ফন্ট সাইজ:
থিম:
পরান আমার ভালোবেসেছে

৫ম পর্ব

লেখক: অহনিশা ব্যানার্জি

#পরাণ_আমার_ভালোবেসেছে

#অহর্নিশা

#পর্ব_সংখ্যা ৫(প্রথম অংশ)

দুপুর তিনটে তখন, কে. বি. সি প্রাঙ্গণ ইতিমধ্যে সেজে উঠেছে। মাঠের চারিদিকে লোকজনের ভিড়। আজকে আবার কোটের নেট চেঞ্জ করা হয়েছে, সাথে কোটের চারিদিকে বাউন্ডারি ও দেওয়া হয়েছে। আবার, কোটের দুপাশে বড়ো বড়ো সাদা রঙের লাইট লাগানো হয়েছে। ফলে, প্রতিদিনের তুলনায় মাঠটা আজকে একটু বেশিই আলোকিত হয়ে উঠেছে।

আজকে কে.বি.সি এর সিনিয়র টিম এবং ইউ.এ.সি ক্লাবের ছেলেদের ম্যাচ আছে। তাই আরকি এত মানুষের ভিড়, আর এত আয়োজন। বর্তমানে, ম্যাচ' টা কে.বি.সি এর মাঠেই হচ্ছে। যদিও, খেলা এখনো শুরু হয়নি। আর না খেলোয়াড়রা মাঠে নেমেছে। তবু, দর্শকদের মধ্যে টানটান উত্তেজনা। সবাই বেশ আগ্ৰহ সহকারে অপেক্ষা করছে খেলোওয়াড়দের জন্য, এবং তাদের খেলার জন্য। সবার আগ্ৰহ থাকারই কথা। কেননা কুলতলা—এই মাঠ,এই খেলা, মাঠের স্যার থেকে শুরু করে ছেলে গুলোর জন্য বিখ্যাত। আর সেই কে.বি.সি এর ম্যাচের দিনে কুলতলা বাসী উপস্থিত না থাকে, তা কখনো হয় নাকি।

------------

কে.বি.সি এর মাঠের এক কোনে দাঁড়িয়ে আছে নয়ন্তীকা আর রিহা। কোটের বাউন্ডারির ঠিক সামনে। রিহা চঞ্চল চোখখানি দিয়ে সব পর্যবেক্ষণ করলেও, নয়ন্তীকার মুখখানি হাঁড়ি হয়ে রয়েছে। তার এখানে থাকা একেবারেই ভালো লাগছে না। কেননা, এখানে ওই ভাবের দোকান ও থাকবে। তার ও নাকি খেলা রয়েছে। আর নয়ন্তীকা রক্তিমের ভাব দেখতে মোটেই ইচ্ছুক নয়।

তার ওপর, আজ রবিবার। নয়ন্তীকা আর রিহার নাচের ক্লাস আছে। কে.বি.সি এর পার্শ্ববর্তী সরু রাস্তা হতে ঠিক দশমিনিটের রাস্তা। প্রতি শনি-রবিবার এই ক্লাব অতিক্রম করেই যায় নয়ন্তীকা আর রিহা। তারা দুজনে চ্যাটার্জী বাড়ির বড়ো মেয়ে মায়া চ্যাটার্জীর কাছে ক্লাসিকাল নাচ করে। যেহেতু, আজ রবিবার থাকায় দুজনে নাচ করতে যাবে বলেই বাড়িতে বলে বেড়িয়েছিল। দুজনের হাতেই একজোড়া করে পায়ের ঘুঙরু' রয়েছে, পড়নে নাচের ড্রেস। চেনা পরিচিত কেউ দেখে নিলেই কেলেঙ্কারি হয়ে যাবে। তাছাড়া বাড়ির লোক যদি জানে দুজনে নাচ করতে না গিয়ে কে.বি.সি তে খেলা দেখছিল, তাহলে কপালে উওম-মধ্যম লেখা থাকবে। এমনিতে নয়ন্তীকার বাবা কে.বি.সি ক্লাব পছন্দ করেন না। তার ওপর, মেয়েকে একা ছাড়তে নারাজ। যদিও বা মায়ের জন্য এখন বেড়োতে দিচ্ছে, সত্যিটা জানলে তাও দেবে না।,,,, এইসব ভেবেই নয়ন্তীকার চিন্তায় চোখ উল্টে যাবার যোগাড়, আর এই রিহা ক্রাসের চক্করে চোখে সর্ষেফুল দেখছে। বেয়াদব মহিলা একটা!! — নয়ন্তীকা মনে মনে বকলো।

“এ্যাই রিহা, নাচ করতে চল মা আমার। যদি মিস দেখেছে আমাদের, তাহলে কিন্তু কপালে ভীষন দুঃখ থাকবে।”

নয়ন্তীকা চিন্তিত মুখে আশেপাশে চোখ বুলিয়ে বললো। আর নয়ন্তীকার এই চিন্তিত মুখখানি দেখে রিহা চ' সূচক শব্দ করে উঠলো। তারপর বেশ করুন কন্ঠে বললো,,,,

“আজ থাক না নয়ন। তুই তো জানিস আজকে আমার ক্রাস ও খেলবে। আর আমি সেটা মিস করে গেলে, আফসোস এ মরে যাবো। তুই নিশ্চয়ই চাইবি না...তোর বেস্ট ফ্রেন্ড আফসোস করতে করতে অল্প বয়সে টোপকে গেছে?”

রিহার নেকামো দেখে নয়ন মুখ বেঁকালো। উহু! আইছে রে আমার ক্রাস ওয়ালি। যতসব! নেহাৎ, এই হাফ পাগলটা নয়নের বাল্যকালের একমাত্র সখী। তাই তার জন্য সাত খুন ও মাফ । আপাতত, ওই ভাবের দোকানকে চোখের সামনে সহ্য করে নেবে। নয়তো, ওই শা*লা কে নয়নের জুত্তি ও না দেখে।

“আরে চিল ইয়ার!! তোর মনে হয় মিস এখানে আসবে? সে এখন ‘ধা-ধি-না-না-তি-না-ধা’ করতে ব্যস্ত হবে।”

রিহা নয়ন্তীকার গলা জড়িয়ে ধরলো, তারপর নাচের মিসের মতো নাটকীয় ভঙ্গিতে বললো। তবু নয়ন্তীকা মুখ গোমড়া করেই রইলো, যেন পৃথিবীর সকল বিপদ ওর মাথাতে রয়েছে। যা দেখে রিহা নয়ন্তীকা'কে একটু ঝাঁকিয়ে বলে উঠলো,,,,,

“ভাই, একটু পড়েই সব হ*ট হ*ট মাল গুলো খেলতে বেড়োবে। সিক্স প্যাক ওয়ালা বডি, সিল্কি চুল। উফ!! কেউ বারন করার ও থাকবে না, মন খুলে-চোখ ভরে তাদের দেখা যাবে। ভাব একবার!”

রিহার কথায় নয়ন্তীকা বিরক্ত ভরা চোখে চাইলো। যতটা এই মেয়েকে সে ভদ্র জানতো, সেই ভদ্রতার ছিটেফোঁটা দেখতে পাচ্ছে না নয়ন্তীকা। সে বিরক্ত সহিত বিড়বিড় করে উঠলো,,,,,

“যতসব অশ্লীল কথাবার্তা সঙ্গে অশ্লীল চিন্তাধারা‌।”

#পরাণ_আমার_ভালোবেসেছে

#অহর্নিশা

#পর্ব_সংখ্যা ৫(দ্বিতীয় অংশ)

বিকেল চারটে তখন,খেলা শুরু হয়নি ততক্ষণে। তবে খেলোয়াড়রা মাঠে নেমেছে। কোটের দুই প্রান্তেই দুটো দলের খেলোয়াড়রা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে। কে.বি.সি ক্লাবের ছেলেদের গায়ে নীল রঙের জার্সি আর ইউ.এ.সি ক্লাবের ছেলেদের গায়ে লাল রঙের জার্সি। দুই দলের জার্সির পিছনেই তাদের ক্লাবের নাম এবং স্কোয়াড নাম্বার রয়েছে।

মাঠের সবাই উৎসুক নয়নে চেয়ে রয়েছে খেলোয়াড়দের দিকে। এবার খেলা শুরু হতে যে বেশি দেড়ি নেই তা উপস্থিত সবার বোঝা হয়ে গেছে ইতিমধ্যে।

“ভাই, আমার ক্রাশ'টা কে দেখতে পাচ্ছি না। সে কি মাঠে নামবে না?? এ্যাঁ!!! ধুর ভাল্লাগে না”...

নয়ন্তীকা বিরক্তি ভরা চোখে রিহার পানে তাকালো। তারপর মুখ বেঁকালো রিহার অগোচরে, বেশ হয়েছে!! আরও ক্রাশ-ব্রাশ কর। মনে মনে সে বেশ খুশিই হল, বদ ছেলেটাকে আশেপাশে না দেখে। কে.বি.সি ক্লাবের সব ছেলেরা লাইন আপ করে নিয়েছে। তবে রক্তিম অনুপস্থিত, তার মানে সে খেলবে না। নয়ন্তীকার মনটা ফুরফুরে হয়ে উঠলো। মনে তখন গান চলছে,,,,,“আহা! কী আনন্দ আকাশে-বাতাসে।“

তবে, নয়ন্তীকার একটু খারাপ ও লাগলো রিহার জন্য। আহা! বেচারা আদরের বান্ধুপী তার। খুশি-খুশি মুখখানা প্যাঁচার মতো করে রেখেছে। চেয়ে চেয়ে আশেপাশে সে দেখতে ব্যস্ত। হয়তো বা রক্তিমের খোঁজ করতে ব্যস্ত। কী সখ করে এসেছিল ক্রাশের ম্যাচ দেখবে। বেচারার সখের বারোটা বেজে গেল। মুখ টিপে হাসলো নয়ন্তীকা। তার হাসিও পাচ্ছে, আবার রিহার জন্য খারাপ ও লাগছে। রিহা তার বাল্যকালের সই কিনা...। নয়ন্তীকার আকাশ কুসুম চিন্তার মাঝেই উপস্থিত সবাই গলা ছেড়ে চেঁচিয়ে উঠলো। নয়ন্তীকা চোখ ছোটো ছোটো করে চাইলো সবার দিকে, ঠিক তখনই রিহাও তার বাহু খানা জড়িয়ে ব্যাঙের মতো লাফিয়ে উঠলো। নয়ন্তীকা ভ্রু কুঁচকে চাইলো রিহার পানে। সে তখনও পাগলদের মতো লাফাচ্ছে।

“রক্তিম!! রক্তিম!! রক্তিম!!”

রিহা চেঁচিয়ে উঠলো প্রফুল্ল গলায়। শুধু রিহাই নয়, আশেপাশের সবাই তার নাম জপে চলেছে একই স্বরে। নয়ন্তীকা রিহার হাস্যরত মুখপানে তাকালো, তারপর তার দৃষ্টি অনুসরণ করে চাইলো।

ব্যাস !! হাঁ করে চেয়েই রইলো নয়ন্তীকা। রক্তিমকে মারাত্মক সুন্দর লাগছে তার কাছে। সে কোটের ভিতর ছুটে ঢুকছে। তার সিল্কি চুল গুলো হাওয়ায় উড়ছে। পড়নে তার কালো রঙের স্লিভলেস জার্সি, কালো শর্টস। শর্টসটা হাঁটুর অনেকটা উপরে,যার ফলে ফর্সা পা জোড়া নয়ন্তীকার দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। আর একটা আকর্ষণীয় ব্যাপার হল, রক্তিমের একটা পায়ে কালো নি-ক্যাপ রয়েছে। দুটো হাতের আঙ্গুল গুলো সাদা ব্যান্ডেজ লাগানো আছে। নয়ন্তীকা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পা থেকে মাথা পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করতে লাগলো। শেষমেষ নয়ন্তীকার দৃষ্টি আটকালো রক্তিমের বাইসেপস এ। ওমনি তার দুষ্টু মনটা বলে উঠলো,,,,,ভাই!! ক্যায়া ডোলে সোলে হ্যায়। নয়ন্তীকা তৎক্ষণাৎ জিব কাটলো। নির্ঘাত তার রিহার হাওয়া লেগেছে। সে চোখ সরিয়ে নিল তৎক্ষণাৎ। এই প্রথম নয়ন্তীকা রক্তিমকে এই ভাবে পর্যবেক্ষণ করলো। পর্যবেক্ষণ নয়, রীতি মতো চোখ দিয়ে গিলে খেল। ছিঃ! ছিঃ!

নয়ন্তীকা মনে মনে নিজেকে শাসালো— এই বদের রূপ দেখে একদম গলবি না নয়ন। ভুলে যাস না এই সুদর্শন বদের হাড্ডিটা তোর শএু হয়।

রক্তিম ততক্ষণে নিজের দলবলের কাছে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। তারপর বেশ কিছুক্ষণ পর দুই দলের মধ্যে দিয়েই একটা করে খেলোয়াড় এগিয়ে গেল রেফারির কাছে, এরপর রেফারি কয়েন দিয়ে টস করলো। সঙ্গে সঙ্গে রক্তিমদের অপর দলের ছেলেটা চেঁচিয়ে উঠলো। প্রথমে নয়ন্তীকা কারটা না বুঝলেও, পরে বুঝতে পারলো প্রথম সার্ভিসটা ওদের দলের হবে। অর্থাৎ ওরা টস জিতেছে। এরপর, দুই দলের ছেলেরা কোটের দুটো ভাগ দখল করে নিল। তারপর,নেটের দুপ্রান্ত দিয়ে দুটো দলের সবাই একে অপরের সঙ্গে হ্যান্ডসেক করে রেফারির নির্দেশে খেলা শুরু করলো।

রক্তিমের দল পড়েছে কোটের নয়ন্তীকার ডান দিকে, আর অপর দলটি বাম দিকে। নয়ন্তীকা আর রিহা একেবারে রক্তিমদের কোটের কাছেই পড়েছে ভাগ্যক্রমে। নয়ন্তীকা সূক্ষ্ম নজরে সব চেয়ে চেয়ে দেখছে, তারপর তার নজর সেই রক্তিমের উপরই আটকাচ্ছে। আর রইলো রিহার কথা, তো তার নজর আটকানোর কথাই নেই। সে রক্তিম থেকে চোখ সরালে তো অন্য কারোর উপর চোখ আটকাবে। নয়ন্তীকা রিহার মুখপানে তাকালো, তারপর রক্তিমের দিকে চেয়ে বললো,,,,,

“আচ্ছা, কে.বি.সি এর বাকি ছেলেদের জার্সির সাথে তোর ক্রাশের জার্সি মিল নেই কেন?”

“লিবেরো দলের থেকে আলাদা জার্সি পরে জানিস না?”,,,,,,রিহা তখনো রক্তিমের দিকে চেয়ে রয়েছে ড্যাবড্যাব করে।

"না! জানতাম না।”

“যাতে লিবেরোকে আমরা আলাদা করে চিনতে পারি তাই। তাছাড়া, তাদের ওপর কত দায়িত্ব থাকে। মাঝে খেলা চটিখানি কথা। রক্তিম'দার সব খোঁজ আমি...

রিহা আর বলতে পারলো না। তার আগেই নয়ন্তীকা বলে উঠলো,,,,,“এ্যাই! রক্তিম ভক্ত, থাম এবার। চুপচাপ খেলা দেখ। আর আমাকেও দেখতে দে।”

রিহার মুখটা ফাটা বেলুনের মতো চুপসে গেল তৎক্ষণাৎ। তবু সে কিছু বললো না, মেয়েটা যে এখনো এখানে আছে। এই ঢের রিহার কাছে। তাই সে আবার খেলায় মন দিল।

------

খেলা ইতিমধ্যে জমে গেছে। দুই দলেই ছয়জন করে খেলোয়াড় রয়েছে। তিনবারে বল নেটের অপর প্রান্তে পাঠাতে হচ্ছে। যেই দল মাটিতে বল ফেলে দিচ্ছে, ওমনি অপর দলের একটা পয়েন্ট বেড়ে যাচ্ছে।

কে.বি.সি এর এখন ৮ নং হয়েছে, এবং ইউ.এ.সি এর ৬। দুই দলের খেলোয়াড়রা বেশ শক্তপোক্ত, একে অপরকে টেক্কা দেওয়ার মতো।

নয়ন্তীকা তো সব বাদ দিয়ে খালি রক্তিম কে দেখছে। আজকে নয়ন্তীকার চোখ গুলো তার সাথে বেইমানি করে বসেছে। শুধু কি চোখ ? বেইমানির দলে মনটাও রয়েছে।তার কথা শুনছেই না কেউ। সেই চোখ দুটো তার আঁঠার মতো গিয়ে রক্তিমের উপর আটকেছে। সাথে মনটা তার কথা শুনছে না। অপছন্দের ব্যক্তিটা যখন দুমদাম বল মেরে নাম্বার বাড়াচ্ছে ওমনি নয়ন্তীকার মনটা নেচে উঠছে। তো বলো দেখি,,,, তার এখন করনীয় টা কী ?

রক্তিম এই শীতেও ঘেমে গেছে। ফলে ফর্সা মুখখানি লাল হয়ে উঠেছে। সামনের কুচো চুল গুলো কপালে লেপ্টে রয়েছে। কানের পাশ থেকে ঘাম গড়াচ্ছে। যা দেখে নয়ন্তীকা থেকে থেকে ঢোঁক গিলছে। এই ছেলেটা তার শএু হলেও সে বলতে বাধ্য,,,, রক্তিম মারাত্মক সুন্দর দেখতে। সে যখন হাত দিয়ে নিজের চুল গুলো সেট করছে নয়ন্তীকার তখন বুকে ঢাক-ঢোল বাজতে শুরু করছে। পয়েন্ট বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রক্তিম যখন চেঁচিয়ে উঠছে, তার ছেলেদের গলা জড়াজড়ি করছে,,,, নয়ন্তীকা তখন বেহায়ার মতো তাকিয়ে রয়েছে অপলক। সে বুঝতে পারছে না, আজকে তার হয়েছেটা কি। তার আজকে কেন রক্তিম কে ভালো লাগছে।

নয়ন্তীকা আর একটা দিক লক্ষ্য করেছে, ছেলেটা হ্যান্ডসাম হওয়ার পাশাপাশি দারুন খেলে। নয়ন্তীকা প্রশংসা না করে পারছেই না। কি বল দিচ্ছে। উফ!! একেবারেই আগুন। চোখের পলকে এমন ট্যাপিং করছে যে অপর পক্ষ টেরই পাচ্ছে না। একেবারে হাওয়ার গতিতে। তার যখনই বল মারার সুযোগ আসছে, ওমনি তার ক্লাবের কোচ থেকে শুরু করে জুনিয়রা এবং বন্ধুরা একসাথে চেঁচিয়ে উঠছে,,,,,,

“মার রক্তিম!! মার রক্তিম!!”

আর রক্তিম যখন হাওয়ার গতিতে বিপরীত পক্ষে বল দিচ্ছে।সে বল তারা নিতে না পারলে, রক্তিমের দলবল থেকে শুরু করে কোচরা একেবারে খুশিতে আটখানা হয়ে যাচ্ছে। যা দেখে নয়ন্তীকার ও কেন যেন ভালো লাগছে। তারও খুশি-খুশি লাগছে। কী অদ্ভুত না?? নয়ন্তীকার তো খুশি হওয়ার কথা না। তবে?...

চলবে,,,,,,

( আমি এই খেলার বিষয় খুব একটা জানি না, তবে তথ্য সংগ্রহ করে মোটামুটি লেখার চেষ্টা করেছি। আপনাদের কোথাও ভুল চোখে পড়লে জানাবেন অবশ্যই। ধন্যবাদ 🥰 💜)

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৫ম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন