ফন্ট সাইজ:
থিম:
প্রেম শৃঙ্খলে রুদ্ধ রূপসী

১৬তম পর্ব

লেখক: সালসাবিল সারা

#প্রেম_শৃঙ্খলে_রুদ্ধ_রূপসী

পর্ব - ১৬

লেখিকা: সালসাবিল সারা

(কপি করা নিষেধ)

____________

“আমার বোনের ভাসুর না হলে আপনাকে একটা চড় দিয়ে বেহায়াপনা বের করতাম। আপনার মতো বেলাজ বেহায়া শয়তান লোক আমি একটাও দেখিনি। আপনি ভাবছেন কিভাবে আমি আপনার মিসেস হবো? আপনার ঐ নামের পাশে আমার নাম আমি কোনোদিন…..”

পরের কথাটা মেয়েটার মুখে থেকে যায়। তার দৃষ্টি গায়ের কাছাকাছি অবস্থানরত ঐ বেলাজ লোকের অবয়বে এসে থামে। লোকটা তার গলায় ঠোঁট ছুঁয়েছে ভাবলেই গা গুলিয়ে আসে। অথচ সেই লোক এখন নুসাইবার ঠোঁটে হাত রেখে বাকি কথাটা বলতে বাঁধা দেয়। দুইদিকে মাথা নাড়িয়ে আওড়ায়,

“উহু রূপসী…আমার নামের পাশে তোমার নাম বসাটা বাধ্যতামূলক। চুপচাপ সব মেনে নাও। এরবেশি নিষ্ঠুর হতে আমাকে বাধ্য করো না। জ্বলন্ত আগুন আমি,পুড়ে ছাই করবো নিশ্চিত।”

কন্ঠে এমন মাদক মেশানো যেটা শুনলে নুসাইবা প্রচণ্ড ভয়ে মুষড়ে যায়। লোকটা তার বোনের ভাসুর…কিন্তু তাই বলে সে তার উপর এমন জবরদস্তি মেনে নিবে না। কখনো না। মুক্ত ডান হাতে সে চপাট করে চড় দেয় বেঞ্জামিনের গালে।

লোকটার কোনো নড়চড় হয়নি। কিন্তু বেঞ্জামিনের সত্তা জ্বলে উঠে অগ্নিকুন্ডের ন্যায়।

শক্ত ভঙ্গিমায় চেপে ধরে মেয়েটার গাল। অপরহাতে আঁকড়ে নেয় মেয়েটার গলা,

“ইউ স্মল বাটারফ্লাই!...”

গাঢ় এক নিঃশ্বাস বেরিয়ে আসে বেঞ্জামিনের। মেয়েটার চড়ে তার শক্ত গালে কোনো আঘাত বা প্রভাব না ফেললেও তার মর্যাদায় ব্যাপক ক্ষতি করেছে। যেটা। বেঞ্জামিনকে আরও ক্রোধে মত্ত করে। সে মেয়েটার নাকে নাক ছুঁয়ে দেয়। ঘাড়ে সিট চেপে ভস্ম করে,

“নাউ ইটস গোনা বি এ টাফ গেইম… রূ..পসী।….”

গেইম? লোকটার কাছে তার আর নুসাইবার ব্যাপারটা জাস্ট গেইম? লোকটাকে আরেকটা থাপ্পড় তো দেওয়া উচিত। মেয়েটার চোখে রাগ, পীড়িত হওয়ার অপবাদ। সে হাত উঠাতে চাইলে বেঞ্জামিন সেই হাত সিটে চেপে ধরে। অতঃপর মেয়েটার ঠোঁটের কোণায় এক গভীর ক্ষত করে দাঁত দিয়ে কেটে,

“নো নো নো….আরেকবার এইসব করলে অধিকার,সম্পর্ক সব ভুলে যাবো। বিস্ট হয়ে গেলে আমাকে তুমি সামলাতে পারবে না। আমিও সামলাবো না নিজেকে। আইল ডেস্ট্রয় ইউ! বুঝেছ তো কিভাবে?”

আবারও লোকটার চোখে এক লালসার নেশা। এমন অশ্লীল সেই নজর কখনো দেখেনি কঠোর লোকটার। সুদর্শন এই মানব ঠিক কতটা বেপরোয়া সেটা ভাবতেও চায় না ভঙ্গুর মেয়েটা।

নুসাইবা আর্তনাদ করে। জ্বলে উঠে সারা সত্তা। অশ্রু হামলে পড়ে গেলে। বেঞ্জামিন তাকে ছাড়ে। মাথাটা আজ ঠান্ডা হওয়ার নাম নেই। লোকটা সোজা হয়ে গাড়ি স্টার্ট করতে নিলে কৌশলে নুসাইবা গাড়ির লক খুলে নেমে পড়ে।

সাত পাঁচ না ভেবে ওভাবেই দৌড়াতে থাকে। জায়গাটা অনেকটা জঙ্গলের মতো। সরু এক রাস্তা। দুইদিকে গাছে ভরপুর।

মেয়েটার এমন অবাধ্যকতা দেখে বেঞ্জামিন সিটে হেলান দেয়,

“আইএম নট লাভিং দিস চেজিং গেইম, সাইবা। এইবার যে ধরবো একেবারে শিকলে তোমার পা আটকাবে। বেঞ্জামিনের হার্ড রোমান্স তোমার এই অবাধ্যকতা ঠিক করবে,আমার করবে।”

বেঞ্জামিন গাড়ি থেমে নামে। তার রূপসী একবার পেছন ফিরে তাকালো তার সত্তা মাপতে। এরপর উড়ন্ত চুলের রমণী প্রাণ নিয়ে দৌড়াচ্ছে। গালে হাত ঘষে বেঞ্জামিন হিসহিস করে আওড়ায়,

“শিকল আমার হাতে পাখি,উড়ে যাবে কোথায়? আমার পাখি তুমি,আমার পিঞ্জরেই আটকে রবে আজীবন।”

কিছুটা দূরে সাইডে থামানো ইথেন আর এলেক্সের গাড়ি। তারা নেমে দাঁড়ায় আলগোছে। ইথেন গাড়িতে হেলান দিয়ে বলে উঠে,

“আমরাও কি যাবো? বস দৌড়াচ্ছে কেমন দেখো।”

তার বলা রাশিয়ান সুরে কিছুটা গাম্ভীর্যতা।

এলেক্স নিজের সুট ঠিক করে। নিচে হেলানো এক পাথরে পা ছুঁয়ে আওড়ায়,

“কোনো দরকার নেই। বিউটি এন্ড দা বিস্ট আর ফাইটিং। ওরা ওদেরকে হ্যান্ডেল করুক। বস আমাদের ওখানে দেখলে গুলি করে খুলি উড়াবে।”

“এটা কেমন লাভ ভাই? আমার মাথায় ঢুকে না। ম্যাডাম রাজি না আর বস উনার জন্যে পাগলের মতো করে।”

“এটা লাভের চেয়ে ভয়ানক ইথেন। এটাকে বলে টক্সিক লেভেলের পজেসিভনেস। ম্যাডাম বসের জন্যে ড্রাগ আর বস সেই ড্রাগে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন। ইউ নো, হি ক্যান কিল এন্ড ডেস্ট্রোয় এনিওয়ান ওনলি ফর হার।”

এলেক্স পকেট হাতড়ে সিগারেট বের করে। ঠোঁটের কোণে সেই সিগারেট রেখে সামনের দিকে তাকায়। তাদের বস আরন বেঞ্জামিনকে দেখা যাচ্ছে না। যে মাত্র তার প্রেয়সীর জন্যে এই জঙ্গলে দৌড়িয়ে প্রবেশ করলো।

_______________

“দৌড়া নুসাইবা। এই পাগলের হাত থেকে পালাতে হলে দৌড়া। উনার মাথায় নিশ্চয় সমস্যা আছে। নাহয় কীভাবে বিয়েকে উনি গেইম ভাবে? আমি মোটেও কারো খেলনা বা ফেলনা হবো না। আমার জীবনে আমি যেমন জীবনসঙ্গী চাই তেমন লোককেই আমি বিয়ে করবো। আরন বেঞ্জামিন আই হেইট ইউ,বাস্টার্ড।”

মেয়েটা প্রাণপণে দৌড়ায়। তার জুতা খুলে কই হারিয়েছে সে নিজেই জানেনা। গায়ের আবায়া খুলে হাতে রাখে। পায়ের নিচে পড়ছিল সেটা বারবার। জঙ্গলের মাঝে মাঝে কিছু লম্বা সোডিয়াম ল্যাম্প। যেগুলো টিমটিম। কোনোভাবে ছায়া বুঝা যায় এমন অবস্থায় আছে। চারিদিকে শুধু গাছ আর হঠাৎ কয়েকটা ফাঁকা জায়গা। নুসাইবা বুঝতেই পারছে না কি হচ্ছে তার সাথে,সে কোথায় বা যাচ্ছে। তবে এতটুকু মস্তিষ্ক জানান দিচ্ছে এই লোকের হাত থেকে বাঁচতে হলে ঘন জঙ্গলেই তাকে ছুটতে হবে।

শুকনো পাতার মড়মড় শব্দে নুসাইবার নিজেরই গা কেঁপে কেঁপে উঠছে। তার কদমের সাথে পাল্লা দিয়ে পেছন থেকে সেই শব্দ আরো জোরালো হচ্ছে। নুসাইবা এক পর্যায়ে থামে। হাতের আবায়া মাটিতে ফেলে নিজেকে সামলানোর জন্য। সে আড়ালে যায় এক বট গাছের। যার বিশালতা মেয়েটার ছোট তনুকে ঢেকে নেয়। তবে জায়গাটাতে আসার আগে তার পেটের দিকের কাপড় ছিঁড়ে যায় এক শক্ত এক গাছের ভাঙ্গা টুকরোয়। সে কোনোভাবে স্কার্ফ দিয়ে ঢেকে রাখে সেদিকে।

পা বেঁকে মেয়েটা বসে পড়ে শুকনো পাতার উপর। শরীরটা আর পারছে না। জ্বর বাড়ল নাকি কমলো সেটাও বুঝলো না। শুধু বুঝছে তার পায়ের পাতা অসম্ভব জ্বলছে। নিশ্চয় পা জোড়া বিচ্ছিন্ন হয়েছে ক্ষতে।

নুসাইবা উঁকি দেয় সেই গাছের আড়াল থেকে। কাউকে দেখা যাচ্ছে না। কোনো শব্দও না। তাহলে লোকটা নেই?

মেয়েটার ঠোঁটের কোণায় হাসি ফুটে কিছুটা। শুকরিয়া আদায় করতে নেয় খুশি হয়ে। কিন্তু কিন্তু কিন্তু! একটা পরিচিত সুবাস। ম্যানলি সেই সুঘ্রাণে নাক বন্ধ হয়ে আসার জোগাড়। বুকের গতি অস্বাভাবিক হয় ফের। মেয়েটা কিছু বলে উঠার পূর্বেই একটা বলিষ্ঠ হাত তাকে টেনে তুলে। এক পর্যায়ে মেয়েটার পা জমিন থেকে উঁচুতে উঠে।

ঘাড়ে এক গরম নিঃশ্বাস ভেসে আসে। সাথে সাথে লেপ্টে যায় সে এক লোকের বলিষ্ঠ বুকের অধীনে।

শুনতে পায় তার শুনতে না চাওয়া লোকটার কর্কশ গম্ভীর কন্ঠ,

“কট ইউ, স্পাইসি রূপসী।”

চিৎকার করে নুসাইবা এই পর্যায়ে,

“আহহহহ… কেউ বাঁচাও আমাকে। বাঁচাও! হেল্প প্লীজ!”

“হুশ ডার্লিং। আজ আমার বিছানায়,আমার নিচে থাকবে তুমি। আর মানুষ থেকে সাহায্য খুঁজছো! হাউ রিডিকিউলাস।”

বেঞ্জামিন তাকে জমিনে নামিয়ে দেয়। ল্যাম্পের সেই আবছা আলোয় মেয়েটার মুখের ছায়া দেখা যাচ্ছে অল্প। তাতেই লোকটা খুন হচ্ছে মেয়েটার সত্তায়। মুখে কালি, বালি লেগে আছে। সাথে অশ্রু জল।

নুসাইবা ধাক্কা দেয় বেঞ্জামিনের বুকে,

“আমি কখনো আপনার হবো না,লম্পট কোথাকার!”

“ডোন্ট শাউট….”

বেঞ্জামিন তার গাল চেপে ধরে। মিশিয়ে আনে তার সম্মুখে। নুসাইবা তার সাথে হাতাহাতি করে। খামচি,ঘুষি বেকাদায় পড়তে থাকে লোকটার বুকে পেটে। বেঞ্জামিন মেয়েটার কাপড় ছিঁড়ে যাওয়া অংশে হাত দেয় আলগোছে ক্ষত হয়েছে কিনা পরখ করতে।

নরম সেই চামড়ায় মেয়েটাকে ছুঁয়ে দিতে আরও উদ্যত হলে নুসাইবা থুথু দেয় বেঞ্জামিনের বুকে। যেটা তার শার্ট ভেদ করে সোজা চামড়ায় লাগে। এতটা ঘৃণা আর অবাধ্যকতা সহ্যের বাহিরে মনস্টারের। অতঃপর লোকটা তার চেপে রাখা মেজাজ মুহূর্তেই খুইয়ে ফেলে।

“ইউ লিটল গার্ল!”

এই পর্যায়ে বেঞ্জামিন সজোরে একটা চড় দেওয়ার জন্যে হাত তুলতে নিয়েও থামিয়ে ফেলে। তার বলিষ্ঠ দেহ রাগে কুড়কুড় করে। কপালে হেলে আছে কিছু চুল। চোখ দুটো যেনো রাগের ফোয়ারা।

সামনের লম্বা পুরুষের এমন কঠোরতা দেখে নুসাইবা নিজেকে আর ধরে রাখতে পারে না। তার সেই কাণ্ডে নুসাইবা শক্ত হয়ে থাকলো না একদণ্ড। সকল তেজ ধপ করে নিভে যায়। জ্বরের তোপে, ভয়ে, ক্লান্তিতে তার চোখ বুজে আসে।

সেন্স হারিয়ে মেয়েটা ঢলে পড়তে নিলে বেঞ্জামিন তাকে কাঁধে তুলে নেয় সরাসরি। কপালের রগ ফুলে উঠেছে তার রাগে,ক্রোধে,

“আর কখনো আমার মেজাজ নষ্ট করবে না সাইবা। আমার ভয়ানক সত্তা তোমার ছোট্ট তেজি শরীর সহ্য করতে পারবে না। একটুও না।”

পরক্ষণে সে পকেট হাতড়ে মোবাইল বের করে। ঘন জঙ্গলে মেয়েটাকে কাঁধে ঝুলিয়ে রহস্যময় হাঁটতে থাকে। পিঠে হাত দিয়ে পরখ করে জ্বর মেয়েটার শরীরে। বেড়েছে নিশ্চিত!

অপর দিকে ফোন রিসিভ করলে কিছু কথা শুনে বেঞ্জামিন। পরপর বলে উঠে,

“আমি নুসাইবাকে বিয়ে করছি মা। এক ঘণ্টার মধ্যে ওর ফ্যামিলি নিয়ে যদি বাংলোতে আসো তবে বিয়েতে উপস্থিত থাকতে পারবে। নাহয় আমি একাই করে নিচ্ছি।”

“বাবা তুমি…কি হয়েছে... কি? মাকে বলো?”

“আই ওয়ান্ট হার সো ব্যাডলি, মা। একটা মুহূর্তও ওকে ছাড়া আর না।”

বেঞ্জামিন পায়ের গতি দ্রুত করে। সে যেভাবে এসেছে সেই পথ মুখস্ত। মস্তিষ্ক লোকটার বিরাট ধুরন্ধর।

“কিন্তু…আজই বলেছো বিয়ের কথাটা। ও কোথায়? তোমার সাথে?”

পুতুল অস্থির হয়ে উঠে।

“আমার কাছে নুসাইবা। আর আজই আমাদের বিয়ে।”

এতটুকু বলে মানব ফোন রেখে দেয়। লম্বা কদমে সে জঙ্গল পেরিয়ে গাড়ির কাছে আসে। নুসাইবার দৌড়ের কাছে তার পদচিহ্ন যে অত্যন্ত নগণ্য এটাই তার প্রমাণ।

মেয়েটাকে আলগোছে সে গাড়িতে বসায়। দরজা লাগায়। ইথেন, এলেক্স জলদি তাদের গাড়িতে উঠে পড়ে। ইথেন গাড়ি চালু করে নিজেই বেঞ্জামিনের গাড়ির আগে যায়। কারণ বেঞ্জামিনের গাড়ির হেড লাইট হিন্টস দিয়েছে।

বেঞ্জামিন গাড়ি স্টার্ট দেয়। সিটে লেপ্টে থাকা নুসাইবার সত্তা দেখে অন্তর তিরতির করে উঠে। সে মেয়েটাকে লম্বা হাতে টেনে নেয়। কোলে শুইয়ে দেয় নির্বিঘ্নে। পুরুষালি তার অবয়ব উষ্ণতায় মগ্ন।মেয়েটার পা জোড়া সিটে তুলে দেয় ধীরে।

বেঞ্জামিন স্টিয়ারিং ঘুরায়। শুভ্র তার রূপসী অত্যন্ত নীরব।অথচ বেঞ্জামিনের ক্রোধ নিজের মধ্যে নেই। সেটা সীমানা পেরিয়েছে।মেয়েটার জায়গায় অন্যকেউ হলে প্রথম পর্যায়েই এতক্ষণে চার টুকরো করে বিভক্ত করতো বেঞ্জামিন তাকে। ফোস করে শ্বাস ছাড়ে সে। ঘাড়ে হাত বুলায়। সিটে মাথা হেলান দেয় তো আবার রূপসীর পানে নজর দেয়। গায়ের স্কার্ফ গলায় ঝুলছে। পেটের দিকে উন্মুক্ত হয়ে আছে। সেথায় বেঞ্জামিনের নখের আঁচড় স্পষ্ট। লোকটার চোখ সরু হয়ে আসে। এইভাবে তার উন্মুক্ত পেট দেখে তার অনুভূতিরা পেখম মেলে। দাঁতে দাঁত চেপে সে নিজেকে সামলানোর চেষ্টায়। হাত দিয়ে সেদিকে ঢেকে দেয়।

কোলে থাকা মেয়েটার দিকে ঝুঁকে নাকের পাশে চুমু দেয় বেঞ্জামিন। পরপর সে নুসাইবার গালে আঙুল বুলাতে বুলাতে নেশালো সুরে আওড়ায়,

“বেঞ্জামিনের ফোর্স লাভ তুমি সহ্য করতে না পারলেও সহ্য করতে হবে ডার্লিং। আমার এই রূপ নিজে চুজ করেছো। এন্ড অফকোর্স... আমি তোমার জন্য অত্যন্ত বেলাজ,বেহায়া লোক আর এই লোকের সাথেই তুমি আজীবন আটকে থাকতে বাধ্য সাই..বাহ...।”

চলবে……

কপি করা নিষেধ।

আমার অত্যন্ত মাথা ব্যথা। এখনো ভালো হয়নি। সবাই অপেক্ষা করে আছো তাই পর্ব দিলাম। সবাই মতামত জানাবে। রেসপন্স করো জলদি, তাহলে দ্রুত আসবে গল্প।

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১৬তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন