ফন্ট সাইজ:
থিম:
প্রনয়ের শেষ চিঠি

পর্ব 3

লেখক: Fahima akter

প্রনয়ের_শেষ_চিঠি
লেখিকা:Fahima
পর্ব:০৩

সকাল বাজে ৭ টা, আজকে মেহরিন খুব ভোরে উঠেছে উঠেই নামাজ পড়ে,নাস্তা করে এসেছিলো দুইবোন,মাইশা নিচে মা মনির সাথে বসে গল্প করছে, মেহরিন তার রুমে চলে আসে, বেলকনিতে বসে আছে চেয়ারে হেলান দিয়ে,সকালের প্রকৃতির চোখ জুড়ানো সৌন্দর্য উপভোগ করছে মেহরিন।কিছু একটা ভাবছে, ভাবতে ভাবতেই ফোন নিয়ে বসে পড়ে খুব মনোযোগ দিয়ে ফোনে কিছু দেখছিলো, দেখা শেষে মোবাইল অফ করার জন্য ব্রাইটনেস ডাওন করতে গেলে তারিখের দিকে চোখ পড়ে..কালকে তো মিতুর বার্থডে  গিফট তো অলরেডি কিনেও রেখেছে সে,কিন্তু এখনো পারমিশন নেয় নি,বাবার সামনে গিয়ে কি বলবে সেগুলো মনে মনে সাঝাতে লাগলো,হঠাৎ করেই মাইশা এসে মেহরিনের মাথায় টোকা দিয়ে বলে,

- কিরে কি ভাবছিস?
মেহরিন মাইশার দিকে তাকায় একবার আবার বাহিরে তাকায় কিছু একটা ভেবেই মাইশাকে ধরে বসতে বলে তার পাশে মাইশাও বসে পড়ে, মেহরিন কিছুটা ভাবুক ভঙিতে বলে,
- আপু,আব্বু কি তোর কথা শুনে?
মাইশা কপাল কুচকালো,এরপর উত্তর দেয়
- কেন হঠাৎ এমন প্রশ্ন মাথায় আসলো? কি ব্যাপার বলতো?
- বল না আপু,! কালকে মিতুর বার্থডে জানিস..?আমাকে ইনভাইট করেছে,না গেলে মন খারাপ করবে। আপু তুই একটু আব্বুকে রাজি করিয়ে দিবি প্লিজ,
-আচ্ছা,এই ব্যপার,ঠিক আছে চেষ্টা করে দেখতে পারি,
-থাংক ইউ আপু,সো সুইট বোন আমার,
- হয়েছে আর পাম মারতে হবে না।

দুইবোনের কথার মাঝেই ফাতেমা বেগম আসলেন রুমে,
তিনি তাদের দিকে একটা পিঠা ভর্তি প্লেট  এগিয়ে দিতে দিতে বললেন,
- আমার মেয়েরা কি নিয়ে এতো আলাপ-আলোচনা করছে শুনি?

মেহরিন কিছুটা ইতস্তত করলেও  মাইশা হাসি মুখে প্লেট টা নিতে নিতে বললো,
- বড় আম্মু তোমার ছোট মেয়ের একটা সাহায্য করা লাগবে,
ফাতেমা বেগম হেসে বললেন,
- কি সাহায্য লাগবে মেহরিন? বলো বড় মাকে?
মেহেরিন আশ্বাস পেয়েই বলতে শুরু করে, ফাতেমা বেগম মনযোগ দিয়ে  মেহরিনের পুরো কথা শুনলেন,তারপর বলেন,
- এই ব্যপার?তা ভালো যাবে আরকি,আমি তোমার আব্বুকে বলবো, কখন যাবে তুমি?
- সকালে যাবো,রাতে করবে বলেছিলো, কিন্তু রাতে যাওয়াটা ঠিক হবে না তাই আমরা সবাই প্লেন করে দিনে করতে বলেছি,
- আচ্ছা ঠিক আছে,
এই বলে ফাতেমা বেগম চলে গেলেন।

মেহরিন ও মাইশা দুপুরে নামাজ পড়ে ডায়নিং এ চলে যায়,সেখানে আগে থেকেই বড় আব্বু,কাকা আর আব্বু মিলে কথা বলছিলো, সিরাজ আলী, মাথা নেড়ে সম্মতি দিতে দিতে বলেন হ্যা কালকে হলে ভালো হয়,আপনি ওনাদের জানিয়ে দিয়েন,আহমদ আলী "ঠিক আছে বললেন,মেহরিনের মাথায় এখন শুধু মিতুর বার্থডে তে যাওয়ার কথা টা ঘুরপাক খাচ্ছে,তার অন্য কোনো বিষয়ের প্রতি মনোযোগ নেই,মনে মনে সাঝাতে থাকে,বাবা এটা জিজ্ঞেস করলে সে এটা বলবে,এমন করতে করতে ভাবনায় পড়ে যায়,পাশ থেকে মাইশা একটু ধাক্কা দিয়ে বলে -আরে চল না,কি ভাবিস এত?
- হুম,
ছোট্র করে বলে আবারও হাটতে থাকে,এরপর চেয়ার টেনে বসে পড়ে ডায়নিং টেবিলে,ডান পাশে মাইশা বাম পাশে ফারাজ বসা।ফারাজ মেহরিনকে এভাবে কাচুমাচু করতে দেখে ব্রু উঁচিয়ে বলে

- কিরে মনে মনে কি পায়তারা করছিস হ্যাঁ?বড় মাংসের পিস টার দিকে একদম তাকাবি না,ওটা বড় আব্বুর জন্য।
বলেই ঠোঁট টিপে হাসতে থাকে
মেহরিন কি বলবে বুঝলো না,কপাল কুচকে তাকায় ফারাজের দিকে,
- তোর মতো আপাতত খাবার নিয়ে ভাবছি না আমি,রাক্ষসের বাচ্ছা,
- এই এই তুই আমাকে রাক্ষসের বাচ্ছা বললি আব্বুকে বলে দেই?
- ওও সরি সরি,কাকার তো কোনো দোষ নেই,তুই নিজেই রাক্ষস,তাই তোর মাথায় সব সময় কোন মাংসের পিচ বড় কোনটা ছোট কোনটা কে খাবে এগুলাই চলে,তুই বলার আগে আমি ওই মাংসের দিকে তাকিয়েও দেখি নি, হুহ
বলেই মেহরিন মুখ বাকিয়ে ডান পাশে কিছুটা ঘুরে বসে,
সিরাজ আলী দেখলেন দুজনকে একজন আরেকজনকে ভেংছি কাটছে,তিনি গলা ঠিক করে বলেন,
- ফারাজ!!
ফারাজ মনে মনে ভীতি নিয়ে তাকায় বাবার দিকে,ছোট্ট করে বলে - জ্বী বাবা?
- কি মুখ বাকাচ্ছো কেনো? কোনো সমস্যা?
ফারাজ ধরা পড়ে গেলো ভেবে মেহরিন খেক করে হালকা হেসে দিলো,এইদিকে ফারাজ কি বলবে খুজে না পেয়ে আন্দাজি বলা শুরু করে,
- আসলে আব্বু,আমার মুখে একটু ব্যথা করছিলো,তাই খাওয়ার আগে একটু মুখের ব্যয়াম করে নিচ্ছিলাম,
এটা বলেই বেস্ত ভঙিতে প্লেট টেনে হাত ধুতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। মাইশা মেহরিন সহ নাহিয়া বেগম মুখ টিপে টিপে হাসলেন, ফারাজের কান্ড দেখে সিরাজ আলী বুঝলেন ছেলের ফাজলামি তাই তিনি আর কিছু বললেন না,
খাবার টেবিল পুরো নিস্তব্ধ কেউ কোনো কথা বলছে না,এদিকে মেহরিনের তো খাবার গুলো গলা দিয়ে নামতে ইচ্ছা করছে না কখন কথাটা বলবে সবার খাওয়া প্রায় শেষ  ,কনুই দিয়ে একবার মাইশাকে খোচা মারে,মাইশা হঠাৎ ই খুক খুক করে কেশে উঠে,ফাতেমা বেগম গ্লাসে পানি নিয়ে মাইশার দিকে এগিয়ে দিতে দিতে বলেন,

- আরে ধীরে সুস্থে খাও মাইশা,পানি টা নাও,
মাইশা কোনোরকম গলায় হাত দিয়ে গ্লাস টা হাতে নেয়,এরপর ফাতেমা বেগমের চোখাচুখি হলে মাইশা তাকে কিছু চোখ দিয়ে ইশারা করর,ফাতেমা বেগম বুঝতে পারলেন,তিনিও হালকা মাথা নেড়ে সম্মতি দিলেন,এরপর তিনি মেহেরজানকে বলেন,
- মেজু ভাই,একটু কথা ছিলো!
মেহেরজান আলী সহ বাকিরা তাকায় ফাতেমা বেগমের দিকে,মেহেরজান আলী বলেন,
- জ্বী বড় ভাবী বলুন না..
- আসলে মেহরিনের এক ফ্রেন্ডের নাকি বার্থডে কালকে মেয়েটা  অনেক করে বলেছে মেহরিনকে যেতে না গেলে মন খারাপ করবে মেয়েটা, আপনি পারমিশন দিলে....
আহমদ আলী  ফাতেমা বেগমকে থামিয়ে দিয়ে বললেন
- হুম যাবে,কোনো সমস্যা নেই বুঝলে আম্মু,তবে বাসায় তাড়াতাড়ি ফিরবে কেমন,
আহমদ আলী মেহরিনের দিকে তাকিয়েই মুচকি হেসে কথাটা বললেন,মেহেরিন এক্সাইটমেন্টে "ইয়েস" বলে শব্দ করতে গিয়ে থেমে যায় বাচ্চামি কেনো করছে সে? দূর। পাশ থেকে মেহেরজান আলী কিছুক্ষণ চুপ ছিলেন ভাইয়ের কথায়,তবে এই পর্যায়ে তিনি বলেন,
- কালকে তোমার ফুফুরা আসবে আর তুমি বাসায় থাকবে না?
মেহরিন কি বলবে বুঝলো না,চুপ করে নিচের দিকে তাকিয়ে আছে তার খাওয়া শেষ তবুও সে বসে আছে সবার মতামতের জন্য,ফাতেমা বেগম মেহরিনের দিকে তাকিয়ে দেখলো সে আরেকবার বুঝানোর জন্য বললো
- আচ্ছা ওর ফুফুর সাথে তো পরেও দেখা হবে,মেয়েটা এত করে বললো যাওয়ার জন্য,এটা তো আবার ফিরে আসবে না,
আহমদ আলীও সম্মতি দিয়ে বলেন,
- একদিনের ই তো ব্যাপার, যাও যাও তোমার আব্বুকে আমি দেখছি।
আশ্বাস পেয়েই মেহরিন কিছুটা হেসে বেসিনে চলে যায় হাত ধুতে।মেহেরজান আলী আর কিছু বললেন না।সবার যার যার মতো রুমে চলে গেলেন।

_____________________________________________

রাত ৯ টা, মাইশা রুমে বসে বই পড়ছিলো আর মেহরিন আয়নার সামনে গিয়ে কিছুক্ষন স্টাইল করে হঠাৎ মনে পরলো কালকে মিতুর বাসায় যাবে, তাই দোড়ে ওয়েয়ারড্রপ থেকে জামা গুলো বের করে বেডে রাখে আর একটা একটা গায়ের উপরে ধরে ধরে আয়নায় দেখতে থাকে,বিরক্তিতে কপাল কুচকে আসে,একটাও ভালো জামা নেই পরার মতো,মেহরিনের মুখের এমন রিয়েকশন দেখে মাইশা বই রেখে তাকায় মেহরিনের দিকে, ব্রু উচিয়ে বলে,
- মিস,কি হলো আপনার? জামা চুজ করতে পারছেন না?
মেহরিন গাল ফুলিয়ে উত্তর দেয়,
-  এগুলো জাস্ট একবারই পরেছি,এখন ইচ্ছে করছে না পরতে,!
মাইশা কপাল কুচকে বলে,
- হুম তাহলে লাস্ট উইকে নিয়েছিলি যে ওই ড্রেস পর?
মেহরিনের হঠাৎ করেই মুখে হাসি চলে আসে,তারপর উৎফুল্ল হয়ে বলে,
- আসলেই তো, উফ আমার মনেই ছিলো না ওগুলার কথা, থ্যাংক ইউ আপু।
বলেই ওয়েরড্রপের মিডেল ড্রয়ার খুলে কত গুলো নতুন কাপড়ের প্যাকেট বের করে,গত সপ্তাহে এগুলো বড় আব্বুই কিনে দিয়েছিলো শার্টডিজাইনের লং গাওন।
এগোলো খুলে দেখে অনেক সুন্দর প্রিন্ট করা, একটা মেজেন্ডা কালারের মধ্যে পুরো ড্রেসে সিলভারের লেস লাগানো,সেম আরেকটা স্কাই ব্লু কালার,তবে এগুলোর মধ্যে মেহরিনের চোখ আটকায় পার্পল কালারের গাওনটার দিকে যেটাতে ছোট ছোট ডায়মন্ড শেপের মিরর বসানো, পুরো জামায় সিলভার কালারের লেস দেয়া। এটাই পরবে ঠিক করে নেয়। তার উইশলিস্ট ড্রেস হচ্ছে"Peasant Dress" এগুলো তার খুবই পছন্দ। তবে তার নিত্যদিনে সবসময় শার্টফ্রক পরতে পছন্দ করে,মাইশাও মাঝে মাঝে মেহরিনের সাথে ম্যাচ করে শার্টফ্রক পরে তবে সে বেশিরভাগ সময়ই থ্রি-পিস পড়ে থাকে।

•সকালে মেহরিন আর মাইশা নামাজ পরে নেয় একসাথে ,মাইশা প্রতিদিনের মতো নিচে চলে যায় মেহরিন আবারও শুয়ে পড়ে। সবাই সকালে ব্রেকফাস্ট করে যার যার রুমে চলে গেছে,মাইশা সাথে করে মেহরিনের জন্য খাবার নিয়ে আসে,এসে দেখে মেহরিন ঘুমিয়ে পড়েছে,এবার ডাকতে শুরু করে,কিছুক্ষন পর মেহরিন উঠে বসে,ওয়াশরুম থেকে আরেকটু ফ্রেশ হয়ে নেয়।এসে
বসে মাইশার দিকে ফিরে বলে,
- আমি নিচে গিয়েই খেয়ে নিতাম,এখানে আনলে কেনো?

- সবার খাওয়া শেষ তুই বাকি ছিলি তাই মা মনি তোর জন্য রুমে পাঠিয়ে দিয়েছ,খাবারটা ঠান্ডা হয়ে যাবে, তারাতারি খেয়ে শেষ কর।
বলেই মাইশা বেলকনিতে চলে যায় মেহরিন খাবার টা খেয়ে প্লেট গুলো নিচে রেখে আসে, দেওয়াল ঘড়িতে একবার চোখ বুলায়,৮:৩০ বাজে তাড়াতাড়ি করে রেডি হতে চলে যায়, কালকের বাছাই করে রাখা পার্পল কালারের জামাটা পরে নেয়,সাথে  হোয়াইট হিজাব পরে রেড়ি হয়ে নেয় তারপর ইনায়া কে কল লাগায়,ওপাশ থেকে রিচিভ করে বলে,
- আসসালামু আলাইকুম, বেস্টি,
- ওয়ালাইকুম আসসালাম,কি করছিস? তুই কি রেডি?
- হ্যাঁ আমি বের হয়েছি,তাড়াতাড়ি চলে আস,
- আচ্ছা ঠিক আছে
বলেই মেহরিন কল কেটে দেয়,আয়নার সামনে গিয়ে আরেকটু দেখে নেয় সব ঠিক আছে কিনা মাইশা বেলকনিতে বসে ফোনে কারো সাথে কথা বলছিলো,মেহরিন কে দেখে মাথা নেড়ে বোঝায় সব ঠিক আছে।মেহরিন ওকে বলে চলে যায়।

সময় ৯:৪০ এর ঘরে,মেহরিন রাস্তার বাম সাইড দিয়ে হেটে সামনে যাচ্ছে ইনায়ার উদ্যেশ্যে, ডান পাশ থেকে একটা ছেলে মেহরিন কে ডাকে,
- ওইই সুন্দরি,হেলো?
মেহরিনের হোলদোল না পেয়ে আরেকটু জোরে চিৎকার করে বলে,
- এইযে ক্রাশ..
বলতে বলতে মেহরিনের দিকে এগোতে নিলে,হঠাৎ ই বাইকের ধাক্কা খেয়ে রাস্তার মাঝে হুমড়ি খেয়ে পড়ে,ব্যথায় চোখমুখ কুচকে আর্তনাদ করে উঠে,মেহরিন সিন টা দেখতেই চোখে হাত দিয়ে চোখ খিচে বন্ধ করে ফেলে,কিছুক্ষন পর আস্তে আস্তে ডোক গিলে চোখ থেকে হাত সরায়,নাবিল মেহরিনের কলেজের এক সিনিয়র, ছেলেটা ওইভাবেই পরে আছে বাইকের ছেলেটাও তার অবস্থান থেকে সরে নি,মেহরিন দ্রুত নাবিলের দিকে এগোতে নিলে বাইকের শব্দে পিছিয়ে যায়,বাইক টা শো করে তাদের সামনে দিয়ে চলে যায়,বাইকার ছেলেটার মাথায় হেলমেট থাকায় চেহারা টা দেখতে পেলো না মেহরিন মনে মনে আওড়ায়,
- কি অদ্ভুদ মানুষ,একটা ছেলেকে রাস্তায় মেরে দিলো কোনো অনুশোচনাই নেই? দেখেও পাশ কেটে চলে গেলো?
মেহরিন আবার এগোতে নিলে দূর থেকে ইনায়া জোরে জোরে ডাকতে থাকে মেহরিন কে,মেহরিন থেমে যায়
দেখতে পেলো নাবিল ছেলেটা  নিজে নিজে ভর দিয়ে উঠে দাড়ালো,শুধু মাথায় একটু কেটে গেছে যেখান থেকে রক্ত ঝরা শুরু হয়ে গিয়েছে,আর হাতে/পায়ে আঘাত পেয়েছে,
তাই মেহরিন ও আর এগোয় না ইনায়ার দিকে হাটা ধরে।
তারপর দুজন একটা অটো ডেকে উঠে চলে যায় মিতুদের বাড়ির উদ্যেশ্যে।

• সিকদার বাড়িতে সবাই কাজে এদিক ওদিক ছুটাছুটি করছে,বহুবছর পর ইভান মামাবাড়ি আসছে,ইহান তেমন আসে না যার কারণে আসমা বেগম ও আসতে পারেন
না। আজ শুক্রবার থাকা সবার স্কুল/ভার্সিটি অফ রয়েছে।মাইশা নিজ রুমে বসে মোবাইলে ড্রামা দেখছিলো সাথে মাহিরা ও বসে আছে, কিছুক্ষন পর বাহিরে গাড়ির শব্দ পায়,মাহিরা দৌড়ে বেলকনিতে চলে যায় মাইশাও ধীর পায়ে বেলকনিতে গিয়ে দাঁড়ায়। একটা কার এসে থামে যেখান থেকে, ইহান, আসমা বেগম ও জামশেদ চোধুরি নেমে আসে। মাইশা কিছুটা ব্রু কুচকে তাকায়,কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তি কোথায়? কিছুক্ষন পর একটা বাইক এসে থামে, বাইকের ছেলেটা বাইক থামিয়ে নেমে দাঁড়ায় হেলমেট টা খুলে গাড়ির সাথে আটকে রাখে,কালো প্যান্ট, স্কাই ব্লু শার্ট পরিহিত ছেলেটাকে মাইশা আগেও দেখেছে তবে তখন অন্যরকম ছিলো এখন তো পুরাই সুদর্শন হয়ে গিয়েছে,মাইশা চোখ নামিয়ে নেয়।মাহিরা জিজ্ঞেস করে,
- আপু এটা কে?

চলবে ইন শা আল্লাহ.........

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 3 শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন