ফন্ট সাইজ:
থিম:
হৃদয়ে তাহার আগমন

৩য় পর্ব

লেখক: নাবিলা সৈয়দ

ডিভোর্স কার্যালয়ে ওয়েটিং এরিয়ায় নুসরাতকে বসিয়ে রাখা হয়েছে, সাথে তাকে প্রিন্সেস ট্রিটমেন্ট দেওয়ার চেষ্টায় রপ্ত সেখানে উপস্থিত সবাই। নুসরাত একটা লোককে ডাক দিল। লোকটা ডিভোর্স লয়ারের পার্সোনাল এসিস্ট্যান্ট। হাতের গ্লাসে চুমুক দিয়ে কঠিন কন্ঠে শুধাল, 'আর কত ঘণ্টা ধরে এখানে অপেক্ষা করতে হবে, গত আধ মিনিট যাবত আমি এখানে বসে!'

লোকটা আকাশ থেকে পড়ার মতো ভান করল। বলে ওঠল, 'আমার স্যারের সাথে দেখা করতে হলে কমপক্ষে পাঁচ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়, তারপর স্যারের দেখা মিলে।'

নুসরাত কপালের মধ্যিখানে সামান্য ভাঁজ ফেলল। ঠোঁট মুখ কুঁচকে জানতে চাইল, 'কেন, আপনার স্যার কী পটি করতে ব্যস্ত যে এত সময় লাগবে? অনেক সময় আমার পটি আটকে গেলে এমন সময় লাগে, উনাকে বলবেন সাবুসিটার ইউজ করতে, তাহলে আর পটি আটকাবে না।'

লোকটা জিভে কামড় দিল। হা করে ঢোক গিলল। মনে মনে ভাবল, কী বেফাস মেয়ে! এই বয়সে এত কথা কেমনে বলে। নুসরাতের কথার ঘোর বিরোধীতা করে দু'পাশে মাথা নাড়াল লোকটা। হায় হায় করে উঠে বলল, 'তা কেন হবে? আমার স্যারের তো একটা প্রেস্টিজ আছে।'

নুসরাত এক মুহূর্ত বিলম্ব করল না। লোকটার পরবর্তী কথার প্রতিত্তোরে বলে, 'আপনার স্যারের প্রেস্টিজ আমার জুতার সমান ও না। যান গিয়ে বলুন সৈয়দা নুসরাত নাছির এসেছে দু-মিনিট যাবত। এতক্ষণ আমাকে অপেক্ষা রত বসিয়ে রাখা কী রকম আদবি কাজ, গিয়ে একটু জিজ্ঞাসা করুন!'

লোকটা তড়িঘড়ি করে এসে স্যারের কেবিনের ভেতর ঢুকল। নক বিহীন রুমের ভেতর প্রবেশ করতেই স্যারের ফিসফিস করে কথা বলার শব্দ তার কানে পৌঁছাল। স্যার বলছেন, 'নাছির, তোমার টনেডো নামক দ্বিতীয় মেয়ে এখন এসেছে আমার অফিসে, তাড়াতাড়ি এসে ওকে নিয়ে যাও।'

কথা শেষ হতে পারল না, ধুম করে দরজা খুলে গেল। কক্ষে এসে উপস্থিত হয়েছে স্বয়ং নুসরাত নাছির। সে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে ভাব নিতে যাবে, মনে পড়ল আরশ কীভাবে তাকে থাপ্পড় মেরেছে! তাই ভাব নেওয়ার চিন্তা বাদ দিয়ে সামনে তাকাল। কিৎকাল ভয়ে কেঁপে উঠা দু-জনকে চোখ দিয়ে পরিক্রমা করে নিল। তারপর চেয়ার টেনে পায়ের উপর পা তুলে বসল সে। লয়ার ও ততক্ষণে ফোন কেটে এসে বসেছেন সামনের চেয়ারে। মনে মনে শঙ্কায় তার বুক কাঁপল। কখন, কোন সময় কী বলে বসে এই মেয়ে তার কোনো ঠিক নেই। নাছির ঠিক সময় এসে এই মেয়েকে নিয়ে গেলেই শান্তি।

নুসরাত পায়ের উপর পা তুলে বসে হলো না। সে পা দুটো আড়াআড়ি ভাঁজ করে সামনের সেন্টার টেবিলে তুলে আরাম করে বসল। এবার মনে একটু শান্তি আসলো, লয়ারের মুখের নিকট পা তুলে বসতে পেরে। তারপর বলল, 'ডিভোর্স পেপার রেডি করেন, উকিল।'

ভদ্র লোকের কাছে মনে হলো, এই মেয়ে তাকে বলছে না, আদেশ করছে ডিভোর্স পেপার রেডি করার জন্য। তিনি পেপার রেডি করার আগে বিস্তারিত জানতে চাইলেন। নুসরাত ভদ্র মেয়ের মতো ডিভোর্স উকিলকে একে একে সব বলে চলল। ডিভোর্স বিশেষজ্ঞ উকিল চুপচাপ শোনলেন মেয়েটার কথা। কথা বলার ধরণে বোঝা গেল, এই মেয়ে এখনো একটা বাচ্চা। কন্ঠে বাচ্চা বাচ্চা ভাব থাকলেও, বড় মানুষের মতো আচার ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। যখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন, 'আপনি কেন ডিভোর্স দিতে চান আপনার স্বামীকে?' তখন মেয়েটা টানটান চোখে চেয়ে, তীব্র ঘৃণার সহিত বলে ওঠল, 'ওই ব্যাটার মধ্যে একটা ছোকছোক স্বভাব আছে। মেয়ে মানুষ দেখলেই তা বেড়ে যায়। আমার বিছানায় সায়িত দাদা ওই লোকের সাথে আমার বিয়ে দিয়েছিলেন, কিন্তু ওই লুচ্চা, ব দ মা স, আমাকে একটা মেয়ের ছবি দেখিয়ে বলে, "এই দেখ, তোর ভাবি।” আমার প্রশ্ন, তাহলে আমি কে! কুত্তার বাচ্চার সাথে আর কোনো সংসার না! ওর সংসারে আমি লাথি মারব। সংসার শুরুর আগে শেষ করে দিল রা/ম/ছা/গ/ল/টা।'

ডিভোর্সের উকিল গালি শুনে ভেতরে ভেতরে হাসিতে ফেটে পড়লেন। তারপর কোনোরকম গম্ভীরমুখে শুধালেন, 'আপনাদের বিয়ের কতদিন?'

নুসরাতের হাতের ঘড়িতে চোখ বুলিয়ে উত্তর দেয়, 'চব্বিশ ঘণ্টা, বিশ মিনিট, আঠারো সেকেন্ড। মাত্র ঊনিশ সেকেন্ড হলো।'

উকিল হেসে ফেললেন। বালিকার পানে চেয়ে বললেন, 'তাহলে ডিভোর্স দেওয়া সম্ভব না। ডিভোর্স নিতে হলে কমপক্ষে ছয় মাস প্রয়োজন।'

নুসরাত চিরচির কন্ঠে, অত্যন্ত জেদ নিয়ে বলল, 'আপনি আমাকে বলদ পেয়েছেন? আমার বয়স কম বলে পট্টি পড়িয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দিবেন ভাবছেন? সেরকম ভাবলে, আপনি ভুল! এরকম কিছু হবে না, আজ আমি ডিভোর্স নিয়ে এখান থেকে বের হবো। তার আগে না!'

'সেরকম কিছু না, বাচ্চা! আমি কেন আপনাকে পট্টি পড়িয়ে বাড়ি পাঠাব?'

নুসরাত রাগী চোখে তাকাল। খ্যাক করে ওঠে জিজ্ঞেস করল, 'কাকে বাচ্চা বলছেন? হুয়াই আর ইউ কলিং মি আ কিড! নাও, আ'ম টেন ইয়ার অলড।'

ডিভোর্সের লয়ার না চাইতেও উচ্চ শব্দে হেসে ওঠলেন। নুসরাতের সামনের দিকে বেবি কাট হেয়ার গুলো হাত দিয়ে অগোছালো করে দিলেন। অতঃপর বোঝানোর স্বরে বললেন, 'আপনাদের রেজিস্ট্রি এখনো হয়নি, তাহলে আমি কীভাবে ডিভোর্সের নোটিশ দিব আপনার স্বামী এবং পরিবারকে?'

লোকটার প্রশ্নে নুসরাতকে ভাবাল। তাই তর্জনী আঙুল মুখে দিয়ে ভাবল, ঠিক তো। অতঃপর বইয়ে লিখা বাল্য বিবাহের কথা মনে হতেই চট করে বলে ওঠল, 'আপনার যত টাকা চাই আমি দিব, এক কাজ করুন, আমার পুরো পরিবারের নামে বাল্যবিবাহের কেস ঠুকে দিন।'

লোকটার মুখ এক মুহূর্তে চুপসে গেল। এটা কী! নাছিরের এই মেয়ে কী ধাতুর তৈরি, তা ঠিক বুঝে উঠতে পারলেন না তিনি। তাই মনে মনে দোয়া করলেন, তাড়াতাড়ি মেয়ের বাপ এসে যেন তাকে নিয়ে চলে যায়। আপদ বিদেয় হলেই বাঁচেন। সামান্য হেসে আবারো বেবি কাট দেওয়া চুলগুলো অগোছালো করে দিতে যাবেন, নুসরাত থামিয়ে দিল। চ্যাত করে উঠে জানতে চাইল, 'সমস্যা কী আপনার? এমন আমার মাথায় হাত দিয়ে চুল এলোমেলো করছেন কেন? এখন যদি আমি আপনার চুল এলোমেলো করে দেই, আপনার কাছে কেমন লাগবে? নিশ্চয়ই ভালো লাগবে না। তাই ভদ্র ছেলের মতো নিজের কাজ করুন।'

লয়ার নিজের বাড়ানো হাত গুটিয়ে নিলেন। অপমানে থমথমে হয়ে যাওয়া মুখ নিয়ে বসে রইলেন চুপচাপ। হাতের কাছে থাকা ফাইলটা শুধু নাড়াচাড়া করলেন। ফাইল দেখার ভান করে আড় চোখে দেখলেন মেয়েটাকে। নুসরাত লোকটার চোখের দিকে তাকিয়ে সরাসরি বলে ওঠল, 'এমন লুকিয়ে না তাকিয়ে সরাসরি আমার দিকে তাকালেই পারেন, আমি কিছু মনে করব না।'

এর মধ্যে দৌড়ে এসে অফিসে প্রবেশ করলেন নাছির সাহেব। হুরমুরিয়ে এসে নুসরাতকে জড়িয়ে ধরতে যাবেন, নুসরাত আগেভাগে শুধাল, 'আপনার ওই ভাইয়ের ছেলেকে এখানে নিয়ে এসেছেন?'

নাছির সাহেব দু-পাশে মাথা নাড়ালেন। শব্দ করে শ্বাস ফেলে কিছুটা হাপানি নিয়ে বললেন, 'না, আমি একাই এসেছি।'

নুসরাত দু-হাত দু-দিকে মেলে নাছির সাহেবের পেট জড়িয়ে ধরতে ধরতে হাস্যত্মক কন্ঠে বলে ওঠে, 'তাড়াতাড়ি আসো আব্বা, এই কথায় একটা জড়াজড়ি হয়ে যাক।'

দু-জন দু-জনকে জড়িয়ে ধরে দুঃখ প্রকাশ করল অনেক সময়। নুসরাত অভিমানী সুরে আরশের নামে অভিযোগের খাতা খুলে বসল। বলল, 'আব্বা, আমি কী করেছি? সামান্য একটু পার্কে গিয়েছে, এতেই আপনার ভাইয়ের ছেলে আমাকে থাপ্পড় মেরেছে। এই যে দেখুন, আমার দাঁত পর্যন্ত নাড়িয়ে দিয়ে কোথায় উড়াইয়া ফেলে দিয়েছে।'

নুসরাত নাক টেনে কেঁদে উঠল। চোখে পানির লেশমাত্র নেই। সে তারপরও বাবার শার্টে চোখ মুছল। নাছির সাহেব মেয়েকে সান্ত্বনা দিয়ে বললেন, 'আমি এর বিচার করব।'

নুসরাত জড়িয়ে ধরা অবস্থায় চোখ তুলে উপরে তাকাল। প্রশ্নাতীত কন্ঠে জিজ্ঞেস করল, 'কী শাস্তি দিবেন?'

নাছির সাহেব নুসরাতের উপর দায়বার দিয়ে দিলেন। কোমল কন্ঠে বললেন, 'তুমি যা বলবে।' নুসরাত তর্জনী আঙুল ঠোঁটের উপর রেখে কিছুক্ষণ ভাবল। তারপর উচ্ছ্বাস মিশ্রিত গলায় চ্যাঁচিয়ে উঠে বলে, 'পেয়েছি, পেয়েছি! আরশ ভাইকে কান ধরে উঠবস করাবে একশত বার, না না, এক হাজার বার। তারপর কচ্ছপ বানিয়ে এক ঘণ্টা দাঁড় করিয়ে রাখবে।'

নাছির সাহেব শুধু হ্যাঁতে হ্যাঁ মিলালেন। কোনো রকম বুঝিয়ে সুঝিয়ে বাড়ি পর্যন্ত নিতে পারলেই হয়। এখন যদি কোনো কথার বিপরীতে যান, তাহলে আবার রাগ করে ফেলবে। তারপর দেখা যাবে, আজ আর বাড়ি যাবে না, এখানেই থাকবে বলে জেদ ধরে বসেছে। নাছির সাহেব কথায় ফুসলিয়ে ডিভোর্স অফিসের কার্যালয় থেকে বের করে নিয়ে আসলেন মেয়েকে। নুসরাত উকিলকে ভৎসনা করতে করতে নাছির সাহেবকে ফিসফিসিয়ে নিন্দা করে বলল, 'এই লোককে দেখছেন আব্বা, নির্ঘাত আপনার বাপের কাছ থেকে টাকা খেয়েছে। এসব ঘুষখোরদের আমি দু-চোখে দেখতে পারি না। এই ব্যাটা আপনার বন্ধু না?'

নাছির সাহেব নুসরাতকে গাড়িতে বসিয়ে সিটবেল্ট পরিয়ে দিতে দিতে মৃদু সুরে বলেন, 'হু!'

নুসরাত প্রশস্ত কন্ঠে চ্যাঁচিয়ে চ্যাঁচিয়ে ডিভোর্স লয়ারের শোনার মতো বলল, 'এই লোকের সাথে এক্ষুণি কাট্টি করুন। এসব ঘুষখোরদের সাথে সম্পর্ক রাখা পাপ। যারা টাকা খেয়ে অবলা মানুষদের কাজ করতে না করে।'

ডিভোর্স লয়ার এত অপমান চুপচাপ শুধু হজম করে নিলেন। নাছির সাহেব নুসরাতকে চোখ রাঙিয়ে বললেন, 'চুপ, চুপ! আর কোনো শব্দ না। বেশি কথা বললে লোকে মন্দ বলবে।'

নুসরাত সাহসী গলায় বলল, 'মন্দ বলা লোকের মুখ আমি ঘুষি মেরে ভেঙে দেব।'

নাছির সাহেব উপহাস করে নুসরাতকে হেসে উঠলেন। এক হাতে ড্রাইভিং হুইল ঘোরাতে ঘোরাতে বললেন, 'তাহলে আরশের মুখ ভাঙলে না কেন? ও তো তোমার দাঁতই ফেলে দিয়েছে থাপ্পড় মেরে।'

নুসরাতের কাছে নাছির সাহেবের হাসি বিষাক্ত মনে হলো। সে ক্রোধ পূর্ণ কন্ঠে বলল, 'হে হে, হে হে, করবেন না তো আব্বা, আপনাকে এই মুহূর্তে বিষাক্ত লাগছে।'

নাছির সাহেব হাসি থামালেন না। আছরের আজান পড়তেই নাছির সাহেব গাড়ি একপাশে সাইড করে নামাজ পড়তে চলে গেলেন। গাড়ি লক করবেন তা বেমালুম ভুলে বসলেন, যেতে যেতে চুপচাপ গাড়িতে বসে থাকার আদেশ দিলেন। নুসরাত বাবা চলে যেতেই এক হাতে গাড়ির দরজা খুলল, অন্য হাতে বাবার রেখে যাওয়া মানি ব্যাগ থেকে ক্রেডিট কার্ডটা বের করল। সামনে থাকা স্বপ্নে ক্রেডিট কার্ড নিয়ে গিয়ে প্রবেশ করল হেলেদুলে। ইচ্ছে মতো জিনিস শপিং কার্টে ভরে নিয়ে চকচকে হাতে বিল পেমেন্ট করতে গেল। এখানেই এসেই নুসরাত ধরা খেল। লোকটা নুসরাতের দিকে POS মেশিন এগিয়ে দিয়ে বলে ওঠল, 'ম্যাম, পিন দিন।'

নুসরাত থমকাল। হায় আল্লাহ, পিন কী, সে তো জানে না! দু-বার উল্টোপাল্টা পিন দিল, তারপর থেমে গেল। মাথা খাটাল, ওখানে দাঁড়িয়ে। নিজের সন্তর্পণে চলা মগজে আসলো তার মায়ের বার্থডে ডেট হতে পারে। তিরতির হাতে মায়ের জন্ম সাল টেপ করতেই ফুল পেমেন্ট হয়ে গেল। নুসরাত খুশিতে লাফ দিয়ে উঠল। তারপর হৈ-হুল্লোড় করে সকল স্ন্যাকস এনে রাখল ডিক্কিতে। খুশি মনে আবার নিজের জায়গায় গিয়ে বসে পড়ল। ক্রেডিট কার্ড যেখান থেকে নিয়েছিল, ভদ্র বাচ্চার মতো সেখানেই রেখে দিল।

নাছির সাহেব মসজিদ থেকে বের হয়ে গাড়ির দিকে আসতে যাবেন, ফটফট করে দুটো মেসেজের নোটিফিকেশন এসে ঢুকল মোবাইলের ভেতর। মোবাইল পকেট থেকে বের করে মুখের সামনে তুলে ধরতেই ঠোঁট দু-দিকে ফাঁক হয়ে আসলো। সেখানে মোটা মোটা অক্ষরে ক্যাশ আউট হওয়া টাকার এমাউন্ট লেখা। নাছির সাহেব চোখের ভুল মনে করে চশমা পকেট থেকে বের করে পরে নিলেন চোখে। তবুও সংখ্যাগুলো বদলালো না। ওই একই থাকল! ওখানে লেখা পনেরো হাজার টাকার মতো মোটা অংকের পয়সা খরচ হয়েছে মাত্র দু-মিনিট পূর্বে। মোবাইল পকেটে পুরে তড়িৎ পায়ে গাড়ির দিকে এগিয়ে যেতে যেতে নাছির সাহেব হড়বড়িয়ে চিৎকার করে উঠে ডাকলেন,” নুসরায়ায়াত..!

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৩য় পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন