ফন্ট সাইজ:
থিম:
স্বর্ণ কোমল

৯ম পর্ব

লেখক: পরিণীতা আরান হৃৎ

#স্বর্ণকোমল

#পরিণীতা_আরা_হৃৎ

#পর্ব_৯

[ অনুমতি ব্যতিত কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ 🚫 ]

🕊️

সকাল সকাল বিয়ে বাড়ির ধুম তোড়জোড় চলছিলো চৌধুরী বাড়িতে। ক্ষান্ত নেই কোনো কেউ। সকলেই কোনো না কোনো কাজে লেগে ছিলো। ব্যস্ততায় পার হচ্ছিলো সময়।দুপুর বাদ সকলে বের হবে মেয়ের বাড়ির উদ্দেশ্যে।এখন সময় বারোটার ঘরে।মেয়েরা সকলে দৌড়াদৌড়ি করছে সাজগোজ নিয়ে।পার্লার থেকে মেকআপ আর্টিস্ট এসেছে মেয়েদের সাজানোর জন্য। ছেলেরা গাড়িতে তত্তর ডালা তুলতে ব্যস্ত। তবুও হঠাৎ করে ক্ষণিক সময়ের জন্য স্থগিত হয়ে গেলো সব কিছু। এই তো মিনিট দুই হলো খবর এসেছে কনের ভাই এক্সিডেন্ট করেছে। রিফাত কাজী, সেই ছেলেটি যে কিনা কালকে কোমলের শরীরে টাচ করেছিল খারাপ ভাবে। আজকে ভোর বেলা রাস্তার ধারে পরে থাকতে দেখে এলাকাবাসী। তারাই ওকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করায়।ধারণা করা যাচ্ছে গতকাল রাত থেকে রাস্তার ধারে পরে আছে ও। কেনোনা এতক্ষনে ওর শরীর থেকে অনেক রক্ত বেরিয়ে গেছে। এসব শুনে চৌধুরী বাড়ির লোক বিয়েটা আপাদত বন্ধ রাখতে চেয়েছিলো। তবে মেয়ের বাবা বলেছে সমস্যা নেই তবে সময়টা দুপুরের পরে বাদ দিয়ে সন্ধ্যার পরে রেখেছে। তিয়ান আর কিছু মানুষজন গিয়েছে তাদের সান্ত্বনা দিতে। এটা ছাড়া যে আর কিছুই করার নেই।

দীর্ঘক্ষণ চিকিৎসার পরে ডাক্তাররা জানিয়েছেন রিফাতের কন্ডিশন আগের থেকে বেটার। তবে ওর হাত দুটো পুরো থেতলে গেছে। গাড়ির নিচে খুব বাজে ভাবে পিষে গেছে হাত দুটো। তাই হাত দুটো কেটে বাদ দিয়ে দিতে হবে। তাছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

এটা শুনে রিফাতের বাবা মা, নীলি ভেঙে পড়েছে। তবে বিয়েটাও যে পিছানোর কোনো অবস্থায় নেই। এতো ধনামধন্য দুই পরিবার। বিয়ের এতো তোড়জোড় সব কিছু নষ্ট হয়ে যাবে। তাই তারা ঠিক করেছে বিয়ে বন্ধ করা যাবে না। মান সম্মানেরও তো একটা বিষয় আছে। একটা বিয়ে ভাঙ্গা তো আর মুখের কথা নয়।

হাসপাতাল থেকে সকলে বাড়িতে ফিরে গেলো সন্ধ্যার আগে আগে। তিয়ান তৈরি হচ্ছে। বাকিরাও। তবে কেউ বেশি মাতামাতি করলো না আর। সব কিছুই তৈরি ছিলো। তাই দেরি হলো না কারো। একটু পরেই বের হবে সকলে। তিয়ান কিয়ানের ঘরে গিয়ে দেখলো কিয়ান রেডি টেডি হয়ে বাবু হয়ে খাটের হেড বোর্ডের সাথে হেলান দিয়ে ফোন টিপছে। ওকে যেনো দেখেও দেখলো না। তিয়ান এগিয়ে গিয়ে দাঁড়ালো ভাইয়ের পাশে।

“তোমার সাথে আমার কথা ছিলো ভাইয়া।”

কিয়ান মাথা তুলে তাকালো তিয়ানের দিকে। বর সেজে কত সুন্দর লাগছে ছেলেটাকে। একদম রাজপুত্র।

“কি?”

“রিফাতকে তুমি মেরেছো?”

“তোর এটা কেনো মনে হলো?”

“আমি কাল দেখেছি রিফাত কোমলের সাথে কি করেছে। আর তুমিও রাতে বাহিরে গেলে আসলে দেরি করে। তাই মনে হয়েছে।”

“মারিনি। গাড়ি তুলে দিয়েছি হাতের উপর। যেনো দ্বিতীয় বার এই কাজ আর না করতে পারে।”

“সামান্য একটা ভুলের জন্য ছেলেটার পুরো জীবনটা নষ্ট করে দিলে তুমি? ও তো জানতো না তুমি কোমলকে চাও। ওকে বুঝিয়ে বললেই বুঝতো।”

“তোর কাছে সামান্য হলেও আমার কাছে অসামান্য।”

“অনু…..”

বাকি কথা বলার পূর্বেই নিচ থেকে চেঁচামেচির আওয়াজ ভেসে আসলো। শব্দটা একটু একটু করে বেড়েই চলেছে। দুই ভাই একবার নিজেদের মধ্যে চাওয়া চাওয়ি করে নিয়ে ছুটে বেরিয়ে গেলো ঘর থেকে।

সিঁড়ির দিয়ে নামতে নামতে দেখলো নীলি উচ্চ আওয়াজে তিয়ান বলে ডাকছে আর চেঁচামেচি করছে। তিয়ান অবাক হলো নীলি কে এই সময় বধূর বেশে এখানে দেখে। ওরা তো এখনই বের হতো বাসা থেকে। তাহলে এই সময় নীলি এখানে এই অবস্থায় কি করছে?

তিয়ান সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামতেই নীলি ঝড়ের বেগে এসে ওর গালে একটা কষে থাপ্পড় মেরে দিলো। পর পর একই গালে তিনটে থাপ্পড় মারলো। এহেন কান্ডে হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে রইলো সবাই। বুঝলো বড় কোনো ঝামেলা হয়েছে। তিয়ান গালে হাত দিয়ে স্তব্ধ নয়নে তাকিয়ে রইলো নীলির দিকে। গত চার বছরের সম্পর্কে কোনোদিন নীলিকে এমন আচরণ করতে দেখেনি ও । সবসময় সকল পরিস্থিতিতে ঠান্ডা মাথায় থেকেছে নীলি। উল্টো ওর যখন কোনো কারণে অতিরিক্ত মেজাজ গরম থাকতো। এই নীলিই ওকে ঠান্ডা করেছে। এমন শান্ত স্বভাবের মেয়ের এই রূপ মেনে নিতে বেগ পোহাতে হচ্ছে ওকে। কোন কারণে নীলি এমন রেগে আছে সেটা আগে জানতে হবে।

নীলি তিয়ান এর শেরওয়ানীর কলার চেপে ধরলো। মাথা উচু করে তিয়ানের সাথে কথা বলতে ওর পা একটু উচু হয়ে উঠলো বটে। চোখ দিয়ে অনবরত পানি ঝরছে নীলির। যা দেখে বুকটা ফেঁটে যাচ্ছে তিয়ানের।

“বেঈমান।”

স্তব্ধ হয়ে তাকিয়ে রইলো তিয়ান ওর দিকে। কি বেইমানি করেছে ও নীলির সাথে?

“এসব কি বলছো তুমি নীলি?”

“কি বলছি?”

নিজের হাতের ফোন তিয়ান এর চোখের সামনে তুলে ধরলো নীলি। যা দেখ এক মুহূর্তের জন্য পায়ের নিচের মাটি সরে গেলো তিয়ানের। এবার বুঝলো নীলির এমন রিয়েকশন এর কারণ। একটি ভিডিও চলছে ফোনের স্ক্রিনে। যেখানে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে একটা মেয়ের সাথে অন্তরঙ্গ মুহূর্ত কাটাচ্ছে তিয়ান। তবে মেয়েটার মুখ বোঝা যাচ্ছে না ভিডিও তে।

মুহূর্তেই তিয়ানের মুখের নকশা বদলে গেলো। ফ্যাকাশে বর্ন ধারণ করলো ওর পুরো মুখমন্ডল। ও তো এসব কিছুই করেনি। জানেও না এসবের কিছু। চার বছর ধরে ভালোবাসে ও নীলিকে ! ওকে ঠকাবে কেনো? ওকে ঠকাতে গেলে যে ও নিজেই মরে যাবে। সে কথা কি নীলি জানে না? একটা ফেইক ভিডিও দেখে কীভাবে ওকে অবিশ্বাস করতে পারলো নীলি? এবার ও নীলিকে কিভাবে বোঝাবে যে এটা ও নয়? ও নীলিকে ধোঁকা দেয়নি। কিছুই করেনি ও।

তিয়ান এবার নীলির হাত দুটো নিজের হাতে আঁকড়ে ধরে। ওকে বোঝানোর চেষ্টা করে।

“ বিশ্বাস করো নীলি আমি কিছু করিনি। তোমাকে ধোঁকা দেয়নি আমি। এসব মিথ্যে। সব। প্লিজ বিশ্বাস করো আমি তোমার সাথে বেইমানি করিনি নীলি।”

নীলি তিয়ান এর হাত ঝাড়া মেরে ফেলে দিলো। চোখ মুখে ক্ষুব্ধ ভাব ফুটিয়ে তুলে বললো,

“চুপ করো তুমি। চার বছরের ভালোবাসার এই দাম দিলে তুমি? কি করিনি আমি তোমার জন্য? সুখ দুঃখে সবসময় তোমার পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। নিজে না খেয়ে খেয়ে তুমি খেয়েছো কি না খবর নিয়েছি। নিজে অসুস্থ থেকেও তুমি ঠিক আছো কি না সেই চিন্তা করেছি। আর তুমি? এই প্রতিদান দিলে আমার ভালোবাসার। আমি নিজেকে তোমার জন্য পবিত্র রাখলেও তুমি পারলেনা আমার জন্য নিজেকে পবিত্র রাখতে। বিলিয়ে দিলে নিজেকে অন্য মেয়ের কাছে। নিজের ভাইয়ের এই অবস্থায়ও আমি তোমাকে বিয়ে করতে চেয়েছি আজকেই। আর সেই তুমি আমাকে ঠকালে? ছিঃ, ঘৃণা লাগছে আমার নিজের প্রতিই যে আমি তোমার মতো একটা দুশ্চরিত্র ছেলেকে ভালবেসেছি।”

নীলির প্রত্যেকটা কথা তিয়ানের বুকে বিষের ছুরির মতো বিধতে লাগলো। তবে নীলি থেমে নেই। কথার আঘাতে ক্ষত বিক্ষত করতে লাগলো তিয়ান এর হৃদয়। তিয়ান ওর দিকে এগিয়ে ওর হাত ধরতে নিলে নীলি আরো দুই পা পিছিয়ে গেলো।

“আমি এই ভিডিও কোথায় পেয়েছি জানো? আমার যেই ভাইটা আছে না? এখন মৃত্যু শয্যায় আছে, ও দিয়েছে। ওর জ্ঞান ফিরেছে কিছুক্ষণ আগেই। ও নিজে আমায় বলেছে ওকে তুমি লোক দিয়ে মেরেছো। কেনোনা ও তোমার এই কুকীর্তির ব্যাপারে জেনে গিয়েছিলো। কেনো এমনটা করলে তুমি তিয়ান? এই ছিলো আমার কপালে তোমাকে ভালোবেসে?আজ থেকে তোমার আমার সম্পর্কের ইতি এখানেই। কোনো বিয়ে হবেনা আমাদের। এই বিয়ে ক্যান্সেল।”

নীলির কথা বলে ঘুরে দাঁড়াতে দেরি তিয়ানের ওর পা জাপটে ধরতে দেরি হলো না। হাঁটু ভেঙে বসে পিছন থেকেই দুই হাতে জাপটে ধরলো নীলির পা। কেঁদে দিল হু হু করে। এতো বড় ছেলের কান্না দেখে জাহরা বেগম নিজেও মুখে কাপড় চেপে কান্না করে দিলেন। মায়ের কান্না দেখে হুসে আসে কিয়ান। এতক্ষণ যাবৎ ওদের কাহিনী দেখে ঘোরে চলে গিয়েছিলো। মাকে বুকে জড়িয়ে ধরলো। বড় ভাই হয়েও কিছুই করতে পারবে না ও। কারো পার্সোনাল ঝামেলা নিয়ে কোনোদিনই কোনো কোথা বলেনি ও কোনোদিন। আজও নীরব দর্শক হয়ে রইলো। তিয়ান আবার আহাজারি শুরু করলো নীলির পা জাপটে ধরে।

“বিশ্বাস করো নীলি আমি এসবের কিছুই করিনি। আমি মারিনি তোমার ভাইকে বিশ্বাস করো। সামান্য একটা ফেইক ভিডিও দেখে তুমি আমাকে এভাবে মেরে যেতে পারোনা। ওই ভিডিও মিথ্যে। তোমার ভাইও মিথ্যে বলেছে।একবার বিশ্বাস করো আমায়। আমাদের ভালোবাসার দোহাই লাগে প্লীজ আমাকে ছেড়ে যেও না। মরে যাবো আমি ।”

“তাহলে মরেই যাও তুমি। বেঁচে থাকার কোনো দরকার নেই তোমার মতো বেঈমানের।”

ততক্ষণে নীলির বাড়ি থেকে লোকজন চলে এসেছে। তিয়ানের থেকে মেয়েকে ছাড়িয়ে নিয়ে চলে গেলেন। যাওয়ার আগে অবশ্য শাসিয়ে যেতে ভুললেন না। এর শেষ তারা দেখে ছাড়বেন।

তিয়ান স্তব্ধ হয়ে সেখানেই বসে রইলো। কান্না তো তখনই থেমে গিয়েছে যখন নীলি ওকে মারা যাওয়ার কথা বলেছে।

চার বছরের সম্পর্ক! এভাবে ভেঙে গেলে সেই মানুষটার কি আর বাঁচার কোনো রাস্তা থাকে? নীলি কিভাবে বললো ওকে মরে যাওয়ার কথা? সত্যি এখন মরে যেতে ইচ্ছা করছে ওর।

তিয়ান উঠে দাঁড়ালো। সিঁড়ি বেয়ে উপরে ওঠার আগেই কিয়ান ওর হাত টেনে ধরলো। তিয়ান আলগোছে ওর হাত ছাড়িয়ে নিরেট ঠান্ডা গলায় বললো,

“রিফাত আমাকে ফাসালো কেনো ভাইয়া? তুমি তো সব জানো। নীলিকে তখন বললে না কেনো আমি রিফাতকে কিছু করিনি?”

একটু থেমে শ্বাস নিয়ে বললো,

“ভয় পেও না ভাইয়া। একটু একা থাকতে চাই ব্যস। প্লিজ।”

আস্তে করে নিজের ঘরে গিয়ে দরজা ভিতর থেকে লাগিয়ে দিলো। ঢোক গিললো কিয়ান। ও বলতে চেয়েছিলো নীলিকে। কিন্তু তাতে যে আবার উল্টো নতুন ঝামেলা হতো।

এতো ঝামেলার মাঝে কারো চোখেই পড়লো না ড্রয়িং রুমের এক কোনায় দাঁড়ানো এক রমণীর মুখে ধীরে ধীরে ফুটে ওঠা বক্র হাসি।

এতক্ষণ ধরে এদের ফ্যামিলির মেলো ড্রামা দেখে দেখে মুখ তেতো হয়ে গেছে এলিজার। কাহিনী শেষ হয়েছে তাই এবার নিজের বিরক্তি ধরে রেখেই ড্রয়িং রুমে বোম ফেললেন তিনি। গলাটা একটু খাকারি দিয়ে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন। সকলে তার দিকে তাকাতেই তিনি বললেন,

“বিয়ে যেহেতু শেষ তাহলে আমরা কাল সকালেই চলে যাচ্ছি মা। কোমল? গিয়ে নিজের জিনিস পত্র গুছিয়ে নাও।”

শেষের লাইনটা কোমলের দিকে তাকিয়ে বললেন। যে এই মুহূর্তে এক কোনায় জড়সড় হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এই বড়দের ঝামেলার মাঝে ও নেই। তবে খারাপ লাগলো ওর তিয়ানের এই আহাজারি দেখে। তবুও মায়ের আদেশ মেনে চলে গেলো নিজের ঘরে।

এই পরিস্থিতিতেও এলিজার এরূপ কথা কেউ আশা করেনি বোধহয়। সবাই স্তব্ধ হয়ে তাকিয়ে রইলো এলিজার দিকে। এতগুলো দৃষ্টি নিজের উপর পরতে দেখেও কোনো ভাবান্তর হলো না এলিজার। তিনি সামনের কাচের টি টেবিলে রাখা আঙ্গুরের বাটি থেকে আঙ্গুর তুলে খেতে ব্যস্ত। কেউ কিছু বললো না আর। যেই ব্যক্তি এমন পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়েও চলে যাওয়ার কথা বলতে পারে তাকে থেকে যাওয়ার জন্য বলাটাই বৃথা।

এতো কিছুর ভিড়েও কিয়ানের মস্তিষ্কে চলছে অন্য কিছু। ও কি ওর স্বর্ণ কে পারবে রেখে দিতে নিজের কাছে। আর তিয়ান? ওর ভাইটার এই অবস্থার জন্য কোনো না কোনোভাবে তো ও নিজেই দায়ী। নাতো ও রিফাতকে মারতো আর নাতো রিফাত কোনো মিথ্যা বলার সুযোগ পেতো। কিন্তু রিফাত মিথ্যে কেনো বললো? ও জানে তিয়ান কোনো খারাপ কাজ কখনোই করবে না। তিয়ান যে নীলিকে খুব ভালবাসে। তবে রিফাত কনো নিজের বোনের জীবনটা নিজেই নষ্ট করলো?

#চলিত

[ ১৬০০+ শব্দের পর্ব। তোমাদের ভালো রেসপন্স আশা করছি। ভাবতেছি সামনের পর্বেই কিয়ান আর কোমলের বিয়েটা পরিয়ে দেবো। চল্লিশার সাথে বিয়ের মিষ্টি একসাথেই দেই। মানুষ মারা যাক কিংবা দুনিয়া গোল্লায়, বিয়ে ওদের আগামী পর্বেই দিয়ে দেবো। কি বলো? ]

হ্যাপি রিডিং 🫰

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৯ম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন