ফন্ট সাইজ:
থিম:
বিষাক্ত ভালবাসা

৮ম পর্ব

লেখক: আনিকা ইসলাম ইশা

#বিষাক্ত_ভালবাসা

#পর্ব_৮

#ইশিকা_ইসলাম_ইশা

মাহি.....

কবিরের ডাকে ওর দিকে তাকাই মাহি।

ধন্যবাদ।

কেন?

আজকের জন্য।

আপনি আবার এইটা ভেবেন না আমি আপনার করা অন্যায় এর কথা ভুলে গেছি।এখন কোথায় যাচ্ছি??

বাসায়......

আপনার মা কি মানবে এটা আপনার সন্তান। ওনি......

স্টপ মাহি......

কে কি মানল আর না মানল তাতে কিছু যায় আসে না।নো মোর ওয়াড।

হুট করে কবিরকে রেগে যেতে দেখে চুপ হয়ে যায় মাহি।বাসায় পৌঁছাতেই দেখে কবিতা দাঁড়িয়ে আছে।মাহিকে দেখেই এসে জরিয়ে ধরে।

কেমন আছো মাহি??

ভাল আপু।আপনি?

ভালো না থেকে আর কোথায় যাব।ফুপি হচ্ছি।এত বড় খুশির খবরে কেউ ভালো না থেকে পারে।

এসো বসো।মাহি বসতেই এক গ্লাস পানি হাতে বেরিয়ে আসে কবিরের মা।পানি মাহির দিকে এগিয়ে দিতেই পানি অবাক হয়ে তাকাই।

বাইরে অনেক রোদ।খেয়ে নাও।মাহি পানি একটু খেয়ে রেখে দেয়।

কাজল বেগম:মেয়েটাকে রেস্ট করতে দে....

মাহি যাও রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নাও। আমি তোমার জন্য খাবার পাঠাচ্ছি।

কবির ওকে রুমে নিয়ে যা।

কাজল বেগমের এমন ব্যবহারে অবাক হয় মাহি।কথায় কথায় যে তাকে এটা ওটা বলত সে আজ এত ভাল ব্যাবহার করছে।মাহি ধীর পায়ে রুমের দিকে যাই।

,

,

,

,

দুদিন পরে,

এই মাহি দেখো তো এই বালাদুটো তোমার পছন্দ কিনা।দেখি হাত দাও।বিয়ের পর মেয়েদের খালি হাতে থাকতে নাই।এইটা সবসময় পড়ে থাকবে।এই টা আমার শাশুড়ি আমাকে দিয়েছিলো।

কাজল বেগম কিছু খন থেমে বলে,

আমার ব্যাবহারে অবাক হচ্ছো।আমি জানি।তোমার সাথে অনেক খারাপ ব্যাবহার করেছি।আমি সব সত্য জেনেছি।আমার ছেলের করা কাজের জন্য আমি লজ্জিত।ওর এই রাগ,জিদ সবটাই ওর বাবার থেকে পেয়েছে।

১৫ বছর বয়সে এই বাড়ির বৌ হয়ে এসেছিলাম।নিজের পরিবার আর ভালবাসা ছেড়ে চলে এসেছিলাম এই পরিবারে। বিয়ের কয়মাস পরেই কবিতা আমার পেটে আসে।তোমার শশুর কবিতা পেটে থাকার পরেও আমানুষের মতো ব্যবহার করত।প্রচুর কষ্ট হতো।খুব একটা বয়স ছিল না।সব কথা শাশুড়ি কে বললে তিনি বলতেন এসব মেয়েদের সহ্য করতে হয়।সেভাবেই চলতে থাকে সময়।কবিতার যখন ৪ বছর।তখন কবিরের কেবল ২মাস।কবির হওয়ার পর আমি প্রায় অসুস্থ হয়ে পড়তাম।কিশোরি মনে একটু ভালবাসা চাইতাম। কিন্তু পেতাম শুধু অবহেলা।আমার যখন দুই সন্তান তখন আমার বয়স ২০ বছর বয়স।

তোমার শশুরের কোন মেয়ের সাথে নাকি সম্পর্ক ছিল।এই নিয়ে একদিন আমার সাথে খুব ঝরগা হয়।কোন মেয়ে তার স্বামী কে অন্য কারো সাথে সহ্য করবে।তাই রাগ করে দুই সন্তান নিয়ে বাবার বাসায় আসি।দেখা হয় তখন প্রিয় সে মানুষটার সাথে। কিন্তু ততদিনে মানুষ টাকে আর মনের মধ্যে রাখিনি।তোমার শশুর যতো খারাপ হোক না কেন??স্বামী হিসেবে সম্পন্ন ভাবে মনে প্রানে জায়গা দিয়েছিলাম।

দেখা হলে জিঙ্গসা করতো কেমন আছি.... বাচ্চারা কেমন আছে? আমি ভালোই বলতাম।এভাবে মাঝে মাঝে দেখা হতো।একদিন ভাবলাম পড়াশুনা শুরু করব।আবারো ক্লাস এইটে ভর্তি হব।নিজের মতো নিজেকে তৈরি করব।বাবাকে অনেক বুঝিয়ে সেদিন স্কুলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে যায়। বাচ্চা দুটোকে রেখে।

মাঝপথেই প্রচুর বৃষ্টির কারনে আশ্রয় নিয়েছিলাম সেই চেনা লোকটার বাসায়।বাসায় তার কেউ ছিল না সেদিন।একটা বিপদে পড়া মেয়েকে আশ্রয় দিয়েই হয়তো ভুল করেছিলো সেদিন।

মাহি আগ্রহ নিয়ে তাকাই......

বৃষ্টি কমতে কমতে প্রায় বিকেল হয়ে গেছিলো।চারদিকে ঘন অন্ধকারে ডুবে ছিল পরিবেশ।বাইরের এক কোনায় গুটিয়ে বসে ছিলাম আমি।তার দেওয়া একটা পোশাক গায়ে দিয়ে ওনার মায়ের একটা শাড়ি ছিল।

বাচ্চাদের জন্য চিন্তা হচ্ছিল।কবিতা একটু বড় হলেও কবির বেশ ছোট ছিল।আমাকে চিন্তা করতে দেখে ওনি আমাকে বাড়ি পযন্ত এগিয়ে দিয়ে আসে সেই ওর বাদলের দিনে।আর সেই ঝরের মধ্যেই তখন ভিজতে ভিজতে আসছিল তোর শশুর।আমাদের একসাথে দেখে ওনি কোন কিছু না জেনেই তা ভাবার ভেবে বসে থাকে।

বড় ধরনের ঝামেলা হয়।তোমার শশুর আমাকে বাড়িতে তুলবে না কিছুতেই।বাচ্চাদের নিয়ে ওনি ফিরে আসে। এরপর কেটে যায় ৫ বছর।ছেলে-মেয়েদের মুখ পর্যন্ত আমাকে দেখতে দেওয়া হয়নি এই ৫বছরে।ছেলেটা বড় হয়েছিল মেয়েটাও বড় হয়েছিল। একদিন আমার শশুর আসে আমাদের বাড়িতে।ওনি আমাকে আবার ঐ বাড়িতে নিয়ে আসেন।শুরু হয় আবারো সেই সংসার।এই সংসারে আমি সব পেলেও আমার ছেলেকে পায়নি।ও কখনো আমার কাছে আসতো না।ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে আর আমার থেকে দূরত্ব বজায় রাখে।তারপর থেকে এভাবেই চলছে।আমি থেকেও ওর জীবনের কোথাও নেই।

এরপর ওর বাবা মারা যাবার পর আমাকে বলে আমি নাকি কারো সাথে পালিয়ে গেছিলাম।আমি খারাপ। তারপর থেকে এভাবেই চলছে।

আমার ছেলে তোমার সাথে যে অন্যায় করেছে তা ক্ষমার অযোগ্য। কিন্তু ওর সাথেও তো ধোঁকা হয়েছে।ভালো তো ও তোমাকেই বাসত। শুধু চিনতে পারেনি।

আমি তোমাকে এসব বলে ছেলের সাফাই গাইছি না। তোমার জীবনে তুমি যেই সিধান্ত নাও ।আমি সবসময় তোমার সাথে আছি।

আর তোমার সাথে করা খারাপ ব্যাবহার এর জন্য আমাকে ক্ষমা করে দিও।আজ থেকে তুমি আমাকে মা বলে ডাকবে।যতদিন তুমি থাকবে আমাকে মা বলেই ডাকবে কেমন।

দেখেছো কতো কথা বলছি।আমি তোমার জন্য খাবার নিয়ে আসি।এই সময়ে একটু একটু করে খেতে হয়।আমিও না কথা বলতে পারি বোটে...

মাহি কাজল বেগমের যাওয়ার দিকে তাকিয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে।জীবন কোথায় থেকে কোথায় মোর নিচ্ছে নিজেই যেন বুঝে উঠতে পারছে না।

,

,

,

,

রাতে বেশ দেরি করেই বাসায় ফিরে কবির.....রুমে এসে মাহিকে বসে থাকতে দেখে অবাক হয় কবির।

কি হয়েছে ?ঘুমাও নি?শরির খারাপ?ডক্টর ডাকব??

না।

তাহলে তুমি জেগে আছো কেন?

আমার ফুচকা খেতে ইচ্ছে করছে!!!

কিহ ?ফুচকা তাও এতো রাতে!!!!

হুম।

কাল খেও এখন ঘুমাও।

ঠিক আছে।বলে খাটে শুয়ে পড়ে। কিন্তু ঘুম আসছে না।কবির চেন্জ করে বেরিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর প্লেট এ ফুচকা নিয়ে এসে মাহিকে ডাক দেয়।

মাহি.........

হুম......

নাও খাও......

মাহি ফুচকা দেখে অবাক হয়ে বলে।আপনি ফুচকা পেলেন কোথায়??তাও এতো রাতে???

ফুচকা নিয়ে এসেছিলাম তোমার জন্য। ভাবলাম এতবার বমির পর একটু চটপটে খাবার যদি তোমার ভালো লাগে।

তখন দিলেন না কেন????

তুমি জোর করলে না কেন???শুনেছি মেয়েরা নাকি ফুচকা খাওয়ার জন্য জোরদার আবদার করে.....

আমিও করি।দাদুর সাথে বাইরে গেলে ফুচকা খেতাম ই।দাদু খেতে দিতে চাইত না।তবুও জোর করেই খেতাম।মেঘ ভাইয়ার কাছেও জোর.........

আর কিছু বলল না মাহি.....

কবিরের রাগ হল মেঘের নাম শুনে।নিজেকে শান্ত করে বলে,

আমার বাচ্চা না হোয়া পর্যন্ত তোমার যা আবদার সব করবে আমার কাছে।পরে তুমি তার কাছে ইচ্ছে তার কাছে করো।বলে বাইরে চলে যায়।মাহি হতভম্ব হয়ে আছে।হুট করে রেগে গেল কেন??

এভাবে ১মাস কেটে যায়,

মাহির পেটটা একটু উঁচু হয়েছে।মাহি সেটায় দেখছে।কবির রুমে ঢুকে দেখে মাহি পেট দেখছে।কবির মাহির কাছে এসে বলে,

চল দেরি হয়ে যাবে।তোমার চেক আপ করিয়ে আমি অফিসে যাব।

হু.......

মাহি আর কবির বসে আছে গাড়িতে।কেউ কোন কথা বলছে না। মাহি ১ মাসে খেয়াল করেছে কবির ছোট ছোট জিনিসের খেয়াল রাখলেও ওর সাথে তেমন একটা কথা বলে না।

শুনুন........

কি হয়েছে !!শরির খারাপ করছে???

নাহ......

তাহলে.......

আমি আইসক্রিম খাবো।

কবির বারতি কোন কথা না বলে মাহিকে আইসক্রিম কিনে দেয়। মাহি আইসক্রিম বাচ্চাদের মতো করে খাচ্ছে।ঠোঁটের আশেপাশে লেগে আছে ।

হসপিটাল পৌঁছাতে পৌঁছাতে মাহি দুটো আইসক্রিম শেষ করে ফেলে।আরো দুটি আছে রেখে দিলে গলে যাবে তাই বাকি দুটো পথ শিশুকে দিয়ে দেয়।

কবির এগিয়ে এসে মাহির মুখ মুছিয়ে দেয়।মাহিকে ধরে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে।লিফট এ বুকে মাহি কবিরকে জরিয়ে ধরে।লিফট এ মাহির ভয় করে।

কবির ছোট একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে আগলে রাখে মাহিকে।

,

,

,

ডক্টর:সব ঠিক আছে....... কিন্তু আমার মনে হয় ওনার মনে খারাপ বেশি থাকে।এই সময় হাসিখুশি থাকাটা দরকার।কোন রকম চিন্তা ভাবনা করাটা ঠিক না।

সেদিকে একটু খেয়াল রাখবেন।

কবির:জি........

কবির মাহিকে নিয়ে বেরিয়ে আসে।লিফটে বুকে মাহিকে আগলে ধরে কবির নিজে থেকে। এতে মাহি কিছুটা অবাক হয়।লিফট এ নিজ থেকে জরিয়ে ধরে না কবির।মাহি মুখটা তুলে কবির কে দেখে আবারও মাথা নিচু করে নেয়।লিফটের দরজা খুলে ঢুকে মেঘ.....

মেঘ জানে মাহি লিফট এ উঠতে ভয় পায়।তবে মাহি কে কবিরের কাছে দেখে রাগ হয় তার।

কবির:কেমন আছেন সালা বাবু.......

মেঘ বিরক্ত হয়ে বলে,

ডওন্ট মি দ্যআট.......

কবির:সালা কে সালা ডআকব না তো কি ডাকব?

মেঘ কবিরের দিকে পাত্তা না দিয়ে মাহির দিকে তাকায়।

শুকিয়ে গেছিস!!!!

মাহি:কেমন আছো?

মেঘ:চলছে.......

বাড়িতে আয়। দাদু তোর কথা বলে।

মাহি:সময় হলে যাব।

সময় হলে যাব শুনেই কবিরের বুকে ছ্যাত করে উঠে।হাত একটু আলগা করতেই মাহি শক্ত করে ধরে। হঠাৎ ই লিফট বন্ধ হয়ে যায়।

কি হল!!???

মেঘ:মনে হচ্ছে লিফট আটকে গেছে!!!!

কবির:শীট......

কবির কাউকে ফোন করে কিন্তু নেটওয়ার্কের সমস্যা করছে।লাইট ও নিভে যায়।মাহি প্যানিক করতে থাকে।মেঘ দরজা ফিরিয়ে যাচ্ছে।

মাহি তুই ঠিক আছিস??? কিছু হবে না আমি আছি তো!!বলে মাহির হাত ধরে।

কবির কি করবে ভেবে পাচ্ছে না।মাহি প্যানিক করছে তাই আপাতত ওকে সামলাতে হবে।মেঘ তুই ওকে দেখ আমি দরজা খোলার চেষ্টা করছি।কবির মাহির হাত মেঘের হাতে দেয়। দরজা খোলার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে যায়।মাহির দিকে তাকিয়ে দেখে মাহির শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে......কবির মাহির দিকে এগিয়ে হাত ধরতেই মাহি কবিরকে জরিয়ে ধরে।

কবির মাহির হাতটা ছাড়িয়ে বলে,

এক মিনিট মেঘের কাছে থাকো আমি দরজা খুলার চেষ্টা করি।মাহি আরো শক্ত করে জরিয়ে ফুপিয়ে উঠে।

কবির মাহির দুগালে হাত রেখে মুখটা উঁচু করে,

আমার বাচ্চা.....বলেই ফুপিয়ে উঠে.......

কিছু হবে না আমাদের বেবির!!আমি আছি তো!!জোরে শ্বাস নাও......কিছু হবে না।মাহি একটু শান্ত হলে কবির ওর মাথা বুকে চেপে ধরে বলে।শোন.......

ধুকধুক শব্দ মাহির কান পৌঁছাতেই মাহি চুপ হয়ে যায়। কবির মাথায় বার কয়েক চুমু দিয়ে চোখ বন্ধ করে নেয়।মেঘ নিশব্দে সবটা দেখছে।একটু পরেই লিফটের দরজা খুলে যায়। কবির মাহি কে নিয়ে বের হয়।ডক্টর সামনেই ছিল তিনি দ্রুত মাহিকে চেকাপ করে।

ঠিক আছে।ভয় পেয়েছে শুধু।

কবির সস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বলে,

মাহি ....দেখ সব ঠিক আছে!!

উহু......

ড্টর:ওনাকে বাসায় নিয়ে যান।এমনিতেই বাচ্চা মেয়ে তাই হয়তো ভয় পেয়েছে।

কবির এভাবেই কোলে করে মাহিকে গাড়িতে বসিয়ে দেয়। কবির নিজের সিটে বসে দেখে মাহি কাঁপছে। মাহিকে আবারো বুকে জরিয়েই গাড়ি চালায় কবির।

দূর থেকে ওদের যাওয়া দেখে দীর্ঘশ্বাস ফেলে মেঘ।

বাসায় এসে কোলে তুলেই বাড়িতে নিয়ে ঢুকে কবির।কাজল বেগম মাহিকে অচেতন দেখে ভরকে যায়।মাহি ঘুমিয়ে আছে। কথাটা বলেই নিজের রুমে নিয়ে যায় কবির।শুয়িয়ে মাথায় চুমু দিয়ে উঠতে গিয়েও পারল না।মাহি তার শার্ট খামচে ধরে রেখেছে।এতো জোরে ধরেছে যে শাট এর বোতাম ছিরে বুকের খানিকটা দেখা যাচ্ছে। কবির মাহির ঘুমন্ত মুখের দিকে তাকিয়ে আছে।

বেবিকে দিয়েই কি চলে যাবে মাহি???পারবো কি তোমাকে ছাড়া থাকতে??আমার বাচ্চা পারবে কি তোমায় ছাড়া বাঁচতে!!!এভাবেই আকরে ধরে রেখো না প্লিজ।কবিরের চোখে পানি ছলছল করছে।কবির পাশেই সুয়ে মাহিকে বুকের মাঝে আগলে নেয়।তখন ডক্টর ইঞ্জেকশন পুশ করেছিল তাই মাহি ঘুমাচ্ছে।

চলবে,

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৮ম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন