিম কে বলা ঠিক হবে না।কিন্তু বলবে কি ভেবে পাচ্ছে না।হঠাৎ কিছু মনে পড়তেই সে বলল।

-"বোনেদের সাথে আছে হয় তো!

-"আমি দেখা করতে চাই!প্লিজ নিয়ে যাবেন একটু!

আদি ফট করেই বলে দেয়!

-"ওখানে ছেলেদের যাওয়া নিষিদ্ধ।আপনি টেনশন করবেন না আপনার বোনের কোন সমস্যা হবে না।

বোন বলায় ফাহিম একটু বিরক্ত হয়ে বলল,

-"আমার বোন কে?

-"কেন ইনায়া!

ফাহিম বিরক্ত হয়ে বলল,

-"পৃথিবীর সবাই আমার বোন হওয়ার ক্ষমতা রাখে তবে ইনায়া না!

-"মানে?

হঠাৎ ফাহিমের এহেন কথার মানে কিছুই বুঝতে পারলো না আদি!আর এদিকে এসব বলে ফাহিমও থতমত খেয়ে যায়।কি সব লাগাম ছাড়া কথা বলছে সে!এসব বলা এখন শোভা পায় না।হাজার হোক সবাই জানে ইনায়া ফাহিমের ফুপাতো বোন।ফাহিম ছোট করে উত্তর দিল,

-"কিছু না!

বলেই জায়গা প্রস্থান করল।আদি ওর ভাব দেখে বলল!

-"আজাইরা ঢং!

তুই ইনায়া কে যা ইচ্ছা ভাবতে পারস!আমি আমার ভাবী ভেবে নিয়েছি।ইনায়া বউ হলে আমার বন্ধু ইয়াশেরই হবে।হু!

যতসব ফাউল লোক।এহ বলে কি পৃথিবীর সবাই ওর বোন হওয়ার ক্ষমতা রাখে ইনায়া না।

আসছে সিনেমার ডাইলগ দিতে!তোকে তো লোকাল হিরো ছাড়া কিছুই মনে হয় না আমার।হু!

কিন্তু হিরো আর হিরোইন কই?থুক্কু!থুক্কু! ইনায়া তো ইয়াশ কে ভিলেন বলে।তো সে হিসেবে তো দুইজনেই ভিলেন হয়।ভিলেনের তো আবার লিঙ্গ টিঙ্গ নাই।আচ্ছা যদি দুইজনকেই ভিলেন বলি তবে।থার্ড পার্সোনাল দের কি বলা উচিত।ভিলেনই বলবো কি!নাকি অন্য কিছু!

থাক!আমি এমনেই অঙ্কে কাঁচা।এসব মিলিয়ে আমার লাভ কি।কিন্তু এরা কই।এ ভাই!আমাকে রেখে এরা hide marriage করে ফেলেনি তো।আমি ওদের ছাড়বো না আমাকে ছাড়া বিয়ে করলে।

উফ!এই প্যারা নিয়ে আর থাকা যায় না।

এই ইয়াশ তো যবে থেকে আমার ফ্রেন্ড হয়েছে তবে থেকেই আমার জীবন প্যারাময় হয়ে গেছে।ধুর এত চিন্তায় আর থাকা যায় না।

আদি এরপর ভিতরে যেতে যেতে আন মনে নিজের মত গানের লিরিক্স বলতে লাগল,

"না রে আর তো পারে না

জীবন আমার নাস্তানাবুদ

ইয়াশেরই পাল্লায়

বাড়িতে ভার্সিটিতে এখানে ওখানে

যেখানে সেখানে কেস খাই

আমি তো ফ্রি তেই নাজেহাল

এক বন্ধুতে জীবন করেছে প্যারামাল

ইমু পাখি টা সামলায় আমায়

এই অবস্থায়........

ইমু তখন ওখান দিয়ে যাচ্ছিল।সে ভ্রু কুচকে বলল,

-"আমার নাম বললে কেন?

আদি থতমত খেয়ে যায়।সে আমতা আমতা করে বলল,

-"ইয়ে মানে!

গান গাইছিলাম!

-"সেটা তো আমিও বুঝলাম তবে আমার নাম বলছিলে কেন?

-"হ্যাঁ বললাম তো!তুমি আমার সব জান।তোমার নামে গান গাবো না তো কার নামে গাইবো।

বলেই ইমুর দিকে এগিয়ে আসে।ইমু পিছিয়ে যায়।পুরো একটি সিনেমাটিক ব্যপার না।ইশশশ!

কিন্তু তখনই লিয়ানা আসে এদিকে।লিয়ানা এসে দেখে আদি আর ইমু একটু কাছাকাছি এসেছে।সে এগিয়ে গলা খাকানি দিয়ে বলল,

-"আরেহহহ! দুলাভাই যে! আমি মনে হয় অসময়ে এন্ট্রি নিয়ে ফেলেছি বুঝি!চলে যাবো।

লিয়ানার কথায় ইমু লজ্জা পেয়ে বলল, "আপু তুমিও না!ধ্যাত!"

বলেই ইমু চলে যায়।আদি লিয়ানার মাথায় চাটি মেরে বলে,

-"কি রে ডাইনি বুড়ি!আমাকে দুলাভাই বললি কেন?

লিয়ানা মুখে ভেঙচি কেটে বলে,

-"বুঝি বুঝি,সব বুঝি!আর জানিও সব।তোমার ইমু পাখি আমাকে সব বলেছে।আমি ওর বোনের থেকে ফ্রেন্ড বেশি বুঝছো।

-"যাক আমাদের টিমে একজনকে পাওয়া গেল।

-"এহ!যেখানে টাকা বেশি সেখানেই লিয়ানা যায়!হু হু!আমাকে টাকা দিয়ে বুকিং করতে হবে।তবেই আমি তোমার টিমে থাকবো।

বলেই লিয়ানা চলে গেল।আদি মাথায় হাত দিয়ে বলল,

-"আমার জীবন ডাই প্যারাময়!

_____

-"বাড়ি যাবেন কখন?আপনার সাথে থাকতে আমার ভয় লাগছে!

-"কেন ভয় করে?অচেনা একজনকে ইনবক্সে গিয়ে স্বামী বলতে পারো!আর তার সাথে থাকতে ভয় পাও!

ইন্টারেস্টিং তো!

-"এক কথা বার বার কেন বলছেন!আপনাকে সব খুলেই বললাম!তবুও বুঝতে চাইছেন না কেন?

-"সব খুললে কই এখনও তো সব পড়েই আছো।

ইনায়ার দিকে তাকিয়েই কথা টা বলল ইয়াশ।ইনায়া এহেন কথা শুনে নাচ মুখ কুচকে বলল,

-"ছিঃ! কি অশ্লীল কথা বার্তা!

-"তুমিই তো খোলার কথা বললে!

-"উফ!আপনি চুপ করবেন!

-"সত্যি কথার ভাত নাই!

-"আপনি চুপচাপ বাসায় চলুন তো!

-"কোথায় শশুর বাড়িতে?

ইনায়া রাগি দৃষ্টিতে তাকালো।ইয়াশ কিছু বলল না।ঠোঁট কামড়ে ইনায়ার অজান্তেই সামন্য হাসলো।তাদের অবস্থান বর্তমানে বেউথা ব্রিজের নিচে।জায়গা টা অনেক সুন্দর।রাতের বেলায় হওয়ায়।রাত নামলেই বেউথা ব্রিজ যেন এক অন্যরকম সৌন্দর্যে জেগে ওঠে। চারপাশের নীরবতা আর নদীর ওপর ভেসে থাকা শীতল বাতাস পুরো পরিবেশটাকে স্বপ্নের মতো করে তোলে। ব্রিজের দুপাশে জ্বলতে থাকা লাইটগুলো দূর থেকে দেখলে মনে হয় অন্ধকারের বুক চিরে আলোয় আঁকা এক দীর্ঘ পথ এগিয়ে গেছে। নিচে নদীর পানিতে সেই আলোর প্রতিফলন চিকচিক করে ওঠে, যেন হাজারো ছোট ছোট তারা পানির বুকে নেচে বেড়াচ্ছে।

রাতের গভীরে ব্রিজের উপর দাঁড়ালে দূরের গাড়ির আলো ধীরে ধীরে এগিয়ে আসে আর মিলিয়ে যায়, সৃষ্টি করে এক শান্ত অথচ মুগ্ধকর অনুভূতি। হালকা বাতাসে নদীর গন্ধ আর চারপাশের নিস্তব্ধতা মনকে অদ্ভুত প্রশান্তি দেয়। মাঝে মাঝে ভেসে আসা মানুষের কথাবার্তা কিংবা গাড়ির শব্দ সেই নির্জন সৌন্দর্যকে আরও জীবন্ত করে তোলে।

বেউথা ব্রিজের রাত যেন শুধু একটি দৃশ্য নয়, বরং অনুভূতির এক কোমল অধ্যায়—যেখানে শহরের কোলাহল হারিয়ে যায়, আর প্রকৃতি ও আলোর মায়াবী মিলনে হৃদয় শান্ত হয়ে আসে।

কালিগঙ্গা নদী এর জলে রাতের আলো পড়লে মনে হয় নদীটা নিজের বুকেই হাজারটা প্রেমের গল্প লুকিয়ে রেখেছে। আর বেউথা ব্রিজ এর উপর দাঁড়িয়ে যখন হালকা বাতাস গালে ছুঁয়ে যায়, তখন প্রিয় মানুষটার হাতটা আরও শক্ত করে ধরে রাখতে ইচ্ছে করে।

কালিগঙ্গার শান্ত ঢেউগুলো যেন ধীরে ধীরে বলে যায়—

“ভালোবাসা ঠিক নদীর মতো, কখনো গভীর, কখনো নীরব… তবুও সবসময় পাশে বয়ে চলে।”

যেন কথাটা ইনায়া আর ইয়াশের জন্য পারফেক্ট।

রাতের নিস্তব্ধতায় ব্রিজের আলো আর নদীর কালো জলের মাঝে দাঁড়ালে মনে হয়, পৃথিবীর সব ব্যস্ততা থেমে গেছে—শুধু দুটো হৃদয় আর এক নদী নীরবে প্রেমের সাক্ষী হয়ে আছে।

কিন্তু দুই মানব-মানবি নিশ্চুপ।বেউথা ব্রিজ এর উপর রাতের নরম আলোয় দু’জন মানুষ নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে আছে। নিচে কালিগঙ্গা নদী ধীরে ধীরে বয়ে যাচ্ছে, আর হালকা বাতাসে ইনায়ার চুল উড়ছে।

ইয়াশ কিছু না বলেই সে ইনায়া কে নিরবে দেখছে।ইনায়াও নীরবে নদীর দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসল।

কথা ছিল না, তবুও সেই নীরবতার মাঝেই যেন হাজারটা অনুভূতি লুকিয়ে ছিল।

চারপাশের আলো, নদীর ঢেউ আর রাতের শান্ত পরিবেশ তাদের ভালোবাসাকে আরও গভীর করে তুলছিল।

ইয়াশের এখন চিৎকার করে বলতে ইচ্ছা করছে—

“এই মুহূর্তটা যদি থেমে যেত… তাহলে সারাজীবন শুধু তোমাকেই দেখে কাটিয়ে দিতে পারতাম।”

কিন্তু তা মুখে সব কিছু বলার স্বভাব নেই তার।ইনায়া কি বুঝে না তার চোখের ভাষা।বুঝলেও কি এই মেয়েটাও ইয়াশের মত ঘাড়ত্যাড়া!কেউ কাউকে নিজের অনুভূতির কথা বলবে না।

বেউথা ব্রিজ এর নরম আলোয় তারা দু’জন পাশাপাশি দাঁড়িয়ে ছিল। নিচে কালিগঙ্গা নদী এর ঢেউ ধীরে ধীরে তীরে আছড়ে পড়ছিল, যেন রাতটাও তাদের গল্প শুনছিল।

ইনায়া আস্তে করে বলল—

“নদীটা দেখেন… কত শান্ত লাগছে।”

ইয়াশ মুচকি হেসে উত্তর দিল—

“নদীর থেকেও শান্ত লাগে তোমার পাশে দাঁড়ালে।”

-"মানে?

ইয়াশ থতমত খেয়ে যায়।তারপর ছোট করে বলে,

-"নাথিং!

কিছুক্ষণ আবার নীরবতা ছেয়ে যায়। এরপরপর ইয়াশ বিরবির করে বলল—

“জানো, এই রাত, এই বাতাস, এই ব্রিজ… সবকিছু একদিন ভুলে গেলেও তোমার হাতটা ধরার অনুভূতিটা কখনো ভুলতে পারব না।তোমার ওই হাত টা আমি অবশ্যই ধরবো।তুমি অমরণ আমার হয়ে থাকবে।তোমাকে রেখেই দেবো আমার করে।

ইয়াশের কথা গুলো ইনায়া কিছুই শুনে নি।

আর ইয়াশের সেই মুহূর্তে মনে হচ্ছিল, পুরো পৃথিবী থেমে গেছে—শুধু দুটো হৃদয় আর এক নদী নীরবে ভালোবাসা বয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

ইনায়া এইবার আস্তে করে বলল,

-"এই নিরব পরিবেশে কেন জানি খুব ভালো লাগছে!

-"এখন ভয় করছে না?

-"না!

-"কেন?

-"জানি না!

তবে একটা কথা বলি আপনাকে?

-"জ্বী ম্যাডাম বলেন!

-"কেন জানি আজকে আপনাকে খুব আপন লাগছে!

-"তাই?

-"হু!

ইয়াশ কিছু বলল না।এরপর বাইকে উঠে স্টার্ট দিতে দিতে বলল,

-"ম্যাডাম ওঠেন!

-"যেতে ইচ্ছা করছে না!

ইয়াশ এবার রাগ দেখিয়ে বলল,

-"ওঠেন নয় তো রেখে যাবো।

ইনায়াও কিছু বলল না।চুপচাপ বাইকে উঠে গেল।কিন্তু ইয়াশের মনে একটা প্রশ্ন রয়ে গেল।এই ধানিলঙ্কা আজকে চুপ কেন!থাক চুপ থাকাই ভালো!জব্দ হয়েছে আজকে।নয় তো একে চুপচাপ থাকার মেয়ে না।মাঝে মাঝে অচেনা বউ বলে খ্যাপালে মন্দ হয় না।

ভেবেই নি শব্দে হাসল ইয়াশ।আর এদিকে ইনায়ার মনে নতুন একটা চিন্তা আসছে!সে ভাবছে,

-"আল্লাহ গো! কোন বিপদে ফেসে গেলাম?জীবনেও আর ট্রুট ডেয়ার খেলতাম না।একবার খেলতে গিয়েই তেজপাতা টা আমার লাইফে জুটে গেছে।ধুর ছাই!

তখনই ইয়াশের ফোনে হঠাৎ রিংটোন বেজে উঠলো।,

জানি না কীভাবে মনের স্বভাবে

মিশে গেলি তুই

দিলি না যে ছায়া, হলি যে আলেয়া

তবু ভাবি ছুঁই

এ জীবন মরুতে তোকে খোঁজে

দু’নয়ন

হলো বানজারা বানজারা

হলো বানজারা বানজারা

হলো বানজারা বানজারা এই মন [2x]

30 সেকেন্ড বেজে বন্ধ হয়ে গেল রিংটোন!ইয়াশ বাইক থামিয়ে কল রিসিভ করতে চায়।ফোন পকেটে থাকায় বের করতে করতে কেটে যায়!

কিন্তু এদিকে এই 30 সেকেন্ডের রিংটোন ইনায়ার বুকে ঝড় তুলে দিয়েছে।এ কেমন অনুভূতি!কেন এমন লাগছে তার।আজ হঠাৎই ইয়াশ কে কেন জানি ভালো লাগছে তার।

ইয়াশ ফোনে দেখল আদি কল দিয়েছে।সে কল ব্যাক করবে তখনই আদি আবার কল দিল।সেই একই রিংটোন!ইনায়ার সারা শরীরে শিহরণ বইছে।এ কিসের টান।কেমন জানি লাগছে।ওই একটা গান আছে,

চোরাবালির পিছু টানে,

বুঝিনা এ ভাষার মানে

অশান্ত মন, কি উজাতন

খোদা জানে

ঘরের কাজে সকাল সাঝে,

জিয়মিতির বাঝে বাঝে

কিসের ছায়া,

একোন মায়া বুঝিনাজে…

ধীরে ধীরে চেনা ভীরে,

অচেনা বারাবারি

অবুঝ এ মন কি জালাতন,

এ কেমন আহাজারি

এই গান টা মনে আসছে শুধু!

ইয়াশ ফোন রিসিভ করে বিরক্তির স্বরে বলল,

-"এই শা*লা ফোন দিছস কেন?

-"ইনায়াকে ওর ভাই খুঁজতেছে!

-"ফাস্ট তুই ওর নাম মুখে নিবি না।আর সেকেন্ড ওর ভাই কে?

-"ফাহিম!

-"তুই ফোন রাখ শা*লা!ওর ভাইকে বল ওর বোন কে বিয়ে করতে যাচ্ছি।

বিয়ের কথা শুনে আদি বলল,

-"এই আমাকে ছাড়া বিয়ে করবি না কিন্তু।না মানে তোদের বাসর ঘরে ক্যামেরা ম্যান হতাম আর কি!হি হি😁

-"সার্টআপ!আবার কল দিলে মাটিতে পুঁতে রাখবো!

কথাটা একটু জোরেই বলল ইয়াশ।ইনায়া মৃদু কেঁপে উঠল।কিন্তু তার ধ্যান কোথায় কে জানে?কোন সারা শব্দ নেই নিশ্চুপ।ইয়াশ একটু পর্যবেক্ষণ করতে ইনায়াকে ডাকল,

-"ইনায়া?

কিন্তু কোন সারা শব্দ নেই!ইয়াশ আবার বলল,

-"ইনায়া....

কিন্তু এখনও ইনায়ার কোন হেলদোল নেই।ইয়াশ কিছু একটা ভেবে ফের ইনায়া কে বলল,

-"ও অচেনা বউ!

ইয়াশের সম্বোধন ইনয়ার মস্তিষ্কে গাইতেই সে বলল,

-"কি বললেন?

ইয়াশের এবার খুব হাসি পেল,তবে হাসলো না।দুই বার নাম ধরে ডাকল কিন্তু শুনল না।আর অচেনা বউ বলায় উত্তর নিল।

ইন্টারেস্টিং তো!

ইয়াশ নিজের হাসি আটকে বলল,

-"কিছু না।

এরপর একটু থেমে,

-"শোন মেয়ে তুমি আমার অনলাইনের অচেনা বউ!অচেনা হয়েই থাকো।বাস্তবে আসতে হবে না।তোমার প্রতি এমনি কোন মেয়ের প্রতিই আমার আগ্ৰহ নেই!আন্ডারস্ট্যান্ড!

কিন্তু এহেন কথার মানে ইনায়া কিছুই বুঝল না!এই কথা গুলো তাকে কেনই বা বলল।কি অদ্ভুত লোক রে বাবা।ইনয়া ভেঙচি কাটলো।

ইয়াশ আবার বাইক স্টার্ট দিয়ে গতি বাড়ালো।ইনায়া ইয়াশের শার্ট খামচে ধরল!

To be continue......

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৭ম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন