#জোনাকি_প্রদীপ (পর্ব ২৫)
নুসরাত জাহান লিজা
রবিনের কাছে এখনো পুরো বিষয়টা ঘোর মনে হচ্ছে। আর কোনোদিন মুক্ত বাতাসে শ্বাস টানতে পারবে কি-না সেটা নিয়েই সন্দিহান হয়ে পড়েছিল। একসময় মেনেও নিতে শুরু করেছিল, হাল ছেড়ে দিয়েছিল নিরাশায়। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার খুশি তাই এখনো আত্মস্থ করে উঠতে পারছে না।
ওর মনে পড়ে যখন ভয়াবহ অত্যাচারের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল তখন সেই ছেলেবেলায় হারিয়ে ফেলা মায়ের মুখটা খুব মনে পড়ত। আর মনে পড়ত শায়লাকে। এই জীবনে ওর একমাত্র পিছুটান। যার গর্ভে তার অনাগত সন্তান। সেই সন্তানকে একবার বুকে জড়িয়ে নেবার ইচ্ছা, শায়লার ভালোবাসার টান ওর প্রাণশক্তি হয়ে উঠত সেইসব দুঃসহ মুহূর্তে। একটা নিষ্পাপ তুলতুলে অবয়বকে কে যেন ওর হাতে তুলে দিল। সে কতক্ষণ শিশুর মুখপানে নিষ্পলক তাকিয়ে রইল। ধীরে ধীরে যেন যেন রবিনের বিহ্বলতা কাটল। শায়লার সামনে বসে নিজের সন্তানকে পরম মমতায় জড়িয়ে সে হু হু করে কেঁদে ফেলল।
রবিনের কান্নার তোড়ে সদ্যোজাত শিশুও সশব্দে কেঁদে উঠল। তার মানে সে সত্যিই ফিরেছে! তার সন্তান পৃথিবীর আলোয় এসেছে, ওই তো সামনের বেডে শায়লা অশ্রুসজল চোখে ওকে দেখছে। এক হাতে সন্তানকে আঁকড়ে অন্য হাত বাড়িয়ে শায়লায় একটা হাত ছুঁয়ে দিল। কান্না প্রগাঢ় হলো রবিনের।
শায়লা চোখ মেলে এই অপার্থিব, অভূতপূর্ব মুহূর্তের স্বাক্ষী হলো। বাবা, মেয়ে একসাথে আকুল হয়ে কাঁদছে। এই কান্নায় যে সুখ আছে, তা সে মর্মে মর্মে উপলব্ধি করল। এতদিনের অনন্ত প্রতীক্ষা যেন আজ সত্যি হয়ে ধরা দিল।
দরজার কাছে আফনানকে দেখল, একরাশ কৃতজ্ঞতায় নিজের ভাইয়ের প্রতি সমস্ত অন্তর আচ্ছন্ন হলো। শায়লাকে সবকিছু থেকে দূরে রাখা হলেও সে জানে কী ভয়ানক ঝুঁকি সে নিয়েছিল। এখন কী চমৎকার করে হেসে ওকে যেন বলতে চাইছে, "আমি আছি তো, ভয় কীসের!"
আফনানের হাসিটা এত সুন্দর সরলতা ভরা যে মন ভালো হয়ে যায়। শায়লার ভীষণ প্রিয় ভাইয়ের এই হাসিটা। ওরা যখন ছোট ছিল, তখন বাইরে প্রায়শই ওদের অনেককিছুর মুখোমুখি হতে হয়েছে। অনেক সহপাঠীর সাথেও ঝগড়া, মারপিট হয়েছে। কিন্তু মা কোনোদিন এসবের মধ্যে আসেননি। আয়েশা চাইতেন তার সন্তানরা যেন নিজের লড়াই নিজে করতে শেখে। জীবনটা ফুলে সাজানো নয়, প্রতি পদে পদে পঙ্কিলতা ভরা, কণ্টকাকীর্ণ বন্ধুর পথ। সেই পথে তিনি ওদের ছায়া হলে যখন তিনি থাকবেন না, তখন ওরা বারবার হোঁচট খাবে, উঠে দাঁড়াতে পারবে না। তিনি তাদের ভঙ্গুর হতে শেখাননি। তিনি চেয়েছেন, তারা সেই কাঁটা মারিয়ে, নিজের গন্তব্যের পথ মসৃণ করে অভীষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে যাক। তবে এটাও তিনি ওদের সবসময় বুঝতে দিয়েছেন যে যা কিছুই হোক, তার স্নেহময় ছায়া ওদের উপরে সবসময় আছে।
বাইরের দুনিয়ায় তাই দুই ভাইবোন হয়ে উঠেছিল একে অপরের ঢাল। তখনও ভুল কিছু করে ফেললে আফনান এভাবেই হেসে শায়লাকে অভয় দিত। যেন কিচ্ছু হয়নি, কিছু হবে না। ভরসার হাসিটা বড্ড শান্তির, বড্ড মায়ার। তেমন শায়লার দিক থেকেও তাই৷ একে অন্যের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য ওরা কোনোদিন পিছপা হয় না, দ্বিতীয় চিন্তা করে না।
প্রেমময় জীবনসঙ্গী, সদ্য পরিচিত হওয়া মাতৃত্ব, দৃঢ় অথচ স্নেহময়ী মা আর ওমন একটা ভাই থাকতে জীবনের ছোটখাটো অপ্রাপ্তিগুলোকে অবলীলায় ঝেড়ে ফেলা যায়। নিজেকে শায়লার ভীষণ পরিপূর্ণ মনে হলো আজ। এই পূর্ণতা সবসময় ওকে ঘিরে রাখুক, মনে মনে পরম করুণাময়ের কাছে এটা চাইল সে।
***
নীরা এমন আনন্দের মুহূর্তে আর নিজের কথা তুলল না৷ তবে চমৎকার এই পরিবারের অংশ হতে ভীষণ ইচ্ছে আরও প্রগাঢ় হলো। মা এদের জানেন না বলেই মিছিমিছি ভয় পান। একবার মন দিয়ে দেখলে তিনি নিজেই উপলব্ধি করবেন আফনানকে, তার পরিবারকে। এটা নীরার বিশ্বাস। সেজন্যই পুরনো কথা ভুলে, মায়ের সমস্ত নিষেধাজ্ঞা পায়ে দলে সে এসেছিল তার কাছেই।
কিন্তু… একটা দীর্ঘশ্বাস সন্তর্পণে চাপা দিল নীরা। নিলয় এসে বলল, "নীরা, আজ আমাকে একবার অফিসে না গেলেই না। ফুটেজ পাঠিয়ে দিয়েছি, কিন্তু আমার একটা ইম্পর্ট্যান্ট টকশো তে থাকতে হবে। সিরিয়াস ইস্যু, তাই আজকের এই ঘটনার সমস্ত প্রেক্ষাপট জানাতে হবে দেশকে। তুই যাবি?"
নীরা এক মুহূর্ত দ্বিধা করল। এরপর ভাবল, এখন এখানে ওর প্রয়োজনীয়তা তো ফুরিয়েছে। এই সুখী পরিবারের অমানিশা কেটে গেছে। তবুও চলে যাবে মনে হতেই ভেতরে তোলপাড় শুরু হলো। সে নিলয়কে বলল,
"একটু অপেক্ষা করো ভাইয়া। আমি বিদায় নিয়ে আসি।"
সে কেবিনে আসতেই আফনান একবার চোখ তুলে তাকাল। চোখাচোখিতে যেন কত না বলা কথা, তবুও যেন অবোধ্যই রইল।
নীরা চোখ সরিয়ে আয়েশার দিকে তাকিয়ে বলল, "আন্টি, আমি ভাইয়ার সাথে চলে যাচ্ছি। দোয়া করবেন।"
"সে কী! আজই চলে যাবে? না না, অন্তত আর একটা দিন থেকে যাও মা। এমন এক অবস্থায় ছিলাম, যে তোমার তেমন খোঁজ রাখতে পারলাম না।"
"আন্টি, ভাইয়াকে যেতেই হবে। পরে আমার জন্য যাওয়াটা… "
"ওসব বললে শুনছি না মা। আর একটা দিন থেকে যাও। নিলয় তো আবার আসবে। তখন যাবে।" তিনি ভীষণ আন্তরিক দৃঢ়তা নিয়ে কথাটা বললেন।
এবার শায়লাও বলল, "আজ থেকে যাও নীলা। তোমার সাথে তেমন করে কথাই হয়নি। তুমি আমাদের ভীষণ দুঃসময়ে পাশে থাকার জন্য এসেছিলে। এভাবে হুট করে যেও না, প্লিজ।"
নীরা একটু অপেক্ষা করল, সে আশা করছিল আফনানও যেন কিছু বলে। কিন্তু সেখান থেকে কোনো শব্দ এলো না। নীরা বলল,
"আপনাদের আজ আনন্দের দিন। আপনারা নিজেদের মতো এনজয় করুন। আমি বাইরের মানুষ।"
"আমাদের এই মনে হলো তোমার মা?"
এবার আফনান বলল, "সবাই যখন বলছে, থেকে যা।"
নীরার মনে হলো যেন খুব দায়সারাভাবে বলা হলো কথাটা। তবুও আয়েশা আর শায়লার আবারও আন্তরিক আহ্বান সে প্রত্যাখ্যান করতে পারল না। অগত্যা থেকে গেল। কিন্তু নিজেকে কেমন অনভিপ্রেত বলে মনে হলো।
***
মা আর শায়লাকে মনে মনে অসংখ্যবার ধন্যবাদ দিল আফনান। ওর নিজেরও প্রবল ইচ্ছে ছিল বলতে যে, "নীরা, থাক প্লিজ। সারাজীবনের জন্য আমাদের সাথে থেকে যা।"
কিন্তু সে ওই দুর্লভ মেয়েটার যোগ্য নয়। কী করে সে বলবে! আরিফ পালিয়েছে। মাথার উপরে এখনো ফাঁড়া ঝুলছে৷
নিলয়ের চ্যানেলে ঘটনার বিস্তারিত বলতে হয়েছে ক্যামেরার সামনে। সারারাত এসব নির্ঘুম ছুটোছুটি, কতরাত সে ঠিকঠাক ঘুমায়নি! ভীষণ অবসন্ন লাগছে আজ। তবুও নীরা থেকে যাবে সম্মতি হতেই কেন যে স্বস্তিতে মন ছেয়ে গেল! ওর জন্য ভালোবাসা নয়, নীরাও তো নয়! জেনেও কেন যে দুর্বল হয় বারবার!
***
আজমল খান অসম্ভব রাগে ফুঁসছেন সেই রাতের শেষ প্রহর থেকেই। একজন খবর দিল, মিশন ফেইল করেছে, পাখি উড়ে গেছে, তখন থেকে নিজের উপরে অসম্ভব ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তখন সন্তান বাৎসল্যে গলে গিয়ে আরিফকে অনুমতি দিয়েছিলেন।
তার এত বছরের অর্জন, এত সুনাম সব কেমন ভূলুণ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তিনি একসময় ভুলে গিয়েছিলেন জন্মের মতো মৃত্যুও ধ্রুব সত্য। বয়স যখন আটষট্টি, তখন এসে কথাটা মনে পড়ল। তার অর্জিত এত শান-শওনক সব এভাবে অরক্ষিত রেখে যেতে তার বড্ড কষ্ট হবে। তাই আরিফকে তিনি যোগ্য উত্তরাধিকারী তৈরি করে রেখে যেতে চান। যাতে সব ভেসে না যায়।
আবার আরিফ এখন অব্দি কোথাও তেমন বুদ্ধির স্বাক্ষর রাখতে পারেনি তেমন। মনে করে গায়ের জোরে সব হয়। কিন্তু দশজনের গায়ের জোরও কখনো কখনো শুধুমাত্র তীক্ষ্ণ বুদ্ধির কাছে মাত হয়ে যায়, এটা তিনি নিজে খুব ভালো জানলেও ছেলেকে উপলব্ধি করাতে পারেননি। বাবা হিসেবে এটা তার চরম ব্যর্থতা বলে মনে হলো।
সারাজীবন বুদ্ধির খেলায় জয়ী হয়ে এসে এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এসে কি-না বাৎসাল্যের মতো সামান্য আবেগের কাছে পরাজিত হয়ে ভুল চাল দিয়ে বসলেন! কপাল চাপড়ানো ছাড়া আপাতত তার হাতে আর কিছুই করার নেই। সব হাতের বাইরে বেরিয়ে গেছে। বাইরে সাংবাদিকরা আনাগোনায় ভরে যাচ্ছে। টিভি চ্যানেলে এক্সক্লুসিভ সংবাদ চলছে, তার বাড়ির সামনে থেকে লাইভ টেলিকাস্ট হচ্ছে। যদিও পুলিশ ব্যারিকেড দেয়া। তারা ভেতরে এখন অব্দি আসতে পারবে না। আগামীকাল নির্বাচন।
আরিফ নিজে থেকেই এসে বলেছিল, "বাবা, আমি যেতে চাই।"
আজমল খানের ডান হাত হাসান আলী। তাকে এই অপারেশনের দায়িত্ব দিতে চাইছিলেন তিনি। বয়স ছত্রিশ, মাথা ভীষণ ঠান্ডা। চরম মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে খেলা ঘুরিয়ে দিতে পারে। ভীষণ করিৎকর্মা ছেলে। তাই ছেলের আবেদনে বলেছিলেন,
"তুমি পারবে?"
"একবার ভরসা করতে পারেন। আমি তো আপনার নিজের রক্ত।" এই কথাতেই তিনি প্রশ্রয় দিয়ে ফেলে চরম ভুল করেছেন৷ বয়স হচ্ছে বলেই কি আবেগকে প্রশ্রয় দেবার মতিভ্রম চেপেছিল!
"আচ্ছা, কিন্তু হাসান তোমাদের সাথে থাকবে।"
হাসানের প্রতি আরিফের ঈর্ষা আছে, সে সন্তান হয়েও আজমলের ভরসার পাত্র হতে পারেনি, অথচ ওই হাসানকে ছাড়া এক পা হাঁটেন না। সূক্ষ্মভাবে যেন ওর অক্ষমতাকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখাবার প্রয়াস। আর হাসান মাঝেমধ্যে সুযোগ পেলেই ওকে জ্ঞান দিতে আসে, বিষয়টা ততোধিক বিরক্তিকর।
"না, বাবা, প্লিজ, আমি নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করার শেষ সুযোগ চাই। আমি নিজেকে প্রমাণ করবই।"
ছেলের আত্মবিশ্বাসী বাচনভঙ্গিতে তিনি নিজেও খানিকটা যেন প্রীত হয়েছিলেন মনে মনে। হাসান যতই বিশ্বস্ত হোক, নিজের রক্ত তো নয়! তাই তিনি সম্মতি দিলেন। তবে হাসানকে দিলেন অন্য দায়িত্ব। রবিনদের বাড়ির বাইরে তীক্ষ্ণ নজর রাখতে। কে যায়, কে কখন বেরোয়। সব জানতে হবে তার। এটা তার প্ল্যানের পরবর্তী অংশ। হাসান অবশ্য এখনো ফোন করেনি। একবার শুধু বলেছে হাসপাতালে যাচ্ছে।
আজমল আফনানকে কল করেছিলেন আরও ঘণ্টাখানেক আগে৷
"গা দ্দা রে র বাচ্চা, কথা রাখলে ভিডিও ডিলিট দিবি বলছিলি। এখন টিভি চ্যানেলে দিয়ে দিছস!" আরও অকথ্য কিছু গালিগালাজ বেরিয়ে এলো একসাথে। স্নায়ুবিক অস্থিরতায় তিনি নিজের উপরে নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছেন। এটাও বয়সের জন্যই বোধহয়।
"আপনি খুব বিশ্বাস রেখেছিলেন? একজন নিরীহ লোককে আরেকজন সাধারণ মানুষের কাছে ছাড়তে ভালো করেই যন্ত্রপাতি পাঠিয়েছিলেন, সাথে এক দঙ্গল মানুষ। আমি কিন্তু আমার কথা রেখেছি স্যার। যেই ক্লিপ ফেরত দেবার কথা ছিল সেটা প্রকাশ করিনি। আজকের ঘটনা আর আপনার থ্রেট কল এগুলোই দিয়েছি প্রেস আর ইলেকট্রনিক মিডিয়ায়।"
এই ছেলের ঔদ্ধত্যে তার রাগ হলেও একটা জিনিস অস্বীকার করতে পারলেন না, তা হলো এই ছেলের অপরিসীম সাহস আর বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব। বুদ্ধিও আছে। খুব সাধারণ তবুও যেন একে উপেক্ষা করা যায় না। কিন্তু তার দুর্ভাগ্য ছেলেটা তা বিপরীতে দাঁড়িয়ে। আরিফের সাথে তুলনা করে আফসোস হলো, কেন যে তার ছেলে ওমন দৃঢ় হলো না। তবে আফনানের মধ্যে কেন যেন নিজের তারুণ্যকে খুঁজে পান। তিনি যখন শুরু করেছিলেন, তখন দেশ সেবা করার ব্রত নিয়েই তো এসবে জড়িয়েছিলেন। কখন যে স্রোতের টানে গা ভাসিয়ে পাকে নেমেছেন! রিপু ভারি ভয়ংকর। কখন যে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলে প্রলোভনে, বোঝা দায়।
চারদিক থেকে খারাপ বাতাস যেন তার চারপাশের পরিবেশ বিষিয়ে তুলছে। দলের জরুরি সভায় তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। আরিফ পলাতক, ওকে গা ঢাকা দিতে বলেছেন তিনি।
আচমকা তার বুকে ব্যথা হলো। প্রচণ্ড বুকে ব্যথা নিয়ে তাকে ভর্তি করা হলো হাসপাতালে।
তার বাড়িতে রেখে আসা ব্যক্তিগত মোবাইলে ভীষণ জরুরি কল আসছে বারবার। হাসানের কল। কিন্তু আজমল তখন হাসপাতালে অচেতন।
………
(ক্রমশ)
জটিল পর্ব সামনে আরও একটা আছে। ১৫০০+ শব্দ। লিখতে সময় অনেক লেগেছে, কারণ এই পর্বেও কয়েকবার করে কাটাছেঁড়া করে অবশেষে আপলোড দেবার মতো অবস্থায় নিয়ে এলাম৷