ফন্ট সাইজ:
থিম:
বনজোছনা

পর্ব 12

লেখক: বিনতে ফিরোজ

#বনজোছনা
১২. (প্রথমাংশ)
নিঃস্ব মানুষের হারানোর কিছু থাকে না। কেবল কিছু পেয়ে গেলেই সে ভয়টা অক্টোপাসের মতো পেচিয়ে ধরে। চাকরিটা হবার আশা দেখা দেয়ার পর থেকে সাকিনের অবস্থায় একই হয়েছে।

আগে তার কিছুই ছিল না। কাজেই কী গেলো, কী এলো সেসব নিয়েও মাথাব্যথা ছিল না। কিন্তু এখন পুলিশ ভেরিফিকেশন চলাকালীন এই সংকটময় পরিস্থিতিতে যদি চাকরির সুতোয় একটা টান পড়ে—তবেই বাকি জীবনের চরিত্র মোটামুটি নির্ধারিত হয়ে যাবে। পুলিশের খাতায় নাম থাকলে সে সাধারণ জীবন-যাপন করতে পারে না। পিছে একটা অদৃশ্য সিলমোহর সবসময় সেঁটে থাকে। হয় ঘাগু সন্ত্রাসী হতে হয়, নয়তো সাধু-সন্ন্যাসী। বাইনারি এ নিয়মের মাঝে ধূসর হলেই সমস্যা। হাঁতকড়াটা মূলত সমাজের ধূসর প্রকৃতির লোকদের জন্যই তৈরি। কালো-সাদা সবাই সে ফাঁক গলে বেরিয়ে যেতে পারে। আটকে যায় শুধু তারা।

ওষুধ কোম্পানির সে কাগজে সই করে সদ্যই ওদের দলে যুক্ত হয়েছে সাকিন।

সবসময় এমনই হয়ে আসছে। নতুন কোনো কোম্পানি বাজারে এলে পুরো ফার্মেসি পট্টিতেই তাদের ওষুধ চালান দেয়া হয়। প্রোডাক্ট রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ম্যানুফ্যাকচারিং লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স বা টিআইএন নম্বর না দেখিয়ে কেউ হাসপাতালের চৌহদ্দিতে আসার কথা ভাবতেই পারে না।

এর আগে যতগুলো কোম্পানির সাথে চুক্তি হয়েছে—তারাও এ পদ্ধতিই মেনে এসেছে। এসব ধাপ পূরণ করার অলিখিত এই নিয়ম কাউকে শিখিয়ে দিতে হয় না।
নিয়মগুলোও এত অটুটু হয়ে গেছে যে আলাদা করে আর উল্লেখ করতে হয় না যে সেসব হয়ে গেছে। কাজগুলো এতই ধ্রুব।

তবে অটুট নিয়মও ভাঙে। ভাঙ্গনটা সাকিনকে সাক্ষী করেই হলো।

সাকিন চুপচাপ দেয়ালে হেলান দিয়ে বসে আছে। নিজাম চাচা নিশ্চয়ই এসব জানতেন? সেজন্যই তাকে দিয়ে তাড়াহুড়ো করে সইটা করিয়ে নিলেন। এমন ডিল বছরে কয়েকটা হলেও সেগুলো সাধারণত আকরাম খানই সই করে থাকেন। মালিককে নিরাপদে রাখতেই নিশ্চয়ই নিজাম তাকে গুটি হিসেবে ব্যবহার করেছে? কী অভূতপূর্ব বিশ্বস্ততা!

সাকিন বেরিয়ে মামীকে বলে এলো মামা এলে যেন তাকে একবার ডাক দেয়। পাপিয়া অদ্ভুত চোখে তার দিকে তাকালেন। সাকিন সেটা ধরতে পারল না।

বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে নামল। সন্ধ্যে বুড়িয়ে রাত হলো। কিন্তু আকরাম খান তখনও বাড়িতে ফেরেননি। সাকিন সেই যে ঘরে ঢুকেছে—আর বেরও হয়নি। তার কেবলই মনে হচ্ছে—টাকার এ খেলায় তাকে স্রেফ একটা গুটি হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। যতবার কথাটা মনে হচ্ছে ততবার একটা ছাইচাপা আগুন হলকা ছড়িয়ে দিচ্ছে। সে হলকার তাপ সহ্য করা তার পক্ষে ক্রমশ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রাত্রি তখন এগারোটা বাইশ। দশটার ভেতরেই এ বাড়িতে ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টে যায়। সবাইকে খাইয়ে পাপিয়া বেগম ঘরে ঢুকে পড়েন। এরপর কারও কাজ থাকলেও বসার ঘরের বাতি জ্বালানো নিষেধ। এই নিষেধাজ্ঞা আকরাম খানের পক্ষ থেকে। তিনি রাত জেগে কাজ করেন। সে সময় অযাচিত হাঙ্গামা তার পছন্দ না। কাজেই সাড়ে এগারোটা তাদের বাড়িতে গভীর রাতই বটে।

তেমন সময় সাকিনের দরজায় কড়া নড়ে উঠল। সে ভাবল মামা বোধহয় ডাক পাঠিয়েছেন। সাতপাঁচ না ভেবে এক টানে সিটকিনি খুলে দিলো। ওপাশের মুখটা পরিচিত হলেও ভাবটা অচেনা। পাপড়ি জ্বলজ্বলে চোখে তাকিয়ে আছে।

সাকিন জিজ্ঞেস করল, “মামা এসেছে?”

পাপড়ি সে কথার উত্তর দিল না। অন্ধকার ডাইনিংয়ে একবার চোখ বুলিয়ে আর এক পা এগিয়ে এলো। ওর চোখেমুখে উৎকণ্ঠার ভাব স্পষ্ট।

সাকিন ওর চেহারা দেখে অংক মেলাতে পারছিল না। অথচ তার ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় অনবরত বিপদ সংকেত বাজিয়ে চলেছে। বিকেল থেকে যেটা ছিল নয় নম্বরে, সেটা পাপড়ির চেহারা দেখেই এক লাফে দশে যেয়ে ঠেকেছে।

এক হাতে দরজা ঠেলে সাকিন বলল, “মামার সাথে কালকে কথা বলব। তুই যা।”

দরজা আটকে দিতে উদ্যত হতেই পাপড়ি হুড়মুড়িয়ে ঘরে ঢুকে পড়ল। সাকিন মনে মনে প্রমাদ গুনল। সাইরেনের শব্দে মাথাটা ফেঁটে যাওয়ার দশা।

পাপড়ি ঢুকে খানিকক্ষণ এলোমেলো ভঙ্গিতে পায়চারি করল। ওড়না দিয়ে মুখের ঘাম মুছল। তারপর এক পলক সাকিনের দিকে তাকালো। তার উদ্ধত তারুণ্যের মুখ থুবড়ে পড়া জেদ তার অস্তিত্বের জানান দিতে আজ চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। মনের ভয়-ডরকে এক ধাক্কায় ছুঁড়ে ফেলল পাপড়ি। বান্ধবীদের নিরবচ্ছিন্ন বিষাক্ত কথার বান থেকে মুক্ত হওয়ার চাইতে তার কাছে এখন বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে নিজের অস্তিত্ব। তা কি এতই ঠুনকো যে সাকিন ভাই এভাবে পায়ে মাড়িয়ে যেতে পারে? এই অপমানের শোধ সে নেবেই। দরকার হয় অপমান করেই নেবে। নিজেকে প্রমাণ করতে পাপড়ি ঠিক-ভুলের বিচার ভুলে গেলো। ভুলে গেলো—সাকিন ভাইয়ের জন্য তার মনে মায়া ছিল।

দরজাটা হাট করে খুলে দিলো সাকিন। পাপড়ির দিকে এগিয়ে এসে শীতল কণ্ঠে বলল, “বের হ পাপড়ি।”

পাপড়ি বের হলো না। উল্টো জিজ্ঞেস করল, “আপনার উত্তর কী, সাকিন ভাই?” তার কণ্ঠের উৎকণ্ঠা খুব নগ্নভাবে প্রকাশিত হয়ে পড়ল।

সাকিন দেয়ালের সাথে দাঁড়িয়ে রইলো। ঘরের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা পাপড়ির দিকে তাকিয়ে বলল, “তোকে বোন ভেবেছিলাম। আর ভাবা যাচ্ছে না। বের হ।”

“বোন ভাবতে কেউ বলেওনি।” পাপড়ির গলার স্বর ক্রমেই উঁচু হচ্ছে। সে এক পা এগিয়ে এলো, “সাকিন ভাই, আমাকে কি আপনার এতই অপছন্দ?”

সাকিন চোখ বন্ধ করে নিজেকে সামলানোর চেষ্টা করল। সে ফাঁকে তার হাত ধরে ফেলল পাপড়ি। সাকিন ঝট করে তাকালো। শক্ত কণ্ঠে বলল, “তুই বের হবি না?”

“না!” এত জোরে না বলল পাপড়ি—সাকিনের মনে হলো মামী নিশ্চয়ই এ শব্দ শুনে ফেলেছে। সে তড়িৎ পদক্ষেপ নেয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করল। পাপড়ির শীর্ণ হাত ধরে ঘরের বাইরে বের করবে—ঠিক সে মুহূর্তে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ডাইনিংয়ের লাইট জ্বলে উঠল। আকরাম খান ভূতগ্রস্থের মতো তাকিয়ে আছেন সাকিনের হাতের দিকে, যেটা শক্ত করে পাপড়ির হাত ধরে রাখায় ব্যস্ত। পরিস্থিতি দেখে এক নিমিষে হাতের কোন পরিবর্তন করে ফেলল পাপড়ি। ঐ দুই ডিগ্রির কোন পরিবর্তন হয়ে যাওয়ার কারণে দৃশ্যটা এমন দেখালো—সাকিন জবরদস্তি করে পাপড়ির হাত ধরে রেখেছে।

তৎক্ষণাৎ হাত ছেড়ে দিল সাকিন। কিন্তু ততক্ষণে অনেকটাই দেরি হয়ে গেছে।

আকরাম খান চিলের মতো ছো মেরে পাপড়িকে সরিয়ে খপ করে সাকিনের কলার ধরলেন। সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁকি দিয়ে বললেন, “কী করছিলি জানোয়ার!”

গলা বন্ধ হয়ে সাকিনের দম আটকে যাবার জোগাড়। সে কোনো উত্তর দিতে পারল না।

আকরাম তার উত্তরের অপেক্ষাও করলেন না। ওকে ছেড়ে মুহূর্তেই চড় বসিয়ে দিলেন। তার চোখমুখ দেখ মনে হচ্ছে তার ঘাড়ে কোনো দৈত্য ভর করেছে। এলোমেলো ভঙ্গিতে বলতে থাকলেন, “তোকে খাওয়াচ্ছি পরাচ্ছি আমার মেয়ের জীবন ধ্বংস করার জন্য? শুধু টাকা দিয়ে হয়নি? আমার ফার্মেসিতে বসে আমার নাম ভাঙিয়ে তুই দুই নম্বরী ওষুধের ব্যবসা করিস! ঘরে ঢুকে আবার আমার মেয়ের দিকেই হাত বাড়াস! তোকে আমি জেলের ভাত খাওয়াবো…!” গালির যে তুবড়ি তিনি ছোটালেন তা কোনো ভদ্র মানুষের পক্ষে শুনে যাওয়া সম্ভব না।

সাকিনের পক্ষে প্রতিরোধ করা ছিল নিষ্ফল। মুহূর্তের মাঝে মামা-মামীর ছুটে আসাটা এক প্রকার অসম্ভব। তারা হয়তো পরিকল্পনা করেই এসেছে। তেমন যদি না হয়ে থাকে, তবুও আজ ফার্মেসির ঝাল মেয়ের উসিলায় যে আকরাম ওঠাবেন—এ আর নতুন কী!

সাকিন কেবল এক ফাঁকে পাপড়ির দিকে তাকিয়ে বলল, “এটাই তুই চেয়েছিলি?”

পাপড়ি তখন বাঁশপাতার মতো করে কাঁপছে। সে মায়ের পেছনে সেঁধিয়ে গেলো। এই এত বড় একটা পদক্ষেপ সে পুরোপুরি নিজের সাহসে নেয়নি। চাকরিটা নিশ্চিত হওয়ার পর থেকে পাপিয়ার হাবভাব বেশ বদলে গিয়েছিল। যে মেয়েকে সাকিনের আগে-পিছে না থাকার জন্য তিনি ধনকাতেন—সেই মেয়েকেই তার দিকে এক প্রকার লেলিয়ে দিলেন। পাপড়ি অবুঝ নয়। মায়ের মতিগতি টের পেয়েই তার জেদ আরও প্রবল হলো। আজ যে আকরাম এভাবে ছুটে এলেন, এর পেছনে কি পাপিয়ার একেবারেই হাত নেই? তবে এক বিকেলেই কেন তিনি পাপড়িকে শুনিয়ে বললেন—সাকিন উড়তে চাচ্ছে। এতদিন পেলে-পুষে আরেক খাঁচায় উড়তে দেব কেন?

আকরাম খান তারস্বরে চেঁচিয়ে বললেন, “ও কি চাবে হারামজাদা! তোর কলিজা আমি কুত্তাকে খাওয়াবো!’

আদিলও চেঁচামেচি শুনে উঠে এসেছে। ঘটনার আগা-মাথা কিছুই বুঝতে পারছে না সে।

পাপিয়া বেগম এগিয়ে এসে ঠান্ডা কণ্ঠে বললেন, “চিল্লিয়ে লোক জড় করবেন না, আদিলের আব্বু। ওকে ছেড়ে দিন। চুরি করে পালিয়ে যাবে ভাবলে খুব ভুল ভেবেছে। এর একটা বিহিত করুন।”

আকরাম খান ছেড়ে দিলেন। লম্বা শ্বাস নিয়ে সাকিনের মনে হলো—এ সবই মঞ্চায়িত নাটক। কেবল তার সামনে মঞ্চস্থ করে জন্যই এত তোড়জোড়। ঘৃণার একটা তিতকুটে ভাব তার পুরো শরীর জুড়ে ছড়িয়ে পড়ল।

আকরাম লাল চোখে সাকিনের দিকে তাকালেন। নিজেকে সামলে ঠান্ডা কণ্ঠে বললেন, “মাফ যদি পেতে চাস তাহলে আমার কথা শোন। তোর অপরাধ তো একটা না। ফার্মেসির নাম ডুবিয়েছিস, আমার মেয়ের দিকে চোখ দিয়েছিস। যদি আমার প্রস্তাব মেনে নিস তাহলে বেঁচে যাবি। নাহলে কী করে মরবি সেই ব্যবস্থা আমি নিজের হাতে করব।”

সাকিন শীতল চোখে তাকালো। অদ্ভুত হলেও সত্য তার মনে কোনো ভয় কাজ করছে না। বুকে শীতল সমীরণ বইছে—এমনও নয়। তবে কোন এক বিশ্বাসে, অজানা এক ভরসায় মনে হচ্ছে—এই কর্দমাক্ত রাস্তার একটা ধূলিকণাও তাকে ছুঁতে পারবে না।

“কী প্রস্তাব?”

আকরামের মনে হলো সাকিন তার সাথে অহংকার করছে। ওই দু’টাকার চাকরির গোড়ায় কেরোসিন ঢেলে দিলেই পুড়িয়ে ভস্ম করে দেবে। সে ক্ষমতাও তার হয়েছে। কাজেই ধরা পড়া চোরের আত্মবিশ্বাস তার মোটেও পছন্দ হলো না।

তিনি বললেন, “ঘটনা পাঁচকান হওয়ার আগেই পাপড়িকে তুই বিয়ে করে নে। এই কাহিনী ছড়ালে আমার মেয়ের আর গতি হবে না। ওর জীবন নষ্ট করে দিয়ে তুই ফুর্তি করবি—সেই চিন্তা করিস না। ওকে ভোগালে তুইও ভুগবি। রাজি হলে ফার্মেসির বিষয় আমি দেখব।”

এক মুহূর্তও সময় নিলো না সাকিন। শিরদাঁড়া সোজা করে, ভীষন দৃঢ় কণ্ঠে বলল, “মরে গেলেও আমি পাপড়িকে বিয়ে করব না।”

আকরাম এক ঝলক তাকালেন। তার চোখে শিকারীর হিংস্রতা। আদিলকে হুঙ্কার দিয়ে ডেকে বললেন, “ওর আলমারির নিচের ড্রয়ার খোল!”

আদিল ভয়ে কেঁপে উঠল। ঘটনা সে যা আন্দাজ করেছে—তাই যদি হয় তবে কেলেঙ্কারির এক শেষ। সাকিন ভাইয়ের মতো মাটির মানুষ এমন কিছু করেছে—ভাবতে তাকে একবার হোঁচট খেতে হয়।
কিন্তু আরও একটা হোঁচট আদিলের জন্য অপেক্ষা করছিল।

বিভ্রান্তের মতো ড্রয়ার খুলল বটে, কিন্তু তারপর কী করতে হবে বুঝতে পারল না। আকরাম বললেন, “সোজা ভেতরে হাত ঢুকিয়ে দে।”

সাকিন নীরবে সবকিছু দেখছিল। এ আলমারিটা তার ঘরে রাখার কারণ এটা অন্য ঘরে জায়গা পায়নি। তার কাপড়-চোপড় ওখানে থাকে না। ছোট্ট একটা কালো ট্র্যাংকই তার একমাত্র নিজস্ব আসবাব।

নির্দেশনা পেয়ে আদিল তাই করল। বেরিয়ে এলো একটা ছোট্ট কাগজের বাক্স।

“খোল!” বজ্রকণ্ঠে বললেন আকরাম।

খুলতেই আদিলের চক্ষু কোটর ছাড়ালো। ভয়ার্ত চোখে সে বাবার দিকে তাকিয়ে দেখল তিনি কিটকিটিয়ে হাসছেন। সাকিন অপলক ওই বাক্সের দিকে তাকিয়ে ছিল।

আকরাম খান বললেন, “এবার?”

সাকিন তার সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ চিন্তা করার একটা ব্যর্থ চেষ্টা করল। অবৈধ ওষুধ কোম্পানির সাথে মোটা টাকার চুক্তি, মামাতো বোনের সম্মানহানি এবং হিরোইন পাচার। চাকরির ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে দেয়ার জন্য এই তিনটাই কি যথেষ্ট নয়?

চলমান~

(আজ আর কুলিয়ে উঠতে পারলাম না, পাঠক। এমন আরও একটা অংশ এখনও বাকি। আপনারা ঝটপট রেসপন্স করে ফেলুন। শেষাংশ আগামীকাল দেয়ার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ্।)

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 12 শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন