#তুমি_আসবে_বলে_বসন্ত_এসেছে '৫৮'
#জেরিন_আক্তার_নিপা
বাংলা মুভিতে পুলিশ যেমন ঝামেলা শেষ হলেই আসে তেমন ইলহামও ঝামেলা শেষে এসে জিজ্ঞেস করল,
-কী হয়েছিল ভাই? ছেলে দুইটা কি পুনমকে কিছু বলেছে?
তাওয়াফ রাগী চোখে ইলহামের দিকে দেখল। এতক্ষণ কোথায় ছিল? পেখম একা ছিল সময় আসতে পারেনি? এখন এসে জিজ্ঞেস করছে কী হয়েছে?
-কিরে ভাবী, তোর হাড্ডাগাড্ডা দেবর থাকতেও কে তোকে কী বলার সাহস করেছে?
ইলহাম মাঝে মাঝেই মজা করে পেখমকে ভাবী ডাকে। পেখম ইলহামের মুখে ভাবী ডাক শুনে লজ্জায় মিইয়ে যায়। কিন্তু আজ তার লজ্জা লাগছে না। বরং ভাবী ডাক শুনতে ভালো লাগছে। তাওয়াফ ইলহামকে ঘুসি দেওয়ার জন্য হাত তুলে বলল,
-যা ভাগ এখান থেকে। দাঁড়ালে মার খাবি।
ইলহাম মার খাওয়ার আগে ভালোয় ভালোয় কেটে পড়ল। ওদেরকে স্টেজে ডাকছে। দৃষ্টি দুলাভাইকে হলুদ মাখাচ্ছে দেখে পেখমেরও মাখাতে ইচ্ছে করল। পেখম বলল,
-চলুন না তাওয়াফ ভাই। আমিও দুলাভাইকে হলুদ মাখাব।
-তুই যা।
-একা যাব না।
তাওয়াফ ভ্রু কুঁচকে বলল,
-তাহলে?
পেখম মিনমিন করে বলল,
-আপনাকে ছাড়া একা গেলে আবার কোন না কোন ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ব।
তাওয়াফের হাসি পেলেও হাসি চেপে বলল,
-আমি কি তোর ঝামেলা নাশক?
পেখম মাথা নিচু রেখে মনে মনে বলল,
-হুম। আপনি আমার সাথে থাকলে ঝামেলারা আমার কাছে আসতে ভয় পায়।
পেখম স্টেজে উঠে দুলাভাইকে হলুদ লাগালে পাশ থেকে দুলাভাইয়ের ভাবী বলে উঠল,
-এই বিয়াইনকে দেখি এখনও কেউ হলুদ লাগায়নি।
বলেই মহিলা এক খাবলা হলুদ নিয়ে পেখমের পুরো মুখে মাখিয়ে দিল। পেখম হতভম্ব হয়ে কতক্ষণ তাকিয়ে রইল। তার অবস্থা দেখে নতুন দুলাভাইও হাসছে। খুশি খুশি স্টেজে এলেও পেখম নেমে গেল গোমড়া মুখে। পেখমকে দেখে তাওয়াফ প্রথমে অবাক হলেও পরক্ষণেই হাসি পেলো। হাসি লুকানোর চেষ্টা না করেই বলল,
-এই অবস্থা কী করে হয়েছে?
মন মেজাজ আগেই খারাপ হয়ে ছিল তাওয়াফ ভাইকে হাসতে দেখে এবার রাগ হলো।
-আমাকে দেখে আপনার হাসি পাচ্ছে?
-কেউ যদি হলুদ থেকে ডুব দিয়ে আসে তাহলে তাকে দেখে হাসি পাবে না!
পেখমের ভীষণ রাগ হলো। তাওয়াফ ভাইও কি-না তাকে নিয়ে মজা করছে। পেখমের নিজের মুখেই অনেক গুলো হলুদ লেগে ছিল। হাত দিয়ে মুখ মুছতে মুছতে বিড়বিড় করে বলল,
-অনেক হাসি পাচ্ছে, না? আমিও এখন আপনাকে দেখে হাসব।
কথাটা বলেই পেখম তার হাতে লেগে থাকা হলুদ লাফিয়ে তাওয়াফের গালে লাগিয়ে দিল। তাওয়াফ বাকরুদ্ধ, হতবাক হয়ে রইল। পেখম হেসে বলল,
-এবার হাসুন। হাসছেন না কেন?
তাওয়াফ রেগে হুংকার দিয়ে বলল,
-পুনমের বাচ্চা তোকে আমি,,,
তাওয়াফ ভাই রেগে গেছে দেখে পেখম আর এখানে দাঁড়াল না। ওরে বাবা গো বলে এক দৌড়ে দৃষ্টি আকৃতি আপুদের কাছে চলে গেল। বাড়ি ফেরা পর্যন্ত সে তাওয়াফ ভাইয়ের সামনে পড়ল না। দুলাভাইদের বাড়ি থেকে ফিরতে ফিরতে রাত হয়ে গেছে। ওরা এসে দেখে ইরিন এখনও আগের মতো স্টেজে বসে আছে।
সবাই বরের বাড়িতে গেলেও তটিনী যায়নি। সে বাড়িতেই ছিল। আকৃতি বলল,
-না গিয়ে মিস করে ফেলেছ ফুল। ওখানে অনেক মজা হয়েছে।
তটিনী মনে মনে বলল,
-মিস করব না বলেই তো যাইনি।
বাড়ির বেশিরভাগ মানুষই ছেলের বাড়িতে গিয়েছিল। তটিনী পেট ব্যথার অজুহাতে থেকে গেছে। এই পুরোটা সময় সে আজানের সাথে ছিল। লোকটা আজ নিজের সম্পর্কে অনেক কথা বলেছে। তটিনী গালে হাত দিয়ে বসে মনোযোগ দিয়ে সেসব কথা শুনেছে। সে আজ জানতে পেরেছে আজানের একটা গার্লফ্রেন্ড ছিল। কিন্তু এক্সিডেন্টের পর মেয়েটা ব্রেকআপ করে দিয়েছে।
-কী ভাবছো?
আকৃতির ডাকে তটিনীর ধ্যান ভাঙল। হেসে বলল,
-কিছু না।
রাতেও সবাই আরেক দফা হলুদ মাখামাখি করল। দৃষ্টি আর ইরিনের চাচাতো বোন ইরিনকে দুই হাতে মেহেদি পরিয়ে দিচ্ছে। পেখমেরও মেহেদি পরতে ইচ্ছে করল। ইরিনের চাচাতো বোনকে বলল,
-আপুকে দেওয়া শেষ হলে আমাকেও দিয়ে দিবে নূহা?
তটিনী পাশেই বসে ছিল। পেখমকে বলল,
-আমি দিয়ে দিই?
পেখম খুশি হয়ে হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলল,
-তুমি দিয়ে দিলে তো আরও ভালো হয়।
তাওয়াফ রুমে গিয়ে মুখ ধুয়ে এসেছে। পরনের পাঞ্জাবিটা অবশ্য পাল্টায়নি। তাওয়াফ এসে দাঁড়ালে অজান্তেই পেখমের চোখ ওদিকে চলে গেল। পেখম তাওয়াফকে দেখছে দেখে তটিনী বলল,
-মেহেদিতে তোমার উনার নাম লিখে দিব?
তটিনীর কথা শুনে পেখম তাওয়াফ ভাইয়ের দিক থেকে চোখ সরিয়ে নিল। তটিনী তাকে দেখে হাসছে দেখে লজ্জা পেলো।
-লজ্জা না পেয়ে বলো মেয়ে।
পেখম ঠোঁট কামড়ে মৃদু গলায় বলল,
-লিখে দাও।
কথাটা বলতে গিয়ে পেখম লজ্জায় লাল হয়ে গেল। যা দূর থেকেও তাওয়াফের চোখ এড়ালো না। কপালে সামান্য ভাঁজ ফেলে তাওয়াফ ভাবছে, পেখম কি কোন কারণে লজ্জা পাচ্ছে! ফুল মেয়েটা কী এমন কথা বলেছে যা শুনে পেখম লজ্জায় কুঁচকে গেছে।
মেহেদি দেওয়া শেষ করে তটিনী বলল,
-কাল দেখবে মেহেদিতে কেমন রং আসে। রং যদি গাঢ় আসে তাহলে বুঝে নিয়ে তোমার উনি তোমাকে অনেক বেশি ভালোবাসে।
-আর যদি গাঢ় না আসে?
-তাহলে বুঝবে উনার ভালোবাসায় ভেজাল আছে। যত গাঢ় রং তত বেশি ভালোবাসা। হালকা রং এলে বরের গলা চেপে ধরবে। জিজ্ঞেস করবে মেহেদিতে কেন গাঢ় রং আসলো না।
পেখম চিন্তায় পড়ে গেল। সত্যিই যদি মেহেদির রং না আসে তাহলে কি ভেবে নিবে তাওয়াফ ভাই তাকে ভালোবাসবে না! কী করলে মেহেদিতে গাঢ় রং আসবে? পেখম সেটাই করবে।
আজকের মতো আনন্দ ফূর্তি শেষ করে সবাই শুতে চলে এলো। কাল সকালে উঠতে হবে। সবাই হাতমুখ ধুয়ে ফ্রেশ হয়ে কাপড় পাল্টে নিলেও পেখম এখনও মেহেদি হাতে বসে আছে। দৃষ্টি ওয়াশরুম থেকে বেরিয়ে এসে তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছতে মুছতে বলল,
-যা এবার। হাতমুখ ধুয়ে আয়।
-না।
দৃষ্টি ভ্রু কুঁচকে পেখমের দিকে তাকিয়ে বলল,
-না কী? মেহেদি তুলবি না?
-না।
-সারারাত মেহেদি হাতে নিয়ে বসে থাকবি?
-হুম।
-মেহেদি শুকিয়ে গেছে। নিজে নিজেই উঠে যাচ্ছে। এখন ধুয়ে ফেললেও সমস্যা হবে না।
-তুই আমাকে জোড়াজুড়ি করিস না তো। আমি এখন হাত ধোবো না।
-রং এসে গেছে পেখম। হাত ধুয়ে ফেল।
-না। হালকা রং এলে চলবে না। গাঢ় রং আসবে হবে। যাতে গাঢ় রং আসে সেজন্য সারারাত রাখব।
দৃষ্টি আর চাপাচাপি করল না। বিরক্ত গলায় বলল,
-পাগলের কারবার। তুই তোর মেহেদি নিয়ে বসে থাক। আমি ঘুমাই।
পেখম সত্যিই বসে রইল। কাল যদি তার মেহেদিতে রং না আসে তাহলে ইরিন আপুর বিয়েতে বউয়ের থেকেও বেশি সে কাঁদবে।
তাওয়াফ না ঘুমালেও বিছানায় এসে শুয়েছিল। এক বিছানায় তিনজন শুয়েছে। তাওয়াফ মাঝখানে। তার দুই পাশে ইলহাম আর আজান। শোয়ার সময় এরা তাকে নিয়ে প্রায় যুদ্ধ লাগিয়ে দিয়েছে। এত বড় বড় দুইটা ছেলে ভাইয়ের সাথে থাকার জন্য নিজেদের মধ্যে ঝগড়া বাঁধিয়ে দিয়েছে। আজান তাওয়াফের পাশে শুতে চায়। আবার ইলহামও। অথচ তাওয়াফ এদের কারোর সাথেই শুতে চায় না। কিন্তু উপায় নেই। বিয়ে বাড়িতে অনেক মানুষ। আর কোন ঘর ফাঁকা নেই। ইলহাম ঘুমের ঘোরে তাওয়াফের উপর পা তুলে দিল। তাওয়াফ চোখমুখ শক্ত করে ইলহামের পা নামিয়ে দিতে চাইলে ইলহাম এবার তাওয়াফকে জড়িয়ে ধরল। লাফিয়ে উঠে বসল তাওয়াফ। না, এদের সাথে আর থাকা যাচ্ছে না। এর থেকে ভালো সে বাইরে গিয়ে কোন বসে থাকবে। ফোন হাতে দরজা খুলে তাওয়াফ বাইরে বেরিয়ে এলো। রাত প্রায় শেষের দিকে সবাই এখন গভীর ঘুমে। তাওয়াফ বাইরে কতক্ষণ হাঁটাহাটি করল।হঠাৎ কী মনে করে যেন পেখমকে টেক্সট করল। সে ভাবেনি পেখম এখনও জেগে থাকবে। কিন্তু ওপাশ থেকে সাথে সাথেই পেখমের রিপ্লাই পেয়ে অবাক হলো। সময় দেখে ভাবল, এই মেয়ে এখনও জেগে কী করছে!
সে মেসেজ টাইপ করল,
-এখনও জেগে আছিস কেন?
ওপাশ থেকে জবাব এলো,
-ঘুম আসছে না।
-বাকিরা ঘুমিয়ে পড়েছে?
-হুম।
-তুই একা কী করছিস?
-বসে আছি। আপনি ঘুমিয়ে পড়েছেন?
-আমি ঘুমালে মেসেজ কে করছে?
-ওহ সরি।
-বাইরে আসবি?
-এত রাতে! আপনি কি এখন বাইরে?
-হুম।
-ঠিক আছে। একটু দাঁড়ান। আমিও আসছি।
পেখম খুশিতে বাক-বাকুম করতে করতে বাইরে যাওয়ার জন্য বিছানা ছাড়ার সময় দৃষ্টির পায়ে পাড়া মারল। দৃষ্টি ঘুমের মাঝেই ধমক দিয়ে বলল,
-কে রে?
পেখম জিভ কামড় দিল। দৃষ্টিটা উঠে পড়লে অসুবিধা হবে। পেখম বলল,
-কেউ না। ঘুমা তুই। ঘুমিয়ে তোর জামাইকে নিয়ে সুন্দর সুন্দর স্বপ্ন দেখ। আমি আমার জামাইয়ের কাছে যাচ্ছি।
পেখম আসবে বলেছে দেখে তাওয়াফ হাঁটতে হাঁটতে এদিকে এগিয়ে এলো। তখনই নিঃশব্দে দরজা খুলে পেখম বেরিয়ে এলো। তাওয়াফকে দেখে এক দৌড়ে ওর কাছে চলে এলো।
-এখনও জেগে কী করছিলি?
-কিছুই না। আপনি বাইরে কী করছেন?
-হাঁটাহাঁটি।
-আপনারও কি ঘুম আসছিল না?
-না। যে দুই বাদরের সাথে শুয়েছি এদের জ্বালায় বিছানায় থাকাও সম্ভব হয়নি।
পেখম জানে তাওয়াফ ভাই এমনিতেই রাতে ঘুমাতে পারে না। তার উপর অন্য পরিবেশে এসে মনে হয় আরও সমস্যা হচ্ছে। তাওয়াফ পেখমকে দেখার জন্য ডেকেছিল। দেখা শেষ এবার বলল,
-ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়। একটু পরেই ফজরের আজান দিবে।
ঘরে যাওয়ার কথা শুনে পেখমের
মুখ লটকে গেল। কী আজব! ঘরেই যদি পাঠিয়ে দিবে তাহলে এই শেষ রাতে বাইরে আসতে কেন বলেছে! পেখম মুখ কালো করে বলল,
-ঘরে গিয়ে শুলেও এখন আমার ঘুম আসবে না।
তাওয়াফ পেখমের কথা ভেবেই ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়ার কথা বলেছিল। না ঘুমালে যদি সকালে আবার মাথা ব্যথা নিয়ে সারাটা দিন মুখ লটকিয়ে ঘুরে! কাল বিয়ে বাড়িতে কোথাও বসার জায়গাও পাওয়া যাবে না। কিন্তু পেখমের এই উত্তর শুনে বলল,
-তাহলে কি আমার সাথে একটু হাঁটাহাঁটি করবি?
পেখম খুশি হয়ে রাজি হয়ে গেল। তাৎক্ষণাৎ বলে উঠল,
-হুম।
তাওয়াফ জানত পেখম না করবে না। সে মুচকি হেসে বলল,
-ঠিক আছে চল।
আকাশে এত বড় একটা চাঁদ। চাঁদের আলোয় বোঝার উপায় নেই এখন রাত নাকি সকাল। চারদিক দিনের মতোই উজ্জ্বল। দু'জন পাশাপাশি হাঁটছে। তাওয়াফ ভাইয়ের সাথে চুপচাপ হাঁটতেও ভালো লাগছে। পেখম চুপচাপ আছে দেখে তাওয়াফ জিজ্ঞেস করল,
-পুকুর ঘাটে যাবি?
-না।
-কেন?
-আপনিই তো নিষেধ করেছেন। আমি যেন পুকুরের আশেপাশেও না যাই এই কথা বলেছিলেন মনে নেই?
-একা না যাওয়ার কথা বলেছিলাম। কিন্তু এখন তো আমি সাথে আছি।
হাঁটতে হাঁটতে দু'জন পুকুর ঘাটে চলে এলো। তাওয়াফ পেখমকে কিছুই না বলে পরনের ট্রাউজার তুলে ঘাটে গিয়ে পানিতে পা ডুবিয়ে বসল। পেখম অবাক হয়ে দেখে যাচ্ছে। তাকে ঘাটে নামতে নিষেধ করে তাওয়াফ ভাই এখন নিজেই কেমন ঘাটে গিয়ে বসেছে। পেখম আসছে না দেখে তাওয়াফ ঘাড় ঘুরিয়ে তাকিয়ে বলল,
-দাঁড়িয়ে আছিস কেন?
পেখম বুঝতে না পেরে বলল,
-কী করব?
-এদিকে আয়।
-এবারও পা পিছলে গেলে আপনি বকবেন।
-বকব না। আয়।
-যদি পড়ে যাই?
-আমি আছি। পড়বি না।
পেখম অনুমতির অপেক্ষাই করছিল। অনুমতি পেয়ে গিয়ে এক মিনিটও দেরি করল না। ঘাটে নেমে এসে তাওয়াফ ভাইয়ের পাশে বসে পড়ে পানিতে পা ডুবিয়ে দিল। ওর পরনে এখনও শাড়ি। শাড়ি ভিজে যাচ্ছে দেখে তাওয়াফ সাবধান করে দিয়ে বলল,
-শাড়ি ভিজে যাচ্ছে তোর।
-ভিজুক। সমস্যা নেই।
পেখম পানিতে পা নাচিয়ে খেলা করছে। তাওয়াফ মুগ্ধ নয়নে মেয়েটাকে দেখে যাচ্ছে।
চলবে
বিঃদ্রঃ এডিট ছাড়া পর্ব। বানান ভুল, বাক্য উল্টাপাল্টা থাকতে পারে। কষ্ট করে পড়ে নিবেন। আর বিয়ে বাড়ির কাহিনি পড়তে আপনারা কি বিরক্ত হচ্ছেন? ভাবছেন এক বিয়ের কাহিনি দিয়ে ৪/৫ টা পর্ব লিখে ফেলেছে এখনও কেন বিয়ে শেষ হচ্ছে না। বিরক্ত হবেন না পাঠক। নায়ক নায়িকাকে কাছে আনতে হবে। ৫৮ পর্ব হয়ে গেছে আর কত দূরে থাকবে ওরা🙂