#তোর_ছোঁয়ায়_ফাগুন
#পর্ব_১৯
#লেখিকা_অনামিকা_তাহসিন_রোজা
🍁< প্রাপ্তবয়স্ক ও মুক্তমনাদের জন্য উন্মুক্ত >🍁
( আজকের পার্ট টা একটু রো'মা'ন্টি'ক! 🙃
তাই পাঠকগণ, সাবধান!😗 আমারে কিছু কইয়েন না।)
নরম, সোনালি আলোয় আমেরিকার আকাশজুড়ে বিকেলের সূর্য ঢলে পড়েছে। নীল আকাশের কোণে লালচে আভা, আর চারপাশে হালকা মেঘের দল যেন আঁকা কোনো চিত্রের মতো ভেসে বেড়াচ্ছে। মৃদু বাতাসে গাছের পাতারা দুলছে, আর ঘাসের উপরে সূর্যের শেষ কিরণগুলো খেলা করছে। পাখিরা ঘরে ফেরার পথে গাইছে বিদায়ের গান।
বিকেলের এই মনোরম পরিবেশে অনিমা চৌধূরী আর রাবেয়া বেগম বাদে সবাই উপস্থিত বাড়ির উঠোনে। সবাই গল্পে মজে উঠেছে। এর মধ্যে রয়েছে আয়ানের অফিসের কাহিনী, আদ্রিকার বেস্ট ফ্রেন্ড মিশাতের কাহিনী, হিমেল আর রামিসার যুদ্ধের কাহিনী এবং নয়নতারার সারজিসের সাথে প্রেমের কাহিনী। তারা ১ বছর রিলেশনে থাকার পর বিয়ে করচ্ছে। নয়নতারা তো আদ্রিকাকে ভাবি ডেকে ডেকে মুখে ফ্যানা তুলে ফেলেছে।
তাদের গল্পের মাঝেই অনিমা চৌধূরী ট্রে হাতে ৫ কাপ কফি নিয়ে হাজির হলেন।
আদ্রিকা বলে উঠে,
" মামনী এতো কষ্ট করে কফি করার কী দরকার ছিলো? আমিই করতাম ।"
অনিমা চৌধূরী হেসে বললেন,
" কষ্টের কী হলো বোকা মেয়ে! তোমরা গল্প করচ্ছো, আনন্দ করচ্ছো এর থেকে সুন্দর মুহূর্ত আর কত বার আসবে বলো! আমার সব সন্তানদেরকে আজ একসাথে দেখে আমার যে কী ভালো লাগচ্ছে! তোমাদের সবাইকে কফি বানিয়ে খাওয়ানোর আজ সুযোগ পেয়েছি। এরকম সুযোগ আর পাবো নাকি!"
নয়নতারা বলে উঠলো,
" মম, ভাবি কিন্তু অনেক ভালো। আমার খুব পছন্দ হয়েছে ভাবিকে।"
অনিমা চৌধূরী আবারো হেসে বললেন,
" পছন্দ তো হতেই হবে! এটা স্বাভাবিক! তোর মামির পছন্দ বলে কথা! এই নাও কফি নাও সবাই। কফি ছাড়া কি গল্প জমে নাকি!"
খুব খুনসুটি আর মজার সাথে সবার বিকেলটা কাটলো।এরই মধ্যে একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো-- কাল সকালে সবাই শপিং এ যাবে। নয়নতারার বিয়ের জন্য সব কেনাকটা করা হবে। কারন বিয়ে আর ২ দিন পরেই। সময় নেই বেশি।পরশু রাতে মেহেন্দী অনুষ্ঠান করারো সিদ্ধান্ত হলো।
__________________
নিশীথ রাতের নিস্তব্ধতায়, বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছে আয়ান। আকাশে অসংখ্য তারা ঝিকিমিকি করছে, আর দূরের শহরের আলোয় মৃদু সোনা রঙা আভা ছড়িয়ে পড়েছে। ঠাণ্ডা বাতাস তাদের চারপাশে বয়ে যাচ্ছে, কিন্তু আয়ানের মন যেন এক অসম্ভব উত্তাপের ভেতরেই জ্বলছে—পশ্চাৎপটে কেবলই তার পুরোনো ভুলগুলোর স্মৃতি।
আদ্রিকা অনিমা চৌধূরীর সাথে একটু সময় কাটিয়ে কেবলই ঘরে এলো। আয়ানকে বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে সেও ধীর গতিতে এগিয়ে যায়। সে বারান্দায় এসে দাঁড়াতেই, আয়ানের হৃদয়টা যেন আরও ভারী হয়ে ওঠে। সে চোখ তুলে আদ্রিকার দিকে তাকায়—যার প্রতি তার অযাচিত অবজ্ঞা এবং তুচ্ছতার কারণে এত কষ্ট হয়েছে।
আয়ানের এমন চাউনি দেখে আদ্রিকা জিজ্ঞেস করে,
" আপনার কী হয়েছে? এমন দেখাচ্ছে কেনো? শরীর খারাপ?"
আয়ান গভীরভাবে শ্বাস নেয়, এবং আদ্রিকার দিকে এক পা এগিয়ে এসে মৃদু কণ্ঠে বলে,
"তোমাকে খুব কষ্ট দিয়েছি, আমি জানি। তোমার প্রতি এত অন্যায় করেছি... আমি ভুল করেছি। তুমি তাও আমায় কেনো শাস্তি দিলে না? কেনো?"
বারান্দার নির্জনতায় তার কণ্ঠস্বর যেন আকাশের নিস্তব্ধতার মতোই গম্ভীর। আদ্রিকার মুখে কোনো প্রতিক্রিয়া নেই, কেবল তার চোখে একধরনের প্রশান্তি ছায়া পড়ে।
আয়ান তার হাতটি আদ্রিকার হাতে নিয়ে বলে,
" তুমি আমায় এখনো ক্ষমা করোনি আমি জানি।আমাকে ক্ষমা করো প্লিজ। আমি সত্যিই তোমাকে মেনে নিয়েছি, মেনে নিয়েছি বললে ভুল হবে। আসলে আমি মায়ায় পরে গেছি। আর এই নতুন জীবনে তোমার পাশে থাকতে চাই।"
আদ্রিকা চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে, তার চোখে এক ধরনের মমতার আভাস। আয়ানের কথা যেন তার হৃদয়ের প্রতিটি কষ্টের দাগকে নিরাময় করছে। এই লোককে কে বোঝাবে যে আদ্রিকা তো সব অতীত ভুলতে বসেছে প্রায়! আদ্রিকা তো আয়ানের ভালোবাসাতে ম"র"তেও রাজি এখন !
কিছুক্ষণ পরে, আদ্রিকা অনেক সাহস নিয়ে তার অন্য হাতটি আলতো করে আয়ানের হাতের মধ্যে রেখে বলে,
"আমার জন্য আপনার ভালোবাসাই যথেষ্ট। অতীত ভুলে আমরা নতুন করে শুরু করতে পারি। আপনার প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই তো।"
আয়ান তবুও চোখ সরু করে করুণ চোখে তাকিয়ে বলে,
" তুমি আমায় ক্ষমা করোনি?"
আদ্রিকা ঠোঁট প্রসারিত করে হেসে বলল,
" আমি তো আপনার ওপর কখনো রাগই করিনি। ক্ষমা করার কথা আসবে কোথা থেকে?"
আবারোও নীরবতা!
এই মুহূর্তে রাতের বাতাসে যেন কিছুটা উষ্ণতা ছড়িয়ে পড়ে, আর তারা দুজন বারান্দায় দাঁড়িয়ে থেকে একে অপরকে গভীরভাবে অনুভব করতে থাকে—সেই ভুলগুলোকে পেছনে ফেলে।
হঠাৎ আয়ান ধীরে ধীরে এসে তার পাশে দাঁড়ায়। তার চোখে অপরাধবোধের ছায়া স্পষ্ট। আদ্রিকা অনুভব করে তার উপস্থিতি, কিন্তু মুখে কিছু বলে না। তার হৃদয় এই নীরব রাতেও আয়ানের জন্য কম্পমান।
আয়ান গভীরভাবে নায়িকার দিকে তাকায়। তার চোখে অনুশোচনা আর অপরাধবোধ। সে জানে, সে কতটা অন্যায় করেছে, কতটা কষ্ট দিয়েছে এই মেয়েকে, যে তাকে নিঃস্বার্থভাবে ভালোবেসেছে। আদ্রিকা এখনও চুপ করে আছে, তবে তার চোখে একধরনের অসীম মমতা, যা সবকিছু মেনে নেওয়ার প্রতীক।
আয়ান ধীরে ধীরে বলে,
"তোমার প্রতি যা করেছি, তার জন্য আমি নিজের কাছেও ক্ষমা চাইতে পারি না। কষ্ট হয় আমার! আমি!আমি বুঝতে পেরেছি, তুমি আমার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান মানুষ। আমার অংশ, যা ছাড়া আমি অপূর্ণ! তোমার এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসার সামনে আমি হার মেনেছি।"
আদ্রিকার চোখ ভিজে আসে, কিন্তু সে হাসে। তার কণ্ঠে একটি নরম সুর,
"আপনার ভালোবাসাই আমার কাছে সব। আপনাকে ক্ষমা করাটা আমার জন্য কঠিন নয়, কারণ আমি সবসময়ই আপনার ছিলাম।"
আয়ান এক পা এগিয়ে এসে তার হাত ধরে। এই ছোট্ট স্পর্শে আদ্রিকার মনে সমস্ত যন্ত্রণা যেন মুহূর্তেই বিলীন হয়ে যায়। সে বুঝতে পারে, তার ভালোবাসা সবকিছুকে জয় করেছে—আয়ানের কঠিন মনকেও।
____________
আয়ান আদ্রিকার হাত ধরে ধীরে ধীরে তার দিকে টেনে নেয়। বারান্দার নিস্তব্ধতা, চাঁদের আলো আর ঠাণ্ডা বাতাসে তাদের মধ্যে একটা মুগ্ধতা ভর করে। আদ্রিকার চোখে কেবলই প্রেমের ছায়া, আর আয়ানের চোখে অপরাধবোধ মিশ্রিত ভালোবাসা।
আয়ান তার হাত দিয়ে আলতো করে আদ্রিকার মুখ স্পর্শ করে, তার আঙুলগুলো আলতো করে আদ্রিকার গাল বেয়ে নামছে। সেই স্পর্শে আদ্রিকার হৃদয়ের স্পন্দন যেন আরো দ্রুত হয়ে ওঠে। চোখ বন্ধ করে নেয় মেয়েটা! চোখ খোলা রেখে এই ঈগলের মতো তীক্ষ্ম চোখি মানুষটার দিকে তাকানো যে বরই কষ্টকর! বরই কঠিন!
আয়ান তার হাত আদ্রিকার পেটে দিয়ে কোমরের কাছে এনে তাকে আরও কাছে টেনে নেয়। আদ্রিকা শিউরে ওঠে! এ যে নতুন স্পর্শ! নতুন অনুভূতি! তাদের শরীর একে অপরের সাথে মিশে যায়, এবং এই সংযুক্তিতে এক ধরনের শান্তির অনুভূতি সৃষ্টি হয়। আদ্রিকা অনেক সংকোচ নিয়ে চোখ বন্ধ রেখেই তার হাত আয়ানের ঘাড়ে রাখে, আর আয়ানের হাত তার কোমরের নিচে গাঢ়ভাবে স্থির থাকে।
আয়ান কিছুক্ষণ চোখ খিচে বন্ধ করে রাখা আদ্রিকার দিকে তাকায় । এরপর ফু দেয় মেয়েটার মুখের ওপর। সাথে সাথে আদ্রিকার মুখের ওপরে থাকা বেহায়া চুলগলো উড়ে সরে যায়!
আয়ানের চোখে একটি গভীর অঙ্গীকার, এবং তার কণ্ঠে এক ধরনের নরম আবেদন,
"তোমার এই ভালোবাসা আমাকে নতুন করে বাঁচিয়ে দিয়েছে। আমি চাই, খুব করেই চাই ,এই মুহূর্তে আমরা একে অপরের পুরোপরি হয়ে যাই। খুব ইচ্ছে করচ্ছে! আমি আজ যদি তোমাকে পুরোপুরি নিজের করে পেতে চাই? তাহলে কি তুমি রাগ করবে? ভুল বুঝবে আমায়?"
নিঃসংকোচ সরল আবেদন! এই আবেদন ফিরিয়ে দেয়ার সাধ্য কি আছে আদ্রিকার! মানুষটা অনুমতি নিচ্ছে কেনো? এ তো তার অধিকার!
আয়ান আবারো বলে,
" খুব ভয় লাগচ্ছে জানো? তোমাকে হারিয়ে ফেলার একটা প্রকট ভয়! বিশ্বাস করো, এই ভয় নিয়ে বেঁচে থাকা খুব কষ্টের যে! তোমাকে পুরোপুরি না পেলে এই ভয় কাটানো সম্ভব না!"
আদ্রিকা এ পর্যায়ে চোখ খুলে অপলক চেয়ে মৃদু হাসি দিয়ে বলে,
"আপনার ভালোবাসার কাছে আমি সবকিছু ত্যাগ করতে প্রস্তুত। আপনি তো আমার স্বামী!আমি তো কবেই ম*রে গেছি আপনার মোহে ! শুধু আপনার বুকে আত্মসমর্পণ করাটাই বাকি!"
তার কথায় এবং হাসিতে এমন এক আবেগপূর্ণ সুন্দরতা আছে যা আয়ানের হৃদয়ে প্রবল তীব্রতার সৃষ্টি করে।
এই মুহূর্তে, তারা দুজনই বুঝতে পারে যে, সবকিছু পেছনে ফেলে তারা একে অপরকে পাওয়ার জন্য তৈরি। তাদের হৃদয় একে অপরের সাথে এমনভাবে যুক্ত হয়েছে, যা আর কোনো বাধাই ভাঙতে পারবে না।
পরোক্ষভাবে অনুমতি পেয়ে আয়ান খুব আলতো করে চোখ বন্ধ করে আদ্রিকার কপালে খুব সময় নিয়ে একটি চু'মু খায়।
আয়ানের এই প্রথম ঠোঁটের স্পর্শে আদ্রিকার শরীরে শিহরণ বয়ে যায়। তার ঠোঁট আলতো করে আদ্রিকার কপাল ছুঁয়ে থাকে, আর সেই স্পর্শে আদ্রিকার বুকের ভেতর যেন এক সাগর ভালোবাসা উথলে ওঠে। আদ্রিকার চোখ বন্ধ, তার নিঃশ্বাস ভারী হয়ে আসছে। আয়ান তার হাতটা আদ্রিকার কোমরে আরও দৃঢ়ভাবে রাখে, তাকে নিজের আরও কাছে টেনে আনে। যেনো তাদের মধ্যে একটুও ফাঁকা না থাকে!
আদ্রিকা আবারো ধীরে ধীরে চোখ খুলে আয়ানের দিকে তাকায়। মানুষটা ছুঁয়ে দিলেই আদ্রিকার চোখ আপনা আপনি বন্ধ হয়ে যায়! তাদের চোখে চোখ পড়তেই একটা অদ্ভুত টান অনুভূত হয়—যেন এই মুহূর্তটা কখনও শেষ হবে না। আয়ানের চোখে আদ্রিকা দেখতে পায় এক অগাধ ভালোবাসা, যা তার সমস্ত সন্দেহকে মুছে দেয়।
আয়ান এবার ধীরে ধীরে তার মুখটা আদ্রিকার মুখের কাছে এনে ফিসফিস করে বলে,
"তোমার ভালোবাসা আমার জীবনের সবকিছু বদলে দিয়েছে। ভেঙ্গে ফেলেছে আমার কঠিন ব্যাক্তিত্ব। ভুলিয়ে দিয়েছে আমার বেদনা! গড়ে তুলেছে এক নতুন রূপ!আমি তোমাকে আর কোনোদিন হারাতে চাই না। কোনোদিন না!"
আদ্রিকার হৃদয়টা এতটাই দ্রুত স্পন্দিত হতে থাকে যে, তার মনে হয়, সে এই মুহূর্তে সবকিছু ভুলে আয়ানের সঙ্গে এক হয়ে যেতে পারে।
আয়ান তার ঠোঁট আদ্রিকার কানের কাছে এনে ফিসফিস করে বলে,
"তুমি আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয়। আমার জীবনের সূর্যের আলো, যার মৃদু কিরণ প্রতিটি অন্ধকারকে দূর করে দেয়। তোমার ভালোবাসা আমার হৃদয়ের রন্ধ্রে রন্ধ্রে বিরাজমান, আর আমি প্রতিজ্ঞা করছি—আমার সমস্ত অস্তিত্ব দিয়ে তোমার পাশে থাকব, চিরকাল।"
আদ্রিকার চোখ থেকে দু-একটা অশ্রু গড়িয়ে পড়ে, কিন্তু সেগুলো ভালোবাসার অশ্রু। আয়ান ধীরে ধীরে তার মুখের কাছে এসে কিছু সময় নিয়ে এইবার সেই কঠিন কাজটা করেই ফেলে--আদ্রিকার কম্পনরত অধরে অধর মিলিয়ে দেয়।
স্তব্ধ হয়ে যায় মেয়েটা! থমকে যায় হৃদস্পন্দন! লোকটা এমনভাবে ঠোঁট আকড়ে ধরেছে যেনো ছাড়লেই আদ্রিকা পালিয়ে যাবে! খুব সযত্নে আদ্রিকার ঠোঁটে আদরে ভরিয়ে দিচ্ছে সে! এক পর্যায়ে আদ্রিকার রেসপন্স না পেয়ে আয়ান আদ্রিকার ঠোঁটে আলতো করে কা'ম'ড় দেয়। আদ্রিকা ঘাবড়ে যায়! একসময় আদ্রিকাও ঘোরে চলে গিয়ে নিজের হাত আয়ানের ঘাড় বেয়ে চুল আঁকড়ে ধরে!!! আয়ানের এক হাত কোমড় থেকে আদ্রিকার ঘাড়ে গিয়ে চেপে ধরে! আরেক হাত চলে যায় আদ্রিকার শাড়ির আঁচলে! এক টানে আঁচল সরিয়ে আয়ান আদ্রিকার পে'টে তার হিমধরা হাত গলিয়ে দেয়!
এই গভীর চু'মু'তে তারা দুজনেই যেন একে অপরের অস্তিত্বের সাথে মিশে যায়। তাদের মাঝে আর কোনো দূরত্ব থাকে না, শুধু নিঃসীম ভালোবাসার উষ্ণতায় তারা আবদ্ধ থাকে। তাদের দুজনের জন্য এই রাতের আকাশও যেন তাদের ভালোবাসার সাক্ষী হয়ে থাকে, আর চাঁদের আলোয় সেই ভালোবাসা আরও জ্বলজ্বল করচ্ছে।
অনেক সময় পার হলে আয়ান আদ্রিকাকে কোলে তুলে ফেলে। কিন্তু ঠোঁট ছাড়ে না! এরপর ঘরে গিয়ে সযত্নে বিছানায় শুইয়ে দেয় তার অর্ধাঙ্গিনীকে! আজ তাহলে সত্যিই মিলন ঘটছে একজোড়া মানব-মানবীর!
নিশির শান্তি, তাদের প্রেমের গভীরতা আর আবেগের ঝরনার মধ্যে, তারা এক নতুন স্তরের প্রেমের সন্ধান পায়। এই মুহূর্তটি তাদের হৃদয়ে চিরকাল অঙ্কিত থাকে, আর আজ রাতেই তাদের প্রেমের নতুন অধ্যায় শুরু হয়।
চলবে........................
⚠️বি:দ্র:ইয়ে মানে....কি আর বলব! আমি নির্দুষ 🙂🤧 আমি এসব লিখতে চাইনি,নিজে নিজে লেখা হয়ে গেছে🙂
আর রিচেইক করিনি পাঠকগণ 💝 জ্বরের ঘোরে যা মাথায় আসছে তাই লিখছি🤒🤕 এখন থেকে একটু আকটু উহুম উহুম থাকবেই 😗👍🏻🐥