#তুমি_আসবে_বলে_বসন্ত_এসেছে '৬৯'
#জেরিন_আক্তার_নিপা
দৃষ্টির গলা শুনে পেখম চমকে উঠল। চোখজোড়া বড়ো হয়ে উঠল তার। কিন্তু তাওয়াফ তখনও নিজের কাজে ব্যস্ত। পেখমের সাড়া না পেয়ে অসন্তুষ্টিতে পেখমের কোমর ধরে আরেকটু কাছে টেনে নিল। তখনই পেখম কাজটা করল। এক ধাক্কা দিয়ে তাওয়াফকে দূরে সরিয়ে দিল। আকষ্মিক এ ঘটনায় তাওয়াফ হতভম্ব হয়ে পেখমের দিকে তাকিয়ে আছে। পেখম এরকম কিছু করবে তার ধারণারও বাইরে ছিল। এই মেয়ের সমস্যা কী? যখন কাছে এসেছে তখন বাধা দেয়নি এখন মাঝপথে ঠেলে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। তাওয়াফ রেগেমেগে কিছু বলতে যাবে তার আগেই দ্বিতীয় বার দৃষ্টির গলা শুনতে পেলো।
-এই শালি পেখমের বাচ্চা।
তাওয়াফ এবার বুঝল। হতাশার সাথে দীর্ঘশ্বাস ফেলল সে। দৃষ্টি এ ঘরেই আসছে বুঝতে পেরে পেখমের চেহারা রক্তশূণ্য হয়ে গেছে। এভাবে তাকে আর তাওয়াফ ভাইকে একসাথে দেখলে দৃষ্টি ঠিক বুঝে যাবে। এই ঘটনা নিয়ে সারাজীবন ক্ষেপাবে। তাই পেখম চায় না দৃষ্টি তাদের এভাবে দেখুক।
-তাওয়াফ ভাই আপনি লুকিয়ে পড়ুন।
পেখমের কথা শুনে তাওয়াফ চোখ ছোট ছোট করে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল,
-কী করব আমি?
-লুকাবেন।
চোখমুখে অবিশ্বাস নিয়ে তাওয়াফ বলল,
-আমি কেন লুকাবো?
এই লোক কি বুঝতে পারছে না? পেখম অধৈর্য হয়ে বলল,
-দৃষ্টি আসছে।
-আসুক।
-আসুক মানে! দৃষ্টি আমাদের এভাবে দেখে ফেললে,, পেখম বলতে লজ্জা পাচ্ছে। তাওয়াফ ওকে থামিয়ে দিয়ে বলল,
-এটা আমার ঘর। তুই আমার বউ। দৃষ্টি আমাদের একসাথে দেখলে সমস্যা কী?
কোন সমস্যা না। আবার অনেক সমস্যাও। দৃষ্টি তাওয়াফ ভাইকে কিছু না বললেও তাকে পচাবে। পেখম তাওয়াফের সামনে এসে অনুরোধ করে বলল,
-কথা শুনুন না প্লিজ। একটু সময়ের জন্য লুকিয়ে পড়ুন না।
-আমি লুকাতে পারব না।
দৃষ্টি চলে এসেছে বুঝতে পেরে পেখম ঠেলেঠুলে তাওয়াফকে ওয়াশরুমে ঢুকিয়ে দিল। দৃষ্টি দরজার সামনে থেকে বলল,
-এই শালি এই, কানের দুল পরতে এসে ঘুমিয়ে পড়েছিলি নাকি?
বলতে বলতে দৃষ্টি ভেতরে চলে এসেছে। পেখমের দিকে তাকিয়ে ওর কপাল কুঁচকে গেল।
-কানের দুল পরতে এসে শাড়ি খুলে ফেলেছিস কেন!
পেখম প্রচন্ড ঘাবড়ে যাওয়ার কারণে সত্য মিথ্যা কিছুই বলতে পারছে না। তারপরও কোনরকম তোতলিয়ে বলল,
-খুলিনি খুলে গেছে।
-খুলে যায় কীভাবে? আর তোর চেহারার এই হাল কেন? লিপস্টিক দেখি ঘেঁটে গেছে।
পেখম চোরের মত মুখ করে আছে দেখেই দৃষ্টির সন্দেহ লাগছে। সে পেখমকে আগাগোড়া ভালো করে দেখে নিয়ে সন্দিগ্ধ গলায় জিজ্ঞেস করল,
-তোর শাড়ি খুলে গেছে। মাথার চুল এলোমেলো। লিপস্টিক তো ঘেঁটেছিসই সেই সাথে ঠোঁটও লাল হয়ে আছে। সত্যি করে বল তো তুই রুমে কী করছিলি?
পেখম আড়চোখে একবার ওয়াশরুমের দিকে তাকাল। তোতলাতে তোতলাতে বলল,
-কেমন কথা বলছিস তুই? কী করব আমি?
-সেটা তো তুই জানিস কী করেছিস তুই।
-কিছুই করিনি আমি।
-তোকে দেখে তো মনে হচ্ছে না।
-লিপস্টিকের এই কালার পছন্দ হচ্ছিল না। তাই তুলে ফেলেছি। ডলে ডলে লিপস্টিক তোলার কারণেই হয়তো ঠোঁট লাল হয়ে গেছে।
তাকে ঠেলে ওয়াশরুমে পাঠিয়ে দেওয়ার জন্য রাগ হলেও এখন বেচারির অবস্থা অনুমান করে হাসি পাচ্ছে। সাজিয়ে গুছিয়ে মিথ্যাও বলতে পারছে না।
দৃষ্টি পেখমকে বকতে বকতেই দু'জন মিলে শাড়ির কুঁচি ঠিক করছে।
-সামান্য একটা শাড়ি সামলাতে পারিস না তুই আমার ভাইকে সামলাবি কী করে?
হায় আল্লাহ! এই মেয়ে না জেনেই কীসব বলে যাচ্ছে। তাওয়াফ ভাই নিশ্চয় শুনতে পাচ্ছে। পেখম দৃষ্টির মুখ চেপে ধরে বলল,
-একটা কথাও বলিস না।
দৃষ্টি মুখের উপর থেকে হাত সরিয়ে রাগী গলায় বলল,
-কেন বলব না? দুই দিন পর গেদাগেদির মা হয়ে যাবি অথচ এখনও শাড়ি পরা শিখিস নি।
-চুপ কর ফাজিল।
-চুপ কর, চুপ কর করিস না তো। এমনিতেই মাথা গরম হয়ে আছে। তোর জন্য এখনও কেউ হলুদ লাগায়নি।
রুম থেকে বেরিয়ে যাবার আগে পেখম পেছন ফিরে একবার ওয়াশরুমের দিকে দেখল। তারপর নিজেই দৃষ্টিকে টেনে নিয়ে যেতে লাগল। দৃষ্টি যেতে যেতে অনেক কথাই বলছে। কিন্তু ওসবের কিছুই পেখমের কানে ঢুকছে না। পেখম একটু আগের ঘটনা মনে করে লজ্জায় লাল হচ্ছে। সে আর ভুলেও আজকে তাওয়াফ ভাইয়ের সামনে যেতে পারবে না।
-তাওয়াফ ভাইয়ের মামাতো ভাইটা একটা ছাগল। তোকে খুঁজতে আসার সময় বেখেয়ালে ধাক্কা লেগেছে। ও মা এই ছেলে কী বলেছে জানিস? বলেছে আমি নাকি ইচ্ছে করে তার সাথে ধাক্কা খেয়েছি। সিনেমায় নাকি এমনই হয়। সে কি নিজেকে সিনেমার নায়ক মনে করছে? দেখতে তো ছাগলের মতো লাগে। তার আবার কত ভাব।
দৃষ্টি পেখমকে নিয়ে ফিরে আসা মাত্রই হলুদ মাখানো শুরু হয়ে গেছে। যে যাকে পারছে যেভাবে পারছে হলুদ মাখাচ্ছে। ইলহাম ভুলে গেছে এটা তার নিজের বিয়ে। বোনের বিয়েতে যতটুকু আনন্দ করত এখনও সেটাই করছে। স্টেজ থেকে উঠে এসে ধরে ধরে সব কয়টাকে হলুদ দিয়ে ভূত বানাচ্ছে। দাদী আর মায়ের রাগ গায়েই মাখছে না। পেখম দৃষ্টি একটাকেও আর চেনা যাচ্ছে না। সবশেষে ইলহাম নিজের হবু বউয়ের দিকে এগোল।
-তোমাকে হলুদ মাখাতে না পারলে আজকের হলুদ সন্ধ্যাই যে বৃথা যাবে সুন্দরী।
প্রিয়া চেঁচিয়ে উঠে এর ওর পেছনে লুকালেও কাজ হলো না। ছেলের পাগলামি দেখে মা-ও আর কিছু বলল না। নূর জাহান অসন্তোষ মুখে বললেন,
-কী বেলেহাজ ছেলে দেখেছ? নিজের বিয়েতে কেউ এরকম করে?
তাওয়াফের মা ইলহামের পক্ষ নিয়ে বলল,
-করুক না আম্মা। নিজের বিয়ের সাথে তো বোনের বিয়েও। ছেলেটা কি বোনের বিয়েতে আনন্দ ফূর্তি করত না?
তাওয়াফ যখন ছাদে এলো তখন সব কয়টার অবস্থা বেহাল। প্রথমে সে কাউকে চিনতেই পারল না। এমনকি নিজের বউকেও না। তাওয়াফ আশ্চর্য চোখে সবার অবস্থা দেখে যাচ্ছে এর মাঝেই ইলহাম তার দিকে এগিয়ে আসছে। হাতে এক খাবলা হলুদ। মুখে দুষ্টুমি হাসি।
-বড় ভাইয়া আপনি এতক্ষণ কোথায় ছিলেন?
তাওয়াফ চোখ গরম করে বলল,
-হবু বউয়ের সামনে লাথি খেতে না চাইলে ওখানেই দাঁড়িয়ে যা।
ইলহাম মুখ গোমড়া করে দাঁড়িয়ে গেল। পেখম মনে মনে আফসোস করছে। ইশ, তাওয়াফ ভাইয়ের সাথে এলে তাকেও কেউ হলুদ মাখাতে পারত না।
তাওয়াফের মামাতো ভাই দৃষ্টির ছবি তুলছে। দৃষ্টি এটা বুঝতে পারলে তেড়ে গিয়ে ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়ে বলল,
-কারো অনুমতি ছাড়া ছবি তোলা অসভ্যতা এটাও কেউ শেখায়নি?
ছেলেটা দৃষ্টির দিকে তাকিয়ে বাঁকা হেসে বলল,
-মানুষের ছবি তোলা অসভ্যতা হলেও ভূতের ছবি তোলা মনে হয় অসভ্যতার মাঝে পড়ে না।
দৃষ্টি চোখ গরম করে বলল,
-কে ভূত হ্যাঁ?
-আয়নায় নিজেকে দেখলেই বুঝতে পারবেন।
দৃষ্টি আঙুল তুলে ছেলেটাকে শাসিয়ে বলল,
-দেখুন।
ফুয়াদ দৃষ্টির আঙুল ধরে ফেলে কোমল গলায় বলল,
-দেখতেই তো চাই। শুধু আজকের জন্য না। সারাজীবনই দেখে যেতে চাই।
-দূর।
দৃষ্টি বিরক্ত হয়ে ঝাড়া দিয়ে আঙুল ছাড়িয়ে নিয়ে চলে গেল।
বক্সে ডিজে গান বাজছে। গানের তালে তালে ইলহাম নিজে তো নাচছেই সাথে অন্যদেরও টেনে নিয়ে যাচ্ছে। জাকিয়া ছেলের পাগলামি দেখে হতাশ গলায় বলল,
-একটা পাগল পেটে ধরেছিলাম আমি।
বড়রা এক এক করে নিচে চলে যাচ্ছে। পেখম এখানে আছে দেখে তাওয়াফ যাচ্ছে না। নাহলে সে-ও চলে যেত। ইলহাম তাওয়াফের সামনে এসে মুখ গোমড়া করে বলল,
-হলুদ মাখাতে দাও নি। এখন কি আমার সাথে একটু নাচবেও না?
-বিয়ে কার?
-আমার।
-তাহলে নাচবে কে?
-সবাই।
-উঁহু। তোর বিয়ে তুই নাচবি।
-দূর ভাই। তুমি দিনদিন রসকষহীন হয়ে যাচ্ছ। এরকম চলতে থাকলে তোমার সংসার টিকবে? মেয়েরা রোমান্টিক বর পছন্দ করে। তোমার মতো কাঠখোট্টা লোককে না।
তাওয়াফ আড়চোখে পেখমের দিকে তাকিয়ে ছোট্ট একটা দম ফেলে বিড়বিড় করে বলল,
-আমি কতটা রোমান্টিক সেটা প্রমাণ করার সুযোগটাই তো পাচ্ছি না। একবার বন্ধুর কল চলে আসে৷ আরেকবার ছোট বোন এসে হাজির হয়।
রাত বেশি হয়ে গেলে সবাই ছাদ থেকে চলে এসেছে। তাওয়াফ রুমে এসে দেখল দৃষ্টি ইতি তার বিছানায় শুয়ে আছে। তাকে দেখে দৃষ্টি বলল,
-আমাদের ওয়াশরুমে লাইন লেগে আছে। তাই আমরা তোমার ঘরে।
তাওয়াফ ছোট্ট করে বলল,
-হুম।
-পেখম ওয়াশরুমে। ডাকব ওকে?
-না।
তাওয়াফ আবার চলে গেল। রাতে আর সে পেখমের দেখা পেলো না। সবাই আকৃতির ঘরে শুয়েছে।
****
কনিকা বিয়ের দিন সকালে আসায় তাওয়াফ তার সাথে রাগ করে আছে।
-একটু বোঝার চেষ্টা কর তীব্র। আমার গাধা বরটার পেট খারাপ না হলে সত্যিই কাল আসতাম।
-কথা বলিস না তুই। চোখের সামনে থেকে যা।
-তুই মনে করছিস আমি মিথ্যা বলছি তাই না? দাঁড়া আমার বরকে ডেকে আনি। তুই ওকেই জিজ্ঞেস করে নে।
তাওয়াফ রাগী চোখে তাকালে কনিকা কান ধরে বলল,
-মাফ করে দে না।
তখন পেখমকে যেতে দেখে কনিকা ওকে ডেকে এনে বলল,
-তোমার বরটাকে বলো না আমাকে মাফ করে দিতে।
পেখম কনিকার হয়ে কিছু বলবে কিন্তু তাওয়াফ ভাইয়ের রাগী চোখের দিকে তাকিয়ে আর বলতে পারল না। ওদের ঝামেলা ওরা বুঝে নিবে। পেখম যে দরকারে এসেছিল সেটা বলল।
-তাওয়াফ ভাই আমরা এখন পার্লারে যাব। আপনি আমাদের দিয়ে আসতে পারবেন?
পার্লারে এসে সবাই গাড়ি থেকে নেমে গেলেও পেখম একটু দেরি করছে। নামবার আগে সে বলল,
-আমি কিন্তু আপনার পাঞ্জাবি বের করে রেখে এসেছি৷
পেখম নেমে যাচ্ছে সময় তাওয়াফ জিজ্ঞেস করল,
-আজকেও কি শাড়ি পরবি?
পেখম ফিরে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল,
-কেন?
-আজ কুঁচি খুলে গেলে কী করবি?
-আজ কুঁচি খুলবে না৷ কারণ আজকে আমি লেহেঙ্গা পরব।
দুই বউকে সাজিয়ে নিয়ে ওরা যখন কমিউনিটি হলে পৌঁছাল সর্বপ্রথমই পেখমের চোখ তাওয়াফের উপর গেল। একটা মেয়ের সাথে কত সুন্দর করে হেসে হেসে কথা বলছে। পেখমের চেহারার ভাব কঠিন হয়ে গেল। মেয়েটা কনিকা হলেও পেখমের হিংসা লাগত না৷ কিন্তু এখন লাগছে। মেয়েটা এত পাতলা শাড়ি পরেছে পেট পিঠ সবই দেখা যাচ্ছে। শয়তান মেয়ে হাসতে হাসতে আবার তাওয়াফ ভাইয়ের হাত ধরছে। কনিকা পেখমের পাশে দাঁড়িয়ে ওর দৃষ্টি অনুসরণ করে বলল,
-দেখেছ অবস্থা! পুরোনো বান্ধবীকে পেয়ে আমাকেও ভুলে গেছে।
পেখম ওদের থেকে চোখ না সরিয়েই জিজ্ঞেস করল,
-ওই মেয়ে তাওয়াফ ভাইয়ের বান্ধবী?
-ক্লোজ বান্ধবী।
ক্লোজ বান্ধবী! কতটুকু ক্লোজ? পেখমকে জ্বালিয়ে দিয়ে কনিকা আস্তে করে কেটে পড়ল। তাওয়াফ ব্যাটা আজ মজা বুঝবে। তাওয়াফ পেখমকে দেখে ওর দিকে আসতে লাগলে পেখম এই জায়গা থেকে সরে গেল। পেখমের এরূপ আচরণের অর্থ তাওয়াফও বুঝল না। পুরো বিয়েতে পেখম তাওয়াফকে কাছে ঘেঁষতে দেয়নি। তাওয়াফ তার কাছে আসতে চাইলেই সে ভিড়ের মধ্যে চলে যাচ্ছে। তাওয়াফ আশ্চর্য হয়ে ভাবছে, এই মেয়ে কি পাগল হয়ে গেছে?
তাওয়াফ পেখমের ফোনে মেসেজ করল,
-সমস্যা কী তোর?
পেখম মেসেজ সিন করলেও রিপ্লাই দিল না। বিড়বিড় করে বলল,
-সমস্যা আমার না, সমস্যা তো আপনার। বউ থাকতেও ক্লোজ ফ্রেন্ডের সাথে এত কিসের হাসাহাসি হ্যাঁ?
তাওয়াফ পেখমের দিকে তাকিয়েই আবার মেসেজ করল,
-তুই আমার থেকে পালাচ্ছিস কেন?
পেখম তাওয়াফের দিকে তাকিয়ে মুখ মোচড় দিয়ে রিপ্লাই করল,
-মন চেয়েছে তাই।
তাওয়াফ মৃদু হেসে ঠোঁট কামড়ে কিছু টাইপ করে ফোন পকেটে রেখে দিল। পেখমের রাগ হলো। কথার মাঝপথে এই লোক ফোন পকেটে রেখে দিয়েছে কেন? তখনই মেসেজের টুং শব্দ হলে পেখম তাড়াতাড়ি করে সিন করল। তাওয়াফ উত্তর দিয়েছে।
-ঠিক আছে। একবার যখন তোকে কাছে পাব তখন আমার মন যা চাইবে আমিই তা-ই করব। গতকাল যে কাজ মাঝপথে অসম্পূর্ণ ছেড়ে দিয়েছিলাম সেই কাজটাও সম্পূর্ণ করব।
মেসেজের পাশে একটা লাল ঠোঁটের ইমোজি।
পেখম হতভম্ব হয়ে ফোনের স্ক্রিনে তাকিয়ে রইল। এই লোক এত অসভ্য!
চলবে
এডিট ছাড়া পর্ব। ভুল-টুল সহই পড়ে নিন। সময় পেলে কমেন্ট করিয়েন🙂