ফন্ট সাইজ:
থিম:
প্রণয়ভেলা

২য় পর্ব

লেখক: সুরাইয়া রাফা

পারিবারিক বাঁধনহীন জীবনের এই নিঃসঙ্গতা স্বার্থপর বানিয়েছে অরুকে। বানিয়েছে কাঁদা মাটির মতো নরম তুলতুলে দেহের আস্তরের মধ্যে বেড়ে ওঠা এক শক্ত হৃদয়ের আত্মবিশ্বাসী তরুণী।

ভেতরে জমাট বাঁধা এতো কঠোরতা আর স্বার্থপরতার প্রাচীর ডিঙিয়ে পুরো দুনিয়া জুড়ে অরুর ও এক নিশ্চিহ্ন দুর্বলতা রয়েছে। রয়েছে ভীষন পছন্দের এক স্বপ্ন মানব।

মানুষটা নিশি রাতের শুক তাঁরার মতোই অরুর ধরা ছোঁয়ার বাইরে। সা-ধ্যের বাইরে তার দর্শন, আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতোই অদূরে তার নির্ভীক অবস্থান। পৃথিবীর সবার নিকট সে ওই দূর আকা-শের নক্ষত্র হলেও অরুর নিকট মানুষ টা ওর কল্প পুরুষ, ওর স্বপ্নের রা-জ্যে সবর্দা নিজ কতৃত্বে দাপিয়ে বেড়ানো রাজকুমার। ওর মন মস্তিষ্কের একমাত্র দখলদার, সুপারস্টার জায়ান ক্রীতিক ওরফে জে.কে।

জায়ান ক্রীতিকের জন্য অরুর একটু আধটু পাগলামি বোকামি বন্ধু মহ-লের কারোরই অজানা নয়। ওরা এভাবেই মেনে নিয়েছে কল্পনা বিলাসী মেয়ে অরুকে। কারণ সকলেই মনে করে এসব অরুর ছেলে মানুষী মাত্র , সময়ের পরিক্রমায় সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে আবার। তাছাড়া অরুর মতো এমন হাজারো ভক্তকুল রয়েছে জায়ান ক্রীতিকের ঝুলিতে। অরুর দু'একটা পাগলামি এ আর এমন কি?

বন্ধু মহলের একদল যখন সুপারস্টার জে.কে এর জন্য অরুর করা হুট-হাট ছেলেমানুষী গুলো অতি আস্কারায় অনায়াসে মেনে নেয়। অন্যরা তখন পাশ কাটিয়ে যেতে যেতে মুখ ভেঙিয়ে পিঞ্চ মে'রে বলে,

শোবিজ জগতের চাকচিক্যে ঘেরা মানুষ গুলো কেবল পর্দাতেই মানায়, সামনাসামনি তাদের ব্যক্তিত্ব আচার-আচরণ সবকিছুই ভিন্ন। পর্দায় যা দেখায় সেসব কেবলই তাদের অভিনয়। জনপ্রিয়তা ধরে রাখার সুক্ষ্ম কায়দা মাত্র। আর তাকে এ জীবনে চোখে দেখতে পাওয়া? সে তো জীবনের আরেক দুঃসাধ্য সাধন।

তবে কোনো কালেই এসব কটু কথায় কান দেয় না অরু, আর নাতো অবাক হয় কোনোদিন। কারণ তিক্ত হলেও কথাগুলো দিবালোকের মতোই চরম সত্যি। এই সত্যি কথাগুলো কিছুতেই অরুর উচাটন মন মা-নতে নারাজ।

নীড় হারা নিঃসঙ্গ মেয়েটা সেই কিশোরী বয়স থেকে মোবাইল স্ক্রিনে দেখে দেখে ওই একজনের প্রতি ভীষণ আসক্ত। দিনে দিনে সেই আস-ক্তি কমে যাওয়া তো দূরে থাক বরং হৃদয় ছাপিয়ে এখন তা মস্তিষ্কে জেঁকে বসেছে দিগুণ তালে।

মেয়েটা ছিল কল্পনা বিলাসী। বড় বড় বিলবোর্ডে যখন ক্রীতিকের পো-স্টার দেখানো হতো কিংবা যখন গিটার বাজিয়ে গলা ছেড়ে সুরের ঝঙ্কার তুলে পুরো স্টেজ কাঁপিয়ে দিতো মানুষটা, ঠিক তখন মানচিত্রের উল্টো দিকে বসে মোবাইল স্ক্রিনে সেই দৃশ্য দেখে পুলকিত হতো অষ্টাদশীর কোমল হৃদয়।

দিশেহারা তরুণী মনটা কিছুতেই মানতে চাইতো না যে সে দূরের মানব। পৃথিবীটা গোলাকার হলেও অলিক আকাশের উজ্জল নক্ষত্রের মতোই ধরা ছোঁয়ার বাইরে তার অবস্থান।

সবে সবে ভালোলাগার অনুভূতি বুঝতে পারা কঁচি মনটা মানতে চাইতো না বাস্তবতা। বারবার মনে হতো ভৌগোলিক দূরত্ব মেটালেই বোধ হয় দেখা পাওয়া যাবে তার, ইচ্ছে হলেই হাত বাড়িয়ে ছুয়ে দেওয়া যাবে তার গৌড় বর্ণের তীক্ষ্ণ পুরুষালী চিবুক খানা।

সময় পাল্টে গিয়েছে। অষ্টাদশী এখন একুশের দোরগোড়ায়। তাও শুধু মাত্র নিজের কল্প পুরুষকে জীবনে একবার অন্তত চোখের সামনে দে-খার অদম্য ইচ্ছেকে প্রাধান্য দিয়ে দেশের ওই পরিচিত সোঁদা মাটির গন্ধকে পায়ে ঠেলে এই দূর দেশে এসে ঠায় জমিয়েছে অরোরা শেখ। কিন্তু বাস্তবতা যে বড়'ই কঠিন, জায়ান ক্রীতিকের মতো গ্লোবাল সুপার-স্টারের দেখা পাওয়া কি এতো'ই সহজ?

অরু যতই কল্পনা বিলাসী হোক না কেন, যতই বক্ষগহ্বরে ক্রীতিককে দে-খতে পাওয়ার প্রবল ইচ্ছেটা কুন্ডলী পাকিয়ে চড়াও হতে থাকুক না কেন, মহাযজ্ঞের পৃথিবীতে কঠিন বাস্তবতা ওকে বারবার ঠেলে দিয়েছে বিষন্ন-তার অতল গহ্বরে। চোখের মাঝে আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে পৃথিবীটা এতো সহজ নয়, বাস্তবতা বড়ই নিঠুর। যার ফলস্বরূপ ক্রীতিককে দেখতে পাওয়ার অদম্য বাসনাটুকু হৃদয়ের এক সাইডে সরিয়ে রেখে পড়াশো-নায় মনোনিবেশ করেছে অরু, এইতো কিছু মাস আগেই সানফ্রান্সিসকো বিশ্ববিদ্যালয়ে ফাইন আর্টস ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হয়েছে ও।

এতো সহজ নয়, বাস্তবতা বড়হ নিঠুর। যার ফলস্বরূপ তিককে দেখতে

পাওয়ার অদম্য বাসনাটুকু হৃদয়ের ক সাইডে সরিয়ে রেখে পড়াশো-

নায় মনোনিবেশ করেছে অরু, এইতো কিছু মাস আগেই সানফ্রান্সিসকো

বিশ্ববিদ্যালয়ে ফাইন আর্টস ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হয়েছে ও।

বিদেশের বাড়িতে এপার্টমেন্টের ভাড়া মিটিয়ে সর্বশান্ত হওয়ার চেয়ে ডরমিটরিতে থাকা ঢের ভালো। ওই জন্য'ই সব চিন্তা বাদ দিয়ে ভর্তির পরপরই ডরমিরটরিতে ওঠা। অরুর এতোসব বিষন্নতার মাঝেও ভাগ্য করে রুমমেট পেয়েছে দু'জন, অনন্যা আর নীলিমা। দু'জনই তারা আদ্য-পান্ত সরষে ইলিশের ঝাঁঝে জিভে জল আনা সম্ভ্রান্ত বাঙালি কন্যা। ওরা আছে বলেই হয়তো পাশ্চাত্যের বিস্তৃত ভিনদেশী সত্তার আড়ালে এখনো পুরোপুরি বিলীন হয়ে যেতে পারেনি নিঃসঙ্গ হৃদয়ের চঞ্চলা বিষাদিনী।

নেমে আয় অরু, এসে গিয়েছি আমরা।

নিশোর ডাকে ভাবনার সুতো ছিঁড়লো অরুর। তৎক্ষনাৎ গাড়ি থেকে নেমে ভাড়া মিটিয়ে ওরা এগিয়ে গেলো আর্ট গ্যালারীর দিকে।

বিভিন্ন দেশের নামি দামি চিত্র কর্মের প্রদর্শনী হচ্ছে ভেতরে। অরু সব-গুলো চিত্রকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পরখ করছে, সেই সাথে প্রদর্শনীর পাশে ছোট্ট করে দেওয়া প্রয়োজনী ইনফরমেশন গুলো স্বহস্তে টুকে নিচ্ছে নিজ ডায়েরিতে।

আর্ট গ্যালারিতে উপস্থিত আছেন এমন দু'একজন সিনিয়র আর্টিস্টদের সঙ্গে তাদের চিত্রকর্ম নিয়ে ওপাশে দাঁড়িয়ে টুকটাক আলোচনা করায় ব্যস্ত নিশো।

পুরো গ্যালারি ভর্তি অদ্ভুত রসহ্যময়ী সব আর্ট। যেন একেক টা চিত্রের মধ্যে লুকিয়ে আছে হাজারো অজানা গল্পের এক বিস্তৃত গোলোক ধাঁধা। চিত্রগুলো দেখতে দেখতে একপর্যায়ে অরু এসে দাঁড়ায় ঐতিহাসিক সেই মোনালিসা চিত্রটির সামনে। লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চির আঁকা পৃথিবী বি-খ্যাত এই রহস্যময়ী

চিত্রটার সামনে এসে দু'পা থমকে গেলো অরুর। সুন্দরী মোনালিসার অপার্থিব হাসির মাঝে বন্দি হলো অক্ষিজুগল। কি যেন ভাবতে ভাবতে সেভাবেই নিষ্প্রভ চোখে মোনালিসার বিষাদ মাখা হাসির দিকে তাকিয়ে রইলো মেয়েটা। যেন মনে হলো এই কষ্ট জড়ানো ভয়ংকর সুন্দর হাসি টা মোনালিসার নয় স্বয়ং ওর নিজের।

* তবে তার কিছুক্ষন বাদেই খুব কাছে একটা স্নিগ্ধ স্যান্ডাল উড পারফি-উমের মাতাল করা সুবাস নাক চিড়ে ভেতরে প্রবেশ করে ওর। পুরুষালী সেই সুঘ্রাণে ধ্যান ভেঙে যায় অরুর। ভাবনা থেকে বেরিয়ে এলে আশে-পাশে চোখ বুলিয়ে সুঘ্রাণের উৎস খুঁজতে গিয়ে নিজ মাথার কয়েক বি-ঘাত উপরে চোখে তুলতেই নজরে এলো বলিষ্ঠ পুরুষালী দুটো হাত, এক হাতে এটে আছে তার jk খচিত একটা সিলভার রঙের ব্রেসলেট। তাতে খুব একটা নজর দিতে পারলো না অরু, কারণ লোকটা এই মুহুর্তে অরুর

উমের মাতাল করা সুবাস নাক চিে ভতরে প্রবেশ করে ওর। পুরুষালী সেই সুঘ্রাণে ধ্যান ভেঙে যায় অরুর। ভাবনা থেকে বেরিয়ে এলে আশে-পাশে চোখ বুলিয়ে সুঘ্রাণের উৎস খুঁজতে গিয়ে নিজ মাথার কয়েক বি-ঘাত উপরে চোখে তুলতেই নজরে এলো বলিষ্ঠ পুরুষালী দুটো হাত, এক হাতে এটে আছে তার jk খচিত একটা সিলভার রঙের ব্রেসলেট। তাতে খুব একটা নজর দিতে পারলো না অরু, কারণ লোকটা এই মূহুর্তে অরুর মাথার উপর দিয়ে হাত বাড়িয়ে মুঠোফোনে মোনালিসার ছবি ধারণ করায় ব্যস্ত। ও অনেক্ষন ধরে এখানে জায়গা আটকে দাঁড়িয়ে আছে, তাই হয়তো উনি এমনটা করছেন। পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে তাড়া-হুড়ো সাইডে সরে গেলো অরু। অরু সরে যেতেই সুঠাম দেহী লোকটা দু'কদম সামনে এগিয়ে এসে অরুকে উদ্দেশ্য করে গমগমে হাস্কি আও-য়াজে বলে ওঠে,

থ্যাংক ইউ।

কন্ঠস্বর টা পরিচিত লাগলো অরুর কানে। তাই এবার ঘাড় ঘুরিয়ে পরখ করলো লোকটাকে। গ্রে টিশার্টের উপর সফেদ রঙা হুডি পরিহিত লোক-টার মুখ আবৃত কালো মাস্কের আড়ালে, মাথাতেও এটে আছে কালো রঙা বাকেট হ্যাট। এই লোককে কোনোদিন দেখেনি অরু তাও কেন যেন ভীষণ পরিচিত ঠেকছে ওর নিকট, কি অদ্ভুত অনুভূতি।

কিরে তোর হলো? আমার ইন্টারভিউ নেওয়া কম্পিলিট, চল এবার যাওয়া যাক।

ওপাশ থেকে নিশোর কন্ঠস্বর শোনা মাত্র লোকটার দিক থেকে চোখ সরিয়ে পেছনে ঘুরলো অরু। হ্যা সূচক মাথা নাড়িয়ে নিশোকে আস্বস্ত করে বললো,

-হ্যা আরেকটু, এই যে আর মাত্র কয়েকটা চিত্র বাকি।

কথা শেষ করে পুনরায় সামনে তাকালে অপরিচিত সেই মনমাতানো সু-ঘ্রাণটা আর টের পায় না অরু, আর নাতো খুঁজে পায় বাকেট হ্যাট পরি-হিত সেই সৌবিষ্ঠ যুবক কে।

লোকটাকে আর দেখতে না পেয়ে সহসা নিজের কাজে মন দেয় অরু। তবে মোনালিসার চিত্র ছাড়িয়ে সামনের দিকে এগোতেই ঘটলো আরেক বিপত্তি।

ভবঘুরে হয়ে হাঁটতে গিয়ে পায়ের কাছে আটকালো মেটালিক কোনো এক বস্তু, জিনিসটা কি তা বোঝার জন্য অরু দায়সারা মাথা নোয়ালে দে-খতে পায় একটু আগের সেই অপরিচিত লোকটার jk খচিত সিলভার রঙের ব্রেসলেট টা পরে আছে মেঝেতে। এভাবে পরে থাকতে দেখে ঝটপট জিনিসটা হাতে তুলে নেয় অরু। অতঃপর এদিক ওদিক তাকিয়ে হাজারটা মানুষের ভিরে খুঁজতে থাকে সেই মাস্ক পরিহিত ব্রেসলেটের মালিক কে।

---- কি হলো চল?

অরুকে হঠাৎ উদ্বিগ্ন হয়ে পরতে দেখে দ্বিতীয়বার গলা ছেড়ে ডাকলো নিশো। প্রদশর্নীতে এখন অনেক মানুষের ভিড়। এতো মানুষের মাঝে লোকটাকে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। তবুও শেষ চেষ্টা করে দেখা'ই যায়, সেই ভেবে নিশোর ডাকে পিছনে না তাকিয়েই ভিড়ের মাঝে হারিয়ে যেতে যেতে অরু বলে,

--- তুই একটু দাঁড়া, আমি এক মিনিটে আসছি।

ভিড়বাট্টা ঠেলে লোকটাকে অনুসরণ করতে করতে অবশেষে আর্ট গ্যা-লারির শেষ প্রান্তে এসে হাফ ছাড়ে অরু। মাত্রই গ্যালারি থেকে বেরিয়ে পার্কিং এর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে লোকটা। দ্রুত কদমে তার পিছু নিয়ে পেছন থেকেই হাঁক ছেড়ে ডাকলো অরু,

শুনছেন, এই যে হ্যালো, আরে আপনার ব্রেসলেট টা,

লোকটা অরুর ডাকাডাকি সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেই গাড়ি সমেত বেড়িয়ে গেলো গেইট থেকে।

আশ্চর্য একটাবার ঘুরে তাকালে কি হতো?

হাঁপাতে হাঁপাতে আপসোসের সুরে বিড়বিড়ায় অরু।

ওদিকে এতোক্ষণ পরে কোত্থেকে যেন ছুটে এলো নিশো। ডানে-বামে চোখ ঘুরিয়ে অরুকে দেখা মাত্রই সামনের দিকে এগিয়ে এসে বললো,

আরেহ, কোথায় হারিয়ে গিয়েছিলি? তোকে খুঁজতে গিয়ে পুরো গ্যা-লারি রাউন্ড দিয়ে এলাম আমি।

নিশোর কথায় ধ্যান নেই অরুর, হাতের jk খচিত ব্রেসলেট টার দিকে অকপটে তাকিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে যেতে শান্ত গলায় অরু বলে,

---- চল ফিরে যাই।

মেয়েটাকে উদাসীন লাগছে, তাই নিশো ও আর কথা বাড়ায় না। পায়ে পায়ে এগিয়ে যায় মেইন রোডের দিকে।

নিশোর কথায় ধ্যান নেই অরুর, হাতের jk খচিত ব্রেসলেট টার দিকে অকপটে তাকিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে যেতে শান্ত গলায় অরু বলে,

চল ফিরে যাই।

মেয়েটাকে উদাসীন লাগছে, তাই নিশো ও আর কথা বাড়ায় না। পায়ে পায়ে এগিয়ে যায় মেইন রোডের দিকে।

সকাল সকাল ক্লাস টিউশন সব শেষ করে আজ সন্ধ্যা নাগাদ বাড়িতে ফিরেছে অনন্যা। সপ্তাহের অন্যান্য দিনগুলোতে ডরমিটরিতেই বসবাস তার। তবে উইকএন্ডের দিনগুলো নিয়ে কড়া হুকুম রয়েছে মায়ের,

সারা সপ্তাহ যেখানেই পরে থাকোনা কেন, কিন্তু উইকএন্ডের দিনে বাড়িতে থাকা চাই। চাই মানে চাই।

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ২য় পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন