ফন্ট সাইজ:
থিম:
নিষিদ্ধ নীল চিঠি

২য় পর্ব

লেখক: Sayma Noor

#নিষিদ্ধ_নীল_চিঠি

#পর্ব_২

#সায়মা_নূর

২২শে পৌষ শুক্রবার, জুম্মার নামাজের পরে আনন্দপুর থেকে উছমানপুরে এসেছে বরযাএী।বাদশা মিয়া পর্যাপ্ত আয়োজন এবং আপ্যায়নের মধ্য দিয়ে আসরের পরে ছোট ভাতিজি+মেয়ে মায়াকে শশুর বাড়ী পাঠানোর প্রস্তুতি করছে ,,ছোট মায়াকে অনেক বুঝিয়ে পালকিতে উঠিয়ে দিলো তার পরিবার ,, বর কনে দুজনের জন্য পালকির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

মীর প্রথমে পালকিতে উঠতে চাইছিলোনা,পরে আরশাদ আলী যখন গম্ভীর কন্ঠে একবার বললো সে চুপচাপ উঠে বসলো পালকিতে।

মীর সামনে তাকিয়ে অবাক হলো, প্রথমবার তাকাতেই সে শুধু লাল বেনারসি ছাড়া কিছু দেখতে পারলো না।

একটু লক্ষ্য করে দেখতে পেলো লাল বেনারসির মধ্যেখানে একজোড়া আলতা পড়া পা, আর ঘুমটার নিচে একজোড়া মেহেদি পড়া হাত যার মধ্যে একগুচ্ছ তাজা রক্তজবা।

দেখেই বোঝা যায় সদ্য গাছ থেকে তুলে আনা হয়েছে। মীর আরো একটু ভালোভাবে সামনে বসে থাকা তার বউজানকে পর্যবেক্ষণ করলো।

তারপর চোখ সরিয়ে পালকির ছোট জানালা দিয়ে বাইরে তাকালো,সূর্য ডুবছে কিছু সময় পরেই সন্ধ্যা নামবে।

শাহ বাড়ির বড় উঠানে লোকজনের ভিড় জমেছে, বর-বৌ বরণ করার জন্য উঠানে কাঠের চেয়ার পাতা হয়েছে। মীর আর মায়া দুজনকে কাঠের চেয়ারে বসিয়ে মাথার উপর কালো বড় ছাতা মেলে দেওয়া হল।

গ্রামের মুরুব্বীরা একেক করে আসছে আর ছাতার উপরে পানি ঢালছে এবং ধান দুফরাঘাস দিয়ে মাথাে উপর ঘুরাচ্ছে।

এতে নাকি নতুন বউয়ের স্বভাব ঠান্ডা হয়। রাজিয়া বেগম বারবার মায়ার পা হাত চেপে দেখছে। হাত-পা খুব নরম তা দেখে রাজিয়া বেগম খুব সন্তুষ্ট। মন্জু খাতুন ইস্টলের প্লেটে চিনি আর লবণ একত্রে মিশিয়ে নিয়ে এলো, মুরুব্বীরা সবাই এক এক করে চিনি লবণের মিশ্রণ মায়ার মুখে দিচ্ছে, ছোট মায়ার ভালো লাগছেনা।

চিনি লবণের মিশ্রণ খেতে, বিরক্তিতে নাকটা কুঁচকে নিতেই আরশাদ আলির গলা শোনা গেল।

আরশাদ:হইছে হইছে আলা বাদ দাও,লবন খাওয়াইয়ো না,আমার পুতের বউ এই সুন্দর মুখ দিয়া তিতা কতা কইলেও ভালা হুনাইবো।

পিতার কথা শুনে মিলন বাম দিকে মাথা ঘুরিয়ে এক পলক দেখে তার বউজানকে ,যে এখন নাক কুঁচকে বসে।

গ্রামের প্রথা (কুসংস্কার) তারা যেটা দেখে বড় হয়েছে, তাদের ভাষ্যমতে নতুন বৌ কে চিনি লবণ এর মিশ্রণ খাওয়ালে ব‍উ এর স্বভাব চরিত্রে সামঞ্জস্যতা থাকে, প্রয়োজনে তিতা প্রয়োজনে মিষ্টি।নারগিস খুব খুশি ভাবীকে পেয়ে, আর মীরের দাদী রাজিয়া তো সুস্থই হয়ে গেছে। মায়ার সাথে তার দাদি আদরচাঁন বেগম এসেছেন, তিনি এসেই মীরের দাদিকে বলে দিয়েছে।

মায়ার এখনো শরীরখারাপ ( মা সি ক )হয়নি।রাজিয়া বেগম তা শুনে খুশি, তার মানে নাতিবৌ একদম পবিত্র। সে নাতব‌উ এর দায়িত্ব নিলো, যতদিন পর্যন্ত মায়া সাবালিকা না হবে ততদিন পর্যন্ত তাকে মীরের ঘরে পাঠাবেন না।

আর এটাই হচ্ছে তাদের গ্রাম অঞ্চলের প্রচলিত নিয়ম। তাই কেউ কিছুই বলল না।। তবে মীরের যত ব্যক্তিগত কাজগুলো ছিল সব বুঝিয়ে দেওয়া হল মায়াকে। মীরকে ভাত বেরে খাওয়ানো, তার কাপড় ধোয়া, ঘর পরিষ্কার করা,বিছানা পরিষ্কার করা সব। মায়াকে বোঝানো হয়েছে। মীর তার স্বামী, এবং স্বামীর সকল দায়িত্ব তাকে পালন করতে হবে কোন আপত্তি করা যাবে না।

মায়া গ্রামে বড় হয়েছে তার এই সমস্ত কাজ করে অভ্যাস আছে, তাই সে খুশি খুশি সমস্ত কিছুর দায়িত্ব নিয়ে নিলো।

সময় যাচ্ছে নিজের গতিতে সমসময় তো আর কারোর জন্য থেমে থাকে না। মায়ার ১২ বছর হতে কিছু দিন বাকি, এরমধ্যে শ্বশুরের সঙ্গে বাবার বাড়ি থেকে ঘুরে এসেছে দুবার।

মায়া লক্ষী মেয়ে কাজকর্মে পটু, তার তুলনায় নারগিস তো কোন কাজই পারেনা, শাশুড়ি মন্জু বেশ খুশি মায়ার ওপর।

প্রথম প্রথম মীর মায়ার দিকে তেমন একটা লক্ষ্য না করলেও, ইদানিং সে প্রতিদিন সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে তার বারান্দায় বসে দাঁত মিসওয়াক করতে করতে সামনের রান্নাঘরে দিকে তাকিয়ে লক্ষ্য করে মায়াকে।

মেয়েটা লক্ষী কত সুন্দর মাথায় ঘোমটা টেনে তার মায়ের পাশে বসে রান্নার কাজে এটা ওটা সাহায্য করে, চিকন মেয়েলি কন্ঠে এটা ওটা কথা বলে মাঝে মাঝে হাসে।

মীরের সাথে কথা কম বলে, তবে প্রয়োজনীয় কথা ঠিকই বলে যেমন ভাত বেড়ে যাওয়ার সময় আরো কিছু লাগবে নাকি?

মীর দুপুরে বাজার থেকে ফিরলে, কোনটা খাবে জিজ্ঞাসা করা, কোন কাপড়টা ময়লা হয়েছে, কাপড় ধুয়ে দিবে নাকি সেটা জানে! এমন টুকটাক কথা মায়া নিজেই বলে মীরের সাথে। মীর তখন হ্যাঁ ,আচ্ছা, দাও,লাগবে,লাগবে না।

এই সমস্ত শব্দ ব্যবহার করে কথা শেষ করে দেয়। দুদিন ধরেই মীরের মনে হচ্ছে তার বউটা তার জন্য খুব ভাগ্যবতী, বাড়িতে পা রাখতেই তার ব্যবসার উন্নতি হচ্ছে, ১২ মাসে তার কাপড়ের দোকান থেকে যত আয় হয়েছে, গত দুই মাসেই তার থেকে ডাবল হয়েছে।

তাই মীর মনে মনে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করল এমন ভাগ্যবতী বউ তার কপালে রেখেছে বলে।

প্রতিদিনের মতোই সকালবেলা মীর ঘুম থেকে উঠে বারান্দায় বসে, চোখ দুটো তার সামনে,আজ রান্না ঘরে মায় একা,বুঝা যাচ্ছে ভাতের পাতিলের নিচে আগুন জাল দিচ্ছে,পড়নে বেগুনি রঙের সুতির কাপড়, মীর একধ্যানে তাকিয়ে দেখে মায়াকে, মীরের চোখে মনে হচ্ছে মায়ার আগের থেকে স্বাস্থ্য বেড়েছে, আগের থেকে লম্বা হয়েছে। ফর্সা গায়ে বেগুনি রঙের শাড়িটা বেশ মানিয়েছে।

আগুনের শিখার ঝলকানিতে নাকে থাকা স্বর্ণের নাকফুলটা জ্বলজ্বল করছে, কান গলা তো দেখা যাচ্ছে না তবে হাতের রুপার চুড়ি জোড়া স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।

মায়া লক্ষ্য করেনি মীরকে,চুলার আগুনের তাপে গরম লাগছে তার ,তাই মাথার ঘোমটা টা নামিয়ে লম্বা চুলের খোঁপাটা খুলে পুনরায় বেঁধে নিচ্ছে, হাতদুটো উঁচু করায় বোঝাগেলো ব্লাউজ নাই শরীরে, যার কারণে তার গলা, হাত ,কান এমনকি হাতে নিচের ফর্সা চামড়া জ্বলজ্বল করে উঠলো মীরের চোখের সামনে।

মূহুর্তেই মিলনের বুক ধক করে ওঠে, গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে যায়, এমন ভাবে মায়াকে সে কখনোই দেখেনি, এমনকি কোন মেয়েকেও না।

গ্রামের মেয়েরা এভাবেই কাপড় পরে তবে তার বোন নারগিস কে ছোটবেলা থেকেই সে তার দোকান থেকে ব্লাউজ এনে দিয়েছে,এবং মা দাদী সবাই কেই, তাহলে মায়া কেন পারেনা,ভাবনাটা মাথায় আসতেই হঠাৎই তার মনে পড়লো, তার বাড়ির মহিলাদেরকে সুরক্ষিত রাখার জন্য এই সিদ্ধান্ত তার ছিল, কিন্তু এখন পর্যন্ত সে তার বউ মায়াকে একটা শাড়ি কাপড় ও এনে দেয়নি যা দিয়েছে তার বাবা এনে দিয়েছে।

মীরের মনে পড়ে তার বাবা প্রতিবার যখন দোকান থেকে কাপড় এনেছে তখন কখনোই ব্লাউজ পেটিকোট আনেনি।

কথাটা ভাবতেই মেজাজ খারাপ হয়ে গেলো মীরের, সে কিভাবে এই বিষয়ে উদাসীন ছিলো, কেন লক্ষ্য করল না আগে, এখন যদি এই স্থানে তার জায়গায় অন্য পুরুষ থাকতো তাহলে এমন খোলামেলা ভাবে তার বউকে দেখে নিত।

এই প্রথমবারের মতো মীর নিজে থেকে এগিয়ে গেলো মায়ার কাছে, রান্নাঘরের দরজার চৌকাঠ শক্ত করে ধরে দরজায় দাঁড়িয়ে দাঁত কটমট করে মীর বলল।

মীর: দ্রুত মাথায় কাপড় তোলো,আর হাত গলা ঢাকো, আর কখনো যেন তোমাকে মাথায় কাপড় ছাড়া না দেখি।

মায়া ততক্ষণে উঠে দাঁড়িয়ে পড়েছে, কি হয়েছে কি করেছে কিছুই বুঝতে পারল না কারণ এর আগে মীর তার সাথে কখনো নিজে থেকে কথা বলেনি।

চমকে গিয়ে ভয়ে মাথায় কাপড় টেনে দাড়াতে গেলো, এক প্যাচের সুতির কাপড় কোমরে গেট দিয়ে কোনরকম ঘুরিয়ে পেঁচিয়েছে শরীরটা জড়ানো ছিল , মায়া এভাবেই অভ্যস্ত তবে এখন দাঁড়ানোর সাথে সাথেই এলোমেলো হয়ে যায়। যাওয়ার কারণে কাপড়ের গিট খুলে পুরো কাপড় পরে যেতে নিলো মায়ার শরীর থেকে।মায়ার শরীরের যে অংশ মীরের এখন দেখার কথা ছিল না সেই দেখে নিল।

কিছুদিন কম ১২ বছরের রেবেকা বয়সের তুলনায় একটু বেশিই পরিপক্ক, তবে তত একটাও না, মীর যে পুরুষ মানুষ তার ওপর মীর তার স্বামী তাই অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে যতটুকুই মীর দেখতে পারলো চোখ দিয়ে ভালোভাবে মেপে নিল।

মীর শুকনো ঢোক গিলে রান্নাঘরে দরজাটি দুহাতে টেনে বন্ধ করে দিলো, বললো।

মীর:আমি দাড়াইছি কেউ আসবো না এখন ,ঠিকভাবে শাড়িটা পইড়া নাও।।রান্না ঘরের দরজা বন্ধ,মায়া উল্টা ঘুরে দাঁড়ালো পুনরায় শাড়িটা শক্ত করে কোমরের সাথে বেঁধে সুন্দর করে গায়ে জড়িয়ে নিলো।

ততক্ষণে মন্জু খাতুন, পুকুরপাড় থেকে টাটকা সবজি ঝুরিতে করে বাড়ির উঠোনে এসে দাঁড়িয়েছে, ছেলেকে রান্না ঘরের দরজা এভাবে ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে মন্জু খাতুন আর সামনে আগায় না।

তবে কি হচ্ছে বুঝতে পারল না। মীর মাকে দেখে দ্রুত দরজার ছেড়ে পুকুরে দিকে চলে গেলো।

মন্জু খাতুন দৌড়ে রান্না ঘরে আসে, মায়ার আপাত মস্তক ভালোভাবে দেখে জিজ্ঞাসা করে।

মন্জু:কি হইছে বউ কিছু কি হইছে মীর এনো দাড়াইয়া ছিল কেন, তোমারে কিছু কইছে। মায়ার সহজ স্বীকারোক্তি।

মায়া: আম্মা উনি আমারে কইলো, আমি যেন কোনদিন মাথায় কাপড় ছাড়া না থাহি , শ‌ইল ভালাক‌ইরা না ডাইকা বাইরে না বের হ‌ই।একথায় মন্জু খাতুন মুচকি হাসে, কেন হাসলো বুঝলো না মায়া।

প্রতিদিনের মতো আজ আর মীরের ভাত খাওয়ার দিকে কোন খেয়াল নেই। তার সম্পূর্ণ খেয়াল মায়ার দিকে, যে এখন দায়িত্ববান স্ত্রীর মতোই স্বামীকে ভাত বেড়ে দিয়ে তার পাশে বসে হাতপাখা দিয়ে বাতাস করতে ব্যস্ত।

গরম ভাতের সাথে লাউ শাক ভাজি পুকুরে টাটকা মাছ ভাজা, আর চিংড়ি ভর্তা সকালে গ্রামের নাস্তা এমনি হয়।মীরকে ভাত নাড়াতে দেখে রেবেকা বলে।

মায়া : কি হ‌ইছে ভাত কি গরম বেশি,খাইতাছেন না কেন।চিকোন কন্ঠে থেমে থেমে কথাটি বললো মায়া।

মীরের কি হলো কে জানে সে হঠাৎ করে তার অর্ধেক খাওয়া প্লেটটা মায়ার সামনে রেখে বলল।

মীর:আমার পেট ভরে গেছে এটা তুমি খাও।মায়া বুঝতে পারেনা কথাটা, শুধু তাকিয়ে থাকে, মীর আবার বলল।

মীর : খাও।

মায়া এবার আশ্চর্য হয় ও কেন মীরের খাওয়া প্লেটে খাবে, ভাতের কি অভাব পরছে?

ও তো খায়, পেট ভরে খায়, শাশুড়ি মায়ের পাশে বসে খায়। কথাগুলো মনে মনে ভাবলেও মায়া মুখে কিছু বলতে পারলনা কারণ তার দাদী মা এবং দাদি শাশুড়ি শাশুড়ি সবাই তাকে বুঝিয়েছে স্বামীর কথার গুরুত্ব সব থেকে বেশি যেন থাকে।

তাছাড়া মায়া মীরকে ভয় পায়। তাই কথা না বাড়িয়ে হাতের পাখাটা শীতলপাটির উপরে রেখে প্লেটে হাত দিল। মীর তা দেখে সন্তুষ্ট হয় ঠোঁট বাঁকিয়ে হালকা হাসে।

দেখতে চাইছিল মায়া তার কথার কতটুকু গুরুত্ব দেয় শুনে কি শোনে না।

মীর সন্তুষ্ট মায়া তার কথা গুরুত্ব দিয়েছে, মীর হাত ধুতে ধুতে মায়ার দিকে তাকায়,মেয়েটা মাথা নিচু করে ভাত খাচ্ছে। মীর শীতল পার্টি থেকে উঠে দাঁড়িয়ে যেতে যেতে রেবেকাকে উদ্দেশ্য করে বলে।

মীর: খাওয়া শেষ হলে আমার ঘরে আইয়ো দেহি, কতা আছে।মায়া মুখে ভাত নিয়ে মাথা নাড়ালো , মুখে বলল।

মায়া: আইচ্ছা ।

মায়া লক্ষী মেয়ের মত ভাত খেয়ে, শীতলপাটি গুছিয়ে রেখে ,থালা ,বাসন নিয়ে পুকুরে থালা বাসন গুলো পরিষ্কার করেছিলো মীর তখন তার ঘরের জানালা সামনে দাঁড়িয়ে বিড়ি টানছিলো, পুকুরের সাথে জানালা হওয়ায় ঘাট থেকে স্পষ্টই দেখা যায় সবটা , অন্য কেউ হলে তো মীর বিড়ি লুকাতো সরে যেত দ্রুত তবে মায়াকে দেখে দাঁড়িয়েই থাকলো।

সেখনেই, লম্বা ঘোমটা টেনে মায়া কাজে মনোযোগ দিয়েছে, তাই সে লক্ষ্য করল না কেউ বিড়ির এক একটা সুখটানের সাথে জিবনের বাকি দিন গুলো কতো সুখময় হবে সেইসব পরিকল্পনা করছে।

পানির কলকল শব্দের মতো তার হৃদপন্দন শনশন করছে, সে তাকিয়ে রইলো তার ছোট্ট বালিকা বউয়ের দিকে।

এই কি অনুভুতির জোয়ার শুরু হলো তার মনে? এই জোয়ার কি সে আটকে রাখতে পারবে নাকি তার সাথে ভাসিয়ে নিয়ে যাবে এই সম্পর্কটাকে

রেসপন্স কইর সবাই প্লিজ আপনাদের রেসপন্সে গল্প দেওয়ার আগ্রহ বারে তাই সবাই রেসপন্স করবেন 🌹🌹🌹

চলবে..........

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ২য় পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন