ফন্ট সাইজ:
থিম:
পরান আমার ভালোবেসেছে

২৭তম পর্ব

লেখক: অহনিশা ব্যানার্জি

#পরাণ_আমার_ভালোবেসেছে

#অহর্নিশা_ব্যানার্জী

#পর্ব_সংখ্যা ২৭

বিকেলের আবছা অন্ধকারে সূর্য তখন ঢাকা পড়েছে। বিস্তর আকাশে একফালি চাঁদ উঁকি দিচ্ছে। ঘড়িতে ইতিমধ্যে সাতটা বেজে দশ। তা মুখার্জি বাড়ির বড়ো দেওয়াল ঘড়িটা ঢং' ঢং' শব্দ তুলে জানান দিচ্ছে।

মিসেস আহানা রেডি হতে হতে একপলক ঘড়ির দিকে তাকালেন কেবল। তিনি এখন দাশগুপ্ত বাড়ি যেতে চলেছেন, অবশ্য অনিমেষ দাশগুপ্তর জরুরি তলবে। তিনি বেশ বিনয়ী ভাবে অনুরোধ করেছেন তাদের বাড়ি যাওয়ার জন্য। মিসেস আহানার মনে দ্বিধা থাকার সত্ত্বেও তিনি আর না করতে পারেননি।

-----

অপরদিকে, নৈতিক মুখার্জি হলরুমের সোফায় মাথা এলিয়ে চুপচাপ বসে রয়েছেন। দৃষ্টি তার সিলিং ফ্যানের উপর স্থির।দেখে মনে হচ্ছে বড়ো সড়ো চিন্তায় বিভোর।

মিসেস আহানা একপলক তাকিয়ে দেখলেন ক্লান্ত নৈতিক মুখার্জিকে‌। তবে কিছু বলার প্রয়োজন বোধ করলেন না। তিনি ওনার সামনে থেকেই হেঁটে গেলেন চুপচাপ।

অপরদিকে, জুতোর ঠক্ ঠক্ শব্দে নৈতিক মুখার্জি মাথা তুলে চাইলেন। এই সময় নিজের স্ত্রী'কে এইভাবে পরিপাটি হয়ে যেতে দেখে ওনার ভ্রু আপনা আপনি কুঁচকে গেল।

“ আহানা দাঁড়াও!!”

আকস্মিক পরিচিত গম্ভীর কন্ঠস্বর শুনে মিসেস আহানা দাঁড়িয়ে পড়লেন। তবে তিনি পিছনে ফিরে তাকালেন না।

“ এত বাহারি সাজে ভর সন্ধ্যেবেলায় কোথায় যাওয়া হচ্ছে?? ”

মিসেস আহানা ঘুরে দাঁড়ালেন। মুখে তখন তাচ্ছিল্যের হাসি। তিনি দু-পা এগিয়ে নৈতিক মুখার্জির চোখে চোখ রেখে বলে উঠলেন —— “নিজের মেয়ের শ্বশুর বাড়ি যাচ্ছি, আমার মেয়েকে দেখতে।”

নৈতিক মুখার্জির মুখটা কঠিন হয়ে উঠলো তৎক্ষণাৎ। সেই দুপুরের দিকে তিনি পুলিশ স্টেশন গিয়েছিলেন, এরপর পাঁচ ঘণ্টা' পর তিনি এখন সবে বাড়ি ফিরলেন ক্লান্ত হয়ে। এই কয়েকঘণ্টায় তার উপর দিয়ে যে কী গেছে তা কেবলমাত্র তিনিই জানেন। তার কাছে যতই টাকার ক্ষমতা থাকুক, এইবারে তা একেবারেই কাজে লাগিনি। আজ তাকে ভালোই পুলিশ স্টেশনের চক্কর দিতে হয়েছে। সাথে, পাড়া প্রতিবেশীতে তার মান সম্মান একেবারে ডুবে গেছে। তার নিজের অফিসেও ঘটনা রটে গেছে। আর এইসব হয়েছে তার নিজের অপদার্থ মেয়ে আর রক্তিম দাশগুপ্তের জন্য।

তার নিজের স্ত্রী কিনা সেই লোকগুলোর সাথে দেখা করতে যাচ্ছে। তার সবথেকে বড়ো শএুর সাথে সম্পর্ক গড়তে যাচ্ছে । ভেবেই রাগে চোয়াল শক্ত হয়ে গেল নৈতিক মুখার্জির।

তিনি রাগে তৎক্ষণাৎ টেবিলের ফুলদানি আছড়ে ফেললেন মেঝেতে। ঝন' ঝন' শব্দে কাচের ফুলদানিটা ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেল মূহুর্তে। মিসেস আহানা সব অনুভূতিহীন চোখে দাঁড়িয়ে দেখলেন চুপচাপ। অপরদিকে, নৈতিক মুখার্জি হনহনিয়ে উঠে এলেন মিসেস আহানার কাছে, এবং বাহু চেপে ধরলেন দুহাতে। তারপর রাগে দাঁতে দাঁত চেপে বলে উঠলেন —— “খুব বাড় বেড়েছো না?? চড়ের জন্য কিছু বলিনি মানে, এই না যে তোমার সব বাঁদরামি আমি মেনে নেব। চুপচাপ গিয়ে আমার জন্য খাবার বার করো। কোথাও যাচ্ছো না তুমি।”

বলেই নৈতিক মুখার্জি মিসেস আহানার বাহু ছেড়ে দিলেন। মিসেস আহানা ব্যাথায় মুখ কুঁচকে উঠলেন। তিনি চোখ বন্ধ করে জোরে নিঃশ্বাস নিলেন। এরপর অগ্নি চোখে চাইলেন নৈতিক মুখার্জির মুখপানে, এবং তেজী গলায় বলে উঠলেন — “আমি তোমার চাকর নই। যে তোমার সব কথা মেনে চলবো। আমি তোমার স্ত্রী, দুর্ভাগ্যবশত!!! তো আমারও নিজস্ব মতামত আছে। স্বাধীনতা আছে। তাই আমি তোমার কথা শুনতে বাধ্য নই মিস্টার নৈতিক মুখার্জি!”

বলেই মিসেস আহানা দরজার দিকে এগিয়ে গেলেন। তবে কি মনে করে তিনি আবারও ফিরে এসে নৈতিক মুখার্জির সামনে গিয়ে দাঁড়ালেন। তারপর তিনি নৈতিক মুখার্জির চোখে চোখ রেখে বলে উঠলেন — “আর রইলো কথা চড়ের, তো তুমি অন্যায় করলে একটা কেন দশটা চড় মারার ক্ষমতা আমি রাখি। তুমি কিছুই করতে পারবে না।”

মিসেস আহানা বিদ্রুপের হাসি হাসলেন। যা দেখে রাগে হাত মুষ্টিবদ্ধ করে নিলেন নৈতিক মুখার্জি। চোখের সামনে নম্রভদ্র স্ত্রীর এমন উশৃঙ্খলতা দেখে রক্ত গরম হয়ে উঠলো তার। রাগে চোখ মুখ লাল বর্ণ ধারণ করেছে ততক্ষণে।

মিসেস আহানা নৈতিক মুখার্জির সেইসব রাগকে খুব একটা পাত্তা দিলেন না। তিনি নিজের চুল ঠিক করতে করতে দরজার দিকে এগিয়ে গেলেন হাস্যোজ্জ্বল মুখে।

অপরদিকে, এত বারনের পরেও মিসেস আহানাকে বেরিয়ে যেতে দেখে নৈতিক মুখার্জির সহ্য হলো না। তিনি নিজের স্ত্রীকে থামাতে উচ্চ স্বরে বলে উঠলেন —— “এই মুহূর্তে তুমি যদি বাড়ির বাইরে পা রাখো, তবে এই ঘরের দরজা তোমার জন্য চিরকালের জন্য বন্ধ হয়ে যাবে।”

নৈতিক মুখার্জির ইহ কথা শুনে কিছুক্ষণ চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলেন মিসেস আহানা। তারপর মৃদু হেসে তিনি বেরিয়ে গেলেন। অবশ্য যেতে যেতে বলে গেলেন ——“ তবে তাই হবে!”

----------

দাশগুপ্ত বাড়ির হলরুমে বসে রয়েছেন মিসেস আহানা সহ দাশগুপ্ত বাড়ির গিন্নি ও কর্তা। তখন তাদের মধ্যে জরুরি বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। অবশ্য কথা অনিমেষ দাশগুপ্ত একাই বলে চলেছেন। মিসেস আহানা কেবল চুপচাপ শুনছেন। সাথে মিসেস রেবাও চুপচাপ রয়েছেন।

ইতিমধ্যে মিসেস আহানা ও রেবার মধ্যে কোনো রকম বাক্য বিনিময় হয়নি। আসলে তাদের দুজনের মধ্যেই একপ্রকার জড়তা কাজ করছে। এত বছর ও এত কিছুর পর আগের মতো সব আদেও থাকে নাকি! পুরোনো ক্ষত ভুলে সব মেনে নেওয়া এত সহজ নাকি!!

নাহ! মোটেই সহজ নয়। মিসেস রেবা ও সহজে সবকিছু মেনে নিতে পারছেন না। সামনে যতই প্রিয় ও পুরোনো বান্ধবী হোক না কেন। অপরদিকে, মিসেস আহানার অস্বস্তি ও অপরাধবোধে চুপচাপ রয়েছেন। কেননা তিনি তো নৈতিক মুখার্জির সব কীর্তিকলাপ থেকে অবগত।

এইদিকে অনিমেষ দাশগুপ্ত লক্ষ্য করলেন মিসেস আহানার নিরবতা। তিনি পরিবেশ স্বাভাবিক করার জন্য বলে উঠলেন ——

“ তুমি কিছু বলছো না যে আহানা ! তোমার বাড়ি না গিয়ে তোমাকে আমাদের বাড়িতে ডাকায় রাগ করলে নাকি?”

“না না!! কি বলছো অনিমেষ দা!”

“তুমি জানোই তো সবকিছু! তোমাদের বাড়িতে না যাওয়ার কারণ।”

অনিমেষ দাশগুপ্তের মলিন কন্ঠ। মিসেস আহানা মাথা নামিয়ে নিলেন । তারপর হ্যাঁ সূচক মাথা নাড়িয়ে ধীর স্বরে বলে উঠলেন — হুম!

যাইহোক, যেই জরুরী আলোচনায় তোমাকে ডাকা হল তা বলি— আমাদের বাচ্চা দুটো কোন পরিস্থিতিতে বিয়ে করলো তা তো আমরা জানিই। তবে পাড়া প্রতিবেশী এমনকি আত্মীয় স্বজনরা ঠিকমতো জানেন না ব্যাপারটা। তারা আবার তিলকে তাল করতে ভালো জানেন। তাই আমি আর রেবা চাইছি, রক্তিম আর নয়নের বিয়ে উপলক্ষে একটা ছোট্ট খাটো অনুষ্ঠান করতে। যাতে কেউ পরে তাদেরকে কথা না শোনাতে পারে। এই বিষয়ে তোমার কী মতামত??

“তোমরা যা ভালো বোঝো!“

“ না না আহানা, এইরকম বললে হয় না। তাছাড়া, তোমাদের আত্মীয়স্বজনদেরও বলবে তো নাকি?”

অনিমেষ দাশগুপ্তের এই কথায় মিসেস আহানার মুখখানা মলিন হয়ে উঠলো। তিনি এক পলক মিসেস রেবার পানে চাইলেন, তারপর ধীর গলায় বলে উঠলেন —— “নাহ! আমার বাপের বাড়ি থেকে কেউ আসবে না। আর”..

মিসেস আহানার মনোভাব হয়তো বুঝলেন অনিমেষ দাশগুপ্ত। তাই তিনি মিসেস আহানাকে কথা শেষ না করতে দিয়ে নিজেই বলে উঠলেন “ঠিক আছে! তুমি যা ভালো বোঝো।

---------

তখন মধ্যরাত প্রায়, তবে ঘড়িতে ঠিক কটা বাজে জানা নেই রক্তিমের। পুরো কুলতলা সহ দাশগুপ্ত বাড়ি নিস্তব্ধ তখন। শুধুমাএ থেকে থেকে রাস্তার কুকুরগুলোর আওয়াজ শোনা যাচ্ছে।

রক্তিম একপাশ হয়ে শুয়ে রয়েছে সেই কখন থেকে। তার না আছে ক্লান্তি আর না আছে ঘুম। সে একভাবে পাশে ঘুমিয়ে থাকা নয়ন্তীকার পানে চেয়ে রয়েছে। বর্তমানে বিবাহিত জীবনে সব ঠিক থাকায় মহারানি নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছেন। অপরদিকে, মহারানির ব্যক্তিগত পাহারাদার তখন চোখ দিয়ে পাহারা দিতে ব্যস্ত।

নয়ন্তীকা তখন ঘুমে বেহুঁশ! নাহলে রক্তিমের এই দৃষ্টি দেখে লজ্জায় মেয়েটা হয়তো চাঁদে চলে যেত। ভেবেই রক্তিম হাসলো‌। সে ডান হাতটা বাড়িয়ে আলগোছে নয়ন্তীকার একটা হাত মুঠোয় পুরে নিল। তারপর চেয়ে রইলো নয়ন্তীকার পান পাতা মুখপানে। মেয়েটাকে একটা হাতের উপরে মাথা রেখে ঠোঁট ফুলিয়ে ঘুমিয়ে রয়েছে। একেবারে বাচ্চাদের মতো।

আজ থেকে এই পাগল বাচ্চা মেয়েটা তার। শুধুমাত্র তার! আজ থেকে রক্তিমের এই ঘরে একটা পুতুল থাকবে। আলমারি সহ ড্রেসিং টেবিলে মেয়েলি জিনিসপত্র থাকবে। আয়নায় দুএকটা লাল টিপ দেখা যাবে। ভেবেই রক্তিমের মনটা প্রশান্তিতে ভরে উঠলো।

এখন মন খারাপ কিংবা ভালো দিনগুলোতে এই মেয়েটাকে পাশে পাওয়া যাবে। এখন তাকে নিয়ে পৃথিবীর যেকোনো কোণায় যাওয়া যাবে। কেউ কিছু বলতে পারবে না। এমনকি নৈতিক মুখার্জিও না।

রক্তিম নয়ন্তীকার ধরে রাখা হাতখানায় ঠোঁট ছোঁয়ালো। তারপর আবারও ধৈর্য্য সহকারে ও ক্লান্তিহীন ভাবে চেয়ে রইলো নয়ন্তীকার দিকে। আজ যে ঘুম তাকে ধরা দেবে না তা বেশ বুঝলো রক্তিম। সবার সখের নারীকে পেয়ে ঘুম ভালো হয়। তার ঘুম একেবারে হাওয়া। তবে প্রিয় মানুষটাকে নিজের নামে দলিল করাতে আলাদাই শান্তি আছে।

-------

আবারও সূচনা হলো নতুন একটা দিনের, নতুন কিছুর সহিত। দাশগুপ্ত বাড়িতে তখন জোরদার আয়োজন চলছে সেই সকাল হতে। আজকে দাশগুপ্ত বাড়িতে অনুষ্ঠান রয়েছে রক্তিম ও নয়ন্তীকার বিয়ে উপলক্ষে। যার জন্য বাড়ির ছোট্ট বড়ো সবাই কাজে ব্যস্ত। রক্তিম ব্যতীত। এখন বেলা ন'টা বাজে, মহাশয় এখনও ঘুমে কাত। এই নিয়ে অবশ্য অনিমেষ দাশগুপ্ত কোনো অভিযোগ করেননি আজ। নতুন বর বলে কথা।

অপরদিকে, সাতসকালে নয়ন্তীকার স্নান হয়ে গেছে। মিসেস রেবা ইতিমধ্যে একটা লাল রঙের সুন্দর জামদানিও পড়িয়ে দিয়েছেন নয়ন্তীকাকে, এর পরপরই তিনি ছুটেছেন কিচেনে। আত্মীয় স্বজন ইতিমধ্যে আসা শুরু করে দিয়েছে।

কিছুক্ষণের মধ্যেই পার্লারের লোকজন এসে পড়বেন। তাই নয়ন্তীকা দ্রুত নিজের চুল শুকাতে ব্যস্ত। সে আজ নিজের চুল ধুয়েছে। শ্বশুরবাড়ির প্রথমদিন ভালোভাবে স্নান না করলে লোকে কী বলবে সেই ভেবে। নাহলে নয়ন্তীকা নিজের বাড়িতে প্রতিদিন চুল ভেজাতো না। হোক সময়ের অভাবে কিংবা তার অলসতার জন্য। এই নিয়ে মায়ের কাছে কম বকা তো খাইনি সে।

নয়ন্তীকা তখন আনমনে নিজের ভিজে চুল মুছতে ব্যস্ত। তার কোনোদিকে খেয়াল নেই। সে তখনো বুঝতেই পারিনি একজোড়া শিকারী চোখের মালিক তাকে নিজের চোখে বন্দি করে রেখেছে।

অপরদিকে, রক্তিম দিক বিদিক ভুলে নয়ন্তীকা'কে দেখে চলেছে। তার কাছে আজকের সকালটা সুন্দর মনে হচ্ছে! ভীষন সুন্দর!! এর আগেও সকাল হয়েছে। তবে আজকের সকালটা একটুও ভিন্ন,একটু নতুন, একটু মিষ্টি।

নয়ন্তীকার চুলের ঝাপটা থেকে আগত জল দিয়ে রক্তিমের ঘুম ভেঙে গেছে। রক্তিম চোখ খুলেই লাল টুকটুকে বউটিকে দেখে খুশি হয়ে গেল। তার মনে হল বিবাহিত জীবনটা সুন্দর। প্রচুর সুন্দর!!

রক্তিম নয়ন্তীকার দিকে তাকিয়ে সম্মোহিত কন্ঠে ডেকে উঠলো ——“ নয়ন!! এই দিকে এসো।”

নয়ন্তীকা ঘুরে তাকালো রক্তিমের পানে। তারপর লাজুক হেসে গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে গেল তার দিকে।

রক্তিম নয়ন্তীকার ডান হাতটা মুঠোয় চেপে ধরলো। তারপর নয়ন্তীকার হাতে নিজের তপ্ত অধর ছুঁয়ে বলে উঠলো —— “শুভ সকাল নয়ন!! আমার জীবনে তোমার প্রথম সকাল সহ বাকি সব সকাল সুন্দর হোক। আমার স্ত্রী রূপে প্রথম দিন সহ আগত সব দিন গুলো সুন্দর হোক! রঙিন হোক!”

চলবে,,,,,

আগের পর্ব:

https://www.facebook.com/share/p/1SkECE94Rr/

( অনেক দিন পর লেখায় লেখনী একটু এলোমেলো। ভুল- এুটি শুধরে দেওয়ার অনুরোধ রইলো। ধন্যবাদ ও ভালোবাসা ♥️।)

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ২৭তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন