ফন্ট সাইজ:
থিম:
তোর ছোঁয়ায় ফাগুন

৭ম পর্ব

লেখক: অনামিকা তাহসিন রোজা

#তোর_ছোঁয়ায়_ফাগুন

#পর্ব_৭

#লেখিকা_অনামিকা_তাহসিন_রোজা

ফারজানারা হোটেলে ঢুকার পর আমি আর মিশাত তাড়াতাড়ি করে রিসিপশনে গেলাম। কিন্তু ততক্ষণে ওরা হোটেলের কোনো একটা রুমে চলে গেছে। মিশাত রিসিপশনে থাকা লোকটিকে ভাব নিয়ে বলল,

"একটু আগে একটা ল্যাম্পপোস্ট টাইপের ছেলে আর একটা মূলার মতো মেয়ে এসেছে। তাদের কোন রুমে জায়গা দিয়েছেন বলুন তো।"

লোকটি একটু ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে বলল,

" Sorry Mam....."

আমি রেগে মিশাতের মাথায় একটা গাট্টা মেরে বললাম,

" চুপ থাক তুই!!! বিড়ালের ছানা!!!!"

তারপর আমি অনেক ভদ্রভাবে লোকটিকে বললাম,

" Excuse me! একটু আগেই কি এখানে দুটো ছেলে মেয়ে এসেছে? মেয়েটা কালো রং এর টপস্ পড়েছে।"

"জ্বী, এসেছে ।"

" Oh Great !! তারা কত নাম্বার রুমে উঠেছে ?"

লোকটি প্রথমে আমাদের দিকে তাকিয়ে থাকল, তারপর বলল,

"আপনাদের কি দরকার?"

তখন আমি আরেকটু সাবলীল হয়ে বললাম,

"আসলে মেয়েটা আমার ছোট বোন হয় বুঝলেন তো । বাড়ি থেকে রাগ করে চলে এসেছে। কি আর বলব? ছোট মানুষ তো।😅 আর ঐ যে সাথের ছেলেটাও আমাদের ভাই। হেহে "

(বাহ্ !কী সুন্দর করে সম্পর্ক বানালাম!! ভাই-বোন🙂!!")

আমার জঘন্য অভিনয়ের বানোয়াট কথা লোকটা মনে হয় বিশ্বাস করল। তাই সে বলল ,

"ওনারা ১৫২ নাম্বার রুমে গেছে। "

আমি হেসে লোকটাকে ধন্যবাদ জানালাম।

দোতালা ১৫২ নং রুম!!

আমি আর মিশাত রুমটার সামনে এসে দাঁড়িয়ে আছি। মিশাত আমাকে বলল,

" ওরা তো নিশ্চয়ই আমাদের জন্য দরজা খোলা রাখেনি। এইবার ওদের হাতেনাতে ধরব কীভাবে?"

আমি অন্যমনস্ক হয়ে বললাম, " হুম সেটাই "

কিন্তু পরে বুঝতে পেরে চোখ বড় বড় করে মিশাতের দিকে তাকালাম।😳

মিশাত বুঝতে না পেরে ভ্রু উঁচু করে বলল," কী?"

আমি ওভাবেই বললাম,

"তুই কি আজকে ফারজানা কে ধরতে এসেছিস?"

"হ্যাঁ তো!"

আমার এইবার ইচ্ছা করচ্ছে দশ তালা বিল্ডিং এর ছাদ থেকে মিশাতকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিতে অথবা স্যানাটাইজার খেয়ে আত্মহত্যা করতে!!!

নিজের অদম্য রাগ নিয়ন্ত্রণ করে আমি দাঁত চেপে চেপে মিশাত কে বললাম,

"মিশাত বেবি! সোনা আমার ! এতো তাড়াহুড়োর কী আছে ইয়ার!! এভাবে হবে না। বরং হীতের বিপরীত হয়ে যাবে। শুন যা করতে হবে, ধীরে সুস্থে ঠান্ডা মাথায় করতে হবে । বুঝলি ????"

"আচ্ছা বুঝলাম। But এখন কী করব?? "

মিশাতকে কিছু বলার জন্য মুখ খুলতে যাবো , তার আগেই মাথায় একটা জবোরদস্ত আইডিয়া আসলো। আমি মিশাত কে টানতে টানতে তাড়াহুড়ো করে নিচ তলায় নিয়ে আসলাম। মিশাত বলল,

"আরে কী রে ! কোথায় যাচ্ছিস? আরে আজব! কাজ তো হয়নি রে !!!"

আমি বললাম,

"মিশাত তোকে কিন্তু ওরা চিনে না । মানে একদমই চিনে না ।চিনে শুধু আমাকে। So.................."

আমি একটা বাঁকা হাসি দিলাম।

মিশাত তো অবাক হয়ে চেয়ে রইলো। আর বলল,

"কী করবি তুই? কি করতে চাচ্ছিস বলতো?"

আমি বললাম,

"মিশাত তোর ঐ Hidden Spy Camera টা এনেছিস না?"

"হ্যাঁ ওটা তো সবসময় আমার সাথেই থাকে ।"

"হুম। তাহলেই হবে। এখন একটু হোটেলের ম্যানেজারের কেবিনে চল।"

_______________________________________________

" ফারজানা আমি তোমাকে সত্যি অনেক ভালবাসি।তোমার কী মনে হয়? আমি কি তোমাকে ভালোবাসি না? আরে কি করবো বলো? খুব ভয় হয় আমার। তুমি যে গেমটা খেলছো সে গেমটার কথা যদি কেউ জানতে পারে, খুব বাজে একটা অবস্থা হয়ে যাবে।"

"এতো ভীতু হলে চলে না ঈশান। তুমি টেনশন নিও না তো। আয়ান একটা বোকা ছেলে। ও কখনোই আমার চাল ধরতে পারবে না। ও ভালোবাসায় খুবই বিশ্বাসী, যাকে বলে অন্ধবিশ্বাস। ২ বছর ধরে এই বিশ্বাস অর্জন করেছি।আর তুমি তো জানো যে,আমি অভিনয়ের কতটা সেরা।"

এটা বলেই ফারজানা ঈশানের গালে একটি কিস করল। ঈশান তার পকেট থেকে ফোন আর ওয়ালেট টা বের করে টি টেবিলে রাখলো। আর জ্যাকেট খুলতে লাগলো।

কিন্তু হঠাৎ কিছু একটা মনে পরতে ফারজানা বলল,

"তোমায় ফ্লাইটের টিকিট কেটে ফেলতে বলেছিলাম না??"

"আরে আগে কাজ হয়ে যাক।"

" উফ্ ঈশান! হবে হবে। সব কাজ হবে। Just wait and see. খুব তাড়াতাড়ি আমি আয়ানের সব সম্পত্তি নিজের নামে করে ফেলব। তারপর .........."

ফারজানা হাত দিয়ে প্লেনে উড়াল দেয়া বোঝালো।

"কিন্তু ফারজানা ! ঐ লোক কেন তোমার নামে সম্পত্তি লেখে দেবে বলোতো?? মানে তোমার কীসের অধিকার! Without any reason এটা তো পসিবল না।"

"আর আমি যদি ওকে বিয়ে করে ফেলি,,,,,,,!"

"Whatttttt?"

"ঈশান, Just একটা খেলা এটা। বিয়েটাও নকল মনে করো। কিছু পেতে হলে কিছু তো ত্যাগ করতেই লাগবে।আর শোনো আমি না একটা plan করেছি। ওকে ইমোশোনাল ব্ল্যাকমেল করব যাতে আমাকে বিয়ে করতে বাধ্য হয়।"

ঈশান মুচকি হেসে ফারজানার কোমড় ধরে টেনে আনল। যেই না ঠোঁটে ঠোঁট ছোঁয়াতে যাবে সেই সময় রুমের বেল বেজে উঠল। ঈশান সশব্দে বিরক্তি প্রকাশ করল আর বলল,

" কে ভাই? আসার টাইম পায় না !!"

ফারজানা একটু মুচকি হেসে বলল,

" তুমি দাঁড়াও আমি দেখছি। আর তোমার সাথে তো পুরো রাত কাটাবো আজ। একটু ধৈর্য ধরো বেবি।"

তারপরে এসে দরজা খুলে দিল।

হোটেলের কর্মচারীর ছদ্মবেশে থাকা মিশাত বলল,

" May I come in Mam??"

"তুমি......."

" Mam আমি হলাম এই হোটেলের কর্মচারী। আপনাদের জন্য খাবার এনেছি আর এটা ওয়েলকাম ড্রিংকস।"

" ঠিক আছে ভেতরে এসে রেখে যাও।"

"সিউর ম্যাম। "

মিশাত ঘরে ঢুকে আড়চোখে ঈশানকে ভালো করে দেখলো।তারপর খাবার গুলো টি টেবিলে রাখতে গিয়ে দেখলো ফোন আর ওয়ালেট রাখা । মিশাত ভাবলো,

"বাহ্!! কাজ সহজ করে দিয়েছে। যেহেতু ওয়ালেট আছে তাহলে এইটা ঐ ছেলেটারই ফোন হবে।"

মিশাত ছেলেটির ফোন চুরি করল আর এপ্রোনের পকেটে ঢুকিয়ে নিলো। আর সোফার নিচে সেই Hidden spy camera টা সেট করে দিলো। ফারজানা আর ঈশান কথা বলতে ব্যাস্ত থাকায় কিছুই টের পায়নি। মিশাত এর পরে বলল,

"ওকে ম্যাম আমি আসছি। কিছু দরকার পড়লে অবশ্যই জানাবেন।"

"হুম হুম যাও।"

মিশাত বের হয়ে আসার পর সে আর এক মুহূর্ত দাঁড়ালো না। মিশাত বলল,

"কাজ হয়ে গেছে। ক্যামেরা সেট করেছি আর ঐ ছেলেটার ফোনটাও চুরি করেছি। তুই ফোন টা ধর। আমি আমার কাপড় পরে এইসব কাপড় ম্যানেজার কে ফেরত দিয়ে আসি। তুই গাড়িতে গিয়ে দু মিনিট বস যা।"

এক নিঃশ্বাসে কথাগুলো বলে মিশাত ওয়াশরুমের দিকে চলে গেল। আমি এখনো অবাক হয়ে দাঁড়িয়ে আছি। ব্যাপারটা কী হলো??? এই মেয়ে তো দেখি এক ধাপ এগিয়ে আছে। গেলো ক্যামেরা সেট করতে আর ফোন চুরি করে নিয়ে চলে এলো!!!!! মানতেই হবে! মিশাত বলে কথা!

আমি মিশাতের কথা মতো গাড়িতে গিয়ে বসলাম। আর ফোনটা নিলাম। ওমা !! কী সুন্দর!! ফোনে লক দেয়া নেই! আহা! দেখেও শান্তি লাগে !! ফোনে থাকা ফেসবুকে ঢুকে বুঝলাম যে ছেলেটার নাম, ঈশান হক।

মিশাত গাড়িতে ঢুকে বলল,

"কী রে তুই এখনো ফোন হাতে নিয়ে বসে আছিস কেন?"

"তো কী করব?? শুধু ফোন দেখে জানতে পারলাম যে ছেলেটার নাম ঈশান হক। এটা দিয়ে আর কী হবে ভাই ! এই ফোন টা চুরি করে আনার কারণ আমি এখনো বুঝতে পারছি না।""

"তোকে বুঝার লাগবেনা। ফোনটা আমাকে দে। আমি আমার কাজে এনেছি। লোকেশন ডিঅ্যাক্টিভেট করে দিই, নাহলে আবার লোকেশন ট্র্যাক করবে।"

আমি ফোনটা দিয়ে বললাম,

" ক্যামেরা টা ?"

"আমার ল্যাপটপ এ সেট করা আছে। ওখানে কী কী হচ্ছে সব দেখতে পাবো এমনকি রেকর্ড হয়ে যাবে সব। বাসায় গিয়ে দেখব এখন। কিছু জানতে পারলে তোকে ফোনে জানাবো।"

আমি কিছু বলার আগেই আমার ফোন বেজে উঠল। দেখলাম মা ফোন দিয়েছে।

"হ্যালো মা ...."

" কী ব্যাপার বৌমা? কোথায় তুমি ? সন্ধ্যা হতে চলল যে!"

" ওহ্হ , সরি মা রিয়েলি সরি মা। আসলে কখন যে সন্ধ্যা হয়ে গেলো বুঝতেই পারিনি। আমি মিশাতের সাথে গাড়িতে আছি মা। ১০ মিনিটের মধ্যেই পৌছে যাব।"

" ঠিক আছে ধীরে সুস্থে এসো। আসলে আমি তোমায় কল করতাম না আদ্রিকা। কিন্তু........"

আমি ভয় পেয়ে বললাম,

"কিন্তু কী মা? কিছু হয়েছে নাকি? আপনি ঠিক আছেন তো মা?"

মা হেসে বলল,

" আরে বোকা মেয়ে আমি ঠিক আছি। আসলে আয়ান আজকে তাড়াতাড়ি বাড়িতে এসেছে। বিকেলেই চলে এসেছে। এই পর্যন্ত কোনো সমস্যা ছিলো না। কিন্তু ও একটু অসুস্থ। মাথা ব্যথা করছে নাকি। "

"সেকি!! কীভাবে? মা আপনি উনাকে মেডিসিন দিয়েছেন?"

" বৌমা মেডিসিন আমি খুঁজে পাচ্ছি না। আর তোমার শশুর-ননদ দুজনেই তো অফিসেই আছে।"

"Oh shit !! আমিই তো মেডিসিন গুছিয়ে রেখেছিলাম ।মা আমি খুব তাড়াতাড়ি আসছি মা। আপনি ওনাকে হালকা কিছু খাইয়ে দিন। আমি এসে মেডিসিন দেব।"

"বাড়িতে আসার পর খেয়েছে। আরো খেতে হবে?"

"হ্যাঁ মা, হালকা কিছু আরকি!"

"আচ্ছা। তুমি রাস্তায় তাড়াহুড়ো করো না। আস্তে ধীরে এসো।"

___________________________________________

৭ মিনিটের মাথায় বাড়িতে এসে পৌছালাম। মিশাত আমাকে নামিয়ে দিয়ে চলে গেল। আমি তাড়াহুড়ো করে বাড়িতে ঢুকলাম। দরজা খোলাই ছিলো। ড্রয়িং রুমে ঢুকে দেখি আয়ান চোখ লাল করে সোফায় বসে আছে। দেখেই মনে হচ্ছে কতটা রেগে আছে। কিন্তু রেগে আছে কেন? আমি সন্ধ্যার পরে বাড়ি এসেছি বলে? নাকি উনার চোখের সামনে পড়েছি বলে? হায় আল্লাহ্! রক্ষা করো।

আমার উপস্থিতি টের পেয়ে উনি আমার দিকে রক্তচক্ষু নিক্ষেপ করল। আমি চোখ নামিয়ে নিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে চললাম সিড়ির দিকে। কিন্তু তখনই কিছু ভেঙে যাওয়ার বিকট শব্দ পেলাম।

তৎক্ষনাত পিছনে ঘুরে দেখি আয়ান টেবিলে থাকা ফুলদানি ভেঙে ফেলেছে এবং তার চোখ অসম্ভব লাল হয়ে আছে। মারাত্মক রেগে আছে দেখেই বোঝা যাচ্ছে। ভয়ে আমার কথা গলায় আটকে গেল। আমি বুঝতে পারলাম যে এখান থেকে এক পা এগোলেই উনি আমার গলা টিপে ধরবে। তাই চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলাম।

আয়ান আমার দিকে এগিয়ে আসতে লাগলো আর আমি ভয় পেছাতে লাগলাম। হায় আল্লাহ্! মা এখন কোথায়? মা থাকলে বেঁচে যেতাম।

এভাবে পিছাতে পিছাতে একসময় রান্নাঘরের দেয়ালের দিকে চেপে গেলাম। আর পেছানোর জায়গা নেই!!

উনি আমার কাছে এসে বাম পাশে দেয়ালে উনার হাত রাখল এবং শক্ত কন্ঠে বলল, "কোথায় ছিলে?"

রানু মন্ডলের গানে মানুষ যতটা না চমকায় তার থেকেও বেশি চমকে গেছি আমি ওনার এই কথায়।

উনি আমাকে জিজ্ঞেস করেছে যে কোথায় ছিলাম!!

লাইক সিরিয়াসলি !!

আমি ভাবতেও পারিনি যে উনি আমাকে এটা জিজ্ঞেস করতে পারে। আমি কোথায় থাকি বা না থাকি সেটা তো ওনার জানার বিষয় না। আর কখনো তো এটা জিজ্ঞেসও করে নাই। তাহলে আজ কেনো??

আমি ড্যাবড্যাব করে উনার রাগান্বিত চোখের দিকে তাকিয়ে আছি। আর ভাবছি,

" ওনার চোখ গুলো আসলেই সুন্দর। আল্লাহ্ অনেক যত্ন করে বানিয়েছে তার এই চোখ জোড়া। এভাবে সিংহের মতো রেগে আছে, তাও চোখের সৌন্দর্য একটুকুও কমছে না। বরং ভয়ংকর সুন্দর লাগছে !!!!"

উনি শক্ত কন্ঠে পুনরায় বলল,

" আমি তোমাকে কিছু জিজ্ঞেস করেছি ।"

আমি একটা ঢোক গিললাম। তার রক্তচক্ষু দেখে তো আমার এমনি কপাল দিয়ে ঘাম ঝরছিল।

তাও আস্তে করে বললাম,

" ব..ব........বন্ধুর বাড়িতে ছিলাম।"

" এটা কি বন্ধুর বাড়িতে থাকার সময়? কটা বাজে ?এখন তোমার কোন বন্ধুর বাড়িতে যেতে হয়?"

আমি চুপ থাকলাম। উনি আবার বললেন

"বন্ধু নাকি অন্য কিছু?"

আমার মাথায় যেন এইবার রক্ত চরে গেল। উনি আমার চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন করছে? কিছু বলতে চেয়েও বলতে পারলাম না। চোখ নামিয়ে নিয়ে রাগটা কন্ট্রোল করে বললাম,

" আমার খুব ভালো একজন বন্ধু। তার বাড়িতে গিয়েছিলাম। অনেক দিন দেখা সাক্ষাত্ হয় নি।তাই....."

তখনো উনি আমার দিকে তাকিয়ে থাকলো। আমি চোখ নামিয়ে নিয়েছিলাম। কিন্তু মনে হচ্ছিল যে সে আমাদের তাকিয়ে আছে। আমি বুঝতে পারছি না যে আমার ভুলটা কোথায়? এর আগেও তো অনেকবার আমি বাড়ির বাইরে গিয়েছি। কই তখন তো ওনার কোন সমস্যা ছিল না। আজ হঠাৎ এমন প্রশ্ন কেন? প্রায় ১৫- ২০ সেকেন্ড আমার দিকে ওভাবে তাকিয়ে থাকল উনি।

হঠাৎ বড় বড় পা ফেলে সিড়ি দিয়ে উঠে নিজের ঘরে চলে গেল আর ঠাস্ করে দরজাটা লাগিয়ে দিলো। আমি চমকে উঠলাম । তারপর, একটা বড় করে শ্বাস ছাড়লাম। অনেক ক্ষন প্রায় দম বন্ধ করে ছিলাম।

মনে মনে আবারো ভাবলাম,

"হলো টা কী? উনি আমার জন্য হঠাৎ আজ এমন করল কেনো? ব্যাপারটা কী?"

চলবে...............

⚠️বি:দ্র: ২ দিন অসুস্থ থাকায় বড় পর্ব দিতে পারি নি। আমার পাঠকগণও বড় পার্ট চাচ্ছিলো। তাই একটা বড় পর্ব দিয়েই দিলাম।🥰😇 এইবার খুশি তো হুম?☺

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৭ম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন