ফন্ট সাইজ:
থিম:
সোনালী রঙের বুনোলতা

পর্ব 14

লেখক: নূপুর ইসলাম

#সোনালি_রঙের_বুনোলতা
#নূপুর_ইসলাম
#পর্ব- ১৪

সাঈদ বসলো! ঐশী অবশ্য বসলো না। সে দাঁড়িয়েই রইল। টেনশন হচ্ছে, গলা শুকিয়ে গেছে। তবে কি হতে চলছে সে এখনো বুঝতে পারে নি। সে দাঁত দিয়ে নখ কাটতে কাটতে একবার দরজা আর একবার সাঈদের দিকে তাকাচ্ছে। সাঈদের হাবভাব নির্বিকার ! তবে ঐশীর মনে হলো সাঈদ কোন বিষয় নিয়ে টেনশনে আছে। কারণ তার মুখ নির্বিকার থাকলেও তার মাথার দু- পাশের রগ ফুলে আছে।

ঐশী আবার দরজার দিকে তাকালো। বাইরে মানুষের শোরগোল শোনা যাচ্ছে । তার মুখে হাসি ফুটলো! নিশ্চয়ই তাদের কেউ বাঁচাতে এসেছে। তবে সে এখনো বুঝতে পারছে না এই দরজা একা একা বন্ধ হলো কিভাবে? কেউ দরজা খুলছে।ঐশী এগিয়ে গেল। আর সাঈদ চোখ বন্ধ করে দীর্ঘশ্বাস ফেললো।

দরজা খুলতেই ঐশী সামনে এসে দাঁড়ালো। এক গাদা টর্চের আলো মুখে পড়তেই সে চোখ বন্ধ করে ফেললো। নিভু নিভু চোখে তাকাতেই দেখলো এক দল লোক দাঁড়িয়ে আছে। সবার চোখে মুখে কৌতুহল। এদের মধ্যে শুধু একজন কেই চিনতে পারল, নাঈম! সে একটু দূরে দাঁড়িয়ে আছে।

নাঈম বাঁকা হেসে বাইকে হেলান দিলো। হেলান দিয়ে সাজ্জাত কে চোখ দিয়ে ইশারা করল। সাজ্জাত সাথে সাথেই চেঁচিয়ে উঠল! যেন এর জন্যই অপেক্ষা করছিল।

--- দেখছেন! দেখছেন আপনারা! আমাদের কথা তো আপনাদের বিশ্বাস হইতাছিল না। এখন দেখেন! নিজের চোখে দেখেন। আপনের প্রাণপ্রিয় সাঈদ বাবার কর্মকান্ড। ঢাকা থেকে মেয়ে নিয়ে আসছে ফর্তি করার জন্য। বাসায় তার মন ভরে না। জঙ্গলে মঙ্গল করতে আইছে।

ঐশী বিস্ময়ে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গেল। কি বলছে এরা।

সাঈদের চোয়াল শক্ত হয়ে আছে। সে শুধু চোখ তুলে সাজ্জাদের দিকে তাকালো। তার দৃষ্টি শীতল।

সাজ্জাদ ঢোক গিললো! এখানে অর্ধেক মানুষই তাদের। সে যা বললে তাতেই হ্যাঁ হ্যাঁ করবে। তবে বাকি মানুষ গ্রামের। আর তারা সবাই সাঈদকে ভালোবাসে। ইদরিস চাচা সোজা ভাবে বলে দিয়েছে। যা করবে গ্রামের মানুষের সামনে। তাদের মন থেকে যেনো সাঈদের সম্মান বের হয়ে যায়। তবে তার একটু ভয় লাগছে। এই সাঈদকে যেমন দেখা যায় আসলে সে এমন না। যা করে খুব ঠান্ডা মাথায় । তাই তার এই চুপচাপ বসে থাকা হজম হচ্ছে না।

গ্রামের মানুষদের মধ্যে একজন বলল,--- আমরা সাঈদরে ছোট বেলা থেকে চিনি। সে এরকম কাজ কখনো করবে না। এই মেয়ে আনিস ভাইয়ের ভাগ্নি। আনিস ভাইরেও আমরা অনেক আগে থেকেই চিনি। আর দরজা ছিলো বাইরে থেকে বন্ধ । এমনও হতে পারে কেউ শত্রুতা করে করেছে। আমি বিশ্বাস করি না। তার সাথে সাথে অনেকেই বলল,-- আমরাও বিশ্বাস করি না।

সাজ্জাত রেগে দাঁত চিবিয়ে বলল,--- ধরলাম আপনাদের কথা ঠিক। আনিস ভাইয়ের ভাগ্নি। তো! এত রাতে এখানে কি? ভদ্র বাড়ির মেয়েরা একটা ছেলের সাথে এমন নির্জন জায়গায় আসবে? আপনারাই বলেন? আসবে? সাঈদ এই গ্রামের ছেলে। খুব ভালো ছেলে। দেবেন আপনাদের কোন মেয়েকে তার সাথে এই রাতে এখানে আসতে?

কেউ আর কথা বলল না! ঐশীর গাল বেয়ে টুপটাপ পানি পড়তে থাকলো। সে করুণ চোখে সাঈদের দিকে তাকালো।

সাঈদ দীর্ঘশ্বাস ফেললো! তার বলতে ইচ্ছা করল! ভয় পেওনা ঐশী। এই সাঈদ বেঁচে থাকতে কেউ তোমাকে টোকাও দিতে পারবে না। শুধু একটু ধৈর্য্য ধরো।

সাজ্জাত বিদ্রুপের হাসি হাসলো! হেসে বলল,-- পুরুষ মানুষ, পুরুষ মানুষই! হাতের কাছে এমন মাল আসবে। তাকে টেষ্ট করবে না। তা কি করে হয়।

ঐশী কানে হাত চেঁপে বসে পরলো। মনে মনে শুধু একটা শব্দই বলল,--- মামা?

-- তবুও আপনাদের মনের শান্তির জন্য আমি প্রমাণ দেখাবো। তা না হলে বলবেন তাকে আমরা ইচ্ছে করে ফাসিয়েছি। মামুন!

মামুন ভীড় ঠেলে ধীরে ধীরে বেরিয়ে এলো। তার চোখ মুখ শুকনো।

--- একেতো আপনারা চিনেন! ভালো করেই চিনেন। সে আমাদের কোন লোক না । ভাড়া করেও আনি নাই। এই গ্রামেরই ছেলে। আর সবচেয়ে বড় কথা সাঈদেরই লোক।
তারপর মামুন কে ধাক্কা দিয়ে আরো সামনে এগিয়ে দিয়ে বলল, --- বল! সন্ধ্যা থেকে যা হয়েছে তাই বল। একটা কথাও মিথ্যা বলবি না।

মামুন সাঈদের দিকে তাকালো। তার চোখে ক্ষমার আকুতি। কি করবে সে। তার ছেলেকে এরা আটকে রেখেছে। সে ধীরে ধীরে বলল,--- সন্ধ্যা বেলা সাঈদ ভাই এই মেয়েরে নিয়ে আসেন। আমাকে ঘর খুলে দিতে বলেন। আর বলেন এক দুই ঘন্টার মধ্যে আশে পাশে যেন না আসি । আমি তার গোলাম। তার কথা শুনতেই হবে। তাই আমিও চলে আসি। রাস্তায় সাজ্জাত ভাইদের সাথে দেখা হয়। আমি পাশ কাটিয়ে চলে যেতে চাই। কিন্তু তাদের সন্দেহ হয়। তাদের চাপে আমি সব সত্য বলে দেই। তারাই পরে এসে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে। আর সবাইকে খবর দেয়।

সবাই চুপ! তাদের বিশ্বাস না হলেও পরিস্থিতিই এমন যে কিছু বলতেও পারছে না।

সাজ্জাত হাসলো। পরিস্থিতি এখন তাদের হাতের মুঠোয়। সে আরো কিছু বলতে যাবে। তখন বাইকের শব্দ আসলো। একটা না! অনেক। শুনশান জায়গা বাইকের শব্দে মুখরিত হয়ে গেল। সে অবাক হয়ে তাকালো! বাইকের আলোতে চারিদিক ঝলমল করছে। নাঈমও গা ঝাড়া দিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ালো। হচ্ছে কি এসব! এই সাধারণ একটা ছেলের পেছনে এত লোক কোথা থেকে এলো।

তুহিন বাইক থেকে নেমে হেঁটে আসলো হেলে দূলে। তার সাথে তার দলবল। তার মুখে পান। রাস্তার সাইডে পেল। ভাবলো খেতে খেতে যাই। খালি মুখে নাটক আবার জমে নাকি? সে আয়েশ করে জিহ্বার আগায় চুন লাগালো। তার আগে আনিস! তার চোখ মুখ শুকনো! সে এগিয়ে এলো দ্রুত! এগিয়ে এসেই থমকে দাঁড়ালো! আর বলল,-- ঐশী?

ঐশী মামার কন্ঠ শুনেই মাথা উঠাল! সে নিস্তেজ! শরীর টলছে! তাই আর কোন দিক বেদিক দেখলো না। টলমলে শরীর নিয়েই মামা দিকে দৌড়ে গেল। ইদরিসের লোক তাকে ঘিরে ধরলো। বিচারের আগে তারা কোথাও যেতে দেবে না। একজন তাকে ধরতে হাত বাড়ালো।

--- না! বলেই সাঈদ মাথা দোলালো।

সবাই চমকে তাকালো। যে মানুষ এতক্ষণ একটা শব্দও বলেনি। তার ধীর আর গম্ভীর কন্ঠ শুনে।

সাঈদ উঠে দাঁড়ালো! এগিয়ে এসে শান্ত ভাবে বলল,--- মুখে যা বলার বলেছিস! ভুলেও হাত লাগানোর চেষ্টা করবি না।

সবাই খুব বিরক্ত হলো। এসব কান্ডে মেয়েদের যা ইচ্ছে তাই হেনাস্থা করা যায়। আর এ তো আগুনের খোলা। হাত নিশপিশ করছে। সবাই শুধু একটু সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। তবে সাঈদের শীতল কন্ঠ শুনে কেউ আর এগুনোর সাহস পেল না।

ঐশী দৌড়ে গিয়ে আনিসের বুকে ঝাঁপিয়ে পড়লো।
কিছু বলতে চাইলো হেঁচকির জন্য বলতেও পারল না।
আনিস যত্নসহকারে আগলে ধরলো, ভরসা মাখা কন্ঠে বলল, --- কিছু বলতে হবে না। মামা এসে গেছে না সব ঠিক হয়ে যাবে।

সাজ্জাত তেড়ে এলো! কি করবি তুই? মেয়ে নিয়ে ফুর্তি করিস। আবার বড় গলায় কথা।

সাঈদ হালকা হাসলো! হেসে সবার দিকে তাকিয়ে শান্ত ভাবে বলল,,--- আপনারা ভালো করেই জানেন ঢাকায় আমার আসা যাওয়া আছে। তবে কি কারণে সেটা জানেন না। কারণ টা হলো ঐশী! ঐশী আমার ওয়াইফ! একমাস আগে আমাদের বিয়ে হয়েছে। সে লেখাপড়া করছে। লেখাপড়া শেষ হলেই সবাইকে জানাতাম। আপনারা সবাই জানেন আমার মা অসুস্থ! মাকে দেখতেই তারা গ্রামে এসেছিল। কাল তারা চলে যাবে। সকাল থেকে ডিপকল বন্ধ ছিল। বিশ্বাস না হলে আশে পাশে যাদের খেত আছে তাদেরও জিজ্ঞেস করতে পারেন। তাদেরও খেতে পানি যায়নি। আমি কল বন্ধ কেন তাই দেখতে এসেছিলাম। কাল চলে যাবে! তাই ঐশীও আমার সাথে ঘুরতে এসেছিল। কেউ এই সুযোগটাই নিয়েছে। বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দিয়েছে। ব্যস এই টুকুই। আর তাছাড়া আমি আমার ওয়াইফ কে নিয়ে যেখানে খুশি সেখানে যেতে পারি। যেখানে ওর গার্ডিয়ানের সমস্যা নেই। সেখানে অন্য মানুষদের এত সমস্যা কেন? আর রইল নির্জন জায়গা! এগুলো আমার খেত। এখানে আমি যখন খুশি আসতে পারি।

ঐশীর বিস্ময় হওয়ার ক্ষমতা শেষ। সে শুধু শূণ্য দৃষ্টিতে সাঈদের দিকে তাকিয়ে রইল! আজকে আরো কি কি শুনতে হবে তাকে?

নাঈম এগিয়ে এলো! সে আর দূরে দাঁড়িয়ে থাকতে পারল না। হাত থেকে সব ফসকে যাচ্ছে। এসব তার প্ল্যান ছিল। কাজের মতো কাজ না হলে। বাবাকে মুখ দেখাবে কি করে। এমনিতেই বেচারা এবারের নির্বাচন নিয়ে টেনশনে আছে। আর এখন এসব! গ্রামের মানুষ আগেও তাদের দেখতে পারতো না। এ ঘটনার পর আরো পারবে না। সে এসে দাঁত চিবিয়ে বলল,--- মিথ্যা বলার জায়গা পাসনা। এখন দোষ আমাদের ঘাড়ে ফেলছিস। তোর কি ধারণা! তুই বলবি আর আমরা বিশ্বাস করে নিবো। চোখে যা দেখেছি সব ভুলে যাবো। আর এতক্ষণ চুপ ছিলি কেন? নাকি সাঙ পাঙদের দেখে সাহস বেরিয়েছে।

সাঈদ নাঈমের দিকে তাকালো! চোখে চোখ রেখে বলল --- আমার সাহসের কথা না হয় আজ নাই শুনলি!সেটা পরের বারের জন্য তোলা থাক।

তারপর সবার দিকে তাকিয়ে বলল, --- পরিস্থিতি কি এমন ছিল যে আপনারা মুখের কথা বিশ্বাস করবেন । তারা প্রমাণ দেখিয়েছে! তাই আমিও প্রমাণের অপেক্ষায়ই ছিলাম! তুহিন!

তুহিন এগিয়ে এলো। হাতে তার কাগজ! সাঈদ সেটা হাতে নিয়ে বলল,--- এটা আমার বিয়ের কাগজ। রেজেস্ট্রি হয়ে আসল কাগজ এখনো আসেনি। এত তাড়াতাড়ি আসার কথাও না। তবে আশা করি এটা দেখলেই বুঝতে পারবেন।

নাঈম কাগজ ছিনিয়ে নিল! ছিনিয়ে নিয়ে বলল, --- এসব কাগজ দু- মিনিটে বানানো যায়। আপনারা এর কথা বিশ্বাস করবেন না।

তুহিন হাই তুলে বলল --- বিশ্বাস না হলে আবার বিয়ে পড়ায়ে দেন। যার একবার বিয়ে হইছে। তার হাজার বার হলেই কি।

সাঈদ আবাক হয়ে তুহিনের দিকে তাকালো! এই মাথা মোটা কি বলে। সে শুধু চুপচাপ ছিল ঐশীর জন্য । সে আগেই জানতো তাকে রাগানোর জন্য তারা অনেক কিছুই বলবে। রেগে গেলেই উল্টা পাল্ট কিছু করতে পারবে। এখানে অর্ধেক মানুষই ইদরিসের। তখন কিছু বললেই তারা আগে টার্গেট করতো ঐশীকে। কারণ তারা ভালো করেই জানে আমাকে আঘাত করলে যতটা না কষ্ট পাবো। তার চেয়ে হাজার গুণ পাবো ঐশীর গায়ে দিলে। তারা তো শুধু সুযোগ খুঁজছিল। আর আমি একটু সময়। চুপ থেকে যতো সময় পাবো ততই গুছিয়ে নিতো পারবো। আর নিয়েছিও। এই মিথ্যা বিয়ের কাগজ দিয়ে।

তাই তুহিন কে মেসেজ দিয়ে সে সব বুঝিয়ে দিয়েছিল। এটা অন্য একজনের বিয়ের কাগজ! কম্পিউটারে শুধু যা যা চেঞ্জ করার প্রয়োজন করা হয়েছে। এখানে সত্য যাচাই করবে কে। তাছাড়া তাদের কথা এখানে কেউ শুনবেনা। কেউ বুঝতেও চাইবে না। ঐশী এমনিই শুধু এসেছিল। তাই তো এই রাস্তা! এই গাধার মাথায় কি সেটা ঢুকেনি। সে তো শুধু চেয়েছিল! একবার এখান থেকে ঐশীকে বের করতে পারলেই হলো। কাল তারা ঢাকায় চলে যাবে। যাওয়ার পরে যা করার সে করত। পরে সব দেখে নিতো। এই তুহিনের বাচ্চা আবার বিয়ের কথা বলছে কেন? এখানে এক একটা কথাও ধরা হবে।

তুহিন সাঈদের দিকে তাকিয়ে চোখ মারলো। মুচকি হেসে সবার দিকে তাকিয়ে বলল,--- সাঈদ কেমন আপনারা সবাই ভালো করেই জানেন। এখন আপনাদের উপরই ছাড়লাম। আপনারা কোন সাইডে যাবেন। আপনাদের ইচ্ছা! তবে হ্যাঁ! সাঈদ আমাদের জান। আমাদের সামনে তার অপমান হবে। আমরা হাত গুটিয়ে বসে থাকবো।এটা যদি কেউ ভেবে থাকে তাহলে ভুল।
সাথে সাথেই তুহিন মুখ অন্ধকার করে নাঈমের দিকে তাকিয়ে বলল,--- যা হবার হয়েছে! যা বলার বলেছেন। এর পরে কিছু হলে একদম ফাটিয়ে ফেলবো।

গ্রামের সব মানুষ সাঈদের পেছনে এসে দাঁড়ালো। তার সাথে বাইকের বাহিনী। তাদের সামনে নাঈমের দলকে চুনোপুঁটি মনে হলো।

নাঈম দাঁত চিবিয়ে বলল,--- আজকে সবাই আপনারা এক পাপের সাইড নিলেন। এরা স্বামী, স্ত্রী না। যা বলছে সব মিথ্যা।

গ্রামের এক লোক এগিয়ে এসে বলল,-- ঠিক আছে সাঈদ মিথ্যা বলছে।এক মেয়েকে নিয়ে এসে ভুল করেছে। তার এই এক ভুলের জন্য আগের সব ভালোকে তো আর ভুলে যাব না। তাই আমরা সেই ভুল শুধরে দেবো। সাঈদ আমাদের ছেলে! ছেলেরা ভুল করলে শুধরাতে হয়। ফেলে দিতে হয় না।

#চলবে.....

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 14 শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন